Sample Video Widget

Seo Services

Thursday, 8 January 2026

I-PAC ইডি রেড: ‘ভোটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই’, ফাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইডি

 


🔴 I-PAC ইডি রেড: ‘ভোটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই’, ফাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে ইডি

ডিজিটাল ডেস্ক | Y বাংলা নিউজ

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি-সহ দেশের মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আই-প্যাকের (I-PAC ED Raid) অফিসে অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠলেও, ইডি সাফ জানিয়ে দিয়েছে—এই তল্লাশির সঙ্গে ভোট বা কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের আই-প্যাকের কলকাতা অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। একই সঙ্গে সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও অভিযান চলে। তল্লাশি শেষে আই-প্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাসভবন থেকে একাধিক নথির বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের।

তল্লাশির পর সেখান থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ভোট কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, দলের কাগজপত্র ও তথ্য ‘লুট’ করা হয়েছে। হার্ড ডিস্ক, আর্থিক নথি এবং রাজনৈতিক কাজকর্ম সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজ বাজেয়াপ্ত করার কথাও তিনি জানান। পাশাপাশি বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার সাহস না থাকায় এই ধরনের পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ইডির অভিযানকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন।

তবে বেলা গড়াতেই ইডির তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে,
“সাংবিধানিক পদে থাকা এক ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন। দু’টি জায়গায় বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চলছিল।”
ইডি আরও জানায়, কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়কে টার্গেট করা হয়নি এবং এই অভিযানের সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।

এই বিবৃতির পরই আই-প্যাকের অফিসে তল্লাশিতে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। আগামী দিনে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাউডন স্ট্রিটে যাওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অনৈতিক। যদিও তদন্ত বা ইডির তল্লাশি সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

শুভেন্দু অধিকারী জানান, তদন্তের বিষয়বস্তু নিয়ে তিনি কথা বলবেন না, তবে অতীতেও সাংবিধানিক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেস দফতরের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইভাবে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির সময়েও তৎকালীন পুলিশ কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে অবস্থান করেছিলেন তিনি।

সব মিলিয়ে, আই-প্যাক ইডি রেড ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপানউতর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। হাইকোর্টে মামলার শুনানি এই বিতর্কে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog