Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 3 January 2026

সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন

 


🔴 সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন

জমি বিবাদ ঘিরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ, ভাঙচুর পুলিশ গাড়ি—আহত ৫

সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ফের অশান্তি। জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হয়েছেন। হামলায় ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়িও।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত মুসা মোল্লা এবং তাঁর অনুগামীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল। ঘটনার পর ন’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

📌 কী থেকে অশান্তির সূত্রপাত?

মুসা মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকায় অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও শুক্রবার গভীর রাতে ওই জমিতে পাঁচিল তোলার কাজ শুরু করেন মুসা।

খবর পেয়ে রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ রাতেই মুসার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে থানায় যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

⚠️ পুলিশের উপর চড়াও, ইটবৃষ্টি ও ভাঙচুর

পুলিশের দাবি, মুসা ফোন করে তাঁর অনুগামীদের ডেকে আনেন। এরপরই একদল লোক পুলিশের উপর চড়াও হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ধস্তাধস্তির মধ্যে এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হন। আহতদের মিনাখাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

🚨 এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারি

এই ঘটনার পর গোটা সন্দেশখালি জুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর টহল চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আটক ন’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

🔙 পুরনো স্মৃতি উসকে উঠল

উল্লেখ্য, সন্দেশখালির নাম উঠে এসেছিল আগেও। ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি শাহজাহান শেখের বাড়িতে অভিযান চালাতে গিয়ে ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। ইডির দাবি ছিল, প্রায় ৮০০-১০০০ জনের ভিড়ে তাঁদের ঘিরে ধরা হয়। সেই ঘটনায় ইডির তিন আধিকারিক আহত হন।

পরে আদালতে ইডি জানায়, ঘটনার সময় শাহজাহান বাড়ির ভিতরেই ছিলেন এবং ফোন করে লোক জড়ো করেন। হট্টগোলের মাঝেই তিনি পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে শাহজাহান জেলবন্দি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। এমনকি জেলে বসেও সন্দেশখালির বাসিন্দাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ফলে ফের পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠতেই সন্দেশখালিতে নতুন করে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের নজর এখন এই এলাকার পরিস্থিতির দিকে।


শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’

 


🔴 শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’

সরকারি জমি লিজ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল চেয়ারম্যান, উত্তাল এগরা

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জেলায় ফের বড়সড় রাজনৈতিক আলোড়ন। সরকারি জমি বেআইনিভাবে লিজ দেওয়া এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল পরিচালিত এগরা পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন কুমার নায়েক (Chairman of Egra Municipality Arrested)। শুক্রবার কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।

পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানান, “এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও-র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতার। সরকারি জমি অবৈধভাবে লিজ দেওয়ার ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ রয়েছে। ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।”

📌 কী অভিযোগ?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ ডিসেম্বর এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও এগরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, সরকারি মালিকানাধীন ‘খতিয়ান ১’-এর অন্তর্ভুক্ত জমি কোনও সরকারি অনুমোদন ছাড়াই একটি আন-রেজিস্টার্ড ও নথিহীন দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এই বেআইনি লেনদেনের ফলে বিপুল রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় স্বপন নায়েককে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

⚠️ শুধু আইনি নয়, রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ

এই গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। কারণ, কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতৃত্ব স্বপন নায়েককে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ তিনি মানেননি। এরপর দলেরই ছয় কাউন্সিলর তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।

গত ২০ ডিসেম্বর অনাস্থা ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ চেয়ারম্যান পুরসভায় ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাটের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ হয় এবং এগরা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এর জেরে অনাস্থা ভোট স্থগিত হয়ে যায়।

🔥 ফুটন্ত কড়াই এগরার রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় তৃণমূলের অন্দরে দ্বন্দ্ব, অনাস্থা এবং শেষে চেয়ারম্যান গ্রেফতার—সব মিলিয়ে এগরার রাজনীতি এখন কার্যত ফুটন্ত কড়াই। আগামী দিনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে আরও কতটা উত্তাপ ছড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


📲 খবরটি শেয়ার করুন, মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।

Friday, 2 January 2026

ধর্ষণের চেষ্টা! আত্মরক্ষায় কুঠারের কোপ—ধর্ষককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮ বছরের তরুণী




এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশ। ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিহত করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ১৮ বছরের তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার বান্দা জেলার মুরওয়াল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিকেল প্রায় সাড়ে ৩টে নাগাদ একটি বাড়ির ভিতর থেকে ৫০ বছর বয়সি সুখরাজ প্রজাপতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাত ছিল।

স্টেশন হাউস অফিসার (SHO) রাজেন্দ্র সিং রাজাওয়াত জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তরুণীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই রাতেই ১৮ বছরের তরুণীকে গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি, খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র—একটি কুঠারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় তরুণীর দাবি, সুখরাজ জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাঁকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। নিজেকে বাঁচাতেই ঘরে রাখা কুঠার দিয়ে তিনি আঘাত করেন। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় সুখরাজের।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার অভিযুক্ত তরুণীকে আদালতে তোলা হবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।

📌 ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য, আত্মরক্ষার দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি ও সামাজিক বিতর্ক।

শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরই ‘শাহী টনিক’! পুরনো মেজাজে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ

 



অমিত শাহের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পরই ফের চেনা মেজাজে বঙ্গ বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। কয়েক মাস পর বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে হাজির হয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ২০২৬-এর রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। এরপরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন—কোন কথায় দিলীপের ‘মান ভাঙালেন’ শাহ?

শুক্রবার নিউটাউনে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে নিজেই জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ। জানালেন,
👉 “অমিত শাহ আমাকে কাজ করতে বলেছেন। আমি কাজে নেমে পড়েছি।”

দলের সঙ্গে দূরত্বের জল্পনার মাঝেই সস্ত্রীক দিঘার জগন্নাথধামের দ্বারোদ্ঘাটনে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দিলীপ। দলবদলের কানাঘুষোও শোনা গিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে তৃণমূলের কটাক্ষের পালটা দিতে ছাড়েননি তিনি। সাফ বললেন,
👉 “জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদেই ছাব্বিশে বাংলায় বিজেপির সরকার আসবে।”

দল যে দায়িত্ব দেবে, তা একশো শতাংশ দিয়ে পালন করবেন—এ কথাও স্পষ্ট করে দেন দিলীপ। মোদি-শাহের সভায় ডাক না পাওয়া নিয়ে বলেন,
👉 “মাঝে ভোট ছিল না। দল অন্যদের সুযোগ দিয়ে দেখেছে। আজ মনে হয়েছে আমাকে প্রয়োজন, তাই ডেকেছে।”

এদিন পুরনো ভঙ্গিতেই তৃণমূল ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন দিলীপ। মাসব্যাপী কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন,
👉 “ডায়লগ দিয়ে ভোটে জেতা যায় না। সিপিএমও একসময় ভেবেছিল কেউ হারাতে পারবে না—এমনভাবে হারল যে খুঁজেই পাওয়া গেল না।”

📌 ইঙ্গিত স্পষ্ট—২০২৬-এর লড়াইয়ে ফের সক্রিয়, আক্রমণাত্মক দিলীপ ঘোষ।

উদ্যম আধার (Udyam Registration): ছোট ব্যবসার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

 


🔴  ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি তথ্য 🔴

উদ্যম আধার (Udyam Registration): ছোট ব্যবসার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

(জনস্বার্থে প্রচার)

আপনি কি দোকান, ছোট ব্যবসা, সার্ভিস সেন্টার, অনলাইন বিজনেস বা যেকোনো MSME পরিচালনা করেন?
তাহলে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি হল উদ্যম আধার (Udyam Registration)
সরকারি স্বীকৃতি থেকে শুরু করে লোন, ভর্তুকি ও আইনি সুরক্ষা—সবকিছুর চাবিকাঠি এই এক রেজিস্ট্রেশন।


🎯 উদ্যম আধারের মূল উদ্দেশ্য কী?

✔️ ছোট ও মাঝারি ব্যবসাকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া
✔️ MSME ব্যবসার উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা
✔️ সহজে ব্যাংক লোন ও সরকারি সুবিধা পাওয়া
✔️ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা


🏢 উদ্যম আধার কী কী কাজে লাগে?

✔️ MSME সার্টিফিকেট হিসেবে ব্যবহার
✔️ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে
✔️ সরকারি প্রকল্প ও ভর্তুকি (Subsidy) পেতে
✔️ সরকারি টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে
✔️ দেরিতে পেমেন্ট পেলে আইনি সুরক্ষা পেতে
✔️ ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে


📄 উদ্যম আধার করতে কী কী লাগবে?

📌 কোনো কাগজ আপলোড করতে হয় না, শুধু তথ্য দিলেই হবে
✔️ আধার কার্ড (মালিক/প্রোপ্রাইটর)
✔️ PAN কার্ড
✔️ মোবাইল নম্বর (OTP ভেরিফিকেশন)
✔️ ব্যবসার নাম ও ঠিকানা
✔️ ব্যবসার কাজের ধরন (NIC কোড)
✔️ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য


📝 কিভাবে আবেদন করবেন? (সহজ স্টেপ)

1️⃣ সরকারি ওয়েবসাইটে যান: udyamregistration.gov.in
2️⃣ New Registration অপশনে ক্লিক করুন
3️⃣ আধার নম্বর দিন ও OTP দিয়ে ভেরিফাই করুন
4️⃣ PAN নম্বর দিলে অটো ভেরিফিকেশন হবে
5️⃣ ব্যবসার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন
6️⃣ Submit করুন

🎉 সঙ্গে সঙ্গে মিলবে Udyam Registration Certificate


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন

🔹 একবার রেজিস্ট্রেশন করলে লাইফটাইম ভ্যালিড
🔹 আগে Udyog Aadhaar থাকলেও নতুন করে Udyam করতে হবে
🔹 ঘরে বসে বা CSC সেন্টার থেকেও করা যায়
🔹 নতুন ও পুরনো—সব ব্যবসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য


📢 উপসংহার

উদ্যম আধার আপনার ব্যবসাকে দেয়—
✅ সরকারি স্বীকৃতি
✅ আর্থিক সুবিধা
✅ আইনি সুরক্ষা

👉 তাই ব্যবসা থাকলে দেরি না করে আজই Udyam Registration করুন।

✍️ @ Y BANGLA NEWS
📌 জনস্বার্থে প্রচার
👍 লাইক করুন | 💬 কমেন্ট করুন | 🔄 শেয়ার করুন
👉 যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আরও মানুষের কাছে পৌঁছায়

Tuesday, 30 December 2025

বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিক নিধনের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ অধীর চৌধুরী




 Y BANGLA NEWS ব্যুরো:

বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে লাগাতার অত্যাচারের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অধীর।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ঠিক যে সময়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় অনুপ্রবেশ রোধ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন, সেই সময়েই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। বৈঠকে অধীর মোদীর সামনে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি তুলে ধরেন।

লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার কারণেই বহু পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে হেনস্তা, মারধর এমনকী হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেই এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে।

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া একটি আর্জিপত্রে অধীর চৌধুরী ওড়িশার সম্বলপুরের একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। সেখানে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুয়েল শেখ নামে এক যুবককে বাংলাদেশি সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। গত ২৪ ডিসেম্বর ওই ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় মুর্শিদাবাদের আরও দুই যুবক মারধরের শিকার হন, যদিও তাঁরা কোনওরকমে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন।

অধীর চিঠিতে লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছেন এবং খেটে খাওয়ার অধিকার তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু বাংলাভাষী হওয়ার কারণেই তাঁদের নির্দিষ্ট করে নিশানা করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাভাষী নাগরিক ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করা অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে অধীর চৌধুরীর আবেদন, দেশের সব রাজ্য সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হোক, যাতে কোনও নিরীহ পরিযায়ী শ্রমিক ভাষার কারণে হেনস্তা বা সহিংসতার শিকার না হন। তাঁর মতে, এই ধরনের ঘটনা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘনই নয়, দেশের সংবিধান ও বহুত্ববাদী চরিত্রেরও পরিপন্থী।

🔴 ২০২৬ সালেই ফের ভারত–পাক সংঘাত? কাশ্মীর ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্কের

 📲 ডিজিটাল নিউজ | Y BANGLA NEWS




Y BANGLA NEWS ব্যুরো:
২০২৬ সালেই ফের ভারত–পাকিস্তান সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না মার্কিন বিদেশনীতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (CFR)। কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে ফের উত্তেজনা ছড়াতে পারে বলে তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

🗂️ ‘Conflicts to Watch in 2026’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা নতুন করে সামরিক সংঘর্ষের জন্ম দিতে পারে। এই সম্ভাবনাকে সিএফআর ‘মাঝারি মাত্রার ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগামী বছরেও অস্থির থাকার সম্ভাবনা প্রবল।


⚔️ অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ নয়, স্পষ্ট বার্তা ভারতের

উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের তরফে আগেই জানানো হয়েছে যে ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি
গত মাসে দিল্লির লালকেল্লার অদূরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী স্পষ্ট করে বলেন—

“প্রয়োজনে ‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’-এর পথে হাঁটতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। অপারেশন সিঁদুর-১ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের যে কোনও অভিযানে সেনাকে আরও শক্তিশালী করবে।”


💥 পহেলগাম হামলা ও ভারতের প্রত্যাঘাত

📌 ২২ এপ্রিল, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
ভারতের কাছে ওই হামলায় পাকিস্তানের যোগসাজশের অকাট্য প্রমাণ আসে বলে দাবি করা হয়।

➡️ ঘটনার ১৫ দিনের মাথায় ভারত শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’
➡️ ৬ মে গভীর রাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ৯টি জঙ্গিঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী।

পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী,
🚀 ভারত কমপক্ষে ২৪টি মিসাইল ছোড়ে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে।


🚨 চার দিনের যুদ্ধ-উত্তেজনা, তারপর সংঘর্ষবিরতি

এর পর টানা চার দিন সীমান্তে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টা জবাবে ভারত পাকিস্তানের একাধিক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে আঘাত হানে

📅 ১০ মে শেষ পর্যন্ত দুই দেশ সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর মধ্যস্থতাতেই নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ সংঘর্ষবিরতিতে পৌঁছয়।


🔎 ২০২৬ নিয়েই কেন বাড়ছে আশঙ্কা?

সব মিলিয়ে—
🔺 কাশ্মীরের অস্থির পরিস্থিতি
🔺 সাম্প্রতিক সামরিক অভিজ্ঞতা
🔺 অপারেশন সিঁদুর এখনও চালু থাকার ইঙ্গিত

এই সমস্ত কিছুর নিরিখেই ২০২৬ সালেও ভারত–পাক সম্পর্ক অগ্নিগর্ভ থাকতে পারে, এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে সিএফআর-এর রিপোর্ট।


📌 আপডেট পেতে চোখ রাখুন Y BANGLA NEWS-এ
👍 লাইক | 🔁 শেয়ার | 💬 মতামত জানান

এখন অনলাইনে রেশন কার্ড ফ্যামিলি স্প্লিট

 


📌 বড় সুখবর! এখন অনলাইনে রেশন কার্ড ফ্যামিলি স্প্লিট 🔥

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য দপ্তর চালু করল রেশন কার্ড Family Split (Form-13) অনলাইন পরিষেবা
এখন থেকে পরিবারের রেশন কার্ড আলাদা করতে আর অফিসে দৌড়ঝাঁপের দরকার নেই—সব হবে ঘরে বসেই অনলাইনে।


📰 বাংলা নিউজ আপডেট

Form-13 চালু | দালাল ছাড়াই আবেদন | সম্পূর্ণ অনলাইন পরিষেবা

রাজ্য সরকারের খাদ্য দপ্তরের উদ্যোগে রেশন কার্ডের ফ্যামিলি স্প্লিট পরিষেবা পুরোপুরি অনলাইনে চালু হয়েছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই সহজে আলাদা রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে।


✅ রেশন কার্ড ফ্যামিলি আলাদা করার অনলাইন পদ্ধতি (West Bengal)

🔹 ধাপ–১

গুগলে যান 👉 food.wb.gov.in

🔹 ধাপ–২

👉 Citizen’s Home এ ক্লিক করুন
👉 Ration Card Related Corner নির্বাচন করুন

🔹 ধাপ–৩

👉 Apply Online অপশনে ক্লিক করুন

🔹 ধাপ–৪

👉 Login through Aadhaar নির্বাচন করুন
✔️ পরিবারের যেকোনো একজন সদস্যের আধার নম্বর দিন
✔️ OTP দিয়ে লগইন করুন


🔹 ধাপ–৫ : Form-13 নির্বাচন

👉 Service Type অপশনে
➡️ Splitting of Family (Form-13) সিলেক্ট করুন

📌 স্ক্রিনে বার্তা দেখাবে—
Splitting is allowed only for families with seven (7) or more members


🔹 ধাপ–৬ : গুরুত্বপূর্ণ শর্ত

AAY রেশন কার্ডে Family Split করা যাবে না
✅ পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৭ জন বা তার বেশি হতে হবে


🔹 ধাপ–৭ : Aadhaar Verification

👉 পরিবারের একজন সদস্যের আধার নম্বর দিন
👉 OTP দিয়ে ভেরিফাই করুন


🔹 ধাপ–৮ : Family Members নির্বাচন

👉 বর্তমান পরিবারের সদস্যদের তালিকা দেখাবে
👉 যাদের আলাদা রেশন কার্ড করতে চান, তাঁদের নির্বাচন করুন

ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া—
1️⃣ Family Members
2️⃣ Select Beneficiaries
3️⃣ Aadhaar Verification
4️⃣ Upload Documents


🔹 ধাপ–৯ : ডকুমেন্ট আপলোড

প্রয়োজন অনুযায়ী—
✔️ আধার কার্ড
✔️ জন্মতারিখ / সম্পর্কের প্রমাণ
✔️ ঠিকানার প্রমাণ (যদি চাওয়া হয়)


🔹 ধাপ–১০ : Final Submit

👉 সব তথ্য ঠিক থাকলে Submit করুন
📌 একটি Acknowledgement / Reference Number পাবেন
👉 ভবিষ্যতে স্ট্যাটাস চেকের জন্য এটি সংরক্ষণ করুন


📌 অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

✔️ সম্পূর্ণ সরকারি ওয়েবসাইট
✔️ কোনো ফি লাগে না
✔️ দালাল বা এজেন্টের প্রয়োজন নেই
✔️ আবেদন অনুমোদনের পর নতুন আলাদা রেশন কার্ড ইস্যু হবে
✔️ আনুমানিক সময়: ১৫–৩০ দিন


👉 তথ্যটি উপকারী হলে
👍 LIKE করুন | 💬 COMMENT করুন | 🔁 SHARE করুন
যাতে আরও মানুষ সঠিক তথ্য জানতে পারেন 🙏

সীমান্ত, অনুপ্রবেশ ও ভোটার তালিকা নিয়ে অমিত শাহকে তীব্র পাল্টা মমতার

 


শিরোনাম: সীমান্ত, অনুপ্রবেশ ও ভোটার তালিকা নিয়ে অমিত শাহকে তীব্র পাল্টা মমতার

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর জন্য রাজ্য সরকার বিএসএফ-কে জমি দিচ্ছে না— কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার বড়জোড়া বিধানসভা এলাকায় জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্য যদি জমিই না দিত, তা হলে রেললাইন বা কয়লা প্রকল্পগুলো হল কীভাবে?”

এদিন দুপুরে হাওড়ার ডুমুরজলা থেকে হেলিকপ্টারে বাঁকুড়ায় পৌঁছে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সভামঞ্চ থেকেই শাহের নাম না করে কড়া বার্তা দেন তিনি। মমতার কটাক্ষ, “আমরা চাইলে আপনাকে এক পা-ও বেরোতে দিতাম না।”

এর আগে মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে অমিত শাহ বলেছিলেন, বাংলার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ শুধু রাজ্যের নয়, দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন। তিনি দাবি করেন, শক্ত সরকার এলেই অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব।

এই বক্তব্যের জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শুধু বাংলাতেই অনুপ্রবেশ হয়? কাশ্মীরে হয় না?” একই সঙ্গে পহেলগামে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, “পহেলগামে কী ঘটেছিল, তখন আপনারা কী করছিলেন?”

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে প্রায় ৫৪ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দফতরের মধ্যেই বিজেপির আইটি সেলের কর্মীরা বসে কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মমতার বক্তব্য, নামের ইংরেজি বানানে সামান্য অমিল থাকলেই ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে।

এদিন রাজ্য সফরে এসে অমিত শাহ ‘স্বপ্নের বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তার পাল্টা জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “ভোট এলেই ওরা সোনার বাংলা গড়ার কথা বলে। কিন্তু সোনার বাংলা নয়, ওরা ধ্বংসের বাংলা গড়তে চায়।”

পাশাপাশি বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলাভাষীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলায় কথা বললেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এই ধরনের আচরণ শুধু বাংলার মানুষের প্রতি অবমাননাই নয়, দেশের সংবিধান ও বহুত্ববাদী চরিত্রেরও পরিপন্থী।

অমিত শাহের বঙ্গ সফরেও অটুট আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, বৈঠক থেকে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ



অমিত শাহের বঙ্গ সফরেও অটুট আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, বৈঠক থেকে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তিনদিনের বঙ্গ সফরেও রাজ্য বিজেপির আদি-নব্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোমবার রাত আটটা নাগাদ সল্টলেকের বিজেপি পার্টি অফিসে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেন শাহ। কিন্তু কোর কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার কোর কমিটি ও রাজ্য পদাধিকারীদের বৈঠকেও ডাক পাননি তিনি।

দলীয় সূত্রে অভিযোগ, শাহর এই রাজ্য সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বহু পুরনো ও আদি নেতাদের ডাকা হয়নি। একই সঙ্গে নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণাও হয়নি। ফলে দলের ক্ষমতাসীন ‘নব্য’ শিবিরের নেতারাই কার্যত শাহকে ঘিরে রাখছেন বলে বিজেপির অন্দরের একাংশের মত। বিক্ষুব্ধ ও ব্রাত্য আদি নেতাদের সিংহভাগকেই বৈঠকের বাইরে রাখা হয়েছে। শাহর সামনে যাতে সংগঠন নিয়ে কোনও ক্ষোভ বা অভিযোগ উঠে না আসে, সে কারণেই সায়েন্স সিটি থেকে শুরু করে হোটেলের বৈঠক—সব জায়গাতেই বাছাই করা নেতাদের উপস্থিত রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

একদিকে গোষ্ঠীকোন্দল, অন্যদিকে সাংগঠনিক দুর্বলতা—এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহ রাজ্য নেতৃত্বকে কী বার্তা দেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। কারণ, বাংলায় বিজেপির আদি-নব্য দ্বন্দ্ব নিয়ে যে শাহ নিজেও ওয়াকিবহাল, তা দলের অন্দরেই স্বীকার করা হয়।

রাজ্যে পৌঁছেই সোমবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একটি ছবি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি লেখেন,
“পশ্চিমবঙ্গ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তিনদিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে কর্মী-সমর্থকদের ভালবাসায় অভিভূত।”

একই পোস্টে তিনি জানান, মঙ্গলবার কোর গ্রুপের বৈঠকে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক, পাশাপাশি কলকাতার দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি।

সোমবার রাতে কলকাতায় পা রেখেই বঙ্গ বিজেপির সংগঠনের হাল নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সল্টলেক পার্টি অফিসে রাজ্য পদাধিকারী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সঙ্গে দু’দফায় বৈঠক করেন তিনি। সেখানে উঠে আসে সংগঠনের দুর্বলতার চিত্র—প্রায় ৪০ শতাংশ বুথে এখনও কমিটি হয়নি। জেলায় জেলায় আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ও গোষ্ঠীকোন্দলও অব্যাহত।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেই শাহ বৈঠক থেকে বুথস্তরে জনসংযোগ বাড়ানো এবং সংঘবদ্ধভাবে মাঠে নামার বার্তা দেন। মতুয়া ভোট, এসআইআর বিতর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে শান্তনু ঠাকুরকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পথসভা, জনসভা ও রথযাত্রার প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর।

রাতের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার সহ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। রাজ্য নেতারা সংগঠনের প্রস্তুতি, প্রচারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন শাহের সামনে। বৈঠকে শাহ আশাবাদী কণ্ঠে জানান, “সরকার গঠন হচ্ছেই।” একই সঙ্গে প্রচারে কোন কোন বিষয়কে সামনে আনতে হবে, তার দিকনির্দেশও দেন তিনি। অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতির পাশাপাশি শিল্প, কৃষি, সড়ক পরিবহণ, মহিলাদের ক্ষমতায়নের মতো বিকল্প উন্নয়ন মডেল তুলে ধরার কথা বলেন শাহ।

এদিকে ভোটের আগে অমিত শাহের বাংলা সফর নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন,
“নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহদের যাতায়াত নতুন নয়। ভোট এলেই ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করেন। কিন্তু নিট রেজাল্ট বাংলার মানুষই দেবে—বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করবে।”

কুণাল ঘোষের ব্যাখ্যা,
“১) বাংলার প্রতি আর্থিক বৈষম্য, ২) বাংলাকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ৩) বাংলা ভাষাকে অপমান, ৪) বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান, ৫) বাংলাভাষীদের বাংলাদেশি বলে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা—এই সব কিছুর ফলেই বঙ্গবিরোধী বিজেপি প্রত্যাখ্যাত হবে।”

তাঁর কটাক্ষ,
“ওঁদের দলের অর্ধেক সংগঠনই নেই। ৩-৪টে গ্রুপে ভাগ হয়ে আছে। মানুষ কেন তাদের উপর আস্থা রাখবে?”
আরও ব্যঙ্গ করে কুণাল বলেন,
“বিজেপির আবার বাংলায় রণকৌশল কী? নেতারা আসবে, ঘুরবে, হোটেলে খরচা করবে, আর ভোটে হারবে।”

সূত্রের খবর, নির্বাচনী কৌশল ছাড়াও প্রচারের অভিমুখ কী হবে, তার প্রাথমিক দিকনির্দেশ শাহ দিয়ে যাবেন। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে এসআইআর ও সিএএ নিয়ে তিনি কী বলেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ভোটার তালিকা থেকে মতুয়াদের বড় অংশের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা বিজেপিকে চাপে ফেলেছে। মতুয়া ঠাকুরবাড়ির দুই ভাই—বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ও বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের ভূমিকা ও বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এই অবস্থায় মতুয়া ভোট ধরে রাখতে নাগরিকত্ব ইস্যুতে বিশেষ বার্তা দিতে পারেন শাহ।

মঙ্গলবার মধ্যাহ্নভোজনের পর হোটেলে নির্দিষ্ট কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক, বিকেলে সংঘের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং বুধবার সায়েন্স সিটিতে কলকাতা মহানগরীর মণ্ডল, জোন, জেলা ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বদের নিয়ে সভা করবেন অমিত শাহ। তার আগে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে যাওয়ারও কর্মসূচি রয়েছে।

সব মিলিয়ে শাহর সফর ঘিরে একদিকে সাংগঠনিক বার্তা, অন্যদিকে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক তরজা—উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog