Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 6 February 2026

ভোটের মুখে সুর বদল? ভারত নিয়ে ‘রঙিন’ মন্তব্যে জল্পনা বাড়াল জামাত প্রধান

পাকিস্তান-ঘেঁষা রাজনীতি কিংবা প্রকাশ্য ভারত-বিরোধিতা—এই দুই পথে শেষমেশ লাভের বদলে ক্ষতিই হয়, সেই বাস্তবতা হয়তো হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলাদেশের কট্টর ইসলামপন্থী দল জামাত-ই-ইসলামি। তাই আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে নিজেদের ভাবমূর্তি বদলানোর চেষ্টায় ভারত সম্পর্কে কিছুটা সংযত ও নরম সুরে কথা বলছে তারা—এমনই ইঙ্গিত মিলছে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে।
সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জামাত প্রধান ড. শফিকুর রহমানের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। তাঁর বক্তব্য ছিল,
“ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে বিষয়টি কত রঙিন হয়, দেখুন না…”
এই মন্তব্যের পরই সাংবাদিকদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে। সেই আবহেই আর ব্যাখ্যা না করে সম্মেলন ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। ঠিক কী বোঝাতে চাইলেন জামাত প্রধান—তা নিয়েই এখন কাটাছেঁড়া চলছে রাজনৈতিক মহলে ও সামাজিক মাধ্যমে।

শেখ হাসিনার জমানার পতনের পর বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, তার অন্যতম বড় ফল কট্টর ইসলামপন্থীদের পুনরুত্থান। সংখ্যালঘু নির্যাতন, হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক ঘটনার নেপথ্যে সবচেয়ে বেশি দায় চাপছে জামাত-ই-ইসলামির ওপর। হাসিনা সরকারের আমলে দলটির বিরুদ্ধে উগ্রতা ও হিংসায় মদতের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যেতেই ফের রাজনৈতিক মূলস্রোতে ফিরে আসে জামাত।

এই মুহূর্তে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে রয়েছেন। ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একাধিকবার তাঁকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানালেও ভারত এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও অবস্থান নেয়নি। এই ইস্যুতে অতীতে ভারতের কড়া সমালোচনায় সরব ছিল জামাত।

তবে ভোট যত এগোচ্ছে, ততই সাবধানী হচ্ছে দলটি। দীর্ঘদিনের ভারত-বিরোধী ভাবমূর্তি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা স্পষ্ট। এমনকি সংখ্যালঘু ভোট টানতে জামাত এবার প্রার্থী করেছে কৃষ্ণ নন্দী নামে এক হিন্দু মুখকে—যা তাদের রাজনীতিতে একেবারেই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ।

নির্বাচনী ইস্তেহারেও সুর বদলের ইঙ্গিত দিয়েছে জামাত। সেখানে ভারত-সহ ভুটান, নেপাল, মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার কথা বলা হয়েছে।

আগামী ১২ তারিখ বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ, শেখ হাসিনা অনুপস্থিত—এই পরিস্থিতিতে জামাতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার বিএনপি। যদিও বিএনপি তুলনামূলকভাবে কম কট্টর, ফলে জনসমর্থনের দিক থেকে তাদের পাল্লা ভারী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

তাহলে কি এই বাস্তব সমীকরণ মাথায় রেখেই ভারত নিয়ে নরম সুরে কথা বলছে জামাত? ‘রঙিন’ শব্দের আড়ালে কি সম্পর্ক মেরামতির ইঙ্গিত লুকিয়ে রয়েছে? নাকি এটি নিছক কৌশলী ধোঁয়াশা?
উত্তর এখনও অধরা। তবে ভোটের মুখে জামাতের ভাষা ও ভঙ্গির এই বদল যে তাৎপর্যপূর্ণ, তা নিয়ে দ্বিমত নেই।

৮ম পে কমিশনের নামে ভাইরাল বেতন তালিকা, কতটা সত্য?

Y বাংলা ওয়েবডেস্ক
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি গ্রাফিক, যেখানে দাবি করা হচ্ছে—৮ম পে কমিশন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সম্ভাব্য বেতন তালিকা। শিক্ষক, ডাক্তার থেকে শুরু করে আইএএস, আইপিএস ও ভারতের সরকারের সচিব—বিভিন্ন পদের সম্ভাব্য মাসিক বেতনের অঙ্ক দেখানো হয়েছে ওই তালিকায়। গ্রাফিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের ছবি ব্যবহার করায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।
ভাইরাল তালিকায় দেখা যাচ্ছে—
শিক্ষকের বেতন ৮৫ হাজার, ডাক্তার ১ লক্ষ ৩০ হাজার, বিচারক ১ লক্ষ ৫০ হাজার, আইএএস/আইপিএস স্তরের বেতন দেড় লক্ষ থেকে শুরু করে সরকারের সচিবের বেতন ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এখনও পর্যন্ত ৮ম পে কমিশন গঠন বা তার সুপারিশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। ফলে এই বেতন তালিকা সরকারি নথি নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অর্থনৈতিক মহলের মতে, পে কমিশন সংক্রান্ত যে কোনও সিদ্ধান্তে আগে কমিশন গঠন, রিপোর্ট জমা ও কেন্দ্রের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তার আগে এমন নির্দিষ্ট বেতন অঙ্ক প্রকাশ পাওয়া কার্যত অসম্ভব।
ফ্যাক্ট-চেকারদের একাংশের দাবি, ভাইরাল এই তালিকাটি অনুমানভিত্তিক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট, যা চাকরিপ্রার্থী ও সরকারি কর্মীদের মধ্যে ভুল প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে। তাই সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া এমন তথ্য বিশ্বাস না করারই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

গুলিবিদ্ধ আপ নেতা লাকি ওরফে রয়, প্রার্থনা সেরে ফেরার পথে হামলা

Y বাংলা ওয়েবডেস্ক
প্রার্থনা থেকে ফেরার পথেই গুলিবিদ্ধ হলেন পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টির নেতা লাকি ওরফে রয়। বৃহস্পতিবার সকালে জলন্ধরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, একটি গুরুদ্বার থেকে প্রার্থনা সেরে মোটরবাইকে করে ফিরছিলেন লাকি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই পথ আটকায় দুষ্কৃতীরা। আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থেকে একের পর এক গুলি চালানো হয় তাঁকে লক্ষ্য করে। হামলায় ৮ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন লাকি ওরফে রয়। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। রাজনৈতিক শত্রুতা না কি অন্য কোনও কারণ—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Wednesday, 4 February 2026

মমতার সুপ্রিম সওয়াল দেখতে রেকর্ড ভিড়, ভার্চুয়াল মাধ্যমেই ছাপাল উত্তেজনা



সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাসে আজ শুনানি শুরু হয়েছে। নির্ধারিত একাধিক মামলার পরেই ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) সংক্রান্ত মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল শোনা হওয়ার কথা। এই শুনানিকে ঘিরে শুরু থেকেই দেশজুড়ে চরম আগ্রহ ও কৌতূহল লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে রেকর্ড ভিড় জমেছে। সুপ্রিম কোর্টের অনলাইন লাইভ স্ট্রিমে ইতিমধ্যেই এক হাজারের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছেন, যা নির্ধারিত সীমার থেকেও বেশি বলে জানা গেছে। আদালত সূত্রে খবর, সাম্প্রতিক কালে কোনও মামলায় এমন ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ খুব কমই দেখা গেছে।

মূলত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থেকে বক্তব্য পেশ করতে চান— এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মানুষের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। একজন সাংবিধানিক পদাধিকারী হয়ে সরাসরি আদালতে নিজের বক্তব্য রাখার বিষয়টি নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকেই।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই শুনানি শুধু আইনি দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক ভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুপ্রিম কোর্টে মমতার সওয়াল এবং বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণের দিকেই এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।

লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

আজ লোকসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবে বক্তব্য রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকেল প্রায় ৫টা নাগাদ তাঁর ভাষণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে সংসদীয় সূত্রে জানা গেছে।

এই ভাষণে সরকারের নীতি, গত কয়েক বছরের সাফল্য এবং আগামী দিনের রোডম্যাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অর্থনীতি, উন্নয়ন, জাতীয় নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সামাজিক প্রকল্প— একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবও দিতে পারেন তিনি।

বিরোধী পক্ষের কটাক্ষ ও প্রশ্নের মধ্যেই আজকের অধিবেশন ঘিরে সংসদের ভেতরে বাড়তি উত্তেজনার সম্ভাবনা রয়েছে। শাসক ও বিরোধী— উভয় শিবিরের সাংসদদের উপস্থিতিতে লোকসভার এই অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের দিকেই এখন নজর গোটা দেশের।

Saturday, 31 January 2026

রামমন্দিরে আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে


অযোধ্যা: অযোধ্যায় রামমন্দির দর্শনের জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে আমন্ত্রণ জানাল শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, সম্প্রতি ট্রাস্টের কয়েক জন সদস্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন।

নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “আমরা আশা করছি রাষ্ট্রপতি তাঁর সময়সূচি অনুযায়ী একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন। সম্ভবত মার্চ মাসেই তিনি অযোধ্যায় রামমন্দির দর্শনে আসতে পারেন।”

রামমন্দির উদ্বোধনের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্টজনদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে ট্রাস্ট সূত্রে খবর। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে এখনও সফরের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি।

TMC বিধায়কের কড়া নিদান! BJP-র প্রচারে গেলে ‘বেঁধে রাখার’ হুঁশিয়ারি


বর্ধমান দক্ষিণ: নির্বাচনী প্রচার ঘিরে উত্তেজক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। BJP-র বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, বিজেপির লোকেরা প্রচারে গেলে তাঁদের বেঁধে রাখার নিদান দেওয়া উচিত।

এক সভায় খোকন দাসের বক্তব্য,
“নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে কেন বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে? কেন বাংলার মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারবে না? কেন তাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে?”

এখানেই থামেননি তিনি। আরও এক ধাপ এগিয়ে বিধায়ক বলেন,
“তুমি আমাদের বাড়িতে বসবে। আগে জবাব দেবে, তারপর যাবে। চাইলে পাঁচ মিনিটে বিজেপির মিটিং বন্ধ করে দিতে পারি।”

খোকন দাসের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। BJP নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল শাসিত বাংলায় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই এই ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি—বিজেপি পরিকল্পিতভাবে বাংলার মানুষ ও সংস্কৃতিকে আক্রমণ করছে, তারই প্রতিবাদে এই ক্ষোভ।

নির্বাচনের আবহে এমন মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনীতি যে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।

Wednesday, 28 January 2026

নবান্নকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি পদক্ষেপ! ১৫ IAS ও ১০ IPS-কে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বৈঠকে ডাকল নির্বাচন কমিশন


কলকাতা: আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। ১৫ জন IAS এবং ১০ জন IPS অফিসারকে সরাসরি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (সেন্ট্রাল অবজার্ভার ও পুলিশ অবজার্ভার) হিসেবে নিয়োগ সংক্রান্ত বৈঠকে ডাকা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, একাধিকবার নাম চাওয়া হলেও নবান্ন নাম না দেওয়ায় এবার সরাসরি উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন।

চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু, অসম এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। ওই নির্বাচনগুলিতে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্যই এই ২৫ জন সর্বভারতীয় ক্যাডারের আধিকারিককে তলব করা হয়েছে।

৫-৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বৈঠক
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আন্ডার সেক্রেটারি এম এল মীনা-র পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উপস্থিতিতে এই বৈঠক হবে।

দিল্লির দ্বারকায় অবস্থিত ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’-এ আয়োজিত দু’দিনের এই বৈঠকে হাজির থাকা বাধ্যতামূলক বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

গরহাজির হলেই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ
চিঠিতে কড়া ভাষায় জানানো হয়েছে, তলব করা কোনও IAS বা IPS অফিসার বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে’ পদক্ষেপ করা হবে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের CEO-কে।

পাশাপাশি, ইমেল মারফত ওই ১৫ জন আধিকারিকের কাছ থেকে বৈঠকে যোগদানের নিশ্চয়তা সংক্রান্ত উত্তর পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
ভিন্‌রাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগের ইঙ্গিত
কমিশন সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য রাজ্যের কাছে একাধিকবার নাম চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নবান্ন সাড়া না দেওয়াতেই এবার সরাসরি এই সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের এই IAS-IPS আধিকারিকদের ভিন্‌রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

রাজ্য-কমিশন টানাপোড়েনের আবহে এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়াচ্ছে।

সিঙ্গুরে মমতা, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান উদ্বোধন করে কেন্দ্রকে তোপ


সিঙ্গুর: বামেদের ‘বধ্যভূমি’ হিসেবে পরিচিত সিঙ্গুরে বুধবার মেগা সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি পরিষেবা প্রদান, একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাসের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দেন তিনি। সভা থেকেই ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন বহু প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান—১,৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের অর্থেই কাজ হবে বলে স্পষ্ট জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
মমতার অভিযোগ, “কেন্দ্র এক পয়সাও দেয়নি। কিন্তু কথা দিলে কথা রাখি। ঘাটালের মানুষ বারবার বঞ্চিত হয়েছেন, এবার আর নয়।” একই সঙ্গে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, “আমাকে আঘাত করলে আমি কালবৈশাখী হয়ে যাই, টর্নেডো হয়ে যাই।”
সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা সহায়তা, শস্যবিমায় ৪ হাজার কোটি টাকা, স্বাস্থ্যসাথী ও খাদ্যসাথীর সুবিধা, সিঙ্গুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গঠনের কথাও জানান তিনি। স্পষ্ট করেন, শিল্প হবে, তবে কৃষিজমিতে নয়।
এসআইআর প্রসঙ্গে সরব হয়ে মমতা বলেন, “এসআইআরের নামে এনআরসি করার চক্রান্ত চলছে। কে ভোটার আর কে নয়, সেটা মানুষ ঠিক করবে।” প্রতিবাদ জানিয়ে কবিতা পাঠও করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মানস ভুঁইঞা সহ একাধিক নেতা। দেব বলেন, “অনেকেই কথা দিয়েছিলেন, কেউ রাখেননি। দিদি কথা রেখেছেন। ঘাটালের মানুষ আজ কৃতজ্ঞ।”
রাজনৈতিক মহলের মতে, সিঙ্গুর থেকেই ভোটের আগে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী—উন্নয়ন, অধিকার আর প্রতিশ্রুতি রক্ষার বার্তা।

সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন মমতার! একগুচ্ছ প্রকল্পে রাজনৈতিক বার্তা



Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক:
দু’দশক পর ফের রাজনৈতিক উত্তাপ সিঙ্গুরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার কয়েকদিনের মধ্যেই আজ, বুধবার সিঙ্গুর থেকেই বহু প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস, পরিষেবা প্রদান ও জনসভা—সব মিলিয়ে ভোটের বাংলায় বড়সড় রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন তিনি।
সম্প্রতি সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা হলেও সেখানে শিল্প নিয়ে কোনও ঘোষণা না হওয়ায় হতাশ স্থানীয় মানুষ। সেই আবহেই আজ সিঙ্গুরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ঘাটালের তিনবারের সাংসদ দীপক আধিকারী ও রাজ্যের জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুইয়াঁ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন।
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান দীর্ঘদিন ধরেই ঘাটালবাসীর দাবি। বারবার কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানানো হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সেই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, কেন্দ্রের দিকে না তাকিয়েই রাজ্য সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। রাজ্য বাজেটে প্রাথমিক ভাবে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় কাজ। অবশেষে বিধানসভা ভোটের আগেই ঐতিহাসিক সিঙ্গুর থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রশাসনের দাবি, এই প্রকল্পের ফলে পশ্চিম মেদিনীপুরের ৭টি ব্লক—ঘাটাল, দাসপুর ১ ও ২, চন্দ্রকোনা ১ ও ২, কেশপুর, ডেবরা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ৪টি ব্লক—পাঁশকুড়া ১, কোলাঘাট, ময়না ও তমলুক, পাশাপাশি ঘাটাল ও পাঁশকুড়া পুরসভার মানুষ উপকৃত হবেন। মোট প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ জল-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন বলে দাবি প্রশাসনের।

এছাড়াও এদিনের সভা থেকে শিল্প সংক্রান্ত বড় কোনও ঘোষণাও মুখ্যমন্ত্রী করতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান। সিঙ্গুরের বারুইপাড়া পলতাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দ্রখালি এলাকায় লক্ষাধিক উপভোক্তার হাতে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের অনুমোদনপত্র তুলে দেবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সভার পর মুখ্যমন্ত্রী কোনও মন্তব্য না করলেও, আজকের সভা থেকেই তার রাজনৈতিক জবাব মিলতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের লক্ষ্য, দু’লক্ষ মানুষের সমাগম। মন্ত্রী বেচারাম মান্না জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রীর সভায় প্রায় ৪০ হাজার মানুষ হয়েছিল। আমাদের টার্গেট দু’লক্ষ। তাই বড় মাঠেই সভার আয়োজন করা হয়েছে।”

Featured post

পাকিস্তান-ঘেঁষা রাজনীতি কিংবা প্রকাশ্য ভারত-বিরোধিতা—এই দুই পথে শেষমেশ লাভের বদলে ক্ষতিই হয়, সেই বাস্তবতা হয়তো হাড়ে হাড়ে টের প...

Search This Blog