Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 19 January 2026

Karandighi: বিধায়কের কীর্তিতে বেকায়দায় তৃণমূল


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট

করণদিঘিতে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস নতুন করে অস্বস্তিতে। করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পাল টাকা নিচ্ছেন—এমনই একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ভিডিওর সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

এটাই প্রথম নয়। এর আগেও বিধায়ক গৌতম পালের স্ত্রীকে ঘিরে ভুয়ো কাস্ট সার্টিফিকেট দেখিয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই সময়ও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর কম হয়নি। যদিও শাসকদলের একাংশের দাবি, অতীতেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও ভোটের ময়দানে তার বড় প্রভাব পড়েনি। সেই ‘ইতিহাস’-ই এখন কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বকে।

অন্যদিকে এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে আক্রমণে নেমেছে বিজেপি। তাদের দাবি, করণদিঘির মানুষ এবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে রায় দেবেন এবং আগামী নির্বাচনে পদ্মফুলই ফুটবে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, ভাইরাল ভিডিও সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে আরও উসকে দিয়েছে।

ভাইরাল ভিডিও ঘিরে প্রশাসনিক স্তরে কোনও তদন্ত শুরু হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। করণদিঘির রাজনীতিতে এই বিতর্ক কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে।

Sunday, 18 January 2026

মহাকুম্ভ বিতর্কে তীব্র বিস্ফোরণ, সাধু নিগ্রহের অভিযোগে প্রশাসনের বিরুদ্ধে শঙ্করাচার্যের গুরুতর অভিযোগ


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট :
সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পর তিনি নিজে ফিরে যেতে রাজি থাকা সত্ত্বেও সরকারি কর্মকর্তারা তাঁর অনুগামী সাধুদের উপর মারধর চালান। এই ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত ও প্রতিশোধমূলক বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

শঙ্করাচার্য বলেন, “আমরা পুরোপুরি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ছিলাম। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু ফেরার সময় দেখলাম, বড় বড় কর্মকর্তারা আমাদের সাধুদের মারধর করছেন। এটা সম্পূর্ণ অমানবিক।”

তাঁর আরও দাবি, মহাকুণ্ডে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার জন্য সরকারকে দায়ী করায় প্রশাসনের একাংশ ক্ষুব্ধ। সেই কারণেই এখন কর্মকর্তাদের দিয়ে তাঁর অনুগামীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এই অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

 প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার ভিডিও বা প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান সামনে এলে বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

Saturday, 17 January 2026

আজ দুপুরেই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, ৪ হাজার কোটির প্রকল্পের সূচনা



Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট

আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন স্টেশনে পৌঁছোনোর কথা। সেখানে তিনি হাওড়া–কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর দুপুর পৌনে ২টো নাগাদ মালদা শহরের সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ওই সভা মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ৩২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো সংক্রান্ত প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন।

রেল যোগাযোগ উন্নয়ন, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ ও পরিকাঠামো আধুনিকীকরণ—এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে উত্তরবঙ্গ এবং সংলগ্ন অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের ধারণা।

Thursday, 15 January 2026

ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের

ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব খারিজ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার এই মর্মে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লিখিতভাবে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর জারি করা নির্দেশিকায় ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য যে নথিগুলিকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার তালিকায় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড অন্তর্ভুক্ত নেই। সেই কারণেই রাজ্য সরকারের পাঠানো প্রস্তাব গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে কমিশন।

কমিশনের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে পূর্বনির্ধারিত তালিকার বাইরে গিয়ে নতুন কোনও নথিকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ নেই। ফলে আসন্ন ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা যাবে না—এ বিষয়ে কার্যত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

এই সিদ্ধান্তে বিশেষ করে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রক্রিয়ায় যুক্ত পড়ুয়া ও তরুণ-তরুণীদের সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। তবে কমিশনের বক্তব্য, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সর্বত্র একরকম নিয়ম বজায় রাখাই স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার স্বার্থে জরুরি।

ভোটের মুখে যখন রাজ্যজুড়ে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

BLO মৃত্যুকাণ্ডে তীব্র রাজনৈতিক তরজা, TMC কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ BJP-র


যাদবপুর বিধানসভার ১১০ নম্বর পার্টের BLO অশোক দাসের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অনন্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।
সজল ঘোষের দাবি, অনন্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজু বিশ্বাস (BLA 2, AITC)-এর লাগাতার চাপ ও হুমকির জেরেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন অশোক দাস। নিজের দাবির সপক্ষে একটি অডিও প্রকাশ করেছেন বিজেপি কাউন্সিলর।
সজল ঘোষ আরও অভিযোগ করেন, অশোক দাসের স্ত্রী ও পুত্রকে হামলার ভয় দেখানো হচ্ছিল। তাঁর বক্তব্য, “পিসি-ভাইপোর রাজত্বে কি এই আত্মহত্যার কোনও বিচার হবে না?”
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তদন্তের আগে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়।
ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সিঙ্গুরে NAMO-র সভা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | সিঙ্গুর

সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রস্তাবিত জনসভা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত চরমে উঠেছে। সভার জন্য নির্ধারিত জমি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগে বিডিও অফিসে অন্তত ১০টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এর জেরে সভা আয়োজনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী বেচারাম মান্না প্রশ্ন তুলেছেন, “বিনা অনুমতিতে সাধারণ কৃষকের জমি কেন ব্যবহার করা হবে?” তাঁর দাবি, নিয়ম মেনে অনুমতি না নিয়ে জমি ব্যবহার করা হলে তা কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী।

পাল্টা জবাবে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে উন্নয়নের পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সভা আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে জমি সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। অনুমতির বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত সভা আয়োজন নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। রাজনৈতিক তরজা চললেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর সবার।

২ আক্রান্ত, ১০০ জন আইসোলেশনে—নিপা আতঙ্ক রাজ্যে, কী করবেন আর কী নয়? মাস্ক কি বাধ্যতামূলক?

২ আক্রান্ত, ১০০ জন আইসোলেশনে—নিপা আতঙ্ক রাজ্যে, কী করবেন আর কী নয়? মাস্ক কি বাধ্যতামূলক?

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক

রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং সংক্রমণের শঙ্কায় প্রায় ১০০ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চলছে প্রশাসনের। এর মধ্যেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—নিপা থেকে বাঁচতে কী করবেন, কী করবেন না? মাস্ক পরা কি এখন বাধ্যতামূলক?

নিপা কীভাবে ছড়ায়?

নিপা ভাইরাস মূলত বাদুড় থেকে ছড়াতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বা তাঁর শরীরের নিঃসৃত তরলের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটতে পারে। কাঁচা ফল, খেজুরের রস বা অপরিষ্কার খাবারের মাধ্যমেও ঝুঁকি থাকে।

কী করবেন (Do’s)

  • ✔️ বারবার সাবান ও জল দিয়ে হাত ধোবেন
  • ✔️ জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
  • ✔️ অসুস্থ ব্যক্তির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন
  • ✔️ ফল ভালোভাবে ধুয়ে ও খোসা ছাড়িয়ে খাবেন
  • ✔️ সরকারি নির্দেশিকা ও স্বাস্থ্য দফতরের আপডেট মেনে চলবেন

কী করবেন না (Don’ts)

  • ❌ কাঁচা বা আধা-পাকা ফল খাবেন না
  • ❌ অসুস্থ ব্যক্তির ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহার করবেন না
  • ❌ অযথা ভিড় বা গুজবে কান দেবেন না
  • ❌ উপসর্গ লুকিয়ে রাখবেন না

মাস্ক পরা কি বাধ্যতামূলক?

এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে সাধারণভাবে মাস্ক বাধ্যতামূলক নয়। তবে হাসপাতালে, আইসোলেশন ইউনিটে বা উপসর্গযুক্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে মাস্ক পরার জোরালো পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকলে বা ভিড় এড়ানো সম্ভব না হলে মাস্ক ব্যবহার করাই নিরাপদ।

স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি।

ইরান আকাশসীমা বন্ধ, যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইসরি জারি ভারতীয়

 বিমানসংস্থাগুলির
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক:- 
ইরানের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবায় প্রভাব পড়তে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের জন্য একের পর এক অ্যাডভাইসরি জারি করল ভারতের একাধিক বিমানসংস্থা। এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো এবং স্পাইসজেট বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইরানের এয়ারস্পেস ব্যবহার করা না যাওয়ায় বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বিমানের রুট পরিবর্তন করা হচ্ছে।

বিমানসংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, বিকল্প রুটে বিমান চালাতে হওয়ায় কিছু ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে পৌঁছতে পারে। পাশাপাশি, অপারেশনাল ও নিরাপত্তাজনিত কারণে কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলও করা হয়েছে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলি জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সূত্রের খবর, আমেরিকার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে ইরান সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জেরেই মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপগামী একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের রুটে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন দেশ의 বিমানসংস্থা।

যাত্রীদের উদ্দেশে বিমানসংস্থাগুলি পরামর্শ দিয়েছে, যাত্রার আগে নিজ নিজ ফ্লাইটের স্ট্যাটাস যাচাই করে নিতে এবং প্রয়োজনে এয়ারলাইন্সের কাস্টমার কেয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিষেবা আগের মতো চালু করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

Wednesday, 14 January 2026

নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম নাও থাকতে পারে: সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক, নয়া দিল্লি:
নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় নাও রাখা হতে পারে—এমনই অবস্থান সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে কমিশনের এই বক্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী জানান, কোনও ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) যদি নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কারও নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নেন, তাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন—এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। কারণ নাগরিকত্ব নির্ধারণের একমাত্র অধিকার কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।
শুনানিকালে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় সরকার নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত কোনও ব্যক্তির ভোটাধিকার কি স্থগিত থাকবে? এর উত্তরে কমিশনের আইনজীবী জানান, SIR প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যারা ভারতীয় নাগরিক নন, তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নিশ্চিত করা। তবে কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা তাকে দেশছাড়া করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই।
এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির এজলাসে।
উল্লেখ্য, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি অভিযোগ করেন, SIR সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশ নির্বাচন কমিশন সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে জারি করছে।
এছাড়াও অভিযোগ ওঠে, হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে ব্লক লেভেল অফিসারদের (BLO) কাজের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়টি আগেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি এই প্রসঙ্গ তোলেন।
তৃণমূলের তরফে কমিশনের তথ্যে যুক্তিগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, SIR প্রক্রিয়ার আওতায় ভোটাররা প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেও তার বিপরীতে কোনও রসিদ বা স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না।

রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে, রাজ্যসভায় আর যেতে চান না দিগ্বিজয় সিং


Y বাংলা নিউজ ডেস্ক:
মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বর্তমান মেয়াদ শেষ হলে রাজ্যসভায় আর যেতে চান না তিনি। তাঁর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের অন্দরে যেমন আলোচনা শুরু হয়েছে, তেমনই বিরোধী শিবিরেও চলছে নানা হিসেব-নিকেশ।
সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সাংগঠনিক কাঠামোর প্রশংসা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক উত্থানকে সম্মান জানানোর পর থেকেই দিগ্বিজয় সিংকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
যদিও দিগ্বিজয় সিং সরাসরি দলবদলের বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত দেননি, তবে রাজ্যসভার আসন ছাড়ার ঘোষণা কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই নেতার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা কী হবে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Featured post

পাকিস্তান-ঘেঁষা রাজনীতি কিংবা প্রকাশ্য ভারত-বিরোধিতা—এই দুই পথে শেষমেশ লাভের বদলে ক্ষতিই হয়, সেই বাস্তবতা হয়তো হাড়ে হাড়ে টের প...

Search This Blog