Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 14 December 2025

লিওনেল মেসির ঐতিহাসিক ভারত সফর: ‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’

লিওনেল মেসির ঐতিহাসিক ভারত সফর: ‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’

লিওনেল মেসির ঐতিহাসিক ভারত সফর: ‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’ ঘিরে উন্মাদনা

শনিবার ভোরে কলকাতার মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই যেন উৎসবের রূপ নেয় গোটা শহর। বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি (Lionel Messi) দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবার ভারতে এসেছেন— এই খবরেই আবেগে ভেসে যান লাখো ভক্ত। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পতাকা, ব্যানার, স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে কলকাতা। ফুটবলের সঙ্গে আবেগগত সম্পর্ক যাদের রক্তে মিশে আছে, সেই কলকাতাবাসীর কাছে মেসির আগমন ছিল এক স্বপ্নপূরণের মতো।

এই সফর শুধুই একজন তারকা ফুটবলারের ভারত ভ্রমণ নয়, বরং এটি ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে একটি বিশেষ অধ্যায়। ‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’ (GOAT Tour India) নামেই বোঝা যায়, এই সফরকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্বকাপজয়ী, সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলারকে এক নজর দেখার জন্য বহু মানুষ রাতভর অপেক্ষা করেছেন, কেউ কেউ আবার দূরদূরান্ত থেকে শহরে এসেছেন।

কলকাতা: আবেগের শহর থেকেই সফরের সূচনা

মেসির ভারত সফরের সূচনা হয়েছে কলকাতা থেকেই—যে শহরকে ভারতের ফুটবল রাজধানী বলা হয়। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বি, মারাদোনার ঐতিহাসিক সফর—এই সব স্মৃতি কলকাতার ফুটবল সংস্কৃতিকে অনন্য করেছে। মেসির আগমন সেই ঐতিহ্যকেই আরও সমৃদ্ধ করল।

যদিও কলকাতায় তাঁর অবস্থান ছিল সংক্ষিপ্ত, তবুও বিমানবন্দর থেকে হোটেল—প্রতিটি মুহূর্তে ভক্তদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো ছিল। অনেকেই মেসির জার্সি পরে, কেউ আবার আর্জেন্টিনার পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে পড়েন। শহরের একাংশে যেন বিশ্বকাপ জয়ের রাতের আবহ ফিরে আসে।

হায়দরাবাদ পর্ব: মাঠে নামলেন মেসি

কলকাতা পর্ব শেষ করেই শনিবার সন্ধ্যায় হায়দরাবাদে পৌঁছন লিওনেল মেসি। সেখানে রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এই অনুষ্ঠান ছিল ‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’-র অন্যতম আকর্ষণ।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা শুধু প্রিয় ফুটবলারকে দেখেই তৃপ্ত হননি, বরং মেসিকেও মাঠে নেমে ফুটবল খেলতে দেখেছেন। একটি সংক্ষিপ্ত প্রদর্শনী ম্যাচ, ফুটবল ক্লিনিক এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মিলিয়ে পুরো সন্ধ্যাটি ছিল স্মরণীয়। মেসি নিজে কয়েকটি পাস দেন, গোলমুখে শট নেন এবং কয়েকটি বল দর্শকদের দিকে ছুঁড়ে দেন, যা ভক্তদের উল্লাস আরও বাড়িয়ে দেয়।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি (Revant Reddy)। তিনি নিজেও প্রদর্শনী ম্যাচে অংশ নেন এবং মেসির সঙ্গে পাস দেওয়া-নেওয়ার সুযোগ পান। রাজনীতির মাঠের বাইরে ফুটবলের মাঠে এমন দৃশ্য দর্শকদের কাছে ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। মেসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং কথোপকথনের পর তাঁকে একটি জার্সি উপহার দেন এলএম১০ (LM10)। এই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়ে দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

আয়োজকদের বক্তব্য: ভারতীয় ফুটবলের জন্য বড় সুযোগ

এই সফরের অন্যতম আয়োজক শতদ্রু দত্ত জানান, ১৪ বছর পর মেসির ভারতে আসা শুধু ভক্তদের জন্য নয়, বরং ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, “মেসি আবার ভারতে আসছেন, এটাই বিশাল বিষয়। ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে মানুষের সংযোগ নতুন করে তৈরি হচ্ছে। এত স্পনসর আগে কখনও ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে মেসির ভারতে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এটি এক বিরল সুযোগ। ছোট ফুটবলাররা তাঁদের আদর্শকে সামনে থেকে দেখতে পাচ্ছে—যা তাদের অনুপ্রেরণা দেবে বহু বছর ধরে।

মুম্বই পর্ব: ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিশেষ অনুষ্ঠান

আজ রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে লিওনেল মেসির। এই অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে থাকবেন লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল— আর্জেন্টিনার দুই তারকা ফুটবলার।

এখানে একটি দাতব্য ফ্যাশন ইভেন্ট আয়োজন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজে অর্থ সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি সিসিআই-তে প্যাডেল কাপেও অংশ নেওয়ার সূচি রয়েছে মেসির। ফুটবলের বাইরেও অন্যান্য ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ এই সফরকে আরও বহুমাত্রিক করে তুলেছে।

কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

মুম্বই সফরকে ঘিরে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্ট্যান্ডের ভিতরে জলের বোতল, ধাতব সামগ্রী এবং কয়েন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এছাড়াও স্ট্যান্ডের চারপাশে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার বসানো হয়েছে, যাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অতীতে দেখা বিশৃঙ্খলা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের সমস্যার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে দিকেই বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

দিল্লি পর্ব ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

তিনদিনের ‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’-র শেষ পর্বে সোমবার দিল্লি যাবেন লিওনেল মেসি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। এই বৈঠক ঘিরে ক্রীড়া ও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও দিল্লিতে মিনার্ভা অ্যাকাডেমির যুব দলগুলিকে সংবর্ধনা দেওয়ার সূচি রয়েছে। ভারতের ভবিষ্যৎ ফুটবলারদের সঙ্গে মেসির সরাসরি সংযোগ নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে থাকবে। পাশাপাশি একটি নাইন-এ-সাইড সেলিব্রিটি ম্যাচও আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে মেসির অংশগ্রহণ দর্শকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ।

ভারতীয় ফুটবলের জন্য মেসির সফরের তাৎপর্য

লিওনেল মেসির এই ভারত সফর শুধুমাত্র স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করাই নয়, বরং ভারতীয় ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নিতে পারে। আন্তর্জাতিক স্তরের তারকাদের উপস্থিতি দেশের যুবসমাজকে ফুটবলের দিকে আরও বেশি আকৃষ্ট করবে।

‘গোট ট্যুর ইন্ডিয়া’ প্রমাণ করে দিয়েছে যে ভারতেও ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা কম নয়। যথাযথ পরিকল্পনা, বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে ভারতীয় ফুটবল আন্তর্জাতিক মঞ্চেও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে—এমন আশাই দেখাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সব মিলিয়ে, লিওনেল মেসির এই তিনদিনের ভারত সফর শুধুই একটি ইভেন্ট নয়—এটি একটি আবেগ, একটি অনুপ্রেরণা এবং ভারতীয় ফুটবলের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিল।

Saturday, 13 December 2025

কেরলে ঐতিহাসিক ফল: তিরুঅনন্তপুরমে বিজেপির জয়ের পথ

কেরলে ঐতিহাসিক ফল: তিরুঅনন্তপুরমে বিজেপির জয়ের পথে

অবশেষে দক্ষিণে জয়ের পথ খুলছে! তিরুঅনন্তপুরমে ঐতিহাসিক জয়ের পথে বিজেপি

কেরলের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মোড়। দক্ষিণ ভারতে বিজেপির জন্য দীর্ঘদিনের বন্ধ দরজা খুলে যেতে চলেছে—এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে কেরলের স্থানীয় নির্বাচনের ফল। পাঁচ দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ঐতিহাসিক তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগম দখলের পথে বিজেপি। যা কেরলের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

যদিও তিরুঅনন্তপুরম বাদ দিলে রাজ্যের বাকি অংশে জয়জয়কার কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)-এর। বিপরীতে, স্থানীয় নির্বাচনেও কার্যত ধাক্কা খেল বাম নেতৃত্বাধীন লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (এলডিএফ)।

উল্লেখ্য, গত ৯ ও ১১ ডিসেম্বর—দু’দফায় কেরলের পঞ্চায়েত ও পুরভোট অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে গণনা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইতিহাস গড়ে তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগম দখলের পথে গেরুয়া শিবির।

তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগমে মোট ১০১টি আসনের মধ্যে ৫০টিতে এগিয়ে বিজেপি—ম্যাজিক ফিগার থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাম শিবির, যারা প্রায় পাঁচ দশক ধরে এই পুরনিগম নিজেদের দখলে রেখেছিল। এলডিএফ এগিয়ে রয়েছে ২৬টি আসনে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এগিয়ে মাত্র ১৯টি আসনে।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, স্থানীয় সাংসদ শশী থারুরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনার মধ্যেই তাঁর কেন্দ্রের পুরনিগমে বিজেপির এই ঐতিহাসিক সাফল্য। বিজেপির ‘অবিশ্বাস্য’ পারফরম্যান্সে থারুর নিজেও বিস্মিত।

শশী থারুর বলেন, “স্বীকার করতেই হবে বিজেপির এই জয় ঐতিহাসিক। একই সঙ্গে এটাও স্পষ্ট, রাজ্যজুড়ে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া বইছে। গোটা রাজ্যে ইউডিএফের বিরাট সাফল্যই প্রমাণ করে, আগামী দিনে কেরলে বদল আসতে চলেছে।”

উল্লেখ্য, এর আগেই কেরলের ত্রিশূরে লোকসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছে বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরম লোকসভা কেন্দ্রে আগের নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিল গেরুয়া শিবির। এবার পুরনিগম দখলের পথে। ফলে বিজেপির অন্দরে আশার সঞ্চার—হয়তো এবার কেরল এবং দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে তাদের জন্য নতুন রাস্তা খুলতে চলেছে।

রাজ্যজুড়ে ফলাফলের সারসংক্ষেপ

গ্রাম পঞ্চায়েত (মোট ৯৪১)

ইউডিএফ: ৪৭৩ | এলডিএফ: ৩৬৬ | এনডিএ: ২৬

ব্লক পঞ্চায়েত (মোট ১৫২)

ইউডিএফ: ৮১ | এলডিএফ: ৬৫ | এনডিএ: ০

জেলা পঞ্চায়েত (মোট ১৪)

ইউডিএফ: ৮ | এলডিএফ: ৬

পুরসভা (মোট ৮৭)

ইউডিএফ: ৫৫ | এলডিএফ: ২৮ | এনডিএ: ২

পুরনিগম (মোট ৬)

এলডিএফ: ৪ | ইউডিএফ: ১ | বিজেপি: ১

সব মিলিয়ে তিরুঅনন্তপুরমে বিজেপির উত্থান এবং রাজ্যের বাকি অংশে ইউডিএফের সাফল্য— কেরলের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ফল যে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেবে, সে বিষয়ে একমত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশ।

যুবভারতীতে তাণ্ডব: গ্রেপ্তার মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্

যুবভারতীতে তাণ্ডব: গ্রেপ্তার মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত

যুবভারতীতে তাণ্ডব: গ্রেপ্তার হলেন মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসিকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা ও তাণ্ডবের ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল মূল উদ্যোক্তাকে। মেসিকে কলকাতায় আনার প্রধান আয়োজক হিসেবে পরিচিত শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীরা।

এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উদ্যোক্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। যদিও শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সরাসরি শতদ্রু দত্তের নাম উল্লেখ করেননি।

ডিজি রাজীব কুমার জানান, দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে মূল উদ্যোক্তা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন।

পরে রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম স্পষ্ট করে জানান, যুবভারতীর ঘটনায় মূল উদ্যোক্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত এগোচ্ছে।

উল্লেখ্য, ক্রীড়াপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শনিবারই কলকাতায় পা রাখেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। শহরে এসে ঠাসা কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুবভারতীতে মেসিকে এক ঝলক দেখতে ভিড় জমান দর্শকরা।

কেউ এসেছিলেন পুরুলিয়া থেকে, কেউ আবার কাঁথি থেকে। শুধু তাই নয়, বেঙ্গালুরু, শিলং এমনকি নেপাল থেকেও এসেছিলেন মেসিভক্তরা। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, স্টেডিয়ামে ঢোকার পর থেকেই মেসির চারপাশে ভিড় করে ছিলেন ভিআইপিরা।

আরও খবর পড়ুন এসআইআরের মাঝে রানাঘাটে মোদির সভা

অভিযোগ অনুযায়ী, ভিআইপির সংখ্যা কম করে ১০০ জন ছিল। এর ফলে গ্যালারি থেকে প্রায় ২০ মিনিট ধরে মেসিকে দেখতেই পাননি সাধারণ দর্শকরা। চড়া দামে টিকিট কেটে মাঠে গিয়েও প্রিয় তারকাকে দেখতে না পেয়ে দর্শকদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমেই চরমে পৌঁছয়।

দর্শকদের অভিযোগ, “আমরা হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছি। কিন্তু পুরো সময়টাই ভিআইপিদের জন্য নষ্ট হয়ে গেল। সাধারণ দর্শকদের কথা কেউ ভাবেনি।”

শেষ পর্যন্ত দর্শক ক্ষোভে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার জেরে পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশকে। গোটা ঘটনায় আয়োজকদের ভূমিকা নিয়েই উঠছে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন।

এসআইআরের মাঝে রানাঘাটে মোদির সভা

এসআইআরের মাঝে ‘এক ঢিলে দুই পাখি’, রানাঘাটে মোদির জনসভা

নদিয়া:

বাংলা-সহ দেশের মোট ১২টি রাজ্যে চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়া। বাংলায় এই কাজ বর্তমানে শেষের পথে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

তবে খসড়া তালিকায় কত সংখ্যক নাম বাদ পড়তে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। এই আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে উদ্বাস্তু ও মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। বিশেষ করে নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক অঞ্চলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বাস্তু পরিবারগুলির মধ্যে আশঙ্কা দানা বাঁধছে।

সম্প্রতি এই প্রসঙ্গেই বাঙালি বিজেপি সাংসদদের সতর্ক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এসআইআর নিয়ে ‘সমঝে কথা বলার’ বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। মানুষের মনে, বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে যেন কোনও ভয় বা বিভ্রান্তি তৈরি না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

এই আবহেই রাজনৈতিক মহলের মতে, ‘এক ঢিলে দুই পাখি’কে লক্ষ্য করে বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২০ ডিসেম্বর নদিয়া জেলার রানাঘাট মহকুমার তাহেরপুরে একটি জনসভা করবেন তিনি। তাহেরপুর এলাকা উদ্বাস্তু গড় হিসেবেই পরিচিত। ফলে একযোগে মতুয়া এবং উদ্বাস্তু ভোটব্যাঙ্ককে নজরে রেখেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।

আরও খবর পড়ুন কেরলের স্থানীয় নির্বাচনে ঐতিহাসিক ফল। পাঁচ দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটি

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় মোট ১০টি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার, দমদম এবং দুর্গাপুরে তিনটি জনসভা সেরে ফেলেছেন তিনি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বাকি সাতটি জনসভা করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এসআইআরের মাঝেই রানাঘাট থেকে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচির সূচনা হতে চলেছে।

ইতিমধ্যেই আগামী ২০ ডিসেম্বর তাহেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল ঘিরে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতির কাজ। প্রশাসনিক ও দলীয় স্তরে তৎপরতা তুঙ্গে।

বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আগামী ২০ তারিখ প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে আসছেন। তাহেরপুরের মাঠে তিনি জনসভা করবেন। একাধিক সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। বিহারের জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, গঙ্গা বাংলা হয়েও যায়। আমরা আশা করব, আগামী নির্বাচনে বিহারের মতোই বদল এখানেও দেখা যাবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে ঠাকুরনগরের পাশাপাশি নদিয়ার রানাঘাট অঞ্চলও মতুয়াগড় হিসেবে পরিচিত। সুতরাং মতুয়া ভোটারদের মন বুঝতেই রানাঘাটকে বেছে নিয়ে বিজেপির প্রচারের সূচনা— এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

Monday, 8 December 2025

শীতে কাঁপছে বাংলা: কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১৫° সেন্টিগ্রেড — সাতদিনে শুষ্ক ও কুয়াশা


শীতে কাঁপছে বাংলা: কলকাতায় পারদ নামল ১৫° সেন্টিগ্রেড — সপ্তাহজুড়ে শুষ্ক, কুয়াশা ও পরিষ্কার আকাশ

কোনও নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত নেই; উত্তুরে শীতল হাওয়া ঢুকায় তাপমাত্রা নিম্নমুখী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে — আগামী সাতদিন তেমন কোনো বড় বদল নেই।

রিপোর্ট: আবহাওয়া ব্যুরো | আপডেট: আজ

উত্তর থেকে ঢোকার কাঁটা ঠান্ডা হাওয়ার ফলে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর— উভয়াঞ্চলেও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। কলকাতায় তাপমাত্রা নেমেছে ১৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে, আর দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলোতে আরও ২–৩ ডিগ্রি কম দেখা গেছে। পার্বত্য দার্জিলিং-এ তাপমাত্রা ৫°-এর নিচে, শ্রীনিকেতনে নেমেছে ৯.৮°-এ — সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধভাগেই শীত বেশ উপভোগ্য।
শীতল আবহাওয়া ও কুয়াশায় ঢাকা শহর

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে বর্তমানে কোনও নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত নেই। বাতাসের প্রবাহ উত্তর কিংবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রবাহিত হওয়ায় আগামী কয়েকদিন রাজ্যে শুষ্ক শীতল আবহাওয়া বজায় থাকবে। বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় নিচু থাকবে।

কলকাতা শহরে সকালের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণে গতকাল পারদ নেমে দাঁড়িয়েছিল ১৫° সেন্টিগ্রেডে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কম তাপমাত্রা রিপোর্ট করা হয়েছে—কিছু জায়গায় তা ১০° সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি নেমে এসেছে। রবিবার শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯.৮° সেন্টিগ্রেডে, যা শীতের তীব্রতার ইঙ্গিত দেয়।

আবহাওয়া দপ্তর আরও জানায়, ভোরের দিকে কুয়াশা বা ধোঁয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলে সামান্য বিঘ্ন ঘটতে পারে। বিশেষত পার্বত্য এলাকায় দৃশ্যমানতা অনেক জায়গায় ৯০০ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে যেতে পারে—সেখানে গাড়ি চালকদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উপকূলীয় জেলাগুলোতেও কুয়াশার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

মুখ্য নিধান:
  • উত্তুরে থেকে ঢুকছে শীতল তুল্য হাওয়া—নিম্ন তাপমাত্রা।
  • কলকাতায় সর্বনিম্ন ১৫° সেলসিয়াস; শ্রীনিকেতনে ৯.৮° রেকর্ড।
  • সপ্তাহজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া, আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।
  • সকালে কুয়াশা ও দৃশ্যমানতা কমার সম্ভাবনা—বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

আরও খবর পড়ুন , গোয়ার নাইটক্লাবে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড — মৃত ২৩

জেলার حسابে সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাস

অঞ্চল সর্বনিম্ন (°C) সর্বোচ্চ (°C) বিশেষ দ্রষ্টব্য
কলকাতা ১৫ ২৫٫৬ (গতকাল) সকালে হালকা কুয়াশা, পরে পরিষ্কার আকাশ
দার্জিলিং (পার্বত্য) ৫-এর নিচে ১২-১৪ দৃশ্যমানতা খারাপ হতে পারে
মালদহ ~১৫ ~২৪ সকালে কুয়াশা
শ্রীনিকেতন ৯.৮ (রেকর্ড) ~২৩ স্যানিটারি ও ট্রাফিক সচেতনতা বজায় রাখুন
উপকূলীয় জেলাগুলি ১২-১৫ ~২৫ সকালে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি

পরবর্তী সাতদিনে কী আশা করা যায়?

আলিপুর অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী সাতদিন রাজ্যে বড় ধরনের আবহাওয়াগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দিনভর পরিষ্কার আকাশ ও শুষ্ক আবহাওয়া ধরে থাকবে। ভোর ও সন্ধ্যার পরিপ্রেক্ষিতে শীতের আমেজ তীব্র থাকবে, সেজন্য সকালের বাইরে বেরোনোর সময় গরম কাপড় পরা জরুরি। আধুনিক শহরে কুয়াশার কারণে অফিসগমন এবং স্কুল-কলেজে কিছুটা বিলম্ব ঘটতে পারে—পরিবহন পরিষেবা ব্যবহারকারীদের অনুরোধ করা হচ্ছে সময়সূচি অনুযায়ী বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার জন্য।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা টিপস

  • কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার সময় গাড়ি ধীরে চালান, ফোগ লাইট ব্যবহার করুন এবং হেডলাইট অন রাখুন।
  • ঠান্ডায় বাচ্চা ও বৃদ্ধদের অতিরিক্ত গরম কাপড় দিন; সাধারণ সর্দি-কাশি বাড়তে পারে।
  • শীতকালে ব্যক্তিগত হাইজিন বজায় রাখুন—প্রচুর পানি পান ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করুন।
  • পার্বত্য এলাকার ভ্রমণকারীরা রাস্তায় ধরা পড়া কুয়াশা ও স্লিপিং কন্ডিশনে সতর্ক থাকুন।

নোট: এখানে দেওয়া তাপমাত্রা ও পরিবেশগত শর্তাবলী আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ ও আঞ্চলিক রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত। আঞ্চলিকভাবে স্বল্পমেয়াদে পরিবর্তন ঘটলে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি লক্ষ্য করুন।

শীত ২০২৫ আবহাওয়া আপডেট কলকাতা কুয়াশা সতর্কতা
© ২০২৫ ডিজিটাল খবর | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সর্বশেষ আবহাওয়া তথ্যের জন্য স্থানীয় আবহাওয়া দফতরের ঘোষণা অনুসরণ করুন।

কোচবিহার সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | পাশে থাকার বার্তা


পাশে থাকার সফরে কোচবিহার যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক দূর করতেই উত্তরবঙ্গ সফর, আজ প্রশাসনিক বৈঠক রবীন্দ্রভবনে — কাল রাজনৈতিক সভা রাসমেলা মাঠে

স্টাফ রিপোর্টার: ‘পাশে থাকা’র বার্তা নিয়ে আজ, সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই দিনের সফরে পৌঁছচ্ছেন উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে। দুপুরে শহরে আসার পর সন্ধ্যা ৪টে নাগাদ তিনি উপস্থিত থাকবেন কোচবিহারের রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে। সেখানে জেলার উন্নয়নমূলক কাজ, বন্যা ও ধস পরিস্থিতিতে নেওয়া পদক্ষেপ এবং বকেয়া প্রকল্পের অগ্রগতির পর্যালোচনা করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার কোচবিহার শহরের রাসমেলা মাঠে হবে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় রাজনৈতিক সভা। সেখানেই বক্তব্য রাখবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এসআইআর (স্টেট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার)–কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই মুখ্যমন্ত্রী জেলায়-জেলায় সভা করছেন। ইতিমধ্যে বনগাঁ, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে তার বক্তৃতায় দেখা গিয়েছে জনজোয়ার। উত্তরবঙ্গের মালদহ ও দার্জিলিং-এ বন্যা-ধসের বিপর্যয়ের পর গত এক মাসে তিন বার উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন তিনি, তবে কোচবিহার সফরটি বাকি ছিল। এবার সেই পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

Mamata Banerjee Political Rally Image

“আমি থাকতে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে না” — আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

সম্প্রতি বনগাঁর সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন,

“আমি ভোট চাইতে আসিনি। যখন নির্বাচন হবে তখন ভোটের কথা বলব। আমি এসেছি শুধুমাত্র আপনাদের পাশে থাকতে। তিন বছরের কাজ তিন মাসে হয় না। ভয় পাবেন না। আমি থাকতে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে না। কাউকে পুশব্যাক করা হবে না। যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁরা সবাই নাগরিক। কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসআইআর ইস্যুতে বিজেপি একটি বড় রাজনৈতিক অঙ্ক কষেছিল। কিন্তু সেই সমীকরণকে কার্যত নস্যাৎ করে দিতে তৃণমূলের কৌশল, মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছনো ও আশ্বাস-ভিত্তিক প্রচার। মাঠে নেমে নিজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, যা তৃণমূল কর্মীদেরও নবউদ্দীপনায় ভরিয়ে তুলেছে।

কোচবিহারের প্রশাসনিক বৈঠকের মূল লক্ষ্য

নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকে মূলত তিনটি বিষয়ে জোর দেওয়া হবে —

  • জেলার বকেয়া উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করা
  • বন্যা ও ধসের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা
  • এসআইআর সংক্রান্ত সরকারি প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক নজরদারি

সাথে, বিপর্যয় মোকাবিলায় ভবিষ্যতের প্রস্তুতি পরিকল্পনাও আলোচনার তালিকায় থাকতে পারে।

রাজনৈতিক সভার আগে মন্দিরে পুজো

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালেই মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর রাসমেলা মাঠে জনসভা। উত্তরবঙ্গের মানুষকে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি এখানে তিনি আগামী দিনে দলের সাংগঠনিক দিশা ও কর্মসূচি নিয়েও ঘোষণা করতে পারেন।

আরও খবর পড়ুন , মোদির সফরের আগেই নদিয়ায় মমতা: SIR-এর আবহে মতুয়াগড় থেকে কৃষ্ণনগরে জোরালো বার্তা

ভোটের আগে রাজনৈতিক অঙ্ক

সূত্রের মতে, এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়ার পরই ফেব্রুয়ারির শেষদিকে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীও শুরু করে দিয়েছেন দলের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতির কাজ। জেলা নেতৃত্বকেও তিনি বিশেষ নির্দেশ দিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।

তৃণমূল সূত্রে দাবি, উত্তরবঙ্গের বিজেপি ঘাঁটিতে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দল মনে করছে, মানুষের উদ্বেগকে কেন্দ্র করে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে কারণ “মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ”ই মমতার সবচেয়ে বড় শক্তি।

উত্তরবঙ্গ সফর শেষে বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, মুখ্যমন্ত্রী সভা করতে যাবেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে।

হাইলাইটস

  • আজ প্রশাসনিক বৈঠক — কাল বড় রাজনৈতিক সভা রাসমেলা মাঠে।
  • এসআইআর আতঙ্ক দূর করতেই ‘পাশে থাকা’র সফর।
  • “কেউ ডিটেনশন ক্যাম্পে যাবেন না”— মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা।
  • বন্যা–ধসের পর কোচবিহার সফর বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
  • ভোটের আগে সংগঠন চাঙ্গা করার মমতার কৌশল।
© ২০২৫ Y Bangla News | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Sunday, 7 December 2025

মোদির সফরের আগেই নদিয়ায় মমতা: SIR-এর আবহে মতুয়াগড় থেকে কৃষ্ণনগরে জোরালো বার্তা

রাজনীতি • নিরাপত্তা • নির্বাচন

নদিয়ায় জনসভা-মঞ্চ প্রস্তুতি: কৃষ্ণনগর মাঠে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেছেন ADG (দক্ষিণবঙ্গ)

বেঙ্গল রিপোর্ট — ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ • আপডেটেড লোকেশন: কৃষ্ণনগর, নদিয়া

আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা পর্যায়ের জনসভা চলছে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ মাঠেই ১১ ডিসেম্বর ওই সভা হওয়ার কথা। জননেত্রীর আগমন এবং বিশাল সমাবেশকে কেন্দ্র করে মঞ্চস্থাপনা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ-পথ ও প্রস্থানসহ নিরাপত্তার নানা দিক খতিয়ে দেখতে শনিবার ওয়েস্ট বেঙ্গলের ADG (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার কৃষ্ণনগরের সেই মাঠ পরিদর্শন করেন—এবং জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে বিভিন্ন সূক্ষ্ম দিক চূড়ান্ত করেন।

উৎস: স্থানীয় পরিসরে প্রাপ্ত রিপোর্ট (নিবন্ধকের সংগ্রহ) এবং পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র।

পরিদর্শনে কী ঘটল — সংক্ষেপে

ADG-su প্রাথমিকভাবে মঞ্চের অবস্থান, অডিও-ভিজুয়াল সেটআপ, জরুরি বাহিনী ও অ্যাম্বুল্যান্স যোগসাজশ, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যারিয়ার স্থাপন এবং প্রবেশপথে নিরাপত্তা স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা — এসব খতিয়ে দেখেন। তিনি মাঠের সম্ভাব্য জমায়েতের দিক বিবেচনা করে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা ও জরুরি निकাশের পথ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনকে দিকনির্দেশ দিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

“মঞ্চ ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ হবে প্রথম অগ্রাধিকার; আতঙ্ক বা ধাক্কাধাক্কি যেন না ঘটে—তার জন্য মাঠের প্রতিটি প্রবেশ-পথ পরীক্ষা করা হয়েছে,”—এক আধিকারিকের সংক্ষিপ্ত মন্তব্য।

ADG (South Bengal) নিযুক্তির পটভূমি ও দক্ষিণবঙ্গের নিরাপত্তা তদারকির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের রেকর্ডের প্রেক্ষিতে পরিদর্শনটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মঞ্চ ও ভোটকেন্দ্রগত কৌশল — রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

তৃণমূল কংগ্রেস নানামুখী জনসমাগমের মাধ্যমে SIR (Special Intensive Revision)–এর বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। মমতা গত কয়েক দিন ধরে মতুয়ারা-ঘন অঞ্চল বনগাঁ (বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বোনাাগণ এলাকা), মুর্শিদাবাদ ও মালদহে জনসভা করেছেন এবং কোচবিহারে আরও সভার সূচি রয়েছে। এসব জেলা নির্বাচনী ভাবে সংবেদনশীল অঞ্চল—এবং এসব সফরকে কেন্দ্র করে জেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক-নিরাপত্তা সমন্বয় মোতায়েন বাড়ানো হচ্ছে।

SIR–এর ফলে ভোটার তালিকার ত্রুটির অভিযোগ ও উদ্বেগ রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়িয়েছে; সেই পটভূমিতেই মমতা ও দলের কর্মীরা জনসমাবেশ চালিয়ে জনগণের মনে নিশ্চয়তা দেয়ার চেষ্টা করছেন। SIR ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের জাতীয় ও রাজ্য পর্যায়ের প্রাসঙ্গিকতা এবং তাতে নেত্রীর রণনীতি—এই সবই কেন কৃষ্ণনগর সভাটিকে কৌশলগত প্রাধান্য দিচ্ছে তা বোঝায়। {index=3}

নদিয়ার জনসম্রাট — মতুয়ারার রাজনৈতিক গুরুত্ব

নদিয়ার কিছু বিধানসভায় মতুয়ারা সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ বা নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে; তাই মমতার বনগাঁ (বঙ্গোপসাগরের পাশের মতুয়া-ঘন এলাকা) থেকে দেওয়া বার্তা এবং কৃষ্ণনগরে শিবির আয়োজন—এগুলো স্থানীয় ভোটপ্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মঞ্চের বক্তৃতা ও সমাবেশের সময় মমতার দেওয়া সুর ও আশ্বাস স্থানীয় সমর্থকদের ওপর তাত্ক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

পুলিশ ও প্রশাসনের প্রস্তুতি — জেলা পর্যায়ের যৌথ বৈঠক

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ মিলে সভার পূর্বে নিরাপত্তা চক্র ও কন্টিনজেন্সি প্ল্যান চূড়ান্ত করবে—এমনটাই জানানো হয়েছে। প্রবেশ-পয়েন্টে কড়া চেকিং, লোগিস্টিক এস্কর্ট, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং ট্রাফিক রুট-রিডাইরেকশন পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই তৈরি করা হচ্ছে। এমন সভায় জনসমাগমের আগে সরকারি ও পুলিশি যৌথ প্রস্তুতি নিয়মিত অনুশীলিত প্রক্রিয়া; কৃষ্ণনগর ক্ষেত্রেও সেই ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করা হচ্ছে।

জনসভা থেকে কী বার্তা আশা করা যাচ্ছে?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—মমতা এই সভা থেকে SIR–বিরোধী তীব্র বার্তা, স্থানীয় নিরাপত্তা-বিষয়ক আশ্বাস এবং তৃণমূলের হেল্পডেস্ক/কোয়ারেন্টি নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা সম্পর্কে জনসমক্ষে পুনরায় প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন। নদিয়ার নির্দিষ্ট কিছু আসনে মতুয়ারা তথা অনুশীলিত ভোটদাতা-শ্রেণীর মন জয় করাও দলটির লক্ষ্য থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লেখক: স্থানীয় রাজনৈতিক সংবাদদাতা
উল্লেখযোগ্য সূত্র: UNI, Millenium Post ও সংবাদসংগ্রহ; SIR প্রক্রিয়া ও মমতার রাজ্য সফরের পটভূমি সম্পর্কিত ব্যাখ্যার জন্য নির্বাচন-রিলেটেড রিপোর্ট। পঠনায় আরো তথ্যের জন্য নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্র/প্রশাসনিক বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

গোয়ার নাইটক্লাবে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড — মৃত ২৩

গোয়ার নাইটক্লাবে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড — মৃত ২৩

গোয়ার নাইটক্লাবে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড — মৃত ২৩

উত্তর গোয়ারের আরপোরা গ্রামের একটি জনপ্রিয় নাইটক্লাবে শনিবার মধ্যরাতে (৬–৭ ডিসেম্বর ২০২৫) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও উদ্ধারকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে সিলিন্ডার বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। হতাহতদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নিচে সম্পূর্ণ ঘটনা, উদ্ধারকাজ ও তদন্ত সম্পর্কিত প্রাপ্ত তথ্য দেওয়া হলো।

নাইটক্লাবে আগুনের পর দগ্ধ ভবনের ভিউ (প্রতীকী ছবি)

ঘটনার বিবরণ

পুলিশের প্রথম খবর অনুযায়ী, শনিবার মধ্যরাতে ক্লাবে একটি কুকিং/রানিং সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্লাবটি গভীর রাতে জনসমাগমপূর্ণ ছিল — অনেক পর্যটক ও স্থানীয়রা সেখানে ছিল। বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়া ও শিখা পুরো কভার করে নেয় ক্লাবটির অভ্যন্তর। অতিরিক্ত ভিআইপি রুম ও সঙ্কীর্ণ মুখোশার কারণে লোকেরা বের হতে ব্যর্থ হলে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ে।

উদ্ধারকাজ ও জরুরি প্রতিক্রিয়া

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় দমকলবাহিনী, পুলিশ ও মেডিক্যাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দমকলকর্মীরা আগুন নেভাতে কয়েক ঘণ্টা কাজ করে। বহু শিশুসহ আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে; তাদের মধ্যে যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর, তাদের দ্রুত কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রাথমিক জরুরি সংখ্যাসূচক তথ্য (পুলিশ/অতিরিক্ত সূত্র):

  • মৃতঃ কমপক্ষে ২৩ জন (প্রাথমিক রিপোর্ট)।
  • আহতঃ বহুজন - তাদের মধ্যে অনেকে দগ্ধ ও ধোঁয়ায় আহত।
  • পর্যটক অন্তর্ভুক্তিঃ নিহতদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
  • সম্ভাব্য কারণঃ প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ধরা হচ্ছে।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বক্তব্য

পুলিশ সুপার ও দমকল বিভাগের সিনিয়র অফিসাররা জানান, ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক প্রতীয়মান উপাদান ও সাক্ষ্যাদি সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ক্লাবটির লাইসেন্স ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দলিলাদি পর্যালোচনা করা হবে। তদন্তে সহায়তার জন্য ফরেনসিক টিমও আনা হয়েছে।

পুলিশি ও তদন্ত সংক্রান্ত অগ্রগতি

তদন্তে দেখা হবে—(ক) ক্লাবের ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম ঠিকঠাক ছিল কি না, (খ) সিলিন্ডারটি কোথা থেকে এসেছে ও তার লাইসেন্স/সার্টিফিকেট ছিল কি না, (গ) আগুন লাগার পর ব্যারিকেড বা জরুরি প্রস্থান পথ অবরুদ্ধ ছিল কি না। অপরাধী উদ্দেশ্য বা ঘাটতি—উভয় সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হবে।

পরিবার ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

স্থানীয়রা শোক প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষুব্ধ। কিছু লোক অভিযোগ করেছেন যে ক্লাবটির জরুরী প্রস্থান পথ ছিল সঠিকভাবে চিহ্নিত বা মুক্ত রাখা হয়নি। নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে থাকার জন্য স্থানীয় প্রশাসন মানসিক ও আর্থিক সহায়তা জানাতে পারে বলে সূত্রে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নির্দেশনা

- আগুন বা বিস্ফোরণ ঘটলে প্রথমত ধুলো/ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন এবং নিচু অবস্থান নিন।
- জরুরি প্রস্থান পথ ও সাইন বোর্ড খোঁজ করুন; সম্ভব হলে দ্রুত বহির্গমন করুন।
- দগ্ধ আহতদের জন্য বরফ, পরিষ্কার জল বা অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার না করে দ্রুত হাসপাতালে নিন।
- সন্দেহভাজন সিলিন্ডার/গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে জানানো জরুরি।

জরুরি হটলাইন (স্থানের নিকটস্থ):

দমকল: ১০৯১ • পুলিশ: ১০০ • এম্বুল্যান্স: ১০২

পরবর্তীকালের প্রত্যাশা

তদন্ত শেষে নিরাপত্তা লঙ্ঘন বা নির্দেশনা না মানার যে কোনও দায়ীকে আইনের আওতায় আনা হবে। স্থানীয় প্রশাসন ভবিষ্যতে এই ধরনের জনসমাগমস্থলে কড়া নিরাপত্তা এবং আগুন নিধন বিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করবে বলে ঘোষণা করতে পারে।

গোয়া অগ্নিকাণ্ড নাইটক্লাব সিলিন্ডার বিস্ফোরণ পর্যটক

প্রতিবেদন করা হয়েছে স্থানীয় সূত্র, পুলিশ ও উদ্ধারসংস্থার প্রাথমিক বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে। এই রিপোর্ট পরবর্তীতে আদালত বা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপডেট করা হবে।

লেখক: Md Sirajul Islam • যোগাযোগ: reporter@example.com

© 2025 স্থানীয় সংবাদ — সকল অধিকার সংরক্ষিত

Saturday, 6 December 2025

উত্তরপ্রদেশে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ: রাজ্য সরকার চটিয়ে দিল ব্যাপক অভিযান

উত্তরপ্রদেশে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ: রাজ্য সরকার চটিয়ে দিল ব্যাপক অভিযান

উত্তরপ্রদেশে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ ত্বরান্বিত — যোগী সরকারের নির্দেশে জেলা পর্যায়ে তল্লাশি, অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার তৈরির নির্দেশ

প্রকাশিত: স্থানীয় রিপোর্ট | বিভাগ: জাতীয় সংবাদ

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) চলছে এমন এক সময়ে উত্তরপ্রদেশ সরকার অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিতকরণ ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা বাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে জেলা প্রশাসন ও সন্ত্রাসদমন শাখা রাজ্য জুড়ে তল্লাশি পরিচালনা করছে এবং অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের ঘোষণা ও উদ্দেশ্য

রাজ্য সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা রক্ষার স্বার্থে অবৈধভাবে অন্যদেশ থেকে প্রবেশকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উক্ত অভিযানের লক্ষ্য কেবল অপরিচিত বা অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা নয়, বরং যাঁরা এই অনুপ্রবেশকে সংগঠিতভাবে নিয়ে এসেছে তাদের শিকড় উন্মোচনও রাখা আছে।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ও অভিযান

মুখ্যমন্ত্রী কয়েক দিন আগে সমস্ত জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন—জেলাভিত্তিক তালিকা তৈরি করতে হবে, কোথায় কোথায় সন্দেহজনক বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গার উপস্থিতি রয়েছে তা চিহ্নিত করতে হবে, এবং তাঁরা কোন কাজে জড়িত সেই তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসদমন শাখা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দফতর তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

"জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও রকম আপস করা হবে না" — রাজ্য সরকারের বিবৃতির একটি অংশ।

গ্রেপ্তারি এবং প্রশাসনিক সন্দেহ

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই কয়েকজন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন, অনুপ্রবেশ একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় — বরং এটি সংগঠিত চক্রের মাধ্যমে ঘটছে এবং রাজ্যজুড়ে বিস্তৃতি রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য সেই সংগঠিত শিকড় খুঁজে বের করে ভাঙা।

ডিটেনশন সেন্টার: অস্থায়ী শিবির তৈরির নির্দেশ

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য প্রতিটি জেলায় অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করতে হবে। রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্য দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের ওই অস্থায়ী শিবিরগুলিতেই রাখা হবে এবং যাচাই-প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসআইআর প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রেক্ষাপট

দেশের কয়েকটি রাজ্যে—মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রম চলছে। কেন্দ্রের ব্যাখ্যা, এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য ভুয়ো ভোটার শনাক্ত করা। এই প্রেক্ষাপটে উত্তরপ্রদেশ সরকার অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে তৎপরতা বাড়িয়েছে এবং এসআইআর-র নির্দেশনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আইনি ও মানবাধিকার বিষয়ে শঙ্কা

প্রশাসনিক তৎপরতা থাকলেও বিশ্লেষক এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ ও ডিটেনশনের ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া, নথিপত্র যাচাই ও ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা বজায় রাখতে হবে। অনুপযুক্ত তদন্ত বা প্রকাশ্য অ্যাভির প্রক্রিয়া ভুল শনাক্তকরণ এবং বেসামরিকদের হয়রানির কারণ হতে পারে—এটি নিয়মিতভাবে মাথায় রাখা প্রয়োজন।

স্থানীয় প্রভাব ও জনজীবন

তল্লাশি অভিযান ও গ্রেপ্তার কর্মসূচির ফলে কিছু এলাকায় মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক ও নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে—বাজার, কর্মস্থল বা চলাচলে ব্যাঘাতের সম্ভাব্যতা নিয়ে কথা ছড়াচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযানকে শান্তিপূর্ণভাবে ও আইনি কাঠামোর মধ্যে রেখে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

সরকারি ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

  • জেলা পর্যায়ে সম্পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রকে রিপোর্ট করা।
  • অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার স্থাপন এবং যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুততর করা।
  • সংগঠিত চক্রের শিকড়ের সন্ধান ও এখতিয়ারভুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।

ভোটার তালিকার এসআইআর চলাকালীন সময়ে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্ক ছড়িয়েছে। সরকারের দাবি—জাতীয় নিরাপত্তার কোনো আপস হবে না; আর পুনরায় বলা হচ্ছে, অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। অন্যদিকে আইনগত স্বচ্ছতা, মানবাধিকার রক্ষা ও যথাযথ যাচাই প্রক্রিয়া বজায় রাখার দাবি করছেও সমালোচক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। ঘটনা ভবিষ্যৎ কালে কী প্রভাব ফেলে, তা সময়ই নির্ধারণ করবে।

বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস, তীব্র যানজট — বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হুমায়ুন কবীর


বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস, তীব্র যানজট — বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হুমায়ুন কবীর

প্রতিবেদন | বিভাগঃ রাজ্য সংবাদ | স্থানঃ বেলডাঙা, মুর্শিদাবাদ

বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শনিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পাশাপাশি চরম নাজেহাল হয়েছেন সাধারণ মানুষ এবং নিত্যযাত্রীরা। অনুষ্ঠানের ভিড়ে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক ১২ নম্বর। পরপর দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, গাড়ি—গড়ে ওঠে দীর্ঘ যানজট। অনেককেই সাত থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত হেঁটে পৌঁছতে হয়েছে নিজের গন্তব্যে।

অবরুদ্ধ ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক, দুর্ভোগ চরমে

স্থানীয় সূত্রে খবর, অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিপুল সংখ্যক মানুষ শহরের মূল রাস্তায় নেমে আসেন। যেখানে অনুষ্ঠানটি হয়, সেই জায়গা থেকে জাতীয় সড়ক খুব একটা দূরে নয়। ফলে প্রবল জনসমাগমে সড়কের উপর চাপ বৃদ্ধি পায় এবং গাড়ি চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। কলকাতামুখী রাস্তায় যানজট সবচেয়ে তীব্র হয়ে ওঠে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে আশঙ্কা।

অন্যদিকে শিলিগুড়িমুখী লেনে অপেক্ষাকৃতভাবে যানজট কিছুটা কম হলেও যানবাহন চলাচলে সমস্যার কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, হঠাৎ এমন পরিস্থিতির ফলে স্কুল ছাত্রছাত্রী, অফিসগামী কর্মী ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও ব্যাপক সমস্যায় পড়ে।

কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া — “ধর্মের মোড়কে রাজনীতি হলে তা ধর্ম থাকে না”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে উত্তাল আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানান যে, কোনও ব্যক্তি বা দল যদি মন্দির, মসজিদ, গির্জা বা উপাসনার স্থাপনা গড়ে তুলতে চান, তার জন্য কাউকে বহিষ্কার বা শাস্তি দেওয়ার প্রশ্ন নেই।

“বাংলায় কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ তাঁদের কোনও জায়গায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা বা তাঁদের ধর্মের কোনও আরাধনা, প্রার্থনার জায়গা করতেই পারেন। তার জন্য তাঁকে বহিস্কার বা তাঁর প্রতি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হতে পারে না। এটা তৃণমূল কংগ্রেস করেনি এবং করবেও না।” — কুণাল ঘোষ

তবে তিনি দাবি করেন, যদি ধর্মীয় আবেগের ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যে মেরুকরণের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়, তবে তা ধর্মীয় কর্মসূচির আওতার বাইরে চলে যায় এবং দল বিরোধী কাজ হিসেবে দেখা হয়।

“যদি কোনও ব্যক্তি অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্তের ফাঁদে পড়ে, প্ররোচিত হয়ে ধর্মের মোড়কে রাজনৈতিক অঙ্কে ভোটের রাজনীতির বিষাক্ত মেরুকরণের মায়াজাল তৈরি করতে চান কিংবা বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন, দলকে বিড়ম্বনায় ফেলেন— তাহলে বিষয়টি ধর্মের মধ্যে থাকে না।” — কুণাল ঘোষ

পাশাপাশি তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস প্রত্যেকের ধর্ম ও অধিকারকে সম্মান করে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সমর্থন করে। ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত গীতাপাঠ কর্মসূচি সম্পর্কেও তিনি মন্তব্য করেন এবং নাম না করে হুমায়ুন কবীরকে কটাক্ষ করে বলেন,

“কেউ যদি বলে অমুক তৈরির জন্য ব্যবস্থা, তা একেবারেই মিথ্যা। মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা আরাধ্য স্থান তৈরির জন্য ব্যবস্থা নেয়নি, নেবে না।” — কুণাল ঘোষ

কর্মসূচি ঘিরে বিতর্ক বাড়ছে

যদিও হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত মালুম হয়নি, কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিষয়টি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ব্যতীত করা হয়েছে বলেই দলের অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। দলের তরফে তাঁকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এই শিলান্যাস রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বিরোধীদের মতে, এ ধরনের ইস্যু অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং এমন আয়োজনের ফলে জনজীবনে প্রভাব পড়বে, সেটাই স্বাভাবিক। তাই যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছাড়া এমন অনুষ্ঠান করা দায়িত্বজ্ঞানহীন।

জানতে চাইছে মানুষ — নিরাপত্তা ব্যবস্থা কোথায়?

ঘটনার পরে বহু মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন, বিপুল ভিড় ও যানজটের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও কেন আগাম ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, হাসপাতালগামী মানুষ ও জরুরি পরিষেবার যান পর্যন্ত আটকে পড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

স্থানীয়দের মতে, জনসমাগমের অনুমতি থাকলেও, ব্যবস্থা জোরদার করা উচিত ছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

উপসংহার

বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সামনে এসে পড়েছে খবরের প্রধান বিষয় হিসেবে। পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল হয় বা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া কী দিকে যায়— তা এখন সময়ই বলবে। আপাতত যানজটে অবরুদ্ধ হওয়া মানুষদের দুর্ভোগের চিত্র সামাজিক-মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog