খাতায়-কলমে বিচ্ছেদ জয়জিৎ–শ্রেয়ার, নীরবতাতেই আলাদা পথ
ব্যুরো রিপোর্ট: ডিসেম্বরের শহরে যেখানে প্রেম গোপনে বাসা বাঁধে, সেখানেই কখনও কখনও নিঃশব্দে ঘটে যায় বিচ্ছেদ। পার্কস্ট্রিটের আলোঝলমলে রাস্তায় ভালবাসার গল্প যেমন তৈরি হয়, তেমনই অনিবার্য হয়ে ওঠে সম্পর্কের ছেদ। টলিপাড়ায় এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও এক পরিচিত নাম।
দীর্ঘদিনের দাম্পত্যে ইতি টানলেন জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও প্রকাশ্য অভিযোগ নয়, কোনও ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়িও নয়—নিভৃতেই আলাদা হল তাঁদের পথ। এই ডিসেম্বরেই খাতায়-কলমে সম্পন্ন হয়েছে বিচ্ছেদ। বহুদিন ধরেই তাঁদের সম্পর্ক যে আর সোজাপথে চলছে না, সেই ইঙ্গিত মিলছিল। তবু নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন আগলে রাখতেই পছন্দ করেছিলেন দু’জনেই।
👨👩👦 সন্তান, কাজ আর আলাদা জীবন
বর্তমানে তাঁদের ছেলে রয়েছে বাবার কাছেই। বাবা–মা–সন্তান মিলিয়ে বছর শেষে ট্রিপেও গিয়েছিলেন জয়জিৎ। অন্যদিকে শ্রেয়া ব্যস্ত নিজের কর্মজীবনে—এক নামজাদা মিউজিক সংস্থার উচ্চপদে কর্মরত তিনি।
❓ বিচ্ছেদের কারণ কী?
ঠিক কী কারণে এই বিচ্ছেদ, তা নিয়ে মুখ খোলেননি কেউই। তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে নানা গুঞ্জন ঘুরছে। কখনও পরকীয়ার অভিযোগে জয়জিতের নাম জড়িয়েছে উঠতি মডেলের সঙ্গে, আবার কখনও বা নামজাদা গায়কের সঙ্গে শ্রেয়ার সম্পর্কের খবর উঠে এসেছে চর্চায়। যদিও এসব নিয়েই প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি তাঁরা।
🗣️ অতীতের এক অসম্পূর্ণ উত্তর
এর আগে শ্রেয়ার সঙ্গে দাম্পত্য নিয়ে দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়জিতকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,
“আপনি না চাইলেও আপনাদের সংসার এই মুহূর্তে চর্চায়। শোনা যাচ্ছে ডিভোর্স হচ্ছে?”
উত্তরে তিনি বলেছিলেন,
“আমি ম্যারেড।”
“হ্যাপিলি?”—এই প্রশ্নে শুধু হালকা হেসে চুপ করে ছিলেন তিনি। কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।
আজ সেই নীরবতাই যেন সবটা বলে দিল।
🔚 সম্পর্কের দ্য এন্ড
দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এখানেই ইতি। ঝড়ের গভীরে স্তব্ধতা সঙ্গী করেই আলাদা ভাবে জীবন বেছে নিলেন জয়জিৎ ও শ্রেয়া। কোনও ঘোষণা নয়, কোনও নাটক নয়—নীরবতার মধ্যেই টলিপাড়ায় আরও এক ভাঙন।
অজয়: 'দে দে প্যায়ার দে ২' ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি — নতুন কাস্ট ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বিনোদন সংবাদ • মুক্তি খবর
অজয় ঘোষণা করেছেন: 'দে দে প্যায়ার দে ২' ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে
আপডেট: 11 অক্টোবর 2025
স্থান: মুম্বাই (ঘোষণা)
মোটর পোস্টার সচিত্র
অজয় দেবগণের সোশ্যাল শেয়ার করা মোশন পোস্টারের ভিত্তিতে ছবির মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। (ছবি: অফিসিয়াল মোশন পোস্টার — প্রতীকী)
বোলিউড অভিনেতা অজয় দেবগণ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছেন যে, ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত রোমাঞ্চকর প্রেমকাহিনি 'দে দে প্যায়ার দে'র দ্বিতীয় কিস্তি চলতি বছরের ১৪ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। ঘোষণা অনুযায়ী ছবির মোশন পোস্টারও শেয়ার করা হয়েছে, যা থেকে দেখা যাচ্ছে যে রাকুল প্রীত সিং এই সিক্যুয়েলে ফের প্রধান চরিত্রে রয়েছেন।
এই ছবি পরিচালনা করেছেন অঙ্গুল শর্মা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে ছবির কাস্ট লাইন-আপে রয়েছেন মাধবন, জাভেদ জাফরি, মীজান জাফরি জুটি, গৌতমী কাপুর এবং ইশিতা দত্ত — যারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নিকটবর্তী। ঘনিষ্ঠ সূত্র ও পোস্টার থেকে ধারণা করা যাচ্ছে ছবির টোন হবে রোমান্টিক-কমেডি মিশ্রিত, যদিও অফিসিয়ালি কাহিনীর বিশদ অংশ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
অভিনয় ও প্রযোজনা দলের আনুষ্ঠানিক বিবরণ ও ট্রেইলারের মুক্তি সম্পর্কে অফিসিয়াল ঘোষণাগুলো আগামী কয়েক সপ্তাহে আসতে পারে। তৈরির সময়কাল ও প্রদর্শনী পরিকল্পনা নিয়ে নির্মাতা দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী তথ্য আপডেট করা হলে তা আলাদাভাবে জানানো হবে।
এই প্রেক্ষাপটে টিকিটরিজার্ভেশন, শ্রেণিবিন্যাস বা আন্তর্জাতিক মুক্তির সূচি জানতে হলে ছবির অফিসিয়াল সোশ্যাল পেজ ও প্রযোজক হাউসের বিজ্ঞপ্তি মনিটর করা বাঞ্ছনীয়।
শ্যালিকা-জামাইবাবু থেকে স্বামী-স্ত্রীর পথে: তন্নু ও রাহুলের সম্পর্কের সংঘাত ও বিয়ের কাহিনি
শ্যালিকা-জামাইবাবু থেকে স্বামী-স্ত্রীর পথে: তন্নু ও রাহুলের সম্পর্কের সংঘাত ও বিয়ের কাহিনি
রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | স্মরণিকা: 8 অক্টোবর, 2025
গৃহপরিচারিকা বা আত্মীয়ের কেয়ার—দায়বদ্ধতার নাম নিয়ে ঢোকার পরিণতি কখনো কখনো অনपेক্ষিত মোড় নেয়। বিহারের জামুই জেলার খাইরা থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া এক সম্পর্কের গল্প তেমনই। দিদির বিলোপিত পরিবারের দায় নেওয়া থেকে শুরু করে জামাইবাবুর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পথে পরিবারের প্রতিক্রিয়া, লুকোচুরি, বিতণ্ডা এবং শেষমেশ মন্দিরবিবাহ—সবই কাহিনিতে রয়েছে।
গিধেশ্বর শিব মন্দির—জামুইয়ের পারিবারিক মন্ডলীর পরিচিত ধর্মীয় স্থান, যেখানে তন্নু ও রাহুল নিবন্ধনীয় বিয়ে সম্পন্ন করেন। (ছবি: স্থানীয়)
সংক্ষিপ্ত সারমর্ম:
নীলমের মৃত্যুতে তার মেয়ের দেখাশোনা করতে বাড়ি গেলে তন্নু পড়েন তার শাশুড়বাড়ির জামাই রাহুলের সঙ্গে; শুরু সীমিত দায়বোধ, পরবর্তীতে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক—পরিবারের আপত্তি, দূরত্ব, গোপন দেখা-শোনা এবং অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিতে মন্দিরে বিয়ে।
ঘটনাটির কেন্দ্রীয় ব্যক্তি তন্নু—আমারি গ্রামের বাসিন্দা। তন্নুর দিদি নীলমের বিয়ে হয়েছিল বাতাসপুরের বাসিন্দা রাহুলের সঙ্গে। ভেন্ট্রিকেলে সংসারের ছন্দ ছিল অবিচল। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের একটি কন্যা সন্তানও ছিল। কিন্তু কন্যার বয়স প্রায় দেড় বৎসর হলে নীলম অকালেই রয়ে যান।
নীলমের প্রয়াণের পর, পারিবারিক দায়িত্ববোধ থেকে তন্নু চলে যান দিদির বাড়ি; মেয়েটির দেখাশোনা, বাড়ির কাজ—সব কিছুতে হাত বাড়ান তিনি। গ্রামের সামাজিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক প্রসঙ্গে এমন দায়িত্ব নেওয়া ব্যাপক প্রশংসিত। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে দায়েরসঙ্গীতা একটি নতুন রূপরেখা নেয়—তন্নু ও রাহুল একে অপরের প্রতি ম্যারাঞ্জ করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন।
শুরুটা ছিল দায়িত্ব-অনুপ্রাণিত—শিশুর দেখাশোনা, ঘর-বাড়ির দায়িত্ব বিনিময়ে দু'জনের মধ্যকার সান্নিধ্য বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে সেই সান্নিধ্য থেকে জন্ম নেয় ঘনিষ্ঠতা; ধোঁয়াশা ছড়ানোর আগেই সম্পর্ক গভীরতর হয়।
কিন্তু পরিবার সবসময়ই সহজে মেনে নেয়নি।
প্রতিটি পরিবারে সামাজিক মর্যাদা, সম্মান ও সংস্কার মেনে চলার প্রত্যাশা থাকে—বিশেষত এমন সম্পর্ক যেখানে সম্পর্কের সূচনা শাশুড়বাড়ি ও শ্যালিকার মাঝেই। খবরটি দুই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছে পৌঁছালে প্রতিবাদের স্রোত বয়ে ওঠে। বহির্বিশ্বের সমালোচনা, আত্মীয়স্বজনের রোষ—সব মিলিয়ে পারিবারিক অশান্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়।
প্রাথমিকভাবে তন্নুর বাবা-মা তন্নুকে জামুই ফিরিয়ে নিয়ে যান এবং সম্পর্ক বিচ্ছেদের হুমকি জানান। তাদের ধারণা—দূরত্ব বজায় রাখলে সম্পর্কের আগুন অনুভবহীন হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে দূরত্ব যেন সম্পর্ককে দুর্বল করার বদলে আরো পাকা করে তোলে; লুকোচুরি, মিলন-সাক্ষাৎ—সবই সীমাবদ্ধ চেষ্টায় ঘনিয়ে ওঠে।
রাহুলও থেমে থাকেননি। বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়দের সমর্থন নিয়ে তিনি পরিবারগুলোর কাছে তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার অনুরোধ শুরু করেন। লম্বা আলোচনার পর—সম্ভবত পারিবারিক চাপ, স্থানীয় সামাজিক বিবেচনা ও সরাসরি সমঝোতার মাধ্যমেই—অবশেষে দুই পরিবারই নরম হন।
দুটি পরিবারিক আশীর্বাদ মিলেই গিধেশ্বর মন্দিরে নিয়ম মেনে অনুষ্ঠিত হয় তন্নু ও রাহুলের বিয়ে। মন্দিরটি ওই এলাকার পরিচিত ধর্মীয় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে—যেখানে গ্রামের মানুষ বারবার আসে আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য। বিয়ের দিন উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের বহু সদস্য; স্থানীয়ভাবে এই ঘটনার গুরুত্ব অনুভূত হয়।
এ ঘটনাটি স্থানীয় সমাজে নানা প্রশ্নও তুলেছে—কীভাবে দায়-দায়িত্ব থেকে শুরু হওয়া সম্পর্ক পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ধারণার সঙ্গে সংঘাত সৃষ্টি করে? কোথায় পড়ে ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও সামাজিক বিধিবিধান—এ প্রশ্নগুলো এই কাহিনির মধ্যেই বারবার উঠে আসে।
একদল নেটিজেন এই সম্পর্ককে 'প্রেমের স্বাধীনতা' ও 'বাধা অগ্রাহ্যতা' হিসেবে দেখেন; অনেকে আবার পরিবার ও সামাজিক রীতিনীতি মেনে চলার কথা বলছেন। স্থানীয় ক্ষেত্রবিশেষে এমন রকমের সম্পর্ক ভিন্নমত সৃষ্টি করে—কারণ প্রত্যেক পরিবারের নিজস্ব ইতিহাস, সম্মান-সংবেদনশীলতা ও সামাজিক অবস্থান আলাদা।
দুঃখজনক পাশাপাশিই দেশের আরেকটি বিস্ময়কর কেনো কাণ্ডও সামনে আসে—নিয়মিতভাবে শ্যালিকা-জামাইবাবু সংক্রান্ত নাটকীয় কাহিনির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। অক্টোবরের শুরুর দিনগুলোতে উত্তরপ্রদেশের এক ঘটনাও আলোচনায় ছিল, যেখানে সম্পর্ক ও পরিবারগত সহিংসতার মিশ্র ফলাফল হিসেবে প্রাণহানি পর্যন্ত ঘটেছে। এই প্রেক্ষাপটও দেশের সামাজিক ও আইনগত আলোচনাকে জোরদার করে।
তন্নু ও রাহুলের কাহিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—প্রেম ও দায়বদ্ধতার মধ্যে সূক্ষ্ম সীমারা উপস্থিত। সমাজ, পরিবার ও ব্যক্তিগত ইচ্ছার মধ্যে সমতা প্রতিষ্ঠা করা যে সহজ নয় তা এই কাহিনি স্পষ্ট করে দেখায়। অবশেষে—এই দম্পতির সিদ্ধান্ত ও দুই পরিবারের একত্রে নেওয়া সমর্থনই তাদের নতুন জীবনের পথ প্রশস্ত করেছে।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক
আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ ও মা অর্পিতা মুম্বইয়ে পুজো পালন করছেন।
বাবা সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পুজোর মরশুমে মুক্তি পাওয়া দেবী চৌধুরানী ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে নজরকাড়া অভিনয় করেছেন। কলকাতায় একাধিক পুজোর উদ্বোধন এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি থাকায় শহর ছেড়ে নড়ার উপায় হয়নি অভিনেতার। এ বছর তিনি শহরে একাই পুজো কাটিয়েছেন, কারণ স্ত্রী অর্পিতা ও ছেলে তৃষাণজিৎ মুম্বইতে ছিলেন।
মুম্বইতে থাকেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিনি জুহুতে বহু বছর ধরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে আসছেন। সেখানে দেখা গেছে পুত্রবধূ অর্পিতা এবং নাতি তৃষাণজিৎকে। নাতি মিশুকের জন্য বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই ভিডিও অর্পিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।
প্রসেনজিৎ এবং পুত্র তৃষাণজিৎ সক্রিয়ভাবে যজ্ঞের সব আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন। মা অর্পিতাকে দেখা গেছে আগুনের তাপ দিতে ছেলের মাথায়।
তৃষাণজিতের টলিউড অভিষেক: শোনা যাচ্ছে, ঠাকুরদা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, বাবা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং মা অর্পিতার পথ অনুসরণ করে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায় খুব শীঘ্রই ফিল্মি দুনিয়ায় অভিষেক করতে চলেছেন। প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ তাঁকে সেলুলয়েডে নিয়ে আসছে এবং সব কিছু ঠিক থাকলে এবছরই শ্যুটিং শুরু হবে।
পুজোর আগে চলমান প্রচারের সময়, ‘দেবী চৌধুরাণী’ ছবির প্রচারের সময় তৃষাণজিতের অভিনয়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন হলে প্রসেনজিৎ তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেননি, যদিও পরিচালক বা প্রযোজনা সংস্থার নাম জানাননি।
পূজোর ৪ বাংলা ছবির বক্স অফিস আয় — দিন ১ ও দিন ২ রিপোর্ট
পুজোর ৪ বাংলা ছবির বক্স অফিস আয় — প্রথম দুই দিনের আপডেট (Sacnilk অনুযায়ী)
Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক • আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: পুজো মুক্তির চারটি বাংলা ছবির পোস্টার (ফাইল/প্রতীকী ছবি)
Sacnilk-এর বক্স অফিস রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পুজোয় মুক্তি পাওয়া চারটি বাংলা ছবির প্রথম দিনের ও দ্বিতীয় দিনের নেট কালেকশন নিম্নরূপ পাওয়া গেছে। নিচের টেবিলে ছবিগুলো ও তাদের আয় বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো।
চিত্রনাট্য/ছবি
প্রথম দিন (নেট)
দ্বিতীয় দিন (নেট)
টীকা/নোট
রঘু ডাকাত
₹ ৪৫ লক্ষ
₹ ৮২ লক্ষ
দ্বিতীয় দিনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
রক্তবীজ ২ (নন্দিতা-শিবপ্রসাদ)
₹ ১৫ লক্ষ (প্রায়)
₹ ৩৯ লক্ষ
প্রথম দিন অপেক্ষা দ্বিতীয় দিনে ভাল বৃদ্ধি।
যত কান্ড (অনীক দত্ত)
₹ ৬ লক্ষ
—
প্রথম দিনের নেট কালেকশন; দ্বিতীয় দিনের তথ্য আপডেট হয়নি।
দেবী চৌধুরানী (প্রসেনজিৎ-শ্রাবন্তী)
প্রায় ₹ ৭ লক্ষ
—
প্রথম দিনের নেট কালেকশন; পরবর্তী আপডেটে বৃদ্ধি/কমার তথ্য যোগ করা হবে।
উদ্ধৃতি: উপরের তথ্য Sacnilk কর্তৃক সংগ্রহীত বক্স অফিস ডাটা অনুসারে প্রদত্ত। (প্রযোজনা/বিতরণকারী অফিসিয়াল ঘোষণা না দিলে চূড়ান্ত হিসাব ভিন্ন হতে পারে।)
টেবিল থেকে স্পষ্ট যে রঘু ডাকাত-এর দ্বিতীয় দিনের পারফরম্যান্স বিশেষভাবে লক্ষণীয়—প্রথম দিন ₹৪৫ লক্ষ থেকে বেড়ে দ্বিতীয় দিনে পৌঁছেছে ₹৮২ লক্ষ (নেট)। অপরদিকে রক্তবীজ ২ প্রথম দিন থেকে উন্নতি দেখিয়েছে—প্রায় ₹১৫ লক্ষ থেকে দ্বিতীয় দিনে প্রায় ₹৩৯ লক্ষে উঠেছে।
অন্যান্য দুটি ছবির (অনীক দত্তর 'যত কান্ড' ও প্রসেনজিৎ-শ্রাবন্তীর 'দেবী চৌধুরানী') প্রথম দিনের আয় তুলনামূলকভাবে কম হলেও এগুলোও প্রেক্ষাগৃহ ভিত্তিক পারফরম্যান্স ও দর্শক প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে কদিনে বাড়তে বা কমতে পারে।
আমরা Sacnilk ও প্রযোজক/বিতরণ সংস্থার অফিসিয়াল পরবর্তী আপডেট মনিটর করে রাখছি—চূড়ান্ত এবং সংহত কালেকশন হিসাব প্রকাশ পেলে এই রিপোর্ট আপডেট করা হবে।
‘ক্রু’ ছবির তিন প্রধান অভিনেত্রী — করিনা, টাবু ও কৃতী (ফাইল ছবি)
বলিউডের আলোচিত ছবি ‘ক্রু’ দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বিমান সেবিকার চরিত্রে করিনা কাপুর খানের অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। ছবির অন্য দুই মুখ্য চরিত্রে ছিলেন টাবু ও কৃতী শ্যানন। এবার শোনা যাচ্ছে, প্রযোজনা সংস্থা একতা কাপুর ও রিয়া কাপুর ‘ক্রু ২’ তৈরির কাজে হাত দিয়েছেন। কিন্তু সিক্যুয়েলকে ঘিরে বড়সড় টুইস্ট সামনে এসেছে।
প্রথম ছবি: ২০২৪ সালে মুক্তি পায় ‘ক্রু’, করিনা-টাবু-কৃতীর অভিনয় প্রশংসিত হয়। সিক্যুয়েল: ‘ক্রু ২’-তে কেবল করিনা কাপুর থাকছেন বলে খবর। গুঞ্জন: টাবু ও কৃতী শ্যানন নাকি সরে গিয়েছেন প্রকল্প থেকে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: এখনো হয়নি।
প্রথম ছবির সাফল্য
‘ক্রু’ মুক্তির পর দর্শক এবং সমালোচকরা একসুরে প্রশংসা করেছিলেন। নারীকেন্দ্রিক কাহিনি, চমকপ্রদ চিত্রনাট্য এবং তিন তারকার অসাধারণ অভিনয় ছবিটিকে বলিউডের সফল নারীকেন্দ্রিক সিনেমার তালিকায় স্থান দিয়েছিল। বিশেষ করে করিনার ক্যারিয়ারে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে দাঁড়ায়।
কেন সরে গেলেন টাবু ও কৃতী?
যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবুও বলিউড অন্দরের খবর অনুযায়ী, সময়সূচির সমস্যা এবং সৃজনশীল পার্থক্যের কারণে টাবু ও কৃতী শ্যানন এই প্রকল্প থেকে সরে গিয়েছেন। টাবু বর্তমানে একাধিক ওয়েব সিরিজে ব্যস্ত আর কৃতী শ্যাননও নতুন কয়েকটি ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত।
প্রযোজকদের পরিকল্পনা
প্রযোজক একতা কাপুর ও রিয়া কাপুর অবশ্য এখনই পুরো কাস্ট প্রকাশ করেননি। তবে জানা যাচ্ছে, করিনা কাপুরকে কেন্দ্র করেই গল্প এগোবে। টাবু ও কৃতীর পরিবর্তে নতুন কোন দুই অভিনেত্রীকে আনা হবে, সেই নিয়েই এখন জোর জল্পনা চলছে।
বলিউডে সিক্যুয়েল ট্রেন্ড
সাম্প্রতিক সময়ে বলিউডে সিক্যুয়েলের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বেড়েছে। জনপ্রিয় ছবির সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে নির্মাতারা সিক্যুয়েল বানানোর পথে হাঁটছেন। কিন্তু চরিত্র পরিবর্তন বা অভিনেতা বদলালে অনেক সময় দর্শকের প্রত্যাশা পূরণে সমস্যা হয়। তাই ‘ক্রু ২’ কতটা সফল হবে, তা এখনই বলা কঠিন।
ভক্তদের প্রতিক্রিয়া
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভক্তদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই টাবু ও কৃতীকে না পাওয়ায় হতাশ। আবার অনেকে বলছেন, কেবল করিনা কাপুরই যথেষ্ট এই ছবিকে হিট করার জন্য। তবে অফিসিয়াল ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সব কিছুই গুঞ্জন হিসেবেই রইল।