Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 18 September 2025

অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি ভুয়ো ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি

অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি ভুয়ো ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি

অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি ভুয়ো ভিডিও নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল রাজনীতি

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অসমে বিজেপির ভুয়ো ভিডিও বিতর্ক
অসমে কৃত্রিম মেধায় তৈরি বিজেপির প্রচারিত ভিডিও নিয়ে কংগ্রেসের ক্ষোভ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: অসমের রাজনীতিতে ফের ঝড় তুলল কৃত্রিম মেধা (AI) ব্যবহার করে তৈরি একটি ভিডিও। বুধবার বিজেপি তাদের এক্স-হ্যান্ডলে ভিডিওটি প্রচার করে দাবি করে, যদি বিজেপি না থাকত, তবে অসম মিঞাভূমিতে পরিণত হত। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেস সরব হয় এবং অভিযোগ করে, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে বিভাজনমূলক রাজনীতি করছে।

বিতর্কিত ভিডিওতে কী দেখানো হয়েছে?

ভিডিওটিতে দেখা যায়, পাকিস্তানের পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও গৌরব গগৈ। ভিডিওতে গুয়াহাটি সহ অসমের নানা জায়গায় শুধুমাত্র মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। আরও দেখা যায়, রাস্তায় গোমাংস কাটা হচ্ছে এবং কাঁটাতার সরিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে অসমে।

কংগ্রেসের তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরেই কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, এটি সম্পূর্ণ ভুয়ো ও প্রতারণামূলক। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি এভাবে বিভাজনমূলক ও সাম্প্রদায়িক বার্তা ছড়িয়ে জনমানসে আতঙ্ক তৈরি করতে চাইছে। বৃহস্পতিবার সকালে দিসপুর থানায় এফআইআর দায়ের করবে কংগ্রেসের প্রচার ও আইটি সেল।

বিজেপির কৌশল ও কংগ্রেসের পাল্টা লড়াই

অসমে আগামী নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে মরিয়া। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম মেধার সাহায্যে ভুয়ো কনটেন্ট তৈরি এখন নতুন এক রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠছে। তবে কংগ্রেস এ নিয়ে আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা করায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

অসমের রাজনৈতিক পরিবেশ সবসময়েই সংবেদনশীল। NRC ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে অতীতের বিতর্কের পর আবারও এই ভিডিও নতুন করে বিভাজনের রাজনীতি উস্কে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপি তাদের সমর্থক ঘাঁটি ধরে রাখতে এই ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে, আর কংগ্রেস তা প্রতিহত করতে আইনের শরণাপন্ন হচ্ছে।

কৃত্রিম মেধার অপব্যবহার: বড় প্রশ্ন

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম মেধার ব্যবহার বাড়ছে। তবে এর মাধ্যমে ভুয়ো ভিডিও বা 'ডিপফেক' তৈরি করা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপব্যবহার রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও জনবিশ্বাসকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাঁকুড়ায় ফের দলবদল, বিজেপিতে ফিরলেন তারাপদ পাল

বাঁকুড়ায় ফের দলবদল, বিজেপিতে ফিরলেন তারাপদ পাল | Y বাংলা ডিজিটাল

পদ্মে ফিরলেন দলবদলু, বাঁকুড়ায় ফের বিজেপির ঘরে তারাপদ পাল

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাঁকুড়ায় ফের দলবদল
বাঁকুড়ায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন দলবদলু পঞ্চায়েত সদস্য।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার রাজনীতিতে ফের দলবদলের হাওয়া। ওন্দা ব্লকের চিঙ্গানী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তারাপদ পাল বিজেপিতে ফিরলেন। গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁকে ফের "পদ্ম শিবিরে" স্বাগত জানালেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এর ফলে চলতি মাসে যে তিনজন পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা তিনজনই আবার বিজেপির ঘরে ফিরে এলেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে দলবদল এক পরিচিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঁকুড়ায়ও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিশেষ করে পঞ্চায়েত ভোটের আগে ও পরে একাধিক দলবদল রাজনীতিকে সরগরম করেছে। তারাপদ পাল বিজেপি ছেড়ে কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু সংগঠনের ভিতরে উপযুক্ত গুরুত্ব না মেলায় তিনি ফের পুরোনো দলে ফিরে গেলেন।

গঙ্গাজল ছিটিয়ে ‘ঘরে ফেরা’

বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছেন, “দলকে শক্তিশালী করতে এবং ভুল সিদ্ধান্তের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে তারাপদ পাল গঙ্গাজল ছিটিয়ে আবার আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন।” এই প্রতীকী ‘শুদ্ধিকরণ’ প্রক্রিয়া নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা চলছে। কেউ একে রাজনৈতিক নাটক বলে কটাক্ষ করেছেন, আবার কেউ বলছেন— এটাই বাংলার গ্রামীণ রাজনীতির বাস্তব চিত্র।

বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সমীকরণ

বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপি একসময় শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করেছিল। তবে সম্প্রতি একাধিক নেতা ও কর্মীর তৃণমূলে যোগদান বিজেপির শক্তি কমিয়ে দেয়। কিন্তু তারাপদ পাল সহ তিনজনের পুনরায় বিজেপিতে ফেরা পদ্ম শিবিরকে কিছুটা হলেও শক্তি জোগাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, “এই দলবদল বিজেপির জন্য মনোবল বৃদ্ধি করলেও সংগঠনের ভিতরে স্থিতিশীলতার প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।”

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, “গ্রামাঞ্চলে পঞ্চায়েত স্তরে এই ধরনের আসা-যাওয়া নতুন কিছু নয়। যারা উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন, তারা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেই থাকবেন।” তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি শুধু প্রতীকীভাবে কাউকে দলে নিচ্ছে, বাস্তবে গ্রামীণ স্তরে তৃণমূলের অবস্থান অটুট।

গ্রামবাসীদের প্রতিক্রিয়া

চিঙ্গানী গ্রামে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশ মনে করছেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ের কারণে উন্নয়ন থমকে যাচ্ছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, দলে দলে যোগদানের ফলে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিতে গতি আসতে পারে। তবে একটা জিনিস পরিষ্কার— মানুষ চায় স্থায়ী উন্নয়ন ও পরিষ্কার রাজনীতি, ঘন ঘন দলবদল নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বাঁকুড়ার এই দলবদল রাজনীতি আসলে পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক চিত্রের প্রতিফলন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ও তৃণমূল— দুই দলই নিজেদের ঘর গোছাতে ব্যস্ত। দলবদলের মাধ্যমে শক্তি বাড়ানো এক ধরনের কৌশল। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে সংগঠনকে কতটা স্থায়ী শক্তি জোগাবে তা সময়ই বলবে।

ভবিষ্যতের লড়াই

আগামী দিনগুলোতে বাঁকুড়ায় রাজনৈতিক সমীকরণ আরও পাল্টাতে পারে। বিজেপির পক্ষে বড় চ্যালেঞ্জ হবে— দলবদলুদের ধরে রাখা এবং তৃণমূলের শক্তিশালী গ্রামীণ সংগঠনের মোকাবিলা করা। অন্যদিকে তৃণমূল চাইবে— বিজেপির ‘ঘরে ফেরা’র কৌশলকে ব্যর্থ করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে। ফলে আগামী কয়েক মাসে বাঁকুড়ার গ্রামীণ রাজনীতি আরও চড়ক গরম হবে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

যাদবপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাসপেন্ড SFI নেতা

যাদবপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাসপেন্ড SFI নেতা | Y বাংলা ডিজিটাল

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাসপেন্ড SFI নেতা

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

SFI যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে SFI-র ভেতর নতুন বিতর্ক। (ফাইল ছবি)

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের বিতর্কের ঝড়। ছাত্র সংগঠন SFI-এর এক নেতাকে সংগঠন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, অভিযোগ— একই সংগঠনের এক নেত্রীকে শ্লীলতাহানি করেছেন তিনি। শান্তিনিকেতনে শিক্ষামূলক ভ্রমণের সময় ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক তদন্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের সূচনা

অভিযোগকারিণী নেত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষামূলক ভ্রমণে অংশ নিতে গিয়ে তিনি এক পর্যায়ে ওই নেতার আচরণে অস্বস্তিতে পড়েন। ধীরে ধীরে সেই আচরণ শ্লীলতাহানির পর্যায়ে পৌঁছায় বলে অভিযোগ। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

SFI-র পদক্ষেপ

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মহিলাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ব্যাপারে কোনো আপস করবে না। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযুক্ত নেতাকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে। SFI রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছে, "আমরা চাই না সংগঠনের ভিতরে কোনোভাবেই নারী নেত্রীরা হয়রানির শিকার হোন। সংগঠনের ভেতরে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব।"

পূর্ববর্তী বিতর্কের পুনরাবৃত্তি

এর আগে দমদমের এক নেত্রীর ইস্তফা ঘিরেও শোরগোল হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের স্বীকার হতে হয়েছে, কারণ তিনি সংগঠনের এক নেতার কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এবারের ঘটনাতেও সেই বিতর্কের রেশ আরও তীব্রভাবে উঠে এসেছে। বিশেষ করে ইংরেজি বিভাগে এই ধরনের অভিযোগ বারবার উঠে আসায় প্রশ্ন উঠছে— কেন বারবার একই জায়গায় সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে?

ক্যাম্পাসের প্রতিক্রিয়া

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, প্রাক্তনী এবং শিক্ষকরা ঘটনায় বিস্মিত। অনেকেই বলছেন, SFI দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে প্রগতিশীল ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিযোগে সংগঠনের ভাবমূর্তিতে বড় আঘাত লাগছে। শিক্ষার্থীরা দাবি তুলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক সংগঠনগুলির আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন জানিয়েছে, যদি আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের হয় তবে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে আপাতত সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেক অধ্যাপক বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় যেখানে মুক্তচিন্তার পরিবেশ থাকা উচিত, সেখানে নারী শিক্ষার্থীরা যদি নিরাপদ না বোধ করেন, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

নারী শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

নারী শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাজনৈতিক সংগঠনে সক্রিয় হলে তাদের বারবার একই রকম ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। তাঁদের মতে, সংগঠনগুলির মধ্যে নারী বিরোধী মানসিকতা রোধ না করা গেলে নেতৃত্বে সমান অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

ক্যাম্পাস রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তাই এই ধরনের ঘটনায় শুধু সংগঠনের ভিতর নয়, রাজ্য রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়ে। বিরোধী সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই SFI-কে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। ABVP এবং অন্যান্য সংগঠন বলছে, "নারী নিরাপত্তার কথা বলে SFI যখন পথে নামে, তখন তাদের নিজেদের ভেতরে এ ধরনের কাণ্ড অগ্রহণযোগ্য।"

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ

SFI-র সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল নারী শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। সংগঠনের ভিতরে একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি না করতে পারলে ভবিষ্যতে ছাত্র রাজনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সমাজকেও এগিয়ে এসে নারী বিরোধী মনোভাব রোধে কাজ করতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আমেরিকার শুল্কে ধাক্কা, নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

আমেরিকার শুল্কে ধাক্কা, নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

আমেরিকার শুল্কে ধাক্কা, নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ভারতের রফতানি কমছে আমেরিকায়
আমেরিকায় ভারতীয় রফতানি কমেছে টানা তিন মাস ধরে

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: আমেরিকার নতুন আমদানি শুল্ক কার্যকর হওয়ার জেরে ভারতের রফতানি প্রবল ধাক্কা খেয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা সংস্থা GTRI বুধবার জানিয়েছে, আগস্ট মাসে আমেরিকায় ভারতের রফতানি নেমে এসেছে ৬৭০ কোটি ডলার-এ। যা জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১৬.৩% কম

টানা পতনের ধারা

পরিসংখ্যান বলছে, মে মাসে আমেরিকায় ভারতের রফতানির অঙ্ক ছিল ৮৮০ কোটি ডলার। জুনে তা কমে দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ডলারে। জুলাইয়ে আবারও পতন হয়। আগস্টে এসে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, কারণ সেই সময় থেকে নতুন শুল্ক কার্যকর হয়।

শুল্কের প্রভাব স্পষ্ট

বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগস্টের শেষ দিক থেকে কার্যকর হওয়া চড়া আমদানি শুল্ক রফতানির উপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলেছে। আগে থেকেই কমছিল রফতানি, কিন্তু শুল্কের কারণে সেই ধারা আরও নিম্নমুখী হয়েছে।

ভারতের জন্য সতর্কবার্তা

GTRI জানিয়েছে, আমেরিকা ভারতের অন্যতম প্রধান রফতানি বাজার। এই ধারাবাহিক পতন ভারতের সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যের উপরও প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস ও আইটি সেক্টরে চাপ বাড়বে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | 📈 অর্থনীতি | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর | ⚽ খেলা 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#ভারতের_রফতানি #আমেরিকা_শুল্ক #আন্তর্জাতিক_বাণিজ্য #ExportDecline #USImportDuty #IndianEconomy #GTRI #রফতানি_পতন

বিটিসি নির্বাচন: বিজেপি এবার ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একসঙ্গে নিতে প্রস্তুত

বিটিসি নির্বাচন: বিজেপি এবার ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একসঙ্গে নিতে প্রস্তুত

বিটিসি নির্বাচন: বিজেপি এবার ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একসঙ্গে নিতে প্রস্তুত

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিটিসি নির্বাচনে বিজেপি-ইউপিপিএল-বিপিএফ সমীকরণ
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা বিটিসি নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য রাখছেন

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: অসমের বড়ো স্বশাসিত পরিষদ (BTC) নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা মঙ্গলবার এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, বিজেপি এককভাবে পরিষদ গঠন করতে না পারলেও, ইউপিপিএল (UPPL) ও বিপিএফ (BPF)-কে একত্র করে ক্ষমতা দখল করবে।

বড়ো রাজনীতিতে নতুন দিশা

গত কয়েক মাস ধরে জল্পনা চলছিল, বিজেপি এবার বড়োভূমি দখলে একাই নামবে। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে নেন যে, “বিজেপি এককভাবে পরিষদ গঠনের অবস্থায় না-ও থাকতে পারে।” ফলে দলীয় কৌশল পাল্টে ইউপিপিএল ও বিপিএফকে একত্র করার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি।

ইউপিপিএল ও বিপিএফের ভূমিকা

২০১৫ সাল পর্যন্ত হাগ্রাম মহিলারির বিপিএফ দীর্ঘদিন ধরে বড়োভূমি শাসন করেছে। তবে ২০২০ সালে বিজেপির সাহায্যে ইউপিপিএল ক্ষমতায় আসে। এবার আবারও বিজেপি চাইছে, হাগ্রাম মহিলারি ও প্রমোদ বড়োকে একসঙ্গে নিয়ে বড়ো জনজাতির উন্নয়নের কাজ করতে।

মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, “আমরা চাইছি, BTC অঞ্চলের সার্বিক উন্নতির জন্য দলগত স্বার্থ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে। হাগ্রাম মহিলারি এবং প্রমোদ বড়োর নেতৃত্বকে আমরা এক প্ল্যাটফর্মে আনতে চাই।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি বুঝে গেছে যে বড়োভূমি অঞ্চলে এককভাবে লড়াই করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ভোটের আগে কৌশল পাল্টে জোটের দিকেই ঝুঁকছে তারা। এভাবে বিজেপি নিজের ভোট ব্যাঙ্ক মজবুত করার পাশাপাশি আদিবাসী ভোটও ধরে রাখতে চাইছে।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

এখন দেখার বিষয়, বিজেপি-ইউপিপিএল-বিপিএফ এই ত্রিমুখী সমীকরণ কতটা কার্যকর হয়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কৌশল সফল হলে বড়োভূমির রাজনৈতিক চিত্র পাল্টে যেতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হিলি সীমান্তে মদ পাচার: বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক

হিলি সীমান্তে মদ পাচার: বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক

হিলি সীমান্তে মদ পাচার: বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক

হিলি সীমান্তে আটক বাংলাদেশি
বাংলাদেশ থেকে মদ পাচারের সময় বিএসএফের হাতে ধরা পড়ল দুই অভিযুক্ত, হিলি সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

মদ কিনতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে হিলি সীমান্তে বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক হয়েছে। সোমবার রাতে তাদের হিলি থানার আপ্তৈর এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। ধৃতদের নাম মহম্মদ মিঠু (৩২) ও সবুজ আলি মোল্লা (২২)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তাদের বাড়ি বাংলাদেশের হাকিমপুর থানার ফকিরপাড়া গ্রামে।

পাচার চক্র ও সীমান্ত পেরোনোর কৌশল

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাচারকারীদের সহায়তায় হিলি সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেছিল। এরপর তারা ৩৪ বোতল বিদেশি মদ কিনে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিল। সীমান্ত পার হওয়ার পথে বিএসএফ-এর নজর এড়াতে একটি পুকুরের কচুরিপানার আড়ালে লুকিয়েছিল তারা। রাতের অন্ধকারে কেউ যাতে টের না পায় তাই কালো জামা পড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ল।

পুলিশের অনুমান, তারা চোরাপথে ভারতে ঢুকে মদ কিনে বাংলাদেশে তিনগুণ দামে বিক্রি করত। দীর্ঘদিন ধরে এই কাজের সঙ্গে তারা যুক্ত ছিল। পুলিশের মতে, ধৃতদের সহায়তা করত ভারতের একটি চক্র।

পুলিশি তথ্য: ধৃতদের বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। হিলি থানার পুলিশ ও বিএসএফ খতিয়ে দেখছে আরও কারা জড়িত থাকতে পারে। হিলি থানার আইসি শীর্ষেন্দু দাস জানান, "ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে।"

সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

হিলি সীমান্ত এলাকা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অনুপ্রবেশ ও মদ পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধের ঘটনা কমবে।

স্থানীয় প্রশাসনও স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে, তথ্য সংগ্রহ এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিস এবং বিএসএফ-এর সমন্বিত উদ্যোগ কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

মাদক ও মদ পাচারের প্রভাব

মদ ও অবৈধ মাদক পাচার শুধুমাত্র সীমান্তে নয়, দেশের অভ্যন্তরেও সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো মাদক ও বিদেশি মদ পাচারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এই ধরনের অভিযান সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি অপরাধীদের দমনেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় সামাজিক সচেতনতা এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা এই অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি তদারকি এবং স্থানীয় জনসাধারণের অংশগ্রহণ মিলেই কার্যকর পদক্ষেপ সম্ভব।

#BSF #HiliBorder #Bangladesh #LiquorSmuggling #CrimeNews #YBangla #IndiaBangladeshBorder #LawAndOrder

Wednesday, 17 September 2025

বিহার নির্বাচনের আগে তেজস্বী যাদবের ‘বিহার অধিকার যাত্রা’ এবং আসন সমঝোতার কৌশল

বিহার নির্বাচনের আগে তেজস্বী যাদবের ‘বিহার অধিকার যাত্রা’ এবং আসন সমঝোতার কৌশল

বিহার নির্বাচনের আগে তেজস্বী যাদবের ‘বিহার অধিকার যাত্রা’ এবং আসন সমঝোতার কৌশল

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিহারে ভোট এবং মুখ্যমন্ত্রীর মুখ

বিহারে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে যে কোনও দিন। অষ্টমীর অঞ্জলি সকাল ক'টা থেকে শুরু হবে তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে, আবার পুজোর নতুন জামা পর্যন্ত কেনা হয়নি রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের।

বিহারে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। যদিও বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তেজস্বী যাদব, তবুও তার পদচারণা থেকে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তেজস্বী বলেন, "জনগণই সব। তাঁদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন, কাকে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।"

বিহার অধিকার যাত্রার প্রেক্ষাপট

রাহুল গান্ধীর ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’-র সারথী হিসেবে তেজস্বীকে দেখা গেলেও, বিহারে আলাদা ‘অধিকার যাত্রা’ করার কারণ স্পষ্ট। ৩৮টি জেলার মানুষকে পৌঁছে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য।

সাথে সাথে কংগ্রেসসহ জোট শরিকদের মধ্যে আসন সমঝোতার কৌশল যাচাই করা হচ্ছে। তেজস্বীর বক্তব্য, "এত তাড়া কীসের? জিতলে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তা নিয়ে মহাজোটে কোনও ধন্দ নেই। আসন সমঝোতার কাজ আগে শেষ হোক।"

আসন সমঝোতা এবং অনুকূল-প্রতিকূল আসন

বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস এবার ৭০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়। ‘অনুকূল’ আসন হলো সেই আসন যেখানে তারা পূর্বে জয়ী হয়েছিল বা যেখানে মাত্র ৫ হাজার ভোট ব্যবধানে হেরেছিল। বাকি আসনকে ‘প্রতিকূল’ হিসেবে ধরা হয়।

আরজেডির ৯২টি আসন ‘অনুকূল’, ৭৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল। অতিবাম সিপিআই(এমএল) লিবারেশন ১৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১২টি জিতেছিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

পর্যবেক্ষকদের মতে, তেজস্বী রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ‘ফ্রেন্ডলি ম্যাচ’ খেলছেন, যাতে ফাইনাল ম্যাচে নীতীশকুমারের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়ে নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

এছাড়া জোট শরিকদের মধ্যে আসন সমঝোতার দরকষাকষি চলছে। কংগ্রেসের অনুকূল এবং প্রতিকূল আসনগুলির হিসেব অনুযায়ী এই সমঝোতা করা হচ্ছে।

চিত্র এবং দৃশ্যাবলী

তেজস্বী যাদব বিহার অধিকার যাত্রায়

তেজস্বী যাদব বিহার অধিকার যাত্রায় মানুষের সঙ্গে সংযোগ করছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতায় যুব কংগ্রেসের 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন, চা-পকোড়া-বেচা ও জুতো পালিশের প্রতিবাদ

কলকাতায় যুব কংগ্রেসের 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন, চা-পকোড়া-বেচা ও জুতো পালিশের প্রতিবাদ

কলকাতায় যুব কংগ্রেসের 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন, চা-পকোড়া-বেচা ও জুতো পালিশের প্রতিবাদ

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুব কংগ্রেস প্রতিবাদ কর্মসূচি

ছবিতে: শিয়ালদহ স্টেশনের চত্বরে যুব কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা চা-পকোড়া বেচে ও জুতো পালিশ করে বেকারত্বের প্রতিবাদ করছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জাতীয় বেকারত্ব দিবসের উদযাপন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে যুব কংগ্রেস প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন শহরে 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন করে আসছে। এই বছরের কর্মসূচিতে কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে চা-পকোড়া বিক্রি ও জুতো পালিশ করে বেকারত্বের প্রতিবাদ জানানো হয়। শিক্ষাগত ডিগ্রির প্রতিলিপি ডাস্টবিনে ফেলে যুব কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা ‘বিকল্প রোজগার’ দেখাতে চেষ্টা করেছেন।

কর্মসূচি ও নেতৃত্ব

এই কর্মসূচিতে প্রদেশ যুব কংগ্রেসের নেতৃত্ব কমিটির দুই সদস্য সৌরভ প্রসাদ ও শাহিনা জাভেদ মূল ভূমিকা রাখেন। এছাড়া সর্বভারতীয় যুব কংগ্রেসের তরফে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত এহসান আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা পথ-চলতি মানুষদের কাছে 'ভোট চোর, গদি ছোড়' দাবির সমর্থনে সই সংগ্রহ করেন।

সৌরভ প্রসাদের বক্তব্য

সৌরভ প্রসাদ বলেন, “১৭ সেপ্টেম্বর এক দিকে শিল্পকর্ম ও মেহনতি মানুষের দেবতা বিশ্বকর্মার পুজো, অপর দিকে ভারতের বিশ্ব-অকর্মা প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্মদিন! এই দিনে জাতীয় বেকারত্ব দিবস পালন করে যুব সমাজের বেকারত্বের জ্বালা আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করছি এই কর্মসূচির মাধ্যমে।”

মধ্য কলকাতায় সমান্তরাল কর্মসূচি

মধ্য কলকাতা জেলা যুব কংগ্রেসের আয়োজনে মৌলালিতে একই ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের নেতৃত্ব কমিটির অন্য দুই সদস্য অর্ঘ্য গণ ও কাশিফ বেজা। এতে আরও বিশিষ্ট যুব নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উপসংহার

দেশজুড়ে বেকারত্ব এবং যুবদের কর্মসংস্থানের অভাবকে সামনে রেখে যুব কংগ্রেসের এই প্রতিবাদী উদ্যোগ জনমনে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্প রোজগারের পথ দেখানোর প্রচেষ্টা। কর্মসূচির মাধ্যমে তারা চাইছেন যুব সমাজের সমস্যা এবং সরকারের অবহেলার বিষয়গুলো তুলে ধরতে।

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব পড়েনি

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব পড়েনি

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব পড়েনি

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারত-রাশিয়া তেল আমদানি

ছবিতে: ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বৃদ্ধি করেছে, আমেরিকার শুল্কের পরও।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই মাসের তুলনায় মস্কো থেকে তেল আমদানির হার বেড়েছে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৬ দিনে প্রতি দিন ১৭ লক্ষ ৩০ হাজার ব্যারেল তেল আমদানি করেছে ভারত। তুলনায় জুলাইয়ে এটি ছিল ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার এবং অগস্টে ১৫ লক্ষ ৬০ হাজার ব্যারেল।

ট্রাম্পের শুল্ক এবং হুমকি

রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে কূটনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে উচ্চ শুল্ক চাপিয়েছেন। প্রথম শুল্ক ৩০ জুলাই আর দ্বিতীয় ৬ অগস্টে আরোপিত হয়। তবে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৬ দিনের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, এই শুল্ক চাপ ভারতকে তেল আমদানি থেকে পেছনে ফেলেনি।

চুক্তি এবং সরবরাহের সময়

অপরিশোধিত তেল কেনার চুক্তি সাধারণত সরবরাহের ৬-৮ সপ্তাহ আগে চূড়ান্ত করা হয়। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে যে তেল আমদানি করা হয়েছে, তা মূলত জুলাই শেষ ও অগস্টের শুরুতে চূড়ান্ত হয়েছিল। ফলে শুল্কের প্রভাব তখন তাত্ক্ষণিকভাবে পড়েনি।

বিশ্ববাজারের তথ্য ও বিশ্লেষণ

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানাচ্ছে, ১-১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাশিয়ার বন্দরে ভারতের জন্য প্রতিদিন ১২ লক্ষ ২০ হাজার ব্যারেল তেল ‘লোড’ করা হয়েছে। এছাড়া, কিছু ট্যাঙ্কার মিশরের সৈয়দ বন্দরের দিকে যাচ্ছে, যা পরে ভারতের বিভিন্ন বন্দরে পৌঁছাতে পারে।

বিশ্ববাজারে ভারতের অবস্থান

বর্তমানে রাশিয়ার অশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। ভারত তার পরে রয়েছে। ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনার অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে। তবে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে যেখানে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নেই।

উপসংহার

সেপ্টেম্বর মাসের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের মস্কো থেকে তেল আমদানি কমেনি। যদিও জুলাই-অগস্টে কিছুটা হ্রাস দেখা গেছে, সেটি শুল্কের কারণে নয়। ভারত সর্বদা সবচেয়ে ভাল শর্তে তেল কিনতে আগ্রহী। আন্তর্জাতিক চাপের মাঝেও ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে স্থির রয়েছে।

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের ঢল

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের ঢল

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের ঢল

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

ছবিতে: নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষারত পরীক্ষার্থীরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি

এসএসসির নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন ভিনরাজ্য থেকে অনেক পরীক্ষার্থী পশ্চিমবঙ্গে এসে পরীক্ষা দিচ্ছেন। বিশেষ করে বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে মহিলা পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে চাকরির সুযোগ না থাকায় পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এসেছেন।

মহিলা পরীক্ষার্থীর মন্তব্য

এক মহিলা পরীক্ষার্থী বলেন, “কোনও রাজ্যে চাকরির শূন্যপদ নেই, আমি বারাণসী থেকে এসেছি। মহিলা হয়েও এতদূরে পরীক্ষা দিতে এসেছি। আমি পড়াশুনা করেছি তাই সেই সুযোগের ব্যবহার করব। বাংলায় নিয়োগ বেরিয়েছে তাই আমি এসেছি।”

তিনি আরও বলেন, “উত্তরপ্রদেশ সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে ঠিকমতো মনোযোগ দিচ্ছে না। এই জন্যই ছাত্রদের এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও বলা হলেও ওই রাজ্যে মেয়েদের খুব কষ্ট করতে হচ্ছে। চাকরির জন্য কিছুই নেই ওই রাজ্যে।”

পরীক্ষার দ্বিতীয় ও শেষ পর্যায়

এসএসসির একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। ভিনরাজ্য থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার জন্য হাজির হয়েছেন। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেকেই পরিবার থেকে দূরে থেকে পরীক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সফর করেছেন।

পরীক্ষা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা

পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখা হচ্ছে। তবে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ক্ষতিসাধন বা সুবিধা বঞ্চিত না হওয়ার জন্য প্রশাসন অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে।

উপসংহার

ভিনরাজ্য থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য রাজ্যের অব্যবস্থা ও সুযোগের বৈষম্যকে তুলে ধরেছে। বাংলা রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা বাড়ছে, এবং শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এছাড়া, প্রশাসনের দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়।

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog