Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 15 January 2026

সিঙ্গুরে NAMO-র সভা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | সিঙ্গুর

সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রস্তাবিত জনসভা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত চরমে উঠেছে। সভার জন্য নির্ধারিত জমি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগে বিডিও অফিসে অন্তত ১০টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এর জেরে সভা আয়োজনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী বেচারাম মান্না প্রশ্ন তুলেছেন, “বিনা অনুমতিতে সাধারণ কৃষকের জমি কেন ব্যবহার করা হবে?” তাঁর দাবি, নিয়ম মেনে অনুমতি না নিয়ে জমি ব্যবহার করা হলে তা কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী।

পাল্টা জবাবে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে উন্নয়নের পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সভা আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে জমি সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। অনুমতির বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত সভা আয়োজন নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। রাজনৈতিক তরজা চললেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর সবার।

২ আক্রান্ত, ১০০ জন আইসোলেশনে—নিপা আতঙ্ক রাজ্যে, কী করবেন আর কী নয়? মাস্ক কি বাধ্যতামূলক?

২ আক্রান্ত, ১০০ জন আইসোলেশনে—নিপা আতঙ্ক রাজ্যে, কী করবেন আর কী নয়? মাস্ক কি বাধ্যতামূলক?

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক

রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং সংক্রমণের শঙ্কায় প্রায় ১০০ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চলছে প্রশাসনের। এর মধ্যেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—নিপা থেকে বাঁচতে কী করবেন, কী করবেন না? মাস্ক পরা কি এখন বাধ্যতামূলক?

নিপা কীভাবে ছড়ায়?

নিপা ভাইরাস মূলত বাদুড় থেকে ছড়াতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বা তাঁর শরীরের নিঃসৃত তরলের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটতে পারে। কাঁচা ফল, খেজুরের রস বা অপরিষ্কার খাবারের মাধ্যমেও ঝুঁকি থাকে।

কী করবেন (Do’s)

  • ✔️ বারবার সাবান ও জল দিয়ে হাত ধোবেন
  • ✔️ জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
  • ✔️ অসুস্থ ব্যক্তির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন
  • ✔️ ফল ভালোভাবে ধুয়ে ও খোসা ছাড়িয়ে খাবেন
  • ✔️ সরকারি নির্দেশিকা ও স্বাস্থ্য দফতরের আপডেট মেনে চলবেন

কী করবেন না (Don’ts)

  • ❌ কাঁচা বা আধা-পাকা ফল খাবেন না
  • ❌ অসুস্থ ব্যক্তির ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহার করবেন না
  • ❌ অযথা ভিড় বা গুজবে কান দেবেন না
  • ❌ উপসর্গ লুকিয়ে রাখবেন না

মাস্ক পরা কি বাধ্যতামূলক?

এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে সাধারণভাবে মাস্ক বাধ্যতামূলক নয়। তবে হাসপাতালে, আইসোলেশন ইউনিটে বা উপসর্গযুক্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে মাস্ক পরার জোরালো পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকলে বা ভিড় এড়ানো সম্ভব না হলে মাস্ক ব্যবহার করাই নিরাপদ।

স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি।

ইরান আকাশসীমা বন্ধ, যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইসরি জারি ভারতীয়

 বিমানসংস্থাগুলির
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক:- 
ইরানের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবায় প্রভাব পড়তে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের জন্য একের পর এক অ্যাডভাইসরি জারি করল ভারতের একাধিক বিমানসংস্থা। এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো এবং স্পাইসজেট বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইরানের এয়ারস্পেস ব্যবহার করা না যাওয়ায় বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বিমানের রুট পরিবর্তন করা হচ্ছে।

বিমানসংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, বিকল্প রুটে বিমান চালাতে হওয়ায় কিছু ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে পৌঁছতে পারে। পাশাপাশি, অপারেশনাল ও নিরাপত্তাজনিত কারণে কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলও করা হয়েছে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলি জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সূত্রের খবর, আমেরিকার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে ইরান সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জেরেই মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপগামী একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের রুটে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন দেশ의 বিমানসংস্থা।

যাত্রীদের উদ্দেশে বিমানসংস্থাগুলি পরামর্শ দিয়েছে, যাত্রার আগে নিজ নিজ ফ্লাইটের স্ট্যাটাস যাচাই করে নিতে এবং প্রয়োজনে এয়ারলাইন্সের কাস্টমার কেয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিষেবা আগের মতো চালু করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

Wednesday, 14 January 2026

নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম নাও থাকতে পারে: সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক, নয়া দিল্লি:
নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় নাও রাখা হতে পারে—এমনই অবস্থান সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে কমিশনের এই বক্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী জানান, কোনও ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) যদি নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কারও নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নেন, তাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন—এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। কারণ নাগরিকত্ব নির্ধারণের একমাত্র অধিকার কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।
শুনানিকালে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় সরকার নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত কোনও ব্যক্তির ভোটাধিকার কি স্থগিত থাকবে? এর উত্তরে কমিশনের আইনজীবী জানান, SIR প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যারা ভারতীয় নাগরিক নন, তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নিশ্চিত করা। তবে কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা তাকে দেশছাড়া করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই।
এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির এজলাসে।
উল্লেখ্য, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি অভিযোগ করেন, SIR সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশ নির্বাচন কমিশন সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে জারি করছে।
এছাড়াও অভিযোগ ওঠে, হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে ব্লক লেভেল অফিসারদের (BLO) কাজের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়টি আগেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি এই প্রসঙ্গ তোলেন।
তৃণমূলের তরফে কমিশনের তথ্যে যুক্তিগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, SIR প্রক্রিয়ার আওতায় ভোটাররা প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেও তার বিপরীতে কোনও রসিদ বা স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না।

রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে, রাজ্যসভায় আর যেতে চান না দিগ্বিজয় সিং


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক:
মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বর্তমান মেয়াদ শেষ হলে রাজ্যসভায় আর যেতে চান না তিনি। তাঁর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের অন্দরে যেমন আলোচনা শুরু হয়েছে, তেমনই বিরোধী শিবিরেও চলছে নানা হিসেব-নিকেশ।
সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সাংগঠনিক কাঠামোর প্রশংসা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক উত্থানকে সম্মান জানানোর পর থেকেই দিগ্বিজয় সিংকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
যদিও দিগ্বিজয় সিং সরাসরি দলবদলের বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত দেননি, তবে রাজ্যসভার আসন ছাড়ার ঘোষণা কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই নেতার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা কী হবে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

বাংলাদেশ না খেললেও বোর্ডের ক্ষতি হবে না’, মন্তব্য বিসিবি কর্তার


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলা নিয়ে বাংলাদেশের অনড় অবস্থানের মধ্যেই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললেও বোর্ডের আর্থিক ক্ষতি হবে না।
নাজমুল ইসলামের বক্তব্য, “ক্রিকেটারদের ক্ষতি হতে পারে, কিন্তু বোর্ডের নয়। কোনও ক্রিকেটার যদি ম্যাচ খেলে ভালো পারফরম্যান্স করে, ম্যাচ সেরা হয় বা উল্লেখযোগ্য কিছু করে দেখায়, তা হলে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী যে অর্থ পাওয়া যায়, তা সরাসরি ক্রিকেটারের নিজের প্রাপ্য। সেই টাকার সঙ্গে বোর্ডের কোনও লেনদেন নেই।”
তিনি আরও জানান, আইসিসি থেকে প্রাপ্ত পারফরম্যান্স-ভিত্তিক আর্থিক সুবিধা সম্পূর্ণভাবে ক্রিকেটারদের জন্য নির্ধারিত। ফলে দল খেলুক বা না খেলুক, বোর্ডের আর্থিক অবস্থার উপর তার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই মত বিসিবি কর্তার।
বিশ্বকাপ ঘিরে এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে বাংলাদেশের অবস্থান কী হয়, সেদিকেই এখন নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ঐতিহাসিক রদবদল: ৬ ভবনের দফতর যাচ্ছে ‘কর্তব্য ভবনে’, নর্থ-সাউথ ব্লকে আসছে ‘যুগে যুগে ভারত’ মিউজিয়াম

🏛️ কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ঐতিহাসিক রদবদল: ৬ ভবনের দফতর যাচ্ছে ‘কর্তব্য ভবনে’, নর্থ-সাউথ ব্লকে আসছে ‘যুগে যুগে ভারত’ মিউজিয়াম

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | নয়াদিল্লি

দিল্লির ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের ঠিকানা বদলাতে চলেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের। শাস্ত্রী ভবন, কৃষি ভবন, নির্মাণ ভবন, শ্রমশক্তি ভবন এবং উদ্যোগ ভবন—এই ছ’টি ভবনে থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় দফতর স্থানান্তরিত হবে নতুন নির্মিত ‘কর্তব্য ভবনে’।

এই স্থানান্তরের ফলে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোয় এক বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঐতিহ্য রক্ষার দিকটিও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে। ব্রিটিশ স্থপতি হারবার্ট বেকারের নকশায় নির্মিত ১৯৩১ সালের ঐতিহাসিক নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক অক্ষত রাখা হচ্ছে।

এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে নতুন রূপে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এখানে তৈরি হবে ‘যুগে যুগে ভারত’ নামে একটি মিউজিয়াম। প্রস্তাবিত এই মিউজিয়ামে ভারতের প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আধুনিক সময় এবং ভবিষ্যৎ ভারতের রূপরেখা প্রদর্শিত হবে।

ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও ঐতিহাসিক সংরক্ষণের এই যুগল পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নাগরাকাটার ভোটযুদ্ধ: জোড়াফুল না পদ্ম—কার উপর ভরসা পাহাড়-ডুয়ার্সের এই জনপদের?


🌼 

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | নাগরাকাটা

একসময় নাগরাকাটা মানেই ছিল বামদুর্গ। বছরের পর বছর লাল পতাকার দাপটে অভ্যস্ত ছিল এই বিধানসভা কেন্দ্র। তবে সময়ের সঙ্গে বদলেছে রাজনৈতিক মানচিত্র। এখন নাগরাকাটায় মূল লড়াই দুই ‘ফুলে’র—জোড়াফুল ও পদ্মের মধ্যে।

২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের ঢেউ এসে লাগে নাগরাকাটাতেও। তৃণমূল কংগ্রেস–কংগ্রেস জোটের হাতেই প্রথমবার যায় এই আসন। পরের বছর উপনির্বাচনে আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু রাজনৈতিক সমীকরণ আবার বদলায় ২০২১ সালে। সেই নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে নাগরাকাটার দখল নেয় বিজেপি।

এরপর থেকে এলাকায় ক্রমশ সংগঠন শক্তিশালী করার দাবি করছে পদ্মশিবির। বিজেপির বক্তব্য, নাগরাকাটায় তাদের জনভিত্তি আগের চেয়ে অনেকটাই মজবুত। বুথ স্তরে সংগঠন, আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্প—সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারা।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসও পিছিয়ে নেই। শাসক শিবিরের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজ ও স্থানীয় নেতৃত্বের জোরেই আবারও নাগরাকাটায় জোড়াফুলের প্রত্যাবর্তন সম্ভব। অতীতের ফলাফল টেনে এনে তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে, এই আসন এখনও পুরোপুরি তাদের হাতছাড়া হয়নি।

সব মিলিয়ে নাগরাকাটা এখন রাজনৈতিক দোলাচলে। প্রশ্ন একটাই—আসন্ন ভোটে নাগরাকাটার মানুষ ভরসা রাখবেন কোন ফুলে? পদ্মে, না কি ফের অতীতের মতো জোড়াফুলেই ফিরবে এই কেন্দ্র? নজর থাকবে ভোটের ফলাফলের দিকে।

আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজর, বৃহস্পতিবার শুনানি—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির আবেদন


⚖️ আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজর, বৃহস্পতিবার শুনানি—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির আবেদন

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | কলকাতা | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র দায়ের করা আবেদনের শুনানি হতে চলেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হবে।

জানা গিয়েছে, বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে মোট দু’টি আবেদন শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত রয়েছে। এই মামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

ইডির অভিযোগ, আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে, মামলার শুনানিকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এখন দেখার, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয় এবং এই মামলার পরবর্তী গতিপথ কোন দিকে মোড় নেয়।

Tuesday, 13 January 2026

বাংলাদেশে অশান্তি চরমে, হিন্দু অটোচালককে পিটিয়ে খুন—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ



শেখ হাসিনার অপসারণের পর থেকে লাগাতার হিংসা, ইউনূস সরকারের ভূমিকা ঘিরে প্রশ্ন

Y বাংলা ব্যুরো:
২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সেই অস্থিরতা আরও প্রকট আকার নেয়। হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। বিক্ষোভ, অরাজকতা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই আরও এক নৃশংস ঘটনার খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামের দাগনভূঁইয়া এলাকায় এক হিন্দু অটোচালককে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়েছে। নিহতের নাম সমীর দাস, বয়স ২৮ বছর। এটি বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর সাম্প্রতিক হামলার সর্বশেষ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

দাগনভূঁইয়ার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, দুষ্কৃতীরা প্রথমে সমীর দাসকে বেধড়ক মারধর করে, এরপর ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি চুরি করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দেশি অস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

এই ঘটনার পর নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজে। গত এক মাসে পদ্মাপার জেলাগুলিতে হিন্দুদের উপর একাধিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সমালোচনার ঝড় উঠলেও মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার।

সরকারি ও বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে অন্তত ছয়জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি বহু সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। গত শনিবার ৪০ বছর বয়সী এক হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গণধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে বেঁধে চুল কেটে দেওয়া হয়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় দেশজুড়ে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।

শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দেশজুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ক্রমবর্ধমান হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির দাবি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, সাম্প্রদায়িক হিংসার মাত্রা ততই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা প্রতিবেশী দেশের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা কঠোরভাবে দমন করার আশা করছে। যদিও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস ভারতের এই উদ্বেগকে অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই গভীর হচ্ছে, আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog