Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, 2 September 2025

দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী!

দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী! 📰 দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়! | স্কুল জানাল—‘দাগি’ তালিকায় নাম থাকায় দায়িত্বে নেই তিনি | দীপক দেবশর্মা আশঙ্কা করছেন—কোনও অঘটন না ঘটে | বিশেষজ্ঞদের মত—বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস

📰 দাগি' তালিকায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্টের স্ত্রী!

প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট দীপক দেবশর্মা-র স্ত্রী শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন এসএসসি-র ‘দাগি’ তালিকায়

নেকুরসিনি বিবেকানন্দ বিদ্যাভবনের ইতিহাসের শিক্ষিকা শ্রাবন্তীর নাম ওই তালিকায় উঠে আসার পর থেকে তিনি স্কুলে যাচ্ছেন না। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘দাগি’ তালিকায় নাম থাকায় শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত দায়িত্ব পালন করছেন না।

দীপক দেবশর্মা বলেছেন — “আমার স্ত্রী ভেঙে পড়েছে। আমি ভয় পাচ্ছি, কোনও অঘটন না ঘটে।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিকভাবে ফায়দা তুলতে পারে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট মিস করতে না চাইলে আজই যুক্ত হোন!

কলকাতা আবার অন্ধকারে — একবছরের মধ্যেই বাতিল হল রাত্রিকালীন

কলকাতা মেট্রো: দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের রাত্রিকালীন পরিষেবা বন্ধ
🔴 জরুরি
দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা এক বছরেই বন্ধ — ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আর রাত ট্রেন নেই।
বিস্তারিত

কলকাতা মেট্রো আবার রাতের অন্ধকারে: দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের নৈশসেবা বন্ধ

এক বছর আগে যাত্রী সুবিধার জন্য চালু করা বিশেষ রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা আর সফল হত না — ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তা রদ।

কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, ব্লু লাইনের দমদম থেকে শহিদ ক্ষুদিরামের মধ্যে যে রাত্রিকালীন বিশেষ সার্ভিস চালু করা হয়েছিল— তা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) থেকে বন্ধ থাকবে। এক বছরের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ হিসেবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে 'অপ্রত্যাশিত কম যাত্রী ও অতিরিক্ত খরচ'।

২০২৪ সালের জুনে মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছিল ব্লু লাইনে শেষ মেট্রো সময় বাড়িয়ে রাত ১১টা করা হবে এবং দমদম–কবি সুভাষের (বা শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত) মধ্যে একটি অতিরিক্ত জোড়া সার্ভিস চালানো হবে। তখন শহরের রাতে চলাফেরা করে এমন যাত্রীদের মধ্যে খুশির স্রোত দেখা যায়।

কিন্তু মালিকপক্ষ অল্প দিনেই সময়সূচি বদল করে— প্রথমে শেষ মেট্রোকে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে নামিয়ে আনা হয়। তার পরে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় অতিরিক্ত খরচ এবং তুলনায় 'খুবই কম আয়'— এই যুক্তিতেই রাত্রিকালীন পরিষেবার ব্যাপারে আশাব্যঞ্জক সংখ্যক যাত্রী না দেখা যায়। ফলে কলকাতা মেট্রো পর্যায়ে পুনর্বিবেচনা শুরু হয়।

অতিরিক্ত ভাড়া ধার্য করা হয়েছিল— চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রাত্রিকালীন বিশেষ সার্ভিসে প্রতিটি টিকিটে ১০ টাকা সারচার্জ বসানো হয়। তবু অপেক্ষাকৃত কম যাত্রী ও অপ্রতুল রাজস্ব রুট বন্ধের সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বরিত করে।

সাধারণ যাত্রীদের অভিমত শতভাগ ভিন্ন— এক তারা বলছেন, “শেষ সার্ভিস আর বিশেষ সার্ভিসের মধ্যে এত ফারাক থাকায় আমাদের কোনো উপকার হচ্ছে না; আমরা ৯টা ৪৫-এ মেট্রো না পেলে ৫৫ মিনিট বা বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হতো।” অনেকে মনে করেন সারচার্জ বাড়ানো হলেও সময়সূচি পরিবর্তন হলে সুবিধা ফিরছে না।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের ভাষ্য— 'রাতের পরিষেবা চালানোতে অপারেটিং খরচ তুলনায় বেশি; যাত্রীসংখ্যা অপ্রতুল।' আর যাত্রী বলছেন, 'পরিষেবার সময়সূচি যদি বাস্তবে যাত্রী সুবিধা মাথায় রেখে ঠিক করা হতো, হয়তো ব্যবহার বাড়ত।' এই দ্বৈত দাবি শেষ সিদ্ধান্তে ফাঁক রেখে দিয়েছে উপযুক্ত সমাধানের প্রশ্ন।

অন্যানভাবে, রাতের মেট্রোর কেটে যাওয়ায় রাতের কাজে নিয়োজিত, হসপিটাল/ইমার্জেন্সি কর্মী, শিফট ভিত্তিক কর্মী ও রাতভ্রমণকারী যাত্রীদের চলাচলে অসুবিধা দেখা দেবে— বিশেষত যাঁরা রাতে বাড়ি ফিরতে পাতালরেল নির্ভর করতেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিকল্প পরীক্ষা করা হবে — সময়সূচি পুনর্মূল্যায়ন, বিশেষ টিকিট প্যাকেজ, বা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে পরীক্ষা সেবা চালু করা হতে পারে; তবে সবকিছুই ওপেন টু রিভিউ।

জুন ২০২৪: ব্লু লাইনে রাত ১১টা পর্যন্ত শেষ মেট্রো করার ঘোষণা।
পরে ২০২৪: সময়সূচি বদল করে রাত ১০:৪০ করা হয়; সারচার্জ ১০ টাকা ধার্য।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫: দমদম–শহিদ ক্ষুদিরামের রাত্রিকালীন বিশেষ সার্ভিস বন্ধ কার্যকর হবে।

শহরের রাতের চলাচল ও জনস্বাভাবিকতায় এই সিদ্ধান্ত কী প্রভাব ফেলবে— তা পর্যালোচনা করতে হবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ আর যাত্রীরা উভয়েই বলছেন, ভবিষ্যতে সঠিক সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলানো যেতে পারে, তবে তা ছাড়া এই মুহূর্তে রাত্রিকালীন নির্ভরযোগ্য বিকল্পের অভাব স্পষ্ট।

নোট: এই প্রতিবেদন কেবল রিপোর্টিং রাজধানীসূত্রক — মেট্রো কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট দফতরের অফিসিয়াল বিবৃতি পেতে চাইলে স্থানীয় অফিস/প্রেস রিলিজ চেক করুন।

উত্তরপ্রদেশে এক কোটি ভুয়ো ভোটারের হদিস , নির্বাচন কমিশন এর অন্তর দ্বন্দ্বে প্রকাশ

📢 ব্রেকিং নিউজ: বিহার NDA প্রচার বিতর্ক | কংগ্রেসের ৮৯ লক্ষ অভিযোগ

উত্তরপ্রদেশে ১ কোটি সন্দেহজনক ভোটারের হদিশ

উত্তরপ্রদেশে পঞ্চায়েত ভোটের আগে খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অন্তর্তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভোটার তালিকায় হদিশ মিলল ১ কোটি সন্দেহজনক ভোটারের। সূত্রের খবর, কোনও কোনও ভোটারের ক্ষেত্রে নাম-সহ নানা তথ্য মিলে গেলেও ঠিকানা এবং ছবি সম্পূর্ণ আলাদা। আবার কারও কারও নাম একাধিকবার মিলেছে।

এই প্রথমবার উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)। এই প্রযুক্তি দিয়েই প্রকাশ্যে এসেছে অনিয়ম। ইতিমধ্যেই জেলা শাসক ও ব্লক পর্যায়ের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন সন্দেহজনক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করেন।

উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন কমিশনার রাজ প্রতাপ সিং জানিয়েছেন— নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এবার বিশেষভাবে ব্যবহার হবে AI এবং ফেস রেকগনিশন সিস্টেম। বিশেষত সংবেদনশীল বুথগুলিতে ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত করতে এ প্রযুক্তি কাজে লাগবে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি বিহারের খসড়া ভোটার তালিকাতেও হাজার হাজার ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের হদিশ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নামও বিহারের ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে। এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

বিরোধীদের অভিযোগ— বিজেপির রাজনৈতিক স্বার্থেই নির্বাচন কমিশনের ছত্রছায়ায় ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকায় ঢুকানো হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ভুয়ো ভোটারদের ব্যবহার করেই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সুবিধা নিতে চাইছে বিজেপি।

নির্বাচন কমিশনের SIR নিয়ে কংগ্রেসের পাল্টা দাবি: ৮৯ লক্ষ অভিযোগ নাকচ

নির্বাচন কমিশনের SIR নিয়ে কংগ্রেসের পাল্টা দাবি: ৮৯ লক্ষ অভিযোগ নাকচ

নির্বাচন কমিশন বলছে, বিহারের বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর হুল্লোড়ের আড়ালে প্রকৃত অভিযোগের অভাব। সঠিক তথ্য অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দল একটিও অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।

এবার পাল্টা সরব হয়েছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র পবন খেরা দাবি করেছেন, বিহারের খসড়া ভোটার তালিকায় ত্রুটি তুলে ধরে দলের তরফে ৮৯ লক্ষ আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেগুলির মধ্যে একটিও গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন।

খেরার দাবি, পুরো SIR প্রক্রিয়ায় বড়সড় গলদ রয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত এই গলদ মেটাতে পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে সম্পন্ন করা হোক। কমিশনের নির্দেশ, রাজনৈতিক দল এভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে না; অভিযোগ করতে হবে ব্যক্তিগতভাবে।

বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, বিহারের SIR থেকে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেছে, ৬৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৩,০০০ নাগরিকই নিজের নামের জন্য আবেদন করেছেন। এর অধিকাংশই ব্যক্তিগতভাবে আবেদন করেছেন। রাজনৈতিক দলের তরফে কোনো আবেদন গ্রহণ হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ পড়লে তাঁরা কেন পুনরায় আবেদন করছেন না? বিহারে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ। বাদ পড়েছে ৬৫ লক্ষ ভোটার। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, এর মধ্যে ২২ লক্ষ মৃত, ৩৬ লক্ষ স্থানান্তরিত বা ঠিকানায় পাওয়া যায়নি, ৭ লক্ষের নাম একাধিক জায়গায় ছিল।

বিরোধীরা যুক্তি দেন, অনেক বৈধ ভোটারের কাছে হয়তো কমিশনের চাওয়া নথি নেই বা পৌঁছনো যাচ্ছে না। ফলে স্বতঃসিদ্ধভাবে তাদের নাম তালিকায় রাখা সম্ভব হয়নি। দ্রুত সমাধান না হলে পুরো প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

বীরভূম এর বিজেপির তাবড় নেতার স্ত্রী এর নাম রয়েছে দাগি দের লিস্টে ।

বীরভূমের বিজেপি নেতার স্ত্রীর নাম অযোগ্য শিক্ষকের তালিকায়, শীর্ষ নেতা মুখ খুললেন

বীরভূমের বিজেপি নেতার স্ত্রীর নামও রয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রকাশিত অযোগ্য শিক্ষকদের তালিকায়। জানা গিয়েছে, তালিকায় ৬৫৩ নম্বরে নাম (রোল নম্বর - ১২২২১৬২৭০০০১১৫) রয়েছে বিজেপির বীরভূম জেলার কোষাধ্যক্ষ সুরজিৎ সরকারের স্ত্রী লক্ষ্মী বিশ্বাসের। লক্ষ্মী বিশ্বাস ছিলেন রামপুরহাটের কুশুম্বা হাইস্কুলের শিক্ষিকা।

এই ইস্যুতে সুরজিৎ সরকার জানিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই সিবিআই-এর দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীর প্রাপ্ত নম্বর ৮৩.৬৭ হলেও যোগ্যদের তালিকায় স্থান দেওয়া হয়নি, অথচ মেরিট পয়েন্ট ৭৭ পাওয়া শিক্ষকের নাম যোগ্যদের তালিকায় রয়েছে।

৩০ জুলাই ১৮০৬ জনের অযোগ্য শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। তালিকায় শাসক তৃণমূলের অনেকের নামও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এতে মন্ত্রীর মেয়ে, কাউন্সিলর, দাপুটে নেতা, জেলা পরিষদের সদস্য এবং অঞ্চল সভাপতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নাম উঠে এসেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর নাম রয়েছে। এছাড়া রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষ, তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের পুত্রবধূ শম্পা ঘোষ, হামিদুর রহমানের মেয়ে রোশনারা বেগম এবং কবিতা বর্মণও তালিকায় আছেন।

অন্যদের মধ্যে অজয় মাঝি (জলচকের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি), হুগলির খানাকুলের তৃণমূল নেতা বিভাস মালিক এবং তাঁর স্ত্রীও রয়েছে। হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূল সভানেত্রীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল এবং বালুরঘাটের কাউন্সিলর দীপান্বিতা দেব সিংহও অযোগ্যদের তালিকায় থাকেন।

খানাকুলের তৃণমূল নেতা নইমুল হকের স্ত্রী নমিতা আদক, হুগলির জেলা পরিষদের সদস্য সাহিনা সুলতানাও তালিকায় আছেন। এছাড়া বারাসাত ১ ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইশা হক সর্দারের ছেলে মহম্মদ নাজিবুল্লার নামও রয়েছে।

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শাসক দলের সাথে যুক্ত অনেক পরিচিত নেতাদের নাম তালিকায় থাকায় বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে।

বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা সুরজিৎ সরকার। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কিছু ব্যক্তিরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যোগ্যদের তালিকায় স্থান পেতে বাধা দিচ্ছে।

এসএসসি-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তালিকা যাচাইয়ের সময় সকল তথ্য নথিভুক্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অযোগ্যদের তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের মধ্যে শিক্ষকদের ভবিষ্যত নিয়ে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। প্রতিটি অনিয়ম এবং বেআইনি পদক্ষেপকে খতিয়ে দেখা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রধানমন্ত্রী মোদি ভোট প্রচারে বিরোধীদের কড়া সমালোচনা

মোদির তোপ: ভোট প্রচারে বিরোধীদের ‘আমার মৃত মাকে অপমান’!

ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারে ভোট প্রচারের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস ও আরজেডি-সহ বিরোধীপক্ষকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, “আমার মৃত মাকে অপমান করা হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোট প্রচারের নামে নিম্নরুচির এই কাজ শুধুমাত্র তার মা-কে নয়, দেশের প্রত্যেক মা ও বোনের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেছে।

এদিন মোদি বিহারের মহিলা উদ্যোগপতিদের সহায়তার জন্য রাজ্য জীবিকা নিধি সখ সখারি সংঘ লিমিটেডের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানকালে তিনি বলেন, “বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস মঞ্চ থেকে আমার মায়ের প্রতি অপভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের আচরণ শুধুমাত্র আমার মাকে নয়, ভারতের প্রতিটি মা ও বোনকে অপমান করেছে। আমি জানি, আমার মতোই আপনারও কষ্ট পেয়েছেন।”

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ভোটের মঞ্চে এই ধরনের আচরণ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তিনি এই ধরনের বিতর্কিত কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন, “দেশের সংস্কৃতি ও মা-বোনের সম্মান রক্ষায় সকলকে সচেতন হতে হবে।”

রাজ্যের মহিলা উদ্যোগপতিদের জন্য শুরু হওয়া ঋণ ও সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে ছোট ব্যবসায়ীদের সহজে ঋণ প্রদান করা হবে। মোদির বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং মহিলাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের তীব্র বক্তব্য নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রদর্শন করে, একই সঙ্গে বিরোধীদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের একটি কৌশল হিসেবেও কাজ করছে।

কলকাতা হাই কোর্ট ‘দাগী’ শিক্ষকদের চাকরি ফেরত আর্জি খারিজ করল

কলকাতা হাই কোর্ট ‘দাগী’ শিক্ষকদের চাকরি ফেরত আর্জি খারিজ করল

কলকাতার স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রকাশ করা ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের তালিকা চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষক। তাঁরা আবেদন করেছিলেন চাকরি ফেরত ও পরীক্ষায় বসার অনুমতির জন্য।

মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্ট এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই হস্তক্ষেপ করা সম্ভব নয়।” একই সঙ্গে পরীক্ষায় বসার অনুরোধেও আদালত বিরক্তি প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, “সব কিছুর সীমা আছে।”

বিচারপতি আরও প্রশ্ন করেন, শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাচ্ছেন কি না। আইনজীবী অনিন্দ্য লাহিড়ি জানিয়েছেন, না। বিচারপতির পাল্টা মন্তব্য, “তাহলে আগে আদালতে কেন আসেননি? শেষ মুহূর্তে কেন এসেছেন? আপনারা ‘দাগী’ শিক্ষক। এখন পরীক্ষায় বসতে চাইছেন? সব কিছুর একটা সীমা থাকা দরকার।”

‘অযোগ্য’দের আইনজীবী অভিযোগ করেন, “তালিকা প্রথমবার প্রকাশ করা হয়েছে, আগে হয়নি।” বিচারপতি বলেন, “স্কুলে যেতে তো বারণ করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তখন ছিল। সেই সময় পদক্ষেপ করেননি কেন?” তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “যাদের নিয়োগ প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে হয়েছে বা খালি খাতা জমা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছে, তাদেরই ‘দাগী’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এর মানে অন্য কেউ নেই, তা নয়। প্রতিটি অনিয়ম নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব নয়।”

স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “যাদের OMR গণ্ডগোল হয়েছে, তাঁরা ‘দাগী’। যারা র‍্যাঙ্ক জাম্প করেছেন, তাঁরা ও ‘দাগী’। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা সকল ‘দাগী’কে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া থেকে বিরত করেছি এবং অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করেছি। কেউ যদি থেকে যায়, নথি যাচাইয়ের সময় বাতিল করা হবে।”

‘দাগী’ শিক্ষকদের আইনজীবী পাল্টা বলেন, “আমরাও চাইছি পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হোক। তারপর আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। হঠাৎ করে তালিকা প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে আমি ‘অযোগ্য’। আমি কী করে জানব আরও কোনো তালিকা রয়েছে কি না?” কমিশন এদিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করা হয়েছে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট মিস করতে না চাইলে আজই যুক্ত হোন!

ভোট পেতে নৈশভোজের আয়োজন করবেন মোদী, NDA সাংসদদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা

ভোট পেতে নৈশভোজের আয়োজন করবেন মোদী, NDA সাংসদদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা

NDA-এর শক্তি কিছুটা কমেছে, এবং এবার পূর্বের মতো সহজ জয় নিশ্চিত নয় শাসক দলের জন্য। গত উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জগদীপ ধনকড়ের সহজ জয় মনে করলেও, এবার পরিস্থিতি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং।

শাসক দলের লক্ষ্য — সিপি রাধাকৃষ্ণনের জয় নিশ্চিত করা। এজন্য দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ৪২৫ জন NDA সাংসদের ভোটদানের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তৎপরতা শুরু করেছে বিজেপি।

সংবাদ সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর মোদী NDA সাংসদদের জন্য একটি নৈশভোজের আয়োজন করবেন। এর মূল উদ্দেশ্য — ভোটের আগেরদিন সকলে দিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে শাসক দল ভোটের দিনে যাতে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন না হয়, তা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে।

BJP ইতিমধ্যেই আরও কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে যাতে সাংসদরা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ভোট দিতে উপস্থিত থাকেন। এর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার ব্যবস্থা, পরিবহন সুবিধা এবং ভোট সংক্রান্ত সকল তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের পদক্ষেপ শাসক দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামান্য ঘাটতি বা অনুপস্থিতি ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

👉 শেয়ার করুন:

🌐 Facebook 🐦 Twitter 📱 WhatsApp

অভয়া মঞ্চ বনাম অভয়ার বাবা-মা: অভিযোগ–প্রতিআপত্তিতে উত্তপ্ত বিতর্ক

অভয়া মঞ্চ বনাম অভয়ার বাবা-মা: অভিযোগ–প্রতিআপত্তিতে উত্তপ্ত বিতর্ক

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষিতা ও মৃত তরুণী চিকিৎসকের মা–বাবার সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সোমবার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে অভয়া মঞ্চের অন্যতম প্রতিনিধি মণীষা আদক স্পষ্ট ভাষায় জানান — “অভয়ার মা–বাবার কথার কোনও সারবত্তা নেই।”

কয়েকদিন আগে অভয়ার মা–বাবা অভিযোগ করেছিলেন — “অভয়া মঞ্চ আসলে সিপিএম পরিচালনা করে। আমরা সিপিএম পার্টি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানকার নেতারা নিজেরাই বলেছেন, অভয়া মঞ্চের আন্দোলন তাদের নিয়ন্ত্রণে।”

অভয়া মঞ্চের তরফে ডাক্তার কৌশিক চাকী, উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়, পূণ্যব্রত গুণ ও অর্জুন দাশগুপ্ত একযোগে দাবি করেন — “অভয়া মঞ্চ কীভাবে চলে, সেটা সকলেই জানেন। এখানে বিভিন্ন দল ও মতাদর্শের মানুষ যুক্ত আছেন। কোনও রাজনৈতিক দল এই মঞ্চ পরিচালনা করে না।”

ডা. পূণ্যব্রত গুণের বক্তব্য — অভয়ার মা–বাবা হয়তো রাগের মুহূর্তে ওই মন্তব্য করেছিলেন। আসলে তাঁরা তা বলতে চাননি।

তবে নাগরিক সমাজের একাংশ অভয়া মঞ্চের যুক্তি মানতে নারাজ। তাঁদের মতে — “অভয়ার মা–বাবা মিথ্যে বলেননি। আসল সত্যকে আড়াল করার জন্যই অভয়া মঞ্চ এখন ব্যাখ্যা দিচ্ছে।”

অভয়া মঞ্চের দাবি, গঠনের সময় থেকেই নীতিগতভাবে ঠিক করা হয়েছিল — এই মঞ্চে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মানুষ থাকতে পারেন, কিন্তু কোনও দল সরাসরি মঞ্চ পরিচালনা করবে না। তবে অভয়ার বাবা–মায়ের অভিযোগের পর, আন্দোলনের চরিত্র নিয়েই নতুন প্রশ্ন উঠছে।

👉 শেয়ার করুন:

🌐 Facebook 🐦 Twitter 📱 WhatsApp

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট মিস করতে না চাইলে আজই যুক্ত হোন!

জঙ্গি যোগসূত্রে ধৃত ২ শিক্ষক, চাঞ্চল্য ধুবড়ি জেলায়

জঙ্গি যোগসূত্রে ধৃত ২ শিক্ষক, চাঞ্চল্য ধুবড়ি জেলায়

জঙ্গি যোগসূত্রে ধৃত ২ শিক্ষক, চাঞ্চল্য ধুবড়ি জেলায়

প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৭:৪৫ | প্রতিবেদক: নিজস্ব সংবাদদাতা
অসমে ফের ধরা পড়ল জঙ্গি যোগের জাল। ধুবড়ি জেলায় বাংলাদেশ-ভিত্তিক জেহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দুই স্কুল শিক্ষক।
প্রথমে লখিমারি মধ্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহ আলম সরকারকে আটক করে পুলিশ। অভিযোগ, বিদ্যালয়ে পড়ানোর পাশাপাশি তিনি জামাত-ই-ইসলামির হয়ে সক্রিয়ভাবে নিয়োগ, প্রচার এবং সীমান্ত পারাপারে সহায়তা করতেন।
শাহ আলমের গ্রেফতারের পরেই একই বিদ্যালয়ের আরও এক শিক্ষক হজরত আলি নিখোঁজ হন। পরে পুলিশ কোকরাঝাড় জেলার কাজিগাঁও এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি-ও উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ধৃত দুই শিক্ষককে জেরা করে বাংলাদেশি জেহাদি সংগঠনগুলির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক, অর্থ যোগান এবং অসমে স্লিপার সেল তৈরির চেষ্টার বিষয়ে তথ্য জোগাড় করা হচ্ছে।
লখিমারি ও বিশকোয়া গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, একটি বাংলাদেশি নম্বর থেকে তাঁদের ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করলে ভয়ঙ্কর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
গোয়েন্দাদের দাবি, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো ব্যবহার করেই বাংলাদেশ-ভিত্তিক সংগঠনগুলো কার্যক্রম চালাচ্ছে। ফলে ধৃত দুই শিক্ষককে জেরা করে বড় কোনও জঙ্গি নেটওয়ার্কের হদিস মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

📢 আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

সর্বশেষ খবর, লাইভ আপডেট ও এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পেতে এখনই আমাদের WhatsApp গ্রুপ এবং Facebook পেজে যুক্ত হোন।

🔔 প্রতিদিনের সর্বশেষ আপডেট মিস করতে না চাইলে আজই যুক্ত হোন!

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog