Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 10 October 2025

২০২৫ নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচান্দো

২০২৫ নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচান্দো

২০২৫ নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচান্দো

নরওয়ের রাজধানী ওসলোতে শুক্রবার ঘোষণা করা হয়েছে, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জয় করেছেন ভেনিজুয়েলার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াকু নারী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচান্দো। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগই এই আন্তর্জাতিক সম্মান প্রাপ্তির মূল কারণ।

মারিয়া কোরিনা মাচান্দো নোবেল মঞ্চে
মারিয়া কোরিনা মাচান্দো নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের সময়।

মারিয়া কোরিনা মাচান্দো ভেনিজুয়েলার একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন। নোবেল কমিটি বিশেষভাবে তাঁর অসাধারণ সাহস, দৃঢ় সংকল্প এবং জনগণের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের প্রশংসা করেছে। গত এক বছর ধরে মারিয়াকে অজ্ঞাতবাসে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল। প্রাণনাশের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশত্যাগ করেননি এবং জনগণের পাশে থাকতেই অটল থেকেছেন।

নোবেল কমিটি মন্তব্য করেছে, "স্বৈরাচারী শাসকেরা যখন ক্ষমতা দখল করে, তখন সাহসী রক্ষকরা যারা সামনে এগিয়ে আসে, তাদেরকে চিনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। গণতন্ত্র নির্ভর করে এইসব মানুষের উপর, যারা গুরুতর বিপদের মুখেও নীরব থাকেন না, বরং স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেন।"

মারিয়ার নেতৃত্বে ভেনিজুয়েলার মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতে সচেষ্ট হয়েছেন। তাঁর কাজ শুধু দেশটিকে নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়ার অবদান গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য স্থায়ী মডেল তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ যেমন গাজা-ইজরায়েল, রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ভারত-পাকিস্তান সহ মোট ৮টি যুদ্ধে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। ট্রাম্পের মতে, তাঁকে পুরস্কার দেওয়া উচিত কারণ তিনি সরাসরি বিশ্বের শান্তির প্রচেষ্টায় জড়িত ছিলেন।

নোবেল কমিটির এ নির্বাচনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, শান্তি প্রতিষ্ঠা শুধুমাত্র যুদ্ধ থামানোর উপর নির্ভর করে না, বরং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাহসী ও নির্ভীক নেতাদেরও চিহ্নিত করা প্রয়োজন। মারিয়া কোরিনা মাচান্দোর উদাহরণ প্রমাণ করে যে, আত্মত্যাগ, দৃঢ় সংকল্প এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই শক্তিশালী পরিবর্তনের মূল।

বিশ্বব্যাপী বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভেনিজুয়েলায় মারিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হলেও, তার সাহসী পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই লাখ লাখ মানুষের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোবেল কমিটির এই সিদ্ধান্ত বিশ্বের অন্য দেশের জন্যও একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছে, যেখানে স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য সাহসী নেতৃত্ব অপরিহার্য।

#নোবেলশান্তিপুরস্কার #মারিয়াকোরিনামাচান্দো #ভেনিজুয়েলা #গণতন্ত্র #আন্তর্জাতিকসংবাদ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp হয় গ্রুপে

বর্ধমান: টোটোয় অশ্লীল আচরণ, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

বর্ধমান: টোটোয় অশ্লীল আচরণ, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

বর্ধমান: টোটোয় অশ্লীল আচরণ, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে চার তরুণী টোটোয় যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, একই সময় পিছু ধাওয়া করছিলেন এক যুবক, যিনি বাইকে ছিলেন। মুখে মাস্ক পরে পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করলেও তিনি বারবার অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছেন এবং প্যান্টের চেন খুলে নিজের গোপনাঙ্গ প্রকাশ করেছেন।

টোটোয় থাকা এক তরুণী পুরো ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করেন এবং ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং বর্ধমান সাইবার থানার নজরে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকের নাম বাবু বিশ্বাস। তিনি স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা।

বর্ধমান টোটো ঘটনা
বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার ছবি।

ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনার সময় রাস্তা যথেষ্ট ভিড় ছিল। তারপরও যুবক এ ধরনের অশ্লীল কাজ করেছেন। নেটিজেনরা ভিডিও দেখে প্রশ্ন তুলেছেন—কীভাবে এত জনসমক্ষে তিনি এমন কাজ করতে পেরেছেন এবং তাঁর মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা কি ঠিক আছে। অনেকেই তাকে বিকৃত মানসিকতার অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী তরুণীরা জানিয়েছেন, যুবকের সঙ্গে তাদের কোনও পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা নেই। তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং যুবককে আটক করার চেষ্টা চলছে। খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনেকেই ন্যায়পরায়ণতা এবং কঠোর শাস্তির দাবিও তুলেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে শিক্ষামূলক প্রচারণা এবং সজাগ সামাজিক দায়িত্ব জরুরি।

#বর্ধমান #টোটো #অশ্লীলআচরণ #সোশ্যালমিডিয়া #নারীনিরাপত্তা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল, পাকিস্তানের নাম জড়ালো

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল, পাকিস্তানের নাম জড়ালো?

কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণ: রাজনৈতিক উত্তেজনার ছোবল — পাকিস্তানের নাম জড়াল কি?

প্রকাশিত: 10 অক্টোবর 2025 | রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো

রাতে কাবুলে বিস্ফোরণের পরে ধোঁয়া-অলীক দৃশ্য
রাতের অন্ধকারে কাবুলের আকাশে বিস্ফোরণের ধোঁয়া (ফাইল ছবি/প্রতীকী)।

বৃহস্পতিবার রাত কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আফগান রাজধানী। তালিবান প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিস্ফোরণের ফলে আপাতত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি; তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

আন্তর্জাতিক ও এলাকায় রাজনৈতিক মহলের ধারণা—ঘটনাটি সময়গতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি তখনই ভারতের সফরে অবস্থান করছেন। কলকাতা বা নয়—নির্দিষ্টভাবে ভারতের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার আগে এমন ঘটনা হওয়ায় কাবুলে অনেকেই এটিকে একটি ‘বার্তা’–মত দেখছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যে already-tense রাজনৈতিক মানচিত্রকে আরও জটিল করতে পারে।

পাকিস্তানের অভিযোগ এবং সেই দাবির উৎসমনে প্রতিক্রিয়া

কিছু সংবাদমাধ্যম শুক্রবার দেখায়—ঘটনায় পাকিস্তানের নাম জড়িয়েছে; বলা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশ থেকে লক্ষ্যভিত্তিক আঘাত করা হয়েছে। এমন প্রতিবেদনগুলোর একটিতে দাবি করা হয় যে পাকিস্তানি সংযুক্ত কার্যক্রমে তালিকাভুক্ত এক সিন্ডিকেট বা বাহিনীর নেতা নূর ওয়ালি মাসুদকে নিশানা করে আঘাত চালানো হয়েছে।

তবে বিষয়টি তীব্রভাবে বিতর্কিত। টোলো নিউজের মতো গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাসুদের দেওয়া একটি অডিওতে তিনি নিজের ওপর আক্রমণের খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সময় তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদও টোলার মত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বলেছেন যে ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি—সবকিছুই আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। তালিবান ও কিছু আফগান সাংবাদিকও পাকিস্তানের পক্ষে সরাসরি হামলার খবর অস্বীকার করেছেন।

রিয়েলিটি ও রাজনৈতিক প্রভাব

এই ধরনের ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, বার্তা বা প্রতিশোধ—এই সবকটিই সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হিসেবে আলোচনা হচ্ছে। বিশেষত যখন উচ্চতর কূটনৈতিক সফরের সময়ে সহায়ক বা বিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে এমন উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে, তখন তা কেবল নিরাপত্তা নয়—কূটনীতি ও স্থানীয় জনমতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

অফicial সূত্রগুলো এখনও তদন্তের ফল ঘোষণা করেনি। পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায়, কাবুলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার নি¤œস্তরীয় তদন্ত ও প্রাথমিক প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে বলে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশি দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি নজরদারি করছে।

কি নজর রাখবেন?

  • আফগান সরকারের তদন্ত রিপোর্ট ও তালিবান মুখপাত্রের ঘোষণার আপডেট।
  • আঞ্চলিক কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া—বিশেষত ভারতের কর্যক্রম ও বিবৃতি।
  • স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রধান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নথি, অডিও বা ভিডিওর প্রামাণিকতা।

সংক্ষেপে: কাবুলে বৃহস্পতিবার রাতে হওয়া বিস্ফোরণগুলো আবহমান রাজনীতির মধ্যে নতুন উদ্বেগ ঢুকিয়েছে। পাকিস্তানের ওপর দায় চাপানো হলেও সেটি এখনও নিশ্চিত নয়—তথ্য যাচাই ও সরকারিভাবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি স্থিতিশীল এ ধরণের বিবৃতি থাকলেও তদন্ত চলছে এবং এর প্রভাব কূটনৈতিক মঞ্চে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো।

হ্যাশট্যাগ: #কাবুলবিস্ফোরণ #আফগানিস্তান #তালিবান #আন্তর্জাতিকসংবাদ #ভিন্নরাশ্ট্রীয়বিবাদ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সল্টলেকে সুজিত বসুর অফিসে ED-র তল্লাশি: পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারির ছোঁয়া

সল্টলেকে সুজিত বসুর অফিসে ED-র তল্লাশি: পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারির ছোঁয়া

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা Enforcement Directorate (ED) কলকাতার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালায়—যাতে অন্যতম ছিল রাজ্যের মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর সল্টলেকের অফিস। তদন্তকারীরা বলে থাকেন, এই অভিযান পুরসভা নিয়োগ সংক্রান্ত সম্ভাব্য অনিয়ম ও অর্থলেনদেনের তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

ED সূত্রে জানা গেছে যে একাধিক দলে পৃথকভাবে দলাকা পাঠিয়ে সকাল থেকেই সল্টলেক, নাগেরবাজার, লেক টাউন, শরৎ বোস রোড ও নিউ আলিপুরসহ অন্তত ছ’/দশটি ঠিকানায় অনুসন্ধান চলছে। তল্লাশির সময় নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অন্যান্য প্রমাণ সন্ধানে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও তদন্তকারীরা জানান।

একের পর এক জায়গায় তল্লাশি হওয়ার পটভূমিতে ED বর্তমানে পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে জোরালো তদন্ত চালাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পৌরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার অনুসন্ধানেই এই অভিযান তৎপর করা হয়েছে; সেই সাথে একটি আলাদা ব্যাঙ্ক/জালিয়াতি সংক্রান্ত কেস থেকেও সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথাও বলা হচ্ছে।

এ ঘটনার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, "ED তো আগেও এসেছে, কিছু তো পায়নি। আসলে এটা রাজনৈতিক ভাবে আক্রমণের চেষ্টা। ওদের কাজ ওরা করুক, আমাদের কাজ আমরা করি।" তিনি আরও দাবি করেন, "দুর্নীতি কে করেছে মানুষ তা জানে; মানুষ আমায় সার্টিফিকেট দিয়েছে।" মন্ত্রীর এই বক্তব্য তল্লাশির মধ্যেই পাওয়া যায়। (মন্ত্রী এবং তার প্রতিনিধিদের দেওয়া বক্তব্যটি রিপোর্টে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে)।

উল্লেখ্য, গতকালকের তল্লাশির সূত্রই বলছে যে এ বিষয়ে পূর্বেও ছাপা ও অনুসন্ধান ছিল—২০২৪ সালের জানুয়ারিতেও ED সুজিত বসুর বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং দীর্ঘ ঘণ্টা তিনি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হন। সেই সময় মন্ত্রী বলেছিলেন, যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি চাকরির বিনিময়ে অর্থ নিয়েছেন, তবে তিনি পদত্যাগ করবেন। বর্তমান অনুসন্ধান সেই পুরনো কেসের সূত্র ধরে ব্যাপক হয়েছে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

তল্লাশির লক্ষ্য তালিকায় শুধুই মন্ত্রী নয়—দক্ষিণ দমদম পুরসভার উপ-প্রধান নিতাই দত্তের বাড়িতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। নিতাইয়ের বাড়ি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাসা থেকে পূর্বে সংরক্ষিত নথি ও ডিজিটাল রেকর্ড উদ্ধার করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন; সেই নথির সূত্রেই বর্তমান তল্লাশির করণীয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংবাদের সূত্রে জানা যায়।

এই অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শাসক ও বিরোধী পক্ষ একে নিয়ে তাদের-নিজস্ব ব্যাখ্যা ও সমালোচনা চলছে। প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার স্বীকৃতির পাশাপাশি, তদন্তকারীরা এখনো কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি ও আরও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য কাজ করছে।

কী পরবর্তী ধাপ হতে পারে? – তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা যায়, তল্লাশির পরে যদি প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা, অধিক জিজ্ঞাসাবাদ ও কাগজপত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে মামলাটি বাড়তে পারে। অন্যদিকে মন্ত্রী ও তাঁর সমর্থকরা রাজনৈতিকভাবে এই উত্তেজনাকে ব্যাখ্যা করলেও আইন অনুযায়ী তদন্তকে এগোতে দিতে হবে—এই অবস্থান যুগপৎ উভয় দিকেই মান্য হবে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

রিপোর্ট: Y বাংলা ব্যুরো।

সূত্র: স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমের সরাসরি প্রতিবেদন ও ED-সূত্র। (Anandabazar, Hindustan Times, Livemint, ABP Ananda, Business Standard)।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঢাকা হাই কোর্ট ভারতের কাছে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ পেলেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
ঢাকা হাই কোর্ট ভারতের কাছে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ পেলেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি

ঢাকা হাই কোর্ট সোনালি খাতুনকে দেশে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন

আপডেট: 10 অক্টোবর, 2025সম্পাদক: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
সোনালি খাতুন (প্রতীকী ছবি)
চিত্র: প্রতীকী ছবি — সোনালি খাতুনের বিষয়ে চলমান আইনি অবস্থার প্রতিবেদন।

বাংলাদেশের হাই কোর্ট অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুনকে (ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ছয় জনকে) বাংলাদেশ থেকে ভারতের কাছে ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশের একটি নথির অনুলিপি প্রকাশ্যে এসেছে, তবে এখনো দুই দেশের কেন্দ্রীয় কূটনৈতিক বা মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

সংক্ষিপ্ত অবস্থা
গ্রেফতার ও অবস্থান:
সোনালি ও পাঁচ অন্যান্য ব্যক্তি বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সংশোধনাগারে রয়েছেন।
নিমিত্ত:
আশ্বাস: বাংলাদেশে তাদের বিরুদ্ধে 'অনুপ্রবেশ' অভিযোগ আছে; প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ স্থানীয় উচ্চ আদালত দিয়েছে।
কলকাতা হাই কোর্ট আদেশ:
২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দেয় — ওই ছয়জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে ভারতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
পরবর্তী শুনানি:
নিম্ন আদালতে পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত: ২৩ অক্টোবর.

স্থানীয় সূত্র এবং সহায়তায় বাংলাদেশে থাকা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এ রাজ্যের সাংসদের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি ঘটনাস্থলে রয়েছেন এবং সোনালি-সুইটি বিবি সহ বাকি ক’জনের জামিন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখা হচ্ছে। তবে কাগজপত্রগত একাধিক জটিলতা থাকায় জামিন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে অতিরিক্ত সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতা হাই কোর্টের গত নির্দেশ (২৬ সেপ্টেম্বর) অনুযায়ী, কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনগুলোকে ফেরত আনয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে কলকাতা হাই কোর্ট বাংলাদেশি সন্দেহে তাদের আটক ও বিতাড়নের সিদ্ধান্তও বাতিল করে দেয়। তবে বিধিনিষেধ ও দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়াজনিত বিষয় এখনও চূড়ান্ত হওয়ায় প্রদত্ত নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঢাকা হাই কোর্টের নির্দেশ সোনালি ও অন্যান্যদের জন্য আপাতত স্বস্তি দিলেও তাদের বাংলাদেশের অভিবাসন স্ট্যাটাস, কাগজপত্র সম্পর্কিত সমস্যা ও ভবিষ্যতে কোথায় থাকার প্রয়োজন হবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বেশ কিছু প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ প্রয়োজন হবে বলে আইনজীবী ও পরিবারের সূত্রে জানানো হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Thursday, 9 October 2025

বিহারের নির্বাচনে তেজস্বীর চাকরির প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী নির্ঘণ্ট

বিহারের নির্বাচনে তেজস্বীর চাকরির প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী নির্ঘণ


বিশেষ সংবাদ দাতা , পাটনা, ০৯/১০/২০২৫ :- 

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর বিহারের রাজনৈতিক মঞ্চ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। লড়াইয়ের ময়দানে একে একে নামছেন সব রাজনৈতিক দল। এই অবস্থায় আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছে। তেজস্বী জানিয়েছেন, বিহারে ‘মহাগটবন্ধন’ জোট ক্ষমতায় এলে, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সরকারি চাকরি পাবেন।

তেজস্বী দাবি করেছেন, বিহারের কোনও বাড়ি এমন থাকবে না যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, “গত ২০ বছরে বর্তমান সরকার বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা তা পরিবর্তন করব। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে সরকারি চাকরির সুযোগ প্রদান করা।”

তিনি আরও যোগ করেছেন, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে আইন প্রণয়ন করে এই কর্মসূচি শুরু হবে এবং পরবর্তী ২০ মাসে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে। তেজস্বী স্পষ্ট করেছেন যে, এই প্রতিশ্রুতি কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার ফাঁকা শব্দ নয়, বরং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার অংশ।

নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রতিটি রাজনৈতিক দল ভিন্ন ভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটার আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। যদিও সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবে পূর্ণ হয় না, তেজস্বী দাবি করছেন, এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নযোগ্য।

সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ঘোষণা করেন, বিহারের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হবে ৬ নভেম্বর থেকে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া দু’দফায় অনুষ্ঠিত হবে এবং ১১ নভেম্বর পর্যন্ত শেষ হবে। ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৪ নভেম্বর এবং সমস্ত নির্বাচনী কার্যক্রম ১৬ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি কমিশনার বিহারে চলমান বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) সংক্রান্ত কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কমিশনারের মতে, এই প্রক্রিয়া ভোটারদের তথ্য যাচাই ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিহারের রাজনৈতিক মহলে তেজস্বীর এই প্রতিশ্রুতি নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের বৃহৎ কর্মসংস্থান প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের আগে ভোটার আকর্ষণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।


বাংলায় এসআইআর প্রস্তুতি ও NRC নোটিস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

বাংলায় এসআইআর প্রস্তুতি ও NRC নোটিস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

বাংলায় এসআইআর প্রস্তুতি ও NRC নোটিস নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

কলকাতা, ৯ অক্টোবর: বিহারের পর এবার বাংলা জুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআর (Special Intensive Review) এর প্রস্তুতি। এই নিয়ে ফের সুর চড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে তোপ দেগে বলেন, “নির্বাচন ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও কাজ নেই। রাজ্যকে প্রয়োজনীয় অর্থ সাহায্য করা হয় না, শুধু নির্বাচনের সময়ই টাকা আসে। এসআইআর-এর নামে ভোট কাটার চক্রান্ত চলছে।”

দুর্যোগ পরিস্থিতি: বর্তমানে বাংলায় বন্যার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত। মানুষের ঘরবাড়ি, কাগজপত্র ভেসে গেছে। দুই মাসের মধ্যে তথ্য দেওয়া কি সম্ভব? অনেকেই পুজোর ছুটিতে বাইরে থাকায় কাগজ দেখানোও কঠিন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, “কিছু অফিসারকে হুমকি দিয়ে তাড়াহুড়োতে কাজ করানো হচ্ছে। যদি কোন সম্প্রদায়ের নাগরিকের নাম বাতিল হয়, তাহলে তার ফলাফল খুবই মারাত্মক হবে। বাংলা প্রস্তুত যে কোনও পরিস্থিতির জন্য।”

অন্যদিকে, পুজোর পর অসম থেকে NRC (National Register of Citizens) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন, “এসআইআর-এর নামে কেন NRC নোটিস পাঠানো হচ্ছে? কোন অধিকার দিয়ে অসম সরকার বাংলার মানুষকে নোটিশ পাঠাচ্ছে?” তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সামনে এসআইআর এবং পিছনে NRC — বাংলায় এগুলো চলবে না।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজ্য এবং কেন্দ্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রের পদক্ষেপ নিয়ে তিনি সরাসরি কড়া অবস্থান নিয়েছেন।

বন্যার প্রেক্ষাপটে, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই দুর্যোগের মধ্যে জীবনযাপন করছে। প্রশাসনিক নির্দেশনা অনুযায়ী ত্রাণ এবং পুনর্বাসনের কাজ চলছে, কিন্তু তথ্য সংগ্রহ এবং নাগরিকদের সহায়তার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, এসআইআর ও NRC-এর নামে কোনো বিভ্রান্তি বাংলায় সহ্য করা হবে না।

ছবি: নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন।

প্রকাশক: ফখরুল আলম

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বসরকারি কাগজ না-থাকলে ও নাম কাটা যাবে না: বিএলওদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ , নীচু স্তরে আগে খোঁজ নিতে হবে ।

বেসরকারি কাগজ না-থিলেও নাম কাটা যাবে না: বিএলওদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

হাতে কাগজ না থাকলেও নির্বাচনী তালিকা থেকে নাম কাটা যাবে না: বিএলওদের স্পষ্ট নির্দেশ কমিশনের

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট:
বিএলও বৈঠক ও ভোটার তালিকা যাচাই
পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের বিএলও বৈঠকে ভোটার তালিকা ও যাচাই নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা।

পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুসারে বুথ-স্তরের কর্মকর্তাদের (বিএলও) এক বড় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—কোনও ব্যক্তির কাছে “হাতে কাগজ” (অর্থাৎ কেবলমাত্র আধার বা অন্য একক নথি) না থাকলেই তাঁকে গণহারে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলেই সেই ব্যক্তিকে বৈধ ভোটার হিসেবে গণ্য করা হবে; অন্যদের জন্য কমিশন নির্ধারিত একটি প্রামাণ্য নথি জমা করা বাধ্যতামূলক হবে।

বৈঠকের মূল সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা

  • ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিদের বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
  • যারা ওই তালিকায় নেই, তাদেরকে কমিশন নির্ধারিত যেকোনো এক প্রামাণ্য নথি জমা দিতে হবে—শুধু আধার যথেষ্ট নয়।
  • কেউ যদি প্রামাণ্য নথি দেখাতে না পারেন, তাত্ক্ষণিকভাবে তালিকা থেকে নাম কাটা যাবে না; বিএলওকে মাঠে আরও যাচাই-বাছাই করতে হবে।
  • গণহারে নাম ছেঁটে ফেলার বিরুদ্ধে কমিশনের কড়া সতর্কবার্তা—বাংলায় বিহারের এসআইআর পদ্ধতির শিক্ষা নেওয়া হলেও এখানে সাবধানে কাজ করা হবে।

বৃহস্পতিবার কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক বিএলও। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার) মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং সংশ্লিষ্ট জেলা জেলাশাসকরাও ছিলেন বৈঠকে। তাঁরা বিএলওদের কাছে ভোটার যাচাই-প্রক্রিয়া সংক্রান্ত শর্তাবলি, নথিপত্র এবং মাঠে অনুসরণীয় পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

বিএলওদের ভূমিকা ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ

বিএলওরা বুথ লেভেলে প্রথমে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করায় তাঁদের কাঁধেই দায়িত্ব বেশি। কমিশন নির্দেশ দিয়েছে—বুথে গিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে কারণগুলো খতিয়ে দেখাতে হবে। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি বলেন, “যে ব্যক্তি ২০০২ তালিকায় নেই, অথচ তার হাতে কোন প্রকার প্রামাণ্য নথি নেই—তাহলে কাজটি থামিয়ে দেওয়া যাবে না; কেন তিনি নথি দেখাতে পারছেন না তা খতিয়ে দেখতে হবে। দরকার হলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।”

কমিশন আরও জোর দিয়েছে, আধারের সঙ্গে অন্য নথির লিঙ্ক থাকতে হবে—শুধুমাত্র আধার দেখালে তা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। এই নিয়ম আদালতের নির্দেশনা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

মনোযোগের বিষয়: বিহারের এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) প্রক্রিয়ায় প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল—বাংলায় ঐ রকম বিস্তৃত কাটছাঁট থেকে শিক্ষা নিয়ে নির্বাচন কমিশন আরও সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেছে।

কী হবে প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব?

নির্বাচনী শৃঙ্খলা রক্ষা ও ভোটার অধিকার সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি অনায়াসে নাম কাটা যেত, তা ভোটাধিকারের ক্ষতি করত এবং স্থানীয় স্তরে বিশৃঙ্খলা বাড়তে পারত। কমিশনের নির্দেশ ন্যায্যতা ও প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতার উপর জোর দিয়েছে—বিএলওদের অংশগ্রহণমূলক ও অনুসন্ধানী পদ্ধতি নেবার কথাও বলা হয়েছে।

ফলে কি চূড়ান্ত তালিকায় বিলম্ব হবে?

চূড়ান্তভাবে কমিশন কোলাঘাট বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন যে—বাংলায় বিহারের তুলনায় সময় বেশি লাগতে পারে; তবে তিনি (সিইও) নির্দিষ্ট করে বলেননি কতটা সময় লাগবে। লক্ষ্য হচ্ছে—কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন অনুচ্ছেদে বাদ না পড়ে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া ধীরগতি হতে পারে, কিন্তু সে কারণেই ফলাফল অধিকতর নির্ভুল হবে বলে নির্বাচন আধিকারিকরা মনে করছেন।

সংক্ষেপে—কি নির্দেশ পেল বিএলওদের?

  • গণহারে নাম কেটে ফেলা চলবে না; প্রত্যেক কেসে মাঠে যাচাই বাধ্যতামূলক।
  • ২০০২ সালের তালিকা উল্লেখযোগ্যভাবে মৌলিক রেফারেন্স হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
  • শুধু আধার দেখালেই হবে না—অন্য নথির লিঙ্ক থাকলে প্রমাণ স্বীকৃত।
  • যে কারণে কোনও ভোটারের কাছে নথি নেই, সেই কারণগুলো স্থানীয় স্তরে খতিয়ে দেখা হবে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ভোটারের অধিকার রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে কমিশন এমন সতর্কতা গ্রহণ করেছে। বুথ-স্তরের কর্মীদের দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী মনোভাবই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নির্ভুল রাখবে—এটাই কমিশনের প্রতিশ্রুতি।

লেখা: Y বাংলা রিপোর্টিং টিম , মহিবুর রহমান শেখ | আপডেট:

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু স্কোর, ব্যর্থ হরমনপ্রীত-মন্ধানারা

রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু স্কোর, ব্যর্থ হরমনপ্রীত-মন্ধানারা

রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু স্কোর, ব্যর্থ হরমনপ্রীত-মন্ধানারা

Y বাংলা ডিজিটাল স্পোর্টস ডেস্ক | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০২৫

রিচা ঘোষ ব্যাটিং করছেন ভারতের পক্ষে
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের হয়ে ৯৪ রানের ইনিংস খেলে শিবিরে আশার আলো জ্বালালেন রিচা ঘোষ।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের মেয়েদের ইনিংস একাই টেনে নিলেন বাংলার তারকা ব্যাটার রিচা ঘোষ। কঠিন পিচে প্রথমে ধৈর্য ধরে খেলে শেষের দিকে ঝড় তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৯৪ রানের মাথায় ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে যান রিচা। তাঁর ইনিংসে ভর করেই ভারত ২৫১ রানে পৌঁছয়, যদিও ৫০ ওভার খেলতে পারেনি দল।

রিচার ইনিংস ছিল নিখুঁত কৌশলের উদাহরণ। তিনি যখন ক্রিজে আসেন, তখন ভারতের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১০২ রান। পুরো ইনিংসের চাপ নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি। প্রথম দিকে শুধু বল খেলেন, রান তোলার চেষ্টা না করে স্ট্রাইক ঘোরাতে থাকেন। পরে হাত খুলে খেলেন। ৫৩ বলে অর্ধশতরান করার পর তিনি মারেন একাধিক ছক্কা ও বাউন্ডারি। তাঁর ইনিংসে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিল।

তাঁর এই ইনিংস ভারতের জার্সিতে বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম অর্ধশতরান। বিশ্ব ক্রিকেটে তাঁর পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তিনি এখন আর নবীন নন, বরং দলে অন্যতম ভরসা। রিচা আগের ম্যাচেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেষের দিকে দ্রুত রান করে দলকে বড় স্কোরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে ভারতের অভিজ্ঞ ব্যাটারদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। স্মৃতি মন্ধানা ২৩ রানে থেমে যান। ৩২ বল খেলে খুবই মন্থর ব্যাটিং করেন। হরমনপ্রীত কৌর ৯ রানে আউট হন, আর জেমাইমা রদ্রিগেজ শূন্য রানে ফিরেছেন। ভারতীয় ব্যাটিংয়ের শীর্ষ সারির এই বিপর্যয়ের সময় একাই দাঁড়িয়ে ছিলেন রিচা।

তাঁর সঙ্গে জুটি গড়েন আমনজ্যোৎ কৌর (১৮ রান) ও পরে স্নেহ রানা (২৭ রান)। এই দুই জুটিই দলের ইনিংসে স্থিতি আনে। ভারতীয় ইনিংসের শেষের দিকে বড় শট খেলতে গিয়ে রিচা আউট হন, আর দল ৪৯.৫ ওভারে ২৫১ রানে গুটিয়ে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আয়াবোঙ্গা খাকামারিজানে ক্যাপ তিনটি করে উইকেট নেন। তাঁদের নিখুঁত লেন্থ ও বাউন্সে ভারতের শীর্ষ সারির ব্যাটাররা দিশেহারা হয়ে পড়েন।

রিচার কৌশল: ধৈর্য, টেম্পো ও টাইমিং

রিচা ঘোষের ইনিংসের সবচেয়ে বড় দিক ছিল তাঁর পরিকল্পনা। তিনি বুঝেছিলেন যে কঠিন পিচে প্রথমে ‘সেট’ হওয়া ছাড়া বড় শট খেলা বিপজ্জনক। তাই তিনি প্রথম ২৫ বল খেলেন শুধুমাত্র বল দেখেই। পরে তাঁর চোখ অভ্যস্ত হতেই বোলারদের চাপে রাখেন বাউন্ডারি দিয়ে। কোচ নোশনাল ব্যাটিংয়ে একে বলেন “অ্যাডাপ্টিভ টেম্পো কন্ট্রোল”— যেটি আধুনিক ওয়ানডে ক্রিকেটের মূল মন্ত্র।

দলের ভবিষ্যৎ: তরুণ শক্তিতে ভরসা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় মহিলা দলের নতুন প্রজন্মের মুখ রিচা ঘোষ। মাত্র ২১ বছর বয়সেই তাঁর ব্যাটিংয়ে যে পরিণতি দেখা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যতের জন্য আশার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি শুধু বড় শটের খেলোয়াড় নন, পরিস্থিতি বুঝে খেলারও সক্ষমতা দেখাচ্ছেন।

বিশ্লেষণ:

ম্যাচ শেষে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে মন্ধানা ও হরমনপ্রীতের ফর্ম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অন্যদিকে, রিচা ঘোষের ব্যাটিং প্রতিটি ম্যাচে উন্নতি করছে। তাঁকে এখন মিডল অর্ডারের “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

শেষ কথা: রিচার ৯৪ রানের ইনিংস ভারতকে এক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক স্কোরে পৌঁছে দিয়েছে, তবে বড় ম্যাচে শীর্ষ ব্যাটারদের ব্যর্থতা ভারতের চিন্তার কারণ রয়ে গেল।


🔖 হ্যাশট্যাগ

#RichaGhosh #WomensCricket #IndiaWomen #HarmanpreetKaur #SmritiMandhana #ICCWorldCup2025 #SouthAfricaWomen #CricketNews #YBanglaDigital #SportsUpdate

© ২০২৫ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো |

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় ও রাজনৈতিক রসায়ন: বিজেপির তৎপরতা ও সাংগঠনিক দাবির বিশ্লেষণ

উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় ও রাজনৈতিক রসায়ন: বিজেপির তৎপরতা ও সাংগঠনিক দাবির বিশ্লেষণ

উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় ও রাজনৈতিক রসায়ন: বিজেপির তৎপরতা ও সাংগঠনিক দাবির বিশ্লেষণ

উত্তরবঙ্গ ত্রাণ কার্যক্রম
ত্রাণকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং স্থানীয় নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা—উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক ঘটনা রাজনৈতিক ময়দানের ভূভূকম্প সৃষ্টি করেছে।

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরে যখন ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে, একই সময়ে আন্দোলিত জনমনে দলের সাংসদ ও বিধায়কের ওপর হওয়া হামলা ভিন্ন মাত্রার রাজনৈতিক প্রভাব ফেলছে। এই দুই উপাদান মিলিয়ে ভোটের ছয় মাস আগে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক রংচটা অনেকেই বিজেপির পক্ষে 'অনুকূল' বলেই দাবি করছেন। তবে বাস্তব চিত্র ও অতীতের ফলাফল যাচাই করলে দেখা যায়—আশাব্যঞ্জক সাংগঠনিক রিপোর্ট ও মাঠের বাস্তবতার মধ্যে বড় ফারাক থাকতে পারে।

সাংগঠনিক রিপোর্টের দাবি ও সীমা

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সংগঠন মনে করছে উত্তরবঙ্গে মোট ৫৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে তারা ৪৪-৪৮টি আসন জিততে পারে। রিপোর্টে বলা হয়েছে—দুই দিনাজপুর ও মালদহের কিছু সংখ্যালঘুপ্রধান আসন ছাড়া তৃণমূলের জয় দেখা যাচ্ছে না। গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের পূর্বাভাসসহ সাংগঠনিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এমন উচ্চাভিলাষী সংখ্যা উঠেছে।

পেছনের ফলাফল:
  • ২০২১ বিধানসভা: বিজেপি — ৩০, তৃণমূল — ২৩, গেরোর্খা মোর্চা — ১
  • পরে উপনির্বাচন ও অন্যান্য কারণে বিজেপির আসন সংখ্যা নেমে ২৫-এ দাঁড়ায়; তৃণমূল বেড়ে ২৮-এ ওঠে
  • গত লোকসভা সাময়িকতায় অনেক কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে ছিল—তবে তা সরাসরি বিধানসভা জয়ের অনুবাদ নয়

ত্রাণকর্ম ও দৃষ্টান্ত স্থাপন

বিপর্যয়ের পরে বিজেপির স্থানীয় প্রতিনিধিরা দ্রুত মাঠে নেমে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন—নাগরাকাটা হাজিরার সময় সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার সংবাদও ছড়ায়। কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের তরফ থেকে ফোন এবং স্থানীয় পর্যায়ে মন্ত্রী-নেতাদের আগমন—সব মিলিয়ে দৃশ্যত একটি তৎপরতার দৃশ্য তৈরি করে। এই তৎপরতা শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে সহানুভূতি জাগাতে পারে বলেই দলের মনোবল।

উল্লেখযোগ্য: কলকাতা–নিদর্শন তুলনা করে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বলেন, কলকাতায় প্রশাসন ও পুরসভা ক্ষমতা থাকায় স্থানীয় তৎপরতা আলাদা; উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক পৌঁছনে সময় লাগায় রাজনৈতিক দলই তৎপরতা দেখিয়েছে।

পলিটিক্যাল ক্যালকুলাস: লাভ বা ফাঁদ?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ত্রাণে দ্রুত উপস্থিতি ও নেতাদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নির্বাচনী মনোভাবকে কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে—বিশেষত শহুরে ও অর্ধ-শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে। কিন্তু গ্রামীণ ভোটে প্রভাব পড়বে কি না, তা নির্ভর করবে—স্থানীয় সংগঠনের কার্যকারিতা, ভোট ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণার কৌশলের উপর। এক রকমের ‘হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স’ ভোটে সরাসরি অনুবাদ নাও হতে পারে।

পূর্ব অভিজ্ঞতা: আশাব্যঞ্জক কিন্তু সতর্ক হওয়া প্রয়োজন

পঞ্চবছর আগেও বিজেপি উত্তরে ৪০টি আসনের দাবি করেছিলেন; বাস্তবে ৩০টি পেয়েছিলেন। সাংগঠনিক রিপোর্ট যতই উচ্চাকাঙ্ক্ষী হোক না কেন, অতীতের ফল দেখায়—সাংগঠনিক আত্মবিশ্বাস ও নির্বাচনী বাস্তবতার মাঝে ব্যবধান রয়েছে। এবারের রিপোর্টেও সংখ্যালঘুপ্রধান আসনগুলিকে কাটছাঁট করে রাখা হয়েছে—এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, তবে মাঠে তা বাস্তবে কতটা রূপ নেবে, তা সময় বলবে।

মুখ্য প্রশ্নগুলো:
  • ত্রাণকাজ ও নেতাদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাটি ভোটের আগে কতটা স্থায়ী সমর্থন গড়বে?
  • বিজেপি তাদের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখতে পারবে কিনা—ভোট পর্যন্ত তৎপরতা বজায় রাখতে হবে।
  • সংখ্যালঘুপ্রধান ও সরকার বিরোধী কেন্দ্রে কবে ও কী কৌশলে প্রভাব পড়বে—এটাই মূল নির্ণায়ক।

সংক্ষেপে—চেকলিস্ট

  • উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনই কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ; রিপোর্ট অনুযায়ী ৫০টির আগ্রাসী লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
  • ত্রাণকর্মের দৃশ্যমান উপস্থিতি রাজনৈতিক ইমেজ তৈরিতে সাহায্য করেছে, কিন্তু তা ভোটের সরাসরি অনুবাদ নয়।
  • অতীত অভিজ্ঞতা নির্দেশ করে—উচ্চাভিলাষী পূর্বাভাস সবসময় ফলাফল নয়; মাঠের কাজ, ভোট ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় জোট–প্রেক্ষাপট নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত চিত্র।

নির্বাচন পর্যন্ত সময় অবশিষ্ট; বিজেপি ও তৃণমূল—দুই দলই উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্র করে কৌশল সাজাচ্ছে। নির্বাচনমণ্ডলীর এই রসায়ন এখন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের প্রফুল্ল কৌতূহলী করছে—বিপর্যয়, হামলা ও ত্রাণকর্মের সংমিশ্রণে গঠিত চিত্র ভোটের ফলাফলকে কিভাবে প্রভাবিত করবে, সেটাই আসন্ন সময় বলবে।

লেখা: Y বাংলা বিশ্লেষক দল | আপডেট:  

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog