Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label বিদেশ. Show all posts
Showing posts with label বিদেশ. Show all posts

Tuesday, 6 January 2026

মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে জোড়া খুন, ফের আতঙ্কে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ

 


মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে জোড়া খুন, ফের আতঙ্কে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ

মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলাদেশে খুন হলেন দুই হিন্দু ব্যক্তি। রবিবার যশোর জেলায় প্রকাশ্য বাজারে গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক ও সংবাদপত্র সম্পাদক রানা প্রতাপ। আর তার ঠিক পরের দিন, সোমবার রাতে নরসিংডি জেলায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় মণি চক্রবর্তী নামে এক হিন্দু দোকানিকে। এই জোড়া খুনে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মণি চক্রবর্তী নরসিংডি জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর একটি মুদিখানার দোকান ছিল। সোমবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ নিজের দোকানেই ছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে পৌঁছলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ভরা বাজারে এই হত্যাকাণ্ডে গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এর একদিন আগেই রবিবার বিকেলে যশোর জেলায় খুন হন সাংবাদিক রানা প্রতাপ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভরা বাজারে আততায়ীরা তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর দেহ থেকে একাধিক বুলেট উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর কালিমোহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় ২৯ বছরের অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ২৫ বছরের দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বছরের শেষদিনে খোকন দাস নামে এক হিন্দু ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর মৃত্যু হয়। এরও আগে ভালুকা এলাকায় বজেন্দ্র বিশ্বাস খুন হন বলে অভিযোগ।

সব মিলিয়ে গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে অন্তত ৬ জন হিন্দু হিংসার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সম্প্রতি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগও সামনে এসেছে। নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ক্রমাগত এই ঘটনাগুলির জেরে পদ্মাপাড়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Monday, 5 January 2026

মুস্তাফিজুর বিতর্কে ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ, ‘হাসিনাকেও ফেরত পাঠান’—BCCI ও কেন্দ্রকে নিশানা ওয়েইসির




📰 Y বাংলা ডিজিটাল নিউজ  ব্যুরো 

মিনি নিলামে নাম থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল খেলার সুযোগ না দিয়ে স্বদেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হল। এই ইস্যুতে এ বার সরব হলেন এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন, মুস্তাফিজুরকে ফেরানো হলে, একই যুক্তিতে কেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে না? এই সিদ্ধান্তকে ‘দ্বিচারিতা’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।

ওয়েইসির মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওয়েইসি বলেন,
“পহলেগামে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরেও আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে এশিয়া কাপে খেলেছি। তাহলে এখন হঠাৎ করে বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ফেরানোর যুক্তি কী?”
তাঁর দাবি, খেলাধুলোর ক্ষেত্রে রাজনীতি ঢুকলে তা সব ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

বাংলাদেশি পেসারের প্রসঙ্গ টেনে ওয়েইসি শেখ হাসিনার দিকেও প্রশ্ন ছুড়েছেন। নাম না করে তিনি বলেন, “একজন বাংলাদেশি মহিলা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশ যখন তাঁকে ফিরিয়ে নিতে চাইছে, তখন তাঁকে কেন পাঠানো হচ্ছে না?” তাঁর মতে, এই বিষয়েও ভারতের স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, দেশ ছাড়ার পর থেকেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার। যদিও হাসিনা ও তাঁর পরিবারের দাবি, বর্তমান প্রশাসনের অধীনে কোনও নিরপেক্ষ বিচার সম্ভব নয়। এই মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা নিয়েও ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

এদিকে বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী মতও সামনে এসেছে। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর-সহ একাধিক নেতা মনে করছেন, খেলাধুলোর সঙ্গে রাজনীতি মেশানো ঠিক নয়। তবে বোর্ডের দাবি, আগেভাগেই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানানো হয়েছিল, যাতে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়া যায়।

সব মিলিয়ে, মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে নেওয়া সিদ্ধান্ত এখন আর নিছক ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই ইস্যুতে জড়িয়ে পড়েছে কূটনীতি, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বার্তা—আর ওয়েইসির মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলল।

Sunday, 4 January 2026

ভেনেজুয়েলার ঘটনায় প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

 


🔴 BREAKING NEWS

ভেনেজুয়েলার ঘটনায় প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

**ব্যুরো রিপোর্ট:** ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযোগ ঘিরে তৈরি হওয়া নাটকীয় পরিস্থিতিতে **প্রথমবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত**। রোববার দুপুরে বিদেশ মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারত গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং গোটা ঘটনার উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। এতদিন নয়াদিল্লি শুধু সে দেশে থাকা ভারতীয়দের জন্য সতর্কতা জারি করলেও মূল ঘটনা নিয়ে নীরব ছিল।

🇮🇳 বিদেশ মন্ত্রকের অবস্থান

বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে,

> “ভেনেজুয়েলার সংকট সমাধানের একমাত্র পথ শান্তিপূর্ণ আলোচনা। সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও কল্যাণের প্রশ্নে ভারতের অবস্থান সুস্পষ্ট।”

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে **সংযম বজায় রেখে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসার** আহ্বান জানিয়েছে ভারত। পাশাপাশি গোটা অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
⚠️ ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা

এর আগে শনিবার রাতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র **রণধীর জয়সওয়াল** সমাজমাধ্যমে ভেনেজুয়েলায় থাকা ভারতীয় নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেন। সেখানে বলা হয়—

* একান্ত প্রয়োজন না হলে আপাতত ভেনেজুয়েলা সফর এড়িয়ে চলতে
* সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের চলাফেরার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে

জরুরি প্রয়োজনে **কারাকাসে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ** করার জন্য ই-মেল ও ফোন নম্বরও জানানো হয়। দূতাবাসের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে সবরকম চেষ্টা করা হবে।

🌍 কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত?

ঘটনার সূত্রপাত ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর। শনিবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট **ডোনাল্ড ট্রাম্প** ঘোষণা করেন, আমেরিকার বাহিনী ভেনেজুয়েলায় ঢুকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী **সিলিয়া ফ্লোরেস**কে আটক করেছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী—

* মাদুরোকে তাঁর বাসভবন থেকে আটক করা হয়
* প্রথমে হেলিকপ্টারে মার্কিন নৌজাহাজে নিয়ে যাওয়া হয়
* সেখান থেকে সরাসরি **নিউ ইয়র্কে** স্থানান্তর করা হয়

রবিবার সকাল (ভারতীয় সময়) **ব্রুকলিনের একটি ডিটেনশন ক্যাম্পে** তাঁদের বন্দি রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই ঘটনার ফুটেজও প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস।

🗣️ মাদুরোর প্রথম প্রতিক্রিয়া

আটকের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় নিকোলাস মাদুরো সংক্ষিপ্তভাবে বলেন,

> “গুড নাইট। হ্যাপি নিউ ইয়ার।”

🌐 আন্তর্জাতিক উত্তেজনা

মার্কিন এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছে **চিন, রাশিয়া, ইরান ও কিউবা**-সহ একাধিক দেশ। ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে প্রবল উত্তেজনা।

📌 পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে কৌতূহল ও উদ্বেগ।**

ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার নাটকীয় পালাবদল

 


ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার নাটকীয় পালাবদল

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেন দেলসি রদ্রিগেজ

ব্যুরো রিপোর্ট: ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চরম নাটকীয় মোড়। দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকান সেনা আটক করেছে বলে দাবি। তাঁদের নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দেশটির ক্ষমতার ভার সাময়িকভাবে বদলে যায়।

এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দেলসি রদ্রিগেজ। আপাতত তিনিই দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব সামলাবেন। পরবর্তী পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে এখন গোটা বিশ্বের নজর ভেনেজুয়েলার দিকে।


⚖️ আদালতের নির্দেশে ক্ষমতা হস্তান্তর

ভেনেজুয়েলার আদালতের সাম্প্রতিক এক রায়ে জানানো হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেলসি রদ্রিগেজকে ‘বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা’-র রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার দেওয়া হচ্ছে।

আদালত জানায়, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ‘বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি’ (Forced Absence)-র কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কাজকর্ম যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য একটি উপযুক্ত আইনি কাঠামো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।


🌍 বিশ্বজুড়ে নজর

দেশের প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক অখণ্ডতা এবং সরকারি শাসনব্যবস্থা সচল রাখাই এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলেও এই ঘটনা ঘিরে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।


👤 কে এই দেলসি রদ্রিগেজ?

  • বয়স: ৫৬

  • জন্ম: ১৮ মে, ১৯৬৯, কারাকাস

  • শিক্ষা: সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব ভেনেজুয়েলা (আইন)

  • পিতা: জর্জ অ্যান্টোনিও রদ্রিগেজ, বিপ্লবী লিগা সোশালিস্টা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

🏛️ রাজনৈতিক কেরিয়ার

  • ২০১৩–১৪: কমিউনিকেশন ও ইনফরমেশন মন্ত্রী

  • ২০১৪–১৭: বিদেশমন্ত্রী

  • ২০১৭: প্রো-সরকারি সংবিধান সভার প্রধান

  • ২০১৮: ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ

  • ২০২৪: তেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা ও দেশের তেল শিল্প রক্ষা ছিল তাঁর অন্যতম বড় দায়িত্ব। বর্তমানে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রধান অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ হিসেবেও কাজ করছেন।


🗣️ মাদুরোই বৈধ প্রেসিডেন্ট—দাবি রদ্রিগেজের

সম্প্রতি দেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নিকোলাস মাদুরোই এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপতি। তাঁর কথায়,

“এই দেশে শুধুমাত্র একজন প্রেসিডেন্ট আছেন, এবং তাঁর নাম নিকোলাস মাদুরো মোরোস।”

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাদুরো ও সিলিয়া ফ্লোরেসের ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ প্রকাশেরও আহ্বান জানিয়েছেন।


📌 পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা জানতে চোখ রাখুন আমাদের ডিজিটাল নিউজ আপডেটে।

Tuesday, 30 December 2025

প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া



প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া

জীবন-মৃত্যুর সূক্ষ্ম সুতোয় দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর অবশেষে হার মানলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। চিকিৎসকরাই তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পাশাপাশি বহু বছর ধরেই গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন খালেদা জিয়া। কিডনি, লিভার সংক্রান্ত জটিলতা, আর্থ্রাইটিস, চোখের সমস্যা—সব মিলিয়ে শেষ কয়েক বছর তাঁর জীবন ছিল যন্ত্রণাবিদ্ধ। উন্নত চিকিৎসার আশায় লন্ডনে প্রায় ছয় মাস চিকিৎসা চললেও আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও বয়সজনিত জটিলতা ও একাধিক অঙ্গের দুর্বলতার কারণে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মাঝেমধ্যে চিকিৎসায় সামান্য সাড়া মিললেও শেষরক্ষা হয়নি। সোমবার রাতেও তাঁর ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মাকে দেখতে হাসপাতালে যান। তার আগে দলের দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে দেশবাসীর কাছে মায়ের আরোগ্য কামনায় প্রার্থনার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট, অবিভক্ত দিনাজপুরে। জন্মনাম ছিল খানুম পুতুল। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করার পর তিনি বেগম খালেদা জিয়া নামে পরিচিত হন। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করার পর রাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু। ১৯৮১ সালে মেজর জিয়ার হত্যার পর দলের নেতৃত্বে উঠে এসে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন তিনি।

মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন খালেদা জিয়া। তিনি দু’দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন—১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র সুদৃঢ় হয় বলে সমর্থকদের দাবি।

তবে পরবর্তীকালে আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি ও খালেদা জিয়া দু’জনেই প্রবল রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েন। একাধিক মামলায় জর্জরিত হন তিনি, দীর্ঘদিন কারাবন্দিও ছিলেন। এরই মধ্যে ক্রমশ অবনতি হতে থাকে তাঁর শারীরিক অবস্থার।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালে বিএনপি রাজনীতিতে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দল ফের ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখলেও বয়স ও অসুস্থতা তাঁর সক্রিয় নেতৃত্বকে আর সম্ভব করে তোলেনি।

অবশেষে দীর্ঘ এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল। পদ্মাপাড়ের রাজনীতির আকাশ থেকে খসে পড়ল এক উজ্জ্বল তারা। সমর্থক ও বিরোধী—সব মহলেই শোকের ছায়া। বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন এক দৃঢ়চেতা নেত্রী ও সংগ্রামী রাজনীতিক হিসেবে।

Saturday, 27 December 2025

হাদির হত্যার বিচার চেয়ে উত্তাল ঢাকা

হাদির হত্যার বিচার চেয়ে উত্তাল ঢাকা

হাদির হত্যার বিচার চেয়ে উত্তাল ঢাকা

ডিজিটাল নিউজ ডেস্ক | ঢাকা

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচার ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় তীব্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতভর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য ও সমর্থকেরা। শনিবারও সারাদিন এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি, দাবি পূরণ না হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাও করা হবে। পাশাপাশি সরকারের উপদেষ্টাদের শাহবাগে এসে আন্দোলনকারীদের সামনে উপস্থিত হওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে তাঁকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বিক্ষোভের সময় সংগঠিত গণরোষের জেরে একাধিক সরকারি ও সাংস্কৃতিক ভবন, সংবাদপত্রের দফতরেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।

মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা

হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বাংলাদেশ পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখ এখনও অধরা। ইনকিলাব মঞ্চের অভিযোগ, তারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছে।

“রাজপথ ছাড়ব না”

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “যতক্ষণ না হাদির হত্যাকারী, হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সকলকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা রাজপথ ছাড়ব না। সারা বাংলাদেশ থেকে মানুষ আসছে। অবস্থান চলবে।”
হাদির ভাই ওমর বলেন, “বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব। আমাদের বাধ্য করবেন না ক্যান্টনমেন্ট বা যমুনা ঘেরাও করতে।”

রাজনৈতিক উপস্থিতি বাড়ছে

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, গভীর রাত পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান চলেছে। নারী ও শিশুরাও হত্যার বিচারের দাবিতে স্লোগানে অংশ নেন। শনিবার হাদির সমাধিস্থলে যাওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এই কর্মসূচিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

© ডিজিটাল নিউজ ডেস্ক | তথ্যসূত্র: স্থানীয় সংবাদমাধ্যম

Thursday, 25 December 2025

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ল, ইউনূস সরকারের বিশেষ সহকারীর পদত্যাগে জল্পনা

ডিজিটাল নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট বাংলাদেশে ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, একের পর এক সহিংস ঘটনা এবং প্রশাসনিক অস্থিরতার মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের উপর চাপ বাড়ছে। এই আবহেই নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা এক শীর্ষ ব্যক্তি পদত্যাগ করায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন খোদা বকশ চৌধুরী। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করছিলেন। বুধবার রাতে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। রাষ্ট্রপতি তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে জানানো হয়েছে। পদত্যাগের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তবে কী কারণে হঠাৎ এই পদত্যাগ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সরকারিভাবে কোনও কারণ জানানো হয়নি। খোদা বকশ চৌধুরী নিজেও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। ফলে এই পদত্যাগ নিছক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, না কি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপের ফল— তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পদত্যাগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। কারণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলানোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল খোদা বকশ চৌধুরীর হাতে। তিনি পুলিশের প্রাক্তন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হওয়ায় তাঁকে এই দায়িত্বে আনা হয়েছিল বলে মনে করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কাঠামো মহম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক কাজকর্মে গতি আনতে কয়েকজন বিশেষ সহকারী নিয়োগ করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা— এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রতিমন্ত্রীর সমতুল্য পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী নিয়োগ করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান খোদা বকশ চৌধুরী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সায়েদুর রহমানকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পান অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই কাঠামোতেই ফাটল ধরতে শুরু করে। কয়েক মাস আগেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল খোদা বকশ চৌধুরীর নাম। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও চাপ বাংলাদেশে সম্প্রতি একাধিক হত্যাকাণ্ড এবং হিংসাত্মক ঘটনার জেরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিরোধী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। এরই মধ্যে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে ইউনূস সরকারকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে সরকারের দায়িত্বশীলদের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। এই পরিস্থিতিতে খোদা বকশ চৌধুরীর পদত্যাগের সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, ওই চাপের কারণেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। যদিও সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনও পক্ষ এখনও এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলেনি। নির্বাচনের আগে বাড়ছে চাপ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনের আগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই মুহূর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগ সেই চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নির্বাচনের আগে প্রশাসনের মধ্যে এই ধরনের পরিবর্তন ভোট পরিচালনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিশেষ করে, ভোটের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা খোদা বকশ চৌধুরীর পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভিতরেই মতপার্থক্য তৈরি হচ্ছে। আবার কারও মতে, ক্রমবর্ধমান চাপ ও সমালোচনার মুখে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে উঠছিল। এও প্রশ্ন উঠছে, তাঁর পদত্যাগের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কে সামলাবেন। নতুন কাউকে নিয়োগ করা হবে, নাকি দায়িত্ব সাময়িকভাবে অন্য কোনও উপদেষ্টার হাতে দেওয়া হবে— সে বিষয়ে এখনও কোনও ঘোষণা হয়নি। ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে পদত্যাগ অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তন সরকার পরিচালনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে আরও জটিলতার দিকে এগোচ্ছে, তা বলাই যায়। খোদা বকশ চৌধুরীর পদত্যাগ সেই অস্থিরতারই আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Thursday, 6 November 2025

ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না।

ট্রাম্প জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না | Y বাংলা ডিজিটাল

ট্রাম্প জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৫, আপডেট: ৬ নভেম্বর ২০২৫

ডোনাল্ড ট্রাম্প - জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন
ছবি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ফাইল ছবি)

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন না। ট্রাম্প বলেছেন, “আমি জি-২০ তে যাচ্ছি না। দক্ষিণ আফ্রিকার আর জি-২০ তে থাকা উচিত নয় কারণ সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। আমি তাদের বলেছি যে আমি সেখানে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করব না।”

উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী ২২ ও ২৩ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন, যা প্রথমবারের মতো আফ্রিকার মাটিতে আয়োজন করা হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় উন্নয়নকে কেন্দ্র করে এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তথ্যবক্স: জি-২০ বা ‘গ্রুপ অব টোয়েন্টি’ হলো বিশ্বের ২০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়ে এই সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্পের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা বাণিজ্যমন্ত্রী প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি দলের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সম্প্রতি অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাই তিনি এই বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ সব অংশগ্রহণকারী দেশ এই সম্মেলনে যুক্ত হবে এবং আফ্রিকা মহাদেশের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

Friday, 10 October 2025

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল, পাকিস্তানের নাম জড়ালো

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল, পাকিস্তানের নাম জড়ালো?

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল — পাকিস্তানের নাম জড়াল কি?

প্রকাশিত: 10 অক্টোবর 2025 | রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো

রাতে কাবুলে বিস্ফোরণের পরে ধোঁয়া-অলীক দৃশ্য
রাতের অন্ধকারে কাবুলের আকাশে বিস্ফোরণের ধোঁয়া (ফাইল ছবি/প্রতীকী)।

বৃহস্পতিবার রাত কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আফগান রাজধানী। তালিবান প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিস্ফোরণের ফলে আপাতত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি; তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

আন্তর্জাতিক ও এলাকায় রাজনৈতিক মহলের ধারণা—ঘটনাটি সময়গতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি তখনই ভারতের সফরে অবস্থান করছেন। কলকাতা বা নয়—নির্দিষ্টভাবে ভারতের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার আগে এমন ঘটনা হওয়ায় কাবুলে অনেকেই এটিকে একটি ‘বার্তা’–মত দেখছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে already-tense রাজনৈতিক মানচিত্রকে আরও জটিল করতে পারে।

পাকিস্তানের অভিযোগ এবং সেই দাবির উৎসমনে প্রতিক্রিয়া

কিছু সংবাদমাধ্যম শুক্রবার দেখায়—ঘটনায় পাকিস্তানের নাম জড়িয়েছে; বলা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশ থেকে লক্ষ্যভিত্তিক আঘাত করা হয়েছে। এমন প্রতিবেদনগুলোর একটিতে দাবি করা হয় যে পাকিস্তানি সংযুক্ত কার্যক্রমে তালিকাভুক্ত এক সিন্ডিকেট বা বাহিনীর নেতা নূর ওয়ালি মাসুদকে নিশানা করে আঘাত চালানো হয়েছে।

তবে বিষয়টি তীব্রভাবে বিতর্কিত। টোলো নিউজের মতো গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাসুদের দেওয়া একটি অডিওতে তিনি নিজের ওপর আক্রমণের খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সময় তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদও টোলার মত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বলেছেন যে ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি—সবকিছুই আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। তালিবান ও কিছু আফগান সাংবাদিকও পাকিস্তানের পক্ষে সরাসরি হামলার খবর অস্বীকার করেছেন।

রিয়েলিটি ও রাজনৈতিক প্রভাব

এই ধরনের ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, বার্তা বা প্রতিশোধ—এই সবকটিই সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হিসেবে আলোচনা হচ্ছে। বিশেষত যখন উচ্চতর কূটনৈতিক সফরের সময়ে সহায়ক বা বিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে এমন উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে, তখন তা কেবল নিরাপত্তা নয়—কূটনীতি ও স্থানীয় জনমতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

অফicial সূত্রগুলো এখনও তদন্তের ফল ঘোষণা করেনি। পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায়, কাবুলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার নি¤œস্তরীয় তদন্ত ও প্রাথমিক প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে বলে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশি দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি নজরদারি করছে।

কি নজর রাখবেন?

  • আফগান সরকারের তদন্ত রিপোর্ট ও তালিবান মুখপাত্রের ঘোষণার আপডেট।
  • আঞ্চলিক কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া—বিশেষত ভারতের কর্যক্রম ও বিবৃতি।
  • স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রধান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নথি, অডিও বা ভিডিওর প্রামাণিকতা।

সংক্ষেপে: কাবুলে বৃহস্পতিবার রাতে হওয়া বিস্ফোরণগুলো আবহমান রাজনীতির মধ্যে নতুন উদ্বেগ ঢুকিয়েছে। পাকিস্তানের ওপর দায় চাপানো হলেও সেটি এখনও নিশ্চিত নয়—তথ্য যাচাই ও সরকারিভাবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি স্থিতিশীল এ ধরণের বিবৃতি থাকলেও তদন্ত চলছে এবং এর প্রভাব কূটনৈতিক মঞ্চে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো।

হ্যাশট্যাগ: #কাবুলবিস্ফোরণ #আফগানিস্তান #তালিবান #আন্তর্জাতিকসংবাদ #ভিন্নরাশ্ট্রীয়বিবাদ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Thursday, 9 October 2025

জইশ-ই-মহম্মদের নতুন চাল: মহিলা জঙ্গি বাহিনী ‘জামাত-উল-মোমিনত’ গঠনের ঘোষণা

জইশ-ই-মহম্মদের নতুন চাল: মহিলা জঙ্গি বাহিনী ‘জামাত-উল-মোমিনত’ গঠনের ঘোষণা

জইশ-ই-মহম্মদের নতুন চাল: মহিলা জঙ্গি বাহিনী ‘জামাত-উল-মোমিনত’ গঠনের ঘোষণা

জামাত-উল-মোমিনত মহিলা জঙ্গি বাহিনী
পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে শুরু হয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের মহিলা জঙ্গি বাহিনীর নিয়োগ প্রক্রিয়া। নেতৃত্বে মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে সন্ত্রাসের হাওয়া বইছে। কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবার এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা গঠন করেছে একটি বিশেষ মহিলা জঙ্গি বাহিনী, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জামাত-উল-মোমিনত’। এই নতুন উইংয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এই বাহিনীর সদস্য সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। সংগঠনের প্রোপাগান্ডা প্ল্যাটফর্ম আল-কালাম মিডিয়া জানিয়েছে, ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া। জানা গেছে, মহিলা সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে গুপ্ত হামলা, বিস্ফোরক তৈরি এবং আত্মঘাতী মিশন পরিচালনার জন্য।

সূত্র মারফত খবর, ‘জামাত-উল-মোমিনত’-এর সদস্যদের মধ্যে অনেকেই নিহত জইশ কমান্ডারদের স্ত্রী বা পরিবার থেকে নেওয়া হচ্ছে। বাহাওয়ালপুর, করাচি, মুজফফরাবাদ, কোটলি, হরিপুর এবং মানশেরা অঞ্চলের আর্থিকভাবে দুর্বল মহিলাদেরও টার্গেট করা হচ্ছে। এদের মধ্যে কিছুজনকে “শহীদ পরিবারের উত্তরাধিকারী” হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যাতে সমাজে তাদের জনপ্রিয়তা তৈরি হয় এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ সহজ হয়।

তথ্যবক্স:
🔸 বাহিনীর নাম: জামাত-উল-মোমিনত
🔸 সংগঠন: জইশ-ই-মহম্মদ
🔸 নেতৃত্বে: সাদিয়া আজহার
🔸 শুরু: ৮ অক্টোবর, বাহাওয়ালপুর
🔸 লক্ষ্য: আত্মঘাতী ও গোপন হামলার কৌশল প্রয়োগ
🔸 প্রচারমাধ্যম: আল-কালাম মিডিয়া

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এত দিন পর্যন্ত জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের ভেতরে মহিলাদের কোনও ভূমিকা ছিল না। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়াও সংগঠনের নীতি অনুযায়ী নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতীয় সেনার অভিযানে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে জইশ। তাদের বহু শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়। এরপরই সংগঠনের নেতৃত্ব নতুন কৌশল গ্রহণ করে, যেখানে মহিলাদেরও জিহাদি প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়।

জঙ্গি মহলের মতে, জইশ-ই-মহম্মদের এই পদক্ষেপ চরম উদ্বেগের কারণ। কারণ, মহিলা জঙ্গিরা সাধারণত সহজে জনতার মধ্যে মিশে যেতে পারে, যা নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষে চিহ্নিত করা কঠিন। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই এই নতুন হুমকির বিষয়ে সতর্ক হয়েছে এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে নজরদারি জোরদার করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জইশ-ই-মহম্মদের এই পদক্ষেপ বিশ্বের অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠন যেমন আইএসআইএস, বোকো হারাম, হামাস এবং এলটিটিই-এর পথ অনুসরণ করছে। এই সংগঠনগুলিও অতীতে মহিলা আত্মঘাতী যোদ্ধা তৈরি করেছিল। এখন দক্ষিণ এশিয়ার জঙ্গি রাজনীতিতেও সেই প্রবণতা প্রবল হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু পাকিস্তান নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন সংকেত। ভারতীয় গোয়েন্দারা বলছেন, “এই নতুন মহিলা জঙ্গি ইউনিট ভবিষ্যতে সীমান্ত অতিক্রম করে বড়সড় হামলা চালানোর সম্ভাবনা তৈরি করছে।”

প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম | সম্পাদনা: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৯ অক্টোবর, ২০২৫

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Wednesday, 8 October 2025

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাড়ন্ত প্রতিরক্ষা খরচে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

প্রকাশক: মহিবুল রহমান শেখ | আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি

দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। প্রতিবেশী দুই দেশ—বাংলাদেশপাকিস্তান—এখন নতুন করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে ইসলামাবাদ, অন্যদিকে চিনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কিনছে ঢাকা। ফলে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা—ভারতের জন্য কি নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে?

মূল চুক্তি: পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা রেথিয়ন-এর সঙ্গে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। এর আওতায় AIM-120C8 এবং D3 সংস্করণের AMRAAM মিসাইল সরবরাহ করা হবে।

এছাড়াও পাকিস্তান তাদের F-16 যুদ্ধবিমান আপগ্রেড করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মিসাইল সিস্টেম ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও বড় পদক্ষেপ এসেছে। তারা চিনের কাছ থেকে J-10CE যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছে। চুক্তির আওতায় শুধু বিমান নয়, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেবে চিন।

এই দুই প্রতিবেশী দেশের সামরিক শক্তিবৃদ্ধি নিয়ে ভারতের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা দফতরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যদিও নয়াদিল্লি নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে তৎপর। ভারতের তরফে রাশিয়ার সঙ্গে ‘SU-57E’ নামের অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

রাশিয়া নাকি এই প্রকল্পে ভারতের হাতে ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। ফলে ভারত ভবিষ্যতে নিজেদের প্রয়োজনে এই বিমানকে আরও উন্নত করতে পারবে।

এখানেই শেষ নয়—ভারত S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম-এর আরও পাঁচটি ইউনিট কেনার কথাও বিবেচনা করছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এতে ভারতের আকাশপথ আরও সুরক্ষিত হবে এবং পাকিস্তান-বাংলাদেশের সামরিক উদ্যোগে তেমন প্রভাব ফেলবে না।

বিশেষজ্ঞ মত: “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামরিক বিনিয়োগ আঞ্চলিক ভারসাম্যকে নাড়া দিতে পারে, তবে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহু গুণ এগিয়ে,”—মন্তব্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।
© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Monday, 6 October 2025

নেপালের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ৫১ জনের মৃত্যু

নেপালের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ৫১ জনের মৃত্যু

নেপালের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ৫১ জনের মৃত্যু

লেখক: মহিবুর রহমান শেখ | আপডেট: ৬ অক্টোবর ২০২৫

নেপালের পূর্বাঞ্চলে গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে ব্যাপক ভূমিধস ও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সোমবার রাত পর্যন্ত কমপক্ষে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

আর্মড পুলিশ ফোর্সের মুখপাত্র কালিদাস ধাউবাজি জানিয়েছেন, কোশি প্রদেশে সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছে, যেখানে একাই ইলাম জেলায় ৩৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ইলামের দেউমাই ও মাইজোগমাই পৌরসভায় আটজন করে, ইলাম পৌরসভা ও স্যান্ডাকপুর গ্রামীণ পৌরসভায় ছয়জন করে, সূর্যোদয় পৌরসভায় পাঁচজন, মাংসেবুংয়ে তিনজন এবং ফকফোকথুম গ্রামে একজন মারা গেছেন।

উদয়পুরে দুজন ও পঞ্চথরে একজন বন্যা ও ভূমিধসের শিকার হয়েছেন। রাউটাহাটে বজ্রাঘাতে তিনজন এবং খোটাংয়ে দু’জন মারা গেছেন। অন্যদিকে, পঞ্চথর জেলায় রাস্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ল্যাংটাং সংরক্ষণ এলাকা এবং রাসুয়া জেলায় নদীর জলে ভেসে গিয়ে চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়াও ইলাম, বারা এবং কাঠমান্ডু জেলা থেকে আরও একজন করে ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। ল্যাংটাং এলাকায় ট্রেকিংয়ে যাওয়া ১৬ জন পর্যটকের মধ্যে চারজনের খোঁজ এখনও মেলেনি।

নেপাল সেনা, নেপাল পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ফোর্সের কর্মীরা বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। ইলাম থেকে হেলিকপ্টারে চারজনকে উদ্ধার করে ধরান পৌরসভার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা রয়েছেন।

নেপালের সাতটি প্রদেশের মধ্যে কোশি, মধেস, বাগমতী, গণ্ডকী এবং লুম্বিনী; এই পাঁচটি প্রদেশে এখনও মৌসুমী বৃষ্টি সক্রিয় রয়েছে। কাঠমান্ডু উপত্যকায় বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও, ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (টিআইএ) থেকে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। কাঠমান্ডু, ভারতপুর, জনকপুর, ভদ্রপুর, পোখরা এবং টুমলিংটারের অভ্যন্তরীণ উড়ানগুলোও বন্ধ রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলিতে রাতের বেলা গাড়ি চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেপালে এই প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই কঠিন সময়ে ভারত নেপালের জনগণ ও সরকারের পাশে আছে এবং প্রয়োজন অনুসারে সবরকম সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত।

এই বিপর্যয় নেপালের পূর্বাঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবিলার সীমাবদ্ধতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনের ঝুঁকিকে পুনরায় সামনে এনেছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা নতুন কোনো বিপর্যয়ের আশঙ্কায় উদ্বিগ্নভাবে বাগমতী নদীর জলস্তর পর্যবেক্ষণ করছেন।

লেখক: মহিবুর রহমান শেখ | Y বাংলা ডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Sunday, 5 October 2025

গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা পরানোর অভিযোগ, নির্বাসিত কর্মীরা নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ছেন

গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা পরানোর অভিযোগ, নির্বাসিত কর্মীরা নির্যাতনের অভিযোগ তুলে

গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা পরানোর অভিযোগ, নির্বাসিত কর্মীরা বললেন অপমান-নির্যাতনভিত্তিক আচরণ

Y বাংলা ব্যুরো, মহিবুর রহমান শেখ — ইস্তানবুল। আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫
ফ্লোটিলা ও নির্বাসিত কর্মীরা
ফ্লোটিলার নির্বাসিত কর্মীরা ইস্তানবুলে ফিরে এসে তাদের ওপর হওয়া আচরণ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। (ছবি: প্রতিনিধiser)

গাজার উদ্দেশ্যে নৌকাযাত্রা (ফ্লোটিলা) সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘটনায় আটক ও নির্বাসন হয়ে ইস্তানবুলে ফিরে আসা একশত ত্রিশের বেশি কর্মী অভিযোগ করেছেন, গ্রেটা থুনবার্গসহ কয়েকজনের সঙ্গে 'অমানবিক' ও 'অপমানজনক' আচরণ করা হয়েছে। শনিবার ইস্তানবুলে নামার পর বিভিন্ন দেশের কর্মীরা সাংবাদিকদের সামনে তাদের অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়েছেন এবং কয়েক দফা গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।

তুরস্কের বিদেশ মন্ত্রকের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নির্বাসিতদের মধ্যে ৩৬ জন তুর্কি নাগরিক ছাড়াও রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, আলজেরিয়া, মরক্কো, ইতালি, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মৌরিতানিয়া, সুইজারল্যান্ড, তিউনিসিয়া ও জর্ডনের নাগরিকরা।

আরও খবর পড়ুন , বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

মালয়েশিয়ার হজওয়ানি হেলমি ও মার্কিন নাগরিক উইন্ডফিল্ড বিবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আটককালীন সময়ে তাদের 'মানবেতর' আচরণ করা হয়েছে। হেলমি জানান, গ্রেটাকে ধাক্কা দিয়ে ইজরায়েলের পতাকা জোর করে গলায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং আটকের সময় পরিষ্কার খাবার ও পানীয় জল দেওয়া হয়নি; এমনকি জরুরি ওষুধও ক্রমান্বয়ে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

ইতালির আঞ্চলিক কাউন্সিলর পাওলো রোমানো বলেন, "আমাদের মুখ নিচু করে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বলা হয়। নড়লেই মারধরের হুমকি ছিল। গালাগাল, অপমান ও শারীরিক নির্যাতন ছিল।" এ ধরনের বিবৃতিগুলো নির্বাসিত কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষুব্ধতা বাড়িয়েছে।

একাধিক অভিযোগের সারমর্ম:
  • গ্রেটা থুনবার্গকে জোর করে ইজরায়েলের পতাকা গলায় পরানো হয়েছে বলে দাবি।
  • পর্যাপ্ত খাবার ও পানি সরবরাহ করা হয়নি; ডিহাইড্রেশনের শিকার হয়েছেন কিছু কর্মী।
  • শারীরিক কসরৎ ও অপমানজনক আচরণ; কিছুকে শক্ত অবস্থায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়।
  • আইনি সহযোগিতা ও চিকিৎসা সহায়তা ছিল না বলে অভিযোগ।

এক বেসরকারি সূত্রে খবর, সুইডিশ বিদেশ মন্ত্রকের একটি ইমেলে বলা হয়েছে, গ্রেটাকে 'ছাড়পোকার সংক্রমিত সেলে' রাখা হয়েছিল। সেখানে পর্যাপ্ত জল-খাবার না পাওয়ায় এবং অনুপযুক্ত অবস্থানের কারণে তাঁর শরীরে র‍্যাশ ও ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ দেখা গেছে, ইমেলে এই তথ্য জানিয়েছে কাগজপত্র।

নির্বাসিতরা আরও জানিয়েছেন, আটকদলের পক্ষ থেকে কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও তারা নিজ পর্যবেক্ষণে আইন লংঘনের কোনও প্রমাণ পাননি; বরং আচার-সংস্কৃতির সীমানা লঙ্ঘনের কথাই শোনা গেছে। অন্যদিকে ইজরায়েল সরকার সমস্ত অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ মিথ্যা' বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং জানায়, আটককৃতদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করা হয়েছে—খাবার, জল ও আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছিল বলে তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ আছে।

এই ফ্লোটিলা গত আগস্ট মাসের শেষে গাজা নিয়ে রওনা দেয়; দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েলের নৌবন্দুকরণ ও অবরোধের প্রতিবাদে এটি বিভিন্ন বার আয়োজন করা হচ্ছে। ২০০৭ সাল থেকে এই প্রতিবাদী কার্যক্রম চলে আসছে, এবং সাম্প্রতিক ইজরায়েল–হামাস সংঘাতের পর এই অভিযানটির রাজনৈতিক ও মানবিক গুরুত্ব আরও বাড়ে।

ইতালির একটি প্রতিনিধি দল—যার মধ্যে চার জন সংসদ সদস্যও ছিলেন—রোমে ফিরে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করেছে। ইতালীয় সাংসদ আর্তুরো স্কট্টো বলেন, "যারা আইন মেনে চলছিলেন তারা নৌকায় ছিলেন; যেসব নৌকা আটক করা হয়েছে, সেগুলোকে যারা আটক করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।"

এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আহ্বান ও কূটনীতি-সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো জোরালো হয়েছে। বিশেষত গ্রেটা থুনবার্গের মতো পরিচিত পরিবেশ ও মানবাধিকারকর্মীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বিশ্ব প্রচারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য করেছে।

এপ্রসঙ্গে, ইজরায়েলি বিদেশ মন্ত্রণালয় ঐ অভিযোগগুলো অস্বীকার করলেও, ঘটনাটির স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তীব্র হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকার রক্ষা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত বলে অনুরোধ করা হচ্ছে।

রাইটস: এই প্রতিবেদনের লেখা কপি রাইট মুক্ত।
সম্পর্ক: Y বাংলা ব্যুরো, রিপোর্টার: মহিবুর রহমান শেখ

Saturday, 4 October 2025

ইজরায়েলের গাজা আক্রমণ, ট্রাম্পের বারণ অগ্রাহ্য — নিহত ৬, ফের উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক, ওয়াশিংটন/তেল আভিভ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্পষ্ট বারণ সত্ত্বেও ফের গাজায় বিমান হামলা চালাল ইজরায়েল। শুক্রবার রাতে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইজরায়েলি বিমানবাহিনীর আক্রমণে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এই ঘটনায় নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সক্রিয় ছিলেন ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে তিনি পেশ করেছিলেন ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা। এই প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময়, এবং গাজায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ মিশন গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইজরায়েল প্রাথমিকভাবে প্রস্তাবটি গ্রহণ করলেও, হামাসের তরফে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দ্বিধা বজায় ছিল। হামাসের সম্মতি ও ট্রাম্পের আহ্বান শেষ পর্যন্ত হামাসও ট্রাম্পের প্রস্তাবে সম্মতি জানায়। তারা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে যে, ইজরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে তারা বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করবে। হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আমরা শান্তি চাই, রক্তপাত নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে নতুন সূচনা সম্ভব।”

আরও খবর পড়ুন , ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

এই সিদ্ধান্তের পরই ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে হামাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন — “গাজার মানুষকে শান্তি ফিরিয়ে দিতে হলে এখনই বোমা বর্ষণ বন্ধ করতে হবে। প্রতিটি জীবন মূল্যবান।” কিন্তু সেই বার্তা অগ্রাহ্য করে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী ফের আক্রমণ চালায় গাজায়। ইজরায়েলের দাবি, হামাস এখনও সীমান্ত বরাবর অস্ত্র মজুত রাখছে এবং রকেট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই কারণেই ‘প্রতিরক্ষামূলক অভিযান’ চালানো হয়েছে। নেতানিয়াহু সরকারের অবস্থান স্পষ্ট ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়ে দিয়েছেন, “ইজরায়েল নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোনও দেশের অনুমতির অপেক্ষা করবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা শান্তি চাই, কিন্তু আমাদের নাগরিকদের উপর হামলা হলে প্রতিরোধই একমাত্র উত্তর।”

আরও খবর পড়ুন , পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করুন

এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, ওয়াশিংটনের বারণ ইজরায়েলকে আটকাতে পারেনি। মার্কিন প্রশাসনের এক অংশ যদিও ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করছে, তবুও ইজরায়েলের এই হামলার পর হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো আসেনি। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভারতের অবস্থান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিপূর্বেই ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। শুক্রবারের ঘটনার পর মোদী প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, “যুদ্ধ নয়, সংলাপই একমাত্র সমাধান।” বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প ও মোদীর এই অভিন্ন অবস্থান মার্কিন-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। অন্যদিকে, আরব লীগ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের দাবি, ইজরায়েল যদি শান্তি আলোচনার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা আরও বাড়বে। হামাসের কৃতজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ সংকেত আক্রমণের আগে হামাস প্রকাশ্যে ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করে। তারা জানায়, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথমবারের মতো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝেছেন।” পাশাপাশি, হামাস আরব দেশগুলোকেও কৃতজ্ঞতা জানায় শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য। তবে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইজরায়েলের নতুন আক্রমণ হামাসের আস্থা নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা। গাজার স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, নিহতদের মধ্যে দুই শিশু ও এক নারী রয়েছেন। ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি প্রস্তাবের মূল পয়েন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ছিল গাজায় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১️⃣ গাজার উপর হামাসের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ২️⃣ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল সেখানে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করবে। ৩️⃣ পণবন্দি মুক্তি ও মানবিক সাহায্যের প্রবাহ বাড়ানো হবে। ৪️⃣ ইজরায়েল ও হামাস উভয়ের অস্ত্রবিরতি মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হবে। যদিও হামাস এই শর্ত মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল, ইজরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বর্তমানে গাজা ও ইজরায়েল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এখন নজর রয়েছে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ট্রাম্প কি ইজরায়েলের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেবেন, নাকি কূটনৈতিক আলোচনার পথে হাঁটবেন — সেটাই সময় বলবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 3 October 2025

ভারত সফরে আসছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

ভারত সফরে আসছেন তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

ভারত সফরে আসছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

🗓 আপডেট: ৩ অক্টোবর ২০২৫ | ✍ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি
তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি, যিনি প্রথমবারের মতো ভারত সফরে আসছেন

দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি আসছেন ভারতে। আগামী সপ্তাহেই তিনি পৌঁছাবেন নয়াদিল্লিতে এবং বৈঠক করবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। এটি শুধু একটি সফর নয়, বরং ভারত-আফগান সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০২১ সালে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অধিকাংশ দেশ এখনো তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বদলেছে। নিরাপত্তা, আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং সন্ত্রাসবাদ রোধের প্রশ্নে ভারতও নতুন নীতি নিতে বাধ্য হয়েছে।

মূল তথ্য এক নজরে:

  • আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি প্রথমবারের মতো ভারতে আসছেন।
  • তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
  • জাতিসংঘ সাময়িকভাবে তাঁর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।
  • ২০২১ সালের পর এটাই ভারত-আফগান সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঘটনা।

🌍 কেন এত গুরুত্ব পাচ্ছে এই সফর?

আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান দখল করে আছে। পাকিস্তান, ইরান, চীন ও ভারতের মতো দেশগুলির জন্য কাবুলের রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তালিবানের ক্ষমতায় ফেরার পর ভারত দূতাবাস বন্ধ করে দিলেও কাবুলে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছিল। এবার সরাসরি বৈঠক মানে দিল্লি তালিবান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন দ্বার খুলছে।

🇮🇳 ভারতের কূটনৈতিক কৌশল

ভারত এখন দ্বৈত অবস্থান নিয়েছে। একদিকে তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, অন্যদিকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। কারণ, আফগানিস্তান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ ভারতের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা দিল্লির জন্য বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, পাকিস্তান-চীন জোট যদি আফগানিস্তানে প্রভাব বাড়ায়, তাহলে ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

🕌 তালিবানের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ

আফগানিস্তান বর্তমানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে আছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটি খাদ্য ও চিকিৎসার ঘাটতিতে ভুগছে। ভারত হলো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতি, এবং দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানে মানবিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা। তাই কূটনৈতিক মহলের মতে, মুত্তাকির সফরের অন্যতম লক্ষ্য হলো ভারতের সাহায্য নিশ্চিত করা।

🔒 UN নিষেধাজ্ঞা সাময়িক প্রত্যাহার

জাতিসংঘ মুত্তাকিসহ একাধিক তালিবান নেতার ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছিল। তবে এবার কূটনৈতিক প্রয়োজনে তা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে তাঁর ভারত সফর সম্ভব হয়েছে। UN এর এই সিদ্ধান্তকে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘বাস্তববাদী কূটনীতি’র অংশ হিসেবে।

📈 আঞ্চলিক রাজনীতির প্রভাব

এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। ভারত যদি তালিবান সরকারের সঙ্গে সীমিত সহযোগিতা শুরু করে, তাহলে পাকিস্তান ও চীনের উপর চাপ তৈরি হবে। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও ভারতের এই অবস্থানকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

অন্যদিকে, আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা এলে মধ্য এশিয়া হয়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক পথ খুলে যাবে। বিশেষ করে ইরান ও চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে ভারত-আফগান বাণিজ্য আবার জোরদার হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ মত

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর মূলত দুই দেশের মধ্যে “বাস্তববাদী কূটনীতি”র প্রতিফলন। ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থ এবং আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বার্থ—দুটিই এই আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে আসবে।

🤝 সামনে কী হতে পারে?

যদিও ভারত এখনো তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়, তবে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন এই সফরের মাধ্যমে অন্তত “কথোপকথনের দরজা” খুলবে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যই হবে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এই সফরকে অনেকে “নতুন ইতিহাস রচনা” হিসেবে দেখছেন। তবে এর ফলাফল কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে আলোচনার পরবর্তী ধাপ এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির প্রতিক্রিয়ার উপর।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Thursday, 2 October 2025

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: মোক্তার হোসেন মন্ডল

গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌযান

ইসরায়েলের অব্যাহত বাধা ও নিরাপত্তা পদক্ষেপের মধ্যেও ফিলিস্তিনের গাজার উদ্দেশে এগোচ্ছে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌবহরের অন্তত ৩০টি নৌযান। ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ নামের এই বহর বর্তমানে গাজা উপত্যকা থেকে মাত্র ৮৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বুধবার রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের অবরোধ ও হামলার শিকার। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এই সংঘর্ষে গাজার ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। লাখো বাসিন্দা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছেন। মানবিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে সমুদ্রপথে এই ফ্লোটিলারের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের লক্ষ্য:
৪০টির বেশি নৌযান নিয়ে গঠিত এই বহরে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ ৪৪ দেশের প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে আছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য, চিকিৎসক, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

এর আগে ভূমধ্যসাগরে গাজা থেকে প্রায় ১২৯ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলি সেনারা এই বহরের ওপর নজরদারি শুরু করে। অন্তত আটটি নৌযান আটক করে বেশ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে সুইডিশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। ইসরায়েল জানিয়েছে, এই নৌযানগুলির আরোহীদের নিরাপদে বন্দরে নেওয়া হচ্ছে। তবে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, থামানো নৌযানের সংখ্যা আরও বেশি।

ফ্লোটিলারের মুখপাত্র জানান, গাজার মানুষের অব্যাহত মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। এই অভিযান শুধু খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য নয়, বরং এটি গাজার জনগণের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সচেতনতা জাগানোর একটি মাধ্যম।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের প্রতি অতিরিক্ত সতর্ক। ইসরায়েলি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নৌযানগুলি গাজার জলসীমায় প্রবেশ করলে সেগুলিকে আটক করা হবে। তবে ফ্লোটিলার পক্ষের দাবী, তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং মানবিক কার্যক্রমে নিযুক্ত।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরায়েলের এই আচরণকে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক নৌযানগুলিকে আটক করা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও সমুদ্র আইন লঙ্ঘন। গাজার সাধারণ মানুষকে সহায়তা পৌঁছে দিতে দেওয়া উচিত।

মানবিক সহায়তার গুরুত্ব:
অবরোধ ও হামলার কারণে গাজার মানুষ খাদ্য, পানি, ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে। আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের মাধ্যমে এগুলো সরবরাহ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত বহু আন্তর্জাতিক সাংবাদিক এই অভিযানকে জীবন্ত সংবাদ হিসেবে রিপোর্ট করছেন। তাদের মতে, গাজার সংকট আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিংয়ের জন্য এই ধরনের উদ্যোগ অপরিহার্য।

ফ্লোটিলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আন্তর্জাতিক সহমর্মিতা। গাজা অনেক বছর ধরে অবরোধ ও সহিংসতার শিকার হলেও, বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন মানুষকে আশা এবং নিরাপত্তার বার্তা দেয়। এই ধরনের পদক্ষেপ গাজার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য শুধু সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করা। তারা আশা করছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় গাজার অবরুদ্ধ মানুষদের পাশে দাঁড়াবে এবং সহায়তা নিশ্চিত করবে।

গাজার পরিস্থিতি ক্রমেই মানবিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে। তাই এই ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও মানবিক আইন মেনে কাজ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে অনেক দেশের সরকার, মানবাধিকার সংস্থা ও সাধারণ মানুষ এই ফ্লোটিলারের সঙ্গে সমর্থন প্রকাশ করছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুত গাজার মানুষের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে যাবে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষও এই ফ্লোটিলারকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই ধরনের উদ্যোগ মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লোটিলারের অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ:
যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ মোট ৪৪ দেশ থেকে প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি এই মানবিক অভিযান চালাচ্ছেন।

ইসরায়েলি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফ্লোটিলারের এই ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা নীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েলের অবরোধ নীতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার ভূমিকা নিয়ে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র মানবিক সহায়তা নয়, বরং এটি গাজার মানুষের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থনের প্রতীক। এটি ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক অবস্থানেও চাপ তৈরি করতে পারে।

এদিকে ইসরায়েলি সেনারা জানিয়েছে, তারা ফ্লোটিলারের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং নৌযানগুলি বন্দরে নেবে। তবে তারা সতর্ক করেছেন, যদি নৌযানগুলো অবরুদ্ধ জলসীমায় প্রবেশ করে, তাহলে তা আটক করা হবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International এবং Human Rights Watch এই অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা আরও বলেছেন, ফ্লোটিলারের এই ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে গাজার সংকটের দিকে মনোযোগ বাড়াবে। এটি বিশ্ববাসীর কাছে মানবিক দায়িত্বের বার্তা পৌঁছে দেবে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা গাজার হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সরবরাহ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এতে গাজার শিশু, বৃদ্ধ ও আহত মানুষদের উপকার হবে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
ফ্লোটিলারের উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে Amnesty International, Human Rights Watch এবং ইউরোপীয় অনেক সরকার। তারা মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

গাজার মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর এই আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা বিশ্ব সম্প্রদায়ের মানবিক দায়িত্ব এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করছে। এটি ইসরায়েলের অবরোধ ও নিরাপত্তা নীতির সাথে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

ফ্লোটিলারের মুখপাত্র আশা করছেন, শান্তিপূর্ণভাবে এই অভিযান সম্পন্ন হবে এবং গাজার মানুষদের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও নজরদারির ফলে গাজার সাধারণ মানুষদের জন্য এটি একটি আশার দিশা হয়ে উঠেছে।

ফ্লোটিলারের এই অভিযান আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে। এটি গাজার মানবিক সংকটের বাস্তব ছবি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে এবং আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারকদেরও সতর্ক করছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছেন, এই ফ্লোটিলার মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এই ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গাজার মানুষদের জন্য শুধু সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নয়, বরং বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে মানবিক সচেতনতা এবং সহমর্মিতা জাগানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হামাস-ইজরায়েল সংঘাত: গাজায় ইজরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজারের বেশি

হামাস-ইজরায়েল সংঘাত: গাজায় ইজরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজারের বেশি

হামাস-ইজরায়েল সংঘাত: গাজায় ইজরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজারের বেশি

গাজা সংঘাত
গাজার ভূখণ্ডে ইজরায়েলি সেনার হামলার পর ধ্বংসস্তূপে প্যালেস্তাইনিরা।

গাজার ভূখণ্ডে হামাস এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স ধারাবাহিকভাবে বিমান ও স্থল হামলা চালাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিশু, নারী ও বয়স্করা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে এই সংঘাত এখন অন্যতম চর্চার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই সময়ে ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ফ্রান্স প্যালেস্তাইনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, "গাজার ভূখণ্ড অবিলম্বে খালি করতে হবে। যারা সেখানে থেকে যাবে, তাদেরকে জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ধরা হবে এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: "গোটা ঘটনায় জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদীদের সুবিধা হয়েছে। প্যালেস্তাইন কখনও স্বাধীন রাষ্ট্র হবে না।"

রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও প্যালেস্তাইনের স্বীকৃতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, "কিছু দেশ প্যালেস্তাইনকে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিচ্ছে, যা হামাসকে পুরস্কৃত করার সমতুল্য। আমেরিকা সেই পথে হাঁটবে না।"

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটে ভারতসহ ১৪২টি দেশ প্যালেস্তাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে মাত্র ১০টি দেশ, এবং ১২টি দেশ ভোটদান করেনি। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জ গাজার ভূখণ্ডে ইজরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

গাজার শরণার্থী শিবির এবং নগর এলাকায় ইজরায়েলি সেনার হামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য, এবং বহু পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। শিশু ও তৃষ্ণার্ত মানুষদের ওপর বোমা ও স্থল হামলার ফলে মানবিক সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে।

মানবিক ক্ষতি: ইজরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। অসংখ্য শিশু, নারী ও বয়স্কদের জীবনের ক্ষতি হয়েছে। শরণার্থী শিবিরগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে।

অঞ্চলের রাজনৈতিক পটভূমি অত্যন্ত জটিল। ২০০৭ সাল থেকে গাজার ভূখণ্ডে হামাস নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন সংঘাত বহু বছর ধরে চললেও সাম্প্রতিক এই তীব্রতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং রাষ্ট্রপুঞ্জের পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করছে।

বিশ্ব রাজনীতি এখন গাজার দিকে নজর দিচ্ছে। প্যালেস্তাইনের স্বীকৃতি, ইজরায়েলি হুঁশিয়ারি, এবং তীব্র হামলার ফলে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। শান্তি স্থাপনের জন্য যে কোনো সময় জরুরি উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog