Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 20 September 2025

আলিপুরদুয়ারের স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, চাঞ্চল্যে এলাকা

আলিপুরদুয়ারের স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, চাঞ্চল্যে এলাকা

আলিপুরদুয়ারের স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, চাঞ্চল্যে এলাকা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আলিপুরদুয়ার স্কুলে শ্লীলতাহানি অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিক্ষকের গ্রেপ্তারি ঘিরে আলিপুরদুয়ারে চাঞ্চল্য, ছাত্রীদের প্রতিবাদ।

আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের দক্ষিণ সাতালির একটি সরকারি স্কুলে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা। অভিযুক্ত এক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির চার ছাত্রী সরাসরি ১০০ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানোর পর তড়িঘড়ি পুলিশ স্কুলে পৌঁছে তাঁকে আটক করে। লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পর শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়।

অভিযোগ ও গ্রেপ্তারি

অভিযোগকারীরা জানায়, শিক্ষক তাঁদের ডেকে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করেন। বিষয়টি তাঁরা পরিবারকে আগে কিছু জানাননি। পরে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির (CWC) হস্তক্ষেপে পরিবার ঘটনাটি জানতে পারে। CWC চেয়ারপার্সন অসীম বসু জানান, ছাত্রীরা বর্তমানে কাউন্সেলিং-এর মধ্যে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

ছাত্রীদের পাল্টা দাবি

অভিযোগের পরেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ একই স্কুলের শতাধিক ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হয়েছে। শুক্রবার তাঁরা ক্লাস বয়কট করে ‘শিক্ষকের মুক্তি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে স্কুলের বারান্দায় বসে থাকে দীর্ঘক্ষণ। সহ-শিক্ষকরা তাদের ক্লাসে ফেরাতে চেষ্টা করলেও তারা অস্বীকার করে।

অনেক ছাত্রী দাবি করেছে, চার অভিযোগকারীর গুটখা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কয়েকদিন আগে ওই শিক্ষক তাঁদের তিরস্কার করেছিলেন। তার জেরেই তাঁরা মিথ্যে অভিযোগ এনেছে বলে অভিযোগ ছাত্রীদের। অন্যদিকে, অভিযুক্ত চারজন ছাত্রী নিজেদের অবস্থানে অনড়।

স্কুলের ভেতরের পরিস্থিতি

স্কুলের হস্টেল ওয়ার্ডেন জানিয়েছেন, পুরো চত্বর সিসিটিভির আওতায়। তাঁর দাবি, হস্টেলের ভেতরে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় আড়াই বছর ধরে এই স্কুলে কর্মরত। স্কুলে ৩১৫ জন পড়ুয়ার মধ্যে ১৩৫ জন ছাত্রী হস্টেলে থাকে। অভিযোগকারীরা আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার বাসিন্দা।

প্রশাসনের অবস্থান

জেলা স্কুল পরিদর্শক রবিনা তামাং জানিয়েছেন, তাঁর কাছে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি। জেলা শাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সঠিক সত্য উদ্ঘাটনেই তাদের লক্ষ্য।

সমাজে প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্মিত ও হতবাক। একদিকে চারজন ছাত্রী অভিযোগ করছে, অন্যদিকে শতাধিক ছাত্রী শিক্ষককে নির্দোষ বলে দাবি করছে। এতে স্কুলে বিভাজন তৈরি হয়েছে। অভিভাবক মহলেও অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মনে করছেন, তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য না করাই শ্রেয়।

তদন্তে নজর

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যিই কি শিক্ষক দোষী নাকি তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে, তা বলবে তদন্ত। তবে ঘটনার জেরে স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পুজোর মণ্ডপে ভাষা-অপমান ও পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পুজোর মণ্ডপে ভাষা-অপমান ও পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পুজোর মণ্ডপে ভাষা-অপমান ও পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্টার: ডিরেক্ট রিপোর্ট
শ্রীভূমির পুজো উদ্বোধনী মঞ্চে শুক্রবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষা-অপমান ও ভিন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর সংঘটিত নির্যাতনের প্রতিবাদ করে প্রশ্ন তোলেন — 'বাংলা ভাষায় কথা বললেই অত্যাচার করা হবে?'। তিনি একইসঙ্গে মাতৃভাষার মর্যাদা ও সমাজে ঐক্যের গুরুত্বে জোর দেন। 0

বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই হল মূল কথা। না হলে দেশ টুকরো-টুকরো হয়ে যাবে। সকলেই নিজের মাতৃভাষাকে সম্মান করবেন। কিন্তু বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার হচ্ছে — এটা মানা যায় না।" তাঁর এই কড়া মন্তব্যটি সেখানে উপস্থিত উৎসবপরায়ণ মানুষ এবং শ্রমিক সমাজের প্রতি স্পষ্ট সমর্থন ও সতর্কবার্তা হিসেবে দেখানো হলো। 1

মমতা আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলা থেকে লক্ষাধিক পরিযায়ী শ্রমিক ভিন্রাজ্যে কাজ করতে যান এবং তাঁদের দক্ষতার কারণেই তাঁরা টেনে নেওয়া হয়। তিনি সাফ বলেন, "বাংলা থেকে ২২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক ভিন রাজ্যে কাজে যান। তাঁদের ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় — কেন? কারণ তাঁদের দক্ষতা, মেধা রয়েছে।" এই সংখ্যা এবং পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই রাজ্যের নানা জনসাধারণ এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে উদ্বেগ দেখা গেছে। 2

মুখ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী রাজ্যেও অনেক সময়ই ভিন রাজ্য থেকে বহু মানুষ এখানে এসে বসবাস করেছেন; তাঁর বক্তব্যে এমন একবারে স্পষ্ট করা হয় যে রাজ্যে দেড় কোটি বা তার আশপাশে এমন অনিবাসী/অবাঙালি বাস করে—তারা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনও হেনস্থা হওয়া উচিত নয়। তিনি এই দিকটিও উদ্যাপিত করেন যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়া প্রত্যেক গণতান্ত্রিক সমাজের কর্তব্য। 3

সেতানুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে রাজ্যের সবাইকে মিলেমিশে থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন—পুজো সালের আনন্দ, ঐশ্বর্য ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে, পাশাপাশি সমাজে বৈচিত্র্যকে গ্রহণ করতে হবে। পুজো-মহোৎসবকে তিনি এমন সময় হিসেবে উল্লেখ করেন যা মানুষকে একত্রিত করে ও পারস্পরিক সম্মানের বার্তা দেয়। 5

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন বক্তব্য শুধুই সামাজিক সংবেদনশীলতার ইঙ্গিত নয় — এটি রাজ্যের রাজনৈতিক আবহও প্রতিফলিত করে। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, ভাষাভিত্তিক হেনস্থা এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক—এসব ইস্যু অনবরত মিডিয়ায় উঠে আসছে এবং তা ভোট-বহুল রাজনৈতিক অভিসন্ধিও তৈরি করতে পারে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর কল্যাণমূলক নীতি (যেমন শ্রমশ্রী প্রকল্পের মতো উদ্যোগ) এবং মঞ্চে অভিন্ন বাকপ্রয়োগ ঐক্যের বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছে। 6

পুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি মঞ্চে তিনি পুজোর শুভেচ্ছা জানান এবং অভ্যস্ত স্মৃতিচারণ করে বলেন—মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের স্মৃতি জীবন্ত রাখা উচিত। গান-সংস্কৃতি ও পंडাল-আকর্ষণ নিয়েও তিনি কিছু কথা বলেন, মঞ্চে উপস্থিত গায়ক-শিল্পীদের উদ্দেশ্য করে হালকা টোনে মন্তব্য করেন। এই সব সাংস্কৃতিক বিষয়ে তাঁর স্বাভাবিক অন্তর্নিবিশেষ দর্শকপ্রিয়ভাবে ধরা পড়ে। 7

সমাজকর্মী ও পরিযায়ী শ্রমিক প্রতিনিধিরা মঞ্চে এবং পরে টুইট ও সংবাদমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন; তাঁরা বলেন, এমন উর্ধ্বতন কণ্ঠ যদি রাজনৈতিক মহলে থেকে সামাজিক সচেতনতা বাড়ায়, তবে বাস্তব জীবনের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সহায়তা পাওয়া যাবে। একইসঙ্গে নানা সমালোচকও আছেন — যারা বলেন, ভাষা-ভিত্তিক অভিযোগগুলো প্রমাণ করে সমগ্র দেশের সমন্বিত নীতি ও আইন প্রয়োগে দুর্বলতা আছে। 8

অবশ্যই খবরের এই পর্যবেক্ষণে মনে রাখতে হবে — ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্ন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এগুলোতে জনমত সৃষ্টি হওয়ার সময় বিভিন্ন সূত্র ও ঘটনাপঞ্জি যাচাই করা প্রয়োজন। সরকারি ঘোষণাপত্র, স্থানীয় পুলিশ রিপোর্ট ও শ্রমিকদের নিজের বর্ণনা—এসবই মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর উপরও এখানে দায়িত্ব রয়েছে যাতে তথ্য নির্দোষ ও নির্ভরযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা যায়। 9

শেষ পরামে, মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বারবার যে মেসেজটি দিয়েছেন তা ছিল—"প্রত্যেকের নিজস্বতা আছে, সকলের মত পথ আলাদা; কিন্তু সকলে যখন সমবেত হন, তখন একটাই পথ — সেটা ঐক্যের পথ।" পুজোর এই ক্ষুদে পরিসরে সামাজিক সংহতি ও ভাষার মর্যাদা—দুটি বিষয়কেই তিনি একযোগে তুলে ধরেছেন, যা এই মুহূর্তে রাজ্য ও দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে চলেছে। 10

নয়া সচিবালয়ে গোপনীয়তার সংকট, ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় আমলারা

নয়া সচিবালয়ে গোপনীয়তার সংকট, ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় আমলারা

নয়া সচিবালয়ে গোপনীয়তার সংকট, ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় আমলারা

🕒 আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাহ্যিক চাকচিক্য বনাম অন্দরমহলের সমস্যা

নয়াদিল্লির সদ্যনির্মিত অভিন্ন কেন্দ্রীয় সচিবালয় (সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট) ভবন কর্তব্য ভবন ৩ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগে বছরে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার বাড়িভাড়া বাঁচবে। কিন্তু প্রশাসনিক সংস্কারের নামে তৈরি এই নতুন সচিবালয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন একাংশ কেন্দ্রীয় আমলা।

গোপন নথির নিরাপত্তা প্রশ্নে আশঙ্কা

সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস ফোরাম (সিএসএস)-এর অভিযোগ, নতুন ভবনে পদস্থ আধিকারিকদের জন্য আলাদা ঘর বরাদ্দ করা হয়নি। যুগ্মসচিব পর্যায়ের অফিসারদেরও বসতে হচ্ছে খোলা জায়গায়। অথচ তাঁদের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বহু গোপন নথি। এমন পরিস্থিতিতে গোপনীয়তা বজায় রাখা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ফোনালাপেও গোপনীয়তার ভাঙন

আমলাদের একাংশের দাবি, খোলা জায়গায় বসার কারণে অফিসে ফোন রিসিভ করা যায় না। অনেক সময় শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করতে হয়, কিন্তু পাশের সহকর্মীরা শুনে ফেলতে পারেন। তাই তাঁদের বাইরে গিয়ে কথা বলতে হয়, যা গোপনীয়তার জন্য বড় হুমকি।

ভবনের ভেতরে অসন্তোষ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক বলেন, “নতুন ভবনটি বাইরে থেকে চোখ ধাঁধানো। কিন্তু আমরা ভিতরে যারা কাজ করি, একেবারেই সন্তুষ্ট নই। ফোন এলে বাইরে চলে যেতে হয়।”

আর এক আধিকারিকের মতে, “আমাদের কাজের ধরনই এমন যেখানে গোপনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যাঁরা বসার ব্যবস্থা করেছেন, তাঁদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত ছিল।”

প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি

সিএসএস ফোরামের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে সমস্যার কথা। তাদের দাবি, দ্রুত নতুন সচিবালয়ের বসার ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। বিশেষ করে যুগ্মসচিব ও ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের জন্য আলাদা কেবিনের ব্যবস্থা করা জরুরি।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ

প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য এই সচিবালয় তৈরি হলেও, বাস্তবে তা আমলাদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে। সরকারের উচিত হবে, আমলাদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ করা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রেমিকার চলে যাওয়ায় হতাশা, জুবিনের অকাল মৃত্যু! শোকে ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী গরিমা"

জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু: শোকস্তব্ধ স্ত্রী ও অনুরাগীরা

📢 মাত্র ৫২ বছর বয়সেই অকাল মৃত্যু জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গের

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: শুক্রবার সিঙ্গাপুরে স্কুবা ড্রাইভিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান অসমের আইকন জুবিন গর্গ। তার অকাল মৃত্যু পুরো দেশকে শোকস্তব্ধ করেছে।

জুবিন গর্গ ও গরিমা

জুবিন গর্গ এবং স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া

জুবিনের মৃত্যুর খবরে অনুরাগীরা শোকস্তব্ধ। এখনও পর্যন্ত অনেকেই এই দুঃসংবাদ মেনে নিতে পারছেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় গরিমা সাইকিয়ার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি বিধ্বস্ত অবস্থায় বসে রয়েছেন। চোখের জল যেন বাঁধ মানতে চাচ্ছে না।

জুবিনের সংগীত যাত্রা ও জনপ্রিয়তা

জুবিন গর্গ অসমের গর্ব। মাত্র ৫২ বছর বয়সে এই শিল্পীর মৃত্যু পুরো সংগীত জগতকে শোকমগ্ন করেছে। তার কণ্ঠে মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যেত। অ্যালবাম অনামিকামায়া দিয়ে জুবিন নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। ছোট থেকে তিনি সংগীতে পারদর্শী ছিলেন, এবং তার গানের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ প্রেরণা পেত।

শিল্পী হিসেবে তার সাফল্য সীমাহীন। বিভিন্ন মিউজিক ফেস্টিভাল, লাইভ কনসার্ট এবং অনুষ্ঠানগুলোতে তার উপস্থিতি সবসময় আলোচিত হতো।

জুবিন ও গরিমার প্রেমকাহিনি

জুবিন ও গরিমার প্রেমের কাহিনি একেবারেই রূপকথার মতো। এক সাক্ষাত্কারে জুবিন জানিয়েছিলেন, তার একাধিক গার্লফ্রেন্ড ছিল। কিন্তু একদিন এক অনুরাগীর চিঠির মাধ্যমে তার গরিমার সঙ্গে পরিচয় হয়।

গরিমা জুবিনের দুটি অ্যালবাম অনামিকামায়া-এর গভীর ভক্ত ছিলেন। সেই চিঠি থেকেই তাদের প্রেমের সূত্রপাত। প্রেম শুরুর পর জুবিন গরিমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে তাদের সম্পর্কেও ছিল চড়াই-উতরাই।

প্রথমে গরিমার বাবা তাদের সম্পর্ক মেনে নেননি। কিন্তু পরে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে গরিমা চন্দ্রনাথের অস্থির স্বভাবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা অসুবিধা বোধ করেন। তাদের সম্পর্ক কিছু সময়ের জন্য ভেঙে যায়। তবে জুবিন ও গরিমা পুনরায় একে অপরের জীবনে ফিরে আসেন এবং ২০০২ সালে বিয়ে করেন।

দীর্ঘদিনের সঙ্গ ও পারিবারিক জীবন

জুবিন ও গরিমার দাম্পত্য জীবন দীর্ঘদিন ধরে গড়েছিল ভালোবাসা, বিশ্বাস ও সহমর্মিতার ওপর। তাদের সম্পর্কের গল্প আজও বহু অনুরাগীর হৃদয়ে গভীরভাবে মিশে আছে। গরিমা তার স্বামীর মৃত্যুতে বিধ্বস্ত। তাদের দুই সন্তানও এই শোক সহ্য করতে পারছে না।

জুবিনের প্রিয় পোষ্যও তার অনুপস্থিতিতে খুবই কাঁদছে। এই দৃশ্য অনুরাগীদের চোখে আর্শ্চণ্য এবং দুঃখের আবহ তৈরি করেছে।

শোকস্তব্ধ অনুরাগীরা

জুবিনের মৃত্যুর খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনুরাগীরা শোক প্রকাশ করেছেন। বহু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, যেখানে তারা লিখেছেন, "আজ হৃদয় ভেঙে গেছে", "জুবিনের গান সবসময় আমাদের সাথে থাকবে"।

অনেক অনুরাগী তার গানের ভিডিও ও স্মৃতিচারণ শেয়ার করেছেন। অনেকে বলেন, "জুবিনের কণ্ঠ কখনও ভুলে যাওয়া যাবে না। তার গান আমাদের জীবনের অংশ।"

সংগীত জগতের প্রতিক্রিয়া

বাংলা এবং অসমের অন্যান্য শিল্পীরাও জুবিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। কনসার্ট বাতিল এবং স্মরণসভা আয়োজনের মাধ্যমে শিল্পীরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সংগীত বিশ্লেষকরা বলছেন, "জুবিনের কণ্ঠ ও সুরে এক অনন্য মেলোডি ছিল। তার অকাল মৃত্যু সংগীত জগতে এক শূন্যতা তৈরি করেছে।"

জুবিন গর্গের কনসার্ট

জুবিন গর্গের কনসার্টের একটি মুহূর্ত

তার গানের ধারা এবং জনপ্রিয়তা নতুন প্রজন্মকেও প্রভাবিত করেছে। স্কুল, কলেজ এবং মিউজিক ফেস্টিভালে তার গান এখনো শিক্ষার্থীদের প্রিয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোটি কোটি টাকা! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোটি কোটি টাকা! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোটি কোটি টাকা! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি

Y বাংলা ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা (Chandranath Sinha) একসময়ে গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati University) থেকে। পরে ফিজিওথেরাপিতে সাপোর্ট সায়েন্সে ডিপ্লোমাও করেন। কিন্তু যাঁর পড়াশোনার ভিত্তি অঙ্ক, তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের হিসেবেই এখন গোঁজামিলের প্রশ্ন উঠেছে।

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বিপুল সম্পত্তির অভিযোগে আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছছে ইডি (ED)। তাঁকে সাত দিনের হেফাজতে নেওয়ার জন্য শনিবার আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এ ব্যাপারে শুনানির পর রায়দান স্থগিত রেখেছে বিশেষ আদালত। তা ঘোষণা হবে মঙ্গলবার দ্বিতীয়ার দিন।

চন্দ্রনাথ অনুব্রতর একান্ত আস্থাভাজন

চন্দ্রনাথ অনুব্রতর একান্ত আস্থাভাজন বলেই পরিচিত। এ ব্যাপারে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “একজন মাগুর মাছ বেচত আর চাঁদু টাকা গুণত, বোঝা যাচ্ছে দুটোই পাঁকে ডুবে ছিল”।

নগদ টাকার জটিল অঙ্কে সহজ ভুল

ইডি আদালতে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে বোলপুরে চন্দ্রনাথের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪১,০০,০০০ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু এর সঠিক উৎস দেখাতে পারেননি মন্ত্রী। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। যদিও গত ৬ সেপ্টেম্বর চার্জশিট জমা হওয়ার পর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি আংশিক হিসেব দেন।

উদ্ধার হওয়া টাকার মধ্যে মাত্র ১৯ লক্ষের উৎসের কথা দাবি করেন চন্দ্রনাথ। কিন্তু তদন্তকারীরা বলছেন, সেই ১৯ লক্ষেরও স্পষ্ট উৎস নেই। কৃষিকাজ বা রিয়েল এস্টেট থেকে আয় হয়েছে বলে দাবি করলেও তার কোনও নথি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন মন্ত্রী।

পরিবারের অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা

ইডির অভিযোগ, শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ রয়েছে, আয়ের সঙ্গে কর দেওয়ার অঙ্কে বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। এখানেও ভুলভাল অঙ্ক কষেছেন গণিতে স্নাতকোত্তর চন্দ্রনাথ। এমনকি, আয়কর মেটাতে একবার প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা জরিমানাও দিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। কিন্তু সেই অর্থ এল কোথা থেকে, তার কোনও ব্যাখ্যা নেই।

চন্দ্রনাথ সিনহার নগদ টাকা

ইডির অভিযোগ, চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ অর্থ

তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, চন্দ্রনাথ সিনহার নামে একাধিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ইডি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫৯ জন প্রার্থীর কাছ থেকে গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে নেন মন্ত্রী। এতে মোট অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ১২.৭২ কোটি টাকা। কিন্তু এত বিপুল অর্থ কোথায় গেল, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।

সূত্রের খবর, শুক্রবার বীরভূমের কিষাণ মাণ্ডিতে গিয়ে মন্ত্রীর সম্পত্তি ও আর্থিক উৎস নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন তদন্তকারীরা। একাধিক তথ্যও তাঁদের হাতে এসেছে। এখন দেখার, আদালত অন্তর্বর্তী জামিন বহাল রাখে, নাকি মন্ত্রীকে তুলে দেয় ইডির হাতে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

"কোটি কোটি টাকার আয়-সম্পত্তি মিলল না! প্রভাবশালী রাজ্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে চায় ইডি"

চন্দ্রনাথ সিনহা: ইডির তৎপরতা ও বিপুল সম্পত্তি নিয়ে বিস্তারিত

চন্দ্রনাথ সিনহা: ইডির তৎপরতা ও বিপুল সম্পত্তি নিয়ে নতুন তথ্য

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চন্দ্রনাথ সিনহা

চন্দ্রনাথ সিনহা, রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী, ED তদন্তের মুখে

Y বাংলা ব্যুরো: আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন বিপুল সম্পত্তি ও অসহযোগিতার অভিযোগে শনিবার রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে সাত দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছে ইডি। আদালতের রায় অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা না করার বিষয়টি নিয়ে বিচারকও সরাসরি প্রশ্ন করেছেন। ইডি জানতে চেয়েছে, মন্ত্রী যখন আয়কর রিটার্নের তথ্য চেয়েছিল, কেন তিনি তা জমা দেননি এবং তদন্তে অসহযোগিতার কারণ কী।

ইডির দাবিসমূহ ও তদন্তের বিস্তারিত

সূত্রের খবর, আদালতে ইডি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করেছে। অভিযোগ, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন চন্দ্রনাথ। ২০১৬ সালের শেষের দিকে তিনি বিপুল অঙ্কের নগদ টাকা গ্রহণ করেছেন। ২০২৪ সালে বোলপুরে মন্ত্রীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪১ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়। তবে, মাত্র ১৯ লক্ষের হিসেব দেখাতে পেরেছেন তিনি।

তদন্তকারীদের দাবি, ওই ১৯ লক্ষ টাকার উৎসও স্পষ্ট নয়। মন্ত্রী জানিয়েছেন যে অর্থ এসেছে কৃষি কাজ ও রিয়েল এস্টেট থেকে, কিন্তু কোনও নথি দেখাতে পারেননি। ইডির অভিযোগ, মন্ত্রীর স্ত্রী ও দুই ছেলের অ্যাকাউন্টেও বিপুল অঙ্কের টাকা জমা আছে।

চার্জশিট ও অতিরিক্ত তথ্য

চার্জশিটের ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পাতায় উল্লেখ আছে, মন্ত্রী আয়কর মেটাতে ৯০ লক্ষ টাকা জরিমানা দিয়েছিলেন। তবে সেই অর্থ কোথা থেকে এল, তা স্পষ্ট নয়। আয়কর রিটার্ন ও প্রকৃত আয়ের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।

মন্ত্রীর নাম প্রথম উঠে আসে বহিষ্কৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের জবানবন্দিতে। এরপর ইডি চন্দ্রনাথের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে বড়সড় লেনদেনের হদিস পায়। অভিযোগ, প্রায় ১৫৯ জন প্রার্থীর কাছ থেকে গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে, মোট অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১২.৭২ কোটি টাকা।

আদালত ও মন্ত্রীর পরবর্তী পদক্ষেপ

সূত্রের খবর, শুক্রবার বীরভূমের কিষাণ মাণ্ডিতে মন্ত্রীর সম্পত্তি ও আর্থিক উৎস নিয়ে খোঁজখবর নেয়া হয়েছে। এখন দেখার, আদালত অন্তর্বর্তী জামিন বহাল রাখে নাকি মন্ত্রীকে ইডির হেফাজতে তুলে দেয়।

তদন্তে অসহযোগিতা ও সরকারের প্রতিক্রিয়া

ইডি অভিযোগ করছে, চন্দ্রনাথ সিনহা শুধু নিজেই নয়, তার পরিবারও বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল সম্পদ জমা করেছেন। আয়কর রিটার্নের তথ্য জমা না দেওয়া, নগদ অর্থের উৎস প্রমাণ করতে না পারা, এবং চার্জশিটে উল্লেখিত অর্থের যথাযথ ব্যাখ্যা না দেওয়া এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ দিক।

প্রসঙ্গত, মন্ত্রীর এই আচরণ নিয়ে রাজ্য সরকারেরও উদ্বেগ রয়েছে। প্রশাসনিক মহল মনে করছে, তদন্তে সহযোগিতা না করলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নাও হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন জিএসটি হারের সুবিধা, খাদ্য ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সস্তা হবে

২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন জিএসটি হারের সুবিধা, খাদ্য ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সস্তা হবে

২২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন জিএসটি হারের সুবিধা, খাদ্য ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সস্তা হবে

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সরকার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সাধারণ নাগরিকদের জন্য নতুন জিএসটি হারের সুবিধা দিতে চলেছে। নতুন হারের কার্যকর হওয়ার পর খাদ্য, পানীয়, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, স্বাস্থ্য বিমা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। এমনকি এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, গাড়ি ও বাইকের দামও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জিএসটি কাউন্সিল ৩ সেপ্টেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এখন জিএসটি মাত্র দুটি স্ল্যাব - ৫% এবং ১৮% - এ বিভক্ত। পূর্বের ১২% ও ২৮% স্ল্যাবগুলো বাতিল করা হয়েছে।

নতুন জিএসটি স্ল্যাবের বিস্তারিত

  • ৫% স্ল্যাব: ১২% স্ল্যাবের অধিকাংশ পণ্য এখন এই স্ল্যাবে স্থানান্তরিত। এতে খাদ্যপণ্য যেমন: দুধ, ডিম, আটা, চাল, চিনি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য অন্তর্ভুক্ত।
  • ১৮% স্ল্যাব: ২৮% স্ল্যাবের বেশি দামের পণ্য যেমন এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, ফ্রিজ, গাড়ি ও বাইক এখন এই স্ল্যাবে এসেছে।
  • ০% হার: ৩৩টি জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, অক্সিজেন এবং স্বাস্থ্য বিমার ওপর জিএসটি হার শূন্যে নেমেছে।

জীবনরক্ষাকারী ওষুধের উপর প্রভাব

স্বাস্থ্য খাতের সুবিধা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত অক্সিজেন, শল্য চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম এবং ৩৩টি ওষুধ এখন জিএসটি মুক্ত। অর্থাৎ এগুলো শূন্য হারে পাওয়া যাবে। এর ফলে দেশের প্রান্তিক মানুষরাও সহজে ওষুধ কিনতে পারবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

খাদ্যপণ্যের দাম কমবে

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মধ্যে যেমন: চিনি, আটা, চাল, ডাল, দুধ, ডিম, সবজি এবং কিছু প্রস্তুত খাদ্যপণ্য নতুন হারের আওতায় সস্তা হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন বাজার খরচ কমিয়ে আনার সুযোগ পাবেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রামীণ থেকে শহুরে এলাকায় বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে।

গৃহস্থালি ও বিলাসী পণ্যের দাম কমবে

১২% থেকে ৫% স্ল্যাবের পরিবর্তনের ফলে সাধারণ গৃহস্থালি পণ্যের দাম কমবে। ২৮% থেকে ১৮% স্ল্যাবের পরিবর্তনের ফলে বিলাসী পণ্যের দামও কমবে। এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের দাম হ্রাস পাবে। গাড়ি ও বাইকের দামও নতুন হারের প্রভাবে কমে যাবে।

স্বাস্থ্য বিমা প্রিমিয়াম কমবে

স্বাস্থ্য বিমার ওপরও জিএসটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য বিমা গ্রহণকারী ব্যক্তি বা পরিবারদের জন্য প্রিমিয়াম কমে যাবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্বাস্থ্যসেবার খরচ হ্রাসে সহায়ক হবে। সরকার জানিয়েছে, এই সুবিধা দেশের প্রান্তিক মানুষও পাবেন।

নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব

নতুন জিএসটি হারের প্রয়োগের ফলে নাগরিকরা দৈনন্দিন জীবনে সাশ্রয়ী বাজার খুঁজে পাবেন। খাদ্য, ওষুধ, স্বাস্থ্য বিমা এবং গৃহস্থালি পণ্যের দাম কমে যাওয়ার ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এটি বড় সুবিধা।

বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব

নতুন হারের প্রয়োগের ফলে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে। ব্যবসায়ীরা সাময়িকভাবে পণ্যের দাম কমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাজারে সস্তা পণ্য পাওয়ার ফলে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়বে এবং বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সার্বিক প্রভাবের সংক্ষেপ

  • নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম কমবে।
  • জীবনরক্ষাকারী ওষুধ এবং স্বাস্থ্য বিমা সস্তা হবে।
  • গৃহস্থালি ও বিলাসী পণ্যের দাম কমবে।
  • এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, গাড়ি ও বাইকের দাম কমে যাবে।
  • গ্রামীণ ও শহুরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
  • বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে, বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভারতের নির্বাচন কমিশনের ‘বিশেষ সাফাই অভিযান’। প্রতীকী ছবি।

রাজনৈতিক দলগুলির তালিকায় ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’! নির্বাচন কমিশনের বড় পদক্ষেপ

রাজনৈতিক দলগুলির তালিকায় ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’! নির্বাচন কমিশনের বড় পদক্ষেপ

নির্বাচন কমিশনের প্রতীকী ছবি

ভারতের নির্বাচন কমিশনের ‘বিশেষ সাফাই অভিযান’। প্রতীকী ছবি।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতের নির্বাচন কমিশন এবার রাজনৈতিক দলগুলির তালিকায় ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালাল। ভোটার তালিকা সংস্কারের পাশাপাশি, নিষ্ক্রিয় দলগুলিকেও তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কাজ শুরু করেছে কমিশন। গত ছ’ বছরে কোনও নির্বাচনে অংশ না নেওয়া দলগুলিকেই এই তালিকা থেকে সরানো হচ্ছে।

৮০৮ দল তালিকা থেকে বাদ

জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জুন মাস থেকে শুরু হয়েছে এই বিশেষ ‘সাফাই অভিযান’। প্রথম দফায় ৯ অগস্টে বাদ দেওয়া হয় ৩৩৪টি দল। দ্বিতীয় দফায় ১৮ সেপ্টেম্বর আরও ৪৭৪ দল বাদ পড়ে। এই দুই দফায় মোট ৮০৮টি দলকে সরানো হয়েছে। এগুলিকে বলা হচ্ছে ‘রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজড পলিটিক্যাল পার্টি’ (RUPP)

কোন রাজ্যে কত দল বাদ?

দ্বিতীয় দফার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশে বাদ গেছে সর্বাধিক ১২১টি দল। এরপর রয়েছে মহারাষ্ট্রে ৪৪টি, তামিলনাড়ুতে ৪২টি, দিল্লিতে ৪০টি, পাঞ্জাবে ২১টি, মধ্যপ্রদেশে ২৩টি, বিহারে ১৫টি, রাজস্থানে ১৭টি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ১৭টি দল।

আইনের ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ

১৯৫১ সালের রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অ্যাক্ট-এর ২৯ এ ধারায় রাজনৈতিক দলগুলির রেজিস্ট্রেশন করা হয়। রেজিস্টার্ড হলে দলগুলি নির্বাচনী প্রতীক, কর ছাড়সহ একাধিক সুবিধা পায়। তবে নিয়ম অনুযায়ী, টানা ছ’ বছর ভোটে না নামলে কোনও দল তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

নজরে আরও ৩৫৯ দল

কমিশন সূত্রে খবর, বর্তমানে আরও ৩৫৯টি রাজনৈতিক দল নজরদারিতে আছে। এরা নির্বাচনে অংশ নিলেও গত তিন বছরে বার্ষিক অডিট রিপোর্ট ও নির্বাচনী খরচের রিপোর্ট জমা দেয়নি। এই দলগুলিকে শো-কজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। শুনানির পর কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার লক্ষ্য

নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা আনাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য। কারণ, বহু রাজনৈতিক দল শুধু কাগজে কলমে থেকে গিয়েছে, বাস্তবে কোনও কার্যকলাপ ছিল না। এতে শুধু প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ছিল।

📅 আপডেট: 20 সেপ্টেম্বর 2025

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দিল্লির স্কুলে ফের বোমাতঙ্ক, অভিভাবক ও পড়ুয়াদের মধ্যে চাঞ্চল্য

দিল্লির স্কুলে ফের বোমাতঙ্ক, অভিভাবক ও পড়ুয়াদের মধ্যে চাঞ্চল্য

দিল্লির স্কুলে ফের বোমাতঙ্ক, অভিভাবক ও পড়ুয়াদের মধ্যে চাঞ্চল্য

Y বাংলা প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বোমাতঙ্ক দিল্লিতে। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই এই নিয়ে প্রায় তিনবার বোমাতঙ্কের ঘটনা ঘটেছে রাজধানীতে। এরমধ্যে দু’বারই নিশানায় ছিল বিভিন্ন স্কুল। জানা গিয়েছে, শনিবার দ্বারকার দিল্লি পাবলিক স্কুল, কৃষ্ণ মডেল পাবলিক স্কুল এবং সর্বোদয় পাবলিক স্কুলে ছড়ায় বোমাতঙ্ক। এছাড়াও দিল্লির নজফগড় এলাকার কিছু স্কুলেও বোমা হামলার হুমকি আসে।

স্কুলগুলিতে সেই সময়ে পরীক্ষা চলায় ভিড় ছিল কচিকাঁচাদের। এর মধ্যেই বোমা হামলার হুমকি চাঞ্চল্য ছড়ায় আভিভাবক এবং পড়ুয়াদের মধ্যে। জানা গিয়েছে শনিবার সকাল ৬.৩০ মিনিটে নজফগড়ের একটি স্কুল থেকে দিল্লির ফায়ার সার্ভিসের কাছে প্রথম ফোন আসে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই স্কুল থেকে কর্মীদের সরিয়ে আনা হয়। পরীক্ষা থামিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় পড়ুয়াদের। পুলিশের তরফ থেকে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাস থেকে বারবার বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছে দিল্লি-এনসিআর এলাকায়। যদিও সব বোমাতঙ্কই পরবর্তীকালে ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। গত আট মাসে প্রায় ১৫০ স্কুল এবং কলেজে বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়। ভুয়ো বোমাতঙ্কের হাত থকে নিস্তার পায়নি বিভিন্ন হোটেল এবং দিল্লি হাই কোর্টও। এই মাসের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় ও মৌলানা আজাদ মেডিক্যাল কলেজ উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল আসে। গত সপ্তাহে দিল্লি হাইকোর্টেও বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপরেই আদালত চত্তরে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। শুনানি স্থগিত রাখা হয়। পাশাপাশি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিচারক, আইনজীবী, মামলাকারী এবং কর্মীদের আদালত চত্তর থেকে থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

দিল্লির স্কুলগুলিতে বারবার বোমা হামলার হুমকি আসায় প্রশাসনের তরফে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে স্কুলগুলিকে নিরাপদ করার জন্য সরকারের তরফে নতুন নিরাপত্তা বিধি তৈরি করা হয়েছে। স্কুলগুলিকে বেশি মাত্রায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো, নিয়মিত বোমাতঙ্ক সামলানোর মহড়া, নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিয়মিত পরীক্ষা এবং জরুরি অবস্থায় প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

🗓 আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

📢 এই খবরটি শেয়ার করুন

👍 Facebook 💬 WhatsApp 📢 Telegram

কুড়মি বিক্ষোভে ঝাড়খণ্ডে ট্রেন রুখল, ঘুরপথ ও বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন

কুড়মি বিক্ষোভে ঝাড়খণ্ডে ট্রেন রুখল, ঘুরপথ ও বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন

ইয়াভা ফারিয়া: ঝাড়খণ্ডে কুড়মিদের রেল অবরোধ, ট্রেন বাতিল ও ঘুরপথে চালানো

পুরুলিয়া: তফসিলি জনজাতি তকমার দাবিতে ঝাড়খণ্ডে কুড়মিরা ধানবাদের চন্দ্রপুরা স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকেই চলমান এই বিক্ষোভের কারণে একাধিক ট্রেন বাতিল ও ঘুরপথে চালানো হয়েছে।

ঝাড়খণ্ডে কুড়মি বিক্ষোভ

ছবি: ঝাড়খণ্ডে কুড়মি বিক্ষোভে ধানবাদের চন্দ্রপুরা স্টেশন অবরুদ্ধ।

ঘুরপথ ও বাতিল ট্রেনের বিবরণ

বিক্ষোভের কারণে বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্ব মধ্য রেলওয়েতে ধানবাদ ডিভিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী কুর্মি সমাজের বিক্ষোভের কারণে কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হয়েছে:

  • ১২০১৯ হাওড়া-রাঁচি শতাব্দী এক্সপ্রেস: আসানসোল-জয়চণ্ডী পাহাড়-রাঁচি হয়ে চলাচল।
  • ২২৩০৩ হাওড়া-গয়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: আসানসোল-ঝাঝা-কিউল-গয়া পথে ডাইভার্ট।
  • ০৯৪৩৮ শিয়ালদহ-গান্ধীধাম এক্সপ্রেস বিশেষ: আসানসোল-ঝাঝা-কিউল-গয়া পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
  • ১৩৫৫৩ আসানসোল-বারানসী এক্সপ্রেস: যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
  • ১৩৩১৯ দুমকা-রাঁচি এক্সপ্রেস: বরাকরে যাত্রা শেষ করবে।
  • ১৩৫০৩ বর্ধমান-হাতিয়া মেমু এক্সপ্রেস: যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

পুরুলিয়া-জঙ্গলমহলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক

ঝাড়খণ্ডে অবরোধ থাকলেও সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত জঙ্গলমহলের চার জেলা – পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে রেল চলাচল স্বাভাবিক ছিল। জাতীয় ও রাজ্য সড়ক এবং গ্রামীণ পথেও কোনো অবরোধের খবর পাওয়া যায়নি। রাত থেকেই বিভিন্ন স্টেশন ও সড়কে রেল ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পুরুলিয়া এক্সপ্রেস এবং রাঁচি-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নির্দিষ্ট সময়ে স্টেশন থেকে রওনা দিয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী কুড়মিদের এই আন্দোলন অসাংবিধানিক। বাংলা প্রশাসন পরিস্থিতি রুখতে তৎপর।

আপডেট তারিখ: 20 সেপ্টেম্বর 2025

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog