Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 14 September 2025

চাকরি হারিয়ে মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করলেন যোগ্য শিক্ষক | কোলাঘাটের ঘটনা

চাকরি হারিয়ে মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করলেন যোগ্য শিক্ষক | কোলাঘাটের ঘটনা

চাকরি হারিয়ে মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করলেন যোগ্য শিক্ষক

বাংলা হান্ট ডেস্ক: চাকরি হারিয়েছিলেন। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন সন্তোষ কুমার মণ্ডল (৪০) নামের এক যোগ্য শিক্ষক। এমনই দাবি করছেন চাকরিহারা শিক্ষকের সহকর্মীরা ও আত্মীয়স্বজন। তিনি কোলাঘাট আড়িশান্ডা হাইস্কুলের শিক্ষক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

চাকরিহারা শিক্ষক সন্তোষ কুমার মণ্ডল
সন্তোষ কুমার মণ্ডল – কোলাঘাটের যোগ্য শিক্ষক। ছবি: প্রতিনিধি

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি গভীর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বহুবার চিকিৎসার পরেও তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। বন্ধু-বান্ধবরা জানিয়েছেন, তিনি ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয়। চাকরির অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা তাঁকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার দিন তিনি বাড়ির বাইরে যান এবং পরে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক রিপোর্টে আত্মহত্যার দিকেই ইঙ্গিত মিললেও মানসিক চাপ কতটা ভূমিকা রেখেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষক সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকরা চাকরির অভাবে হতাশ হয়ে পড়ছেন। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অনামিকার রহস্যমৃত্যু | CCTV-তে কী ধরা পড়ল?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অনামিকার রহস্যমৃত্যু | CCTV-তে কী ধরা পড়ল?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অনামিকার রহস্যমৃত্যু ঘিরে তোলপাড়

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ফের শিরোনামে যাদবপুর। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তোলপাড়। যাদবপুর ক্যাম্পাসে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় এবার সিসি ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তারা। ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এসেছে, ‘জলে ডুবেই মৃত্যু যাদবপুরের পড়ুয়ার’। কীভাবে পুকুরে পড়ে গেলেন অনামিকা? উত্তর অধরা।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তদন্ত চলছে। ছবি: প্রতিনিধি

সিসি ফুটেজ সামনে আসায় জট খুলবে রহস্যের? যাদবপুর থানার পুলিশ সহ এদিন যাদবপুর ক্যাম্পাসে যান ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন ডিসি SSD। যে জলাশয় থেকে পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেই জলাশয় কতটা গভীর তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জলাশয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়। যেখানে অনুষ্ঠান চলছিল, তার থেকে যেখান থেকে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয় তার দূরত্ব মেপে দেখেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। খুঁটিয়ে ঘটনাস্থল পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন তিনি।

মৃত্যুর রহস্যভেদ করতে নজরে রয়েছে মৃতার মোবাইল ফোন। সূত্রের খবর, শনিবারই পড়ুয়ার ফোন তাঁর পরিবারের কাছ থেকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। সেই মোবাইলে কি কোনও বড় ক্লু লুকিয়ে? ইতিমধ্যেই পড়ুয়ার সহপাঠী ও ড্রামা ক্লাবের সদস্য ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশ।

কেন ওই ঝিল পাড়ে গেলেন অনামিকা? কেউ কি ফোন করে তাঁকে ডেকেছিল? কীভাবেই বা পুকুরে পড়ে গেলেন? অনামিকা কী একাই গেছিলেন? নাকি সঙ্গে কী অন্য ছিল? উত্তর খুঁজতে তদন্তে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিকে মৃত ছাত্রীর পরিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি তাঁদের আশঙ্কা, মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হতে পারে। যাঁরা সেদিন ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন, ছাত্রীর সেসব বন্ধুবান্ধবকে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান তারা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভারত ও চিনকে ঘিরে ট্রাম্পের শুল্কনীতি: জি-৭ ও নেটোর ওপর চাপ

ভারত ও চিনকে ঘিরে ট্রাম্পের শুল্কনীতি: জি-৭ ও নেটোর ওপর চাপ

ভারত ও চিনকে ঘিরে ট্রাম্পের শুল্কনীতি: জি-৭ ও নেটোর ওপর চাপ

কথায় বলে, ‘একা রামে রক্ষা নেই সুগ্রিব দোসর’! ভারত ও চিনের বিরুদ্ধে এ বার সঙ্গীদের লেলিয়ে দিয়ে সেই কথাটিকেই যেন স্মরণ করাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত খনিজ তেল কেনার জন্য নয়াদিল্লি এবং বেজিঙের উপর শুল্ক চাপাতে ক্রমাগত ‘গ্রুপ অফ সেভেন’ (জি-৭) এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় সামরিক জোট ‘উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা’ বা নেটোকে (নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজ়েশন) চাপ দিচ্ছেন তিনি।

শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট গোঁ ধরে থাকায় কিছুটা বাধ্য হয়েই এ ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে জি-৭ এবং নেটো। বিশ্লেষকদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির উপরে পাহাড়প্রমাণ চাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সমাধানসূত্র বার করতে বৈঠক করেন প্রথম সংগঠনটির সাত অর্থমন্ত্রী। সেখানে অবশ্য ভারত এবং চিনের উপরে উচ্চ হারে শুল্ক চাপানোর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ওই বৈঠক যে নয়াদিল্লির রক্তচাপ বাড়িয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

জি-৭ সংগঠনটিতে রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান এবং কানাডা। বিশ্লেষকদের দাবি, এই গোষ্ঠীর পক্ষে ট্রাম্পের কথামতো ভারতের উপরে শুল্ক চাপানো বেশ কঠিন। কারণ, ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লির সঙ্গে ‘মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি’ (ফ্রি ট্রেড অগ্রিমেন্ট বা এফটিএ) সেরে ফেলেছেন ইংরেজ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার। পাশাপাশি, একই ধরনের সমঝোতার দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইটালি। এই তিনটি দেশ আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ভারতের সঙ্গে ‘মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি’ করতে প্রবল আগ্রহী ইইউ। এ ব্যাপারে নয়াদিল্লির সঙ্গে তাদের আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। ট্রাম্পের কথামতো শুল্কনীতি নেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে জাপানেরও। কারণ, রেল-সহ এ দেশের প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা, পরিকাঠামো, প্রতিরক্ষা-সহ নানা ক্ষেত্রে বিপুল লগ্নি রয়েছে টোকিয়োর। তার তাই জোর করে শুল্ক চাপিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে নারাজ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

এ-হেন পরিস্থিতিতে জি-৭-ভুক্ত দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক পরিচালনার দায়িত্ব পান কানাডার ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন। সম্মেলন শেষে এ ব্যাপারে বিবৃতি দেন তিনি। বলেন, ‘‘রাশিয়ার উপর চাপ বাড়ানোর জন্য সম্ভাব্য আর্থিক অবরোধমূলক পদক্ষেপগুলি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্কও রয়েছে।’’ অন্য দিকে এই ব্যাপারে পৃথক বিবৃতি দেন মার্কিন অর্থসচিব (ট্রেজ়ারি সেক্রেটারি) স্কট বেসেন্ট এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। তাঁদের বক্তব্যে আমেরিকার মনোভাব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

বৈঠকশেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নাম করে বিষোদ্গার করেন বেসেন্ট এবং গ্রিয়ার। তাঁদের কথায়, ‘‘একমাত্র ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মস্কোর যুদ্ধ চালানোর আর্থিক উৎস বন্ধ করা যেতে পারে। সেটা অর্থহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার জন্য পর্যাপ্ত চাপ তৈরিতে সক্ষম হবে।’’ শেষ পর্যন্ত আমেরিকার চাপে জি-৭-ভুক্ত দেশগুলি ভারত ও চিনা পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক চাপালে, তার পরিমাণ কতটা হবে, সেটা অবশ্য স্পষ্ট করেননি যুক্তরাষ্ট্রের ওই দুই শীর্ষ কর্তা।

অন্য দিকে ওই বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চিনা পণ্যে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আর্জি জানিয়ে নেটো-ভুক্ত দেশগুলিকে চিঠি পাঠান ট্রাম্প। পাশাপাশি ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলিকে রুশ খনিজ তেল ‘উরাল ক্রুড’-এর আমদানি অবিলম্বে বন্ধ করতে বলেছেন তিনি। যদিও মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় সামরিক জোটটির পক্ষে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশ কঠিন। কারণ, মস্কোর ‘তরল সোনা’র অন্যতম বড় ক্রেতা হল তুরস্ক, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়া।

শুধুমাত্র খনিজ তেলই নয়, নেটো-ভুক্ত দেশগুলিকে বিপুল পরিমাণে ‘তরল প্রাকৃতিক গ্যাস’ (লিকুইড ন্যাচরাল গ্যাস বা এলএনজি) বিক্রি করে রাশিয়া। এই এলএনজি জার্মানি-সহ পশ্চিম ইউরোপের শীতপ্রবণ দেশগুলির খুবই প্রয়োজন। বিশ্লেষকদের দাবি, এ-হেন পরিস্থিতিতে মস্কোর থেকে তেল কেনা বন্ধ করলে এলএনজি সরবরাহ থামিয়ে দিতে পারে ক্রেমলিন। জার্মানির মতো দেশের ক্ষেত্রে সেটা হবে আত্মহত্যার শামিল।

এ ছাড়া নেটোর সদস্য দেশগুলির একাংশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ব্যাপারে চিনের উপর যথেষ্ট পরিমাণে নির্ভরশীল। ট্রাম্পের কথামতো বেজিঙের পণ্যে শুল্ক চাপালে বিপদে পড়তে পারে তারা। সে ক্ষেত্রে নেটো-ভুক্ত দেশগুলিতে রফতানি কমানোর ছুতো পেয়ে যাবে ড্রাগন। এতে বিভিন্ন সামগ্রীর সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার প্রবল আশঙ্কা থাকছে। আর তাতে যে শেষ পর্যন্ত নেটো-ভুক্ত দেশগুলিরই আর্থিক লোকসান হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিশ্লেষকদের একাংশের অনুমান, শুল্ক নিয়ে ট্রাম্পের নিশানায় এ বার রয়েছে চিন। আর্থিক দিক থেকে মূলত বেজিংকেই ক্ষতবিক্ষত করতে চাইছেন তিনি। ড্রাগনের উত্থানকে কেন্দ্র করে পশ্চিম ইউরোপের একাধিক দেশও বেশ উদ্বিগ্ন। আর তাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কথামতো কিছু পদক্ষেপ করতে পারে তারা। তবে বাস্তবের মাটিতে সেটা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সেনা অভিযান (স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন্স) চালাচ্ছে রাশিয়া। ফলে গত সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে পূর্ব ইউরোপ। এ বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হওয়া ইস্তক ওই সংঘাত থামানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যে পুতিন এবং ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাশিয়ার উপর ১৬ হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয় আমেরিকা-সহ পশ্চিমি বিশ্ব। ফলে অর্থনীতি বাঁচাতে সস্তা দরে খনিজ তেল বিক্রির লোভনীয় প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় মস্কো। প্রস্তাব লুফে নিতে এতটুকু দেরি করেনি ভারত ও চিন। ওই সময় থেকেই ক্রেমলিনের ‘তরল সোনা’ আমদানি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় এই দুই দেশ।

বর্তমানে রুশ ‘উরাল ক্রুড’ সর্বাধিক কিনছে বেজিং। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ঠিক তার পরেই আছে নেটো-ভুক্ত তুরস্ক। ট্রাম্পের যুক্তি, মস্কোর থেকে এ ভাবে বিপুল ‘তরল সোনা’ আমদানির জেরে যুদ্ধ চালানোর মতো প্রয়োজনীয় অর্থ হাতে পাচ্ছেন পুতিন। আর তাই শাস্তি হিসাবে এ দেশের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। যদিও তাতে পিছু হটতে নারাজ কেন্দ্রের মোদী সরকার। জাতীয় স্বার্থে ক্রেমলিনের অপরিশোধিত তেল কেনা বজায় থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

গত ২৭ অগস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ করে শুল্ক নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর জেরে বিকল্প বাজারের খোঁজে কোমর বেঁধে লেগে পড়েছে নয়াদিল্লি। এ বছরের ৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চিনের তিয়ানজ়িন শহরে একত্রিত হন ‘সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা’ (সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজ়েশন বা এসসিও)-ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা। সংশ্লিষ্ট বৈঠকে যোগ দিয়ে পুতিন এবং ড্রাগন প্রেসিডেন্ট শি জ়িনপিঙের সঙ্গে পৃথক ভাবে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

এসসিও বৈঠকের পরই আমেরিকা জুড়ে শুরু হয় ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রবল সমালোচনা। হু-হু করে কমতে থাকে তাঁর জনসমর্থন। ফলে চাপে পড়ে কিছুটা সুর নরম করেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান প্রেসিডেন্ট। গত ১২ সেপ্টেম্বর ‘ফক্স নিউজ়’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ ছিল না। এর জন্য নয়াদিল্লির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে।’’ মার্কিন কূটনীতিকদের একাংশ মনে করেন, ট্রাম্পের জন্য অচিরেই রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে ত্রিশক্তি জোট গড়ে তুলবে ভারত, যা আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

আর তাই নজর কিছুটা ঘুরিয়ে ট্রাম্প এ বার চিনকে নিশানা করতে চাইছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ‘ফক্স নিউজ়’কে তিনি বলেন, ‘‘নেটো যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে এবং বেজিঙের পণ্যে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেয়, তা হলে এই প্রাণঘাতী যুদ্ধ বন্ধ হবে। কারণ রাশিয়ার উপর চিনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। শুল্ক সেই নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে পারে।’’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর স্লোভেনিয়া সফর থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বেজিং কখনও যুদ্ধের পরিকল্পনা করে না। লড়াইয়ে যোগদানও করে না। সংঘর্ষ কখনও কোনও সমস্যার সমাধান তো করতে পারে না। উল্টে বিধিনিষেধ ওই সমস্যাগুলিকে আরও জটিল করে তোলে।’’

উল্লেখ্য, ভারত এবং চিনের উপর শুল্ক চাপাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জি-৭ এবং নেটোর উপর চাপ সৃষ্টি করলেও নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সেরে ফেলতে আগ্রহী ওয়াশিংটন। সূত্রের খবর, এ বছরের নভেম্বরের মধ্যে সমঝোতায় আসতে পারে দুই দেশ। তবে তার আগে ট্রাম্পের কথায় জি-৭ এবং নেটো শুল্কযুদ্ধে নামলে বাণিজ্যচুক্তি বিশ বাঁও জলে যেতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের গোড়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘দ্য ফিনান্সিয়াল টাইম্‌স’। সেখানে বলা হয়, ভারতের উপর আরও বেশি শুল্ক চাপাতে নাকি ইইউকে গোপনে উস্কানি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তালিকায় চিনকেও রেখেছেন তিনি। ফলে জি-৭ এবং নেটোর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে কড়া নজর রাখছে সাউথ ব্লক।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ

ছবি: খড়্গপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে উত্তেজনার দৃশ্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার সারসংক্ষেপ

পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমতা দাস প্রকাশ্যে দলের সক্রিয় নেতা অশোক সিংহের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে তাঁকে জুতোপেটা করেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কাউন্সিলর প্রথমে অশোক সিংহকে জুতো দিয়ে আঘাত করেন। পাল্টা অশোকও প্রতিবাদ করেন, তবে ক্যামেরার সামনে নিজেকে সামলে নেন।

মমতা দাসের অভিযোগ

মমতা দাস অভিযোগ করেছেন, অশোক সিংহ তাঁকে বারবার অপমান করেছেন এবং রাস্তায় তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছেন। তাঁর ভাষায়, “রাস্তায় বেরোলেই ছেলেদের পিছনে লাগিয়ে দেয়। সে কারণেই আমি প্রতিবাদ করেছি। প্রয়োজনে আবার করব। আমি সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করি, কেউ আমাকে থামাতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, “অশোক সিংহ সমাজবিরোধী, দলীয় নেতা নন। তাঁকে দলের নেতা হিসেবে মানি না।”

অশোক সিংহের পাল্টা বক্তব্য

অশোক সিংহ দাবি করেছেন, ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছ থেকে দোকান বসানোর নামে কাউন্সিলর অর্থ আদায় করতে চাইছিলেন। তিনি বলেন, “আমি প্রতিবাদ করতেই এক দল নিয়ে এসে আমাকে জুতো মারতে চান। পুলিশে অভিযোগ করব এবং দলের কাছে জানাব।” তিনি জানান, ২০২২ সালে নির্বাচনে তিনিই কাউন্সিলরকে সাহায্য করেছিলেন, কিন্তু এখন তিনি ‘অহংকারী হয়ে উঠেছেন’ বলে অভিযোগ করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজ্যে তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। তৃণমূলের বেবি কোলের কাণ্ডের সঙ্গে তুলনা টেনে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে যে বিজেপির সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। জেলা নেতৃত্বের তরফে অরূপ দাস বলেছেন, “আমরা শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। এই ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।” অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা মন্তব্য করেছেন, “অশোক সিংহ নিজেই তোলাবাজ। বিজেপির সংস্কৃতি এটাই।”

ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব

খড়্গপুরের এই ঘটনা বিজেপির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। একদিকে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতাদের সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এটি আলোচনা এবং বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

অশোক সিংহ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের কথা জানিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও ভিডিও যাচাই করে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে মমতা দাস দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দু’পক্ষের মধ্যে সমাধানের পথ বেরোবে কি না তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

উপসংহার

খড়্গপুরের এই ঘটনা প্রমাণ করছে যে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ নয়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক, অর্থনৈতিক লেনদেন, ক্ষমতার লড়াই—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ছে। বিজেপির মতো বড় দলে এই ধরনের ঘটনা বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিতে পারে। আগামী দিনে দলীয় নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়, তা নজর রাখার বিষয়।

আরও আপডেট পেতে নজর রাখুন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোতে!

মণিপুরে সেনাকে ঠেকাতে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার, উত্তপ্ত কুকি এলাকা

মণিপুরে সেনাকে ঠেকাতে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার, উত্তপ্ত কুকি এলাকা

মণিপুরে সেনাকে ঠেকাতে জাতীয় সঙ্গীতের ব্যবহার, উত্তপ্ত কুকি এলাকা

চূড়াচাঁদপুর, মণিপুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মণিপুর সফরের পরের দিনেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চূড়াচাঁদপুরের কুকি অঞ্চল। সেনার সাঁজোয়া গাড়ির সামনে প্রতিবাদকারীরা রাস্তার একদিকে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। তাঁদের অবরোধের মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হয় র‌্যাফ। সেনার জওয়ানরা অস্ত্র হাতে এগিয়ে গেলেও সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো শুরু হয়। প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও পরে সেনাকে থেমে যেতে বাধ্য হতে হয়।

জাতীয় সঙ্গীত হয়ে উঠল প্রতিবাদের হাতিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল। কুকি যুবকদের একাংশ মোদীর পোস্টার ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দেন। ব্যারিকেড ভাঙচুর করেন এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। চূড়াচাঁদপুরের ফাইলেন ও পিয়ারসনমুন এলাকায় রোড ব্যারিকেড ও সভার সাজসজ্জা ভাঙচুরের অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারত। সেনার সাঁজোয়া গাড়ির সামনে প্রতিবাদকারীরা একযোগে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত বাজাতে থাকেন। সেনার সদস্যরা কিছুক্ষণ দ্বিধায় পড়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন।

মোদী সফর নিয়ে বিরোধিতা

কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফর নিয়ে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সফরের সময় কুকিদের কথা শোনার চেষ্টা করা হয়নি। স্থানীয়রা দাবি করছেন, তাদের সমস্যা ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো উপেক্ষিত হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা এই পথ বেছে নিয়েছেন।

গ্রেফতার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পুলিশ জানিয়েছে, ফাইলেন ও পিয়ারসনমুন এলাকায় রোড ব্যারিকেড ও সভার সাজসজ্জা ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনা ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

মণিপুরে প্রতিবাদকারীদের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো
প্রতিবাদকারীরা সেনার মুখে জাতীয় সঙ্গীত বাজিয়ে তাদের পিছু হটতে বাধ্য করেন।

স্থানীয়দের বক্তব্য

প্রতিবাদকারীরা বলেন, “আমরা অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে ভয় পাইনি। আমাদের কথা শোনানো দরকার। জাতীয় সঙ্গীত বাজিয়ে আমরা দেখিয়েছি দেশের প্রতি ভালোবাসা আছে, কিন্তু আমাদের দাবিও ন্যায্য।”

প্রশাসনের বক্তব্য

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনা কাজ করছে। তারা প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে। নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে আসামের উদালগুড়ি জেলায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে

২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার, বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে আসামের উদালগুড়ি জেলায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল মাত্র ৫ কিলোমিটার, ফলে এর প্রভাব ছিল ব্যাপক। উদালগুড়ি, শোণিতপুর, গোহপুর, নগাঁও, হোজাই, দরং, রঙিয়া, ঢেকিয়াজুলি, বিশ্বনাথ, কাৰ্বি আংলং, নলবাড়ি সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়ির দেয়ালে ফাটল ধরার খবর এসেছে। এছাড়া মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডেও কম্পনের অনুভূতি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই ৪টা ৫৮ মিনিটে ৩.১ মাত্রার, এবং ৫টা ২১ মিনিটে ২.৯ মাত্রার দুটি আফটারশক অনুভূত হয়। আফটারশকগুলোর উৎসস্থল ছিল যথাক্রমে উদালগুড়ি ও শোণিতপুর। এই আফটারশকগুলোর গভীরতা ছিল ৫ কিলোমিটার। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (ASDMA) ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের জন্য হেল্পলাইন চালু করেছে। যে নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করা যাবে তা হলো: ১০৭৯, ১০৭০, ৯৪০১০৪৪৬১৭। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভূমিকম্পের পরপরই রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, "রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার একযোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করবে।" এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা ও আফটারশকগুলোর কারণে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। উল্লেখযোগ্য যে, আসাম ভূমিকম্পের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। এখানে ২০২১ সালে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তবে এবারের ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ভূমিকম্পের পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য জানাতে ASDMA ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মণিপুরে মোদীর সফরের সমালোচনা: কুকি বিধায়কের তীব্র প্রতিক্রিয়া

মণিপুরে মোদীর সফরের সমালোচনা: কুকি বিধায়কের তীব্র প্রতিক্রিয়া | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

মণিপুরে মোদীর সফরের সমালোচনা: কুকি বিধায়কের তীব্র প্রতিক্রিয়া

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মণিপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী

ছবি: মণিপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী – কুকি বিধায়কের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু

মণিপুর সফর নিয়ে কুকি নেতার অসন্তোষ

মণিপুরে বর্তমানে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা চরমে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংক্ষিপ্ত চূড়াচাঁদপুর সফর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির কুকি বিধায়ক পাউলিয়েনলাল হাওকিপ। রবিবার তিনি প্রকাশ্যে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সরকারি সম্পদের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি না কুকি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ শুনেছেন, না দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।”

সরকারি সম্পদের অপচয় – হাওকিপের বক্তব্য

হাওকিপ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এমন সফরের কোনও তাৎপর্য নেই। সরকারের অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে শুধুমাত্র প্রদর্শনের জন্য। মাঠে বাস্তব সমস্যা রয়ে যাচ্ছে সমাধানহীন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রী এসে কুকি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ভূমি অধিকার ও পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না হয়ে এটি একপ্রকার রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছাড়া আর কিছু নয়।”

কুকি জনগোষ্ঠীর অভিযোগ উপেক্ষা

মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত দ্বন্দ্ব, প্রশাসনিক অবহেলা এবং নিরাপত্তা সংকট চলছে। কুকি সম্প্রদায়ের অভিযোগ, তারা সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে পড়লেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের কথা শোনেনি। হাওকিপের মতে, এই সফর কেবলমাত্র ক্ষমতার প্রদর্শনী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যাকে উপেক্ষা করার উদাহরণ।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নাকি উন্নয়ন?

হাওকিপ আরও বলেন, “এই সফরের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হয়তো রাজনীতির ভিত্তি শক্ত করতে চাইছে, কিন্তু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কোথায়? যে অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা চলছে, সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সফর করা অর্থহীন।” তাঁর অভিযোগ, সরকারের উদ্দেশ্য সমস্যা সমাধান নয় বরং নির্বাচনী লাভ।

অন্য দলের প্রতিক্রিয়া

মণিপুরের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বক্তব্যকে সমর্থন করছে। তারা বলছে, সংলাপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়। কংগ্রেস, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এবং নাগরিক সংগঠনগুলো দাবি তুলেছে, মণিপুরের বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলির পুনর্বাসন, নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রশাসনিক সংস্কার না হলে রাজনৈতিক সফরের কোনও অর্থ নেই।

জাতিগত সংঘাতের পটভূমি

মণিপুর বহু জাতিগোষ্ঠীর বাসভূমি। সেখানে কুকি এবং ম্যতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা রয়েছে। ভূমি, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব বারবার সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু হাওকিপের বক্তব্যে উঠে এসেছে যে সমস্যাগুলি সমাধানের বদলে কেবলমাত্র প্রোটোকল-নির্ভর সফরে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বহুদিনের। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি বারবার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচিত সংঘাত নিরসনে কাজ করা। কিন্তু সংক্ষিপ্ত সফর এই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা নির্দেশ করছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময়সূচি নিয়ে প্রশ্ন

হাওকিপের অভিযোগ, “প্রধানমন্ত্রী মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য চূড়াচাঁদপুরে অবস্থান করেন। তিনি স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেননি, জরুরি মানবিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেননি। সফর কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে।” এই সফরকে কেন্দ্র করে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর?

বিশ্লেষকরা বলছেন, উন্নয়ন পরিকল্পনা তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন তা স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। কেবল রাজনৈতিক সফরের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমিত করা যায় না। স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নের জন্য সমাধানমুখী আলোচনা অপরিহার্য। এই দিক থেকে পাউলিয়েনলাল হাওকিপের বক্তব্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

প্রান্তিক জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা

কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই আশা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের নিরাপত্তা এবং পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না হওয়ায় হতাশা ছড়িয়েছে। স্থানীয় মানুষের মতে, প্রশাসনের অপ্রতুলতা এবং রাজনৈতিক দূরত্ব সংঘাতের মূল কারণ। এই প্রেক্ষাপটে কুকি বিধায়কের বক্তব্য এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক দৃশ্যপট

হাওকিপের বক্তব্যের পর মণিপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিরোধী দলগুলির সঙ্গে স্থানীয় সংগঠনগুলোও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সামাজিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আধুনিক ফ্যাসিবাদ: নতুন মিত্রতা ও পুরনো আদর্শ

গত এক দশকে বৈশ্বিক ডানপন্থী রাজনীতি একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। যেখানে একসময় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ ও ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদ ছিল মুখ্য, সেখানে এখন নতুন মিত্রতা গড়ে উঠছে, বিশেষ করে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তির সঙ্গে। এই পরিবর্তন আধুনিক ফ্যাসিবাদের চরিত্রকেই পাল্টে দিচ্ছে। 🧭 আধুনিক ফ্যাসিবাদ: নতুন মিত্রতা ও পুরনো আদর্শ ২০ শতকের গোড়ার দিকে হিন্দুত্ববাদী ও ইউরোপীয় ফ্যাসিবাদের মধ্যে 'আর্য জাতি' ধারণাকে ঘিরে একটি ভাবাদর্শগত সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছিল। সেই সময় বিশেষ সুবিধাভোগী উচ্চবর্ণের হিন্দুদের সঙ্গে জার্মান জাতীয়তাবাদীদের একধরনের কৃত্রিম বংশগত যোগসূত্র দেখানো হয়েছিল। গ্রিক-ফরাসি বংশোদ্ভূত লেখিকা সাভিত্রী দেবী মুখার্জি হিন্দু মিস্টিসিজমকে নাৎসি বর্ণবাদী মতবাদের সঙ্গে মিশিয়ে এই সংযোগ আরও মজবুত করেন। আজকের দিনে এই মৈত্রী মূলত অভিন্ন শত্রুর বিরুদ্ধে গড়ে উঠছে। ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা এবং সংখ্যাগুরু ধর্মীয় বা জাতিগত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য—এগুলোই উভয় ধারার আন্দোলনের মিলনবিন্দু। পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সামাজিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয়, আর ভারতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দলিত সম্প্রদায়কে নিশানা বানাচ্ছে। 🌍 আন্তর্জাতিক মঞ্চে হিন্দুত্ববাদী-ডানপন্থী মৈত্রী এই মতাদর্শগত মিল বাস্তবে নানা সহযোগিতায় রূপ নিচ্ছে: নরওয়ের গণহত্যাকারী আন্ডার্স ব্রেইভিক তার ঘোষণাপত্রে হিন্দুত্বের প্রশংসা করেন। ডাচ ডানপন্থী নেতা গির্ট উইল্ডার্স বিজেপি নেত্রীর ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের পক্ষে দাঁড়ান। স্টিভ ব্যানন প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি প্রশংসা দেখান। আমেরিকার ন্যাশনাল কনসারভেটিজম কনফারেন্সের মতো অনুষ্ঠানে হিন্দুত্বপন্থী নেতারা অংশ নিয়েছেন। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, পশ্চিমী ডানপন্থী রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিত্বদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি। যুক্তরাজ্যে স্যুয়েলা ব্র্যাভারম্যান ও প্রীতি প্যাটেল, আমেরিকায় কাশ প্যাটেল ও বিবেক রামাস্বামী, জার্মানির অলিস ভাইডেলের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সঙ্গী—সবাই মিলিতভাবে এক নতুন ধারা তৈরি করেছেন। এঁরা জাতীয়তাবাদী, ইসলামবিদ্বেষী ও অভিবাসনবিরোধী নীতি সমর্থন করে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী মহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করছেন। 🕉️ হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু স্বয়ংসেবক সংঘ (এইচএসএস), হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (এইচএএফ) ও রিপাবলিকান হিন্দু কোয়ালিশনের মতো সংগঠন নিজেদের 'হিন্দু অধিকার'-এর রক্ষক হিসেবে তুলে ধরে বাস্তবে রক্ষণশীল ও ইসলামবিদ্বেষী নীতির পক্ষে কাজ করছে। এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক বৈষম্য (অ্যাফার্মেটিভ অ্যাকশন) বন্ধ করা বা কর্মক্ষেত্রে জাতপাতভিত্তিক সুরক্ষা আটকে দেওয়ার প্রচেষ্টায়। আল্ট-রাইট প্রকাশনা সংস্থা Arktos হিন্দু মিস্টিসিজমকে ইউরোপীয় ডানপন্থী ভাবাদর্শের সঙ্গে মিলিয়ে একাধিক বই প্রকাশ করেছে। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ড্যানিয়েল ফ্রিবার্গ দাবি করেছেন, তিনি ভারতে শতাধিক প্রভাবশালী নেতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই সংস্থার সম্পর্ক রয়েছে ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফ্রন্ট, জার্মানির ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং ইতালির লেগা নর্ড-এর মতো দলগুলির সঙ্গে। 🧠 রুশ দার্শনিক আলেকজান্ডার দুগিন ও হিন্দুত্ববাদ রুশ জাতীয়তাবাদী দার্শনিক আলেকজান্ডার দুগিনকে যেমন মার্কিন ডানপন্থীরা গ্রহণ করেছে, তেমনই হিন্দুত্বপন্থীরাও তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। সম্প্রতি সুইডেনের ডানপন্থী দল Sweden Democrats এবং ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ বেড়েছে। উভয় পক্ষই ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সখ্যতা বাড়াচ্ছে। ⚠️ অন্তর্নিহিত শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ তবে এই সংযোগ মানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ হ্রাস পাচ্ছে—তা নয়। বরং হিন্দুত্বপন্থীদের অন্তর্ভুক্তি একধরনের কৌশলগত ও শর্তাধীন ব্যবস্থা। তারা গ্রহণযোগ্য, যতক্ষণ না শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে। তাই দেখা যায়, রামাস্বামীর মতো কেউ শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের গণ্ডি ভাঙার চেষ্টা করলেই দ্রুত তাঁকে ছেঁটে ফেলা হয়। 🌐 আন্তর্জাতিক সংগ্রাম: হিন্দুত্ববাদ ও ফ্যাসিবাদ পশ্চিমী উদারপন্থীরা যেখানে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদকে সরাসরি আক্রমণ করেন, সেখানেই হিন্দুত্ব নিয়ে প্রায়শই নীরব থাকেন। ভারতকে একটি সহনশীল ও গণতান্ত্রিক সমাজ হিসেবে দেখার প্রবণতা এই দ্বিধার উৎস। এর ফলে হিন্দুত্ববাদ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আরও বৈধতা পেয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডানপন্থার এই নতুন চরিত্র প্রমাণ করে যে ফ্যাসিবাদ কেবল শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি এখন হিন্দুত্বের মতো অ-ইউরোপীয় আন্দোলনের সঙ্গেও জোট বাঁধছে। ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মীয় সংখ্যাগুরু রাষ্ট্রের দাবি এবং উদার গণতন্ত্রকে আক্রমণ—সব মিলিয়ে আধুনিক ফ্যাসিবাদ নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করছে। ✊ প্রগতিশীল শক্তির আন্তর্জাতিক সংগ্রাম প্রগতিশীল শক্তিদের তাই কেবল ইউরোপ বা আমেরিকায় নয়, ভারতেও হিন্দুত্ববাদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রান্তিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদী জোটের মোকাবিলা করতে হবে। কারণ, ডানপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই কোনও একক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি এক আন্তর্জাতিক সংগ্রাম। আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক

আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক

আন্তর্জাতিক ডানপন্থী রাজনীতি ও হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ।

পরিবর্তিত বৈশ্বিক ডানপন্থা

গত এক দশকে বৈশ্বিক ডানপন্থী রাজনীতি আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। একসময় যেখানে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য ও ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদই ছিল মুখ্য, এখন তা বহির্বিশ্বে নতুন মিত্র খুঁজে নিচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী শক্তির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অতি-ডানপন্থী আন্দোলনের যোগসূত্র দ্রুত দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। এই নতুন সমীকরণ আধুনিক ফ্যাসিবাদের চরিত্রকেই পাল্টে দিচ্ছে।

ঐতিহাসিক সংযোগ

এই সম্পর্ক একেবারে নতুন নয়। ২০ শতকের গোড়াতেই হিন্দুত্ব ও ইউরোপীয় ফ্যাসিবাদের মধ্যে ‘আর্য জাতি’র ধারণাকে ঘিরে একটি ভাবাদর্শগত সেতুবন্ধন গড়ে ওঠে। গ্রিক-ফরাসি বংশোদ্ভূত লেখিকা সাভিত্রী দেবী মুখার্জি হিন্দু মিস্টিসিজমকে নাৎসি বর্ণবাদী মতবাদের সঙ্গে মিশিয়ে এই সংযোগ আরও মজবুত করেন।

আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতা

ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা এবং সংখ্যাগুরু ধর্মীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য—এগুলোই উভয় ধারার আন্দোলনের মিলনবিন্দু। পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘুদের সামাজিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয়, আর ভারতে আরএসএস ও বিজেপি নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি মুসলিম, খ্রিস্টান এবং দলিত সম্প্রদায়কে নিশানা বানাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

নরওয়ের আন্ডার্স ব্রেইভিক থেকে স্টিভ ব্যানন পর্যন্ত বহু ডানপন্থী নেতা হিন্দুত্বের প্রশংসা করেছেন। পশ্চিমা দেশগুলিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেতাদের উপস্থিতি এই সহযোগিতাকে আরও জোরদার করছে।

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত | Y বাংলা ডিজিটাল

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্কে তৃণমূল-বিজেপির সংঘাত

আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিজেপির এক বিধায়ক অভিযোগ করেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের কর্মী সমর্থকদের প্রচণ্ড মারধর করেছে। আর এই পুরো ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান এবং মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সাংসদ।” তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের হাজার হাজার গুন্ডা টিকিট না কেটে স্টেশনে ঢুকে পড়েছিল এবং আরপিএফ জওয়ানদের সামনেই আমাদের লোকজনকে মারধর করেছে। এসব ঘটতে দেখেও আরপিএফ চুপ করে দাঁড়িয়েছিল। আমরা গোটা বিষয়টি রেল দপ্তরকে জানাতে চলেছি।”

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপি ও তৃণমূল নেতাদের মধ্যে যখন স্টেশন চত্বরে ধুন্ধুমার চলছিল সেই সময়ের মধ্যে এক্সপ্রেস ট্রেনটির নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় চালক হুইসেল বাজিয়ে ট্রেনটিকে গন্তব্যের দিকে রওনা করেন। এর ফলে মুর্শিদাবাদ স্টেশনে বিজেপির সমর্থকরা ট্রেনের ড্রাইভার বা গার্ডকে সংবর্ধনা দিতে পারেননি। তবে বহরমপুর স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছালে বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর নেতৃত্বে ট্রেনের ইঞ্জিনে ফুলমালা পরানো হয়, নারকেল ফাটিয়ে ও ধূপ-ধুনো দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। সেখানে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি।

অন্যদিকে, বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান। তিনি বলেন, “মুর্শিদাবাদ স্টেশনে কোনও ঘটনাই ঘটেনি। বিজেপি গোটা বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করছে। ট্রেনটি স্টেশনে ঢোকার আগে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আমার সৌজন্যমূলক কথা হয়েছে। বিশেষ ট্রেনটি প্রবেশের পর আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে এসে ইঞ্জিন থামে। স্টেশনে প্রচুর সমর্থক থাকায় বিজেপির কর্মীরা ধাক্কাধাক্কি করে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি।”

তিনি আরও জানান, “আমার এলাকা দিয়ে নতুন ট্রেন যাত্রা করছে। সৌজন্যের খাতিরে ট্রেনের চালক ও গার্ডকে ফুল-মিষ্টি দেওয়ার জন্য স্টেশনে এসেছিলাম। ট্রেনের আধিকারিকরাই আমাকে সবুজ পতাকা নাড়তে বলেছিলেন। আমাদের দলের কোনও কর্মী বা সমর্থক বিজেপির কর্মী বা নেতাকে মারধর করেনি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

মুর্শিদাবাদ স্টেশন বিতর্ক

মুর্শিদাবাদ স্টেশনে সংঘাত নিয়ে তৃণমূল-বিজেপির বক্তব্যের পার্থক্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#মুর্শিদাবাদ #বিজেপি #তৃণমূল #স্টেশনসংঘাত #রাজনীতি #রেল #সংবাদ #Yবাংলা

চাঁপাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

সংবাদ প্রতিবেদন: আপডেট তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ আজ, রবিবার সকালে চাঁপাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরপর তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ছয়টি দোকান। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এলাকার একাধিক দোকানে। আচমকা বিকট শব্দ পেয়ে আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেন স্থানীয়রা। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ছুটে আসে দমকল ও তারকেশ্বর থানার পুলিশ। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেই আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন। তবে স্বস্তির যে দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। জানা গিয়েছে বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন চপের দোকান লাগোয়া দু'টি রেস্তরা, একটি ফুলের দোকান-সহ মোট ছয়টি দোকানে আগুন লেগে যায়। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে দোকানগুলি পুড়ে যায়। তারপরে খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগ ও তারকেশ্বর থানায়। ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে আসে পুলিশ ও দমকল বিভাগের কর্মীরা। একটি ইঞ্জিনের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বিভাগের কর্মীরা। তবে দমকল আসার আগেই কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছয়টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনায় কত পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। স্বস্তির এটাই যে দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। তবে বিশ্বকর্মা পুজোর আগে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ল দোকানের মালিকরা। দমকলের বিভাগের প্রাথমিক অনুমান গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে দোকানে আগুন লেগেছে। তবে কীভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ফাটল গোটা বিষয়টা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও দমকল বিভাগ। meta name="title" content="চাঁপাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ | Y বাংলা ডিজিটাল"> div style="margin-top:25px; padding:20px; background:#f8fbff; border:2px solid #1976d2; border-radius:14px; text-align:center; box-shadow:0 4px 10px rgba(0,0,0,0.08);">

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog