Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 29 December 2025

শিলিগুড়িতে বাংলার বৃহত্তম মহাকাল মন্দির: জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেই শিলান্যাস, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী




শিলিগুড়িতে বাংলার বৃহত্তম মহাকাল মন্দির: জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেই শিলান্যাস, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

নিউটাউন:
কিছুদিন আগেই শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির নির্মাণের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই ঘোষণার বাস্তব রূপের দিনক্ষণ জানিয়ে দিলেন তিনি। সোমবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের শিলান্যাস অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেই শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করা হবে

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়,

“জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেই শিলান্যাস করব। মনে মনে উদ্বোধনের দিনও ঠিক করে ফেলেছি।”


🌄 উত্তরবঙ্গ সফরেই ঘোষণার সূচনা

চলতি বছরের অক্টোবরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল উত্তরবঙ্গ। সেই সময় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে একাধিকবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সফরের মাঝেই তিনি দার্জিলিঙের মহাকাল মন্দিরে পুজো দেন। এরপরই শিলিগুড়িতে বাংলার সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির তৈরির ঘোষণা করেন তিনি।


🛕 কেমন হবে শিলিগুড়ির মহাকাল মন্দির?

মুখ্যমন্ত্রীর আগের ঘোষণায় জানা গিয়েছিল—

  • শিলিগুড়িতে একটি কনভেনশন সেন্টার তৈরি হবে

  • তার পাশেই গড়ে উঠবে মহাকাল মন্দির

  • মন্দিরে থাকবে বাংলার সবচেয়ে বড় শিবমূর্তি

  • সরকার বিনামূল্যে জমি দেবে

  • মন্দির পরিচালনার জন্য গঠন করা হবে ট্রাস্টি বোর্ড

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়,

“শিলিগুড়িতে ডিএমকে একটা জমি দেখতে বলেছি। সেখানে কনভেনশন সেন্টার হবে। তার পাশেই মহাকাল মন্দির তৈরি করা হবে। করতে একটু সময় লাগবে, তবে পরিকল্পনা সম্পূর্ণ।”


📌 গুরুত্ব কী?

এই মহাকাল মন্দির শুধু ধর্মীয় ক্ষেত্রেই নয়, উত্তরবঙ্গের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে চলেছে বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

এবার জানুয়ারিতে শিলান্যাসের মাধ্যমে সেই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবের পথে এক ধাপ এগোতে চলেছে।

পুরুলিয়া , এসআইআর শুনানির আতঙ্কে প্রাণ গেল বৃদ্ধের? পুরুলিয়ায় মর্মান্তিক মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর



 Y বাংলা নিউজ পুরুলিয়া:


এসআইআর শুনানিতে সময়মতো পৌঁছতে পারবেন কি না—এই চিন্তাই কি প্রাণ কেড়ে নিল ৮২ বছরের বৃদ্ধের? এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে পুরুলিয়ায়। এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর থেকেই চরম মানসিক চাপে ছিলেন পুরুলিয়ার পাড়া ব্লকের আনাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌতালা গ্রামের বাসিন্দা দুর্জন মাঝি। সোমবার সকালে ব্লক অফিসে যাওয়ার জন্য টোটো খুঁজতে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বাড়ির অদূরে আনাড়া–রুকনি রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ।


📌 কী ঘটেছিল?

  • দুর্জন মাঝির নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল

  • এসআইআর প্রক্রিয়ায় তিনি যথাযথভাবে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছিলেন

  • তবুও ২৫ ডিসেম্বর তাঁর কাছে শুনানির নোটিস আসে

  • জানানো হয়, সোমবার দুপুর ১টায় পাড়া ব্লক অফিসে হাজির হতে হবে

  • বাড়ি থেকে ব্লক অফিসের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার, টোটোই ছিল একমাত্র ভরসা


😔 পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ

পরিবারের দাবি, নোটিস পাওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দুর্জন মাঝি। ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করছিলেন না। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ তিনি জানান, টোটো ডাকতে যাচ্ছেন। কিন্তু সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

খোঁজ শুরু হয়। পরে দুর্জনের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে রেলট্র্যাকের ধারে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।


🏛️ তৃণমূলের তীব্র প্রতিক্রিয়া

খবর পেয়ে দুর্জনের বাড়িতে যান—

  • টিএমসিপি জেলা সভাপতি কিরীটি আচার্য

  • পাড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি মনোজ সাহা

  • জেলা সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো

  • সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়

তাঁদের অভিযোগ,

“২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও, এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করার পরও কেন একজন ৮২ বছরের বৃদ্ধকে শুনানিতে ডাকা হল? এটা স্পষ্ট হয়রানি।”

তাঁদের স্পষ্ট ঘোষণা, এই ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে


❗ প্রশ্নের মুখে এসআইআর প্রক্রিয়া

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—

  • প্রবীণ ও দরিদ্র মানুষদের জন্য এসআইআর প্রক্রিয়া কতটা মানবিক?

  • অপ্রয়োজনীয় শুনানির নোটিস মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে না তো?

একটি শুনানির নোটিস—আর তার জেরে হারিয়ে গেল একটি প্রাণ। পুরুলিয়ার এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে আরও উত্তাপ ছড়াতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উন্নাও গণধর্ষণ মামলা: কুলদীপ সিং সেঙ্গারের মুক্তিতে আপাতত না, দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

 


উন্নাও গণধর্ষণ মামলা: কুলদীপ সিং সেঙ্গারের মুক্তিতে আপাতত না, দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

নয়াদিল্লি: উন্নাও গণধর্ষণ মামলায় প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সিং সেঙ্গার-এর সাজা স্থগিত করে জামিনের যে নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্ট দিয়েছিল, তাতে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে এই মুহূর্তে সেঙ্গারের মুক্তি হচ্ছে না।

সোমবার সিবিআইয়ের আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বে বিচারপতি জে কে মহেশ্বরীঅগাস্টিন জর্জ মাসিহ—এই তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মামলার বিশেষ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে না।


🔍 কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

  • সাধারণত দোষী সাব্যস্ত অভিযুক্তের মুক্তির নির্দেশ শুনানি ছাড়া স্থগিত করা হয় না

  • তবে এই মামলার ক্ষেত্রে “বিশেষ পরিস্থিতি” বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে

  • আপাতত সেঙ্গারকে মুক্তি দেওয়া যাবে না

  • সেঙ্গারকে নোটিস পাঠিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে পাল্টা হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ


📌 পটভূমি

  • ২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট সেঙ্গারের যাবজ্জীবন সাজা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেছিল

  • যুক্তি ছিল, তিনি ইতিমধ্যেই সাড়ে সাত বছরের বেশি কারাবাস করেছেন

  • এই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় সিবিআই


⚖️ সিবিআইয়ের বক্তব্য

  • সিবিআইয়ের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা মামলাটিকে “ভয়াবহ” বলে উল্লেখ করেন

  • বলেন, “আমরা নির্যাতিতার কাছে দায়বদ্ধ”

  • জানান, আইন সংশোধনের পরে এই ধরনের অপরাধে ন্যূনতম সাজা ২০ বছর

  • যদিও বেঞ্চ স্পষ্ট করে, সংশোধনীটি অপরাধের পরে কার্যকর হওয়ায় তা এই মামলায় প্রযোজ্য নয়


❗ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

  • দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ—অপরাধের সময় জনপ্রতিনিধি হলেও সেঙ্গারকে পকসো আইনে সরকারি কর্মচারী ধরা যাবে না—এ নিয়ে আপত্তি তোলে সিবিআই

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারকদের ছবি ছড়িয়ে ‘এই বিচারকদের চিহ্নিত করুন’ ধরনের প্রচারে উদ্বেগ প্রকাশ করে বেঞ্চ

  • প্রধান বিচারপতির মন্তব্য:

    • “আদালত আইভরি টাওয়ারে বসে নেই”

    • “বিচার ব্যবস্থায় পর্যালোচনা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া”

    • “আদালতকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন না—যুক্তি আদালতের ভিতরেই দিতে হবে”


📝 বর্তমান অবস্থা

➡️ কুলদীপ সিং সেঙ্গারের মুক্তি এই মুহূর্তে স্থগিত
➡️ পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় দেশজুড়ে নজর

হুমায়ুন কবীরের পুত্র গ্রেফতার, পাশে শুভেন্দু! নাম না করে মমতা–অভিষেককে নিশানা বিরোধী দলনেতার


ডিজিটাল ডেস্ক:
জন উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের পুত্র রবিন কবীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পরেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবীরের পাশে দাঁড়ালেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাম না করেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, “পুলিশ বেআইনি কাজ করেছে। সারা রাজ্যের আধিকারিকদের ভুলভাবে ব্যবহার করছে পিসি–ভাইপো।” তাঁর দাবি, হুমায়ুন কবীরের ছেলেকে বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কী অভিযোগে গ্রেফতার?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুমায়ুন কবীরের পুত্র রবিন কবীরের বিরুদ্ধে এক পুলিশ কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। ওই কনস্টেবল হুমায়ুন কবীরের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।

ঘটনার পেছনের কাহিনি
যতদূর জানা যাচ্ছে, হুমায়ুন কবীরের এক নিরাপত্তারক্ষী ছুটি চেয়েছিলেন। কিন্তু ছুটি দিতে চাননি হুমায়ুন। তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। সেই সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন হুমায়ুনের পুত্র রবিন কবীর। অভিযোগ, এরপরই তিনি হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

ঘটনার কিছুক্ষণ পর মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়কের বাড়ি থেকে হুমায়ুন কবীর বেরিয়ে গেলে সেখানে পৌঁছয় বিরাট পুলিশ বাহিনী। এরপরই হুমায়ুনের পুত্রকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে থানায় যান হুমায়ুন কবীর নিজেও এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর কথা হয়।

বিরোধী শিবিরে ভিন্ন সুর
এই ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারীর আগেই মুখ খুলেছেন কংগ্রেস ও বিজেপির অন্যান্য নেতারাও। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, “পুলিশ কেন গেল, কেন পুলিশের বিরুদ্ধে কেস হল—এ সব কিছুই তদন্তের পর জানা যাবে। এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।”

অন্যদিকে, বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। তিনি বলেন, “হুমায়ুন কবীরকে তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁকে আরও প্রমিনেন্ট করে তোলা হচ্ছে।”

তবে শুভেন্দু অধিকারী একেবারেই উল্টো সুরে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, গোটা ঘটনাটিই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং পুলিশ বেআইনিভাবে কাজ করেছে।
কেন চর্চায় হুমায়ুন কবীর
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়েই একাধিক কারণে চর্চায় রয়েছেন হুমায়ুন কবীর। বাবরি মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত মন্তব্য তাঁকে প্রথম আলোচনায় নিয়ে আসে। পরে নিজের নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন তিনি এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণাও করেন।
 রাজনৈতিকভাবে যখন তিনি সক্রিয় ও ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়েই তাঁর পুত্রের গ্রেফতারি ঘিরে নতুন করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।

এসআইআর শুনানির নামে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও অন্তঃসত্ত্বাদের হেনস্তা! কমিশনে যাবে তৃণমূল, হুঁশিয়ারি অভিষেকের


ডিজিটাল ডেস্ক:
রাজ্যজুড়ে চলছে এসআইআর-এর শুনানি পর্ব। দীর্ঘদিনের ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলা নোটিস পাওয়ায় চরম হয়রানির অভিযোগ উঠছে। নাম কাটা যাওয়ার আশঙ্কায় বাধ্য হয়েই শুনানি কেন্দ্রে হাজিরা দিতে হচ্ছে অনেককেই। এই পরিস্থিতির তীব্র প্রতিবাদে ফুঁসে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।


অভিষেক জানান, এসআইআর-এর নামে আমজনতাকে যেভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে, তার প্রতিবাদে আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার সকালে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে যাবে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী রবিবার বিএলএ-২ দের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই এসআইআরের একাধিক গলদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে শুনানির নামে প্রবীণদের হেনস্তার প্রসঙ্গ উঠে আসে।
শনিবার শুনানি শুরু হতেই কলকাতার চেতলা গার্লস স্কুলের শুনানি কেন্দ্রে প্রবল ঠান্ডার মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় এক ৯০ বছরের বৃদ্ধকে। অথচ নির্বাচন কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হবে না। শুধু তাই নয়, জানা গিয়েছে এক মহিলাকে প্রসবের দিনেই হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে হিয়ারিং ঘিরে প্রবল ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।


বৃদ্ধদের হেনস্তার ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিষেক বলেন, “বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের এভাবে হেনস্তা বরদাস্ত করব না। তৃণমূলের তরফে আগামিকাল প্রতিনিধিদল কমিশনে যাবে।” একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, “যদি প্রবীণদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা থাকে, তাহলে হিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে তা কেন থাকবে না?”


এদিন বিজেপিকেও তীব্র আক্রমণ করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অভিষেকের বক্তব্য, “বিজেপির কাছে এজেন্সি আছে, তৃণমূলের কাছে কর্মী আছে। বিজেপি আজ পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেনি। তৃণমূল সরকার উন্নয়নের পাঁচালি প্রকাশ করেছে। আমরা দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করি, আর বিজেপি দোষীদের সাদরে গ্রহণ করে।”


হুঙ্কার দিয়ে অভিষেক বলেন, “বিজেপি বাংলার ডিএনএ বোঝে না। দাঙ্গা করে ভাগাভাগি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলার ডিএনএ বদল করতে পারবে না।”
উল্লেখ্য, শনিবারই সিইও দপ্তরে গিয়ে বৃদ্ধদের হেনস্তার প্রতিবাদে চিঠি দেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচন কমিশন কার্যত বিজেপির শাখা সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

বাংলা বলার অপরাধে হেনস্তা, তৃণমূলের উদ্যোগে ঘরে ফিরলেন ২ শ্রমিক

বাংলা বলার অপরাধে হেনস্তা, তৃণমূলের উদ্যোগে ঘরে ফিরলেন ২ শ্রমিক

বাংলা বলার ‘অপরাধে’ জেল! মহারাষ্ট্রে হেনস্তার শিকার বালুরঘাটের ২ শ্রমিক, তৃণমূলের উদ্যোগে ঘরে ফেরা

ডিজিটাল ডেস্ক | রবিবার

বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন বালুরঘাটের দুই পরিযায়ী শ্রমিক। অভিযোগ, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়। স্থানীয় সাংসদকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগেই ঘরে ফিরলেন সেই দুই শ্রমিক।

কারা ওই দুই শ্রমিক

জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বাসিন্দা ওই দুই শ্রমিক হলেন অসিত সরকারগৌতম বর্মন। তাঁরা মহারাষ্ট্রের মুম্বইতে শ্রমিকের কাজ করতেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলা বলার অভিযোগ তুলে তাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসী আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ। এরপরই গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যেতে হয় দু’জনকে।

সাংসদের দ্বারস্থ হয়েও মেলেনি সমাধান

পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠলে গৌতম বর্মনের স্ত্রী স্থানীয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হন বলে অভিযোগ। কিন্তু তাতেও কোনও সমাধান মেলেনি। দীর্ঘদিন জেলবন্দি থাকতে হয় ওই দুই শ্রমিককে।

তৃণমূলের উদ্যোগে মুক্তি

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পাশে দাঁড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সামিরুল ইসলাম-সহ তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্যোগে অবশেষে মুক্তি পান অসিত সরকার ও গৌতম বর্মন। নিরাপদে নিজেদের বাড়িতেও ফিরেছেন তাঁরা।

রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন দুই শ্রমিক। ঘটনার বিস্তারিত শুনে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

পরিযায়ী শ্রমিক হেনস্তা নিয়ে উদ্বেগ

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ সামনে আসছে। কখনও মারধর, কখনও হামলা, লুটপাট, উপার্জন কেড়ে নেওয়া বা পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার মতো অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথে নেমে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন এবং ‘ভাষা আন্দোলন’-এর সূচনা করেছেন। অন্যদিকে, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংবিধান মেনেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত্যু ১

ডিজিটাল ডেস্ক | রবিবার মধ্যরাত

আবারও চলন্ত ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। রবিবার গভীর রাতে অন্ধ্রপ্রদেশে চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন লাগে। এই দুর্ঘটনায় এক যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। যদিও রেল কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের অনকাপল্লী জেলায়। রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ ট্রেনটি ইলামানচিলি রেল স্টেশনে ঢোকার সময় লোকো পাইলট আগুনের শিখা দেখতে পান। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন।

প্রথমে বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এম১ এসি কোচ এবং সংলগ্ন বি২ এসি কোচে। তিনটি কোচই আগুনে সম্পূর্ণভাবে ঝলসে যায়।

আগুনের ঘটনা বুঝতে পেরেই যাত্রীরা চেন টানতে শুরু করেন। ট্রেনের ভিতরে শুরু হয় আতঙ্ক, চিৎকার ও হুড়োহুড়ি। তবে রেলকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে সকল যাত্রীকে নিরাপদে ট্রেন থেকে নামানো হয়।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি কোচে ছিলেন ৮২ জন এবং অন্য কোচে ছিলেন ৭৬ জন যাত্রী। এক এক করে সকলকেই নিরাপদে নামানো সম্ভব হয়।

তবে ভয়াবহ আগুনের মধ্যে প্রাণ হাতে করে নামার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা বি১ কোচ থেকে নামার সময় এক যাত্রীর গায়ে আগুন ধরে যায়। তাঁকে উদ্ধার করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁর।

মৃত যাত্রীর নাম চন্দ্রশেখর সুন্দরম। তিনি সেই বি১ কোচেই ছিলেন, যেখানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

টাটানগর থেকে এরনাকুলামের উদ্দেশে যাত্রা করছিল ট্রেনটি। মাঝপথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হলেও বাকি সকল যাত্রী নিরাপদ রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে রেলের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Sunday, 28 December 2025

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল শক্তিপুর

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল শক্তিপুর

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল শক্তিপুর, আটক বিধায়ক-পুত্র সহেল

অভিযোগ অস্বীকার করে পালটা বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই নিরাপত্তারক্ষী। অভিযোগের ভিত্তিতেই হুমায়ুন কবীরের শক্তিপুরের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ এবং আটক করা হয় বিধায়ক-পুত্র গোলাম নবি আজাদ ওরফে সহেলকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুমায়ুন কবীরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল জুম্মা খান সম্প্রতি কয়েকদিনের ছুটির আবেদন করেন। অভিযোগ, সেই আবেদন ঘিরেই বচসা শুরু হয় এবং হুমায়ুন কবীরের ছেলে গোলাম নবি আজাদ তাঁকে মারধর করেন। এই ঘটনার পর রবিবার সকালেই শক্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জুম্মা খান।

অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবেই হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং বিধায়ক-পুত্র সহেলকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। উলটে তিনি নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধেই দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন।

হুমায়ুন কবীর বলেন, “নিরাপত্তারক্ষী বিনা অনুমতিতে আমার অফিস ঘরে ঢুকে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি আমাকে মারধরের চেষ্টাও করেন। সেই সময় আমার ছেলে শুধু ওকে ঘর থেকে বার করে দিয়েছে। মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি।”

তিনি আরও দাবি করেন, ওই নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে আগেও অসহযোগিতার অভিযোগ তিনি পুলিশের কাছে জানিয়েছিলেন। “আমি আগেই বহরমপুরের আইসি-কে বলেছিলাম নিরাপত্তারক্ষী বদলানোর কথা। কিন্তু তাতে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি,” বলেন হুমায়ুন কবীর।

হুমায়ুন কবীরের দাবি অনুযায়ী, গোটা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। তিনি বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ আছে। তদন্ত হলে সব দেখিয়ে দেব। পুলিশ তদন্ত করুক, আমার কোনও আপত্তি নেই।”

এছাড়াও বিনা নোটিসে পুলিশ তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি জানিয়েছেন, “বিনা নোটিসে কেন পুলিশ আমার বাড়িতে গেল, তার জবাব চাইব। আমি বৃহস্পতিবার ফিরে সব প্রশ্নের উত্তর দেব।”

এই ঘটনার প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের এসপি অফিস ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। ফলে এই ইস্যুতে আগামী দিনে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বর্তমানে পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ ও পালটা অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

এসআইআর শুনানিতে নথির জট, কান্নায় ভেঙে পড়লেন রানাঘাটের যুবতী

এসআইআর শুনানিতে নথির জট, কান্নায় ভেঙে পড়লেন রানাঘাটের যুবতী

এসআইআর শুনানিতে নথির জট, কান্নায় ভেঙে পড়লেন রানাঘাটের যুবতী

ডিজিটাল ডেস্ক | শনিবার

শনিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত শুনানি। সেই শুনানিতেই ডাক পান নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা ২৮ বছরের মানু মিত্র। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হয়ে শুনানিতে অংশ নিলেও, একটি নথি ঘিরে চরম সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে।

শুনানির সময় মানুর কাছে তাঁর জন্মদাতা বাবার ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিতে বলা হয়। এই কথা শুনেই ভেঙে পড়েন তিনি। মানুর দাবি, জন্মদাতা বাবার সঙ্গে তাঁর মায়ের বিচ্ছেদ বহু বছর আগেই হয়ে গিয়েছিল এবং সেই বাবার কোনও নথিপত্র তাঁর কাছে নেই। এমনকি সেই মৃত্যুর শংসাপত্র কোথা থেকে সংগ্রহ করবেন, সেটিও তাঁর অজানা।

জানা গিয়েছে, মানু মিত্রের জন্ম ১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাসে। সেই সময় তাঁর জন্ম সার্টিফিকেট ও স্কুলে ভর্তির নথিতে বাবা হিসেবে প্রবীর দাসের নাম ছিল। পরে তাঁর মা ও জন্মদাতা বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে মানুর মা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন রানাঘাট দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা তিমির ঘোষকে। সেই সময় থেকেই তিমির ঘোষের পরিচয় অনুযায়ী মানুর ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড তৈরি হয়।

সমস্যার মূল কারণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকা। ওই তালিকায় মানুর মায়ের নাম না থাকায়, এসআইআর শুনানিতে মানুর জন্ম সংক্রান্ত নথি নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।

বর্তমানে মানু বিবাহিত। তাঁর দ্বিতীয় বাবার নাম অনুযায়ী সমস্ত পরিচয়পত্র ও ঠিকানা সংশোধন করা হলেও, জন্ম সার্টিফিকেটে এখনও আগের বাবার নাম রয়ে গিয়েছে। এই কারণেই তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা।

শনিবার রানাঘাটের এসডিও অফিসে শুনানি শেষে বাইরে বেরিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন মানু। তাঁর আশঙ্কা, জন্মদাতা বাবার ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিতে না পারলে তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে।

এসআইআর সংক্রান্ত এই যাচাই প্রক্রিয়ায় এমন জটিলতা বহু সাধারণ মানুষকেই মানসিক চাপে ফেলছে বলে মত স্থানীয়দের।

Saturday, 27 December 2025

বছর শেষের মুখে ‘পাওয়ার প্লে’ খেলছে শীত, কলকাতায় পারদ ১২.৯—আরও কয়েক দিন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা

বছর শেষের মুখে ‘পাওয়ার প্লে’ খেলছে শীত, কলকাতায় পারদ ১২.৯—আরও কয়েক দিন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা<\P> কলকাতা:

বছর শেষের আগে ঝড়ো ইনিংস খেলছে শীত। একেবারে পাওয়ার প্লে ব্যাটিং—এমনটাই বলছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তার জেরেই কলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই হু হু করে নামছে তাপমাত্রা।

শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এই মরসুমে শহরের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন। আর এই হাড় কাঁপানো শীত আরও কিছুদিন থাকবে বলেই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।

❄️ কেন এত ঠান্ডা? এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে রয়েছে শুষ্ক আবহাওয়া। ফলে উত্তুরে হাওয়া বাধাহীনভাবে ঢুকছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায়। উত্তর থেকে দক্ষিণ—সব জায়গাতেই এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাপমাত্রায়। সাধারণত শীতের এই দাপটের মাঝে কোনও না কোনও নিম্নচাপ বা ঝঞ্ঝা এসে তাল কাটে। কিন্তু এখন তেমন কোনও সিস্টেম সক্রিয় নেই। সেই কারণেই উত্তুরে হাওয়ার এমন দাপট চলছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন থাকবে। ফলে শুধু রাত নয়, আগামী দিনে দিনের তাপমাত্রাও আরও কমতে পারে। 🌡️ আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া? ২৭ ডিসেম্বর, শনিবারও 🔹 উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ—দু’জায়গাতেই তাপমাত্রা কমার ধারা বজায় থাকবে 🔹 শীতের আমেজ থাকবে বেশ ভালোই তবে রবিবার থেকে আবহাওয়ার চরিত্রে সামান্য বদল আসতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। যদিও শীত একেবারে কমবে না, তবে যেভাবে তাপমাত্রা নামছিল, সেই ধারায় কিছুটা ছেদ পড়তে পারে। তবে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনাও নেই। 🥶 মরসুমের শীতলতম দিন শুক্রবার শুক্রবারই এই শীতের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন উপভোগ করেছে কলকাতা। এ দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস—যা এই বছরের রেকর্ড। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বরও কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ঠিক ১২.৯ ডিগ্রিতে। এবার সেই পুরনো রেকর্ডে আবার হাত দিল শহর। 🏔️ রাজ্যে সবচেয়ে ঠান্ডা কোথায়? শুক্রবার রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে দার্জিলিংয়ে। সেখানে পারদ নেমেছিল ৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় অবশ্য বেশ খুশিই পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog