Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 4 January 2026

নাকে অক্সিজেনের নল নিয়েই হাজিরা, জয়নগরের বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু—পরিবারের অভিযোগ

 


SIR শুনানিতে আতঙ্ক!

নাকে অক্সিজেনের নল নিয়েই হাজিরা, জয়নগরের বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু—পরিবারের অভিযোগ

ব্যুরো রিপোর্ট: রাজ্যে SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ার জন্য এনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে শুনানি-পর্ব। কিন্তু এই শুনানিকে কেন্দ্র করেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর অভিযোগ উঠে আসছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর।

জয়নগরের ৬৮ বছর বয়সী নাজিতুল মোল্লার মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের নাম না পাওয়ার দুশ্চিন্তাই তাঁর মৃত্যুর কারণ


🏠 কে ছিলেন নাজিতুল মোল্লা?

নাজিতুল মোল্লা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের গড়দেওয়ানি পঞ্চায়েতের উত্তর ঠাকুরের চক এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের নাম না থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরেই চরম মানসিক চাপে ভুগছিলেন।


🏥 অসুস্থতা থেকে শুনানি, তারপর মৃত্যু

  • ২০ ডিসেম্বর: অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে ডায়মন্ড হারবারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

  • শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়

  • ৩১ ডিসেম্বর: SIR শুনানির জন্য নোটিস আসে

  • পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের বন্ডে স্বাক্ষর করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন

  • নাকে অক্সিজেনের নল লাগানো অবস্থাতেই তিনি শুনানিকেন্দ্রে হাজির হন

শুনানি শেষে বাড়ি ফেরার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।
২ জানুয়ারি তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


⚠️ পরিবারের অভিযোগ

পরিবারের বক্তব্য,

“SIR-এর শুরু থেকেই নাজিতুল আতঙ্কে ছিলেন। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। এই মানসিক চাপই তাঁর মৃত্যুর কারণ।”


🗣️ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

জয়নগরের তৃণমূল নেতা শাহাবুদ্দিন শেখ বলেন,

“নির্বাচন কমিশনের SIR নামক ষড়যন্ত্রের কারণে বাংলার একের পর এক মানুষের প্রাণ চলে যাচ্ছে। এর দায় নির্বাচন কমিশন ও BJP-কেই নিতে হবে।”

তবে এই বিষয়ে স্থানীয় BJP নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি


📌 SIR শুনানি ঘিরে আতঙ্ক আর কত প্রাণ নেবে? উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।

ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার নাটকীয় পালাবদল

 


ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার নাটকীয় পালাবদল

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেন দেলসি রদ্রিগেজ

ব্যুরো রিপোর্ট: ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চরম নাটকীয় মোড়। দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকান সেনা আটক করেছে বলে দাবি। তাঁদের নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দেশটির ক্ষমতার ভার সাময়িকভাবে বদলে যায়।

এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন দেলসি রদ্রিগেজ। আপাতত তিনিই দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব সামলাবেন। পরবর্তী পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে এখন গোটা বিশ্বের নজর ভেনেজুয়েলার দিকে।


⚖️ আদালতের নির্দেশে ক্ষমতা হস্তান্তর

ভেনেজুয়েলার আদালতের সাম্প্রতিক এক রায়ে জানানো হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেলসি রদ্রিগেজকে ‘বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা’-র রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার দেওয়া হচ্ছে।

আদালত জানায়, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ‘বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি’ (Forced Absence)-র কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কাজকর্ম যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য একটি উপযুক্ত আইনি কাঠামো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।


🌍 বিশ্বজুড়ে নজর

দেশের প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক অখণ্ডতা এবং সরকারি শাসনব্যবস্থা সচল রাখাই এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলেও এই ঘটনা ঘিরে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।


👤 কে এই দেলসি রদ্রিগেজ?

  • বয়স: ৫৬

  • জন্ম: ১৮ মে, ১৯৬৯, কারাকাস

  • শিক্ষা: সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব ভেনেজুয়েলা (আইন)

  • পিতা: জর্জ অ্যান্টোনিও রদ্রিগেজ, বিপ্লবী লিগা সোশালিস্টা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

🏛️ রাজনৈতিক কেরিয়ার

  • ২০১৩–১৪: কমিউনিকেশন ও ইনফরমেশন মন্ত্রী

  • ২০১৪–১৭: বিদেশমন্ত্রী

  • ২০১৭: প্রো-সরকারি সংবিধান সভার প্রধান

  • ২০১৮: ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ

  • ২০২৪: তেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা ও দেশের তেল শিল্প রক্ষা ছিল তাঁর অন্যতম বড় দায়িত্ব। বর্তমানে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রধান অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ হিসেবেও কাজ করছেন।


🗣️ মাদুরোই বৈধ প্রেসিডেন্ট—দাবি রদ্রিগেজের

সম্প্রতি দেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নিকোলাস মাদুরোই এখনও ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপতি। তাঁর কথায়,

“এই দেশে শুধুমাত্র একজন প্রেসিডেন্ট আছেন, এবং তাঁর নাম নিকোলাস মাদুরো মোরোস।”

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাদুরো ও সিলিয়া ফ্লোরেসের ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ প্রকাশেরও আহ্বান জানিয়েছেন।


📌 পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা জানতে চোখ রাখুন আমাদের ডিজিটাল নিউজ আপডেটে।

Saturday, 3 January 2026

রোল-পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিয়ে কড়া অবস্থান জাতীয় নির্বাচন কমিশনের


রাজ্য পুলিশের ডিজিকে রিপোর্ট তলব, প্রতিলিপি গেল মুখ্যসচিবের কাছেও ।            ✍🏻
ডিজিটাল ডেস্ক:
রোল-পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিয়ে এবার স্পষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত আধিকারিকদের সুরক্ষা প্রশ্নে কড়া বার্তা দিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে লিখিত নির্দেশ পাঠাল কমিশন। শনিবার পাঠানো ওই চিঠিতে কমিশনের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের নিরাপত্তা রূপরেখা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং অতীতে রোল-পর্যবেক্ষকদের উপর হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট।

এই চিঠির প্রতিলিপি রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে বিষয়টি যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে, তা স্পষ্ট।

অতীতের ঘটনার প্রেক্ষিতেই কমিশনের উদ্বেগ
নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, অতীতে একাধিকবার স্থানীয় স্তরে রোল-পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের কাজ বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রোল-পর্যবেক্ষক সি মুরুগানের সফরের সময়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় উত্তেজনা, হামলার অভিযোগ
কয়েক দিন আগে এসআইআর (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন)-এর কাজ খতিয়ে দেখতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় যান রোল-পর্যবেক্ষক সি মুরুগান। অভিযোগ, সেখানে শুধু বিক্ষোভই হয়নি, তাঁর গাড়িতেও হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত পুলিশি বন্দোবস্ত ছিল না বলেও অভিযোগ ওঠে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—পর্যবেক্ষণের আগাম সূচি সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এবং এসডিও অফিসকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল ঢিলেঢালা। এই গাফিলতিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন।
শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ
ঘটনার পর উঠে এসেছে আরও গুরুতর অভিযোগ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্থানীয় শাসক দলের প্রতিনিধিরা এই বিক্ষোভ এবং বাধাদানে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

ডিজিকে কী জানতে চাইল কমিশন
নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে মূলত তিনটি বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছে—
রোল-পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে
অতীতে রোল-পর্যবেক্ষকদের উপর হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে কী অতিরিক্ত পদক্ষেপ করা হবে
নির্বাচন প্রক্রিয়া সুরক্ষায় কড়া বার্তা
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটার তালিকা সংশোধন ও পর্যবেক্ষণ নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই কাজে নিযুক্ত আধিকারিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থাই প্রশ্নের মুখে পড়ে। সেই কারণেই রাজ্য প্রশাসনের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
এখন নজর ডিজির রিপোর্টের দিকে—রাজ্য পুলিশ কী ব্যাখ্যা দেয় এবং কমিশন পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।

ছাব্বিশের আগে কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন কোতওয়ালি পরিবারের, তৃণমূল ছেড়ে পুরনো দলে ফিরলেন মৌসম নূর

 


মালদহে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় বদল

২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে ফের একজোট হল মালদহের প্রভাবশালী কোতওয়ালি পরিবার। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আবার কংগ্রেসের ঝান্ডা ধরলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। শনিবার দিল্লিতে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দপ্তরে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগদান করেন তিনি।

সদ্য দায়িত্ব পেয়েই দলত্যাগ

উল্লেখযোগ্য ভাবে, মাত্র তিন দিন আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মালদহের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মৌসম নূরকে। কিন্তু সেই দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি পুরনো দলে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কংগ্রেসে যোগ দিয়ে কী বললেন মৌসম

দলে যোগ দেওয়ার পর মৌসম নূর বলেন,

“কংগ্রেসকে ধন্যবাদ, আমাকে আবার গ্রহণ করার জন্য। আমরা কংগ্রেস পরিবার। কয়েক বছর তৃণমূলে ছিলাম, অনেক সুযোগ পেয়েছি কাজ করার। মমতা দিদিকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি। সোমবার রাজ্যসভা থেকেও ইস্তফা দেব। পরিবারগত ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি একসঙ্গে কাজ করব। দল যে দায়িত্ব দেবে, তা পালন করব। সেক্যুলারিজম, ডেভেলপমেন্ট আর শান্তিই কংগ্রেসের মূল দর্শন—সেই পথেই কাজ করব।”

কেন এই দলবদল?

তৃণমূল ছাড়ার পিছনে মোহভঙ্গের প্রশ্ন উঠলেও মৌসম নূরের বক্তব্য স্পষ্ট—এটি ব্যক্তিগত নয়, সম্পূর্ণ পারিবারিক সিদ্ধান্ত। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক আদর্শ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মিলিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক অতীত

মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ২০০৯ সালে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন মৌসম নূর। ২০১৪ সালেও ‘হাত’ প্রতীকে জিতে সংসদে পৌঁছন তিনি।
তবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করে পরাজিত হন মৌসম। ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট ভাগাভাগির সুযোগে জয় পান বিজেপির খগেন মুর্মু।

রাজ্যসভা ও টিকিট না-পাওয়ার অধ্যায়

লোকসভায় পরাজয়ের পরে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মৌসম নূরকে রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত করা হয়। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর প্রার্থী করা হয়নি। এমনকি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটেও তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত টিকিট মেলেনি।

ছাব্বিশের আগে কংগ্রেসের আশা

মৌসম নূরের প্রত্যাবর্তনে মালদহে কংগ্রেসের সংগঠন নতুন করে শক্তি পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ছাব্বিশের আগে এই দলবদল রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।

অর্থনৈতিক সংকট, নারী স্বাধীনতা ও নীতিপুলিশের বিরুদ্ধে ইরানে ফের গণবিক্ষোভ। ইতিহাস কি নতুন মোড় নিচ্ছে?

 


মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে পথে ইরান, ফের ইতিহাসের মোড় ঘোরার ইঙ্গিত?

🔴 কী ঘটছে ইরানে

সাড়ে চার দশক পর ফের অগ্নিগর্ভ ইরান। যে তেহরানের রাজপথে এক সময় রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল জনতা, এ বার সেই রাস্তাতেই ইসলামিক শাসনের বিরুদ্ধেই নেমেছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। বিক্ষোভকারীদের স্লোগান— ‘মোল্লাতন্ত্র নিপাত যাক’

🔴 আন্দোলনের শুরু ও বিস্তার

২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরান থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আলবোর্জ, কারমানশাহ, মারকাজ়, এসফাহান, হামেদান-সহ একাধিক প্রদেশে। প্রথমে বাজারের ব্যবসায়ীরা আন্দোলনের সূচনা করলেও পরে তাতে যোগ দেন পড়ুয়ারা ও সাধারণ মানুষ।

🔴 ক্ষোভের মূল কারণ কী

ডলারের তুলনায় রিয়ালের মূল্য ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে হু হু করে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ,

  • পকেটে টাকা নেই

  • ঘরে খাবার নেই

  • পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব

এই পরিস্থিতির জন্য দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকেই দায়ী করছেন সাধারণ মানুষ।

🔴 সংঘর্ষে প্রাণহানি

গত কয়েক দিনের বিক্ষোভে অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে এক জন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলছে।

🔴 ২০২২-এর আন্দোলনের স্মৃতি

২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে হিজাব-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল ইরান। সেই সময় সংঘর্ষে পাঁচশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল বলে দাবি। তিন বছর পর ফের পথে নামলেন সাধারণ মানুষ, যদিও এ বার মূল কারণ মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব ও জলসংকট।

🔴 যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাব

গত বছর ইজরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষ এবং তার পর আমেরিকার মদতে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। যুদ্ধ থামলেও আর্থিক সঙ্কট কাটেনি।

🔴 আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা

এই আন্দোলনে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নজর কেড়েছে। নারী স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে সরকারের কড়া অবস্থানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এ বার প্রকাশ্যে এসেছে।

অনেক মহিলা বিক্ষোভকারী ইসলামিক বিপ্লবের আগের ইরানের কথা তুলে ধরছেন, যখন হিজাব ছিল ব্যক্তিগত পছন্দ, বাধ্যবাধকতা নয়।

🔴 নীতিপুলিশ ও বিতর্ক

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পরে বাধ্যতামূলক হয় হিজাব। পোশাকবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য তৈরি করা হয় নীতিপুলিশ গস্ত-এ-এরশাদ। মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে এই বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও বাস্তবে নীতিপুলিশি ব্যবস্থার অবসান হয়নি বলেই অভিযোগ।

🔴 পাহলভি রাজতন্ত্র ফিরছে?

বিক্ষোভকারীদের স্লোগানে এখন শোনা যাচ্ছে— ‘একনায়কের মৃত্যু’, ‘খামেনেইয়ের পতন চাই’। ফলে ফের আলোচনায় এসেছে পাহলভি বংশের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা। রেজা শাহ পাহলভির পুত্র রেজা পাহলভি বর্তমানে আমেরিকায় রয়েছেন এবং নিজেকে ইরানের বৈধ শাসক বলে দাবি করেন।

🔴 আন্তর্জাতিক চাপ

এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার তরফে হুঁশিয়ারি এসেছে— শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমন করা হলে ওয়াশিংটন নীরব থাকবে না। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরানও। ফলে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন

 


🔴 সন্দেশখালিতে ফের অশান্তির আগুন

জমি বিবাদ ঘিরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ, ভাঙচুর পুলিশ গাড়ি—আহত ৫

সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ফের অশান্তি। জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হয়েছেন। হামলায় ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়িও।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত মুসা মোল্লা এবং তাঁর অনুগামীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল। ঘটনার পর ন’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

📌 কী থেকে অশান্তির সূত্রপাত?

মুসা মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকায় অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও শুক্রবার গভীর রাতে ওই জমিতে পাঁচিল তোলার কাজ শুরু করেন মুসা।

খবর পেয়ে রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ রাতেই মুসার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে থানায় যাওয়ার নির্দেশ দেয়। তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

⚠️ পুলিশের উপর চড়াও, ইটবৃষ্টি ও ভাঙচুর

পুলিশের দাবি, মুসা ফোন করে তাঁর অনুগামীদের ডেকে আনেন। এরপরই একদল লোক পুলিশের উপর চড়াও হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ধস্তাধস্তির মধ্যে এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হন। আহতদের মিনাখাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

🚨 এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারি

এই ঘটনার পর গোটা সন্দেশখালি জুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর টহল চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। আটক ন’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

🔙 পুরনো স্মৃতি উসকে উঠল

উল্লেখ্য, সন্দেশখালির নাম উঠে এসেছিল আগেও। ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি শাহজাহান শেখের বাড়িতে অভিযান চালাতে গিয়ে ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। ইডির দাবি ছিল, প্রায় ৮০০-১০০০ জনের ভিড়ে তাঁদের ঘিরে ধরা হয়। সেই ঘটনায় ইডির তিন আধিকারিক আহত হন।

পরে আদালতে ইডি জানায়, ঘটনার সময় শাহজাহান বাড়ির ভিতরেই ছিলেন এবং ফোন করে লোক জড়ো করেন। হট্টগোলের মাঝেই তিনি পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে শাহজাহান জেলবন্দি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। এমনকি জেলে বসেও সন্দেশখালির বাসিন্দাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ফলে ফের পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠতেই সন্দেশখালিতে নতুন করে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের নজর এখন এই এলাকার পরিস্থিতির দিকে।


শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’

 


🔴 শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় রাজনৈতিক ‘ভূমিকম্প’

সরকারি জমি লিজ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল চেয়ারম্যান, উত্তাল এগরা

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জেলায় ফের বড়সড় রাজনৈতিক আলোড়ন। সরকারি জমি বেআইনিভাবে লিজ দেওয়া এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল পরিচালিত এগরা পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন কুমার নায়েক (Chairman of Egra Municipality Arrested)। শুক্রবার কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।

পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানান, “এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও-র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতার। সরকারি জমি অবৈধভাবে লিজ দেওয়ার ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ রয়েছে। ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।”

📌 কী অভিযোগ?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ ডিসেম্বর এগরা-১ ব্লকের বিএলআরও এগরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, সরকারি মালিকানাধীন ‘খতিয়ান ১’-এর অন্তর্ভুক্ত জমি কোনও সরকারি অনুমোদন ছাড়াই একটি আন-রেজিস্টার্ড ও নথিহীন দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এই বেআইনি লেনদেনের ফলে বিপুল রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় স্বপন নায়েককে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

⚠️ শুধু আইনি নয়, রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ

এই গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। কারণ, কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতৃত্ব স্বপন নায়েককে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ তিনি মানেননি। এরপর দলেরই ছয় কাউন্সিলর তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।

গত ২০ ডিসেম্বর অনাস্থা ভোট হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ চেয়ারম্যান পুরসভায় ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাটের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ হয় এবং এগরা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এর জেরে অনাস্থা ভোট স্থগিত হয়ে যায়।

🔥 ফুটন্ত কড়াই এগরার রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় তৃণমূলের অন্দরে দ্বন্দ্ব, অনাস্থা এবং শেষে চেয়ারম্যান গ্রেফতার—সব মিলিয়ে এগরার রাজনীতি এখন কার্যত ফুটন্ত কড়াই। আগামী দিনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে আরও কতটা উত্তাপ ছড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


📲 খবরটি শেয়ার করুন, মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।

Friday, 2 January 2026

ধর্ষণের চেষ্টা! আত্মরক্ষায় কুঠারের কোপ—ধর্ষককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮ বছরের তরুণী




এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশ। ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিহত করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ১৮ বছরের তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার বান্দা জেলার মুরওয়াল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিকেল প্রায় সাড়ে ৩টে নাগাদ একটি বাড়ির ভিতর থেকে ৫০ বছর বয়সি সুখরাজ প্রজাপতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাত ছিল।

স্টেশন হাউস অফিসার (SHO) রাজেন্দ্র সিং রাজাওয়াত জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তরুণীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই রাতেই ১৮ বছরের তরুণীকে গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি, খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র—একটি কুঠারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় তরুণীর দাবি, সুখরাজ জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাঁকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। নিজেকে বাঁচাতেই ঘরে রাখা কুঠার দিয়ে তিনি আঘাত করেন। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় সুখরাজের।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার অভিযুক্ত তরুণীকে আদালতে তোলা হবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।

📌 ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য, আত্মরক্ষার দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি ও সামাজিক বিতর্ক।

শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরই ‘শাহী টনিক’! পুরনো মেজাজে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ

 



অমিত শাহের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পরই ফের চেনা মেজাজে বঙ্গ বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। কয়েক মাস পর বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে হাজির হয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ২০২৬-এর রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। এরপরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন—কোন কথায় দিলীপের ‘মান ভাঙালেন’ শাহ?

শুক্রবার নিউটাউনে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে নিজেই জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ। জানালেন,
👉 “অমিত শাহ আমাকে কাজ করতে বলেছেন। আমি কাজে নেমে পড়েছি।”

দলের সঙ্গে দূরত্বের জল্পনার মাঝেই সস্ত্রীক দিঘার জগন্নাথধামের দ্বারোদ্ঘাটনে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দিলীপ। দলবদলের কানাঘুষোও শোনা গিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে তৃণমূলের কটাক্ষের পালটা দিতে ছাড়েননি তিনি। সাফ বললেন,
👉 “জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদেই ছাব্বিশে বাংলায় বিজেপির সরকার আসবে।”

দল যে দায়িত্ব দেবে, তা একশো শতাংশ দিয়ে পালন করবেন—এ কথাও স্পষ্ট করে দেন দিলীপ। মোদি-শাহের সভায় ডাক না পাওয়া নিয়ে বলেন,
👉 “মাঝে ভোট ছিল না। দল অন্যদের সুযোগ দিয়ে দেখেছে। আজ মনে হয়েছে আমাকে প্রয়োজন, তাই ডেকেছে।”

এদিন পুরনো ভঙ্গিতেই তৃণমূল ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন দিলীপ। মাসব্যাপী কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন,
👉 “ডায়লগ দিয়ে ভোটে জেতা যায় না। সিপিএমও একসময় ভেবেছিল কেউ হারাতে পারবে না—এমনভাবে হারল যে খুঁজেই পাওয়া গেল না।”

📌 ইঙ্গিত স্পষ্ট—২০২৬-এর লড়াইয়ে ফের সক্রিয়, আক্রমণাত্মক দিলীপ ঘোষ।

উদ্যম আধার (Udyam Registration): ছোট ব্যবসার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

 


🔴  ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি তথ্য 🔴

উদ্যম আধার (Udyam Registration): ছোট ব্যবসার জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

(জনস্বার্থে প্রচার)

আপনি কি দোকান, ছোট ব্যবসা, সার্ভিস সেন্টার, অনলাইন বিজনেস বা যেকোনো MSME পরিচালনা করেন?
তাহলে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি হল উদ্যম আধার (Udyam Registration)
সরকারি স্বীকৃতি থেকে শুরু করে লোন, ভর্তুকি ও আইনি সুরক্ষা—সবকিছুর চাবিকাঠি এই এক রেজিস্ট্রেশন।


🎯 উদ্যম আধারের মূল উদ্দেশ্য কী?

✔️ ছোট ও মাঝারি ব্যবসাকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া
✔️ MSME ব্যবসার উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা
✔️ সহজে ব্যাংক লোন ও সরকারি সুবিধা পাওয়া
✔️ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা


🏢 উদ্যম আধার কী কী কাজে লাগে?

✔️ MSME সার্টিফিকেট হিসেবে ব্যবহার
✔️ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে
✔️ সরকারি প্রকল্প ও ভর্তুকি (Subsidy) পেতে
✔️ সরকারি টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে
✔️ দেরিতে পেমেন্ট পেলে আইনি সুরক্ষা পেতে
✔️ ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে


📄 উদ্যম আধার করতে কী কী লাগবে?

📌 কোনো কাগজ আপলোড করতে হয় না, শুধু তথ্য দিলেই হবে
✔️ আধার কার্ড (মালিক/প্রোপ্রাইটর)
✔️ PAN কার্ড
✔️ মোবাইল নম্বর (OTP ভেরিফিকেশন)
✔️ ব্যবসার নাম ও ঠিকানা
✔️ ব্যবসার কাজের ধরন (NIC কোড)
✔️ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য


📝 কিভাবে আবেদন করবেন? (সহজ স্টেপ)

1️⃣ সরকারি ওয়েবসাইটে যান: udyamregistration.gov.in
2️⃣ New Registration অপশনে ক্লিক করুন
3️⃣ আধার নম্বর দিন ও OTP দিয়ে ভেরিফাই করুন
4️⃣ PAN নম্বর দিলে অটো ভেরিফিকেশন হবে
5️⃣ ব্যবসার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন
6️⃣ Submit করুন

🎉 সঙ্গে সঙ্গে মিলবে Udyam Registration Certificate


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন

🔹 একবার রেজিস্ট্রেশন করলে লাইফটাইম ভ্যালিড
🔹 আগে Udyog Aadhaar থাকলেও নতুন করে Udyam করতে হবে
🔹 ঘরে বসে বা CSC সেন্টার থেকেও করা যায়
🔹 নতুন ও পুরনো—সব ব্যবসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য


📢 উপসংহার

উদ্যম আধার আপনার ব্যবসাকে দেয়—
✅ সরকারি স্বীকৃতি
✅ আর্থিক সুবিধা
✅ আইনি সুরক্ষা

👉 তাই ব্যবসা থাকলে দেরি না করে আজই Udyam Registration করুন।

✍️ @ Y BANGLA NEWS
📌 জনস্বার্থে প্রচার
👍 লাইক করুন | 💬 কমেন্ট করুন | 🔄 শেয়ার করুন
👉 যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আরও মানুষের কাছে পৌঁছায়

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog