Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 6 September 2025

আচমকা ফোন কলের পর আত্মঘাতী রাহুল গান্ধীর আইনজীবী, জোর চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে

রাহুল গান্ধীর প্রাক্তন আইনজীবী ফিরোজ পাঠানের আত্মহত্যা

রাহুল গান্ধীর প্রাক্তন আইনজীবী ফিরোজ পাঠানের রহস্যময় আত্মহত্যা, সুরাটে তোলপাড়

📰 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো রিপোর্ট | প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গুজরাটের সুরাটে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। রাহুল গান্ধীর হয়ে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চালানো বিশিষ্ট আইনজীবী ফিরোজ পাঠান আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি তাপি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় উভারত সৈকত এলাকায়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আইনজীবী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রহস্যময় ফোন কল ও শেষ মুহূর্তের ইঙ্গিত

আত্মহত্যার কয়েক ঘণ্টা আগে ফিরোজ তাঁর জুনিয়র আইনজীবী দীপককে ফোন করেন। ফোনে তিনি বলেন— “আমার কিছু হলে, আদালতের কাছে যে ব্রিজটা আছে, সেখানে এসো।” দীপক উদ্বিগ্ন হয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কোথায় আছেন। উত্তরে ফিরোজ শান্তভাবে জানান, তিনি অফিসেই আছেন। এই ফোন কলকে কেন্দ্র করে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক সংকট

পরিবার ও বন্ধুদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ফিরোজ মানসিক চাপে ভুগছিলেন। পারিবারিক অশান্তি, সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং আর্থিক সমস্যা তাঁকে বিপর্যস্ত করেছিল। বন্ধুবান্ধবের মতে, এই ব্যক্তিগত সমস্যাগুলোই তাঁকে অন্ধকার মানসিক অবস্থায় ঠেলে দিয়েছিল।

আইনজীবী হিসেবে পরিচিতি

ফিরোজ পাঠান শুধু একজন সাধারণ আইনজীবী ছিলেন না, বরং সুরাট কংগ্রেসের লিগ্যাল কনভেনার হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি রাহুল গান্ধীর হয়ে সেই বহুল আলোচিত মামলায় লড়াই করেন, যেখানে রাহুল “মোদি” পদবি নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তিনি একজন দক্ষ ও বিশ্বস্ত আইনজীবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

আইনজীবী মহলে শোকের ছায়া

ঈদ মিলাদুন্নবীর দিনে তাঁর আত্মহত্যার ঘটনায় সুরাটের আইনজীবী মহলে গভীর শোক নেমে এসেছে। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বিষণ্ণ ছিলেন, তবে এই পরিণতি যে এত দ্রুত আসবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। পরিবারও স্তব্ধ হয়ে গেছে আকস্মিক এই ঘটনার ধাক্কায়।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন

আরও পড়ুন , জোট আগেই বাতিল তবুও কংগ্রেস এর সাথে হাত মেলাতে চাই সিপিএম ফিরোজ পাঠান ছিলেন কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, তাঁর মৃত্যুর পেছনে কি শুধুই ব্যক্তিগত কারণ, নাকি আরও কিছু অজানা রহস্য লুকিয়ে আছে? ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তাঁর রেখে যাওয়া চিঠি ও ফোনকলের সূত্র ধরে খোঁজা হচ্ছে ঘটনার আসল কারণ।

উপসংহার

একজন অভিজ্ঞ ও আলোচিত আইনজীবীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু সুরাট তথা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যক্তিগত সমস্যা, মানসিক চাপ এবং রহস্যময় ফোন কল—সবকিছু মিলিয়ে এই ঘটনা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তদন্তে কী উঠে আসে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে আপাতত আইনজীবী মহল ও কংগ্রেস শিবিরে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনে বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতির ভাগ্য নির্ধারিত”

এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনই বিসিসিআই—৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন সভাপতির ভাগ্য নির্ধারণ

এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনই বিসিসিআইয়ের ভবন—৯৫তম বার্ষিক সভার দিন ঠিক, শীর্ষপদের ভাগ্য নির্ধারণ

২৮ সেপ্টেম্বর, এশিয়া কাপ ফাইনালের দিন অনুষ্ঠিত হবে বিসিসিআই’র ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা; লোধা আইনের প্রেক্ষিতে বোর্ড সভাপতি, সহ-সভাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে।
Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫
এশিয়া কাপ ফাইনালের দিনের ব্যস্ততায় ক্রিকেটপ্রেমীরা যখন মাঠে চোখ রাখবেন, ঠিক সেই দিন দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের অন্যতম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেয়া হতে চলেছে—বিসিসিআইয়ের ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা ২৮ সেপ্টেম্বর। এই সভায় বোর্ড সভাপতি থেকে শুরু করে সহ-সভাপতি, সচিব, যুগ্ম-সচিব ও কোষাধ্যক্ষ—মোট পাঁচটি শীর্ষপদের ব্যাপারে ভোট হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আইপিএল চেয়ারম্যান নির্বাচনের বিষয়টিও সভার শীর্ষ আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এই রিপোর্টে আমরা সভার সম্ভাব্য সমীকরণ, গুঞ্জন ও প্রশাসনিক প্রভাব বিশ্লেষণ করছি।

সভা ও এজেন্ডার সৌরভ: কী কী নির্ধারিত হবে?

বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ইতোমধ্যেই রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সভাপতি, সহ-সভাপতি, সচিব, যুগ্ম-সচিব ও কোষাধ্যক্ষ—এই পাঁচটি কার্যনির্বাহী পদের তফসিল ২৮ সেপ্টেম্বর এজেন্ডার প্রধান অংশ হবে। এছাড়া অ্যাপেক্স কাউন্সিল এবং ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধির নির্বাচনের বিষয়টিও তালিকাভুক্ত রয়েছে।

কেন এ দিনটি গুরুত্বপূর্ণ?

প্রথমত, এশিয়া কাপ ফাইনালের দিন নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নজরও ওই দিন বন্দী থাকবে—এটি রাজনৈতিকভাবে এবং মিডিয়া কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, লোধা আইন মেনেই নির্বাচন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে—যার ফলে আগে–পরে প্রশাসনিক ও নিয়োগগত অনেক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিসিসিআই সভাপতিত্বের খালি আসন—পরিস্থিতি

এই মাসের শুরুতে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার রজার বিনি পদত্যাগের পর থেকে বিসিসিআইয়ের সভাপতির আসন শূন্য রয়েছে। সেই শূন্যতার ভরাটই এবার প্রধান অনুষঙ্গে থাকবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের চর্চা শুরু হয়ে গেছে—কিন্তু অফিসিয়ালি এখনও কেউ নাম ঘোষণা করেননি।

গুঞ্জন ও সম্ভাব্য সংযোজন:
  • নতুন আইপিএল চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হবেন—কারণ বর্তমান চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল ছয় বছর প্রশাসনে সম্পন্ন করেছেন এবং এখন কুলিং-অফে যেতে বাধ্য।
  • ধুমালের জায়গায় আইপিএল চেয়ারম্যান হিসেবে রাজীব শুক্লা অথবা এমসিএ-র প্রাক্তন সচিব সঞ্জয় নায়েকের নাম ঘুরছে।
  • যদি রাজীব শুক্লা আইপিএল চেয়ার থাকেন, তাহলে বিধিগত শূন্যতা পূরণে বিসিসিআই সহ-সভাপতির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রাকেশ তিওয়ারির নাম উঠে আসছে—তিনি বিহার ক্রিকেট সংস্থার প্রধান ও রাজনৈতিকভাবে পরিচিত মুখ।

আইপিএল চেয়ারম্যান: ধুমাল থেকে নতুন নেতৃত্ব

বর্তমান আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমালের ছয় বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি বাধ্যতামূলক কুলিং অফ পিরিয়ডে যাবেন—এই বেসিক নিয়মের কারণে আইপিএল চেয়ারম্যান নিয়োগ আজকের আলোচনার অঙ্গ। স্থানীয় সূত্রে গুঞ্জন আছে রাজীব শুক্লা বা সঞ্জয় নায়েকের নাম স্থান পেতে পারে। রাজীব শুক্লা নির্বাচিত হলেই তাঁর শূন্য হওয়া বা অন্য পদে পরিবর্তন সূচকের ফলে বিসিসিআইয়ের অভ্যন্তরীণ পযর্ন্তে চেইঞ্জ দেখা দেবে—যার প্রতিফলন বোর্ডের শক্তি-সামঞ্জস্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে পড়বে। আরও খবর পড়ুন , নদীয়ার তেহত্বের ৭ বছরের বাচ্চা খুন

ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মহিলা প্রিমিয়ার লিগ

সভায় ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার কথাও আছে। এই পদটি খেলোয়াড়দের কণ্ঠস্বর বোর্ডে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মহিলা প্রিমিয়ার লিগ (WPL) সম্পর্কিত কমিটির জন্যও ভোট অনুষ্ঠিত হবে—যা মহিলাদের ক্রিকেট ব্যবস্থাপনায় আরও আধুনিকতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব আনার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।

নিয়োগ: ওম্বুডসম্যান ও এথিক্স অফিসার

শাস্তিগত ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে এবার ওম্বুডসম্যান ও এথিক্স অফিসার নিয়োগের আলোচনাও রয়েছে। এই পদগুলো বোর্ডকে অভ্যন্তরীণভাবে জবাবদিহিতার ধাঁচে কাজ করতে সহায়তা করবে—বিশেষত আচরণগত ও প্রশাসনিক অনিয়ম সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে।

কমিটি গঠন: স্ট্যান্ডিং, ক্রিকেট ও আম্পায়ার্স কমিটি

সভায় স্ট্যান্ডিং কমিটি, ক্রিকেট কমিটি এবং আম্পায়ার্স কমিটি গঠনের বিষয়ও রয়েছে। এই কমিটিগুলো নির্বাচনী ও কার্যনির্বাহী সিদ্ধান্তের মূল মেরুদণ্ড—যেখানে খেলায় উন্নয়ন, আইন ব্যাখ্যা ও ম্যাচ/টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোর দায়িত্বভার কেন্দ্রীভূত হয়।

কারও পদে বহাল থাকার সম্ভাব্যতা

চলতি বছরের মার্চে যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত রোহন গাউনস দেশাই পদে বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রভাতেজ ভাটিয়া—যিনি জানুয়ারিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন—তাঁরও উপস্থিতি বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় অব্যাহত থাকতে পারে। এই ধরণের ধারাবাহিকতা বোর্ডের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।

রাজনৈতিক ও ক্রীড়া প্রশাসনিক প্রভাব

বিসিসিআইতে শীর্ষপদে যাদের অবস্থান তা কেবল ক্রীড়া প্রশাসনের নয়—এর রাজনৈতিক প্রতিচ্ছবিও থাকে। আইপিএল ও জাতীয় ক্রীড়ানীতির সিদ্ধান্ত, খেলোয়াড়দের চুক্তি, উন্নয়ন প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক—সবকিছুই এই নেতৃত্বের ওপর নির্ভরশীল। তাই ২৮ সেপ্টেম্বরের ফলাফল কেবল তালিকা বদল নয়, ভবিষ্যত কৌশলগত রূপরেখা নির্ধারণ করবে।

শেষ কথা

২৮ সেপ্টেম্বর—এশিয়া কাপ ফাইনালের দিন—বিসিসিআইয়ের ৯৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা ক্রীড়া প্রশাসনের একটি মাইলফলক স্বরূপ। লোধা আইনের আওতায় নিয়ম-প্রক্রিয়া মেনে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তা আগামী দিনে বোর্ডের কাজকর্মে কি ধরনের বদল আনবে তা নজর রাখা প্রয়োজন। নতুন সভাপতি, আইপিএল চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের নির্বাচন শুধু শিরোনাম নয়; তা হবে ভবিষ্যৎ ক্রীড়ানীতির কাঠামো তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

এই প্রতিবেদন কপিরাইট-মুক্ত — আপনি চাইলে অনুলিপি, শেয়ার বা প্রকাশ করতে পারেন।

📢 সবার আগে نیوز আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জোট আগেই বাতিল, তবুও কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাতে চায় সিপিএম"

সিপিএমের কৌশল: ছাব্বিশে একা লড়াই নয়, কংগ্রেসকে ফের জোটে টানার চেষ্টা

সিপিএমের কৌশল: ছাব্বিশে একা লড়াই নয়, কংগ্রেসকে ফের জোটে টানার চেষ্টা

পটভূমি

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি চরম উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ঘোষণা করেছেন, ২৯৪ আসনে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। অন্যদিকে, সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে একাংশ আবার কংগ্রেসকে ফের জোটে টানার চেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও শীর্ষ স্তরের সিদ্ধান্তে জোটে আগ্রহ থাকলেও, নীচুতলার নেতা ও কর্মীদের মধ্যে তা দেখা যাচ্ছে না।

সিপিএমের ভীতি ও কৌশল

সিপিএমের ভেতরের বিশ্লেষণ বলছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে একা লড়াই করলে লজ্জাজনক হার ভোগ করতে হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা ও ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে, একা লড়াইয়ের বিপদ এড়াতে কংগ্রেসকে জোটে ফেরানোর চেষ্টা করছে সিপিএম। রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ও তার টিম উদগ্রীবভাবে কংগ্রেসকে জোটে টানার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আরো খবর পড়ুন নির্বাচন কমিশনের বড় আপডেট সারাদেশে হবে sir

দলীয় সূত্রের খবর

সিপিএমের শীর্ষনেতারা মনে করছেন, কংগ্রেসকে নরম করার মাধ্যমে রাজ্যে জোট পুনর্গঠন করা সম্ভব। যদিও নীচুতলার নেতারা মনে করেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে লাভ নেই। কারণ কংগ্রেসের সাধারণ ভোটাররা বামফ্রন্টের প্রার্থীকে ভোট দেন না।

জেলার নেতাদের মতামত

সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলা নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে গেলে স্থানীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জোটে আসার ক্ষেত্রে আগ্রহ নেই, বরং বামফ্রন্টের প্রার্থীদের নিজস্ব ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে চান তারা।

ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপির অবস্থান

ছাব্বিশের আসন বণ্টন নিয়ে সিপিএমের অন্যান্য শরিকদের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ফরওয়ার্ড ব্লক এবং আরএসপি কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে যেতে আগ্রহী নয়। তারা পূর্বের নির্বাচনী নীতিমালা অনুযায়ী নিজেদের আসনে লড়াই চালাতে চায়। সিপিআইও সেই পথ অনুসরণ করতে চলেছে। ফলে, সিপিএম কংগ্রেসকে জোটে টানার জন্য একা যুদ্ধ করতে হচ্ছে।

রাজ্য রাজনীতিতে প্রভাব

এই পরিস্থিতি বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, জোট পুনর্গঠনের এই প্রয়াস ভোটের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচনী মঞ্চে কংগ্রেস ও সিপিএমের সম্পর্ক কেমন হবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

নীতিগত বিশ্লেষণ

সিপিএমের এই চেষ্টাকে রাজনৈতিক কৌশল বলা হচ্ছে। একদিকে তারা একা লড়াই থেকে হার এড়াতে চায়, অন্যদিকে কংগ্রেসকে জোটে টানার মাধ্যমে রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে চাইছে। তবে নীচুতলার নেতাদের আপত্তি এবং অন্যান্য শরিক দলের অনাগ্রহ জোট পুনর্গঠনের পথে বড়ো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

সিপিএম যদি কংগ্রেসকে জোটে টানতে সফল হয়, তবে ভোটের ফলাফলে তা নতুন মাত্রা যোগ করবে। অন্যদিকে, যদি নীচুতলার নেতাদের অবস্থান এবং শরিকদের অনাগ্রহ জোটে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সেক্ষেত্রে সিপিএমকে একা লড়াই চালাতে হতে পারে।

উপসংহার

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং রাজনৈতিক কৌশল, দলীয় ইচ্ছে এবং নেতাদের ভিন্নমত নিয়ে জটিল রাজনীতি। শীর্ষনেতারা কংগ্রেসকে জোটে ফেরাতে মরিয়া চেষ্টা চালালেও, নীচুতলার অগ্রাহ্যতা এবং শরিকদের অনাগ্রহ এই প্রয়াসকে সহজ করে তুলছে না।

বিহারে ভোট মিটলেই কি বাংলা সহ গোটা দেশে SIR? কমিশন সূত্রে কি বিরাট আপডেট?

বিহারে ভোট মিটলেই গোটা দেশে এসআইআর শুরু হতে পারে — কমিশন সূত্রে বড় আপডেট

বিহারে ভোট মিটলেই গোটা দেশে এসআইআর শুরু হতে পারে — কমিশন সূত্রে বড় আপডেট

🗓 প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ✍ বিশেষ প্রতিবেদন

বিহারে ভোট পর্ব শেষ হলেই গোটা দেশজুড়ে শুরু হতে পারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (SIR)। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই এমন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে সূত্রে খবর। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকাকে হালনাগাদ করার পাশাপাশি নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং অপ্রয়োজনীয় নাম বাদ দেওয়া হবে।

কমিশনের বৈঠক ও প্রস্তুতি

নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (CEO) সঙ্গে বৈঠক ডাকছে। সেখানে প্রতিটি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছ থেকে দশটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে, যা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের আকারে জমা দিতে হবে।

প্রধান প্রশ্নগুলো:
  • রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা কত?
  • শেষবার এসআইআর কবে হয়েছিল?
  • নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত কোন কোন নথি প্রয়োজন?
  • ভোটার তালিকা হালনাগাদে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে?
  • অন্তর্ভুক্তি ও বর্জনের প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা কী?

বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত

দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যেই গত ২৪ জুন প্রকাশিত নির্দেশিকায় কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, বিহারে এসআইআর সম্পন্ন হওয়ার পর গোটা দেশেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—বিহারে যেহেতু এই বছর নির্বাচন নির্ধারিত, তাই প্রথমে সেখানেই এসআইআর শুরু হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে একই প্রক্রিয়া চালু করা হবে। সুনির্দিষ্ট সময়সূচি পরে প্রকাশ করা হবে।

বিহারের অভিজ্ঞতা

বিহারে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা সম্পন্ন হওয়ার কথা। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভোটার তালিকার ঝাড়াই-বাছাইয়ের পর প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এতে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং নতুন নাম যুক্ত করা হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কংগ্রেসের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আরও খবর পড়ুন , বিশাল টাকায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের স্পন্সর

কমিশনের পাল্টা দাবি

কমিশনের বক্তব্য, বিহারের কংগ্রেস জেলা সভাপতিরা বুথ স্তরের এজেন্টদের নাম সুপারিশ করেছিলেন। খসড়া তালিকা প্রকাশের পরও তাঁরা কারও নাম নিয়ে আপত্তি জানাননি। সেক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

দেশজুড়ে প্রভাব

বিহারে প্রক্রিয়া শেষ হলে গোটা দেশে এসআইআর চালু হলে দেশের ভোটার তালিকায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, আসাম, ত্রিপুরার মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল রাজ্যগুলিতে এর প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া বা নতুন নাম যুক্ত হওয়া সরাসরি নির্বাচনের ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কমিশনের এই পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
✍ প্রতিবেদন: বিশেষ সংবাদদাতা |

হুগলির সুগন্ধায় ইভি কারখানা উদ্বোধন, সিঙ্গুরের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণে কুণাল

সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণ: সুগন্ধায় ইলেকট্রিক চারচাকার গাড়ি কারখানা চালু হতে চলেছে
আপডেট: শনিবার • সুগন্ধা, হুগলি

সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণ সুগন্ধায় — হুগলিতে নতুন ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি কারখানা আসছে

কুণাল ঘোষ জানান—নতুন কারখানা এলাকার অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে দেবে, চাকরির সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হবে।

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম

হুগলির সুগন্ধায় 'সাইনাসোর' নামের কোম্পানি নতুন ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ছে — শনিবার তা ঘোষণা করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। একই অনুষ্ঠানে সংস্থার নতুন 'টিফোজ ইলেকট্রিক থ্রি হুইলার' ও আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়; মন্ত্রী জাভেদ খান ও উজ্জ্বল বিশ্বাসসহ several নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিস্তারিত রিপোর্ট

সিঙ্গুরের টাটার ন্যানো কারখানার অসমাপ্ত স্বপ্ন বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও স্থানীয় আর্থ-সামাজিক কথোপকথনে অবস্থান করে আছে। সেই 'আক্ষেপ'—কীভাবে তা দূর হবে—এর উত্তর এবার সুগন্ধার নতুন কর্মকাণ্ডে মিলতে চলেছে। শনিবার সুগন্ধায় স্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান সাইনাসোর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঘোষণা করা হয় যে তারা শীঘ্রই হুগলির সেই শিল্পভূমিতেই ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি উৎপাদন শুরু করবে।

ঘোষণায় বলা হয়, রাজ্য সরকার পর্যন্ত হয়ে এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে। কুণাল ঘোষ বলেন, “এটির ফলে এই এলাকার অর্থনৈতিক মানচিত্রই বদলে যাবে—অনেক বেকার যুবক ও যুবতী এখানে কর্মসংস্থান পাবে। সিঙ্গুরে যে ক্ষত ছিল, তার একটা প্রতিকার হিসেবে আমরা আশা করছি এটি কাজ করবে।”

উল্লেখযোগ্য বিষয়:

সাইনাসোর ইতিমধ্যেই BLDC ফ্যান তৈরি ও বাজারজাত করছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী চারচাকার ইলেকট্রিক গাড়ি আগামী বছর জানুয়ারির মধ্যে বাজারে আনা হবে—সরকারি পরীক্ষার পরে সার্টিফিকেশন পেলে পূর্ণ উৎপাদন শুরু হবে।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্রাজ্ঞী ঘোষ জানান, কোম্পানির লক্ষ্য মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতা মাথায় রেখে গাড়ির দাম ও কাস্ট-স্ট্রাকচার স্থির করা। পাশাপাশি গুণগত মানে জোর দেয়া হবে—কারখানা থেকে বেরিয়ে বাজারে ছাড়ার আগে বিভিন্ন ধরণের মান পরীক্ষা এবং সরকারি সার্টিফিকেট নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, আসন্ন চারচাকার গাড়ির পাশাপাশি সংস্থার নতুন 'টিফোজ ইলেকট্রিক থ্রি হুইলার'—ওর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ওই দিন করা হয়; তারা বললেন এটি বাজারে চলমান থ্রি হুইলারগুলোর তুলনায় অনেক কম দামে বাজারে আসবে।

চমকপ্রদভাবে কোম্পানি জানিয়েছে চার্জিং প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—প্রকল্পের প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কনফিগারেশনে অন্তত ১৮ ঘণ্টা চার্জ ধরে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও নির্দিষ্ট ব্যাটারি ক্ষমতা, রেঞ্জ বা চার্জ টাইম-সম্বন্ধে বিস্তারিত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

হাইলাইট:
  • স্থান: সুগন্ধা, হুগলি
  • প্রধান ঘোষণা: কুণাল ঘোষ
  • উপস্থিত ছিলেন: মন্ত্রী জাভেদ খান, উজ্জ্বল বিশ্বাস ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ
  • প্রজেক্ট টাইমলাইন: বাজারে আগমন — আগামী বছর জানুয়ারি (পরিকল্পনামাফিক)

স্থানীয় রাজনীতিক ও শিল্পমহল উভয়ই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিক নিয়োগ ও লোকাল ভ্যালু চেইন গড়ার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা বেড়েছে। তবে বাস্তবে কতটা দ্রুত এবং বড় আকারে উৎপাদন শুরু হবে—এটি অনেকটাই নির্ভর করবে সরকারি অনুমোদন, সাপ্লাই চেইন ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রস্তুতির উপর।

সংক্ষেপে কি জানতে হবে:
  • সাইনাসোর কোম্পানি ইলেকট্রিক চারচাকা গাড়ি উৎপাদন করার ঘোষণা দিয়েছে।
  • নতুন থ্রি হুইলার টিফোজ শিল্প-উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাজারজাত করা হবে।
  • প্রাথমিক সময়সূচী অনুযায়ী গাড়ি জনানোর পরিকল্পনা—আগামী জানুয়ারি।
  • দাম মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষম্যতার মধ্যেই রাখা হবে বলে সংস্থা জানিয়েছে।

দ্রষ্টব্য: প্রযুক্তিগত বিশদ (ব্যাটারি ক্যাপাসিটি, একক চার্জে রেঞ্জ, নিরাপত্তা সার্টিফিকেট ইত্যাদি) সংস্থার অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশন প্রকাশের পরই নিশ্চিতভাবে জানানো হবে—কারণ সরকারি পরীক্ষাসাপেক্ষে আর কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। আরও খবর পড়ুন , আযোগ্য় রা কি পরীক্ষায় বসতে পারবে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
সিঙ্গুর ,সুগন্ধা ,ইলেকট্রিকগাড়ি ,সাইনাসোর ,টিফোজ ,হুগলি ,শিল্প ,চাকরি
রিপোর্টার: স্থানীয় স্টাফ রিপোর্ট

দাগি অযোগ্য’দের পরীক্ষা বন্ধে কড়া নির্দেশ — SSC কি ‘দাগিমুক্ত’ হবে?

‘দাগি অযোগ্য’দের পরীক্ষা বন্ধে কড়া নির্দেশ — SSC কি ‘দাগিমুক্ত’ হবে?

একজনও ‘দাগি অযোগ্য’ যাতে পরীক্ষা দিতে না পারে — কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের; এসএসসির প্রস্তুতি তীক্ষ্ণ

১,৮০৬ জনকে ‘দাগি অযোগ্য’ চিহ্নিত করলেও প্রশ্ন উঠছে—রবিবার আর কতটা ‘দাগিমুক্ত’ থাকবে এসএসসি?

প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ · রিপোর্টার: স্থানীয় সংবাদ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় ১,৮০৬ জনকে ইতিমধ্যেই ‘দাগি অযোগ্য’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে — এরই মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) আশ্বাস দিয়েছে যে কেউ অননুমোদিতভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত পরীক্ষার প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় — কিভাবে নিশ্চিত করা হবে যে পরীক্ষাপ্রবেশপত্র সহ কেউ প্রতারণার সুযোগ পাচ্ছে না?

বিস্তারিত রিপোর্ট

গত কয়েক মাস ধরে শিক্ষক নিয়োগ শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগ, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনৈতিক অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত বিতর্ক দেশজুড়ে তুমুল আলোচিত। সর্বোচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ — যাদের বিরুদ্ধে অনৈতিকতার প্রমাণ লেগেছে, তাদের নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না। এই নির্দেশের পরেই SSC একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে যেখানে ১,৮০৬ জনকে 'দাগি অযোগ্য' ঘোষণা করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রতিটি অ্যাডমিট কার্ড প্রভিশনাল এবং ফলও পরীক্ষার পরে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হবে — তবে তারা অনৈতিকতা প্রতিরোধে সমস্ত স্তরে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে।

কমিশন জানিয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছানোর অনুরোধ করা হয়েছে পরীক্ষা শুরুর অন্তত দু'ঘন্টা আগে। প্রতিটি আসন, হল এবং প্রশ্নপত্র এখন বারকোড-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ছেঁকে দেখা হবে—এই বারকোড স্ক্যানেই বোঝা যাবে অ্যাডমিট কার্ড আসল কি নকল। এছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসকে পর্যবেক্ষণে রিয়েল-টাইম অডিট ও সাইবার নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে কমিশন জানায়।

চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারের মন্তব্য:
“প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রতিটি ধাপই প্রভিশনাল — ফল প্রকাশের পরই চূড়ান্ত হবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই — যারা দাগ আছে, তাদের কোনওভাবেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। তবে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ আছে; কিন্তু আমরা তৎপর।”

ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা যেমন বারকোড স্ক্যান বেশ কার্যকর — কিন্তু 'দাগি অযোগ্য'দের কেন্দ্রেই পৌঁছনো আটকাতে মানবিক পর্যবেক্ষণ ও তালিকা-সঠিকতার মিল একসাথে রাখতে হবে। অভিযোগ আছে, প্রিন্ট, পরিচয়পত্র, প্রাতিষ্ঠানিক ভুল — এসব ব্যবহার করে কেউ কেন্দ্র ঢুকতে পারে। সে কারণেই কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অতিরিক্ত ভেরিফিকেশন টিম, CCTV মনিটরিং ও মোবাইল-নিরীক্ষণ কার্যক্রম চালু রাখা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য আছে। সেই টার্গেট রাখতে SSC দু’দফায় পরীক্ষা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে — ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। কমিশন বলেছে, যদি কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে তাহলে ফল স্থগিত করা হবে এবং ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রশ্ন থেকে যায়—প্রকৃতপক্ষে কেন্দ্রগুলোতে তালিকাভুক্ত ১,৮০৬ 'দাগি অযোগ্য'রাই কী সকল? নথিপত্র যাচাই, ডিবাগিং ও ম্যানুয়াল ক্রস-চেক করার তাগিদে কমিশন একাধিক বার শিফট করেছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ও অননুমোদিত যন্ত্রপাতি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, র্যান্ডম আইডি যাচাই এবং প্রাথমিক ইন্টারভিউ-বেসড শংসাপত্র যাচাইও করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে অনুশীলনে এই সব পদ্ধতি কতটা সফল হবে — তা রবিবারের পরীক্ষার পরই স্পষ্ট হবে। শিক্ষার মাঠে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এটা একটি বড় পদক্ষেপ; তবু যথাযথ বাস্তবায়ন ছাড়া নির্দেশ কাগজে সীমাবদ্ধ থেকেই যায়—এই সতর্কবার্তা আগেই এসেছে নীতি বিশ্লেষক ও শিক্ষাবিদদের তরফে।

হাইলাইট — মূল পয়েন্ট

  • ১,৮০৬ জনকে ‘দাগি অযোগ্য’ হিসেবেSSC তালিকাভুক্ত করেছে।
  • পরীক্ষা: ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর; কমিশন নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
  • প্রতি অ্যাডমিট কার্ডে বারকোড — স্ক্যান করে সত্যতা যাচাই করা হবে।
  • পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ: পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে।
  • যদি অনিয়ম ধরা পড়ে—ফল স্থগিত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্মপ্রক্রিয়া ও সতর্কতা তালিকা (সংক্ষিপ্ত)

  • বাহ্যিক নথি যাচাই + বারকোড স্ক্যান — দাতব্য নকল শনাক্তকরণ।
  • কেন্দ্রে র‍্যান্ডম আইডি ভেরিফিকেশন টিম মোতায়েন।
  • CCTV ও রিয়েল-টাইম মনিটরিং চালু।
  • প্রশ্নপত্র সিকিউরিটি: কন্টেইনার লকিং ও সফটওয়্যার ট্র্যাকিং।
  • আপত্তি থাকলে নতুন তদন্ত-ফ্রেমওয়ার্ক এবং দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
রিপোর্ট: স্থানীয় সংবাদ | অনুসরণ করুন আমাদের পরের আপডেটের জন্য। তথ্যসূত্র: SSC ঘোষণা, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশিকা ও কমিশন সূত্র।

রেকর্ড ইনকাম! ৩৫৮ কোটি হয়ে গেল, স্পনসর এক ম্যাচেই যোগ করছে অতিরিক্ত ৫০ কোটি…

ড্রিম ইলেভেন-বিসিসিআই স্পনসরশিপ ছিন্ন; নতুন চুক্তি, ৫০০ কোটি+ আয়ের লক্ষ্য

ড্রিম ইলেভেন-বিসিসিআই স্পনসরশিপ ছিন্ন; বোর্ড নতুন দরপত্রে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি আয়ের লক্ষ্যে

অনলাইন গেমিং বিল পাশের পর টাইটেল স্পনসর ছাড়াই খেলে ভারত; বিসিসিআই জার্সি রাইট রিভ্যাম্প করে উচ্চ মূল্য ধার্য

আপডেট: ২০২৫ | রিপোর্ট: স্পোর্টস-বিজনেস/বিশ্লেষণ

সম্প্রতি পার্লামেন্টে Promotion and Regulation of Online Gaming Bill 2025 পাশ হওয়ার পর থেকেই ক্রমে বদলে যাচ্ছে ক্রিকেটের বাণিজ্যিক চিত্র। এরই প্রভাব পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) প্রধান স্পনসরশিপ কাঠামোয় — টিম ইন্ডিয়ার মুহূর্তিক টাইটেল পার্টনার ড্রিম ইলেভেন–এর সঙ্গে ২০২৩–২০২৬ চক্রের আগের চুক্তি কার্যত শেষ বলে ঘোষণা এসেছে।

ড্রিম ইলেভেন ২০২৩ সালে টিম ইন্ডিয়ার টাইটেল স্পনসর হিসেবে যা দিয়েছে — সেটা ছিল $44 মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৫৮ কোটি টাকা। বিল পাশ হবার পরে অনলাইন ফ্যান্টাসি ও রিলেটেড গেমিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্পন্সরশিপ থেকে স্বতন্ত্র করা থাকায় বোর্ড ঐ স্পনসরশিপ বাতিলের পথ বেছে নিয়েছে। ফলস্বরূপ, আপাতত টিম ইন্ডিয়া স্পনসরহীন অবস্থায় খেলবে।

তবে বিসিসিআই-এর আর্থিক পরিকল্পনায় নতুন আশা ঝলমলে — বোর্ড জানিয়েছে তারা আগামী তিন বছরের নতুন টাইটেল ডিলে পাবেন উল্লেখযোগ্য আয়; সূত্রের হিসেবে বোর্ড অনুমান করছে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি আয় সম্ভব। এর পেছনে মূল কারণ হচ্ছে বিসিসিআই যেগুলো রেট বাড়িয়েছে তা— ম্যাচভিত্তিক ব্র্যান্ডিং ফি পুনঃনির্ধারণ।

এক গণমাধ্যম রিপোর্ট অনুযায়ী, বিসিসিআই দ্বিপাক্ষিক ম্যাচের জন্য এখন স্পনসরদের থেকে প্রতি ম্যাচ ৩.৫ কোটি টাকা নেবে, যেখানে বহুপাক্ষিক (ICC/ACC) টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোর জন্য নির্ধারিত মূল্য হয়েছে ১.৫ কোটি টাকা। তুলনামূলকভাবে পূর্বে দ্বিপাক্ষিক ম্যাচের দাম ছিল ৩.১৭ কোটি এবং বহুপাক্ষিক ম্যাচের জন্য ১.১২ কোটি। এই মানচিত্র অনুযায়ী দ্বিপাক্ষিক মূল্যায়নে প্রায় ১০% এবং বহুপাক্ষিক মূল্যায়নে প্রায় ৩% বৃদ্ধি ঘটেছে।

বিসিসিআইর এই কৌশলগত পদক্ষেপের কারণ স্পষ্ট— দ্বিপাক্ষিক ম্যাচে জার্সির সামনের অংশে স্পনসররা ব্যাপক ভিজিবিলিটি পায়, ফলে ব্র্যান্ড এক্সপোজারের মতো বিষয় বিবেচনায় মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া বোর্ড আশা করছে পরবর্তী তিন বছরে প্রায় ১৩০টি ম্যাচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে নতুন স্পনসরশিপ চক্রে — যেখানে পরপর বড় ইভেন্ট থাকবে, যেমন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপ, ফলে মোট আয় বেড়ে যাবে।

সংক্ষেপ — কী বদলে গেছে

• ড্রিম ইলেভেনের $44 মি. (~৩৫৮ কোটি টাকা)–র টাইটেল চুক্তি বিল পাশের পর স্থগিত/ফুটেছে।

বঙ্গের রাজনীতিতে উত্থান: তৃণমূল-বিজেপি নেতাদের অপ্রত্যাশিত মিলন

কানকি রেল স্টেশনে বিরল দৃশ্য: তৃণমূল বিধায়ক-বিজেপি সাংসদ একসঙ্গে

কানকি রেল স্টেশনে বিরল দৃশ্য: তৃণমূল বিধায়ক-বিজেপি সাংসদ একসঙ্গে

উত্তর দিনাজপুরের কানকিতে তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসের নতুন স্টপেজ উদ্বোধনে দুই নেতার সৌজন্য মঞ্চ

উত্তর দিনাজপুরের কানকি রেল স্টেশন শুক্রবার বিকেলে সাক্ষী হলো একটি বিরল দৃশ্যের। রাজনৈতিক মঞ্চ আলাদা হলেও চাকুলিয়ার তৃণমূল বিধায়ক মিনাজুল আরফিন আজাদ এবং রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য— আরও পড়ুন , নদীয়ার তেহট্ট এর ৮ বছরের বাচ্চাকে খুন করে জলাশয়ে ফেলে দিল কলকাতাগামী তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসের নতুন স্টপেজের উদ্বোধন

মঞ্চে দেখা গেল এক অদ্বিতীয় সৌজন্যের দৃশ্য। বিধায়কের মুখে সাংসদের প্রশংসা, সাংসদের বক্তব্যে বিধায়কের স্তুতি— যা সাধারণ মানুষকে আপ্লুত করল। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে পেছনে ফেলে ক্ষেত্রের উন্নয়নের স্বার্থে একত্রে কাজের বার্তা প্রকাশ পেল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, দূরপাল্লার ট্রেনে যেতে তাদের বিহারের কিষানগঞ্জ পর্যন্ত ভ্রমণ করতে হতো। এই স্টপেজ চালুর ফলে কলকাতা যাতায়াত সহজ ও সুবিধাজনক হবে।

  • নতুন স্টপেজ চালুর ফলে যাত্রীরা দীর্ঘ সময় ও ভ্রমণ ব্যয় বাঁচাবেন।
  • রেল স্টেশনের জন্য নতুন রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে সাংসদ বিধায়কের সঙ্গে সমন্বয় করেছেন।
  • দুই নেতা একযোগে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে কাজের আশ্বাস দিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের জন্য এ এক বড় সুবিধা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা আশা করেছিলেন ট্রেন স্টপেজ চালু হবে, এবং অবশেষে সেই আশা পূর্ণ হলো।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন দৃশ্য রাজনীতিতে বিরল। যে দুই নেতা সাধারণত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত, তারা এখন **ভোটের রাজনীতি সরিয়ে এলাকার স্বার্থে একত্রে কাজ করছেন**। এটি একটি উদাহরণ যা দেখায়, যখন উদ্দেশ্য জনকল্যাণের হয়, তখন রাজনৈতিক পার্থক্যও অগ্রাহ্য হতে পারে।

উল্লেখ্য, তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস পূর্বে বিহারের কিষানগঞ্জ পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মধ্যে ফেলত। নতুন স্টপেজ চালুর ফলে যাত্রীরা স্থানীয় রেল স্টেশন থেকে সরাসরি কলকাতা যেতে পারবেন।

দুই নেতার একসঙ্গে উপস্থিতি শুধু রেল স্টপেজের উদ্বোধনই নয়, বরং **সদ্য নির্মিত নতুন রাস্তা এবং স্টেশনের উন্নয়নের পরিকল্পনার সাথে সমন্বয়**ও দেখায়। জনগণ আশা করছেন, এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
#কানকি #তিস্তা_তোর্সা_এক্সপ্রেস #তৃণমূল #বিজেপি #মিনাজুল_আরফিন_আজাদ #কার্তিক_চন্দ্র_পাল #রেল_স্টপেজ #উত্তর_দিনাজপুর #রাজনীতি #উন্নয়ন

মুম্বইয়ে ৪০০ কেজি আরডিএক্স নিয়ে ১ কোটি মানুষকে খুনের হুমকি

মুম্বইয়ে ৪০০ কেজি আরডিএক্স নিয়ে ১ কোটি মানুষকে খুনের হুমকি

মুম্বইয়ে ৪০০ কেজি আরডিএক্স নিয়ে ১ কোটি মানুষকে খুনের হুমকি, গ্রেফতার নয়ডার বাসিন্দা

মুম্বই পুলিশ এবং NIA তদন্ত শুরু করেছে, জনসাধারণকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

মুম্বই: ভারতে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর মুম্বই পুলিশ একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি মুম্বইতে ৪০০ কিলোগ্রাম আরডিএক্স বিস্ফোরক ব্যবহার করে এক কোটি মানুষকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এই হুমকির বিষয়টি পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম অশ্বিনীকুমার সুরেশকুমার সুপ্রা, বয়স ৫০ বছর। তিনি আদতে পটনার বাসিন্দা, তবে এই মুহূর্তে নয়ডায় অবস্থান করছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মুম্বইয়ে ভয়ঙ্কর হামলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মুম্বই ট্রাফিক পুলিশের ওয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে হামলার হুমকি দেয়। বার্তায় তিনি দাবি করেন যে, ৩৪ জন মানববোমা মুম্বইয়ে হামলা চালাতে প্রস্তুত। এই ধরনের হুমকি প্রশাসনের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কেবল হুমকি দিয়েছে তা নয়, তার সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই দ্বিতীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গ্রেফতারকৃত অশ্বিনীকুমারকে সিম কার্ড সরবরাহ করেছেন, যার মাধ্যমে হুমকি বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই সিম কার্ড ব্যবহার করে অপরাধী বার্তাগুলো প্রেরণ করেছিল।

মুম্বই পুলিশ এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থাগুলি (NIA) এ ঘটনায় সক্রিয় তদন্ত শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে বিস্ফোরক সরবরাহ বা হামলার চূড়ান্ত পরিকল্পনার কোনো সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে, তাদের সঙ্গে থাকা বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এবং নথি পরীক্ষা করা হচ্ছে, যা থেকে আরও তথ্য উঠে আসতে পারে। আরও খবর পড়ুন শরীরী আকর্ষণে খ্যাত বাঙালি নায়িকা স্পা এর আড়ালে,,,,,

পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়া হয়েছে। মুম্বই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিকিউরিটি বাড়ানো হয়েছে, এবং সন্দেহভাজন কার্যকলাপ নজরদারি করা হচ্ছে। মুম্বই ট্রাফিক পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন একযোগে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে যে, যেকোনো অস্বাভাবিক ঘটনা বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ পুলিশকে অবিলম্বে জানাতে হবে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ওয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এই ধরনের হুমকি একটি বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। তাই পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

উল্লেখ্য, এই ধরণের ঘটনা দেশের নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে গুরুতর বার্তা দেয়। একজন ব্যক্তি মাত্র এমন হুমকি দিয়ে সমগ্র শহর এবং নাগরিকদের আতঙ্কিত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে, প্রশাসনের সতর্কতা এবং জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য।

বর্তমানে, অশ্বিনীকুমার সুরেশকুমার সুপ্রা এবং সহযোগী ব্যক্তিকে মুম্বই পুলিশের কন্ট্রোল রুমে রাখা হয়েছে। তাদের আইনানুগ জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, এবং মামলার বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই প্রকাশ করা হতে পারে।

এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আছে কি না, তা খুঁজে বের করাই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। তবে, এখন পর্যন্ত তাদের দাবি শুধুমাত্র হুমকি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে। তদন্তের পরই দেখা যাবে, এটি বাস্তব কোনো হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না।

সাধারণ নাগরিকদের জন্য পুলিশের বার্তা স্পষ্ট: "যেকোনো অস্বাভাবিক কার্যকলাপের ক্ষেত্রে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমাদের লক্ষ্য হলো মুম্বই শহরকে সুরক্ষিত রাখা।"

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কেমন আছেন অগ্নিমিত্রা পাল? বিজেপি বিধায়কের স্বাস্থ্য আপডেট

কেমন আছেন অগ্নিমিত্রা পাল? বিজেপি বিধায়কের স্বাস্থ্য আপডেট

কেমন আছেন অগ্নিমিত্রা পাল? বিজেপি বিধায়কের স্বাস্থ্য আপডেট

কলকাতা: স্থিতিশীল অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বিজেপি বিধায়ক

পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বৃহস্পতিবার রাতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি আপাতত স্থিতিশীল আছেন এবং কোনো তাত্ক্ষণিক বিপদজনক অবস্থা নেই। তবে স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপের কারণে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, "আমরা এখনও সম্পূর্ণ সতর্ক। ব্রেন স্ট্রোকের কারণে শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যাওয়া বা অঙ্গ বিকল হওয়ার মতো লক্ষণ আপাতত দেখা যায়নি। তবে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এড়াতে আগামী ৪৮ ঘণ্টা কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।"

অগ্নিমিত্রার বর্তমান অবস্থা

  • হাসপাতালে থাকা অবস্থায় নিয়মিত কথাবার্তা বলছেন।
  • মনোবল ভালো এবং মানসিকভাবে শক্ত অবস্থায় আছেন।
  • পরিবার এবং রাজনৈতিক সহকর্মীদের সান্ত্বনা দেওয়া হচ্ছে।
  • সঠিক চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণ চলছে।

রাজনৈতিক প্রভাব

অগ্নিমিত্রা পাল দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিজেপির মুখ্য নেতা হিসেবে কাজ করছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে কার্যকারিতা এবং জনপ্রিয়তার জন্য পরিচিত। এর আগে বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা বা চাপজনিত কারণে তিনি বিশ্রামে ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অত্যাধিক কর্মচাপ এবং মানসিক চাপ রাজনীতিবিদদের মধ্যে ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আরো খবর পড়ুন , নদীয়ার তেহট্টে ৮ বছরের বাচ্চা কে হত্যা করে জলাশয়ে ফেলে গেল

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, অগ্নিমিত্রার অসুস্থতা অল্প সময়ের জন্য হলেও রাজ্য রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত ভোট ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে তাঁর অনুপস্থিতি দলীয় কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে দল ও সহকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি সম্পূর্ণ আরাম এবং চিকিৎসা পাচ্ছেন।

পরিবার ও চিকিৎসকদের মন্তব্য

  • পরিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
  • তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে জনসেবায় ফিরতে আগ্রহী।
  • সময়মতো হাসপাতালে ভর্তি হওয়া একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

স্ট্রোক বা স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপজনিত সমস্যা দ্রুত সনাক্ত এবং চিকিৎসা করলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। অগ্নিমিত্রার ক্ষেত্রেও সময়মতো পর্যবেক্ষণ নেওয়া হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, অগ্নিমিত্রা পাল বর্তমানে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন এবং কোনো জটিলতা দেখা দিচ্ছে না। আগামী ৪৮ ঘণ্টা তার শারীরিক অবস্থা নিরীক্ষণের মূল সময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিবার, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং চিকিৎসকরা সকলেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook

#অগ্নিমিত্রাপাল #BJPবিধায়ক #স্বাস্থ্যআপডেট #ব্রেনস্ট্রোক #পশ্চিমবঙ্গরাজনীতি #BJP

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog