
২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার, বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে আসামের উদালগুড়ি জেলায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল মাত্র ৫ কিলোমিটার, ফলে এর প্রভাব ছিল ব্যাপক। উদালগুড়ি, শোণিতপুর, গোহপুর, নগাঁও, হোজাই, দরং, রঙিয়া, ঢেকিয়াজুলি, বিশ্বনাথ, কাৰ্বি আংলং, নলবাড়ি সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়ির দেয়ালে ফাটল ধরার খবর এসেছে। এছাড়া মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডেও কম্পনের অনুভূতি হয়েছে।
ভূমিকম্পের পরপরই ৪টা ৫৮ মিনিটে ৩.১ মাত্রার, এবং ৫টা ২১ মিনিটে ২.৯ মাত্রার দুটি আফটারশক অনুভূত হয়। আফটারশকগুলোর উৎসস্থল ছিল যথাক্রমে উদালগুড়ি ও শোণিতপুর। এই আফটারশকগুলোর গভীরতা ছিল ৫ কিলোমিটার।
রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (ASDMA) ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের জন্য হেল্পলাইন চালু করেছে। যে নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করা যাবে তা হলো: ১০৭৯, ১০৭০, ৯৪০১০৪৪৬১৭।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভূমিকম্পের পরপরই রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, "রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার একযোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করবে।"
এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা ও আফটারশকগুলোর কারণে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন।
উল্লেখযোগ্য যে, আসাম ভূমিকম্পের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। এখানে ২০২১ সালে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তবে এবারের ভূমিকম্পের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম ছিল।
ভূমিকম্পের পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য জানাতে ASDMA ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন