Sample Video Widget

Seo Services

Tuesday, 6 January 2026

বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

 


বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ছত্তিশগড়ে মারধরের শিকার পুরুলিয়ার ৮ সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিক

বাংলায় কথা বলার অপরাধে ফের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বিজেপি শাসিত ছত্তিশগড়ে পুরুলিয়ার ৮ জন সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে বজরং দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। হামলার জেরে এক শ্রমিকের হাত ভেঙে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়ি গ্রামের বাসিন্দা শেখ জসিম প্রায় তিন মাস আগে ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার সুরজপুর এলাকায় একটি পাউরুটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। প্রায় দু’মাস কাজ করার পর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। পরে কারখানায় আরও শ্রমিকের প্রয়োজন হওয়ায় মাস খানেক আগে তাঁর ভাই শেখ আলম, চেপড়ি গ্রামের শেখ বাবিন ওরফে শরিফুল, শেখ জুলফিকার, শেখ সাহিল, তেঁতলো গ্রামের আরবাজ কাজী এবং আড়শা থানার ভুরসু গ্রামের শেখ মিনাল ও শেখ ইসমাইল সেখানে কাজে যোগ দেন।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আটজন সুরজপুর এলাকার পেররী গ্রামে একটি পাউরুটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, রবিবার বিকেলে কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। সেই সময় স্থানীয় কিছু বজরং দলের সদস্য কারখানায় পৌঁছায়। এরপর বাংলায় কথা বলার কারণে তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে তকমা দিয়ে লাঠিপেটা করা হয় বলে অভিযোগ।

এই হামলায় শেখ জসিম গুরুতর আহত হন এবং তাঁর একটি হাত ভেঙে যায় বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যোগাযোগ করেন। এরপর রায়পুর জেলার কোতয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটজনকেই উদ্ধার করে।

চেপড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি শেখ ইকবাল জানান, রবিবার দুপুরে ছত্তিশগড় পুলিশের এক আধিকারিক ফোন করে ওই আটজনের নাম ও ঠিকানা জানতে চান। পরে পুরুলিয়া মফস্বল থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবারের তরফে প্রয়োজনীয় নথি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার জেরে আতঙ্কে রয়েছেন শ্রমিকদের পরিবার। তেঁতলো গ্রামের বাসিন্দা আরবাজ কাজীর বাবা সায়েদ কাজী বলেন, “আমি নিজেও ভিনরাজ্যে কাজ করি। ছেলেকে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশি বলে মারধর করা হয়েছে শুনে খুব ভয় পাচ্ছি।”

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আড়শা ও পুরুলিয়া মফস্বল থানার তরফে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog