Sample Video Widget

Seo Services

Wednesday, 7 January 2026

মাথাচাড়া দিতে দেব না’ বলতেই বলতেই বিজেপি আজ প্রধান বিরোধী—অভিষেককে পাল্টা দিলীপ ঘোষ

 


ব্যুরো রিপোর্ট | Y Bangla News

ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতে ফের তুঙ্গে তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘পরিযায়ী পাখি’ বলে কটাক্ষ করার একদিনের মধ্যেই কড়া পাল্টা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

মঙ্গলবার রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ভোটের সময় আসে, ভোট মিটলেই উধাও হয়ে যায় বিজেপি। একই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল—রাজ্যে বিজেপিকে কোনওভাবেই মাথাচাড়া দিতে দেওয়া যাবে না।

এই মন্তব্যের জবাবে বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন,
“এই ‘মাথাচাড়া দিতে দেব না’ কথাটা বলতেই বলতেই বিজেপি আজ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে।”

দীর্ঘদিন কিছুটা নীরব থাকলেও বিধানসভা ভোটের আগে ফের মাঠে নেমেছেন দিলীপ। পুরনো আক্রমণাত্মক ছন্দেই তিনি দাবি করেন, শুরু থেকেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণ, সংঘর্ষ এমনকি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তবুও বিজেপির লড়াই থামেনি, থামবেও না।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বাংলার উন্নয়নের দাবিতে বিজেপির সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলের কর্মীরা আত্মত্যাগে প্রস্তুত। রাজ্যে পরিবর্তন ঘটানোই বিজেপির লক্ষ্য—এই বার্তাই দেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে দিলীপ ঘোষকে বৈঠকে ডাকেন। পরে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন তিনি। তার পর থেকেই একের পর এক জনসভা শুরু করেছেন দিলীপ। ভোটের আর কয়েক মাস বাকি থাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে স্বাভাবিকভাবেই।

যেখানে অমিত শাহ ২০০-র বেশি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন—তৃণমূল পাবে ২৫০-র বেশি আসন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল বলেছিল ‘৪২-এ ৪২’। ফলাফল সকলেরই জানা। তাঁর মতে, এবার ২৫০ নয়, চাইলে ২৯৪ আসনের দাবিও করতে পারে তৃণমূল, কিন্তু বাস্তব বদলাবে না।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট কৌশল নিয়েও আক্রমণ শানান দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের সামনে মানুষের কাছে বলার মতো কোনও ইস্যু নেই। পুরনো নেতাদের সামনে এনে ভোট পার করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তাতে কোনও ফল হবে না।

এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এক সময় বলা হয়েছিল এসআইআর করতে দেওয়া হবে না, পরে বলা হয় কোনও নাম বাদ যাবে না। অথচ বাস্তবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের রাজনীতিতে সংঘাতের সুর আরও চড়া হচ্ছে—এটাই স্পষ্ট।

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog