Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label জলবায়ু. Show all posts
Showing posts with label জলবায়ু. Show all posts

Tuesday, 6 January 2026

কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

 


কনকনে শীতে কাঁপছে তিলোত্তমা, ১৩ বছর পর ১০ ডিগ্রির নিচে নামল কলকাতার পারদ

চলতি মরশুমে যেন রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। নতুন বছরের শুরুতেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১১ ডিগ্রিতে। এরপর কয়েকদিন পারদ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও মঙ্গলবার ফের এক ধাক্কায় নামল তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়ায় ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত এক দশকের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।

হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ ডিগ্রিতে। তার পর থেকে প্রতি বছর পৌষ-জানুয়ারিতে পারদ মূলত ১১ ডিগ্রির আশেপাশেই ঘোরাফেরা করেছে। বহুবছর পর চলতি বছরে জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নেমে এল ১১ ডিগ্রির নিচে।

মরশুমের শুরু থেকেই ঠান্ডার দাপটে খুশি শীতপ্রেমীরা। তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা বেশ কষ্টকর। লেপ-কম্বল ছাড়া বেরোনো কার্যত দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে থাকলেও মঙ্গলবার এক ধাক্কায় তিলোত্তমার পারদ নেমে যায় ১০ ডিগ্রির ঘরে।

শহরের পাশাপাশি শহরতলি ও জেলার পরিস্থিতিও প্রায় একই। কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছে পথঘাট। দৃশ্যমানতা এতটাই কমেছে যে একহাত দূরের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে যান চলাচলেও। ট্রেন ও বাস চলছে ধীর গতিতে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, মঙ্গলবারের ঠান্ডা একাধিক পুরনো রেকর্ডের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। এর আগে ২০০৩ সালের ২২ জানুয়ারি কলকাতায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৯.৩ ডিগ্রিতে। আরও পিছনে তাকালে দেখা যায়, ১৮৯৯ সালের জানুয়ারিতে শহরের তাপমাত্রা নেমেছিল ৬.৭ ডিগ্রিতে।

এদিকে উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চরমে। হাঁড়কাপানো ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা পাহাড় ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। শীত উপভোগ করতে দার্জিলিং-সহ উত্তরের একাধিক পাহাড়ি এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকেরা।

Monday, 29 December 2025

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত্যু ১

ডিজিটাল ডেস্ক | রবিবার মধ্যরাত

আবারও চলন্ত ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। রবিবার গভীর রাতে অন্ধ্রপ্রদেশে চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন লাগে। এই দুর্ঘটনায় এক যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। যদিও রেল কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের অনকাপল্লী জেলায়। রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ ট্রেনটি ইলামানচিলি রেল স্টেশনে ঢোকার সময় লোকো পাইলট আগুনের শিখা দেখতে পান। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন।

প্রথমে বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এম১ এসি কোচ এবং সংলগ্ন বি২ এসি কোচে। তিনটি কোচই আগুনে সম্পূর্ণভাবে ঝলসে যায়।

আগুনের ঘটনা বুঝতে পেরেই যাত্রীরা চেন টানতে শুরু করেন। ট্রেনের ভিতরে শুরু হয় আতঙ্ক, চিৎকার ও হুড়োহুড়ি। তবে রেলকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে সকল যাত্রীকে নিরাপদে ট্রেন থেকে নামানো হয়।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি কোচে ছিলেন ৮২ জন এবং অন্য কোচে ছিলেন ৭৬ জন যাত্রী। এক এক করে সকলকেই নিরাপদে নামানো সম্ভব হয়।

তবে ভয়াবহ আগুনের মধ্যে প্রাণ হাতে করে নামার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা বি১ কোচ থেকে নামার সময় এক যাত্রীর গায়ে আগুন ধরে যায়। তাঁকে উদ্ধার করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁর।

মৃত যাত্রীর নাম চন্দ্রশেখর সুন্দরম। তিনি সেই বি১ কোচেই ছিলেন, যেখানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

টাটানগর থেকে এরনাকুলামের উদ্দেশে যাত্রা করছিল ট্রেনটি। মাঝপথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হলেও বাকি সকল যাত্রী নিরাপদ রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে রেলের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Sunday, 14 December 2025

বাংলায় শীতের দাপট: বিস্তারিত আবহাওয়া বিশ্লেষণ

বাংলায় শীতের দাপট: বিস্তারিত আবহাওয়া বিশ্লেষণ

শীতের দাপট ফের স্পষ্ট বাংলায়: আগামী সাত দিনের বিস্তারিত আবহাওয়া পূর্বাভাস

শীতের আমেজ আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা, উত্তুরে হাওয়ার দাপট এবং ক্রমশ নামতে থাকা পারদের জেরে রাজ্যজুড়ে আবহাওয়ার চরিত্রে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এসে শীত যে আরও কিছুটা জাঁকিয়ে বসতে চলেছে, সে ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সাম্প্রতিক আবহাওয়াগত পরিস্থিতি সেই পূর্বাভাসকেই আরও জোরালো করছে।

ঘূর্ণাবর্ত ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার যুগল প্রভাব

আবহাওয়া দফতরের মতে, এই মুহূর্তে একাধিক বৃহৎ আবহাওয়াগত ব্যবস্থার সম্মিলিত প্রভাব পড়ছে পূর্ব ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় একটি আপার এয়ার সার্কুলেশন বা ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এর পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার উপকূল সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকাতেও আরেকটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এই দুটি ঘূর্ণাবর্ত মূলত আর্দ্রতা বহন করলেও, উত্তুরে হাওয়ার প্রবাহের কারণে সেই আর্দ্রতা রাজ্যে বৃষ্টি ঘটানোর মতো সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারছে না।

অন্যদিকে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে সক্রিয় হচ্ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা (Western Disturbance)। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব শীঘ্রই আরও একটি নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর ভারতে প্রবেশ করতে পারে। এই পরিস্থিতির ফলে হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা বাড়ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে উত্তর ও পূর্ব ভারতের সমভূমিতে। পশ্চিমবঙ্গেও এর জেরে উত্তুরে হাওয়া আরও শক্তিশালী হবে এবং শীতের দাপট বাড়বে।

কলকাতায় পারদের পতন

এরই মধ্যে কলকাতায় ফের নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে, যা এই সময়ের স্বাভাবিক মানের কাছাকাছি হলেও শীতের অনুভূতি বেশ স্পষ্ট। সকালের দিকে উত্তুরে হাওয়া বইতে শুরু করায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা শহরের বিভিন্ন অংশে দেখা যাচ্ছে, যা যান চলাচলের ক্ষেত্রে সাময়িক অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী অন্তত সাত দিন এই শীতের স্পেল বজায় থাকবে। এই সময়ে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি অথবা সামান্য নীচে থাকতে পারে।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া পরিস্থিতি

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিন শীতের আমেজ বজায় থাকবে। পশ্চিমের জেলা যেমন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে রাতের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সব জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। ফলে ভোর ও রাতের দিকে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে।

উপকূলবর্তী জেলা—পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনায়—রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি কমবে না। এই সব এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে নদী ও জলাশয় সংলগ্ন অঞ্চলে।

উত্তরবঙ্গে কুয়াশার দাপট

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় কুয়াশার প্রভাব আরও বাড়তে চলেছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী কয়েক দিনে অন্তত চারটি জেলায় কুয়াশার ঘনঘটা দেখা যেতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় মাঝারি কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে আসতে পারে প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত। এর ফলে পাহাড়ি রাস্তায় যান চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও সকালের দিকে কুয়াশার প্রভাব থাকতে পারে। যদিও আপাতত ঘন কুয়াশা নিয়ে কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি, তবুও ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, আবহাওয়া শুষ্ক

একটি স্বস্তির খবর হল, আগামী সাত দিনে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় থাকলেও উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে রাজ্যের বায়ুমণ্ডল তুলনামূলকভাবে শুষ্ক থাকবে। ফলে দিনের বেলা আকাশ পরিষ্কার থাকবে এবং রোদের দেখা মিলবে। তবে রাত নামলেই তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি বাড়বে।

আগামী দিনের সামগ্রিক চিত্র

সামগ্রিকভাবে বলা যায়, আগামী সাত দিন পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ জমাট থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম থাকবে, তবে বড়সড় কোনও তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দিনে দিনে পারদের ওঠানামা এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

সকালে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া পরিষ্কার হয়ে যাবে। শীতপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি না হলেও, উত্তুরে হাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি স্পষ্টভাবেই বজায় থাকবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ভোর ও রাতের ঠান্ডা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

সব মিলিয়ে, শীতপ্রেমীদের জন্য আগামী সপ্তাহ সুখবর নিয়ে এলেও, কুয়াশা ও ঠান্ডাজনিত সমস্যার কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

© ২০২৫ | আবহাওয়া বিশ্লেষণ প্রতিবেদন

Monday, 8 December 2025

শীতে কাঁপছে বাংলা: কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১৫° সেন্টিগ্রেড — সাতদিনে শুষ্ক ও কুয়াশা


শীতে কাঁপছে বাংলা: কলকাতায় পারদ নামল ১৫° সেন্টিগ্রেড — সপ্তাহজুড়ে শুষ্ক, কুয়াশা ও পরিষ্কার আকাশ

কোনও নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত নেই; উত্তুরে শীতল হাওয়া ঢুকায় তাপমাত্রা নিম্নমুখী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে — আগামী সাতদিন তেমন কোনো বড় বদল নেই।

রিপোর্ট: আবহাওয়া ব্যুরো | আপডেট: আজ

উত্তর থেকে ঢোকার কাঁটা ঠান্ডা হাওয়ার ফলে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর— উভয়াঞ্চলেও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। কলকাতায় তাপমাত্রা নেমেছে ১৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে, আর দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলোতে আরও ২–৩ ডিগ্রি কম দেখা গেছে। পার্বত্য দার্জিলিং-এ তাপমাত্রা ৫°-এর নিচে, শ্রীনিকেতনে নেমেছে ৯.৮°-এ — সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধভাগেই শীত বেশ উপভোগ্য।
শীতল আবহাওয়া ও কুয়াশায় ঢাকা শহর

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে বর্তমানে কোনও নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত নেই। বাতাসের প্রবাহ উত্তর কিংবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রবাহিত হওয়ায় আগামী কয়েকদিন রাজ্যে শুষ্ক শীতল আবহাওয়া বজায় থাকবে। বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় নিচু থাকবে।

কলকাতা শহরে সকালের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণে গতকাল পারদ নেমে দাঁড়িয়েছিল ১৫° সেন্টিগ্রেডে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কম তাপমাত্রা রিপোর্ট করা হয়েছে—কিছু জায়গায় তা ১০° সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি নেমে এসেছে। রবিবার শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯.৮° সেন্টিগ্রেডে, যা শীতের তীব্রতার ইঙ্গিত দেয়।

আবহাওয়া দপ্তর আরও জানায়, ভোরের দিকে কুয়াশা বা ধোঁয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলে সামান্য বিঘ্ন ঘটতে পারে। বিশেষত পার্বত্য এলাকায় দৃশ্যমানতা অনেক জায়গায় ৯০০ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে—সেখানে গাড়ি চালকদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উপকূলীয় জেলাগুলোতেও কুয়াশার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

মুখ্য নিধান:
  • উত্তুরে থেকে ঢুকছে শীতল তুল্য হাওয়া—নিম্ন তাপমাত্রা।
  • কলকাতায় সর্বনিম্ন ১৫° সেলসিয়াস; শ্রীনিকেতনে ৯.৮° রেকর্ড।
  • সপ্তাহজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া, আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।
  • সকালে কুয়াশা ও দৃশ্যমানতা কমার সম্ভাবনা—বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

আরও খবর পড়ুন , গোয়ার নাইটক্লাবে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড — মৃত ২৩

জেলার حسابে সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাস

অঞ্চল সর্বনিম্ন (°C) সর্বোচ্চ (°C) বিশেষ দ্রষ্টব্য
কলকাতা ১৫ ২৫٫৬ (গতকাল) সকালে হালকা কুয়াশা, পরে পরিষ্কার আকাশ
দার্জিলিং (পার্বত্য) ৫-এর নিচে ১২-১৪ দৃশ্যমানতা খারাপ হতে পারে
মালদহ ~১৫ ~২৪ সকালে কুয়াশা
শ্রীনিকেতন ৯.৮ (রেকর্ড) ~২৩ স্যানিটারি ও ট্রাফিক সচেতনতা বজায় রাখুন
উপকূলীয় জেলাগুলি ১২-১৫ ~২৫ সকালে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি

পরবর্তী সাতদিনে কী আশা করা যায়?

আলিপুর অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী সাতদিন রাজ্যে বড় ধরনের আবহাওয়াগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দিনভর পরিষ্কার আকাশ ও শুষ্ক আবহাওয়া ধরে থাকবে। ভোর ও সন্ধ্যার পরিপ্রেক্ষিতে শীতের আমেজ তীব্র থাকবে, সেজন্য সকালের বাইরে বেরোনোর সময় গরম কাপড় পরা জরুরি। আধুনিক শহরে কুয়াশার কারণে অফিসগমন এবং স্কুল-কলেজে কিছুটা বিলম্ব ঘটতে পারে—পরিবহন পরিষেবা ব্যবহারকারীদের অনুরোধ করা হচ্ছে সময়সূচি অনুযায়ী বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার জন্য।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা টিপস

  • কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার সময় গাড়ি ধীরে চালান, ফোগ লাইট ব্যবহার করুন এবং হেডলাইট অন রাখুন।
  • ঠান্ডায় বাচ্চা ও বৃদ্ধদের অতিরিক্ত গরম কাপড় দিন; সাধারণ সর্দি-কাশি বাড়তে পারে।
  • শীতকালে ব্যক্তিগত হাইজিন বজায় রাখুন—প্রচুর পানি পান ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করুন।
  • পার্বত্য এলাকার ভ্রমণকারীরা রাস্তায় ধরা পড়া কুয়াশা ও স্লিপিং কন্ডিশনে সতর্ক থাকুন।

নোট: এখানে দেওয়া তাপমাত্রা ও পরিবেশগত শর্তাবলী আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ ও আঞ্চলিক রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত। আঞ্চলিকভাবে স্বল্পমেয়াদে পরিবর্তন ঘটলে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি লক্ষ্য করুন।

শীত ২০২৫ আবহাওয়া আপডেট কলকাতা কুয়াশা সতর্কতা
© ২০২৫ ডিজিটাল খবর | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সর্বশেষ আবহাওয়া তথ্যের জন্য স্থানীয় আবহাওয়া দফতরের ঘোষণা অনুসরণ করুন।

Sunday, 5 October 2025

ভারতে লা নিনার প্রভাবে ভয়ঙ্কর শীত: ২০২৫ সালের শেষের দিকে হাড়কাঁপানো শীতের পূর্বাভাস

ভারতে লা নিনার প্রভাবে ভয়ঙ্কর শীত: ২০২৫ সালের শেষের দিকে হাড়কাঁপানো শীতের পূর্বাভাস

ভারতে লা নিনার প্রভাবে ভয়ঙ্কর শীত: ২০২৫ সালের শেষের দিকে হাড়কাঁপানো শীতের পূর্বাভাস

Y বাংলা ব্যুরো, লেখক: ফারিয়া মন্ডল — আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫
লা নিনার প্রভাবে ভারতে শীতের পূর্বাভাস
অবৈতনিক আবহাওয়ার খেলায় লা নিনা ভারতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং অতিবৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করছে। (ছবি: প্রতিনিধি)

ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে শেখা ছয় ঋতু আজকাল আর দেখা যায় না। গ্রীষ্ম, বর্ষা ও কিছুটা শীতের মধ্যে মানিয়ে নিতে হচ্ছে ভারতবাসীকে। সাম্প্রতিক সময়ে আবহাওয়ার চরম অস্থিরতাই ‘নিউ নর্ম্যাল’। কখনও প্রচণ্ড গরম, কখনও দেরিতে আসা বর্ষা, আবার হঠাৎ থামতে না চাওয়া বৃষ্টি—এসবই এখন সাধারণ দৃশ্য। তবে এবার আবহাওয়ার অস্থিরতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভয়ঙ্কর শীতের পূর্বাভাস, যার পোশাকি নাম ‘লা নিনা’।

আরও খবর পড়ুন , অবিরাম বর্ষণে জলস্ফীতি, পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার আশঙ্কা

হিসাব অনুযায়ী বর্ষাকাল অগস্টে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষেও ভারী বৃষ্টি থেকে রেহাই পাওয়া যায়নি। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, মেঘভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বান ও ধসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কলকাতাও পুজোর আগে ভয়ঙ্কর বৃষ্টিতে নাজেহাল। ভাসছে উত্তরবঙ্গ। আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষার দুর্ভোগের পর কলকাতার জন্য আরও কঠিন শীতের সময় আসতে চলেছে।

মৌসম ভবন এবং মার্কিন আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরে পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি শীত পড়তে চলেছে। বিশেষ করে উত্তর ভারতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ‘লা নিনা’ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৭১ শতাংশ। মার্কিন ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টারও এই পূর্বাভাসকে সমর্থন দিয়েছে।

লা নিনা কী?

লা নিনা শব্দটি স্প্যানিশ ভাষার, যার অর্থ ‘ছোট মেয়ে’। এটি এক ধরনের জলবায়ুগত অবস্থা, যখন প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশ অস্বাভাবিকভাবে ঠান্ডা হয়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে অতিবৃষ্টি বা তীব্র শীত দেখা দেয়। বিপরীতে, জল যদি অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়, তাকে বলা হয় এল নিনো, যা খরা ও অনাবৃষ্টি ডেকে আনে।

লা নিনার সময় দক্ষিণ আমেরিকার কাছাকাছি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের জল ঠান্ডা হয়, আর ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার দিকে জল উষ্ণ হয়। ফলে বৈশ্বিক আবহাওয়ার প্যাটার্নে বিরাট প্রভাব পড়ে। নভেম্বর-ডিসেম্বরে উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহ ও তুষারপাত বেড়ে যায়।

ভারতে লা নিনার প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হয়। কৃষিনির্ভর দেশের জন্য এতে কৃষিকাজে সুবিধা থাকে, পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণও বাড়ে। একই সঙ্গে শীতও তীব্র হয়ে ওঠে। পাহাড়ি অঞ্চলে বেশি তুষারপাত হয়। তবে সাম্প্রতিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লা নিনার চরিত্রও অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। বর্ষার সময়ে ভারী বৃষ্টি এবং অন্য অঞ্চলে অনাবৃষ্টি এর প্রমাণ।

মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা এনওএএ জানিয়েছে, বর্তমানে লা নিনা সক্রিয়। অতীতে ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ট্রিপল ডিপ লা নিনা সক্রিয় ছিল। ২০২৩ সালে এল নিনো সক্রিয় হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই ওঠানামার প্রভাব আরও স্পষ্ট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি থাকবে। ফলে শীতের আমেজ আগেভাগেই অনুভূত হতে পারে। ২০২৫ সালের শেষের দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে উত্তর ভারতের উপরিভাগে জেট স্ট্রিম প্রবাহিত হবে। এর ফলে বাংলা ও গোটা দেশজুড়ে কনকনে হাড়কাঁপানো শীত পড়তে পারে। পাহাড়ি এলাকায় রেকর্ড তুষারপাতও হওয়ার আশঙ্কা আছে।

গত বছর লা নিনার প্রভাবে দিল্লি, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশে ১৭ দিনের টানা শৈত্যপ্রবাহ ও শীতল দিনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এবারের পূর্বাভাস আরও ভয়ঙ্কর।

আরও খবর পড়ুন , অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

রাইটস: এই প্রতিবেদন কপি রাইট মুক্ত।
লেখক: ফারিয়া মন্ডল, Y বাংলা ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 3 October 2025

ফ্ল্যাশ নিউজ: আজ কলকাতার আবহাওয়া — মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্ল্যাশ নিউজ: আজ কলকাতার আবহাওয়া — মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্ল্যাশ নিউজ — আজ কলকাতার আবহাওয়া

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

সংক্ষিপ্ত: আকাশ সাধারণত মেঘলা। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

৩০° সেলসিয়াস

সূর্যোদয় / সূর্যাস্ত

৫:২৯ — ১৭:২৯

জোয়ার

ভোর ৪:৪১, বিকেল ৫:৪৪

ভাটা

সকাল ১০:১৩, রাত ১১:১২

প্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত: হালকা থেকে মাঝারি; বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা থাকা অনুযায়ী বাহিরে গেলে ছাতা এবং বৃষ্টি-বিরোধী কভার ব্যবহার করবেন।
গতকালের হালচাল: গতকাল (২ অক্টোবর) কলকাতায় রেকর্ড করা বৃষ্টির পরিমাণ — ২৬.৬ মিলিমিটার। স্থানীয় নির্জন এলাকায় জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখুন।

সংক্ষিপ্ত সতর্কতা: মোবাইল নেটওয়ার্ক বা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মতো অঞ্চলভিত্তিক সমস্যা দেখা দিতে পারে; তাছাড়া বজ্রবিদ্যুৎ চলাকালে উন্মুক্ত এলাকায় থাকা এড়িয়ে চলুন।

(এই ফ্ল্যাশ নিউজটি কেবল দ্রুত পাঠানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তুত—বিস্তারিত অফিসিয়াল মেঘলা/বৃষ্টির আপডেটের জন্য কৃষি বা জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তার বিজ্ঞপ্তি দেখুন।)

Thursday, 2 October 2025

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
দশমী আবহাওয়া সতর্কতা
দশমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে কমলা সতর্কতা জারি।

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে দুর্যোগ আরও ঘনিয়ে আসতে পারে। বৃহস্পতিবার সকালের বৃষ্টি সেই প্রশ্নকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরও বিশেষ আশার কথা শোনায়নি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ফলে নাছোড় বৃষ্টি পিছু ছাড়ার বদলে আরও বেগ বাড়াবে বলেই খবর।

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আজ, বৃহস্পতিবার এবং আগামীকাল শুক্রবার। কলকাতায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকবে, ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৭৫ কিমি। বাংলা ও ওড়িশার মৎস্যজীবীদের আগামীকাল পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে।

উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে সতর্কতা: ওড়িশার গোপালপুর থেকে পারাদ্বীপের মধ্যে অতি গভীর নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশ করবে। পুরীর কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা বেশি। কলকাতায় দিনভর মেঘলা আকাশ এবং বিক্ষিপ্তভাবে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২°C, সর্বোচ্চ ৩২.৭°C। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৯-৯৭%।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আজ সর্বাধিক ঝড়বৃষ্টি। কলকাতা ও হাওড়ায় কমলা সতর্কতা। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। উপকূলীয় এলাকায় ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও দুর্যোগের পরিমাণ বাড়বে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উপরোক্ত জেলাগুলোতে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার পর্যন্ত দুর্যোগ চলবে বলে প্রাথমিক তথ্য, সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।

#কলকাতাআবহাওয়া #ভারীবৃষ্টি #নিম্নচাপ #দক্ষিণবঙ্গ #কমলাসতর্কতা #ঝড়বৃষ্টি #উত্তরবঙ্গ #দুর্যোগসতর্কতা #দশমী
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

"দশমীর সকাল থেকেই কলকাতা জুড়ে মেঘলা আকাশ ও মুষলধারে বৃষ্টি। পুজোর আনন্দে ভিজে গেল শহর, ছাতা সঙ্গে রাখা আবশ্যক।"

কলকাতায় দশমীর সকাল থেকে বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি, আবহাওয়া সতর্কতা জারি

কলকাতায় দশমীর সকাল থেকে বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি, আবহাওয়া সতর্কতা জারি

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১১:০০

কলকাতায় দশমীর বৃষ্টি

কলকাতার রাস্তার দৃশ্য, দশমীর সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি

দশমীর সকাল থেকেই কলকাতা এবং শহরতলির আকাশ মেঘলা ছিল। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হয়। তবে দুপুরের দিকে বেলা গড়াতে গড়াতে আকাশ কালো করে মুষলধারে বৃষ্টি নামল গোটা শহরে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশে বজ্রসহ প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া সতর্কতা: আবহাওয়া দফতর কমলা সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে শহরতলি এবং নদীবেষ্টিত এলাকায় জলাবদ্ধতা ও দ্রুত বেগে বাতাসে সতর্ক থাকতে হবে। হঠাৎ বজ্রপাত এবং ঝড় হতে পারে।

দশমীতে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় প্রায় সারা দিনই বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়ারও পূর্বাভাস রয়েছে। শহরের বিভিন্ন বড় পুজোমণ্ডপ খোলা থাকায় দর্শনার্থীদের ছাতা ও বৃষ্টি প্রতিরোধী পোশাক সঙ্গে রাখা বাঞ্ছনীয়।

নবমীর রাত থেকেই কলকাতা ও শহরতলির বেশ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। তাতে পুজোর আনন্দ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, অনেক জায়গায় পুজো অনুষ্ঠান আগের পরিকল্পনা মতোই চলেছে।

বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাব

বঙ্গোপসাগরে একটি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে, যা ধীরে ধীরে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতাসহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নচাপের প্রভাবে দশমীতে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।

শহরের কোথাও কোথাও বৃষ্টি মৃদু হলেও, দুপুর ১২টা নাগাদ আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি নামে। এমন পরিস্থিতিতে পুজো উদযাপনকারী মানুষদের জন্য শহরের সড়কগুলিতে চলাচল কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

দশমীর বৃষ্টি এবং পুজোর প্রস্তুতি

কলকাতার বিভিন্ন বড় পুজোমণ্ডপে দশমীর প্রার্থনা ও দর্শনার্থী উপচে পড়েছে। বৃষ্টির কারণে কিছু মণ্ডপে দর্শনার্থীদের চলাচল সীমিত হতে পারে। বিশেষ করে খোলা মণ্ডপ এবং রাস্তার পাশে স্থাপিত মণ্ডপগুলিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। তাই দর্শনার্থীদের ছাতা ও রেইনকোট সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

দশমী ছাড়াও আগামিকাল একাদশীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

শহরবাসীর জন্য পরামর্শ

  • বৃষ্টির সময় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • শহরের জলাবদ্ধতা এবং ট্রাফিক জ্যামের কারণে অতিরিক্ত সময় রাখুন।
  • বাচ্চাদের সঙ্গে বাইরে বের হলে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন।
  • যাদের জরুরি কাজে বাইরে যেতে হয়, তারা ছাতা, রেইনকোট এবং ওয়াটারপ্রুফ জুতো ব্যবহার করুন।
  • বজ্রপাতের সময় উঁচু স্থানে বা খোলা এলাকায় থাকার থেকে বিরত থাকুন।

প্রবল বৃষ্টির সম্ভাব্য প্রভাব

দশমীর বৃষ্টিতে শহরের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে জলমগ্ন হতে পারে। হঠাৎ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার কারণে বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়া সড়কে চলাচলে অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নাগরিকদের আবহাওয়া সতর্কতার কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

উপসংহার

দশমী উপলক্ষে কলকাতাসহ শহরতলিতে বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শহরের বড় বড় পুজোমণ্ডপ খোলা থাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক। আবহাওয়া দফতর থেকে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং শহরবাসীর জন্য বিভিন্ন নিরাপত্তা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছাতা, রেইনকোট এবং সাবধানী চলাচল এই বৃষ্টিতে নিরাপদ থাকার মূল চাবিকাঠি।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Wednesday, 1 October 2025

কলকাতায় নবমীতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি

কলকাতায় নবমীতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি | Y Bangla News

কলকাতায় নবমীতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি, দর্শনার্থীরা সমস্যায়

আশঙ্কাই সত্যি হল। নবমীর বিকেলেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভয়ানক ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন সাধারণ মানুষজন, কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে তারা সমস্যায় পড়েন। গোটা রাজ্যে নিম্নচাপের প্রভাব স্পষ্ট।

আবহাওয়া হাইলাইট:
  • মধ্য বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে।
  • আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আগেই সতর্কবার্তা জানিয়েছিল।
  • ষষ্ঠী, সপ্তমী ও অষ্টমীতে বৃষ্টিপাত নেই, নবমীতে প্রবল বৃষ্টি।

ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সাধারণত বৃষ্টিপাতের দেখা মেলেনি। অষ্টমীতে বিকেলের দিকে কিছু জেলায় মাঝারি বৃষ্টি দেখা গিয়েছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, নবমীতে নিম্নচাপের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং প্রবল বৃষ্টি হতে পারে।

নবমীর সকাল থেকেই মানুষজন ঠাকুর দেখতে মণ্ডপে আসতে শুরু করেন। কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণের মণ্ডপে দর্শনার্থীর ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ ক্রমশ কালো হয়ে যায়। বিকেলের আগেই ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। কলকাতা-সহ আশেপাশের এলাকাগুলিতে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির মাত্রা বেড়ে যায়।

ছবি: কলকাতার পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীরা বৃষ্টির মধ্যে আশ্রয় নিচ্ছেন

বৃষ্টিতে অনেকেই ভিজে যান। মণ্ডপের ভিতরেই আশ্রয় নিতে হয়। কেশরী সার্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের তোরণ ভেঙে যায়। রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি চারচাকা গাড়ির উপর বাঁশের তৈরি হোই পড়ে। সৌভাগ্যবশত গাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো বড় অঘটন ঘটেনি। এই কারণে শাপুরজি আবাসনের কাছের রাস্তা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

হাওয়া অফিসের সতর্কতা:
  • হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরে কমলা সতর্কতা জারি।
  • উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা।

নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মানুষজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিশেষত শিশু ও প্রবীণদের বাইরে বেরোতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্গাপূজা কমিটিগুলো জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতার আবহাওয়া আপডেট - নবমীর পূর্বাভাস

কলকাতার আবহাওয়া আপডেট - নবমীর পূর্বাভাস

কলকাতার আবহাওয়া আপডেট - নবমীর পূর্বাভাস

হাল্কা বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে উতরে গিয়েছে অষ্টমীর রাত। কিন্তু নবমীর বিকেল থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেলের মধ্যে কলকাতায় দমকা হাওয়া এবং মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা। তাই ঠাকুর দেখতে বেরোলে ছাতা নিয়ে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

হাওয়া অফিসের সাম্প্রতিক বুলেটিন অনুযায়ী, বিকেল পর্যন্ত কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার বিস্তীর্ণ অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও। বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। তাই নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দুপুর থেকেই অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর নতুন করে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। এটি আরও উত্তর-পূর্বে সরবে এবং নবমীর বিকেলের মধ্যেই নিম্নচাপে পরিণত হবে। ৩ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নিম্নচাপটি আরও গভীর নিম্নচাপে ঘনীভূত হবে এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলের মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এর প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে।

ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে দশমীর দিন, বৃহস্পতিবারও। ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির পাশাপাশি হতে পারে বজ্রপাত। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার।

শহরে শুক্রবার এবং শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog