Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 2 October 2025

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

ইসরায়েলের বাধা সত্ত্বেও গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী ৩০ নৌযান

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: মোক্তার হোসেন মন্ডল

গাজার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌযান

ইসরায়েলের অব্যাহত বাধা ও নিরাপত্তা পদক্ষেপের মধ্যেও ফিলিস্তিনের গাজার উদ্দেশে এগোচ্ছে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌবহরের অন্তত ৩০টি নৌযান। ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ নামের এই বহর বর্তমানে গাজা উপত্যকা থেকে মাত্র ৮৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বুধবার রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে টেলিগ্রামে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের অবরোধ ও হামলার শিকার। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এই সংঘর্ষে গাজার ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। লাখো বাসিন্দা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছেন। মানবিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে সমুদ্রপথে এই ফ্লোটিলারের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের লক্ষ্য:
৪০টির বেশি নৌযান নিয়ে গঠিত এই বহরে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ ৪৪ দেশের প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে আছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য, চিকিৎসক, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

এর আগে ভূমধ্যসাগরে গাজা থেকে প্রায় ১২৯ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলি সেনারা এই বহরের ওপর নজরদারি শুরু করে। অন্তত আটটি নৌযান আটক করে বেশ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে সুইডিশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। ইসরায়েল জানিয়েছে, এই নৌযানগুলির আরোহীদের নিরাপদে বন্দরে নেওয়া হচ্ছে। তবে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, থামানো নৌযানের সংখ্যা আরও বেশি।

ফ্লোটিলারের মুখপাত্র জানান, গাজার মানুষের অব্যাহত মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। এই অভিযান শুধু খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য নয়, বরং এটি গাজার জনগণের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সচেতনতা জাগানোর একটি মাধ্যম।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের প্রতি অতিরিক্ত সতর্ক। ইসরায়েলি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নৌযানগুলি গাজার জলসীমায় প্রবেশ করলে সেগুলিকে আটক করা হবে। তবে ফ্লোটিলার পক্ষের দাবী, তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং মানবিক কার্যক্রমে নিযুক্ত।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরায়েলের এই আচরণকে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক নৌযানগুলিকে আটক করা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও সমুদ্র আইন লঙ্ঘন। গাজার সাধারণ মানুষকে সহায়তা পৌঁছে দিতে দেওয়া উচিত।

মানবিক সহায়তার গুরুত্ব:
অবরোধ ও হামলার কারণে গাজার মানুষ খাদ্য, পানি, ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে। আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলারের মাধ্যমে এগুলো সরবরাহ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত বহু আন্তর্জাতিক সাংবাদিক এই অভিযানকে জীবন্ত সংবাদ হিসেবে রিপোর্ট করছেন। তাদের মতে, গাজার সংকট আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিংয়ের জন্য এই ধরনের উদ্যোগ অপরিহার্য।

ফ্লোটিলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আন্তর্জাতিক সহমর্মিতা। গাজা অনেক বছর ধরে অবরোধ ও সহিংসতার শিকার হলেও, বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন মানুষকে আশা এবং নিরাপত্তার বার্তা দেয়। এই ধরনের পদক্ষেপ গাজার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য শুধু সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি করা। তারা আশা করছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় গাজার অবরুদ্ধ মানুষদের পাশে দাঁড়াবে এবং সহায়তা নিশ্চিত করবে।

গাজার পরিস্থিতি ক্রমেই মানবিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে। তাই এই ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও মানবিক আইন মেনে কাজ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে অনেক দেশের সরকার, মানবাধিকার সংস্থা ও সাধারণ মানুষ এই ফ্লোটিলারের সঙ্গে সমর্থন প্রকাশ করছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুত গাজার মানুষের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে যাবে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষও এই ফ্লোটিলারকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই ধরনের উদ্যোগ মানুষের জীবন রক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লোটিলারের অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ:
যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ মোট ৪৪ দেশ থেকে প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি এই মানবিক অভিযান চালাচ্ছেন।

ইসরায়েলি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফ্লোটিলারের এই ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা নীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েলের অবরোধ নীতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার ভূমিকা নিয়ে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র মানবিক সহায়তা নয়, বরং এটি গাজার মানুষের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থনের প্রতীক। এটি ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক অবস্থানেও চাপ তৈরি করতে পারে।

এদিকে ইসরায়েলি সেনারা জানিয়েছে, তারা ফ্লোটিলারের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং নৌযানগুলি বন্দরে নেবে। তবে তারা সতর্ক করেছেন, যদি নৌযানগুলো অবরুদ্ধ জলসীমায় প্রবেশ করে, তাহলে তা আটক করা হবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Amnesty International এবং Human Rights Watch এই অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা আরও বলেছেন, ফ্লোটিলারের এই ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে গাজার সংকটের দিকে মনোযোগ বাড়াবে। এটি বিশ্ববাসীর কাছে মানবিক দায়িত্বের বার্তা পৌঁছে দেবে।

ফ্লোটিলারের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা গাজার হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সরবরাহ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এতে গাজার শিশু, বৃদ্ধ ও আহত মানুষদের উপকার হবে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
ফ্লোটিলারের উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে Amnesty International, Human Rights Watch এবং ইউরোপীয় অনেক সরকার। তারা মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

গাজার মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর এই আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা বিশ্ব সম্প্রদায়ের মানবিক দায়িত্ব এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করছে। এটি ইসরায়েলের অবরোধ ও নিরাপত্তা নীতির সাথে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

ফ্লোটিলারের মুখপাত্র আশা করছেন, শান্তিপূর্ণভাবে এই অভিযান সম্পন্ন হবে এবং গাজার মানুষদের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও নজরদারির ফলে গাজার সাধারণ মানুষদের জন্য এটি একটি আশার দিশা হয়ে উঠেছে।

ফ্লোটিলারের এই অভিযান আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে। এটি গাজার মানবিক সংকটের বাস্তব ছবি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে এবং আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারকদেরও সতর্ক করছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছেন, এই ফ্লোটিলার মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এই ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গাজার মানুষদের জন্য শুধু সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নয়, বরং বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে মানবিক সচেতনতা এবং সহমর্মিতা জাগানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

খান্ডোয়া জেলায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় ট্র্যাক্টর-ট্রলি উল্টে ১১ জন নিহত, আহত বহু।

বিজয়া দশমীতে মধ্যপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: ১১ জনের মৃত্যু

বিজয়া দশমীর দিনেই মধ্যপ্রদেশে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা: ১১ জনের মৃত্যু

মধ্যপ্রদেশে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দুর্ঘটনা
খান্ডোয়া জেলায় আরডালা বাঁধের কাছে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ট্র্যাক্টর-ট্রলি উল্টে যায়।

মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া জেলায় বিজয়া দশমীর দিনেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, স্থানীয় আরডালা বাঁধের কাছে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় প্রতিমা ও যাত্রী বহনকারী ট্র্যাক্টর-ট্রলি উল্টে যাওয়ায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৮ জন নাবালিকা। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ট্রলিটিতে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাঁধের ব্যাকওয়াটারের কাছে ভিড় জমে। নিকটবর্তী গ্রাম থেকে প্রতিমা বিসর্জনের উদ্দেশ্যে মানুষ ট্র্যাক্টর-ট্রলিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ট্রলির চালক সেটিকে ব্যাকওয়াটারের মাঝামাঝি রাস্তায় নিয়ে যান। ভার বহন করতে না পারায় রাস্তার অংশ ভেঙে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে ট্র্যাক্টর-ট্রলিটি উল্টে পড়ে।

প্রাথমিক কারণ: ট্র্যাক্টর-ট্রলির অতিরিক্ত ভার ও খারাপ রাস্তা।
মৃতের সংখ্যা: ১১ (৮ জন নাবালিকা)
আহত: কয়েকজন (অন্তর্বর্তী চিকিৎসা চলছে)
উদ্ধারকার্য: পুলিশ ও SDRF।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করেন। কয়েকজন যুবক নদীতে ঝাঁপ দিলেও জলের গভীরতার কারণে কাউকে উদ্ধার করতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে অনেকেই জলের তোড়ে ভেসে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও SDRF উদ্ধারকার্য শুরু করে। জেলা কালেক্টর ঋষভ গুপ্তা এবং এসপি মনোজ রাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও তদারকি করেন।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারকে প্রতিজন ৪ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

প্রশাসনিক কর্তারা দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখছেন। স্থানীয়দের মতে, ভিড়ের চাপ এবং নিরাপত্তার অভাব এই দুর্ঘটনার জন্য মূল কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যাকওয়াটার ও বাঁধের কাছাকাছি ট্রলিতে যাত্রী নেওয়া উচিত নয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বহু পরিবার এই দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ। প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দঘন দিনে ঘটে যাওয়া এই দুঃখজনক ঘটনা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

উদ্ধারকার্য চলাকালীন, প্রশাসন সাঁতারবিদ ও স্থানীয় বাহিনীর সহায়তায় মৃত ও আহতদের নিরাপদে বের করতে সচেষ্ট। চিকিৎসকেরা জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় মানুষ এবং প্রশাসন মিলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে। সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি: নতুন অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যরা

স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি: নতুন অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যরা

স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি: নতুন অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যরা

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজি সংবাদ
স্বামী চৈতন্যানন্দ বাবাজির বিরুদ্ধে নতুন যৌন লঙ্ঘনের অভিযোগ ও পুলিশি ধৃত শিষ্যদের খবর।

ডিজিটাল ডেস্ক: যত সময় যাচ্ছে ততই স্বঘোষিত ধর্মগুরু স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে। এবার সামনে এল সদ্য ধৃত বাবাজি সম্পর্কে নতুন অভিযোগ। ইনস্টিটিউটের এক প্রাক্তন পড়ুয়ার অভিযোগ, প্রায় ৯ বছর ধরেই এই ‘যৌনলীলা’ চালিয়ে গিয়েছেন অভিযুক্ত। এদিকে বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন বাবাজির তিন শিষ্যা! জানা যাচ্ছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছেন, পড়ুয়াদের চাপ দিয়ে অভিযুক্তর যৌন লালসার শিকার হতে বাধ্য করতেন তাঁরা।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বাবাজির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক প্রাক্তনীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ২০১৬ সালে তিনি এখানে পড়াশোনা করতেন। দাবি, অনেকেই নিজেজের ছেলেমেয়েকে নির্দ্বিধায় পড়তে পাঠাতেন কেননা তা কোনও একজন বাবা পরিচালনা করেন! অথচ এলাকার লোকেরাও বাবার ‘কীর্তি’ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল বলেই দাবি তাঁর।

টার্গেট’ করা ছাত্রীদের প্রতি বাবাজির আচরণ: তিনি নাকি যে মেয়েকে ‘টার্গেট’ করতেন তাঁকে আলাদা ঘরে রাখতেন। ফোন কেড়ে নিয়ে নতুন ফোন উপহার দিতেন। সেই ফোন থেকে ছাত্রী কাকে ফোন করতে পারবেন, তা নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনিই। ব্ল্যাকবেরি ও অ্যাপলের মতো দামি ফোন দিয়ে অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং চ্যাট মুছে দেওয়ার ক্ষমতা থাকত বাবাজির।

সেইসাথে তাঁর আরও দাবি, কর্মী হোক কিংবা পড়ুয়া, সকলের সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার করতেন বাবাজি। লোককে চাকরি থেকে বের করা, বেতন না দেওয়া এসবই ছিল সাধারণ বিষয়। তাঁর এক বান্ধবীও বাবাজির নজরে পড়েছিলেন। তাঁকে মথুরায় ইন্টার্নশিপে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। মাত্র একজনকে এভাবে পাঠানোর প্রস্তাবে সন্দেহ হয় ওই পড়ুয়ার। তিনি দ্রুত ইনস্টিটিউট ছাড়েন এবং ওই ছাত্রী বাবাজির বিরুদ্ধে এফআইরও দায়ের করেন।

#স্বামীচৈতন্যানন্দ #বাবাজি #যৌনলঙ্ঘন #পুলিশিধৃত #প্রাক্তনপড়ুয়া #অভিযোগ #ইনস্টিটিউট #ভারতসংবাদ
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

ভারতের সুবিধাজনক অবস্থান, কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি

ফ্ল্যাশ নিউজ: ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস ১৬২ রানে গুটিয়ে গেছে (গ্রিভস ৩২, হোপ ৩২)। জবাবে ভারত ২ উইকেটে ১২১ রান করেছে (রাহুল ৫৩*, যশস্বী ৩৬, জেডেন ২১/১, চেজ ১২/১)। ভারত এখন মাত্র ৪১ রানে পিছিয়ে।
ভারতের সুবিধাজনক অবস্থান, কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি

ভারতের সুবিধাজনক অবস্থান, কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট
প্রথম দিনের শেষে ভারত ২ উইকেটে ১২১ রান, কেএল রাহুল ৫৩ রান করে অপরাজিত।

প্রথম দিনের শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ভারত। শক্তির বিচারে ভারতের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আহমেদাবাদে ভারতীয় বোলারদের দাপটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস মাত্র ১৬২ রানে শেষ হয়েছে। জবাবে ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে অসাধারণ হাফসেঞ্চুরি করেছেন কেএল রাহুল। দিনের শেষে ভারতের রান ২ উইকেটে ১২১। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের রান টপকে যেতে ভারতের প্রয়োজন মাত্র ৪১ রান।

বৃহস্পতিবার টসে জিতে ব্যাটিং নেওয়া রস্টন চেজের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল, নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের ঘাসপালা ২২ গজে খেলতে নেমেও ১৬২ রানে গুটিয়ে যায়। সিরাজ নেন ৪০ রানে ৪ উইকেট, বুমরাহ নেন ৩টি, কুলদীপ ২টি এবং ওয়াশিংটন সুন্দরের শিকার ১টি উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ রান করেন জাস্টিন গ্রিভস (৩২)।

জবাবিতে ভারত: সন্তর্পণে শুরু করেন কেএল রাহুল এবং যশস্বী জয়সওয়াল। তৃতীয় সেশনে বৃষ্টি নামার পর ভারতের রান ছিল ২ উইকেটে ৯০। হালকা রোদ ওঠার পর ভারতীয় ওপেনাররা আক্রমণাত্মক হন। যশস্বী ৩৬ রানে আউট হলেও কেএল রাহুল ১০১ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন। দিনের শেষে অপরাজিত রয়েছেন রাহুল (৫৩) এবং অধিনায়ক শুভমান গিল (১৮)।

ইংল্যান্ডে সিরিজে সেভাবে রান পাননি সাই সুদর্শন। চেনা মাঠে মাত্র ৭ রানে আউট হন তিনি। হ্যামস্ট্রিংয়ে টান ধরলেও ধৈর্য এবং মনোযোগ ধরে রাখেন রাহুল।

#ভারতVsওয়েস্টইন্ডিজ #কেএলরাহুল #শুভমানগিল #টেস্টক্রিকেট #আহমেদাবাদ #ভারতক্রিকেট #ওয়েস্টইন্ডিজক্রিকেট #হাফসেঞ্চুরি #ক্রিকেটসিরিজ
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি ও কমলা সতর্কতা

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
দশমী আবহাওয়া সতর্কতা
দশমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে কমলা সতর্কতা জারি।

দশমীতে উমার বিদায়লগ্নে দুর্যোগ আরও ঘনিয়ে আসতে পারে। বৃহস্পতিবার সকালের বৃষ্টি সেই প্রশ্নকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরও বিশেষ আশার কথা শোনায়নি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ফলে নাছোড় বৃষ্টি পিছু ছাড়ার বদলে আরও বেগ বাড়াবে বলেই খবর।

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আজ, বৃহস্পতিবার এবং আগামীকাল শুক্রবার। কলকাতায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকবে, ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৭৫ কিমি। বাংলা ও ওড়িশার মৎস্যজীবীদের আগামীকাল পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে।

উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে সতর্কতা: ওড়িশার গোপালপুর থেকে পারাদ্বীপের মধ্যে অতি গভীর নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশ করবে। পুরীর কাছাকাছি স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা বেশি। কলকাতায় দিনভর মেঘলা আকাশ এবং বিক্ষিপ্তভাবে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২°C, সর্বোচ্চ ৩২.৭°C। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৯-৯৭%।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আজ সর্বাধিক ঝড়বৃষ্টি। কলকাতা ও হাওড়ায় কমলা সতর্কতা। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। উপকূলীয় এলাকায় ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও দুর্যোগের পরিমাণ বাড়বে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উপরোক্ত জেলাগুলোতে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার পর্যন্ত দুর্যোগ চলবে বলে প্রাথমিক তথ্য, সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।

#কলকাতাআবহাওয়া #ভারীবৃষ্টি #নিম্নচাপ #দক্ষিণবঙ্গ #কমলাসতর্কতা #ঝড়বৃষ্টি #উত্তরবঙ্গ #দুর্যোগসতর্কতা #দশমী
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ টলিউডে অভিষেক, মা-ছেলের পুজোর ঝলক

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫
প্রসেনজিৎ ও তৃষাণজিৎ
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র তৃষাণজিৎ ও মা অর্পিতা মুম্বইয়ে পুজো পালন করছেন।

বাবা সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পুজোর মরশুমে মুক্তি পাওয়া দেবী চৌধুরানী ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে নজরকাড়া অভিনয় করেছেন। কলকাতায় একাধিক পুজোর উদ্বোধন এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি থাকায় শহর ছেড়ে নড়ার উপায় হয়নি অভিনেতার। এ বছর তিনি শহরে একাই পুজো কাটিয়েছেন, কারণ স্ত্রী অর্পিতা ও ছেলে তৃষাণজিৎ মুম্বইতে ছিলেন।

মুম্বইতে থাকেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিনি জুহুতে বহু বছর ধরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে আসছেন। সেখানে দেখা গেছে পুত্রবধূ অর্পিতা এবং নাতি তৃষাণজিৎকে। নাতি মিশুকের জন্য বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই ভিডিও অর্পিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

প্রসেনজিৎ এবং পুত্র তৃষাণজিৎ সক্রিয়ভাবে যজ্ঞের সব আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন। মা অর্পিতাকে দেখা গেছে আগুনের তাপ দিতে ছেলের মাথায়।

তৃষাণজিতের টলিউড অভিষেক: শোনা যাচ্ছে, ঠাকুরদা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, বাবা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং মা অর্পিতার পথ অনুসরণ করে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায় খুব শীঘ্রই ফিল্মি দুনিয়ায় অভিষেক করতে চলেছেন। প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ তাঁকে সেলুলয়েডে নিয়ে আসছে এবং সব কিছু ঠিক থাকলে এবছরই শ্যুটিং শুরু হবে।

পুজোর আগে চলমান প্রচারের সময়, ‘দেবী চৌধুরাণী’ ছবির প্রচারের সময় তৃষাণজিতের অভিনয়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন হলে প্রসেনজিৎ তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেননি, যদিও পরিচালক বা প্রযোজনা সংস্থার নাম জানাননি।

#প্রসেনজিৎচট্টোপাধ্যায় #তৃষাণজিৎচট্টোপাধ্যায় #দেবীচৌধুরাণী #টলিউড #দুর্গাপুজো
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

"দশমীর সকাল থেকেই কলকাতা জুড়ে মেঘলা আকাশ ও মুষলধারে বৃষ্টি। পুজোর আনন্দে ভিজে গেল শহর, ছাতা সঙ্গে রাখা আবশ্যক।"

কলকাতায় দশমীর সকাল থেকে বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি, আবহাওয়া সতর্কতা জারি

কলকাতায় দশমীর সকাল থেকে বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টি, আবহাওয়া সতর্কতা জারি

আপডেট: ২ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১১:০০

কলকাতায় দশমীর বৃষ্টি

কলকাতার রাস্তার দৃশ্য, দশমীর সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি

দশমীর সকাল থেকেই কলকাতা এবং শহরতলির আকাশ মেঘলা ছিল। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হয়। তবে দুপুরের দিকে বেলা গড়াতে গড়াতে আকাশ কালো করে মুষলধারে বৃষ্টি নামল গোটা শহরে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশে বজ্রসহ প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া সতর্কতা: আবহাওয়া দফতর কমলা সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে শহরতলি এবং নদীবেষ্টিত এলাকায় জলাবদ্ধতা ও দ্রুত বেগে বাতাসে সতর্ক থাকতে হবে। হঠাৎ বজ্রপাত এবং ঝড় হতে পারে।

দশমীতে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় প্রায় সারা দিনই বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়ারও পূর্বাভাস রয়েছে। শহরের বিভিন্ন বড় পুজোমণ্ডপ খোলা থাকায় দর্শনার্থীদের ছাতা ও বৃষ্টি প্রতিরোধী পোশাক সঙ্গে রাখা বাঞ্ছনীয়।

নবমীর রাত থেকেই কলকাতা ও শহরতলির বেশ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। তাতে পুজোর আনন্দ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, অনেক জায়গায় পুজো অনুষ্ঠান আগের পরিকল্পনা মতোই চলেছে।

বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাব

বঙ্গোপসাগরে একটি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে, যা ধীরে ধীরে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতাসহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নচাপের প্রভাবে দশমীতে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।

শহরের কোথাও কোথাও বৃষ্টি মৃদু হলেও, দুপুর ১২টা নাগাদ আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি নামে। এমন পরিস্থিতিতে পুজো উদযাপনকারী মানুষদের জন্য শহরের সড়কগুলিতে চলাচল কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

দশমীর বৃষ্টি এবং পুজোর প্রস্তুতি

কলকাতার বিভিন্ন বড় পুজোমণ্ডপে দশমীর প্রার্থনা ও দর্শনার্থী উপচে পড়েছে। বৃষ্টির কারণে কিছু মণ্ডপে দর্শনার্থীদের চলাচল সীমিত হতে পারে। বিশেষ করে খোলা মণ্ডপ এবং রাস্তার পাশে স্থাপিত মণ্ডপগুলিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। তাই দর্শনার্থীদের ছাতা ও রেইনকোট সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

দশমী ছাড়াও আগামিকাল একাদশীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

শহরবাসীর জন্য পরামর্শ

  • বৃষ্টির সময় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • শহরের জলাবদ্ধতা এবং ট্রাফিক জ্যামের কারণে অতিরিক্ত সময় রাখুন।
  • বাচ্চাদের সঙ্গে বাইরে বের হলে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন।
  • যাদের জরুরি কাজে বাইরে যেতে হয়, তারা ছাতা, রেইনকোট এবং ওয়াটারপ্রুফ জুতো ব্যবহার করুন।
  • বজ্রপাতের সময় উঁচু স্থানে বা খোলা এলাকায় থাকার থেকে বিরত থাকুন।

প্রবল বৃষ্টির সম্ভাব্য প্রভাব

দশমীর বৃষ্টিতে শহরের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে জলমগ্ন হতে পারে। হঠাৎ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার কারণে বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়া সড়কে চলাচলে অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নাগরিকদের আবহাওয়া সতর্কতার কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

উপসংহার

দশমী উপলক্ষে কলকাতাসহ শহরতলিতে বজ্রসহ মুষলধারে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শহরের বড় বড় পুজোমণ্ডপ খোলা থাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক। আবহাওয়া দফতর থেকে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং শহরবাসীর জন্য বিভিন্ন নিরাপত্তা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছাতা, রেইনকোট এবং সাবধানী চলাচল এই বৃষ্টিতে নিরাপদ থাকার মূল চাবিকাঠি।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

হামাস-ইজরায়েল সংঘাত: গাজায় ইজরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজারের বেশি

হামাস-ইজরায়েল সংঘাত: গাজায় ইজরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজারের বেশি

হামাস-ইজরায়েল সংঘাত: গাজায় ইজরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজারের বেশি

গাজা সংঘাত
গাজার ভূখণ্ডে ইজরায়েলি সেনার হামলার পর ধ্বংসস্তূপে প্যালেস্তাইনিরা।

গাজার ভূখণ্ডে হামাস এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স ধারাবাহিকভাবে বিমান ও স্থল হামলা চালাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিশু, নারী ও বয়স্করা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে এই সংঘাত এখন অন্যতম চর্চার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই সময়ে ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ফ্রান্স প্যালেস্তাইনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, "গাজার ভূখণ্ড অবিলম্বে খালি করতে হবে। যারা সেখানে থেকে যাবে, তাদেরকে জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ধরা হবে এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: "গোটা ঘটনায় জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদীদের সুবিধা হয়েছে। প্যালেস্তাইন কখনও স্বাধীন রাষ্ট্র হবে না।"

রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও প্যালেস্তাইনের স্বীকৃতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, "কিছু দেশ প্যালেস্তাইনকে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিচ্ছে, যা হামাসকে পুরস্কৃত করার সমতুল্য। আমেরিকা সেই পথে হাঁটবে না।"

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটে ভারতসহ ১৪২টি দেশ প্যালেস্তাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে মাত্র ১০টি দেশ, এবং ১২টি দেশ ভোটদান করেনি। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জ গাজার ভূখণ্ডে ইজরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

গাজার শরণার্থী শিবির এবং নগর এলাকায় ইজরায়েলি সেনার হামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য, এবং বহু পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। শিশু ও তৃষ্ণার্ত মানুষদের ওপর বোমা ও স্থল হামলার ফলে মানবিক সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে।

মানবিক ক্ষতি: ইজরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। অসংখ্য শিশু, নারী ও বয়স্কদের জীবনের ক্ষতি হয়েছে। শরণার্থী শিবিরগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে।

অঞ্চলের রাজনৈতিক পটভূমি অত্যন্ত জটিল। ২০০৭ সাল থেকে গাজার ভূখণ্ডে হামাস নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন সংঘাত বহু বছর ধরে চললেও সাম্প্রতিক এই তীব্রতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং রাষ্ট্রপুঞ্জের পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করছে।

বিশ্ব রাজনীতি এখন গাজার দিকে নজর দিচ্ছে। প্যালেস্তাইনের স্বীকৃতি, ইজরায়েলি হুঁশিয়ারি, এবং তীব্র হামলার ফলে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। শান্তি স্থাপনের জন্য যে কোনো সময় জরুরি উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

অভিষেক-ঐশ্বর্য বচ্চনের ডিপফেক মামলা: গুগলের কাছে ৪ কোটি টাকা দাবি

অভিষেক-ঐশ্বর্য বচ্চনের ডিপফেক মামলা: গুগলের কাছে ৪ কোটি টাকা দাবি

অভিষেক-ঐশ্বর্য বচ্চনের ডিপফেক মামলা: গুগলের কাছে ৪ কোটি টাকা দাবি

নয়া দিল্লি: বর্তমান সময়ে গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকাদের ডিপফেক-এর শিকার হওয়া প্রায় সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও তাঁর স্ত্রী ঐশ্বর্য রাই বচ্চনও এ বিষয় থেকে বঞ্চিত নন। তাঁদের ছবি ও ভিডিও অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্টে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার ফলে ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিষেক ও ঐশ্বর্য বচ্চন
ছবি: অভিষেক ও ঐশ্বর্য বচ্চন

এই পরিস্থিতি এড়াতে সম্প্রতি তাঁরা দিল্লি হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই ব্যবহার করে তাঁদের মুখ-চেহারা ও কণ্ঠস্বর বিকৃত করে নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে অনামী বা বেনামি ওয়েবসাইট, ইউটিউবের লিঙ্কসহ প্রায় ১৫০০ পৃষ্ঠা তথ্য।

অভিযোগ অনুযায়ী, বচ্চন দম্পতির ছবি ব্যবহার করে কফি মগ, টি-শার্টের মতো পণ্য তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া এআই দ্বারা তৈরি করা বিকৃত ও অন্তরঙ্গ ছবি নেটপাড়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালতের কাছে জমা দেওয়া লিঙ্কগুলিতে কখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অভিষেক ও ঐশ্বর্যকে একসঙ্গে নৈশভোজ করতে দেখা যায়, আবার কখনও পরস্ত্রীর গালে চুমু বসানোর দৃশ্যও দেখা গেছে।

কোর্টের নির্দেশ: দিল্লি হাই কোর্ট ইতিমধ্যেই ৫১৮টি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক সরানোর নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারে বচ্চনদের শুধু আর্থিক ক্ষতি হয়নি, বরং তাঁদের মান-মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সম্মানও হুমকির মুখে পড়েছে।

কোর্টের মতে, বিনা অনুমতিতে কোনও বিজ্ঞাপনী ছবি বা ভিডিওতে তারকাদের মুখ ব্যবহার করা হলে ক্রেতারাও বিভ্রান্তির শিকার হতে পারেন। এ ধরনের কৃত্রিম কনটেন্ট তৈরি করা হলে তারকাদের ব্যক্তি অধিকার লঙ্ঘিত হয়। তাই আদালত বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরত্বের সঙ্গে দেখেছে।

অভিষেক-ঐশ্বর্যর পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন আইনজীবীরা। তাদের দাবি, গুগলের প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের কনটেন্ট প্রকাশের কারণে তাদের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই কারণেই তারা গুগলের কাছে ৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।

বলিউড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এ ধরনের কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের ডিপফেক কনটেন্টের বিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেকারণে আদালতের পদক্ষেপ এবং তারকাদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন কেবল নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই নয়, বরং অন্য তারকাদেরও সতর্ক করার জন্য এই মামলা করেছেন। আদালতের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার রোধ করা অপরিহার্য।

সংক্ষেপে, এই মামলার মাধ্যমে বলা যায় যে, ডিজিটাল যুগে তারকাদের মান-মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। আদালতের রায় ও আদালতের নির্দেশিত লিঙ্ক সরানোর পদক্ষেপ ভবিষ্যতে এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের সম্ভাবনা কমাবে।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

মোদির জনবিন্যাস বদল মন্তব্য: ভারতীয় ঐক্যের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

মোদির জনবিন্যাস বদল মন্তব্য: ভারতীয় ঐক্যের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

মোদির জনবিন্যাস বদল মন্তব্য: ভারতীয় ঐক্যের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

নয়া দিল্লি: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে নতুন ডাক টিকিট ও মুদ্রা প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং আরএসএসের শীর্ষকর্তারা।

মোদি আরএসএস অনুষ্ঠানে
ছবি: প্রধানমন্ত্রী মোদি আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন

প্রধানমন্ত্রী মোদি অনুষ্ঠানে বলেন, "অনুপ্রবেশ নয়, বর্তমান ভারতের ঐক্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল জনবিন্যাসের পরিবর্তন। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রক্ষার আদর্শ ভারতের আত্মায় নিহিত। কিন্তু জাতপাত, ভাষা, আঞ্চলিকতা এবং উগ্রপন্থার দ্বারা যে বিভেদ তৈরি হয় তা দেশকে দুর্বল করে দেবে।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের জনবিন্যাস বদলাতে ষড়যন্ত্র চলছে। অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় সুরক্ষা বিপজ্জনক হলেও, বর্তমানে সবচেয়ে বড় বিপদ হলো জনবিন্যাসের বদল। এর ফলে আমাদের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রক্ষার লক্ষ্যও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।"

উল্লেখযোগ্য কথা: প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করেছে তাঁর সরকার। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, "সরকার দেশ বাঁচাতে বদ্ধপরিকর এবং ভিশন ডেমোগ্রাফি মিশন চালু করা হয়েছে।"

মোদির এই মন্তব্য নতুন নয়। চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও তিনি জনবিন্যাস বদলের বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন, "রীতিমতো ষড়যন্ত্র করে ভারতের জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।" মোদি তখনও পূর্ববর্তী সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ব্যঙ্গ করেছিলেন।

বিগত কিছু মাস ধরে বিশেষভাবে বিহারে জাতীয় রাজনীতি উত্তাল হয়েছে। বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) এবং ভোটার তালিকায় বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বিজেপি দাবি করেছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে এই প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

ভারতে জনবিন্যাস পরিবর্তন
ছবি: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে জনবিন্যাস পরিবর্তনের চিত্র

জনবিন্যাসের পরিবর্তন শুধু জাতীয় নিরাপত্তার জন্যই বিপজ্জনক নয়, এটি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করে। মোদি বলেন, "জনবিন্যাস বদলের এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রক্ষার জন্য আমরা সকল রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।"

আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে মোদি আরও বলেন, "আমাদের দেশ বহু প্রজন্ম ধরে বৈচিত্র্যময় হলেও, একতার আদর্শে প্রতিষ্ঠিত। আজ যদি আমরা জনবিন্যাসের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হই, তবে ঐক্যের এই আদর্শও বিপন্ন হবে।"

সারসংক্ষেপ: মোদির বক্তব্যে স্পষ্ট যে, তিনি এবং তার সরকার দেশীয় জনবিন্যাসকে রক্ষা করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভিশন ডেমোগ্রাফি মিশন এবং অন্যান্য পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা জনবিন্যাস পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র রোধে সচেষ্ট।

মোদির বক্তৃতা রাজনীতির বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনবিন্যাস পরিবর্তনের বিষয়টি শুধুমাত্র জাতীয় নিরাপত্তার নয়, বরং সামাজিক সামঞ্জস্যেরও বিষয়। তিনি এই বিষয়টি বারবার উত্থাপন করে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে প্রভাবিত করছেন।

এছাড়া, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটার তালিকা, সমীক্ষা এবং রাজ্যস্তরের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো দেশের জনবিন্যাস নিয়ে সরকারের নজরকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্য ও অভিবাসী প্রবণতা বিশ্লেষণ জাতীয় রাজনীতিকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।

জনবিন্যাসের বদল দেশের দীর্ঘমেয়াদি নীতি, সামাজিক সামঞ্জস্য এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। মোদি সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এতে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রক্ষার লক্ষ্য অর্জিত হবে এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।

সংক্ষেপে, মোদির বক্তব্যের মূল সারমর্ম হলো – জনবিন্যাসের পরিবর্তন বর্তমান ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার এই বিষয়ে সক্রিয় এবং সমস্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগে সচেতন। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রক্ষার জন্য দেশের সমস্ত স্তরে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog