Sample Video Widget

Seo Services

Thursday, 8 January 2026

SIR শুনানি ঘিরে নতুন জটিলতা: বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব সিইও দফতরের

 


 SIR শুনানি ঘিরে নতুন জটিলতা: বাইরে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব সিইও দফতরের

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে চলতি স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব ঘিরে একের পর এক জটিলতা সামনে আসছে। ইতিমধ্যেই বহু ভোটার শুনানির নোটিস পেয়েছেন। নির্ধারিত নথি নিয়ে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকলেও, রাজ্যের বাইরে কিংবা বিদেশে থাকা ভোটার এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সেই নির্দেশ বাস্তবে কতটা কার্যকর—তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে নতুন ভাবনায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর। সূত্রের খবর, ভিন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক ও বিদেশে থাকা ভোটারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আলাদা কোনও অনলাইন পোর্টাল বা ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে যাতে এই ভোটারদের শুনানি নেওয়া যায় বা তাঁরা প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে পারেন, সেই বিষয়টি বিবেচনায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর হবে কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনই।

এদিকে, এসআইআর সংক্রান্ত নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি সিএএ (CAA) সার্টিফিকেটকে প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এল, যখন মঙ্গলবারই কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কোনওভাবেই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না।

কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন, তাঁদের ফের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হতে পারে। মঙ্গলবারই এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, শুরুতে কমিশনের অবস্থান ছিল—ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করবেন সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO)। সেই কারণেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল, কোন স্তরের আধিকারিক এই শংসাপত্র ইস্যু করেন।

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জেলাশাসকরাই ইস্যু করতেন। পরবর্তীতে সেই ক্ষমতা দেওয়া হয় অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM) এবং মহকুমা শাসক বা এসডিওদের। ঘটনাচক্রে, এসআইআর পর্বে এই এসডিওরাই নির্বাচনী নথিভুক্তিকরণ আধিকারিক (ERO)-র দায়িত্বেও রয়েছেন।

এই ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আদৌ এসআইআর-এর ক্ষেত্রে প্রমাণ্য নথি কি না, তা জানতে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠায় রাজ্য সিইও দফতর। কমিশন সূত্রে খবর, সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এসআইআর শুনানিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

সব মিলিয়ে, এসআইআর শুনানি পর্বে বাইরে থাকা ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং নথির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্য প্রশাসন ও ভোটাররা।

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog