Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 31 August 2025

অযোগ্যদের তালিকায় নাম প্রকাশ হতেই ভেঙে পড়লেন অত টাকা পাব কোথায়

দাগি তালিকায় আলিপুরদুয়ারের অসীম

দাগি তালিকায় আলিপুরদুয়ারের অসীম, এলাকায় শুরু চাপানউতোর

নিজস্ব সংবাদদাতা: আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম ব্লকের পশ্চিম চকচকার বাসিন্দা অসীম বিশ্বাস। স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রকাশিত দাগি তালিকায় নাম ওঠার পর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

যশোর ডাঙ্গা হাইস্কুলে এডুকেশনের শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন অসীম। এর আগে শামুকতলা মহাকালগুড়ি মিশন হাই স্কুলে প্যারা টিচার হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু, ২৬ হাজার প্রার্থীর পুরো প্যানেল বাতিল করতেই তাঁর চাকরিটাও হারাতে হয়। এবার নাম উঠেছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায়। ফলে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর সংকট।

“খুবই হতাশ হয়ে গিয়েছি। ছোটবেলা থেকে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম। আমার সাধ্যমতো ভাল স্কুলে পড়িয়েছি। এখন এসএসসি-তে পাশ করল, চাকরি হল। সেটাও চলে গেল। আমি কাউকে টাকা দেব কী করে! আমার তো অত টাকার সংস্থানই নেই।” — অসীমের বাবা প্রফুল্ল বিশ্বাস

অন্যদিকে প্রতিবেশীদের একাংশের অভিযোগ, টাকার বিনিময়েই চাকরি পেয়েছিলেন অসীম।

“শুরু থেকেই শুনছি টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে। ওদের তো পরিবারের অবস্থাও ভাল। জমি-জায়গা আছে, পাকা বাড়ি আছে। আমাদের ছেলে তো অনেক জায়গায় ট্রেনিং করল, তবু চাকরি হল না।” — স্থানীয় বাসিন্দা ভোলা বর্মণ

মূল বিষয়সমূহ:

  • অসীম বিশ্বাসের নাম উঠেছে এসএসসি-র দাগি তালিকায়।
  • চাকরি হারিয়ে পরিবারে নেমেছে হতাশা।
  • প্রতিবেশীরা অভিযোগ তুলছেন টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন তিনি।
  • অসীমের পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

অযোগ্যদের নাম প্রকাশ হতেই পাখিদের নাম কই জানতে চেয়ে আবার কোটে যাওয়ার প্রস্তুতি অ্যাডভোকেট মোঃ শামীমের

Y বাংলা নিউজ

Y বাংলা নিউজ

🔴 সর্বশেষ খবর: স্কুল সার্ভিস কমিশন প্রকাশ করল ১৮০৬ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা...

স্কুল সার্ভিস কমিশন প্রকাশ করল ১৮০৬ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা

কলকাতা, ৩১ আগস্ট ২০২৫: স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) শনিবার রাতে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় মোট ১৮০৬ জনের নাম রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে শাসক দলের কিছু নেতা-নেত্রী বা ঘনিষ্ঠদের নামও।

তালিকা প্রকাশের পরও প্রশ্ন উঠেছে, বাইরে আরও কতজন ‘অযোগ্য’ প্রার্থী থাকতে পারে। কিছু চাকরিপ্রার্থী আবারও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল থেকে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাদের নিয়োগও বেআইনি। SSC সুপারিশ করেছিল ১১,৬১০ জনের, কিন্তু নিয়োগ পেয়েছেন ১২,৯৬৪ জন।

পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা রাজ্যে ১৪ বছরে কমেছে

কলকাতা, ৩১ আগস্ট ২০২৫: রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বাম জমানার শেষের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। রাজ্য সরকারের ‘কর্মসাথী’ প্রকল্প অনুযায়ী, নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বর্তমানে ২২ লক্ষ ৪০ হাজার।

শ্রমশ্রী প্রকল্প অনুযায়ী রাজ্যে ফিরে এলে পরিযায়ী শ্রমিকরা মাসে পাঁচ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুবিধা, প্রশিক্ষণ ও জব কার্ড প্রদান করা হবে।

© ২০২৫ Y বাংলা নিউজ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা রাজ্যে ১৪ বছরে কমেছে

ব্যুরো রিপোর্ট: পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা রাজ্যে ১৪ বছরে কমেছে

কলকাতা, ৩১ আগস্ট ২০২৫:
রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বাম জমানার শেষের তুলনায় কিছুটা হলেও কমেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। রাজ্য সরকারের ‘কর্মসাথী’ প্রকল্প অনুযায়ী, নথিভুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বর্তমানে ২২ লক্ষ ৪০ হাজার, যা ২০১১ সালের ২৪.০৫ লাখ সংখ্যার থেকে প্রায় ১.৬৫ লাখ কম।

২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা ছিল ১৪.৫২ লাখ এবং পুরুষ শ্রমিকের সংখ্যা ৯.৫৩ লাখ। তবে বিভিন্ন মহলের মতে, বাস্তবে ভিন্‌রাজ্যে কর্মরত অনেক পরিযায়ী শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত নয়। শ্রম দফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, “নথিভুক্ত না থাকা শ্রমিকদের সংখ্যা ২-৪ লাখের মধ্যে হতে পারে।”

উল্লেখ্য, বাম জমানার শেষ সময়ে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বেড়ে ২০১১ সালে ৭.১৮ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছিল। বাম জমানার সময়ের শ্রম দফতরের মন্ত্রী অনাদি সাহু বলেন, “কৃষকেরাও এখন চাষাবাসের পরিবর্তে ভিন্‌রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করছেন।”

বর্তমানে রাজ্যে ফিরতি পরিযায়ী শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে শ্রমশ্রী প্রকল্প চালু হয়েছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী, রাজ্যে ফিরে এলে পরিযায়ী শ্রমিকরা মাসে পাঁচ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। শ্রমশ্রী ও কর্মসাথী পোর্টালের সংযোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের নাম নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শ্রমশ্রী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা শ্রমিকদের আই কার্ড দেওয়া হবে এবং তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেতে সক্ষম হবেন। পাশাপাশি, তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুবিধা, প্রশিক্ষণ ও জব কার্ড প্রদান করা হবে।

তবে প্রশাসনিক মহলের মতে, অন্য রাজ্যে বেশি মজুরি পাওয়ার কারণে কতজন শ্রমিক প্রকৃতভাবে রাজ্যে ফিরে আসবেন, তা আগাম নির্ধারণ করা কঠিন। সরকারি সূত্রের দাবি, “সব দিক বিবেচনা করে প্রকল্পের কার্যক্রম এগোনো হচ্ছে, যাতে অর্থ ও সময়ের অপচয় এড়ানো যায়।”

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

শুভেন্দুকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অযোগ্য তালিকায় ওরা কারা


🔴 এসএসসি প্রকাশিত ‘দাগি’ তালিকা: শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রকাশিত তালিকায় ১৮০৬ জনের নাম। রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে।

SSC দাগি তালিকা

স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ মিলিয়ে মোট ১৮০৬ জন ‘দাগি’ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। তালিকাটি ইতিমধ্যেই এসএসসির ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তালিকাকে অসম্পূর্ণ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কটাক্ষ করেছেন। তবে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন,

“অযোগ্য তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, তারা সবাই শুভেন্দুর লোকজন। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার প্রার্থীরা মূলত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।”
“যাদের নাম তালিকায় আছে, তারা যদি বিভ্রান্ত হন, আদালতে মামলা করুন। রাজনৈতিক মন্তব্যে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক নয়।”

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেছেন,

“১৮০৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। ২০২২ সালের নির্দেশ অনুযায়ী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় উল্লেখ করেছিলেন এই সংখ্যা আরও বেশি। রাজ্য সরকার স্বীকার করেছে যে ১৮০৪ জনের চাকরি অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পর এমন নজির আগে দেখা যায়নি।”

📌 সংক্ষেপে খবর

  • প্রকাশিত তালিকার সংখ্যা: ১৮০৬ জন
  • ওয়েবসাইট আপলোড: স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)
  • প্রধান বিতর্ক: শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ vs কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া
  • রাজনৈতিক প্রভাব: পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে তীব্র সমালোচনা

উৎস: স্কুল সার্ভিস কমিশন, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি

দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত? সংগঠন পুনর্গঠনে সক্রিয় শমীক ভট্টাচার্য

কলকাতা: শমীক ভট্টাচার্য বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নতুন করে সংগঠন সাজানোর পরিকল্পনা শুরু হয়েছে বঙ্গ বিজেপিতে। রাজ্য কমিটি, কোর কমিটি, জেলা কমিটি সহ একাধিক মোর্চার কাঠামো নতুনভাবে গড়ে তোলার পথে হাঁটতে পারে দল। নির্বাচনের আগে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হতে তাই দিল্লি পাড়ি দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন— দিলীপ ঘোষ কি ফের রাজ্য কমিটি বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে ফিরতে পারেন? তবে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, দিলীপ ঘোষ সম্পর্কে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, গতবার রাজ্য দফতরে শমীকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, তাঁর এখনও "মার্কেটে দাম আছে"। সাংসদ পদ হারালেও কিংবা বর্তমানে দলের কোনও পদ না থাকলেও, তিনি যে বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক, তা বারবার প্রমাণ করেছেন। দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, 👉 “দেখি পার্টি কীভাবে চায়। আমি তো বিধানসভায় আগে প্রার্থী হয়েছি, লোকসভাতেও হয়েছি। পার্টির প্রয়োজনে যেটা দরকার, সেটা করব।” শমীক ভট্টাচার্য সভাপতি হওয়ার পর দলে পুরনো এবং আদি কর্মীদের গুরুত্ব বেড়েছে, দায়িত্বভারও বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষকে ফের রাজনীতির সামনের সারিতে আনা হবে কি না, তাই এখন সবচেয়ে বড় কৌতূহল। ➡️ আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি কৌশলে কী সিদ্ধান্ত নেয়, আর তাতে দিলীপ ঘোষ কতটা প্রাসঙ্গিকভাবে ফিরে আসেন—সেই দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

অযোগ্য তালিকায় নাম প্রকাশ, প্রাক্তন জেলা সভাধিপতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ

উত্তর দিনাজপুরের প্রাক্তন জেলা সভাধিপতি ও শিক্ষিকা, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ, অযোগ্য তালিকায় নাম প্রকাশ উত্তর দিনাজপুরের জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি এবং একসময় এলাকার স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন কবিতা বর্মন। তৃণমূল ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এত দাপুটে রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও, শেষ রক্ষা হলো না। শনিবার সন্ধ্যায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) ১৮০৪ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ করে, যারা “অযোগ্য” হিসেবে চাকরি হারিয়েছেন। এই তালিকায় কবিতা বর্মনের নামও রয়েছে। ২০১৬ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উত্তর দিনাজপুরে চাকরি পান কবিতা বর্মন। তিনি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের পাড়াহরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলার শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পর রায়গঞ্জের চণ্ডীতলা এলাকায় তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা পাওয়া যায়নি। তবে কবিতা বর্মন একা নন। এসএসসি যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে রাজনৈতিক পদে থাকা অনেক নামও রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আত্মীয়দের নামও তালিকায় আছে। বিভিন্ন জেলার এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে, যা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এসএসসি এই ১৮০৪ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ করেছে। যারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন, তাদের অ্যাডমিট কার্ডও বাতিল করা হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপ শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সততা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

দাগি অযোগ্য’ তালিকা: সুকান্তের তোপ, আগে প্রকাশ না হওয়ার কারণ কী?’

স্কুল সার্ভিস কমিশন শনিবার ‘অযোগ্য প্রার্থীদের’ তালিকা প্রকাশ করেছে। ১৮০৪ জনের নাম রয়েছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নতুন শিক্ষানিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে অপেক্ষা চলছে। কিছু প্রার্থী আবারও পরীক্ষায় বসতে বাধ্য হচ্ছেন। 📰 আরও অন্য খবর পড়ুন 👍 আমাদের Facebook Page 💬 আমাদের WhatsApp Group

সুকান্তের প্রশ্ন: ‘দাগি অযোগ্য’ তালিকা কেন আগে প্রকাশ করা হয়নি?

শুক্রবার–শনিবারের ঘটনা সংক্ষেপ:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে শনিবার সন্ধ্যায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) ‘দাগি অযোগ্য’দের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় ১৮০৪ জন প্রার্থীর রোল নম্বর অন্তর্ভুক্ত। প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য না থাকায় তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, আদৌ তাঁরা প্রার্থী কি না, কোথাও চাকরি করছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয় তালিকায়।

পিছনের ঘটনা:
গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছিল কেন ‘দাগি অযোগ্য’দের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, “দাগি (টেন্টেড) অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে বলেছিল কলকাতা হাই কোর্ট। আমরা সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ করিনি। তার পরেও কেন তালিকা প্রকাশ হল না?” এরপর সময়সীমা বেঁধে শীর্ষ আদালত তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয়।

নাটকীয় পরিস্থিতি:
শনিবারের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করতে বলা হলেও কমিশন তার আগে খসড়া তালিকা lekkি হয়ে যাওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে ওই খসড়া তালিকা প্রত্যাহার করা হয়। সুকান্ত বলেন, “গোটা দিন নাটকের পর তালিকা প্রকাশ করা হল। তবে এর আগে একটা তালিকা দিয়ে কিছু ক্ষণের মধ্যে সেটা সরিয়ে দেওয়া হল। কেন এমন করা হলো, তা আমরা বুঝতে পারছি না।”

প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি বাতিল হয়েছে। কারা ‘যোগ্য’ আর কারা ‘দাগি অযোগ্য’, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সুকান্তের দাবি, এত কম সংখ্যক ‘অযোগ্য’ প্রার্থী কীভাবে হতে পারে, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

প্রশ্ন তোলা হয়েছে:
কেন এতদিন এসএসসি এই তালিকা প্রকাশ করেনি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত। তাঁর মন্তব্য: “সুপ্রিম কোর্টের ধ্যাঁতানিতে তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি। কমিশনের কাছে আগেই তালিকা ছিল। তবে কেন হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রকাশ করা হয়নি?”

সুকান্তের মন্তব্য:
যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও যারা আবার পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে, তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় ওঁদের উচিত তৃণমূলের কলার ধরা।”

Saturday, 30 August 2025

মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাঁড়িয়ে মিথ্যাচার! উপাচার্য শান্তা দত্তকে একহাত ব্রাত্য বসুর

“মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাঁড়িয়ে মিথ্যাচার! উপাচার্য শান্তা দত্তকে একহাত ব্রাত্য বসুর” 📌 স্টাফ রিপোর্টার: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবস ঘিরে ফের শুরু হল বিতর্ক। আর সেই বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম টেনে ‘অসত্য’ বক্তব্য রাখার অভিযোগ উঠল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য শান্তা দত্তের বিরুদ্ধে। শনিবার এ নিয়ে সরাসরি আক্রমণ শানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। 🔹 বিতর্কের সূচনা ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কলকাতার মেয়ো রোডে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। একই দিনে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ এলএলবি ও বিকম চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা ছিল। এই কারণে অধ্যক্ষ, অধ্যাপকসহ অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে উপাচার্য শান্তা দত্ত অনড় ছিলেন পরীক্ষার বিষয়ে। বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তিনি দাবি করেন, “মুখ্যমন্ত্রী নাম করে তাঁকে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল।” 🔹 ‘অসত্য দাবি’ বলে পাল্টা আক্রমণ ব্রাত্যের শান্তার এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগরে দেন শিক্ষামন্ত্রী। ব্রাত্যের প্রশ্ন, 👉 “পরীক্ষা না নেওয়ার কথা কোথায় উঠছে? কোথা থেকে জানা গেল মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন?” তিনি আরও স্পষ্ট দাবি করেন— 👉 “মুখ্যমন্ত্রী সত্যিই যদি এমন নির্দেশ দিতেন, তবে তার প্রমাণ হিসেবে শিক্ষা দফতর থেকে চিঠি বা ইমেল থাকত। কোনওরকম সরকারি নথি পাঠানো হয়নি।” 🔹 উচ্চশিক্ষা দফতরের ভূমিকা ব্রাত্য বসু জানান, ২৮ অগস্ট শুধু কলকাতা নয়, একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ছিল। তাই উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই চিঠি দিয়ে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। কেউ তা রেখেছে, কেউ রাখেনি। কিন্তু “মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন”—এই দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন। 🔹 কড়া আক্রমণ উপাচার্যের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 👉 “অসত্য কথার একটা সীমানা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করলে সেটা শিক্ষা দফতর বরদাস্ত করবে না।” ফলে, মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে উপাচার্যের মন্তব্য নিয়ে নতুন রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হল। ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

📲 WhatsApp গ্রুপে যোগ দিন 👍 Facebook পেজে যোগ দিন

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

SSC Recruitment Scam: অযোগ্যদের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ, বাতিল হল অ্যাডমিট কার্ড

কলকাতা: এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন। এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে দ্বিতীয় দফায় অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। নির্দেশ অনুযায়ী, অযোগ্য প্রার্থীরা নতুন পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। যারা ফের আবেদন করেছিলেন, তাদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছেন, তাদের ফের নতুন পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, যদি কোনও অযোগ্য প্রার্থী নতুন করে আবেদন করে থাকেন, তবে তাদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করতে হবে এবং তালিকা প্রকাশ করতে হবে। কতজনের নাম তালিকায়? নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগে অযোগ্য হয়েও আবেদন করেছিলেন প্রায় ১১৪০ জন প্রার্থী। তাদের অ্যাডমিট বাতিল করেছে এসএসসি। একাদশ-দ্বাদশের ক্ষেত্রে অযোগ্য প্রার্থীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০২০ জন। তাঁদের অ্যাডমিটও বাতিল হয়েছে। অর্থাৎ মোট ২ হাজারের বেশি অযোগ্য প্রার্থী দ্বিতীয় তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। কী প্রকাশ করা হয়েছে তালিকায়? প্রকাশিত তালিকায় প্রার্থীদের রোল নম্বর, বিষয় এবং পরীক্ষাকেন্দ্র উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশ করা হয়নি। সুযোগ থাকছে কারা? শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীরাই এবার নতুন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। যাদের নাম অযোগ্য তালিকায় নেই, তারাই আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া, নিয়োগে অংশগ্রহণকারী অভিজ্ঞ প্রার্থীরা অতিরিক্ত ১০ নম্বর পাবেন। কেন এত কড়া পদক্ষেপ? এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

এসএসসি-র ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ


📰 স্টাফ রিপোর্টার:

বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশিত হল এসএসসি-র অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ৭ দিনের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই শনিবার রাত আটটা নাগাদ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করা হয়।

🔹 প্রকাশিত তালিকা

মোট ১,৮০৪ জন প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিশনের ওয়েবসাইটে তাঁদের নাম, রোল নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর প্রকাশিত হয়েছে।

এই তালিকাকে অনেকেই বলছেন ‘দাগি’দের তালিকা (SSC Tainted List)।


🔹 আসছে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা

রাজ্য স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে—

আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষক নিয়োগের নতুন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে।

কোনও ভুল বা অনিয়ম ধরা পড়লে আদালত হস্তক্ষেপ করবে।

সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে— অযোগ্যরা পরীক্ষায় বসলে গুরুতর ফল ভুগতে হবে।

🔹 আদালতের সতর্কতা ও বিতর্ক

এরই মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন, অযোগ্য প্রার্থীরা যাতে পরীক্ষায় বসতে না পারে। তাঁদের দাবি, তাঁরা যোগ্য হলেও চাকরি পাননি, অথচ অনেক অযোগ্যকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই আদালত সরাসরি এসএসসি-কে অযোগ্য তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল।

অন্যদিকে, যোগ্য অথচ চাকরিহারা প্রার্থীরা দাবি তুলেছিলেন তাঁদের জন্য আলাদা পরীক্ষা নেওয়ার। তাঁদের বক্তব্য—

> “প্রায় এক দশক আগে পরীক্ষা দিয়ে যোগ্য হয়েছি। এখন নতুন প্রজন্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামলে আমাদের সুযোগ কমে যাবে।”



তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দেয়।


---

📌 সারসংক্ষেপ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ১,৮০৪ জনের অযোগ্য তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি।

আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন নিয়োগ পরীক্ষা।

অযোগ্যরা পরীক্ষায় বসলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

যোগ্য চাকরিহারা প্রার্থীদের পৃথক পরীক্ষার দাবি নাকচ করল আদালত।


👉 বিস্তারিত রিপোর্ট ও নামের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 আমাদের সাথে থাকুন এবং প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট পেতে ভুলবেন না!

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog