Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 10 October 2025

ঢাকা হাই কোর্ট ভারতের কাছে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ পেলেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
ঢাকা হাই কোর্ট ভারতের কাছে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ পেলেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি

ঢাকা হাই কোর্ট সোনালি খাতুনকে দেশে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন

আপডেট: 10 অক্টোবর, 2025সম্পাদক: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
সোনালি খাতুন (প্রতীকী ছবি)
চিত্র: প্রতীকী ছবি — সোনালি খাতুনের বিষয়ে চলমান আইনি অবস্থার প্রতিবেদন।

বাংলাদেশের হাই কোর্ট অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুনকে (ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ছয় জনকে) বাংলাদেশ থেকে ভারতের কাছে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশের একটি নথির অনুলিপি প্রকাশ্যে এসেছে, তবে এখনো দুই দেশের কেন্দ্রীয় কূটনৈতিক বা মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

সংক্ষিপ্ত অবস্থা
গ্রেফতার ও অবস্থান:
সোনালি ও পাঁচ অন্যান্য ব্যক্তি বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সংশোধনাগারে রয়েছেন।
নিমিত্ত:
আশ্বাস: বাংলাদেশে তাদের বিরুদ্ধে 'অনুপ্রবেশ' অভিযোগ আছে; প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ স্থানীয় উচ্চ আদালত দিয়েছে।
কলকাতা হাই কোর্ট আদেশ:
২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দেয় — ওই ছয়জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে ভারতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
পরবর্তী শুনানি:
নিম্ন আদালতে পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত: ২৩ অক্টোবর.

স্থানীয় সূত্র এবং সহায়তায় বাংলাদেশে থাকা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এ রাজ্যের সাংসদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি ঘটনাস্থলে রয়েছেন এবং সোনালি-সুইটি বিবি সহ বাকি ক’জনের জামিন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখা হচ্ছে। তবে কাগজপত্রগত একাধিক জটিলতা থাকায় জামিন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে অতিরিক্ত সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতা হাই কোর্টের গত নির্দেশ (২৬ সেপ্টেম্বর) অনুযায়ী, কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনগুলোকে ফেরত আনয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে কলকাতা হাই কোর্ট বাংলাদেশি সন্দেহে তাদের আটক ও বিতাড়নের সিদ্ধান্তও বাতিল করে দেয়। তবে বিধিনিষেধ ও দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়াজনিত বিষয় এখনও চূড়ান্ত হওয়ায় প্রদত্ত নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঢাকা হাই কোর্টের নির্দেশ সোনালি ও অন্যান্যদের জন্য আপাতত স্বস্তি দিলেও তাদের বাংলাদেশের অভিবাসন স্ট্যাটাস, কাগজপত্র সম্পর্কিত সমস্যা ও ভবিষ্যতে কোথায় থাকার প্রয়োজন হবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেশ কিছু প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ প্রয়োজন হবে বলে আইনজীবী ও পরিবারের সূত্রে জানানো হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Thursday, 9 October 2025

বিহারের নির্বাচনে তেজস্বীর চাকরির প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী নির্ঘণ্ট

বিহারের নির্বাচনে তেজস্বীর চাকরির প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী নির্ঘণ


বিশেষ সংবাদ দাতা , পাটনা, ০৯/১০/২০২৫ :- 

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর বিহারের রাজনৈতিক মঞ্চ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। লড়াইয়ের ময়দানে একে একে নামছেন সব রাজনৈতিক দল। এই অবস্থায় আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছে। তেজস্বী জানিয়েছেন, বিহারে ‘মহাগটবন্ধন’ জোট ক্ষমতায় এলে, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সরকারি চাকরি পাবেন।

তেজস্বী দাবি করেছেন, বিহারের কোনও বাড়ি এমন থাকবে না যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, “গত ২০ বছরে বর্তমান সরকার বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা তা পরিবর্তন করব। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে সরকারি চাকরির সুযোগ প্রদান করা।”

তিনি আরও যোগ করেছেন, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে আইন প্রণয়ন করে এই কর্মসূচি শুরু হবে এবং পরবর্তী ২০ মাসে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে। তেজস্বী স্পষ্ট করেছেন যে, এই প্রতিশ্রুতি কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার ফাঁকা শব্দ নয়, বরং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার অংশ।

নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রতিটি রাজনৈতিক দল ভিন্ন ভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটার আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। যদিও সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবে পূর্ণ হয় না, তেজস্বী দাবি করছেন, এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নযোগ্য।

সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ঘোষণা করেন, বিহারের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হবে ৬ নভেম্বর থেকে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া দু’দফায় অনুষ্ঠিত হবে এবং ১১ নভেম্বর পর্যন্ত শেষ হবে। ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৪ নভেম্বর এবং সমস্ত নির্বাচনী কার্যক্রম ১৬ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি কমিশনার বিহারে চলমান বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) সংক্রান্ত কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কমিশনারের মতে, এই প্রক্রিয়া ভোটারদের তথ্য যাচাই ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিহারের রাজনৈতিক মহলে তেজস্বীর এই প্রতিশ্রুতি নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের বৃহৎ কর্মসংস্থান প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের আগে ভোটার আকর্ষণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।


বাংলায় এসআইআর প্রস্তুতি ও NRC নোটিস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

বাংলায় এসআইআর প্রস্তুতি ও NRC নোটিস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

বাংলায় এসআইআর প্রস্তুতি ও NRC নোটিস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

কলকাতা, ৯ অক্টোবর: বিহারের পর এবার বাংলা জুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআর (Special Intensive Review) এর প্রস্তুতি। এই নিয়ে ফের সুর চড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে তোপ দেগে বলেন, “নির্বাচন ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও কাজ নেই। রাজ্যকে প্রয়োজনীয় অর্থ সাহায্য করা হয় না, শুধু নির্বাচনের সময়ই টাকা আসে। এসআইআর-এর নামে ভোট কাটার চক্রান্ত চলছে।”

দুর্যোগ পরিস্থিতি: বর্তমানে বাংলায় বন্যার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত। মানুষের ঘরবাড়ি, কাগজপত্র ভেসে গেছে। দুই মাসের মধ্যে তথ্য দেওয়া কি সম্ভব? অনেকেই পুজোর ছুটিতে বাইরে থাকায় কাগজ দেখানোও কঠিন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, “কিছু অফিসারকে হুমকি দিয়ে তাড়াহুড়োতে কাজ করানো হচ্ছে। যদি কোন সম্প্রদায়ের নাগরিকের নাম বাতিল হয়, তাহলে তার ফলাফল খুবই মারাত্মক হবে। বাংলা প্রস্তুত যে কোনও পরিস্থিতির জন্য।”

অন্যদিকে, পুজোর পর অসম থেকে NRC (National Register of Citizens) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন, “এসআইআর-এর নামে কেন NRC নোটিস পাঠানো হচ্ছে? কোন অধিকার দিয়ে অসম সরকার বাংলার মানুষকে নোটিশ পাঠাচ্ছে?” তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সামনে এসআইআর এবং পিছনে NRC — বাংলায় এগুলো চলবে না।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজ্য এবং কেন্দ্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রের পদক্ষেপ নিয়ে তিনি সরাসরি কড়া অবস্থান নিয়েছেন।

বন্যার প্রেক্ষাপটে, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই দুর্যোগের মধ্যে জীবনযাপন করছে। প্রশাসনিক নির্দেশনা অনুযায়ী ত্রাণ এবং পুনর্বাসনের কাজ চলছে, কিন্তু তথ্য সংগ্রহ এবং নাগরিকদের সহায়তার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, এসআইআর ও NRC-এর নামে কোনো বিভ্রান্তি বাংলায় সহ্য করা হবে না।

ছবি: নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন।

প্রকাশক: ফখরুল আলম

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বসরকারি কাগজ না-থাকলে ও নাম কাটা যাবে না: বিএলওদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ , নীচু স্তরে আগে খোঁজ নিতে হবে ।

বেসরকারি কাগজ না-থিলেও নাম কাটা যাবে না: বিএলওদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

হাতে কাগজ না থাকলেও নির্বাচনী তালিকা থেকে নাম কাটা যাবে না: বিএলওদের স্পষ্ট নির্দেশ কমিশনের

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট:
বিএলও বৈঠক ও ভোটার তালিকা যাচাই
পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের বিএলও বৈঠকে ভোটার তালিকা ও যাচাই নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা।

পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুসারে বুথ-স্তরের কর্মকর্তাদের (বিএলও) এক বড় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—কোনও ব্যক্তির কাছে “হাতে কাগজ” (অর্থাৎ কেবলমাত্র আধার বা অন্য একক নথি) না থাকলেই তাঁকে গণহারে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলেই সেই ব্যক্তিকে বৈধ ভোটার হিসেবে গণ্য করা হবে; অন্যদের জন্য কমিশন নির্ধারিত একটি প্রামাণ্য নথি জমা করা বাধ্যতামূলক হবে।

বৈঠকের মূল সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা

  • ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিদের বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
  • যারা ওই তালিকায় নেই, তাদেরকে কমিশন নির্ধারিত যেকোনো এক প্রামাণ্য নথি জমা দিতে হবে—শুধু আধার যথেষ্ট নয়।
  • কেউ যদি প্রামাণ্য নথি দেখাতে না পারেন, তাত্ক্ষণিকভাবে তালিকা থেকে নাম কাটা যাবে না; বিএলওকে মাঠে আরও যাচাই-বাছাই করতে হবে।
  • গণহারে নাম ছেঁটে ফেলার বিরুদ্ধে কমিশনের কড়া সতর্কবার্তা—বাংলায় বিহারের এসআইআর পদ্ধতির শিক্ষা নেওয়া হলেও এখানে সাবধানে কাজ করা হবে।

বৃহস্পতিবার কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক বিএলও। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার) মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং সংশ্লিষ্ট জেলা জেলাশাসকরাও ছিলেন বৈঠকে। তাঁরা বিএলওদের কাছে ভোটার যাচাই-প্রক্রিয়া সংক্রান্ত শর্তাবলি, নথিপত্র এবং মাঠে অনুসরণীয় পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

বিএলওদের ভূমিকা ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ

বিএলওরা বুথ লেভেলে প্রথমে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করায় তাঁদের কাঁধেই দায়িত্ব বেশি। কমিশন নির্দেশ দিয়েছে—বুথে গিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে কারণগুলো খতিয়ে দেখাতে হবে। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি বলেন, “যে ব্যক্তি ২০০২ তালিকায় নেই, অথচ তার হাতে কোন প্রকার প্রামাণ্য নথি নেই—তাহলে কাজটি থামিয়ে দেওয়া যাবে না; কেন তিনি নথি দেখাতে পারছেন না তা খতিয়ে দেখতে হবে। দরকার হলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।”

কমিশন আরও জোর দিয়েছে, আধারের সঙ্গে অন্য নথির লিঙ্ক থাকতে হবে—শুধুমাত্র আধার দেখালে তা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। এই নিয়ম আদালতের নির্দেশনা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

মনোযোগের বিষয়: বিহারের এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) প্রক্রিয়ায় প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল—বাংলায় ঐ রকম বিস্তৃত কাটছাঁট থেকে শিক্ষা নিয়ে নির্বাচন কমিশন আরও সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেছে।

কী হবে প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব?

নির্বাচনী শৃঙ্খলা রক্ষা ও ভোটার অধিকার সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি অনায়াসে নাম কাটা যেত, তা ভোটাধিকারের ক্ষতি করত এবং স্থানীয় স্তরে বিশৃঙ্খলা বাড়তে পারত। কমিশনের নির্দেশ ন্যায্যতা ও প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতার উপর জোর দিয়েছে—বিএলওদের অংশগ্রহণমূলক ও অনুসন্ধানী পদ্ধতি নেবার কথাও বলা হয়েছে।

ফলে কি চূড়ান্ত তালিকায় বিলম্ব হবে?

চূড়ান্তভাবে কমিশন কোলাঘাট বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন যে—বাংলায় বিহারের তুলনায় সময় বেশি লাগতে পারে; তবে তিনি (সিইও) নির্দিষ্ট করে বলেননি কতটা সময় লাগবে। লক্ষ্য হচ্ছে—কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন অনুচ্ছেদে বাদ না পড়ে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া ধীরগতি হতে পারে, কিন্তু সে কারণেই ফলাফল অধিকতর নির্ভুল হবে বলে নির্বাচন আধিকারিকরা মনে করছেন।

সংক্ষেপে—কি নির্দেশ পেল বিএলওদের?

  • গণহারে নাম কেটে ফেলা চলবে না; প্রত্যেক কেসে মাঠে যাচাই বাধ্যতামূলক।
  • ২০০২ সালের তালিকা উল্লেখযোগ্যভাবে মৌলিক রেফারেন্স হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
  • শুধু আধার দেখালেই হবে না—অন্য নথির লিঙ্ক থাকলে প্রমাণ স্বীকৃত।
  • যে কারণে কোনও ভোটারের কাছে নথি নেই, সেই কারণগুলো স্থানীয় স্তরে খতিয়ে দেখা হবে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ভোটারের অধিকার রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে কমিশন এমন সতর্কতা গ্রহণ করেছে। বুথ-স্তরের কর্মীদের দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী মনোভাবই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নির্ভুল রাখবে—এটাই কমিশনের প্রতিশ্রুতি।

লেখা: Y বাংলা রিপোর্টিং টিম , মহিবুর রহমান শেখ | আপডেট:

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু স্কোর, ব্যর্থ হরমনপ্রীত-মন্ধানারা

রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু স্কোর, ব্যর্থ হরমনপ্রীত-মন্ধানারা

রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু স্কোর, ব্যর্থ হরমনপ্রীত-মন্ধানারা

Y বাংলা ডিজিটাল স্পোর্টস ডেস্ক | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০২৫

রিচা ঘোষ ব্যাটিং করছেন ভারতের পক্ষে
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের হয়ে ৯৪ রানের ইনিংস খেলে শিবিরে আশার আলো জ্বালালেন রিচা ঘোষ।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের মেয়েদের ইনিংস একাই টেনে নিলেন বাংলার তারকা ব্যাটার রিচা ঘোষ। কঠিন পিচে প্রথমে ধৈর্য ধরে খেলে শেষের দিকে ঝড় তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৯৪ রানের মাথায় ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে যান রিচা। তাঁর ইনিংসে ভর করেই ভারত ২৫১ রানে পৌঁছয়, যদিও ৫০ ওভার খেলতে পারেনি দল।

রিচার ইনিংস ছিল নিখুঁত কৌশলের উদাহরণ। তিনি যখন ক্রিজে আসেন, তখন ভারতের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১০২ রান। পুরো ইনিংসের চাপ নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি। প্রথম দিকে শুধু বল খেলেন, রান তোলার চেষ্টা না করে স্ট্রাইক ঘোরাতে থাকেন। পরে হাত খুলে খেলেন। ৫৩ বলে অর্ধশতরান করার পর তিনি মারেন একাধিক ছক্কা ও বাউন্ডারি। তাঁর ইনিংসে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিল।

তাঁর এই ইনিংস ভারতের জার্সিতে বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম অর্ধশতরান। বিশ্ব ক্রিকেটে তাঁর পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তিনি এখন আর নবীন নন, বরং দলে অন্যতম ভরসা। রিচা আগের ম্যাচেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেষের দিকে দ্রুত রান করে দলকে বড় স্কোরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে ভারতের অভিজ্ঞ ব্যাটারদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। স্মৃতি মন্ধানা ২৩ রানে থেমে যান। ৩২ বল খেলে খুবই মন্থর ব্যাটিং করেন। হরমনপ্রীত কৌর ৯ রানে আউট হন, আর জেমাইমা রদ্রিগেজ শূন্য রানে ফিরেছেন। ভারতীয় ব্যাটিংয়ের শীর্ষ সারির এই বিপর্যয়ের সময় একাই দাঁড়িয়ে ছিলেন রিচা।

তাঁর সঙ্গে জুটি গড়েন আমনজ্যোৎ কৌর (১৮ রান) ও পরে স্নেহ রানা (২৭ রান)। এই দুই জুটিই দলের ইনিংসে স্থিতি আনে। ভারতীয় ইনিংসের শেষের দিকে বড় শট খেলতে গিয়ে রিচা আউট হন, আর দল ৪৯.৫ ওভারে ২৫১ রানে গুটিয়ে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আয়াবোঙ্গা খাকামারিজানে ক্যাপ তিনটি করে উইকেট নেন। তাঁদের নিখুঁত লেন্থ ও বাউন্সে ভারতের শীর্ষ সারির ব্যাটাররা দিশেহারা হয়ে পড়েন।

রিচার কৌশল: ধৈর্য, টেম্পো ও টাইমিং

রিচা ঘোষের ইনিংসের সবচেয়ে বড় দিক ছিল তাঁর পরিকল্পনা। তিনি বুঝেছিলেন যে কঠিন পিচে প্রথমে ‘সেট’ হওয়া ছাড়া বড় শট খেলা বিপজ্জনক। তাই তিনি প্রথম ২৫ বল খেলেন শুধুমাত্র বল দেখেই। পরে তাঁর চোখ অভ্যস্ত হতেই বোলারদের চাপে রাখেন বাউন্ডারি দিয়ে। কোচ নোশনাল ব্যাটিংয়ে একে বলেন “অ্যাডাপ্টিভ টেম্পো কন্ট্রোল”— যেটি আধুনিক ওয়ানডে ক্রিকেটের মূল মন্ত্র।

দলের ভবিষ্যৎ: তরুণ শক্তিতে ভরসা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় মহিলা দলের নতুন প্রজন্মের মুখ রিচা ঘোষ। মাত্র ২১ বছর বয়সেই তাঁর ব্যাটিংয়ে যে পরিণতি দেখা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যতের জন্য আশার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি শুধু বড় শটের খেলোয়াড় নন, পরিস্থিতি বুঝে খেলারও সক্ষমতা দেখাচ্ছেন।

বিশ্লেষণ:

ম্যাচ শেষে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে মন্ধানা ও হরমনপ্রীতের ফর্ম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অন্যদিকে, রিচা ঘোষের ব্যাটিং প্রতিটি ম্যাচে উন্নতি করছে। তাঁকে এখন মিডল অর্ডারের “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

শেষ কথা: রিচার ৯৪ রানের ইনিংস ভারতকে এক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক স্কোরে পৌঁছে দিয়েছে, তবে বড় ম্যাচে শীর্ষ ব্যাটারদের ব্যর্থতা ভারতের চিন্তার কারণ রয়ে গেল।


🔖 হ্যাশট্যাগ

#RichaGhosh #WomensCricket #IndiaWomen #HarmanpreetKaur #SmritiMandhana #ICCWorldCup2025 #SouthAfricaWomen #CricketNews #YBanglaDigital #SportsUpdate

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো |

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় ও রাজনৈতিক রসায়ন: বিজেপির তৎপরতা ও সাংগঠনিক দাবির বিশ্লেষণ

উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় ও রাজনৈতিক রসায়ন: বিজেপির তৎপরতা ও সাংগঠনিক দাবির বিশ্লেষণ

উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় ও রাজনৈতিক রসায়ন: বিজেপির তৎপরতা ও সাংগঠনিক দাবির বিশ্লেষণ

উত্তরবঙ্গ ত্রাণ কার্যক্রম
ত্রাণকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং স্থানীয় নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা—উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক ঘটনা রাজনৈতিক ময়দানের ভূভূকম্প সৃষ্টি করেছে।

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরে যখন ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে, একই সময়ে আন্দোলিত জনমনে দলের সাংসদ ও বিধায়কের ওপর হওয়া হামলা ভিন্ন মাত্রার রাজনৈতিক প্রভাব ফেলছে। এই দুই উপাদান মিলিয়ে ভোটের ছয় মাস আগে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক রংচটা অনেকেই বিজেপির পক্ষে 'অনুকূল' বলেই দাবি করছেন। তবে বাস্তব চিত্র ও অতীতের ফলাফল যাচাই করলে দেখা যায়—আশাব্যঞ্জক সাংগঠনিক রিপোর্ট ও মাঠের বাস্তবতার মধ্যে বড় ফারাক থাকতে পারে।

সাংগঠনিক রিপোর্টের দাবি ও সীমা

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সংগঠন মনে করছে উত্তরবঙ্গে মোট ৫৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে তারা ৪৪-৪৮টি আসন জিততে পারে। রিপোর্টে বলা হয়েছে—দুই দিনাজপুর ও মালদহের কিছু সংখ্যালঘুপ্রধান আসন ছাড়া তৃণমূলের জয় দেখা যাচ্ছে না। গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের পূর্বাভাসসহ সাংগঠনিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এমন উচ্চাভিলাষী সংখ্যা উঠেছে।

পেছনের ফলাফল:
  • ২০২১ বিধানসভা: বিজেপি — ৩০, তৃণমূল — ২৩, গেরোর্খা মোর্চা — ১
  • পরে উপনির্বাচন ও অন্যান্য কারণে বিজেপির আসন সংখ্যা নেমে ২৫-এ দাঁড়ায়; তৃণমূল বেড়ে ২৮-এ ওঠে
  • গত লোকসভা সাময়িকতায় অনেক কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে ছিল—তবে তা সরাসরি বিধানসভা জয়ের অনুবাদ নয়

ত্রাণকর্ম ও দৃষ্টান্ত স্থাপন

বিপর্যয়ের পরে বিজেপির স্থানীয় প্রতিনিধিরা দ্রুত মাঠে নেমে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন—নাগরাকাটা হাজিরার সময় সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার সংবাদও ছড়ায়। কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের তরফ থেকে ফোন এবং স্থানীয় পর্যায়ে মন্ত্রী-নেতাদের আগমন—সব মিলিয়ে দৃশ্যত একটি তৎপরতার দৃশ্য তৈরি করে। এই তৎপরতা শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে সহানুভূতি জাগাতে পারে বলেই দলের মনোবল।

উল্লেখযোগ্য: কলকাতা–নিদর্শন তুলনা করে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বলেন, কলকাতায় প্রশাসন ও পুরসভা ক্ষমতা থাকায় স্থানীয় তৎপরতা আলাদা; উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক পৌঁছনে সময় লাগায় রাজনৈতিক দলই তৎপরতা দেখিয়েছে।

পলিটিক্যাল ক্যালকুলাস: লাভ বা ফাঁদ?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ত্রাণে দ্রুত উপস্থিতি ও নেতাদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নির্বাচনী মনোভাবকে কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে—বিশেষত শহুরে ও অর্ধ-শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে। কিন্তু গ্রামীণ ভোটে প্রভাব পড়বে কি না, তা নির্ভর করবে—স্থানীয় সংগঠনের কার্যকারিতা, ভোট ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণার কৌশলের উপর। এক রকমের ‘হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স’ ভোটে সরাসরি অনুবাদ নাও হতে পারে।

পূর্ব অভিজ্ঞতা: আশাব্যঞ্জক কিন্তু সতর্ক হওয়া প্রয়োজন

পঞ্চবছর আগেও বিজেপি উত্তরে ৪০টি আসনের দাবি করেছিলেন; বাস্তবে ৩০টি পেয়েছিলেন। সাংগঠনিক রিপোর্ট যতই উচ্চাকাঙ্ক্ষী হোক না কেন, অতীতের ফল দেখায়—সাংগঠনিক আত্মবিশ্বাস ও নির্বাচনী বাস্তবতার মাঝে ব্যবধান রয়েছে। এবারের রিপোর্টেও সংখ্যালঘুপ্রধান আসনগুলিকে কাটছাঁট করে রাখা হয়েছে—এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তবে মাঠে তা বাস্তবে কতটা রূপ নেবে, তা সময় বলবে।

মুখ্য প্রশ্নগুলো:
  • ত্রাণকাজ ও নেতাদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাটি ভোটের আগে কতটা স্থায়ী সমর্থন গড়বে?
  • বিজেপি তাদের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখতে পারবে কিনা—ভোট পর্যন্ত তৎপরতা বজায় রাখতে হবে।
  • সংখ্যালঘুপ্রধান ও সরকার বিরোধী কেন্দ্রে কবে ও কী কৌশলে প্রভাব পড়বে—এটাই মূল নির্ণায়ক।

সংক্ষেপে—চেকলিস্ট

  • উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনই কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ; রিপোর্ট অনুযায়ী ৫০টির আগ্রাসী লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
  • ত্রাণকর্মের দৃশ্যমান উপস্থিতি রাজনৈতিক ইমেজ তৈরিতে সাহায্য করেছে, কিন্তু তা ভোটের সরাসরি অনুবাদ নয়।
  • অতীত অভিজ্ঞতা নির্দেশ করে—উচ্চাভিলাষী পূর্বাভাস সবসময় ফলাফল নয়; মাঠের কাজ, ভোট ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় জোট–প্রেক্ষাপট নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত চিত্র।

নির্বাচন পর্যন্ত সময় অবশিষ্ট; বিজেপি ও তৃণমূল—দুই দলই উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্র করে কৌশল সাজাচ্ছে। নির্বাচনমণ্ডলীর এই রসায়ন এখন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের প্রফুল্ল কৌতূহলী করছে—বিপর্যয়, হামলা ও ত্রাণকর্মের সংমিশ্রণে গঠিত চিত্র ভোটের ফলাফলকে কিভাবে প্রভাবিত করবে, সেটাই আসন্ন সময় বলবে।

লেখা: Y বাংলা বিশ্লেষক দল | আপডেট:  

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আওতায় পশ্চিমবঙ্গ পেল ৬৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আওতায় পশ্চিমবঙ্গ পেল ৬৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আওতায় পশ্চিমবঙ্গ পেল ৬৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা

পঞ্চায়েত তহবিল হস্তান্তর
পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পেল কেন্দ্রীয় তহবিল।

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গকে ৬৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা হস্তান্তর করেছে। চলতি অর্থবর্ষে ‘সংযুক্ত (মৌলিক) অনুদান’ খাতে প্রাপ্য অর্থের প্রথম কিস্তি হিসাবে এই তহবিল রাজ্যের কাছে পৌঁছেছে। এই তহবিল পঞ্চায়েত তথা গ্রামীণ উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজ্যের ৩,২২৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ৩৩৫টি পঞ্চায়েত সমিতি এবং ২১টি জেলা পরিষদ এই তহবিল ব্যবহার করবে বলে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

পূর্ববর্তী বরাদ্দ ও মোট তহবিল

৬ অক্টোবর অর্থাৎ বুধবার পশ্চিমবঙ্গকে এই তহবিল হস্তান্তর করা হয়েছে বলে কেন্দ্রের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আওতায় গত এবং চলতি অর্থবর্ষ মিলিয়ে রাজ্য পেয়েছে মোট ৪,১৮১ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা। তবে এই পুরো অর্থ ‘সংযুক্ত অনুদান’ খাতের অন্তর্ভুক্ত নয়। সদ্য পাওয়া ৬৮০ কোটি টাকা ধরে গত অর্থবর্ষ থেকে এ পর্যন্ত রাজ্য পেয়েছে ২,০৮২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা সংযুক্ত অনুদান খাতে, বাকি ২,০৯৯ কোটি ১০ লক্ষ টাকা আবদ্ধ অনুদান খাতে।

সংযুক্ত ও আবদ্ধ অনুদান ব্যবহারের পার্থক্য

‘সংযুক্ত অনুদান’ খাতের অর্থ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে পঞ্চায়েতিরাজ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী রাস্তা বা ফুটপাত নির্মাণ, সৌরবাতি স্থাপন, গ্রামে খেলার মাঠ নির্মাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মসংস্থান, ডিজিটাল পরিকাঠামোর উন্নয়ন, শ্মশান রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজে এই অর্থ খরচ করা যেতে পারে।

অন্যদিকে ‘আবদ্ধ অনুদান’ খাতের তহবিল কেবল নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যয় করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, পশ্চিমবঙ্গকে এই খাত থেকে পাঠানো অর্থ শৌচাগার নির্মাণ ও পানীয় জল সরবরাহ সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।

পঞ্চায়েত স্তরে তহবিল বণ্টন প্রক্রিয়া

রাজ্যের পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদগুলো এই তহবিলকে কিভাবে ব্যবহার করবে, তা সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। প্রতিটি পঞ্চায়েতে তহবিলের ব্যবহার স্থানীয় চাহিদা, প্রকল্পের প্রয়োজন এবং গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় কর্মকর্তারা, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অংশ নেবেন।

অর্থবর্ষ ভিত্তিক কিস্তি

  • গত অর্থবর্ষ থেকে প্রাপ্ত সংযুক্ত অনুদান: ২,০৮২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা
  • বাকি অর্থ (আবদ্ধ অনুদান): ২,০৯৯ কোটি ১০ লক্ষ টাকা
  • চলতি অর্থবর্ষে প্রথম কিস্তি: ৬৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা সংযুক্ত অনুদান

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংযুক্ত অনুদান খাতের প্রথম কিস্তির কয়েক দিনের মধ্যেই চলতি অর্থবর্ষের আবদ্ধ অনুদানও রাজ্যের কাছে পৌঁছাবে।

পঞ্চায়েতি রাজ ও গ্রামীণ উন্নয়নে প্রভাব

এই তহবিল রাজ্যের গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্থানীয় সমস্যার সমাধান, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিষেবা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি সহ আরও নানা ক্ষেত্রে অর্থটি খরচ করা হবে। পঞ্চায়েতের স্বাধীনতা থাকায় স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারের বিধানসভা ভোটে জন সুরাজ পার্টি প্রথম ধাপের প্রার্থী ঘোষণা

বিহারের বিধানসভা ভোটে জন সুরাজ পার্টি প্রথম ধাপের প্রার্থী ঘোষণা

বিহারের বিধানসভা ভোটে জন সুরাজ পার্টি প্রথম ধাপের প্রার্থী ঘোষণা

জন সুরাজ পার্টির প্রার্থী তালিকা
প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বে জন সুরাজ পার্টির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ।

বিহারের বিধানসভা ভোটে ২৪৩ আসনের সবক’টিতে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী তথা জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান প্রশান্ত কিশোর (পিকে)

বিশেষ প্রার্থী তালিকা

জন সুরাজ পার্টির প্রথম দফার তালিকায় রয়েছেন:

  • জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ক রীতেশরঞ্জন পান্ডে, রোহতাস জেলার কারগাহর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
  • পরিচিত চিকিৎসক, আইনজীবী এবং প্রাক্তন আমলারা।
  • তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি প্রীতি কিন্নর, গোপালগঞ্জের ভোরে আসন থেকে ভোটে লড়বেন।

দলের সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় সিংহ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে বলেছেন, "আমরা শীঘ্রই অন্যান্য আসনের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করব। ১১ অক্টোবর আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব-এর নির্বাচনী এলাকা রাঘোপুর থেকে প্রশান্ত কিশোর প্রচার শুরু করতে পারেন।"

প্রার্থী মনোনয়নের অনন্য পদ্ধতি

প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া অন্যান্য দলের থেকে আলাদা। কর্মীদের মতামত নিয়ে ব্লক, পঞ্চায়েত ও বুথ স্তরে সম্মেলনে প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। যুব, কৃষক, সংখ্যালঘু, তফসিলি ও অন্যান্য ওবিসি শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশকারীদের আবেদন যাচাই করা হচ্ছে। চূড়ান্ত নির্বাচন কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নির্ধারিত হচ্ছে।

নির্বাচন সূচি

  • নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট ঘোষণা: ৬ অক্টোবর
  • প্রথম দফা ভোটগ্রহণ: ৬ নভেম্বর (১২১ আসনে)
  • দ্বিতীয় দফা ভোটগ্রহণ: ১১ নভেম্বর (১২২ আসনে)
  • মনোনয়ন জমা: প্রথম দফার জন্য ১৭ অক্টোবর, দ্বিতীয় দফার জন্য ২০ অক্টোবর পর্যন্ত
  • নাম প্রত্যাহার: প্রথম দফার জন্য ২০ অক্টোবর, দ্বিতীয় দফার জন্য ২৩ অক্টোবর
  • ভোটগণনা: ১৪ নভেম্বর

হরিয়ানা পুলিশ উচ্চকর্তাদের নিপীড়নে এডিজি আইপিএস ওয়াই পুরন কুমারের আত্মহত্যা

হরিয়ানা পুলিশ উচ্চকর্তাদের নিপীড়নে এডিজি আইপিএস ওয়াই পুরন কুমারের আত্মহত্যা

হরিয়ানা পুলিশ উচ্চকর্তাদের নিপীড়নে এডিজি আইপিএস ওয়াই পুরন কুমারের আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৫ | প্রকাশক: মঙ্গল মন্ডল
IPS Officer WY Puran Kumar
হরিয়ানা পুলিশের এডিজি আইপিএস ওয়াই পুরন কুমার অত্য়াচারের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেন।

দিনের পর দিন জাতপাত নিয়ে হয়রানি সহ্য করতে না-পেরে নিজেকে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হরিয়ানা পুলিশের এডিজি আইপিএস ওয়াই পুরন কুমার (৫২)। এই ঘটনায় দায়ী করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের দুই শীর্ষকর্তাকে। এই অভিযোগ তুলেছেন তাঁর স্ত্রী আইএএস অমনীত পি কুমার। তিনি হরিয়ানার ডিজিপি শত্রুজিৎ সিং কাপুর এবং রোহটাকের এসপি নরেন্দ্র বিজারনিয়া-এর বিরুদ্ধে তাঁর স্বামীকে মৃত্যুতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের বিস্তারিত: আইএএস অমনীত জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর ব্যাগ থেকে একটি আট পৃষ্ঠার নোট পাওয়া গেছে। সেই নোটে বর্ণিত হয়েছে, কিভাবে হরিয়ানা পুলিশের দুই শীর্ষ আধিকারিক তাঁকে পদ্ধতিগতভাবে হেনস্তা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তাঁর তফশিলি জাতি-উপজাতির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নিয়মিত অপমান ও হয়রানি চলত।

ওয়াই পুরন কুমার ২০০১ সালের আইপিএস ব্যাচের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা। মঙ্গলবার ৭ অক্টোবর চণ্ডীগড়ের নিজ বাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর মাথায় গুলির আঘাত ছিল। জানা গেছে, তিনি নিজের রিভলবার দিয়ে নিজ মাথায় গুলি করেন। ঘটনায় তাঁর ছোট মেয়ে উপস্থিত ছিল। মেয়ের চিৎকারে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।

অমনীত পি কুমার আরও জানিয়েছেন, ডিজিপি শত্রুজিৎ সিং কাপুর এবং রোহটাকের এসপি নরেন্দ্র বিজারনিয়ার নির্দেশে মিথ্যা এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। স্বামী মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। এরপরও তিনি উচ্চকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তা হয়নি এবং তিনি হতাশায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

এ ঘটনায় হরিয়ানা মুখ্যমন্ত্রী নায়াব সিং সাইনিও পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তদন্ত ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

হ্যাশট্যাগ:
#HaryanaPolice #IPSWYpuranKumar #PoliceAbuse #IASAmonitKumar #IndiaNews

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতিকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ, মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতিকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ, ঘটনার নিন্দায় মুখর প্রধানমন্ত্রী

সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতিকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ, ঘটনার নিন্দায় মুখর প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৫ | প্রকাশক: ফারিয়া ইসলাম
Supreme Court of India
সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইকে লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া।

নয়াদিল্লি: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন দেশের প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই-কে লক্ষ্য করে ‘জুতো ছোঁড়া’-র ঘটনায় তোলপাড় হয়েছে সমগ্র দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ শাসক-বিরোধী উভয় দলের নেতা মন্ত্রীরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ওই পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য গাভাইকে সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ঘটনার পটভূমি: সোমবার খাজুরাহ নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের ভরা এজলাসে তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো ছুঁড়ে মারেন রাকেশ কিশোর নামক এক আইনজীবী। নিরাপত্তা কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে তাকে এজলাস থেকে বের করে আনেন, ফলে আক্রমণ এড়ানো যায়।

যখন আইনজীবীকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন তাঁকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, “সনাতন কা আপমান নহি সহেঙ্গে” — অর্থাৎ সনাতনের প্রতি কোনও অপমান সহ্য করা হবে না। পরে জানা যায়, ওই আইনজীবী দাবি করেছেন, “ঈশ্বরের নির্দেশেই আমি এই কাজ করেছি।”

দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠলেও তিনদিন ধরে চুপ ছিলেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার ভরা এজলাসে অবশেষে মুখ খুলে বি আর গাভাই বলেন, “আমি হতভম্ব হয়ে গেছিলাম। আমি এবং আমার সহকারী দুজনেই সোমবারের ঘটনায় অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু ওই অধ্যায় আমাদের কাছে অতীত।”

এই ঘটনায় আদালতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। আইনজীবী মহলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের ঘটনা বিচারব্যবস্থার মর্যাদাকে আঘাত করে।

হ্যাশট্যাগ:
#SupremeCourt #BRGavai #NarendraModi #CourtAttack #IndiaNews

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog