Sample Video Widget

Seo Services

Sunday, 14 September 2025

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ! কাউন্সিলর বনাম নেতা – তোলাবাজি ও জুতোপেটায় উত্তেজনা

আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খড়্গপুরে বিজেপির অন্তর্কলহ

ছবি: খড়্গপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে উত্তেজনার দৃশ্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার সারসংক্ষেপ

পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমতা দাস প্রকাশ্যে দলের সক্রিয় নেতা অশোক সিংহের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে তাঁকে জুতোপেটা করেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কাউন্সিলর প্রথমে অশোক সিংহকে জুতো দিয়ে আঘাত করেন। পাল্টা অশোকও প্রতিবাদ করেন, তবে ক্যামেরার সামনে নিজেকে সামলে নেন।

মমতা দাসের অভিযোগ

মমতা দাস অভিযোগ করেছেন, অশোক সিংহ তাঁকে বারবার অপমান করেছেন এবং রাস্তায় তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছেন। তাঁর ভাষায়, “রাস্তায় বেরোলেই ছেলেদের পিছনে লাগিয়ে দেয়। সে কারণেই আমি প্রতিবাদ করেছি। প্রয়োজনে আবার করব। আমি সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করি, কেউ আমাকে থামাতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, “অশোক সিংহ সমাজবিরোধী, দলীয় নেতা নন। তাঁকে দলের নেতা হিসেবে মানি না।”

অশোক সিংহের পাল্টা বক্তব্য

অশোক সিংহ দাবি করেছেন, ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছ থেকে দোকান বসানোর নামে কাউন্সিলর অর্থ আদায় করতে চাইছিলেন। তিনি বলেন, “আমি প্রতিবাদ করতেই এক দল নিয়ে এসে আমাকে জুতো মারতে চান। পুলিশে অভিযোগ করব এবং দলের কাছে জানাব।” তিনি জানান, ২০২২ সালে নির্বাচনে তিনিই কাউন্সিলরকে সাহায্য করেছিলেন, কিন্তু এখন তিনি ‘অহংকারী হয়ে উঠেছেন’ বলে অভিযোগ করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে রাজ্যে তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। তৃণমূলের বেবি কোলের কাণ্ডের সঙ্গে তুলনা টেনে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে যে বিজেপির সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। জেলা নেতৃত্বের তরফে অরূপ দাস বলেছেন, “আমরা শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। এই ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।” অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা মন্তব্য করেছেন, “অশোক সিংহ নিজেই তোলাবাজ। বিজেপির সংস্কৃতি এটাই।”

ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব

খড়্গপুরের এই ঘটনা বিজেপির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। একদিকে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতাদের সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এটি আলোচনা এবং বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

অশোক সিংহ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের কথা জানিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও ভিডিও যাচাই করে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে মমতা দাস দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দু’পক্ষের মধ্যে সমাধানের পথ বেরোবে কি না তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

উপসংহার

খড়্গপুরের এই ঘটনা প্রমাণ করছে যে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ নয়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক, অর্থনৈতিক লেনদেন, ক্ষমতার লড়াই—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ছে। বিজেপির মতো বড় দলে এই ধরনের ঘটনা বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিতে পারে। আগামী দিনে দলীয় নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়, তা নজর রাখার বিষয়।

আরও আপডেট পেতে নজর রাখুন Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরোতে!

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog