Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label রাজ্য. Show all posts
Showing posts with label রাজ্য. Show all posts

Sunday, 11 January 2026

শুভেন্দুর গাড়িতে ‘হামলা’ অভিযোগে নড়ল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তৃণমূলের কটাক্ষ, ‘পুরোটাই রাজনৈতিক নাটক’

 



ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা নিউজ:
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে এবার সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শনিবার গভীর রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।

জানা যাচ্ছে, ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৩ তারিখ মঙ্গলবার চন্দ্রকোনায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি অবরোধ ও সভার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। পুরুলিয়া থেকে মেদিনীপুর ফেরার পথে চন্দ্রকোনা রোডে শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের প্রায় কুড়িজন দুষ্কৃতী বাঁশ ও লাঠি হাতে তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে চন্দ্রকোনা রোড ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ফাঁড়ি ইনচার্জের সামনেই মেঝেতে বসে পড়েন শুভেন্দু। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না বলেও জানান। শেষ পর্যন্ত রাত দেড়টা নাগাদ ফাঁড়ি ছাড়েন তিনি। ওই রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয় বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

এই ঘটনার প্রতিবাদে পালটা কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে গোটা ঘটনাকে ঘিরে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি,

“একটা জেলায় ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। থানার স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের নাটক চলতে পারে না।”

তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্টেও তীব্র বিদ্রুপ ধরা পড়েছে। তিনি লেখেন,

“সিআরপিএফের ঘেরাটোপে থেকেও সামান্য স্লোগান সামলাতে পারে না, আবার নাকি রাজ্য সামলাবে?”

অরূপ চক্রবর্তীর আরও দাবি, শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীরাই স্থানীয় বিজেপি নেতা গৌতম কৌরিকেই মারধর করেছেন। তাঁর কথায়,

“বহিরাগত সিআরপিএফ চিনতে না পেরে বিজেপির মণ্ডল নেতা গৌতম কৌরিকেই তুমুল লাঠিপেটা করা হয়েছে। তিনি আবার বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী বলেও শোনা যাচ্ছে।”

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে কেন্দ্র–রাজ্য রাজনৈতিক তরজা এখন চরমে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট তলবের পর এই ইস্যু কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Friday, 9 January 2026

আইপ্যাক দপ্তর থেকে ‘নির্বাচনী নথি চুরি’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে থানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার লিখিত নালিশ

 


আইপ্যাক দপ্তর থেকে ‘নির্বাচনী নথি চুরি’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে থানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার লিখিত নালিশ

Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক:
তল্লাশির নামে আইপ্যাকের দপ্তর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি চুরির অভিযোগ তুলে এবার সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) বিরুদ্ধে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। আচমকাই আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। সেই খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ১৫ মিনিট প্রতীক জৈনের বাড়িতে ছিলেন তিনি। বেরোনোর সময় একটি সবুজ রঙের ফাইল হাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ইডির এই অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল হাতিয়ে নেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।

এর মধ্যেই খবর আসে, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি পৌঁছে যান আইপ্যাকের দপ্তরে। অভিযোগ, সেখান থেকে কিছু নথি, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিজের গাড়িতে তোলেন তিনি।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের কৌশল ‘চুরি’ করতেই কেন্দ্র ইডিকে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, ইডির তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে—মুখ্যমন্ত্রী অনৈতিকভাবে তদন্তে বাধা দিয়েছেন।

গোটা বিষয়টি গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইডির বিরুদ্ধে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির সময় ঠিক কী ঘটেছিল, মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন কোন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন—তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের উত্তর চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ইডির তরফে একটি রিপোর্ট অর্থমন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্টই পরবর্তী পর্যায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হবে।

তৃণমূল সাংসদদের হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ, ‘ধর্ষকদের বেল, প্রতিবাদীদের জেল’ মন্তব্য অভিষেকের

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y বাংলা নিউজ

কলকাতায় আইপ্যাক (IPAC)-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Prateek Jain) বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে ইডি অভিযানের (ED Raid) রেশ এবার ছড়াল জাতীয় রাজনীতিতেও। বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরের বাইরে ধর্না-বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একাধিক সাংসদ। তবে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভের অভিযোগ তুলে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

তৃণমূলের অভিযোগ, বিক্ষোভরত সাংসদদের টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। বাসে তুলে তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মিত্র, কীর্তি আজাদ, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। পরে প্রশাসনিক কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন,
“এরা ধর্ষকদের জামিন দেয়, আর প্রতিবাদীদের জেলে পুরে দেয়।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে অভিষেক আরও লেখেন,
“আজ গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, আর অপরাধীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ভোট লুটের চেষ্টা চলছে। এটাই বিজেপির ‘নতুন ভারত’।”

এখানেই থামেননি তিনি। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026) সামনে রেখে বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তৃণমূল নেতা। অভিষেকের বক্তব্য,
“গোটা দেশ বিজেপির চাপে আত্মসমর্পণ করলেও বাংলা করবে না। বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেই। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে বিজেপির সব দাঁত-নখ ভেঙে দেব।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আইপ্যাক ও প্রতীক জৈনকে ঘিরে ইডি অভিযানের পর যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল, দিল্লিতে সাংসদদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ সেই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা ও বিরোধী কণ্ঠ দমনের অভিযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে জাতীয় স্তরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে চলেছে তৃণমূল—এমন ইঙ্গিতই মিলছে।

অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের দাবি, প্রথমে সাংসদদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। সেই অনুরোধ মানা না হওয়াতেই বিক্ষোভ সরাতে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

মমতার সবুজ ফাইলে কী ছিল? ইডি অভিযানের মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা কতটা বৈধ—প্রশ্নের মুখে রাজনীতি

 



ডিজিটাল ব্যুরো | Y বাংলা নিউজ

বৃহস্পতিবারের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা নিঃসন্দেহে আই-প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি-র অভিযান। সেই তল্লাশি চলাকালীনই নাটকীয়ভাবে প্রতীকের ফ্ল্যাটে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ পর বুকে আগলে একটি সবুজ ফোল্ডার হাতে বেরিয়ে আসেন তিনি। পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আই-প্যাকের অফিসেও যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেও তাঁর গাড়িতে এক সহযোগীকে কয়েকটি ফাইল তুলতে দেখা যায়।

দিনভর এই ঘটনাপ্রবাহের পর সাধারণ মানুষের মনে মূলত দু’টি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—
এক, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা ওই সবুজ ফাইলে আসলে কী ছিল?
দুই, ইডি-র তদন্ত চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী কি এভাবে ঢুকে পড়ে ফাইল নিয়ে আসতে পারেন?

দ্বিতীয় প্রশ্নটি নতুন নয়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির সময়েও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সিবিআই ও কলকাতা পুলিশের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সিবিআই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি বড় কোনও আইনি পরিণতিতে গড়ায়নি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারও মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও, এই প্রশ্ন আদতে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছবে না। বিরোধীরা যেমন সমালোচনায় সরব, তেমনই শাসক শিবির এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই দেখছে।

এবার আসা যাক সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্নে—সবুজ ফাইলে কী ছিল?

মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রতীক জৈনের বাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ছিল। তাঁর দাবি, বিজেপি ইডি-কে ব্যবহার করে সেই তালিকা হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই কারণেই তিনি ওই নথি সেখান থেকে সরিয়ে এনেছেন। মমতার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সবুজ ফোল্ডারের মধ্যেই ছিল তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।

এই একটি বক্তব্যই মুহূর্তের মধ্যে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ বদলে দিয়েছে। সবুজ ফোল্ডার বুকে আগলে বেরিয়ে আসার সেই ছবি কার্যত দিনের সবচেয়ে আলোচিত ফ্রেম হয়ে উঠেছে।

বাস্তবে ওই ফাইলে কী ছিল, তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না। হতে পারে তাতে কেবল সাদা কাগজই ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতায় তৃণমূলের কোর সমর্থক, দলের কর্মী ও বিজেপি-বিরোধী একাংশের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছে।

আই-প্যাক তৃণমূলের সংগঠনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়, তা অজানা নয়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বে আই-প্যাক বাংলায় সক্রিয় হয়। বর্তমানে বুথ স্তর থেকে শুরু করে সংগঠনের ডেটা, সমীক্ষা, প্রার্থী বাছাইয়ের খসড়া, প্রচারের নকশা—সবই পেশাদারভাবে আই-প্যাকের কাছে থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। সেই অর্থে প্রতীক জৈনের বাড়ি বা আই-প্যাকের অফিসে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে?

তৃণমূল বিরোধীদের একাংশ এই ঘটনায় স্বস্তি পেলেও, শাসক দলের ভিতরের যে অংশ আই-প্যাকের প্রভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট, তাঁদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে বৃহত্তর রাজনৈতিক চিত্রে এই ঘটনা পক্ষ-বিপক্ষের অবস্থানকে আরও তীক্ষ্ণ করবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

সংবিধানের ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের প্রশ্নও উঠেছে। বিজেপি এই ঘটনাকে সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়ার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে পারে। তবে অতীতে অরুণাচল ও উত্তরাখণ্ডে রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় মাথায় রেখে কেন্দ্র সেই পথে হাঁটবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

তবে এটুকু স্পষ্ট, এই ঘটনা এখানেই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, প্রতীক জৈনকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস দিতে পারে। অতীতে যেমন রাজীব কুমারকে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তেমন পরিস্থিতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে, আই-প্যাক ইডি অভিযান, সবুজ ফাইল এবং মুখ্যমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ—এই ত্রয়ী আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাজ্যপালকে খুনের হুমকি! ইমেলে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ বার্তা, লোকভবনে হাই অ্যালার্ট

 



ডিজিটাল ব্যুরো | Y বাংলা নিউজ

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্য প্রশাসনে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে লোকভবনের আধিকারিকদের ইমেলে আসে একটি হুমকি বার্তা। সেখানে স্পষ্ট ভাষায় লেখা ছিল—রাজ্যপালকে “উড়িয়ে দেওয়া হবে”।

বার্তাটি নজরে আসতেই রাতেই তৎপর হয়ে ওঠেন লোকভবনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তারা। জরুরি বৈঠক ডাকা হয় এবং রাজ্যপালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তদন্ত শুরু হয়। হুমকি মেলের বিষয়টি দ্রুত জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে।

লোকভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপালকে ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ ও সিআরপিএফ। মাঝরাতেই শীর্ষস্তরে বৈঠকে বসেন বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা। সম্ভাব্য ঝুঁকি, নিরাপত্তা বলয় আরও মজবুত করার কৌশল এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি—সব দিকই খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে।

বর্তমানে রাজ্যপালের জন্য ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও, এই হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। লোকভবনের আধিকারিকদের দাবি, এর আগেও রাজ্যপালকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হুমকি এসেছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যপাল আনন্দ বোস শুক্রবার নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াই রাস্তায় নামার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন,
“বাংলার মানুষই আমাকে রক্ষা করবেন।”
এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

একই দিনে শহরের রাজনীতিতেও উত্তাপ রয়েছে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর ৮বি থেকে হাজরা পর্যন্ত মিছিলে নামছেন। আগের দিন আই-প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডির তল্লাশির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী সরব হন এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। ফলে শহরের দুই শীর্ষ প্রশাসনিক মুখ আলাদা আলাদা পথে রাস্তায় নামায় পুলিশের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

ইডির তল্লাশি ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে রাজ্যপালও কড়া মন্তব্য করেন। তিনি বলেন,
“সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা দেওয়া অপরাধ। হুমকি বা আইনি ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাজ থেকে বিরত করা আরও গুরুতর অপরাধ। সংবিধানিক কর্তৃপক্ষ যদি সংবিধানের বাইরে যান, তা অত্যন্ত বিপজ্জনক।”

হুমকি মেলের উৎস কী, কারা এর পিছনে রয়েছে এবং রাজ্যপালের নিরাপত্তা আরও কীভাবে জোরদার করা হবে—সব দিকেই এখন নজর রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের।

Thursday, 8 January 2026

I-PAC ইডি রেড: ‘ভোটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই’, ফাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইডি

 


🔴 I-PAC ইডি রেড: ‘ভোটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই’, ফাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইডি

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি-সহ দেশের মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আই-প্যাকের (I-PAC ED Raid) অফিসে অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠলেও, ইডি সাফ জানিয়ে দিয়েছে—এই তল্লাশির সঙ্গে ভোট বা কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের আই-প্যাকের কলকাতা অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। একই সঙ্গে সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও অভিযান চলে। তল্লাশি শেষে আই-প্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাসভবন থেকে একাধিক নথির বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের।

তল্লাশির পর সেখান থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ভোট কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, দলের কাগজপত্র ও তথ্য ‘লুট’ করা হয়েছে। হার্ড ডিস্ক, আর্থিক নথি এবং রাজনৈতিক কাজকর্ম সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজ বাজেয়াপ্ত করার কথাও তিনি জানান। পাশাপাশি বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার সাহস না থাকায় এই ধরনের পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ইডির অভিযানকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন।

তবে বেলা গড়াতেই ইডির তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে,
“সাংবিধানিক পদে থাকা এক ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন। দু’টি জায়গায় বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চলছিল।”
ইডি আরও জানায়, কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়কে টার্গেট করা হয়নি এবং এই অভিযানের সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।

এই বিবৃতির পরই আই-প্যাকের অফিসে তল্লাশিতে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আগামী দিনে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাউডন স্ট্রিটে যাওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অনৈতিক। যদিও তদন্ত বা ইডির তল্লাশি সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

শুভেন্দু অধিকারী জানান, তদন্তের বিষয়বস্তু নিয়ে তিনি কথা বলবেন না, তবে অতীতেও সাংবিধানিক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেস দফতরের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইভাবে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির সময়েও তৎকালীন পুলিশ কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে অবস্থান করেছিলেন তিনি।

সব মিলিয়ে, আই-প্যাক ইডি রেড ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপানউতর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। হাইকোর্টে মামলার শুনানি এই বিতর্কে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

SIR শুনানি ঘিরে নতুন জটিলতা: বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব সিইও দফতরের

 


 SIR শুনানি ঘিরে নতুন জটিলতা: বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব সিইও দফতরের

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে চলতি স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব ঘিরে একের পর এক জটিলতা সামনে আসছে। ইতিমধ্যেই বহু ভোটার শুনানির নোটিস পেয়েছেন। নির্ধারিত নথি নিয়ে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকলেও, রাজ্যের বাইরে কিংবা বিদেশে থাকা ভোটার এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সেই নির্দেশ বাস্তবে কতটা কার্যকর—তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে নতুন ভাবনায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর। সূত্রের খবর, ভিন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক ও বিদেশে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আলাদা কোনও অনলাইন পোর্টাল বা ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে যাতে এই ভোটারদের শুনানি নেওয়া যায় বা তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে পারেন, সেই বিষয়টি বিবেচনায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর হবে কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনই।

এদিকে, এসআইআর সংক্রান্ত নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি সিএএ (CAA) সার্টিফিকেটকে প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এল, যখন মঙ্গলবারই কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কোনওভাবেই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না।

কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন, তাঁদের ফের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হতে পারে। মঙ্গলবারই এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, শুরুতে কমিশনের অবস্থান ছিল—ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করবেন সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO)। সেই কারণেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল, কোন স্তরের আধিকারিক এই শংসাপত্র ইস্যু করেন।

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জেলাশাসকরাই ইস্যু করতেন। পরবর্তীতে সেই ক্ষমতা দেওয়া হয় অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM) এবং মহকুমা শাসক বা এসডিওদের। ঘটনাচক্রে, এসআইআর পর্বে এই এসডিওরাই নির্বাচনী নথিভুক্তিকরণ আধিকারিক (ERO)-র দায়িত্বেও রয়েছেন।

এই ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আদৌ এসআইআর-এর ক্ষেত্রে প্রমাণ্য নথি কি না, তা জানতে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠায় রাজ্য সিইও দফতর। কমিশন সূত্রে খবর, সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এসআইআর শুনানিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

সব মিলিয়ে, এসআইআর শুনানি পর্বে বাইরে থাকা ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্য প্রশাসন ও ভোটাররা।

Wednesday, 7 January 2026

এসআইআর আতঙ্কে মতুয়ারা, ‘সহ্য করতে হবে’ বিতর্কের পর বনগাঁয় ড্যামেজ কন্ট্রোলে শুভেন্দু



এসআইআর আতঙ্কে মতুয়ারা, ‘সহ্য করতে হবে’ বিতর্কের পর বনগাঁয় ড্যামেজ কন্ট্রোলে শুভেন্দু

 Y বাংলা নিউজ   ডিজিটাল ডেস্ক  

প্রথম থেকেই এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে আতঙ্কে মতুয়া সম্প্রদায়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ঘিরে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বহুদিন আগেই। সেই আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের ‘সহ্য করতে হবে’ মন্তব্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতেই বুধবার মতুয়াগড় হিসেবে পরিচিত বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় এসআইআর শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে বারবার দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয় তর্কবিতর্ক। বিশেষ করে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে আতঙ্ক ছড়ায়। বিজেপির তরফে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় বহু মতুয়ার নাম তাতে নেই।

এই আবহেই সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন,
“ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ গেলে, সেখানে ১ লক্ষ আমাদের লোক (মতুয়া) যদি বাদ যায়, তাহলে সেটুকু সহ্য করতে হবে।”
এই মন্তব্য ঘিরেই মতুয়া সমাজে ক্ষোভ ও উদ্বেগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। একাংশ আন্দোলনের পথেও হাঁটেন।

পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মতুয়াদের আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে তাতেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। বুধবার মতুয়াদের একাংশ রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হন বলেও জানা গিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতেই এদিন বনগাঁয় সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ থেকে তিনি বলেন,
“প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

শুভেন্দু আরও দাবি করেন,
“হিন্দুদের বাঁচাতেই আমি তৃণমূল ছেড়েছি। বাংলায় এখন জামাতের সরকার চলছে।”
এরপর তিনি মতুয়াদের আশ্বস্ত করে বলেন, কেন্দ্র সবসময় মতুয়াদের কথা ভাবে বলেই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শান্তনু ঠাকুরের ‘সহ্য করতে হবে’ মন্তব্যে যে বিতর্ক ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, বনগাঁর সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য সেই ক্ষতি সামাল দেওয়ারই চেষ্টা। ছাব্বিশের আগে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখাই যে বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ, তা এই ঘটনাপ্রবাহেই স্পষ্ট।

প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটি, ৩৫ জনের তালিকায় নেই দিলীপ–শুভেন্দু–সুকান্ত, সহ সভাপতি হলেন তাপস রায়

 


প্রকাশ্যে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটি, ৩৫ জনের তালিকায় নেই দিলীপ–শুভেন্দু–সুকান্ত, সহ সভাপতি হলেন তাপস রায়

ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

অবশেষে প্রকাশ্যে এল বঙ্গ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি। ৩৫ জনের এই রাজ্য কমিটি ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। কারণ, তালিকায় নেই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম। শুধু তাই নয়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নামও রাখা হয়নি এই কমিটিতে।

দীর্ঘদিন রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা একাধিক শীর্ষ নেতার নাম বাদ পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া উত্তর কলকাতার বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন কমিটিতে। শুধু রাজ্য কমিটির সদস্যই নন, তাঁকে রাজ্য সহ সভাপতি পদেও নিয়োগ করা হয়েছে। বিজেপির অন্দরে তাপস রায়ের এই উত্থান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

নতুন রাজ্য কমিটিতে পুরনো কয়েকজন মুখও ফিরেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম তনুজা চক্রবর্তী। একসময় বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব সামলালেও পরে তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন কোনও উল্লেখযোগ্য সাংগঠনিক দায়িত্বে না থাকলেও এবার শমীক ভট্টাচার্যের উদ্যোগে তাঁর পুনর্বাসন হল। তনুজা চক্রবর্তীকেও রাজ্য সহ সভাপতি পদে আনা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রকাশ্যেই দিলীপ ঘোষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার বার্তা দিয়ে যান। তার পর থেকেই নতুন উদ্যমে জনসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে দিলীপকে। কিন্তু সেই আবহেই রাজ্য কমিটির তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় দিলীপ অনুগামীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ভোটের আগে বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল কোন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন কমিটি কি ভবিষ্যতের বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস, না কি কৌশলগত সিদ্ধান্ত—তা নিয়ে এখন থেকেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

মাথাচাড়া দিতে দেব না’ বলতেই বলতেই বিজেপি আজ প্রধান বিরোধী—অভিষেককে পাল্টা দিলীপ ঘোষ

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতে ফের তুঙ্গে তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলে কটাক্ষ করার একদিনের মধ্যেই কড়া পাল্টা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ভোটের সময় আসে, ভোট মিটলেই উধাও হয়ে যায় বিজেপি। একই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল—রাজ্যে বিজেপিকে কোনওভাবেই মাথাচাড়া দিতে দেওয়া যাবে না।

এই মন্তব্যের জবাবে বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন,
“এই ‘মাথাচাড়া দিতে দেব না’ কথাটা বলতেই বলতেই বিজেপি আজ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে।”

দীর্ঘদিন কিছুটা নীরব থাকলেও বিধানসভা ভোটের আগে ফের মাঠে নেমেছেন দিলীপ। পুরনো আক্রমণাত্মক ছন্দেই তিনি দাবি করেন, শুরু থেকেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণ, সংঘর্ষ এমনকি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবুও বিজেপির লড়াই থামেনি, থামবেও না।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বাংলার উন্নয়নের দাবিতে বিজেপির সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলের কর্মীরা আত্মত্যাগে প্রস্তুত। রাজ্যে পরিবর্তন ঘটানোই বিজেপির লক্ষ্য—এই বার্তাই দেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে দিলীপ ঘোষকে বৈঠকে ডাকেন। পরে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন তিনি। তার পর থেকেই একের পর এক জনসভা শুরু করেছেন দিলীপ। ভোটের আর কয়েক মাস বাকি থাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে স্বাভাবিকভাবেই।

যেখানে অমিত শাহ ২০০-র বেশি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন—তৃণমূল পাবে ২৫০-র বেশি আসন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল বলেছিল ‘৪২-এ ৪২’। ফলাফল সকলেরই জানা। তাঁর মতে, এবার ২৫০ নয়, চাইলে ২৯৪ আসনের দাবিও করতে পারে তৃণমূল, কিন্তু বাস্তব বদলাবে না।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট কৌশল নিয়েও আক্রমণ শানান দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের সামনে মানুষের কাছে বলার মতো কোনও ইস্যু নেই। পুরনো নেতাদের সামনে এনে ভোট পার করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তাতে কোনও ফল হবে না।

এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এক সময় বলা হয়েছিল এসআইআর করতে দেওয়া হবে না, পরে বলা হয় কোনও নাম বাদ যাবে না। অথচ বাস্তবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের রাজনীতিতে সংঘাতের সুর আরও চড়া হচ্ছে—এটাই স্পষ্ট।

Tuesday, 6 January 2026

বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

 


বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

বাংলায় কথা বলার অপরাধে ফের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বিজেপি শাসিত ছত্তিশগড়ে পুরুলিয়ার ৮ জন সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে বজরং দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। হামলার জেরে এক শ্রমিকের হাত ভেঙে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়ি গ্রামের বাসিন্দা শেখ জসিম প্রায় তিন মাস আগে ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার সুরজপুর এলাকায় একটি পাউরুটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। প্রায় দু’মাস কাজ করার পর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। পরে কারখানায় আরও শ্রমিকের প্রয়োজন হওয়ায় মাস খানেক আগে তাঁর ভাই শেখ আলম, চেপড়ি গ্রামের শেখ বাবিন ওরফে শরিফুল, শেখ জুলফিকার, শেখ সাহিল, তেঁতলো গ্রামের আরবাজ কাজী এবং আড়শা থানার ভুরসু গ্রামের শেখ মিনাল ও শেখ ইসমাইল সেখানে কাজে যোগ দেন।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আটজন সুরজপুর এলাকার পেররী গ্রামে একটি পাউরুটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, রবিবার বিকেলে কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। সেই সময় স্থানীয় কিছু বজরং দলের সদস্য কারখানায় পৌঁছায়। এরপর বাংলায় কথা বলার কারণে তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে তকমা দিয়ে লাঠিপেটা করা হয় বলে অভিযোগ।

এই হামলায় শেখ জসিম গুরুতর আহত হন এবং তাঁর একটি হাত ভেঙে যায় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটজনকেই উদ্ধার করে।

চেপড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি শেখ ইকবাল জানান, রবিবার দুপুরে ছত্তিশগড় পুলিশের এক আধিকারিক ফোন করে ওই আটজনের নাম ও ঠিকানা জানতে চান। পরে পুরুলিয়া মফস্বল থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবারের তরফে প্রয়োজনীয় নথি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার জেরে আতঙ্কে রয়েছেন শ্রমিকদের পরিবার। তেঁতলো গ্রামের বাসিন্দা আরবাজ কাজীর বাবা সায়েদ কাজী বলেন, “আমি নিজেও ভিনরাজ্যে কাজ করি। ছেলেকে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশি বলে মারধর করা হয়েছে শুনে খুব ভয় পাচ্ছি।”

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আড়শা ও পুরুলিয়া মফস্বল থানার তরফে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

 


এসআইআর শুনানির লাইনে খোদ বিডিও! মাটিয়ালি ব্লকে ব্যতিক্রমী ঘটনায় জোর চর্চা

রাজ্যজুড়ে যেখানে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা, ঠিক সেখানেই এক ব্যতিক্রমী ছবি উঠে এল জলপাইগুড়ির মাটিয়ালি ব্লকের মেটলি এলাকায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই লাইনে দাঁড়িয়ে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে দেখা গেল লাভা ব্লকের বিডিও ভারতী চিক বড়াইককে। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বিডিও ভারতী চিক বড়াইক-সহ তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর পিতা কপিল চিক বড়াইক, বোন আরতি চিক বড়াইক এবং ভাই প্রণব চিক বড়াইক। ইতিমধ্যেই বিডিও ভারতী চিক বড়াইক শুনানিতে হাজির হয়েছেন। আগামী দিনে পরিবারের বাকি তিন সদস্যের শুনানিতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না, আর সেখান থেকেই এই জটিলতার সূত্রপাত। যদিও পরিবারের দাবি, তাঁরা সকলেই ভারতীয় নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরেই মালবাজার মহকুমার জুরন্তি চা বাগান এলাকায় বসবাস করছেন।

তাঁদের আরও দাবি, ১৯৯৯ সালে মেটলি হাসপাতাল পাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০০৪ সালে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তার আগেও একাধিকবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল, কিন্তু সে সময় তা সম্ভব হয়নি বলে পরিবার সূত্রে দাবি।

একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিও নিজেই এসআইআর শুনানির লাইনে দাঁড়ানোয় বিষয়টি প্রশাসনিক মহলে নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখন সব নজর এসআইআর শুনানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই।

কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

 


কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

চলতি মরশুমে যেন রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। নতুন বছরের শুরুতেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১১ ডিগ্রিতে। এরপর কয়েকদিন পারদ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও মঙ্গলবার ফের এক ধাক্কায় নামল তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়ায় ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত এক দশকের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ ডিগ্রিতে। তার পর থেকে প্রতি বছর পৌষ-জানুয়ারিতে পারদ মূলত ১১ ডিগ্রির আশেপাশেই ঘোরাফেরা করেছে। বহুবছর পর চলতি বছরে জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নেমে এল ১১ ডিগ্রির নিচে।

মরশুমের শুরু থেকেই ঠান্ডার দাপটে খুশি শীতপ্রেমীরা। তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা বেশ কষ্টকর। লেপ-কম্বল ছাড়া বেরোনো কার্যত দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে থাকলেও মঙ্গলবার এক ধাক্কায় তিলোত্তমার পারদ নেমে যায় ১০ ডিগ্রির ঘরে।

শহরের পাশাপাশি শহরতলি ও জেলার পরিস্থিতিও প্রায় একই। কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছে পথঘাট। দৃশ্যমানতা এতটাই কমেছে যে একহাত দূরের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে যান চলাচলেও। ট্রেন ও বাস চলছে ধীর গতিতে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, মঙ্গলবারের ঠান্ডা একাধিক পুরনো রেকর্ডের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। এর আগে ২০০৩ সালের ২২ জানুয়ারি কলকাতায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৯.৩ ডিগ্রিতে। আরও পিছনে তাকালে দেখা যায়, ১৮৯৯ সালের জানুয়ারিতে শহরের তাপমাত্রা নেমেছিল ৬.৭ ডিগ্রিতে।

এদিকে উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চরমে। হাঁড়কাপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা পাহাড় ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। শীত উপভোগ করতে দার্জিলিং-সহ উত্তরের একাধিক পাহাড়ি এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকেরা।

Monday, 5 January 2026

BLA–দের ফোন করে সরাসরি প্রশ্ন—‘শুনানিতে পাশে ছিলেন কি বিধায়ক?’ ২০২৬-এর টিকিটে প্রভাব ফেলতে পারে এই মূল্যায়ন

 


📰 Y বাংলা ডিজিটাল খবর | ব্যুরো

এসআইআর (SIR) চলাকালীন মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই নির্দেশ কতটা মানা হয়েছে? বিধায়করা সত্যিই কি মাঠে ছিলেন?—এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নেমেছে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা।

দলীয় সূত্রের খবর, বারাসত থেকে বসিরহাট—বিভিন্ন সাংগঠনিক এলাকায় ইতিমধ্যেই ফোন যাচ্ছে বিএলএ–২দের কাছে। একেবারে সোজাসাপ্টা প্রশ্ন—এসআইআর শুনানির সময় বিধায়ক কি পাশে ছিলেন? এলাকায় কতটা সময় দিয়েছেন? সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়া গিয়েছে কি না? প্রতিটি উত্তরই নথিবদ্ধ হচ্ছে ‘রিপোর্ট কার্ডে’।

শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট—শুধু উপস্থিতি নয়, প্রয়োজনের সময়ে বিধায়ককে পাওয়া যায় কি না, সেটাই আসল মাপকাঠি। আর সেই কাজের নিরিখেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট বণ্টনের সময় গুরুত্ব পেতে পারে এই মূল্যায়ন।

এর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করেছিলেন—যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে পথে নামবে দল। সেই কারণে একাধিক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএলএ–২দের দায়িত্ব ও কাজের রূপরেখা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। এখন মাঠে যাঁরা সরাসরি মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই চলছে তথ্য সংগ্রহ।

দলীয় সূত্রের দাবি, বারাসত সাংগঠনিক জেলায় একাধিক জায়গায় ‘বিধায়ককে কাছে না-পাওয়া’র অভিযোগ জমা পড়েছে। দেগঙ্গা নিয়ে রিপোর্ট মিশ্র। বসিরহাটের কয়েকটি কেন্দ্রেও মতভেদ, যেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ছাপ দেখছেন সংগঠনের একাংশ।

বারাসতের এক বিএলএ বলেন,
“আমাকে পরিষ্কার করে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিধায়ক যোগাযোগ রাখেন কি না। আমি জানিয়েছি—এসআইআর পর্বে উনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন না।”
অন্যদিকে, হাড়োয়ার এক বিএলএর বক্তব্য,
“এলাকায় ক্যাম্প হয়েছে, কাজও হয়েছে। সেটাই জানিয়েছি। তবে বিধায়ক সম্পর্কে কী মত দিয়েছি, তা প্রকাশ করতে চাই না।”

সব মিলিয়ে, এসআইআর ঘিরে যেমন রাজপথে তৎপরতা, তেমনই দলের অন্দরেও শুরু হয়ে গিয়েছে নিঃশব্দ ঝাড়াই–বাছাই। শেষ পর্যন্ত এই জনসংযোগের ‘রিপোর্ট কার্ড’ বিধায়কদের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েই এখন কৌতূহল তুঙ্গে তৃণমূল শিবিরে।

ভোটার তালিকার SIR নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, নির্বাচন কমিশনকে পাল্টা চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর

 


📰 ব্যুরো রিপোর্ট

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে রাজ্য সরকারের আপত্তির কড়া জবাব দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, SIR কোনও হঠকারী বা অপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয়। বরং ভুয়ো ও অযোগ্য ভোটারের নাম ছাঁটাই করতেই এই সাংবিধানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভোটার তালিকায় বেআইনি নাম ঢোকানোর সুযোগ পেয়েছে শাসকদল। সেই ‘অস্বস্তিকর সত্য’ সামনে আসছে বলেই এখন আপত্তি তোলা হচ্ছে।

শুভেন্দু আরও দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে আসলে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের নথি যাচাই করাচ্ছেন এবং সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছেন বলেও দাবি তাঁর।

প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ‘হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা’ ও কোনও আনুষ্ঠানিক নির্দেশ ছাড়াই চালানো হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের অভিযোগ ছিল, কোনও লিখিত বিজ্ঞপ্তি, সার্কুলার বা আইনি নির্দেশ ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা স্বেচ্ছাচারী এবং এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন উঠছে।

এই অভিযোগের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, SIR প্রক্রিয়ার প্রশিক্ষণ, সময়সীমা ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা সারা দেশেই এক নিয়মে চলছে। প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছতা রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

একই সঙ্গে কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং বুথ স্তরের এজেন্টদের ভূমিকা সীমিত করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না ঘটে।

চিঠির শেষাংশে নির্বাচন কমিশনকে কোনও রকম রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, SIR প্রক্রিয়াই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং প্রকৃত ভোটারের অধিকার সুরক্ষিত করবে।

Sunday, 4 January 2026

বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভাঙড়

 



মুখোমুখি তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী, এলাকা জুড়ে চরম উত্তেজনা

ব্যুরো রিপোর্ট: বছরের শুরুতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে ফের অশান্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। রবিবার সকালে মুখোমুখি হয় তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবির। বহিষ্কৃত নেতা আরাবুল ইসলামের অনুগামীদের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অভিযোগ, আরাবুল ইসলামের ছেলে ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হাকিমুল ইসলামের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গদ্দার’ স্লোগানও ওঠে।


🔥 কীভাবে পরিস্থিতি ঘোরালো?

তৃণমূলের একাংশের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শওকত মোল্লার অনুগামীরা হাকিমুল ইসলামের উপর চড়াও হন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শওকত মোল্লা বলেন,

“দলে গদ্দারদের কোনও জায়গা নেই। সাধারণ মানুষ ওদের মানে না।”

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাত থেকে। সেদিন বিকেলে ভাঙড়ের তৃণমূলের একাংশ—হাকিমুল ইসলাম, কাইজার আহমেদ ও ওদুদ মোল্লা—ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অভিযোগ, সেখান থেকে ফেরার পরই রাতে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ওদুদ মোল্লার কাঁঠালিয়ার বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়।


🚨 রবিবার সকালেই বিস্ফোরণ

এই ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে ওদুদের পাশে দাঁড়াতে তাঁর বাড়িতে যান হাকিমুল ও কাইজাররা। সেখান থেকে বেরোনোর সময়ই হাকিমুলের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, শওকত ঘনিষ্ঠরা হামলা চালান এবং লাগাতার ‘গদ্দার’ স্লোগান দিতে থাকেন।


👮 পুলিশি হস্তক্ষেপ

খবর পেয়ে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশি তৎপরতায় হাকিমুল ইসলামকে নিরাপদে এলাকা থেকে বার করে আনা হয়


🗣️ পালটা অভিযোগ–পালটা সাফাই

ঘটনার পরে হাকিমুল ইসলাম সরাসরি শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,

“রাতে ওদুদের বাড়িতে গিয়ে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আজ আমার উপর হামলা চালানো হল। শওকতের লোকজনের দাপটে গোটা এলাকা আতঙ্কে।”

অন্যদিকে শওকত মোল্লার বক্তব্য,

“যারা নিজেরাই ঝামেলা পাকায়, তারাই এখন অন্যের নামে দোষ চাপাচ্ছে। এরা দলে বিশ্বাসঘাতক।”


⚠️ ভোটের আগে বাড়ছে উদ্বেগ

অশান্তি ঠেকাতে এলাকায় এখনও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে ভাঙড়ে এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।

📌 ভাঙড় কি ফের রাজনৈতিক অশান্তির কেন্দ্র হয়ে উঠছে? উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

নাকে অক্সিজেনের নল নিয়েই হাজিরা, জয়নগরের বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু—পরিবারের অভিযোগ

 


SIR শুনানিতে আতঙ্ক!

নাকে অক্সিজেনের নল নিয়েই হাজিরা, জয়নগরের বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু—পরিবারের অভিযোগ

ব্যুরো রিপোর্ট: রাজ্যে SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ার জন্য এনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে শুনানি-পর্ব। কিন্তু এই শুনানিকে কেন্দ্র করেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর অভিযোগ উঠে আসছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর।

জয়নগরের ৬৮ বছর বয়সী নাজিতুল মোল্লার মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের নাম না পাওয়ার দুশ্চিন্তাই তাঁর মৃত্যুর কারণ


🏠 কে ছিলেন নাজিতুল মোল্লা?

নাজিতুল মোল্লা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের গড়দেওয়ানি পঞ্চায়েতের উত্তর ঠাকুরের চক এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের নাম না থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরেই চরম মানসিক চাপে ভুগছিলেন।


🏥 অসুস্থতা থেকে শুনানি, তারপর মৃত্যু

  • ২০ ডিসেম্বর: অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে ডায়মন্ড হারবারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

  • শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়

  • ৩১ ডিসেম্বর: SIR শুনানির জন্য নোটিস আসে

  • পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের বন্ডে স্বাক্ষর করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন

  • নাকে অক্সিজেনের নল লাগানো অবস্থাতেই তিনি শুনানিকেন্দ্রে হাজির হন

শুনানি শেষে বাড়ি ফেরার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।
২ জানুয়ারি তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


⚠️ পরিবারের অভিযোগ

পরিবারের বক্তব্য,

“SIR-এর শুরু থেকেই নাজিতুল আতঙ্কে ছিলেন। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। এই মানসিক চাপই তাঁর মৃত্যুর কারণ।”


🗣️ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

জয়নগরের তৃণমূল নেতা শাহাবুদ্দিন শেখ বলেন,

“নির্বাচন কমিশনের SIR নামক ষড়যন্ত্রের কারণে বাংলার একের পর এক মানুষের প্রাণ চলে যাচ্ছে। এর দায় নির্বাচন কমিশন ও BJP-কেই নিতে হবে।”

তবে এই বিষয়ে স্থানীয় BJP নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি


📌 SIR শুনানি ঘিরে আতঙ্ক আর কত প্রাণ নেবে? উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।

Saturday, 3 January 2026

ছাব্বিশের আগে কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন কোতওয়ালি পরিবারের, তৃণমূল ছেড়ে পুরনো দলে ফিরলেন মৌসম নূর

 


মালদহে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় বদল

২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে ফের একজোট হল মালদহের প্রভাবশালী কোতওয়ালি পরিবার। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আবার কংগ্রেসের ঝান্ডা ধরলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। শনিবার দিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দপ্তরে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগদান করেন তিনি।

সদ্য দায়িত্ব পেয়েই দলত্যাগ

উল্লেখযোগ্য ভাবে, মাত্র তিন দিন আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মালদহের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মৌসম নূরকে। কিন্তু সেই দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি পুরনো দলে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কংগ্রেসে যোগ দিয়ে কী বললেন মৌসম

দলে যোগ দেওয়ার পর মৌসম নূর বলেন,

“কংগ্রেসকে ধন্যবাদ, আমাকে আবার গ্রহণ করার জন্য। আমরা কংগ্রেস পরিবার। কয়েক বছর তৃণমূলে ছিলাম, অনেক সুযোগ পেয়েছি কাজ করার। মমতা দিদিকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি। সোমবার রাজ্যসভা থেকেও ইস্তফা দেব। পরিবারগত ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি একসঙ্গে কাজ করব। দল যে দায়িত্ব দেবে, তা পালন করব। সেক্যুলারিজম, ডেভেলপমেন্ট আর শান্তিই কংগ্রেসের মূল দর্শন—সেই পথেই কাজ করব।”

কেন এই দলবদল?

তৃণমূল ছাড়ার পিছনে মোহভঙ্গের প্রশ্ন উঠলেও মৌসম নূরের বক্তব্য স্পষ্ট—এটি ব্যক্তিগত নয়, সম্পূর্ণ পারিবারিক সিদ্ধান্ত। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক আদর্শ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মিলিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক অতীত

মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ২০০৯ সালে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন মৌসম নূর। ২০১৪ সালেও ‘হাত’ প্রতীকে জিতে সংসদে পৌঁছন তিনি।
তবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করে পরাজিত হন মৌসম। ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট ভাগাভাগির সুযোগে জয় পান বিজেপির খগেন মুর্মু।

রাজ্যসভা ও টিকিট না-পাওয়ার অধ্যায়

লোকসভায় পরাজয়ের পরে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মৌসম নূরকে রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত করা হয়। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর প্রার্থী করা হয়নি। এমনকি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত টিকিট মেলেনি।

ছাব্বিশের আগে কংগ্রেসের আশা

মৌসম নূরের প্রত্যাবর্তনে মালদহে কংগ্রেসের সংগঠন নতুন করে শক্তি পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ছাব্বিশের আগে এই দলবদল রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।

সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন

 


🔴 সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন

জমি বিবাদ ঘিরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ, ভাঙচুর পুলিশ গাড়ি—আহত ৫

সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ফের অশান্তি। জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হয়েছেন। হামলায় ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়িও।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত মুসা মোল্লা এবং তাঁর অনুগামীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল। ঘটনার পর ন’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

📌 কী থেকে অশান্তির সূত্রপাত?

মুসা মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকায় অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও শুক্রবার গভীর রাতে ওই জমিতে পাঁচিল তোলার কাজ শুরু করেন মুসা।

খবর পেয়ে রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ রাতেই মুসার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে থানায় যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

⚠️ পুলিশের উপর চড়াও, ইটবৃষ্টি ও ভাঙচুর

পুলিশের দাবি, মুসা ফোন করে তাঁর অনুগামীদের ডেকে আনেন। এরপরই একদল লোক পুলিশের উপর চড়াও হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ধস্তাধস্তির মধ্যে এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হন। আহতদের মিনাখাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

🚨 এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারি

এই ঘটনার পর গোটা সন্দেশখালি জুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর টহল চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আটক ন’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

🔙 পুরনো স্মৃতি উসকে উঠল

উল্লেখ্য, সন্দেশখালির নাম উঠে এসেছিল আগেও। ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি শাহজাহান শেখের বাড়িতে অভিযান চালাতে গিয়ে ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। ইডির দাবি ছিল, প্রায় ৮০০-১০০০ জনের ভিড়ে তাঁদের ঘিরে ধরা হয়। সেই ঘটনায় ইডির তিন আধিকারিক আহত হন।

পরে আদালতে ইডি জানায়, ঘটনার সময় শাহজাহান বাড়ির ভিতরেই ছিলেন এবং ফোন করে লোক জড়ো করেন। হট্টগোলের মাঝেই তিনি পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে শাহজাহান জেলবন্দি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। এমনকি জেলে বসেও সন্দেশখালির বাসিন্দাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ফলে ফের পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠতেই সন্দেশখালিতে নতুন করে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের নজর এখন এই এলাকার পরিস্থিতির দিকে।


শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’

 


🔴 শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’

সরকারি জমি লিজ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল চেয়ারম্যান, উত্তাল এগরা

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জেলায় ফের বড়সড় রাজনৈতিক আলোড়ন। সরকারি জমি বেআইনিভাবে লিজ দেওয়া এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল পরিচালিত এগরা পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন কুমার নায়েক (Chairman of Egra Municipality Arrested)। শুক্রবার কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।

পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানান, “এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও-র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতার। সরকারি জমি অবৈধভাবে লিজ দেওয়ার ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ রয়েছে। ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।”

📌 কী অভিযোগ?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ ডিসেম্বর এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও এগরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, সরকারি মালিকানাধীন ‘খতিয়ান ১’-এর অন্তর্ভুক্ত জমি কোনও সরকারি অনুমোদন ছাড়াই একটি আন-রেজিস্টার্ড ও নথিহীন দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এই বেআইনি লেনদেনের ফলে বিপুল রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় স্বপন নায়েককে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

⚠️ শুধু আইনি নয়, রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ

এই গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। কারণ, কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতৃত্ব স্বপন নায়েককে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ তিনি মানেননি। এরপর দলেরই ছয় কাউন্সিলর তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।

গত ২০ ডিসেম্বর অনাস্থা ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ চেয়ারম্যান পুরসভায় ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাটের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ হয় এবং এগরা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এর জেরে অনাস্থা ভোট স্থগিত হয়ে যায়।

🔥 ফুটন্ত কড়াই এগরার রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় তৃণমূলের অন্দরে দ্বন্দ্ব, অনাস্থা এবং শেষে চেয়ারম্যান গ্রেফতার—সব মিলিয়ে এগরার রাজনীতি এখন কার্যত ফুটন্ত কড়াই। আগামী দিনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে আরও কতটা উত্তাপ ছড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


📲 খবরটি শেয়ার করুন, মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog