Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 30 August 2025

🗳️ বিহার বিধানসভা নির্বাচন: কোন দল এগিয়ে, কোন দল পিছিয়ে – টাইমস নাউ-জেভিসি সমীক্ষা

🗳️ বিহার বিধানসভা নির্বাচন: এনডিএ এগিয়ে, মহাজোট পিছিয়ে – টাইমস নাউ-জেভিসি সমীক্ষা বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশেষ করে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই বিহারের রাজনীতিতে সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শাসক এনডিএ (NDA) এবং বিরোধী মহাজোট (Mahagathbandhan) – দুই পক্ষই দাবি করছে, এবারের ভোটে জয় নিশ্চিত তাদের ঝুলিতেই যাবে। এদিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা ইতিমধ্যেই সমীক্ষা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সমীক্ষা সামনে এনেছে টাইমস নাউ এবং জেভিসি (JVC)। এই সমীক্ষায় স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে – অনেকের পূর্বাভাসের উল্টে, এনডিএ এবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। 🔹 এনডিএর সম্ভাব্য আসন সংখ্যা টাইমস নাউ-জেভিসি সমীক্ষা অনুযায়ী, এবারের ভোটে ২৪৩ আসনের মধ্যে এনডিএ এককভাবে ১৩৬ আসন পেতে পারে। যেখানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১২২ আসন। অর্থাৎ এনডিএ এককভাবেই সহজে সরকার গঠনের পথে। বিজেপি : ৭৪ আসন জেডিইউ (নীতীশ কুমার) : ২৯ আসন (পূর্বের তুলনায় কম) 🔹 মহাজোটের পরিস্থিতি অন্যদিকে, আরজেডির নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেতে পারে মাত্র ৭৫ আসন। যা ২০২০ সালের তুলনায় অনেকটাই কম। আরজেডি : ৫২ আসন (বর্তমানে রয়েছে ৩৭, অর্থাৎ ১৫ আসন এগিয়ে) কংগ্রেস : ১০ আসন (গতবার পেয়েছিল ১৯, এবার ক্ষতি হতে পারে) অন্যান্য সঙ্গী দল : ১৩ আসন 🔹 ছোট দলগুলির অবস্থান প্রশান্ত কিশোরের জন সুরজ : ২ আসন ওয়েসির AIMIM (মিম) : ৩ আসন বিএসপি : ১ আসন 🔹 সীমাঞ্চলের সমীকরণ সীমাঞ্চল এলাকায় এবার সমান লড়াই হতে পারে। সেখানে এনডিএ ও মহাজোট দুই পক্ষই ১০-১০ আসন পেতে পারে। বাকি ৪ আসনের মধ্যে মিম ৩টি এবং একটি আসন নিয়ে চূড়ান্ত টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। দল / জোট সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ২০২০ সালে আসন পার্থক্য এনডিএ (মোট) 136 125 +11 ➤ বিজেপি (BJP) 74 74 সমান ➤ জেডিইউ (JDU - নীতীশ কুমার) 29 43 -14 মহাজোট (মোট) 75 110 -35 ➤ আরজেডি (RJD) 52 75 -23 ➤ কংগ্রেস (INC) 10 19 -9 ➤ অন্যান্য সঙ্গী দল 13 16 -3 জন সুরজ (প্রশান্ত কিশোর) 2 - নতুন দল AIMIM (ওয়েসি) 3 5 -2 বিএসপি (BSP) 1 1 সমান --- 📌 মূল পয়েন্ট: সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন 122 আসন, এনডিএ এককভাবে পাচ্ছে 136 আসন। বিজেপি আগের মতোই শক্ত অবস্থানে, জেডিইউর আসন কমছে। মহাজোটের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। ছোট দলগুলির মধ্যে AIMIM ও জন সুরজ সীমিত প্রভাব রাখবে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

নতুন স্পনসর খুঁজছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড


🏏 নতুন স্পনসর খুঁজছে বিসিসিআই ড্রিম ১১ সরে দাঁড়ানোর পর সূর্যকুমার-গিলদের জার্সিতে ‘খালি জায়গা’, লক্ষ্য ৪৫২ কোটি আয় বিউরো রিপোর্ট: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) নতুন প্রধান স্পনসরের খোঁজে নামল। ফ্যান্টাসি গেমিং প্ল্যাটফর্ম ড্রিম ১১ সরে যাওয়ার পর ভারতীয় দলের জার্সিতে তৈরি হয়েছে শূন্যস্থান। এবার সেই জায়গা পূরণ করে বোর্ডের লক্ষ্য আগামী তিন বছরে (২০২৫-২০২৮) ₹৪৫২ কোটি আয়। আরও পড়ুন আরও খবর 💰 আয় পরিকল্পনা 📌 ২০২৫ থেকে ২০২৮ পর্যন্ত ভারতীয় দল খেলবে ১৪০টি ম্যাচ। এর মধ্যে রয়েছে— দেশে ও বিদেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আইসিসি টুর্নামেন্ট (বিশ্বকাপসহ) এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল-এর প্রতিযোগিতা নতুন হার: 🏏 দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ম্যাচপ্রতি ₹৩.৫ কোটি (ড্রিম ১১ দিত ₹৩ কোটি) 🌍 আইসিসি/এএসিসি টুর্নামেন্টে ম্যাচপ্রতি ₹১.৫ কোটি (আগে ছিল ₹১ কোটি) 📊 বছরভিত্তিক আয় অনুমান: ২০২৫-২৬ → ₹১৩১ কোটি ২০২৬-২৭ → ₹১৬২.৫ কোটি ২০২৭-২৮ → ₹১৫৮.৫ কোটি 👉 সব মিলিয়ে বোর্ডের মোট আয় হতে পারে ₹৪৫২ কোটি টাকা। ⚠️ ড্রিম ১১-এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ড্রিম ১১-এর সঙ্গে বিসিসিআইয়ের চুক্তি মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত। তিন বছরের জন্য এই চুক্তি ছিল ₹৩৫৮ কোটি। কিন্তু সদ্য পাশ হওয়া ‘দ্য প্রমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল’-এর কারণে ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপগুলির ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকারে। ফলতই বোর্ডের বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন স্পনসর খোঁজা। 🚗 কারা হতে পারে নতুন স্পনসর? বোর্ডের প্রাথমিক নজর— মোটর কর্পোরেশন ফিনটেক স্টার্ট-আপস তবে সরকারিভাবে প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি। ফলে পুরো বিষয়টি সময়সাপেক্ষ বলেই মনে করছে বোর্ড। 🏆 এশিয়া কাপে ‘স্পনসরবিহীন’ ভারত! দিন কয়েক পরই শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ। তবে সম্ভবত সূর্যকুমার যাদব-শুভমান গিলরা নামবেন স্পনসরবিহীন জার্সি পরে। কারণ, অফিসিয়ালভাবে নতুন স্পনসর চূড়ান্ত করতে বিসিসিআইয়ের হাতে এখনো পর্যাপ্ত সময় নেই। 🔎 সারকথা ড্রিম ১১-এর বিদায়ের পর বিসিসিআই সামনে এসেছে অর্থনৈতিকভাবে আরও বড় সুযোগ। তবে সঠিক স্পনসর বেছে নেওয়াটাই এখন বোর্ডের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

ভারত সরকারের উদ্যোগ: ছোটখাটো অপরাধ ‘অপরাধমুক্ত’, শুধুমাত্র জরিমানা

ভারত সরকারের উদ্যোগ: ছোটখাটো অপরাধ ‘অপরাধমুক্ত’

ভারত সরকারের উদ্যোগ: ছোটখাটো অপরাধ ‘অপরাধমুক্ত’, শুধুমাত্র জরিমানা

ডিজিটাল ডেস্ক:

ভারতে এমন অনেক আইন রয়েছে, যেগুলিতে খুব ছোটখাটো কোনও ঘটনাকেও ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, রাস্তায় গরুর দুধ দোয়ানো বা পোষ্য কুকুরকে যথাযথ অনুশীলন না করানোর জন্য কাউকে গ্রেফতার করা যেতে পারে। এমনকি কোনও জরুরি গাড়িকে রাস্তা সরাতে না দেওয়াতেও জেলের শাস্তি হতে পারে।

কেন্দ্র জানিয়েছে, এই ধরনের ছোটখাটো ঘটনার জন্য ফৌজদারি অপরাধের প্রয়োগ সীমিত করা হবে এবং শুধুমাত্র জরিমানা ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে সংসদের বাদল অধিবেশনে লোকসভায় ‘জনবিশ্বাস (বিধি সংশোধনী) বিল, ২০২৫’ পেশ করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

এই নতুন সংশোধনী বিলে ১০টি মন্ত্রক ও ১৬টি কেন্দ্রীয় আইন সংশোধনের প্রস্তাব।

মোট ৩৫৫টি ধারার সংশোধনের উল্লেখ, যার মধ্যে ২৮৮টি ধারাকে ‘অপরাধমুক্ত’ করার কথা বলা হয়েছে।

বাকি ৬৭টি ধারায় সংশোধনের প্রস্তাব, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করবে।

সংশোধনাগুলোর মধ্যে রয়েছে: মোটরগাড়ি আইন, নয়াদিল্লি পুরসভা কাউন্সিল আইন, চা আইন এবং আরও কিছু নিয়ম।

পূর্বের প্রেক্ষাপট:

কেন্দ্র ২০২৩ সালে পাশ হওয়া জনবিশ্বাস আইনে ১৯টি মন্ত্রক এবং ৪২টি কেন্দ্রীয় আইন সংশোধন করে ১৮৩টি ধারাকে অপরাধমুক্ত করেছে। এবার আরও ৩৫৫টি ধারায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেল ও বন্দির প্রসঙ্গ:

ভারতের সংশোধনাগারে প্রায়ই অতিরিক্ত সংখ্যক আবাসিক দেখা যায়। অনেকেই বিচারাধীন বন্দি, এবং ছোটখাটো অপরাধের জন্যও গ্রেফতার হলে জেলভিত্তি চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোটখাটো ঘটনার ক্ষেত্রে অপরাধ এবং শাস্তির অনুপাত মৌলিক আইনি নীতির পরিপন্থী। কেন্দ্র পুরনো ধারাগুলোতে এই সংশোধনী আনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আইন প্রয়োগ আরও যুক্তিসঙ্গত করার চেষ্টা করছে।

🔥 কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের মাস্টারমাইন্ড খতম! ‘হিউম্যান জিপিএস’ বাগু খান আর নেই

কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের কারিগর নিকেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের কারিগর নিকেশ: ‘হিউম্যান জিপিএস’ বাগু খান শেষ

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক:

জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজে ভারতীয় সেনার বিশেষ অভিযানে পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে উপত্যকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশের অন্যতম কারিগর, ‘হিউম্যান জিপিএস’ হিসেবে কুখ্যাত বাগু খান (ওরফে সমন্দর চাচা) কে নিশ্চিহ্নিতভাবে খতম করা হয়েছে।

১৯৯৫ সাল থেকে পিওকে-তে সক্রিয় থাকা বাগু খানকে ভূস্বর্গে অনুপ্রবেশের এক দক্ষ কারিগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেনা সূত্রের খবর অনুযায়ী, নওশেরা নার এলাকায় আরও একজন জঙ্গির সঙ্গে তাকে খতম করা হয়েছে।

গুরেজ সেক্টরের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টিরও বেশি অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করেছিল বাগু খান। কঠিন পাহাড়ি অঞ্চলের গোপন পথের জ্ঞান থাকায় অধিকাংশ অভিযানই তার কাছে সফল হয়েছে। এই কারণে সমস্ত জঙ্গিগোষ্ঠীর কাছে সে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পছন্দের ব্যক্তি।

এক সময় হিজবুল কমান্ডার হিসাবেও কাজ করা বাগু খান নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশে একাধিক গোষ্ঠীকে সাহায্য করেছিল। বহু বছর নিরাপত্তা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে সক্ষম হলেও সাম্প্রতিক অপারেশনে সে নিজেকে আড়াল করতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাগু খানের মৃত্যু এই অঞ্চলের জঙ্গি সংগঠনগুলোর লজিস্টিক নেটওয়ার্কে বড় ধরনের আঘাত হবে।

রাহুলের সভায় উন্মাদনা , বিরোধী ঐক্যে নতুন বার্তা

রাহুলের সভায় উন্মাদনা, বিরোধী ঐক্যে নতুন বার্তা

বিহার, ৩০ আগস্ট ২০২৫: শনিবার বিহারের আয়ার জেলার বিহিয়ার অঞ্চলে বিরোধী দলগুলির উদ্যোগে আয়োজিত হল ‘ভোট অধিকার যাত্রা’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর সভাকে ঘিরে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও ভিড় প্রমাণ করেছে বিহারের মাটিতে বিরোধীদের রাজনৈতিক লড়াই কতটা জমাট হতে চলেছে।

সভায় রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে মানুষের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে এবং তা রুখতেই বিরোধী ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালাচ্ছে।

কংগ্রেস-সমাজবাদী ঐক্যের বার্তা

সভায় বিশেষভাবে নজর কাড়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের উপস্থিতি। বিহারের রাজনীতিতে বহুদিন পর বিরোধী দলগুলির এমন ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি বিরল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অখিলেশের উপস্থিতি এদিন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— ২০২৫-এর ভোটমুখী রাজনীতিতে উত্তরপ্রদেশ-বিহার জোট গড়ে তুলতে চাইছে বিরোধীরা।

ঐতিহাসিক মুহূর্ত

কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি নিজেই সভার ভিডিও তুলে ধরেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর দাবি, জনগণের সমর্থনই প্রমাণ করছে মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে।

রাজনৈতিক তাৎপর্য

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘ভোট অধিকার যাত্রা’ কর্মসূচি শুধু বিহার নয়, গোটা উত্তর ভারতের রাজনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। বিরোধী শিবির একসঙ্গে ময়দানে নামায় শাসক দলের বিরুদ্ধে চাপ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।


ভিডিও দেখুন:


সংক্ষেপে: রাহুল গান্ধীর সভা শুধু উচ্ছ্বাস নয়, বরং বিরোধী ঐক্যের নতুন বার্তা দিয়েছে। অখিলেশ যাদবের উপস্থিতি এ বার্তার তাৎপর্য আরও বাড়িয়েছে।


📢 আমাদের সাথে যুক্ত হোন

👉 সর্বশেষ সব খবর পেতে আমাদের Facebook পেজ ফলো করুন।
👉 আলোচনায় যোগ দিতে আমাদের WhatsApp গ্রুপ-এ যুক্ত হোন।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে

দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে কলকাতা: আলুর ব্যবসার আড়ালে কোটি টাকার দুর্নীতি এবং কালোবাজারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। শনিবার আদালত তাঁকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গেছে, জীবনকৃষ্ণ সাহার অ্যাকাউন্টে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার লেনদেন ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই টাকা আলুর ব্যবসার নামে ব্যবহৃত হলেও প্রকৃতপক্ষে তা দুর্নীতি ও কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগের বিবরণ আলু কোল্ড স্টোরেজে আটকে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হতো। দাম নিয়ন্ত্রণে কারসাজি করে পরে বেশি দামে বাজারে ছাড়া হতো আলু। এর মাধ্যমে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন বলে অভিযোগ। ইডির বক্তব্য ইডি জানিয়েছে, জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে মানি লন্ডারিং ও কালোবাজারির যোগসূত্র পাওয়া গেছে। আরও নথি এবং প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তাঁকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। আদালতের রায় আদালতও তদন্তের স্বার্থে ইডির যুক্তি মেনে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। 🔎 রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, রাজ্যের শাসক দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি দুর্নীতির জালে জড়িয়ে পড়ছেন। তবে তৃণমূল শিবির এখনই এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
📲 আমাদের WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন

খবর ও আপডেট পেতে এখনই ক্লিক করুন!

ড্রাগ কেলেঙ্কারি! ১৫১টি ওষুধ ফেল করল গুণমান পরীক্ষায়

ড্রাগ কেলেঙ্কারি! ১৫১টি ওষুধ ফেল করল গুণমান পরীক্ষায় 💊 কলকাতার সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরি-তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে— মোট ১৫১টি ওষুধ ফেল করেছে গুণমান পরীক্ষায়। 👉 এর মধ্যে রয়েছে ক্যানসারের ইনজেকশন, অ্যান্টিবায়োটিক, আলসারের সিরাপ, ইউরিন ইনফেকশনের ওষুধও! 👉 বেশিরভাগ ওষুধ এসেছে ভিনরাজ্য থেকে— গুজরাট, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, তেলেঙ্গানা, হায়দরাবাদ। ⚠️ ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের সতর্কবার্তা: “এই ওষুধ কিনবেন না, দোকানদাররা মজুত রাখবেন না।” 📌 ফেল করা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হেপারিন ইনজেকশন (ক্যানসার রোগীদের ব্যবহৃত) অ্যাজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট সুক্রালফেট সিরাপ (আলসারের ওষুধ) অ্যামক্সিসিলিন + পটাশিয়াম ক্ল্যাভুলানেট আমিকাসিন সালফেট ইনজেকশন ডেক্সামিথাসোন ট্যাবলেট 👩‍⚕️ চিকিৎসকদের মতে— “রোগীদের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা চলছে। এসব ওষুধ খেলে কোনও সুফল মিলবে না, বরং মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।”

শূন্যও হয়ে গেল ৫৩! এইভাবেই হয়েছিল SSC-র জালিয়াতি

 Y বাংলা ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট

শূন্যও হয়ে গেল ৫৩! এইভাবেই হয়েছিল SSC-র জালিয়াতি

স্টাফ রিপোর্টার:
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রতিদিনই বেরিয়ে আসছে নতুন সব তথ্য। এবার সামনে এল আরও বিস্ময়কর তথ্য। দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীর নাম প্রকাশিত ওএমআর শিটে দেখানো হয়েছে ৫৩ প্রাপ্ত হিসাবে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সিবিআই-এর হাতে জমা দেওয়া নথিতে ওই প্রার্থীর প্রকৃত নম্বর ছিল শূন্য। অথচ এসএসসি-র প্রকাশিত নথিতে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে ৫৩। শুধু তাই নয়, আরেকজন ইতিহাসের শিক্ষক আসলে পেয়েছিলেন ২০ নম্বর, কিন্তু ওএমআর শিটে তাঁর নম্বরও বেড়ে হয়েছে ৫৩।

এমন উদাহরণ আরও বহু রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। যোগ্য প্রার্থীদের সুযোগ কেড়ে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এভাবে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

এসএসসি সূত্রে খবর, আজই প্রকাশ করা হবে আরও নামের তালিকা। সেখানেও একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Friday, 29 August 2025

বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ঝড়— পরিচিত মুখের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কেনার অভিযোগ

💥 বঙ্গ বিজেপির পরিচিত মুখের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনার অভিযোগ! অমিত শাহের দপ্তরে পৌঁছল নথি

✍️ স্টাফ রিপোর্টার

বঙ্গ বিজেপির রাজনীতিতে ফের ভূমিকম্প তুলতে পারে এমন এক অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার দলের এক পরিচিত মুখের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের জমি ও সম্পত্তি কেনার অভিযোগ পৌঁছল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের টেবিলে। শুধু তাই নয়, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও এ সংক্রান্ত নথি পাঠানো হয়েছে।

🔎 অভিযোগকারীর দাবি কী?

অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত নেতা রাজ্য বিজেপির এক গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও পরিচিত মুখ। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—

1️⃣ তহবিলের উৎস তদন্ত করা হোক।
2️⃣ দলের পদমর্যাদা বা ক্ষমতা ব্যবহার করে বিপুল অর্থে সম্পত্তি কেনা হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হোক।
3️⃣ অভিযুক্তকে যাঁরা রক্ষা করছেন, তাঁদের ভূমিকা ও শীর্ষ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হোক।

📩 কোথায় কোথায় অভিযোগ জমা?

অভিযোগকারী হিসেবে এক বিজেপি কর্মী ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সিবিআই ও ইডির কাছে। এবার তিনি সরাসরি চিঠি পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে।

অভিযোগপত্রের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে একাধিক তথ্য ও নথি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এতদিনে বিষয়টি দলের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার তা সরাসরি দিল্লির টেবিলে পৌঁছনোয় ঘটনাটির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেল।

⚡ গেরুয়া শিবিরে অস্বস্তি

রাজ্য বিজেপির একাংশ মনে করছে, এই অভিযোগের জল খুব শিগগিরই অনেক দূর গড়াতে চলেছে। একদিকে যেখানে রাজ্যজুড়ে সংগঠন মজবুত করার চেষ্টায় ব্যস্ত গেরুয়া শিবির, সেখানে দলেরই এক পরিচিত নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ দলের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।

🗣️ রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা ইতিমধ্যেই বিষয়টিকে হাতিয়ার করতে শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপি দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি করার নামে প্রচার চালালেও, বাস্তবে নিজেদের দলে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদেরই জায়গা দিচ্ছে।

অন্যদিকে বিজেপির অন্দরে চাপা গুঞ্জন— এই ঘটনা যদি সত্যিই তদন্ত পর্যায়ে যায়, তবে একাধিক নেতার নাম উঠে আসতে পারে। আর তাতেই দলের অন্দরেই তৈরি হতে পারে ভূমিকম্প।



Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog