Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 4 September 2025

“SIR বাস্তবায়ন না হলে দিল্লি কাঁপবে আগুনে—বিজেপি বিধায়কের হুঁশিয়ারি, পাল্টা আক্রমণে তৃণমূল”

SIR বিতর্কে হুঁশিয়ারি ও পাল্টা জবাব

বাংলায় SIR নিয়ে হুঁশিয়ারি, উত্তপ্ত রাজনীতি

বিজেপি বিধায়কের ‘দিল্লি জ্বলবে’ মন্তব্যে বিতর্ক, পালটা আক্রমণে তৃণমূল

রাজনৈতিক আবহ

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ তুঙ্গে উঠেছে। এই আবহে ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পাল্টা জবাব দিয়েছে। আরও খবর পড়ুন আবারও বিবাদে জড়িয়ে পড়ল মহুয়া ও জয়

বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী বলেন:
“এখানে যদি SIR করতে অসমর্থ হয় নির্বাচন কমিশন, তাহলে আমি একজন লিডার হিসাবে বলছি, আমিও কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে ঘেরাও করব। আমি কিন্তু নির্বাচন করতে দেব না। কেউ যদি মনে করে আমরা সন্ত্রাস করে নির্বাচন কমিশনকে এখান থেকে ভাগিয়ে দেব এবং আমরা SIR করতে দেব না, তাহলে তাঁরা ভুল করছেন। দিল্লির বুকে আগুন জ্বলবে। নির্বাচন কমিশনের সামনে গিয়ে আমরাও দাঁড়াব এবং আমরা বলব— SIR করতে হবে, SIR করতে হবে, SIR করতে হবে।”

তৃণমূলের পাল্টা জবাব

পালটা কটাক্ষ করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি ‘কৈকেয়ীর জটিলতা’ বলে ব্যঙ্গ করে বলেন—

কুণাল ঘোষের বক্তব্য:
“একজন বৈধ ভোটারকেও আমরা হেনস্তার শিকার হতে দেব না। একজনও যদি হেনস্থার শিকার হন তাহলে বাংলার এক লক্ষ মানুষ নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করব। এই বার্তা খুব স্পষ্ট দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির ছলের খেলা ধরা পড়েছে বলেই তাঁদের দলের যারা কৈকেয়ী আছেন তাঁরা জটিলতা তৈরি করছেন।”

নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

উল্লেখযোগ্য যে, বাংলায় SIR কবে হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ১৭ আগস্ট মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সাংবাদিক বৈঠকে বলেন—

“বাংলায় SIR কবে হবে তা পরে জানানো হবে। তিনজন কমিশনার আলোচনা করার পর সঠিক সময়ে জানানো হবে।”

মূল পয়েন্ট

  • আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন।
  • SIR বাস্তবায়ন নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের তীব্র দ্বন্দ্ব।
  • বিজেপি বিধায়কের হুঁশিয়ারি— “দিল্লির বুকে আগুন জ্বলবে”।
  • তৃণমূলের পাল্টা— বৈধ ভোটারদের হয়রানি হতে দেওয়া হবে না।
  • নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

কেন্দ্রের নতুন আইন কি হিন্দুদের জন্য রক্ষাকবচ? কবিয়াল অসীমের মন্তব্যে উঠল প্রশ্ন

বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন কার্যকর

বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন কার্যকর

কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার

দেশে কার্যকর হয়েছে বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন (Immigration and Foreigners Act, 2025)। কেন্দ্রের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর-এর মধ্যে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, পার্সি, জৈন ও খ্রিস্টানদের দেশ ছাড়তে হবে না। এই নির্দেশিকায় স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার। মোদি-শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা কোনও হিন্দু ভাই-বোনকে আর দেশ ছাড়তে হবে না।” পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়কেও একহাত নেন তিনি। আরও খবর পড়ুন , ঘরে বসেই আবেদন করুন এই অ্যাপস এ

📌 অসীম সরকারের বক্তব্য: “২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওপার বাংলা থেকে আসা কোনও হিন্দুই আর অনুপ্রবেশকারী নন। সকলেই এদেশের নাগরিক। মোদিজি কথা দিলে কথা রাখেন।”

আইনের প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের ১১ মার্চ কেন্দ্র CAA কার্যকর করার গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে। এই আইনে বলা হয়, নাগরিকত্বের আবেদন জানানোর আগে অন্তত এক বছর এবং তার আগে ১৪ বছরের মধ্যে অন্তত পাঁচ বছর যাঁরা ভারতে থেকেছেন, তাঁরাই নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই আইনকে ঘিরে শুরু থেকেই তীব্র বিতর্ক চলছিল। তৃণমূল সরকার দাবি করে এসেছে, এই আইনে মতুয়া-সহ বহু সম্প্রদায়ের মানুষ নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বারবার বলেছেন, তাঁর রাজত্বে কাউকে দেশছাড়া হতে হবে না।

কে কে ছাড় পাবেন?

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা ছাড় পাবেন —

  • বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, পার্সি, জৈন ও খ্রিস্টানরা
  • ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বা উৎপীড়নের ভয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে ভারতে প্রবেশ করা শরণার্থীরা
  • যাঁদের বৈধ নথি বা পাসপোর্ট নেই কিংবা যাঁদের নথির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে

অর্থাৎ বৈধ নথি না থাকলেও তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারবে না পুলিশ। বরং তাঁদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ১ সেপ্টেম্বর থেকে আইন কার্যকর হয়েছে
  • বৈধ নথি ছাড়া ভারতে প্রবেশ করলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • ধর্মীয় উৎপীড়িত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা পাবেন বিশেষ ছাড়
  • অসীম সরকারের দাবি, লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু এই আইনে স্বস্তি পাবেন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘরে বসেই টাকা! পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু হল নতুন অ্যাপ, সহজে করুন আবেদন

শ্রমশ্রী অ্যাপ — পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য অ্যাপ্লিকেশন ও আবেদন পদ্ধতি

শ্রমশ্রী অ্যাপ — পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন “শ্রমশ্রী” চালু করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে পরিযায়ী শ্রমিকরা এখন আরও সহজে এবং সরাসরিভাবে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন। আজকের পোস্টে, আমরা শ্রমশ্রী অ্যাপের নতুন বৈশিষ্ট্য, আবেদন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

শ্রমশ্রী অ্যাপ কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

শ্রমশ্রী অ্যাপটি মূলত পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যারা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বা ভারতের বাইরে কর্মরত। এই অ্যাপের মাধ্যমে তারা সরাসরি “কর্মসাথী পরিযায়ী শ্রমিক” পোর্টালে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন এবং শ্রমশ্রী প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই অ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখন আর কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রয়োজন নেই — মোবাইলের মাধ্যমেই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া — ধাপে ধাপে

নিচে প্রতিটি ধাপ স্পষ্টভাবে দেওয়া হলো। অনুগ্রহ করে প্রতিটি তথ্য সঠিকভাবে ভরুন, কারণ যাচাইয়ের সময় ভুল তথ্য থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

১. নিয়োগকর্তার বিবরণ

আপনি যদি স্ব-নিযুক্ত হন, তাহলে নিয়োগকর্তার বিবরণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্যথায় নিম্নলিখিত তথ্য দিন—

  • এজেন্ট বা কোম্পানির নাম
  • ফোন নম্বর
  • ঠিকানা

২. ব্যাঙ্কের বিবরণ

  • ব্যাঙ্কের নাম
  • শাখার নাম
  • IFSC কোড
  • অ্যাকাউন্ট নম্বর

৩. নমিনীর বিবরণ

  • নমিনীর নাম
  • সম্পর্ক
  • আধার নম্বর
  • ফোন নম্বর

৪. পরিবারের বিবরণ

আপনার পরিবারের সদস্যদের নাম, লিঙ্গ, বয়স এবং আধার নম্বর যুক্ত করুন।

নথি আপলোড

প্রয়োজনীয় নথি (JPG বা PDF ফরম্যাটে এবং 500 KB-র কম) আপলোড করুন—

  • আপনার ছবি
  • আধার কার্ড
  • ব্যাঙ্কের পাসবই
  • ভোটার আইডি
  • রেজিস্ট্রেশনের বিবরণ

৫. চূড়ান্ত জমা

সমস্ত তথ্য পর্যালোচনা করে “Final Submit” বাটনে ক্লিক করুন।

নোট: আবেদন জমা দেওয়ার পরে আপনি “Check Status” বিকল্পের মাধ্যমে আপনার আবেদনের স্থিতি দেখতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ভ্রমণ সহায়তা ৫০০০ টাকা সম্পর্কে শর্ত:

  • এই প্রকল্পের অধীনে ৫০০০ টাকার ভ্রমণ সহায়তা পেতে, আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকে আবেদন করতে হবে।
  • অ্যাপটি আপনার লোকেশন ট্র্যাক করে; তাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে আবেদন করলে আপনি এই সহায়তার জন্য যোগ্য হবেন না।

অতিরিক্ত তথ্য ও অনুশীলন

এই নতুন শক্তিশালী অ্যাপটি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য সুবিধাজনক— তারা সহজেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবে এবং নিজের তথ্য, ব্যাঙ্ক বিবরণ, নমিনি ইত্যাদি আপডেট রাখতে পারবে। আবেদন করার সময় ফোন নম্বর ও আধার সঠিকভাবে দিন — যাচাই প্রক্রিয়ায় এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্য পুনরায়— সারসংক্ষেপ

  • অ্যাপের উদ্দেশ্য: পরিযায়ী শ্রমিকদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান।
  • মোবাইল-ভিত্তিক আবেদন: কম্পিউটার ছাড়াই আবেদন করা যাবে।
  • দলিল: ছবি, আধার, ব্যাঙ্ক পাসবই, ভোটার আইডি, রেজিস্ট্রেশন বিবরণ (JPG/PDF <500KB)।
  • ভ্রমণ সহায়তা শর্ত: আবেদন পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকে করতে হবে; লোকেশন ট্র্যাকিং প্রযোজ্য।

উপসংহার

এই নতুন শ্রমশ্রী অ্যাপটি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি অত্যন্ত উপকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে তারা সহজেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন এবং তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে পারবেন। অ্যাপটি ব্যবহার করে আবেদন করার সময় উপরের প্রতিটি অংশ ক্রমান্বয়ে পূরণ করলে কোন অংশ বাদ পড়বে না — এবং আপনি দ্রুতই আপনার আবেদন যাচাই করে স্থিতি জানতে পারবেন।

এই পৃষ্ঠার তথ্য ভিত্তিমূলক — আবেদন শুরু করার আগে অফিসিয়াল নোটিফিকেশন দেখে নিন। © পশ্চিমবঙ্গ সরকার (উল্লেখ্য: এখানে প্রদত্ত টেক্সট কন্টেন্ট কপিরাইট-মুক্ত বা উপস্থাপনমূলক)

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রাক্তনের সঙ্গে বিবাদে মহুয়া ও জয় ✦ “একসঙ্গে বসে মিটিয়ে নিন” — হাই কোর্টের ধমক

প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে বিবাদে মহুয়া, পোষ্য হেনরি নিয়েই টানাপোড়েন

প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে বিবাদে মহুয়া, ‘পোষ্য হেনরি’ নিয়েই আইনি লড়াই

একসময় প্রকাশ্যে বলেছিলেন “জিল্টেড এক্স”। লোকসভা ভোটের আগে প্রাক্তন প্রেমিক জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের সঙ্গে সাময়িকভাবে বিবাদ মিটিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। জয় তাঁর করা মানহানির মামলা প্রত্যাহারও করেছিলেন। কিন্তু এই সম্পর্কের কাহিনিতে নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে তাঁদের পোষ্য রট হুইলার “হেনরি”। হেনরিকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন আইনি লড়াই, যা গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

🐾 হেনরির কাস্টডি নিয়ে টানাপোড়েন

হেনরিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দাবি পাল্টা দাবি—

  • মহুয়ার দাবি: হেনরি তাঁরই, তাই জয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এর দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া উচিত। আরও খবর পড়ুন , কেন্দ্রের নতুন নিয়ম নিয়ে অসমে চরম উত্তেজনা
  • জয়ের দাবি: হেনরি তাঁর। কুকুরটিকে তিনিই কিনেছেন এবং ৪০ দিন বয়স থেকেই তাঁর কাছে রয়েছে।
  • জয়ের অভিযোগ— মহুয়া হেনরিকে ব্যবহার করে তাঁর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছেন এবং তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
  • অন্যদিকে, মহুয়ার পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় জয় হেনরিকে বেআইনিভাবে নিজের কাছে রেখেছেন।

⚖️ আদালতের পর্যবেক্ষণ

বিষয়টি গড়ায় দিল্লি হাই কোর্টে। জয় অভিযোগ করেন, নিম্ন আদালত তাঁকে প্রকাশ্যে মুখ খোলার অনুমতি দিচ্ছে না, যা তাঁর বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। মহুয়া চান যৌথ দায়িত্ব ভাগাভাগি হোক।

বিচারপতি মনোজ জৈন এদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন—

“দু’জনে একসঙ্গে বসে সমস্যা মেটাচ্ছেন না কেন?”

আদালতের প্রশ্ন মহুয়ার প্রতি— “যৌথভাবে দায়িত্ব ভাগ করতে সমস্যা কী? মামলা থেকে আসলে কী চাইছেন?”

শেষ পর্যন্ত নির্দেশ দেওয়া হয়, আলোচনা করে সমাধান বের করে তার ফলাফল আদালতকে জানাতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ডিসেম্বর মাসে

🔙 সম্পর্ক থেকে বিরোধে

জয় এবং মহুয়া একসময় সম্পর্কে ছিলেন। পরে একাধিক অভিযোগ আনেন জয় অনন্ত দেহাদ্রাই। সংসদে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন করার অভিযোগও তিনিই প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। এর উত্তরে মহুয়া তাঁকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন— “জিল্টেড এক্স।” লোকসভা ভোটের আগে দ্বন্দ্ব সাময়িকভাবে মিটলেও এখন আবার সম্পর্কের ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে হেনরিকে কেন্দ্র করে।

👉 সারকথা: মহুয়া মৈত্র এবং জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু এখন তাঁদের পোষ্য হেনরি। আদালতও বিরক্ত হয়ে বলেছে, “নিজেদের মধ্যে বসে সমস্যা মিটিয়ে নিন।” তবে হেনরির ভাগ্য নির্ধারণ হবে ডিসেম্বরের শুনানিতেই।
সংবাদ প্রতিবেদন © ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কেন্দ্রের নতুন নিয়ম নিয়ে অসমে চরম বিক্ষোভ ।

নাগরিকত্বের নিয়মে নতুন ছাড়, উত্তেজনায় অসম

নাগরিকত্বের নিয়মে নতুন ছাড়, উত্তেজনায় অসম

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, জৈন, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও পার্সি সম্প্রদায়ের মানুষদের দেশে থাকার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল অসমের রাজনীতি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন—

  • নতুন নিয়মের সঙ্গে সিএএ (নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন)-এর কোনও যোগ নেই।
  • এ সিদ্ধান্তের সময়সীমাও বাড়ানো হয়নি।
  • নাগরিকত্বের দাবিতে এখন পর্যন্ত মাত্র ১২টি আবেদন জমা পড়েছে, এর মধ্যে ৩ জন ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

তাঁর দাবি, সিএএ নিয়ে যে ভয় বা আশঙ্কা ছড়ানো হয়েছিল, তা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

বিরোধীদের অবস্থান

দেবব্রত শইকিয়া (বিরোধী দলনেতা, অসম): তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে অসম চুক্তি অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে যাঁরা রাজ্যে এসেছেন, কেবল তাঁদেরই নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সিএএ এনে অসম চুক্তিকে দুর্বল করেছে। এবার আবার বিদেশিদের থাকার মেয়াদ দশ বছর শিথিল করে রাজ্যের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাইছে।

কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি: সংগঠনটির দাবি, এই নতুন নিয়ম আসলে ছদ্মবেশে সিএএ-র সময়সীমা বাড়ানোর কৌশল। বিজেপিকে এই বিশ্বাসঘাতকতার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

আম আদমি পার্টি (AAP): পদক্ষেপটিকে তারা বলেছেন “রাষ্ট্রবিরোধী, জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী”। দলের প্রশ্ন— “মোদী-অমিত শাহ কি দেশের ১৪৬ কোটি মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন?”

সিপিএম (সুপ্রকাশ তালুকদার, রাজ্য সম্পাদক): তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট যখন নাগরিকত্বের ভিত্তিবর্ষ হিসেবে ১৯৭১ সালকে নির্ধারণ করেছে, তখন কেন্দ্র ইচ্ছাকৃত ভাবে নতুন নিয়ম চাপিয়ে আদালত ও অসম চুক্তিকে অবমাননা করছে।

আসু (অসম ছাত্র সংগঠন): সংগঠনের অভিযোগ, নতুন নিয়মে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা নামমাত্র বৃদ্ধি করা হলেও আসলে তাদের হাত আরও বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, “অসমকে নির্বিচারে অবৈধ বাংলাদেশিদের আশ্রয়স্থল হতে দেওয়া যাবে না।”

সম্ভাব্য প্রভাব ও আশঙ্কা

বিরোধী দলগুলির মতে, নতুন নিয়মে প্রায় পাঁচ লক্ষ বিদেশি নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৬৯,৫০০ জনকে ইতিমধ্যেই ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল বিদেশি ঘোষণা করেছে। আরও খবর পড়ুন ,পশ্চিম বঙ্গ কি ভারত থেকে আলাদা হতে চলেছে!বিস্ফোরক মন্তব্য

রাজ্যের সীমিত জমি, সম্পদ ও সামাজিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারীরা।

জনআন্দোলন

নতুন নিয়ম ঘোষণার পরই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

👉 সারকথা: কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসমে ফের উত্থান হয়েছে নাগরিকত্ব বিতর্কের। মুখ্যমন্ত্রী যদিও আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু বিরোধী দল ও সংগঠনগুলো একে সরাসরি অসম চুক্তির লঙ্ঘন ও সিএএ-র গোপন সম্প্রসারণ বলে অভিযোগ করছে।
সংবাদ প্রতিবেদন © ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Wednesday, 3 September 2025

মোদীর চতুর্থ বঙ্গ সফর স্থগিত, অনিশ্চয়তার আবহ রাজ্য রাজনীতিতে

মোদীর চতুর্থ বঙ্গ সফর স্থগিত

মোদীর চতুর্থ বঙ্গ সফর স্থগিত

রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার আবহ

বাংলার রাজনীতিতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে উত্তেজনা। সেই আবহেই পশ্চিমবঙ্গে ১০টি জনসভা করার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই তিনটি সভা সম্পন্ন হলেও, চতুর্থ সভা ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ।

📰 “চতুর্থ জনসভা হওয়ার কথা ছিল নদিয়ার রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে, ২০ সেপ্টেম্বর। কিন্তু দিল্লি থেকে হঠাৎ নির্দেশ আসে— কর্মসূচি আপাতত স্থগিত।”

📌 কোন সভা হয়েছে, কোনটি স্থগিত?

  • মে মাসে প্রথম জনসভা করেছিলেন আলিপুরদুয়ারে
  • জুলাইয়ে দ্বিতীয় সভা হয়েছিল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে
  • অগাস্ট মাসে তৃতীয় সভা হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার দমদমে
  • চতুর্থ সভা হওয়ার কথা ছিল নদিয়ার রানাঘাট লোকসভায়, কিন্তু স্থগিত।

❓ কেন স্থগিত?

সরকারি ভাবে কোনও কারণ জানানো হয়নি। তবে বিজেপি শিবিরের দাবি— কর্মসূচি বাতিল হয়নি, কেবল সাময়িকভাবে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন তারিখ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

🎯 রাজ্য বিজেপির কৌশল

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংগঠনিকভাবে মোট ১০টি ভাগে বিভক্ত। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি বিভাগেই প্রধানমন্ত্রীর জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কৌশলের মধ্যেই মোদীর টানা সফরসূচি রাখা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ স্থগিত হওয়া সভা রাজ্য বিজেপির জন্য কিছুটা ধাক্কা বটে।

📊 রাজনৈতিক গুরুত্ব

মহালয়ার আগে মোদীর সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল রাজ্য বিজেপি। সভা বাতিল হওয়ায় সেই কৌশলে সাময়িক ভাটা পড়েছে। তবে বিজেপি নেতৃত্বের আশা, নতুন তারিখ ঘোষণার মাধ্যমে পরিস্থিতি পাল্টে যাবে। আরও খবর পড়ুন , আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন বাবা ও মেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চতুর্থ বঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত। তবে দলীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, এই কর্মসূচি পুরোপুরি বাতিল হয়নি। তাই এখন সবার চোখ দিল্লির নির্দেশিকার দিকে। নতুন করে তারিখ ঘোষণা হলে আবারও রাজনৈতিক তরঙ্গ তৈরি হতে বাধ্য।।

© 2025 নিউজ ডেস্ক | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাজনৈতিক পর্দার পেছনে: পুরুষ শ্লীলতাহানি কাণ্ড ঘিরে চরম উত্তেজনা”

সজল ঘোষের বিরুদ্ধে পুরুষ শ্লীলতাহানি অভিযোগ

সজল ঘোষের বিরুদ্ধে পুরুষ শ্লীলতাহানি অভিযোগ, রাজনীতিতে উত্তেজনা

ঘটনার প্রেক্ষাপট

সজল ঘোষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে, তবে এইবার অভিযোগের লক্ষ্য কোনও মহিলা নয়, বরং একজন পুরুষ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। অভিযোগ শুনে রীতিমতো হতভম্ব হয়েছেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।

ঘটনা ঘটে ৯ অগস্ট, যখন নবান্ন অভিযানে সজল ঘোষ রাস্তায় উপস্থিত ছিলেন। পুলিশে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ওই দিন অভিযানে সজল ঘোষ একজন ব্যক্তিকে জুতো দেখান এবং গালিগালাজ করেন। এরপরই সজল ঘোষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানিসহ অন্যান্য ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী সেই ব্যক্তি, যাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, "সজল ঘোষ নবান্ন অভিযানে রাস্তায় নেমে একজন ব্যক্তিকে জুতো দেখান এবং গালিগালাজ করেন।"

সজল ঘোষের পাল্টা প্রতিক্রিয়া

অভিযোগের পর পাল্টা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সজল ঘোষ। তিনি বলেন, "আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ কেউ বলেছে যে আমি গালিগালাজ বা জুতো দেখিয়েছি। এখন আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলছে! তাও ঠিক আছে। তবে রুচি নিয়ে? এই দলটা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে!"

সজল আরও বলেন, "এক পুলিশ বোধহীন যে ধারা আমি দিচ্ছি সেটা দিতে গেলে একটি মহিলাকে প্রয়োজন।" এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি অভিযোগের তীব্রতা প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন।

রাজনৈতিক প্রভাব

এই ঘটনার পর রাজনীতিতে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষত, শ্লীলতাহানি অভিযোগের ভিন্ন দিক—পুরুষকে উদ্দেশ্য করে—সমাজ ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলো বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন, এবং মামলার প্রক্রিয়া ও আইনি ফলাফল সব চোখে পড়ছে।

  • ঘটনা: ৯ অগস্ট, নবান্ন অভিযান
  • অভিযোগকারী: এক পুরুষ ব্যক্তি, যাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করা হয়েছে
  • প্রতিবাদ: সজল ঘোষের পাল্টা বক্তব্য এবং ক্ষোভ
  • রাজনৈতিক প্রভাব: রাজনীতিতে উত্তেজনা ও বিতর্কের সৃষ্টি
#MaleMolestationCase #PoliticalDrama #SajalGhoshControversy #WBPolitics #PublicProtest #ScandalAlert

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাবা ও কন্যা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ, আলিপুর আদালতে জামিনের লড়াই”

পরেশ ও কন্যা অঙ্কিতার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ

পরেশ অধিকারী ও কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ

আত্মসমর্পণ করে আলিপুর আদালতে জামিনের আবেদন

একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বাবা ও কন্যা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছেন।

আজ বুধবার আলিপুর বিশেষ আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে তৃণমূল বিধায়ক পরেশ অধিকারী এবং তাঁর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী নিজেদের জামিনের জন্য আবেদন করেছেন। এই মামলাটি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে।

এদিন বাবা-মেয়ের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তৎকালীন আপ্তসহায়ক সুকান্ত আচার্য এবং অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিনের জন্য আদালতে হাজির ছিলেন।

সিবিআই ইতিমধ্যেই নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিয়েছে। পাশাপাশি গ্রুপ সি সংক্রান্ত মামলাতেও চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৭৫ জনকে আদালতে তলব করা হয়েছে।

জামিন আবেদনের প্রেক্ষাপট

সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজে এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। তাই যদি অভিযুক্তরা জামিন পান, তা সমাজের বড় অংশে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চারটি চার্জশিট জমা হয়েছে।

  • মামলায় নাম জড়িয়েছে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগে অনিয়ম।
  • অভিযুক্তরা আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছেন।
  • জামিনের বিরোধিতা করেছে সিবিআই।
  • মামলায় এখনও পর্যন্ত ৭৫ জনকে আদালতে তলব করা হয়েছে।

অঙ্কিতা অধিকারীর পেশাগত ইতিহাস

সম্প্রতি এসএসসি কমিশনের প্রকাশিত চিহ্নিত অযোগ্যদের তালিকায় ১০৪ নম্বরে নাম রয়েছে অঙ্কিতা অধিকারীর। তিনি এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রাষ্ট্রবিজ্ঞানে শিক্ষকতা করতেন। ২০২২ সালের মে মাসে বেআইনি ভাবে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে তাঁর চাকরি বাতিল হয়। এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

এই ঘটনায় আদালতে জামিনের আবেদন করা অঙ্কিতা ও পরেশ অধিকারীর সঙ্গে অভিযুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিরা আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নিজেদের সুরক্ষা চাচ্ছেন। মামলার জটিলতা ও সামাজিক প্রভাবের কারণে আদালত তাদের জামিনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“বাংলাদেশি হিন্দুদের জন্য বড়ো ছাড়: নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আসলে প্রমাণের ঝামেলা নেই”

ভারতে বিদেশী সংখ্যালঘু নাগরিকদের শর্তসাপেক্ষ স্বস্তি
বিদেশী সংখ্যালঘু নাগরিকদের জন্য কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকা: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে আসা নাগরিকদের কিছু শর্তে থাকার অনুমতি!

ভিনদেশী সংখ্যালঘু নাগরিকদের জন্য ভারত সরকারের শর্তসাপেক্ষ ছাড়

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা সংখ্যালঘু নাগরিকদের প্রমাণ ছাড়াই থাকার অনুমতি, তবে নাগরিকত্ব নয়।

ভিনদেশী নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মরিয়া ভারত সরকার। অবৈধ নাগরিকদের অনত্র সরাতে প্রতিটি রাজ্যে ডিটেশন ক্যাম্প তৈরির নির্দেশ কেন্দ্রের। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়মের কড়াকড়ি থেকে ছাড় মিলবে ভিনদেশী নাগরিকদের। সেই কথাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ভারত সরকার।

গতকাল মঙ্গলবার, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, যেসমস্ত ভিনদেশী নাগরিকরা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছেন তাঁদের চিহ্নিত করে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে যদি কোনও ব্যক্তি বৈধ নথি না দেখাতে পারেন, তাহলে তাঁকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে কিছু দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই নিয়মের হেরফের হবে।

ছাড় পাওয়ার শর্ত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু নাগরিক এবং হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ও পার্সি ধর্মাবলম্বী নাগরিকেরা যারা নিজেদের দেশে ধর্মীয় অত্যাচার থেকে বাঁচতে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে না। তবে এক্ষেত্রেও থাকবে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মবিধি।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার সময় কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, যে নাগরিক ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে এসেছেন, একমাত্র তাদেরই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকায় ওই সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে এসেছেন, তাদের পাসপোর্ট বা অন্য কোন নথি ছাড়াই ভারতে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে।

কেন্দ্রের এই নয়া নির্দেশিকার পরে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি মিলেছে ভিনদেশী সংখ্যালঘু নাগরিকদের। তবে ভারতে থাকতে পারলেও নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা পাবেন না তারা।

মূল তথ্য সংক্ষেপে

  • ডিটেশন ক্যাম্পের নির্দেশ: অবৈধ নাগরিকদের অনত্র সরানোর জন্য প্রতিটি রাজ্যে তৈরি হবে।
  • ছাড় প্রযোজ্য: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু নাগরিক এবং হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ও পার্সি ধর্মাবলম্বীরা।
  • নাগরিকত্ব সীমা: ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আসা নাগরিকদের নাগরিকত্বের বিষয় ছিল, নতুন নির্দেশিকায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।
  • নথি প্রমাণ ছাড়: নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আসা সংখ্যালঘু নাগরিকদের পাসপোর্ট বা নথি ছাড়াই ভারতে থাকার অনুমতি।
  • নাগরিকত্ব নয়: থাকার অনুমতি থাকলেও নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে না।

প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

  • সংখ্যালঘু নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি বৃদ্ধি
  • ভারতে বসবাসের জন্য কিছু ঝামেলা কমানো হয়েছে
  • নাগরিকত্ব না থাকায় ভবিষ্যতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রযোজ্য হতে পারে
  • কেন্দ্রের নির্দেশিকা প্রমাণ ও ডিটেনশন সংক্রান্ত ঝামেলা হ্রাস করেছে

বিশেষ মন্তব্য

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নির্দেশিকার ফলে সংখ্যালঘু নাগরিকরা স্বল্প ঝুঁকিতে ভারতে থাকতে পারবে। তবে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা না থাকায়, এটি সম্পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নয়। বিশেষভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

#BangladeshiHindus #বিশেষছাড় #CitizenshipSupport #প্রমাণঝামেলানেই #BenefitForAll #BangladeshiHinduRights #EasyProcess #নাগরিক_সুবিধা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুই বউকে ফুসলিয়ে চম্পট: বাগদার নতুন ঘটনায় গ্রেফতার দুই মহিলা, অভিযুক্ত যুবক নিখোঁজ

দুই বউকে ফুসলিয়ে চম্পট: বাগদায় গ্রেফতার দুই মহিলা, যুবক নিখোঁজ
দুই বউকে ফুসলিয়ে চম্পট দেওয়ার ঘটনায় বাগদা থানায় দুই মহিলা গ্রেফতার, যুবক আরিফ মোল্লা নিখোঁজ!

দুই বউকে ফুসলিয়ে চম্পট: বাগদার নতুন ঘটনায় গ্রেফতার দুই মহিলা, অভিযুক্ত যুবক নিখোঁজ

উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার মালিদা গ্রামে দুই বউকে ফুসলিয়ে চম্পট দেওয়ার ঘটনায় বড় আপডেট। দুই গৃহবধূ গ্রেফতার, অভিযুক্ত যুবক এখনও নিখোঁজ।

উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার মালিদা গ্রামে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, প্রতিবেশী যুবক আরিফ মোল্লা চায়ের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে শশুর-শাশুড়ি এবং তিন মেয়েকে অচেতন করে দুই বউকে নিয়ে পালিয়ে গেছে।

ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় আসে, যখন বাগদা থানার পুলিশ দুই গৃহবধূকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুলচান মল্লিক এবং নাজমা মন্ডল, যারা অভিযুক্ত আরিফ মোল্লার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলেছিল।

ঘটনার পটভূমি

প্রতিবেশী যুবক আরিফ মোল্লার সঙ্গে একই বাড়ির দুই বউ কুলচান মল্লিক ও নাজমা মন্ডল ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলেছিল। এরপরই বাগদা থানায় স্ত্রী ও বৌদির শাস্তির দাবি জানিয়ে অভিযোগ করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ঘটনার তদন্ত নেমে ওই দুই গৃহবধূকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার বিবরণ

  • স্থান: বাগদা থানার মালিদা গ্রাম
  • অভিযুক্ত যুবক: আরিফ মোল্লা (এখনও নিখোঁজ)
  • গ্রেফতারকৃত মহিলা: কুলচান মল্লিক, নাজমা মন্ডল
  • পরিবারের সদস্য: শশুর-শাশুড়ি এবং তিন মেয়ে, যাদের চায়ের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে অচেতন করা হয়েছিল
  • অভিযোগকারী: আনিসুর শেখ, যার পরিবারের ওপর ঘটনা ঘটেছে

পুলিশি ব্যবস্থা

  • দুই গৃহবধূকে গ্রেফতার: কুলচান মল্লিক ও নাজমা মন্ডলকে বনগাঁ মহাকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।
  • নিখোঁজ অভিযুক্ত যুবক: আরিফ মোল্লার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
  • তদন্ত: অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

ঘটনার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

  • স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যকর আতঙ্ক ও উদ্বেগ
  • সামাজিক ও পারিবারিক বিশ্বাস ভাঙার ঘটনা
  • পুলিশি পদক্ষেপ দ্রুত এবং সতর্কতার সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে
  • অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে

বিশেষ মন্তব্য

স্থানীয় আইনজীবী এবং সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনা শুধু পরিবারের নয়, পুরো গ্রাম সম্প্রদায়ের জন্য সতর্কতার সংকেত। বিশেষভাবে, যুবকদের আচরণ এবং গৃহবধূদের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog