Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 3 October 2025

জলপাইগুড়িতে পুজো ভিড়ে গাড়ি আঘাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা — মৃত ৩

জলপাইগুড়িতে পুজো ভিড়ে গাড়ি আঘাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা — মৃত ৩

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা: দশমীর সন্ধ্যায় ঠাকুর দেখতে গিয়ে মৃত্যু ৩, আহত অন্তত ৭ — ধূপগুড়ি

🗓 আপডেট: ৩ অক্টোবর ২০২৫ | স্থান: ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি
ধূপগুড়ির দুর্ঘট্য স্থল
ধূপগুড়ি শহরের ২ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা — দুর্ঘট্যস্থলে ভিড় ও জরুরি সেবা কার্যক্রম। (ফাইল ছবি/প্রতীকী)

বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি শহরে এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দ্রুতগামী একটি স্করপিও (SUV) গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার দোকান ও মণ্ডপের সামনে প্রবেশ করে। গাড়ির ধাক্কায় স্থানীয়রা ছিটকে পড়েন এবং কয়েকজন গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে বা দোকানের ধাপে চাপা পড়ে নিহত হন।

মৃতরা হলেন — সন্তোষ রায়, সুনীল বিশ্বাসডোকসা রায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। আহত অন্তত সাতজনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে; তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা নাজুক বলে হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য।

প্রাথমিক তথ্য:
  • স্থান: ধূপগুড়ি শহরের ২ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা।
  • গাড়ির ধরন: স্করপিও (জনপ্রতি বর্ণনা অনুযায়ী দ্রুতগতির SUV)।
  • নিহত: ৩ জন (সন্তোষ রায়, সুনীল বিশ্বাস, ডোকসা রায়)।
  • আহত: কমপক্ষে ৭ জন; তাদের মধ্যে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকা ভীড়-ভাটায় ছিল — অনেকেই ঠাকুর দেখতে ও বিসর্জন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "গাড়ি হঠাৎ খুব দ্রুত হয়ে আমাদের লোকেদের মধ্যে ঢুকে পরে। কেউ কেউ চিৎকার করলে গাড়ি থামেনি — অনেকে আহত হয়েছে, পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল।"

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বুড়িটোলা ও মেডিক্যাল টিমকে ডেকে আনে। স্থানীয় থানার অফিসার বলেন, "প্রাথমিকভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে সংঘটিত একটি সড়ক দুর্ঘটনা মনে হচ্ছে। গাড়িটি চালকের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়লে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চালককে আটক করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।"

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা স্থিতিশীল করেছেন চিকিৎসকরা; কিন্তু দুই-তিনজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাঁদের আইসিউ-তে রাখা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রতিনিধি জানান যে জরুরি রক্তচাপ ও অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে যাদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে তা দ্রুত করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশনা জারি করেছে এবং দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি পুজো ও মণ্ডপের আশপাশে যান চলাচল সংক্রান্ত কড়াকড়ি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে।

(রিপোর্টটি স্থানীয় অফিসার, হাসপাতাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ থেকে প্রস্তুত করা হয়েছে। আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমরা আপডেট দেব।)

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

ভারত সফরে আসছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

ভারত সফরে আসছেন তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

ভারত সফরে আসছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

🗓 আপডেট: ৩ অক্টোবর ২০২৫ | ✍ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি
তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি, যিনি প্রথমবারের মতো ভারত সফরে আসছেন

দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি আসছেন ভারতে। আগামী সপ্তাহেই তিনি পৌঁছাবেন নয়াদিল্লিতে এবং বৈঠক করবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। এটি শুধু একটি সফর নয়, বরং ভারত-আফগান সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০২১ সালে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অধিকাংশ দেশ এখনো তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বদলেছে। নিরাপত্তা, আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং সন্ত্রাসবাদ রোধের প্রশ্নে ভারতও নতুন নীতি নিতে বাধ্য হয়েছে।

মূল তথ্য এক নজরে:

  • আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি প্রথমবারের মতো ভারতে আসছেন।
  • তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
  • জাতিসংঘ সাময়িকভাবে তাঁর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।
  • ২০২১ সালের পর এটাই ভারত-আফগান সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঘটনা।

🌍 কেন এত গুরুত্ব পাচ্ছে এই সফর?

আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান দখল করে আছে। পাকিস্তান, ইরান, চীন ও ভারতের মতো দেশগুলির জন্য কাবুলের রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তালিবানের ক্ষমতায় ফেরার পর ভারত দূতাবাস বন্ধ করে দিলেও কাবুলে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছিল। এবার সরাসরি বৈঠক মানে দিল্লি তালিবান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন দ্বার খুলছে।

🇮🇳 ভারতের কূটনৈতিক কৌশল

ভারত এখন দ্বৈত অবস্থান নিয়েছে। একদিকে তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, অন্যদিকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। কারণ, আফগানিস্তান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ ভারতের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা দিল্লির জন্য বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, পাকিস্তান-চীন জোট যদি আফগানিস্তানে প্রভাব বাড়ায়, তাহলে ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

🕌 তালিবানের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ

আফগানিস্তান বর্তমানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে আছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটি খাদ্য ও চিকিৎসার ঘাটতিতে ভুগছে। ভারত হলো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতি, এবং দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানে মানবিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা। তাই কূটনৈতিক মহলের মতে, মুত্তাকির সফরের অন্যতম লক্ষ্য হলো ভারতের সাহায্য নিশ্চিত করা।

🔒 UN নিষেধাজ্ঞা সাময়িক প্রত্যাহার

জাতিসংঘ মুত্তাকিসহ একাধিক তালিবান নেতার ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছিল। তবে এবার কূটনৈতিক প্রয়োজনে তা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে তাঁর ভারত সফর সম্ভব হয়েছে। UN এর এই সিদ্ধান্তকে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘বাস্তববাদী কূটনীতি’র অংশ হিসেবে।

📈 আঞ্চলিক রাজনীতির প্রভাব

এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। ভারত যদি তালিবান সরকারের সঙ্গে সীমিত সহযোগিতা শুরু করে, তাহলে পাকিস্তান ও চীনের উপর চাপ তৈরি হবে। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও ভারতের এই অবস্থানকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

অন্যদিকে, আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা এলে মধ্য এশিয়া হয়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক পথ খুলে যাবে। বিশেষ করে ইরান ও চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে ভারত-আফগান বাণিজ্য আবার জোরদার হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ মত

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর মূলত দুই দেশের মধ্যে “বাস্তববাদী কূটনীতি”র প্রতিফলন। ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থ এবং আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বার্থ—দুটিই এই আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে আসবে।

🤝 সামনে কী হতে পারে?

যদিও ভারত এখনো তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়, তবে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন এই সফরের মাধ্যমে অন্তত “কথোপকথনের দরজা” খুলবে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যই হবে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এই সফরকে অনেকে “নতুন ইতিহাস রচনা” হিসেবে দেখছেন। তবে এর ফলাফল কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে আলোচনার পরবর্তী ধাপ এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির প্রতিক্রিয়ার উপর।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Thursday, 2 October 2025

মহিলাদের বিশ্বকাপে বিতর্ক, সানা মিরের মন্তব্যে রাজনীতি

মহিলাদের বিশ্বকাপে বিতর্ক, সানা মিরের মন্তব্যে রাজনীতি

মহিলাদের বিশ্বকাপে বিতর্ক, সানা মিরের মন্তব্যে রাজনীতি

আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: Y বাংলা নিউজ ডেস্ক

মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ

সদ্য সমাপ্ত এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বিতর্ক এখনও কাটেনি। সেই উত্তেজনার মাঝেই মহিলাদের বিশ্বকাপে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এবার রাজনীতি সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রে পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সানা মির। তিনি হঠাৎই 'আজ়াদ কাশ্মীর'-এর উল্লেখ করেন এবং ধারাভাষ্য প্রদানে তা তুলে ধরেন।

মির পাকিস্তান-বাংলাদেশ ম্যাচের ধারাভাষ্যে বলেন, “পাকিস্তানের এই দলটি কম বয়সি ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত। অনেক ক্রিকেটার নতুন। নাতালিয়া (পারভেজ়) কাশ্মীর, আজ়াদ কাশ্মীরের মেয়ে। লাহোরে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছে।” এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন এবং মিডিয়ায় বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন উঠেছে, কেন আইসিসি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না এবং কেন তাকে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব থেকে সরানো হবে না। আইসিসি-এর নিয়মে পরিষ্কার বলা আছে, ক্রিকেটে রাজনীতি জড়ানো যাবে না।

ক্রিকেট এবং রাজনীতি:
সদ্য সমাপ্ত এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সময় ও পরে বারবার রাজনীতি জড়িয়েছে। কখনও খেলোয়াড়, কখনও বোর্ড কর্তাদের মন্তব্য বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে, চলাকালীন ও পরে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা গিয়েছিল। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং দল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি থেকে ট্রফি নেওয়ার ক্ষেত্রে অস্বীকার করেন। এই ঘটনার পর মহিলাদের বিশ্বকাপে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ধারাভাষ্যে রাজনৈতিক মন্তব্য সরাসরি খেলায় প্রভাব ফেলতে পারে। সানা মিরের মন্তব্য শুধু ক্রিকেট দর্শকদের মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, আইসিসি কীভাবে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে।

মিরের মন্তব্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মগুলোও উত্তেজিত। ভক্তরা তাকে সমর্থন করছেন এবং সমালোচনা করছেন। ক্রিকেট ও রাজনীতি একসঙ্গে মিশে যাওয়ার এই ঘটনা নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

আগামী রবিবার মহিলাদের বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। খেলাধুলার পাশাপাশি রাজনৈতিক উত্তেজনা এই ম্যাচকে আরও নজরকাড়া করে তুলবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়ের জন্য এটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খেলায় রাজনীতি মেশানো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে খেলোয়াড়দের মানসিকতা, দর্শক প্রতিক্রিয়া ও আইসিসি-এর নীতি প্রভাবিত করতে পারে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিতর্ক এড়ানোর জন্য কাঠামোগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

মহিলাদের বিশ্বকাপের উত্তেজনা:
রাজনৈতিক মন্তব্যের ফলে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগেই নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা ক্রিকেট ও রাজনীতির সংযোগকে সামনে এনেছে।

সুরুচি সংঘের পুজোয় শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বাংলা বিনিয়োগ ঘোষণা

সুরুচি সংঘের পুজোয় শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বাংলা বিনিয়োগ ঘোষণা

সুরুচি সংঘের পুজোয় শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বাংলা বিনিয়োগ ঘোষণা

আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: Y বাংলা নিউজ সংবাদদাতা

বিজয়াদশমীর দিন সুরুচি সংঘে সজ্জন জিন্দল

y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক - বিজয়াদশমীর দিন দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরের সুরুচি সংঘের ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন শিল্পপতি সজ্জন জিন্দল। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পুজো হিসেবে পরিচিত এই পুজোতে এসে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের ঘোষণা দেন তিনি। রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী তাঁকে মণ্ডপে স্বাগত জানিয়ে মূর্তির কাছে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী সঙ্গীতা জিন্দলকে সঙ্গে নিয়ে দেবীমূর্তিকে প্রণাম করে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সজ্জন।

সজ্জন জিন্দল বাংলায় বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলায় বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে আমার। সমস্ত কিছুই মা দুর্গার আশীর্বাদের উপর নির্ভর করছে। ভবিষ্যতে জিন্দল গোষ্ঠীর এ রাজ্যে বড়সড় বিনিয়োগের আশা রয়েছে।”

সজ্জন জানিয়েছেন, এই প্রথম তিনি কলকাতার দুর্গাপুজো দেখছেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী এখানে বহু বার এসেছেন। এখানে আসা এক অনন্য অভিজ্ঞতা। মণ্ডপসজ্জা ভিন্ন মাত্রার। আমরা মুম্বইতে থাকি এবং সেখানকার গণপতি পুজোর সাথে তুলনা করতে পারি, কিন্তু এখানে শিল্পীরা যা তৈরি করেছেন তা অন্য মাত্রা পাচ্ছে। এজন্যই এই উৎসব ইউনেস্কোর ঐতিহ্যে অন্তর্ভুক্ত।

নিজের মোবাইলে মণ্ডপের ভিডিয়ো রেকর্ডিং প্রসঙ্গে সজ্জন বলেন, “আমি ভিডিয়ো রেকর্ড করেছি যাতে স্মৃতিতে রাখতে পারি। পরে সময় পেলে দেখব, অথবা সন্তানদের দেখাব। এখানে শিল্পের মাধ্যমে আমাদের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।”

সজ্জন জিন্দল আরও জানান, “বাংলায় বিনিয়োগের জন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলাপ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতা পেয়েছি। ভবিষ্যতে বড় বিনিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

উক্ত পুজো মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্যোগে প্রতি বছর পালিত হয় এবং দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম প্রধান পুজো হিসেবে পরিচিত। শিল্পী ও স্থানীয় উদ্যোগকারীরা প্রতিমা সজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এই পুজোর মর্যাদা বাড়িয়ে তুলেছেন।

সজ্জন জিন্দলের উপস্থিতি ও বিনিয়োগের ঘোষণা স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং শিল্প সম্প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তাঁরা আশা করছেন, এই পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

বাংলায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও দুর্গাপুজোর শিল্পমাধ্যমে সজ্জন জিন্দলের অভিজ্ঞতা সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছে।

সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনার সমন্বয়ে এই পুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবও ফেলছে। সজ্জন জিন্দল উপস্থিত হয়ে তার বিনিয়োগ পরিকল্পনার মাধ্যমে এ কথাই প্রমাণ করেছেন।

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: মোক্তার হোসেন মন্ডল

গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌযান

ইসরায়েলের অব্যাহত বাধা ও নিরাপত্তা পদক্ষেপের মধ্যেও ফিলিস্তিনের গাজার উদ্দেশে এগোচ্ছে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌবহরের অন্তত ৩০টি নৌযান। ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ নামের এই বহর বর্তমানে গাজা উপত্যকা থেকে মাত্র ৮৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বুধবার রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের অবরোধ ও হামলার শিকার। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এই সংঘর্ষে গাজার ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। লাখো বাসিন্দা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছেন। মানবিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে সমুদ্রপথে এই ফ্লোটিলারের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের লক্ষ্য:
৪০টির বেশি নৌযান নিয়ে গঠিত এই বহরে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ ৪৪ দেশের প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে আছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য, চিকিৎসক, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

এর আগে ভূমধ্যসাগরে গাজা থেকে প্রায় ১২৯ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলি সেনারা এই বহরের ওপর নজরদারি শুরু করে। অন্তত আটটি নৌযান আটক করে বেশ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে সুইডিশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। ইসরায়েল জানিয়েছে, এই নৌযানগুলির আরোহীদের নিরাপদে বন্দরে নেওয়া হচ্ছে। তবে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, থামানো নৌযানের সংখ্যা আরও বেশি।

ফ্লোটিলারের মুখপাত্র জানান, গাজার মানুষের অব্যাহত মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। এই অভিযান শুধু খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য নয়, বরং এটি গাজার জনগণের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সচেতনতা জাগানোর একটি মাধ্যম।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের প্রতি অতিরিক্ত সতর্ক। ইসরায়েলি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নৌযানগুলি গাজার জলসীমায় প্রবেশ করলে সেগুলিকে আটক করা হবে। তবে ফ্লোটিলার পক্ষের দাবী, তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং মানবিক কার্যক্রমে নিযুক্ত।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরায়েলের এই আচরণকে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক নৌযানগুলিকে আটক করা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও সমুদ্র আইন লঙ্ঘন। গাজার সাধারণ মানুষকে সহায়তা পৌঁছে দিতে দেওয়া উচিত।

মানবিক সহায়তার গুরুত্ব:
অবরোধ ও হামলার কারণে গাজার মানুষ খাদ্য, পানি, ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে। আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের মাধ্যমে এগুলো সরবরাহ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত বহু আন্তর্জাতিক সাংবাদিক এই অভিযানকে জীবন্ত সংবাদ হিসেবে রিপোর্ট করছেন। তাদের মতে, গাজার সংকট আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিংয়ের জন্য এই ধরনের উদ্যোগ অপরিহার্য।

ফ্লোটিলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আন্তর্জাতিক সহমর্মিতা। গাজা অনেক বছর ধরে অবরোধ ও সহিংসতার শিকার হলেও, বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন মানুষকে আশা এবং নিরাপত্তার বার্তা দেয়। এই ধরনের পদক্ষেপ গাজার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য শুধু সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করা। তারা আশা করছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় গাজার অবরুদ্ধ মানুষদের পাশে দাঁড়াবে এবং সহায়তা নিশ্চিত করবে।

গাজার পরিস্থিতি ক্রমেই মানবিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে। তাই এই ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও মানবিক আইন মেনে কাজ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে অনেক দেশের সরকার, মানবাধিকার সংস্থা ও সাধারণ মানুষ এই ফ্লোটিলারের সঙ্গে সমর্থন প্রকাশ করছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুত গাজার মানুষের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে যাবে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষও এই ফ্লোটিলারকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই ধরনের উদ্যোগ মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লোটিলারের অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ:
যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ মোট ৪৪ দেশ থেকে প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি এই মানবিক অভিযান চালাচ্ছেন।

ইসরায়েলি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফ্লোটিলারের এই ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা নীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েলের অবরোধ নীতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার ভূমিকা নিয়ে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র মানবিক সহায়তা নয়, বরং এটি গাজার মানুষের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থনের প্রতীক। এটি ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক অবস্থানেও চাপ তৈরি করতে পারে।

এদিকে ইসরায়েলি সেনারা জানিয়েছে, তারা ফ্লোটিলারের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং নৌযানগুলি বন্দরে নেবে। তবে তারা সতর্ক করেছেন, যদি নৌযানগুলো অবরুদ্ধ জলসীমায় প্রবেশ করে, তাহলে তা আটক করা হবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International এবং Human Rights Watch এই অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা আরও বলেছেন, ফ্লোটিলারের এই ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে গাজার সংকটের দিকে মনোযোগ বাড়াবে। এটি বিশ্ববাসীর কাছে মানবিক দায়িত্বের বার্তা পৌঁছে দেবে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা গাজার হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সরবরাহ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এতে গাজার শিশু, বৃদ্ধ ও আহত মানুষদের উপকার হবে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
ফ্লোটিলারের উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে Amnesty International, Human Rights Watch এবং ইউরোপীয় অনেক সরকার। তারা মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

গাজার মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর এই আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা বিশ্ব সম্প্রদায়ের মানবিক দায়িত্ব এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করছে। এটি ইসরায়েলের অবরোধ ও নিরাপত্তা নীতির সাথে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

ফ্লোটিলারের মুখপাত্র আশা করছেন, শান্তিপূর্ণভাবে এই অভিযান সম্পন্ন হবে এবং গাজার মানুষদের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও নজরদারির ফলে গাজার সাধারণ মানুষদের জন্য এটি একটি আশার দিশা হয়ে উঠেছে।

ফ্লোটিলারের এই অভিযান আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে। এটি গাজার মানবিক সংকটের বাস্তব ছবি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে এবং আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারকদেরও সতর্ক করছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছেন, এই ফ্লোটিলার মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এই ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গাজার মানুষদের জন্য শুধু সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নয়, বরং বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে মানবিক সচেতনতা এবং সহমর্মিতা জাগানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

খান্ডোয়া জেলায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় ট্র্যাক্টর-ট্রলি উল্টে ১১ জন নিহত, আহত বহু।

বিজয়া দশমীতে মধ্যপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: ১১ জনের মৃত্যু

বিজয়া দশমীর দিনেই মধ্যপ্রদেশে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা: ১১ জনের মৃত্যু

মধ্যপ্রদেশে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দুর্ঘটনা
খান্ডোয়া জেলায় আরডালা বাঁধের কাছে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ট্র্যাক্টর-ট্রলি উল্টে যায়।

মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া জেলায় বিজয়া দশমীর দিনেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, স্থানীয় আরডালা বাঁধের কাছে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় প্রতিমা ও যাত্রী বহনকারী ট্র্যাক্টর-ট্রলি উল্টে যাওয়ায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৮ জন নাবালিকা। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ট্রলিটিতে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাঁধের ব্যাকওয়াটারের কাছে ভিড় জমে। নিকটবর্তী গ্রাম থেকে প্রতিমা বিসর্জনের উদ্দেশ্যে মানুষ ট্র্যাক্টর-ট্রলিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ট্রলির চালক সেটিকে ব্যাকওয়াটারের মাঝামাঝি রাস্তায় নিয়ে যান। ভার বহন করতে না পারায় রাস্তার অংশ ভেঙে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে ট্র্যাক্টর-ট্রলিটি উল্টে পড়ে।

প্রাথমিক কারণ: ট্র্যাক্টর-ট্রলির অতিরিক্ত ভার ও খারাপ রাস্তা।
মৃতের সংখ্যা: ১১ (৮ জন নাবালিকা)
আহত: কয়েকজন (অন্তর্বর্তী চিকিৎসা চলছে)
উদ্ধারকার্য: পুলিশ ও SDRF।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করেন। কয়েকজন যুবক নদীতে ঝাঁপ দিলেও জলের গভীরতার কারণে কাউকে উদ্ধার করতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে অনেকেই জলের তোড়ে ভেসে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও SDRF উদ্ধারকার্য শুরু করে। জেলা কালেক্টর ঋষভ গুপ্তা এবং এসপি মনোজ রাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও তদারকি করেন।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারকে প্রতিজন ৪ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

প্রশাসনিক কর্তারা দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখছেন। স্থানীয়দের মতে, ভিড়ের চাপ এবং নিরাপত্তার অভাব এই দুর্ঘটনার জন্য মূল কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যাকওয়াটার ও বাঁধের কাছাকাছি ট্রলিতে যাত্রী নেওয়া উচিত নয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বহু পরিবার এই দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ। প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দঘন দিনে ঘটে যাওয়া এই দুঃখজনক ঘটনা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

উদ্ধারকার্য চলাকালীন, প্রশাসন সাঁতারবিদ ও স্থানীয় বাহিনীর সহায়তায় মৃত ও আহতদের নিরাপদে বের করতে সচেষ্ট। চিকিৎসকেরা জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় মানুষ এবং প্রশাসন মিলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে। সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি: নতুন অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যরা

স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি: নতুন অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যরা

স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি: নতুন অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যরা

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি সংবাদ
স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজির বিরুদ্ধে নতুন যৌন লঙ্ঘনের অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যদের খবর।

ডিজিটাল ডেস্ক: যত সময় যাচ্ছে ততই স্বঘোষিত ধর্মগুরু স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে। এবার সামনে এল সদ্য ধৃত বাবাজি সম্পর্কে নতুন অভিযোগ। ইনস্টিটিউটের এক প্রাক্তন পড়ুয়ার অভিযোগ, প্রায় ৯ বছর ধরেই এই ‘যৌনলীলা’ চালিয়ে গিয়েছেন অভিযুক্ত। এদিকে বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন বাবাজির তিন শিষ্যা! জানা যাচ্ছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছেন, পড়ুয়াদের চাপ দিয়ে অভিযুক্তর যৌন লালসার শিকার হতে বাধ্য করতেন তাঁরা।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বাবাজির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক প্রাক্তনীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ২০১৬ সালে তিনি এখানে পড়াশোনা করতেন। দাবি, অনেকেই নিজেজের ছেলেমেয়েকে নির্দ্বিধায় পড়তে পাঠাতেন কেননা তা কোনও একজন বাবা পরিচালনা করেন! অথচ এলাকার লোকেরাও বাবার ‘কীর্তি’ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল বলেই দাবি তাঁর।

টার্গেট’ করা ছাত্রীদের প্রতি বাবাজির আচরণ: তিনি নাকি যে মেয়েকে ‘টার্গেট’ করতেন তাঁকে আলাদা ঘরে রাখতেন। ফোন কেড়ে নিয়ে নতুন ফোন উপহার দিতেন। সেই ফোন থেকে ছাত্রী কাকে ফোন করতে পারবেন, তা নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনিই। ব্ল্যাকবেরি ও অ্যাপলের মতো দামি ফোন দিয়ে অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং চ্যাট মুছে দেওয়ার ক্ষমতা থাকত বাবাজির।

সেইসাথে তাঁর আরও দাবি, কর্মী হোক কিংবা পড়ুয়া, সকলের সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করতেন বাবাজি। লোককে চাকরি থেকে বের করা, বেতন না দেওয়া এসবই ছিল সাধারণ বিষয়। তাঁর এক বান্ধবীও বাবাজির নজরে পড়েছিলেন। তাঁকে মথুরায় ইন্টার্নশিপে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। মাত্র একজনকে এভাবে পাঠানোর প্রস্তাবে সন্দেহ হয় ওই পড়ুয়ার। তিনি দ্রুত ইনস্টিটিউট ছাড়েন এবং ওই ছাত্রী বাবাজির বিরুদ্ধে এফআইরও দায়ের করেন।

#স্বামীচৈতন্যানন্দ #বাবাজি #যৌনলঙ্ঘন #পুলিশিধৃত #প্রাক্তনপড়ুয়া #অভিযোগ #ইনস্টিটিউট #ভারতসংবাদ
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

ভারতের সুবিধাজনক অবস্থান, কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি

ফ্ল্যাশ নিউজ: ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস ১৬২ রানে গুটিয়ে গেছে (গ্রিভস ৩২, হোপ ৩২)। জবাবে ভারত ২ উইকেটে ১২১ রান করেছে (রাহুল ৫৩*, যশস্বী ৩৬, জেডেন ২১/১, চেজ ১২/১)। ভারত এখন মাত্র ৪১ রানে পিছিয়ে।
ভারতের সুবিধাজনক অবস্থান, কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি

ভারতের সুবিধাজনক অবস্থান, কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট
প্রথম দিনের শেষে ভারত ২ উইকেটে ১২১ রান, কেএল রাহুল ৫৩ রান করে অপরাজিত।

প্রথম দিনের শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ভারত। শক্তির বিচারে ভারতের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আহমেদাবাদে ভারতীয় বোলারদের দাপটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস মাত্র ১৬২ রানে শেষ হয়েছে। জবাবে ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে অসাধারণ হাফসেঞ্চুরি করেছেন কেএল রাহুল। দিনের শেষে ভারতের রান ২ উইকেটে ১২১। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের রান টপকে যেতে ভারতের প্রয়োজন মাত্র ৪১ রান।

বৃহস্পতিবার টসে জিতে ব্যাটিং নেওয়া রস্টন চেজের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল, নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের ঘাসপালা ২২ গজে খেলতে নেমেও ১৬২ রানে গুটিয়ে যায়। সিরাজ নেন ৪০ রানে ৪ উইকেট, বুমরাহ নেন ৩টি, কুলদীপ ২টি এবং ওয়াশিংটন সুন্দরের শিকার ১টি উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ রান করেন জাস্টিন গ্রিভস (৩২)।

জবাবিতে ভারত: সন্তর্পণে শুরু করেন কেএল রাহুল এবং যশস্বী জয়সওয়াল। তৃতীয় সেশনে বৃষ্টি নামার পর ভারতের রান ছিল ২ উইকেটে ৯০। হালকা রোদ ওঠার পর ভারতীয় ওপেনাররা আক্রমণাত্মক হন। যশস্বী ৩৬ রানে আউট হলেও কেএল রাহুল ১০১ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন। দিনের শেষে অপরাজিত রয়েছেন রাহুল (৫৩) এবং অধিনায়ক শুভমান গিল (১৮)।

ইংল্যান্ডে সিরিজে সেভাবে রান পাননি সাই সুদর্শন। চেনা মাঠে মাত্র ৭ রানে আউট হন তিনি। হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরলেও ধৈর্য এবং মনোযোগ ধরে রাখেন রাহুল।

#ভারতVsওয়েস্টইন্ডিজ #কেএলরাহুল #শুভমানগিল #টেস্টক্রিকেট #আহমেদাবাদ #ভারতক্রিকেট #ওয়েস্টইন্ডিজক্রিকেট #হাফসেঞ্চুরি #ক্রিকেটসিরিজ
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
দশমী আবহাওয়া সতর্কতা
দশমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে কমলা সতর্কতা জারি।

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে দুর্যোগ আরও ঘনিয়ে আসতে পারে। বৃহস্পতিবার সকালের বৃষ্টি সেই প্রশ্নকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরও বিশেষ আশার কথা শোনায়নি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ফলে নাছোড় বৃষ্টি পিছু ছাড়ার বদলে আরও বেগ বাড়াবে বলেই খবর।

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আজ, বৃহস্পতিবার এবং আগামীকাল শুক্রবার। কলকাতায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকবে, ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৭৫ কিমি। বাংলা ও ওড়িশার মৎস্যজীবীদের আগামীকাল পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে।

উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে সতর্কতা: ওড়িশার গোপালপুর থেকে পারাদ্বীপের মধ্যে অতি গভীর নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশ করবে। পুরীর কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা বেশি। কলকাতায় দিনভর মেঘলা আকাশ এবং বিক্ষিপ্তভাবে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২°C, সর্বোচ্চ ৩২.৭°C। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৯-৯৭%।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আজ সর্বাধিক ঝড়বৃষ্টি। কলকাতা ও হাওড়ায় কমলা সতর্কতা। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। উপকূলীয় এলাকায় ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও দুর্যোগের পরিমাণ বাড়বে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উপরোক্ত জেলাগুলোতে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার পর্যন্ত দুর্যোগ চলবে বলে প্রাথমিক তথ্য, সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।

#কলকাতাআবহাওয়া #ভারীবৃষ্টি #নিম্নচাপ #দক্ষিণবঙ্গ #কমলাসতর্কতা #ঝড়বৃষ্টি #উত্তরবঙ্গ #দুর্যোগসতর্কতা #দশমী
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
প্রসেনজিৎ ও তৃষাণজিৎ
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ ও মা অর্পিতা মুম্বইয়ে পুজো পালন করছেন।

বাবা সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পুজোর মরশুমে মুক্তি পাওয়া দেবী চৌধুরানী ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে নজরকাড়া অভিনয় করেছেন। কলকাতায় একাধিক পুজোর উদ্বোধন এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি থাকায় শহর ছেড়ে নড়ার উপায় হয়নি অভিনেতার। এ বছর তিনি শহরে একাই পুজো কাটিয়েছেন, কারণ স্ত্রী অর্পিতা ও ছেলে তৃষাণজিৎ মুম্বইতে ছিলেন।

মুম্বইতে থাকেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিনি জুহুতে বহু বছর ধরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে আসছেন। সেখানে দেখা গেছে পুত্রবধূ অর্পিতা এবং নাতি তৃষাণজিৎকে। নাতি মিশুকের জন্য বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই ভিডিও অর্পিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

প্রসেনজিৎ এবং পুত্র তৃষাণজিৎ সক্রিয়ভাবে যজ্ঞের সব আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন। মা অর্পিতাকে দেখা গেছে আগুনের তাপ দিতে ছেলের মাথায়।

তৃষাণজিতের টলিউড অভিষেক: শোনা যাচ্ছে, ঠাকুরদা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, বাবা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং মা অর্পিতার পথ অনুসরণ করে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায় খুব শীঘ্রই ফিল্মি দুনিয়ায় অভিষেক করতে চলেছেন। প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ তাঁকে সেলুলয়েডে নিয়ে আসছে এবং সব কিছু ঠিক থাকলে এবছরই শ্যুটিং শুরু হবে।

পুজোর আগে চলমান প্রচারের সময়, ‘দেবী চৌধুরাণী’ ছবির প্রচারের সময় তৃষাণজিতের অভিনয়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন হলে প্রসেনজিৎ তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেননি, যদিও পরিচালক বা প্রযোজনা সংস্থার নাম জানাননি।

#প্রসেনজিৎচট্টোপাধ্যায় #তৃষাণজিৎচট্টোপাধ্যায় #দেবীচৌধুরাণী #টলিউড #দুর্গাপুজো
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog