Sample Video Widget

Seo Services

Friday, 9 January 2026

তৃণমূল সাংসদদের হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ, ‘ধর্ষকদের বেল, প্রতিবাদীদের জেল’ মন্তব্য অভিষেকের

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y বাংলা নিউজ

কলকাতায় আইপ্যাক (IPAC)-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Prateek Jain) বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে ইডি অভিযানের (ED Raid) রেশ এবার ছড়াল জাতীয় রাজনীতিতেও। বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরের বাইরে ধর্না-বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একাধিক সাংসদ। তবে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভের অভিযোগ তুলে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

তৃণমূলের অভিযোগ, বিক্ষোভরত সাংসদদের টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। বাসে তুলে তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মিত্র, কীর্তি আজাদ, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। পরে প্রশাসনিক কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন,
“এরা ধর্ষকদের জামিন দেয়, আর প্রতিবাদীদের জেলে পুরে দেয়।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে অভিষেক আরও লেখেন,
“আজ গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, আর অপরাধীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ভোট লুটের চেষ্টা চলছে। এটাই বিজেপির ‘নতুন ভারত’।”

এখানেই থামেননি তিনি। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026) সামনে রেখে বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তৃণমূল নেতা। অভিষেকের বক্তব্য,
“গোটা দেশ বিজেপির চাপে আত্মসমর্পণ করলেও বাংলা করবে না। বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেই। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে বিজেপির সব দাঁত-নখ ভেঙে দেব।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আইপ্যাক ও প্রতীক জৈনকে ঘিরে ইডি অভিযানের পর যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল, দিল্লিতে সাংসদদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ সেই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা ও বিরোধী কণ্ঠ দমনের অভিযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে জাতীয় স্তরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে চলেছে তৃণমূল—এমন ইঙ্গিতই মিলছে।

অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের দাবি, প্রথমে সাংসদদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। সেই অনুরোধ মানা না হওয়াতেই বিক্ষোভ সরাতে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog