📰 Y বাংলা ডিজিটাল খবর | ব্যুরো
এসআইআর (SIR) চলাকালীন মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই নির্দেশ কতটা মানা হয়েছে? বিধায়করা সত্যিই কি মাঠে ছিলেন?—এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নেমেছে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা।
দলীয় সূত্রের খবর, বারাসত থেকে বসিরহাট—বিভিন্ন সাংগঠনিক এলাকায় ইতিমধ্যেই ফোন যাচ্ছে বিএলএ–২দের কাছে। একেবারে সোজাসাপ্টা প্রশ্ন—এসআইআর শুনানির সময় বিধায়ক কি পাশে ছিলেন? এলাকায় কতটা সময় দিয়েছেন? সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়া গিয়েছে কি না? প্রতিটি উত্তরই নথিবদ্ধ হচ্ছে ‘রিপোর্ট কার্ডে’।
শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট—শুধু উপস্থিতি নয়, প্রয়োজনের সময়ে বিধায়ককে পাওয়া যায় কি না, সেটাই আসল মাপকাঠি। আর সেই কাজের নিরিখেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট বণ্টনের সময় গুরুত্ব পেতে পারে এই মূল্যায়ন।
এর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সতর্ক করেছিলেন—যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে পথে নামবে দল। সেই কারণে একাধিক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএলএ–২দের দায়িত্ব ও কাজের রূপরেখা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। এখন মাঠে যাঁরা সরাসরি মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই চলছে তথ্য সংগ্রহ।
দলীয় সূত্রের দাবি, বারাসত সাংগঠনিক জেলায় একাধিক জায়গায় ‘বিধায়ককে কাছে না-পাওয়া’র অভিযোগ জমা পড়েছে। দেগঙ্গা নিয়ে রিপোর্ট মিশ্র। বসিরহাটের কয়েকটি কেন্দ্রেও মতভেদ, যেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ছাপ দেখছেন সংগঠনের একাংশ।
বারাসতের এক বিএলএ বলেন,
“আমাকে পরিষ্কার করে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিধায়ক যোগাযোগ রাখেন কি না। আমি জানিয়েছি—এসআইআর পর্বে উনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন না।”
অন্যদিকে, হাড়োয়ার এক বিএলএর বক্তব্য,
“এলাকায় ক্যাম্প হয়েছে, কাজও হয়েছে। সেটাই জানিয়েছি। তবে বিধায়ক সম্পর্কে কী মত দিয়েছি, তা প্রকাশ করতে চাই না।”
সব মিলিয়ে, এসআইআর ঘিরে যেমন রাজপথে তৎপরতা, তেমনই দলের অন্দরেও শুরু হয়ে গিয়েছে নিঃশব্দ ঝাড়াই–বাছাই। শেষ পর্যন্ত এই জনসংযোগের ‘রিপোর্ট কার্ড’ বিধায়কদের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েই এখন কৌতূহল তুঙ্গে তৃণমূল শিবিরে।









0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন