Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 27 September 2025

চতুর্থীর সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে শোরগোল: সজল ঘোষ অভিযোগ — পুজো বন্ধের পরিকল্পনা আছে?

চতুর্থীর সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে শোরগোল: সজল ঘোষ অভিযোগ — পুজো বন্ধের পরিকল্পনা আছে?
Y বাংলা ডিজিটাল
সংবাদ ডেস্ক

চতুর্থীর সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে শোরগোল: সজল ঘোষ অভিযোগ

প্রকাশিত: 27 সেপ্টেম্বর, 2025  |  লেখক: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক  |  এলাকা: শিয়ালদহ
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো-এ ব্যারিকেড ও ভিড়
ফটো: পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা—স্থানীয়রা। (ছবিটি প্রতিনিধি তোলা)

চতুর্থীর সন্ধ্যায় বিজেপি নেতা সজল ঘোষের একটি পোস্ট ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, "পুজো বন্ধ করার প্ল্যান চূড়ান্ত। জনমতই একমাত্র পথ।" সজল ঘোষ দাবি করেছেন, চক্রান্ত করে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে — এবং তাঁর কথায়, এর পিছনে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতারা রয়েছেন।

সজল ঘোষের বক্তব্য (সারাংশ):
  • শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর জুড়ে পুলিশ যত্রতত্র ব্যারিকেড করেছে এবং এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।
  • ব্যারিকেডের কারণে দর্শনার্থীরা পুজো মণ্ডপে এসে পৌঁছাতে পারছেন না; গাড়ি ঢুকতে পারছে না।
  • উদ্দেশ্য হলো দর্শনার্থীরা বিরক্ত হয়ে মণ্ডপ থেকে মুখ ঘুরিয়ে অন্য পথ নেওয়া — যাতে পুজো দর্শনার্থাহীন দেখা যাক।

সজল ঘোষ ফেসবুকে অভিযোগের সাথে বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যায়—পুলিশ রাখা বাঁশের ব্যারিকেড ভেঙে ভিড় প্রবেশের চেষ্টা করছে। TV9 বাংলাকে তিনি বলেন, "পুরো এলাকা ব্যারিকেড করে দিয়েছে। মাঠের গেট পর্যন্ত গাড়ি চলে আসছিল। সাংবাদিকরাও ঢুকতে পারবে না। শিয়ালদহের কোনও জায়গা থেকে লোক আসতে পারছে না। যাঁরা ব্যারিকেড গলে বেরিয়ে আসছেন, তাঁদের মধ্যেই কেবল ঢুকতে পারছেন। ওরা বন্ধ করবে না, ওরা ফোর্স করবে, যাতে বন্ধ হয়ে যায়।"

এদিকে, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর থিম এইবার রাখা হয়েছে 'অপারেশন সিঁদুর' — এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মণ্ডপের থিম সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও দেখা যাচ্ছে। সজল ঘোষ আগ থেকেই জানান, প্রশাসন তাঁকে একাধিকবার নোটিস পাঠিয়েছে।

পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি করা হয়েছে প্রশাসনের চাপের কারণে তাঁরা বাধ্য হয়েই পুজো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের ভিত্তি ও প্রশাসনের পক্ষের মন্তব্য পাওয়া যাওয়া মেলেনি; রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, কাছাকাছি দেশপ্রিয় পার্কের পুজো মণ্ডপেও দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কমিটির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে—মণ্ডপের প্রবেশ পথের মাটির একাংশ ধসে গিয়েছে; বড় দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।

কী ঘটেছে (সংক্ষেপে):
  1. সজল ঘোষ অভিযোগ করেছেন প্রশাসন-রাজনীতির যোগসাজশে পুজো বন্ধের প্রচেষ্টা চলছে।
  2. শিয়ালদহ চত্বর জুড়ে ব্যারিকেড—দর্শক ও গাড়ি প্রবেশ বাধাগ্রস্ত।
  3. পুজো উদ্যোক্তা ও সংলগ্ন মণ্ডপ থেকে ভিন্ন ভিন্ন দাবি — প্রশাসনের চাপ বনাম মাটির ক্ষয়ের কারণ।
#সন্তোষমিত্রস্কোয়ার #সজলঘোষ #পুজো #ব্যারিকেড #অপারেশনসিঁদুর
আপডেট: 27 সেপ্টেম্বর, 2025 — যদি প্রশাসন বা পুজো কমিটির তরফে কোনো নোটিশ বা বিবৃতি পাওয়া যায়, সেটি প্রতিবেদনে যোগ করা হবে।
© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল — কপি রাইট মুক্ত রিপোর্ট (প্রয়োজনে সম্পাদনা করে প্রকাশের জন্য ব্যবহার করতে পারেন)।

ভারত সুপার ওভারে জয়ী — ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা

ফ্ল্যাশ নিউজ: ভারত সুপার ওভারে জয়ী — ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা | YNews
ফ্ল্যাশ

ভারত সুপার ওভারে জয়ী — ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা

আপডেট: 27 সেপ্টেম্বর 2025, 02:37 IST • উৎস: YNews ডিজিটাল ডেক্স
ভারত — প্রথম ইনিংস
TOTAL: 202/5
  • অভিষেক: ৬১
  • তিলক: ৪৯* (নট আউট)
  • থিকসানা: ৩৬/১ (অবদান)
শ্রীলঙ্কা — প্রথম ইনিংস
TOTAL: 202/5
  • নিসঙ্কা: ১০৭
  • কুশল: ৫৮
  • হার্দিক: ৭/১
সুপার ওভার ফলাফল
শ্রীলঙ্কা: ২/২
ভারত: ৩/০
✅ ফলাফল: সুপার ওভারে ভারতের জয়।
এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ওভারে ভারতের জয় | Y বাংলা ডিজিটাল

এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ওভারে ভারতের জয়

🗓️ আপডেট: 27 সেপ্টেম্বর 2025 | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচ
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার রুদ্ধশ্বাস লড়াই

খাতায়-কলমে এশিয়া কাপের নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের জয়টা কিন্তু সহজ হয়নি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াই, ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে। অভিজ্ঞতার জোরে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিলেও সামনে উঠে এল একগুচ্ছ প্রশ্ন। বিশেষ করে হর্ষিত রানার বোলিং পারফরম্যান্সকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ক্রিকেট মহলে।

অভিষেক শর্মার ঝড়ো ইনিংস

ভারতের ইনিংসে একাই ছন্দ এনে দেন অভিষেক শর্মা। শুভমান গিল মাত্র ৪ রান করে আউট হয়ে গেলে চাপ পড়ে ভারতের ওপর। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (১২) আবারও ব্যর্থ হন। কিন্তু অভিষেক দেখালেন তার ক্লাস। ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় মাত্র ৩১ বলে ৬১ রান করেন তিনি। তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৯৬.৭৭, যা দলকে ভরসা জোগায়।

অভিষেকের আউটের পর দায়িত্ব নেন সঞ্জু স্যামসন ও তিলক বর্মা। সঞ্জু খেললেন ৩৯ রানের ইনিংস, তিলক অপরাজিত থাকলেন ৪৯ রানে। অক্ষর প্যাটেলও শেষদিকে দ্রুত ২১ রান যোগ করেন। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত ৫ উইকেটে তোলে ২০২ রান, যা এবারের এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ দলীয় রান।

নিসঙ্কার দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

অপ্রতিরোধ্য নিসঙ্কা একাই ভারতকে চাপে ফেলে দেন। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি ছক্কা-চারে রীতিমতো দাপট দেখান। কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তীকে সামলে তুলে নেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত তিনি ১০৭ রান করেন। তাঁর সঙ্গে কুশল পেরেরা যোগ করেন ৫৮ রান। এই জুটিই ভারতের জন্য বিপদ ডেকে আনে।

তবে ভারতের স্পিনাররা সঠিক সময়ে জ্বলে ওঠেন। কুশলকে বরুণ ফেরান। শেষদিকে নিসঙ্কাকে থামান হর্ষিত রানা, যিনি আগের ওভারগুলোতে প্রচুর রান বিলিয়েছিলেন। নিসঙ্কার উইকেটেই ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়।

হর্ষিত রানা নিয়ে বিতর্ক

গৌতম গম্ভীরের আস্থাভাজন হর্ষিত রানা এদিন একেবারেই তাল হারিয়ে ফেলেন। লাইন-লেংথের কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তাঁর কোনটা বাউন্সার, কোনটা শর্টপিচ হবে—তা ব্যাটাররা আগেই বুঝে ফেলছিলেন। ফলে প্রথম তিন ওভারেই দেন ৪৪ রান। অর্শদীপ সিংকে বসিয়ে রেখে তাঁকে খেলানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রবলভাবে।

তবে শেষ ওভারে নাটকীয়ভাবে হিরো হয়ে ওঠেন হর্ষিত। শ্রীলঙ্কার জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১২ রান। প্রথম বলেই ফেরান সেঞ্চুরিয়ান নিসঙ্কাকে। এরপর শ্রীলঙ্কা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়।

সুপার ওভারের রোমাঞ্চ

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু মাত্র ২ রানেই সীমাবদ্ধ থেকে যায় তারা। ভারতীয় বোলাররা সঠিক জায়গায় বল করে চাপ সৃষ্টি করেন। আম্পায়ারের এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েও হইচই পড়ে যায়। দাসুন শনাকা প্রথমে ক্যাচ আউট হন, পরে রান আউট। রিভিউতে দেখা যায় ক্যাচ হয়নি। যেহেতু বল ‘ডেড’ ঘোষণা হয়েছিল, তাই রান আউটও দেওয়া হয়নি।

তবুও ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় ম্যাচ। অর্শদীপ সিং তুলে নেন দুটি উইকেট। এরপর ভারতীয় ব্যাটাররা প্রথম বলেই প্রয়োজনীয় রান তুলে জয় নিশ্চিত করে।

✅ ফলাফল: ভারত ২০২/৫ (অভিষেক ৬১, তিলক ৪৯*)
শ্রীলঙ্কা ২০২/৫ (নিসঙ্কা ১০৭, কুশল ৫৮)
সুপার ওভার: শ্রীলঙ্কা ২/২ | ভারত ৩/০
জয়ী: ভারত 🇮🇳

ফাইনালের আগে শিক্ষা

ভারত ইতিমধ্যেই ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, যাদের আগের দুই ম্যাচেই হারিয়েছে সূর্যরা। তবে এই ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার জন্য স্পষ্ট বার্তা দিয়ে গেল—আত্মবিশ্বাস যেন আত্মতুষ্টিতে না বদলায়। ক্যাচ মিস, ফিল্ডিং ত্রুটি ও বোলিংয়ের দুর্বলতা আবারও ধরা পড়েছে। বুমরাহ ও শিবম দুবে ছাড়া বোলিং আক্রমণ অনেকটাই দুর্বল মনে হয়েছে।

গম্ভীরের টিম ম্যানেজমেন্ট এখন বুঝে গেছে, শুধু ব্যাটিং নয়, বোলিং ও ফিল্ডিংয়েও সমান মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। না হলে ফাইনালে পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Friday, 26 September 2025

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাক—ওয়াকফ সংশোধনীবিরোধী দেশব্যাপী বনধ ৩ অক্টোবর

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাক—ওয়াকফ সংশোধনীবিরোধী দেশব্যাপী বনধ ৩ অক্টোবর

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাক — ওয়াকফ সংশোধনীবিরোধী দেশব্যাপী বনধ ৩ অক্টোবর

ওয়েব ডেস্ক • আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডেক্স
ওয়াকফ বিক্ষোভ
ছবি: প্রতিবাদী সমাবেশ (প্রতীকী)।
সংক্ষিপ্ত বুলেট:
  • এআইএমপিএলবি ৩ অক্টোবর ২০২৫ দেশব্যাপী বনধের ডাক দিয়েছে।
  • অফিস ও দোকান সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার আহ্বান।
  • হাসপাতাল ও জরুরি পরিষেবা ছাড়।
  • এই পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর অন্তর্বর্তী আদেশের পর নেওয়া।

ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি) তাদের আন্দোলন তীব্র করেছে এবং ৩ অক্টোবর, ২০২৫ শুক্রবার দেশব্যাপী বনধ (ভারত বন্ধ) ডেকেছে। ল’বোর্ডের বিবৃতি অনুযায়ী অফিস ও দোকানপাট সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে; তবে হাসপাতাল এবং অপরিহার্য সেবা থেকে অব্যাহতি থাকবে।[1]

এআইএমপিএলবির সভাপতি মাওলানা খালিদ সাইফুল্লা রেহমানী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ ফজলুর রহমান মুজাদ্দিদ বনধে পূর্ণ অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইমাম-মাশরিকদের মাধ্যমে সচেতনতা ছড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ল’বোর্ড জোর দিয়ে বলেছে যে এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ও সর্বজনীন — এটি কোনো সম্প্রদায়বিরোধী নয় বরং প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে কৌশলগত ও সাংবিধানিক উদ্বেগ উত্থাপন করা হচ্ছে।[2]

ল’বোর্ডের বক্তব্য (সংক্ষিপ্ত):

“আমরা ওয়াকফ সম্পত্তির অস্তিত্ব ও আমাদের সাংবিধানিক অধিকারের রক্ষার্থে এই প্রতিবাদ চালাচ্ছি। এই আন্দোলন কোনো সম্প্রদায়বিরোধী নয় — এটি ওয়াকফকে রক্ষা করার জন্য।” — এআইএমপিএলবি মুখপাত্র

এই বনধের ডাক আসে সুপ্রিম কোর্ট ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ওয়াকফ সংশোধনী আইন সম্পর্কে দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পরে; আদালত পুরো আইন স্থগিত না করে কয়েকটি বিতর্কিত ধারা স্থগিত রেখেছেন এবং বলেছেন যে আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন।[3]

ল’বোর্ড প্রকাশ করেছে যে বনধের পাশাপাশি তারা বৃহত্তর কর্মসূচি চালাবে — দিল্লি ও অন্যান্য বড় শহরে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা এবং অবস্থান বিক্ষোভ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পূর্বে দিল্লিতে যে প্রতিবাদগুলো অনুষ্ঠিত হয় তার সফলতাকেই সামনে রেখে এই জাতীয় কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সংগঠনের বক্তব্য।[4]

ল’বোর্ড নিশ্চিত করেছে যে আইন প্রণেতাদের লক্ষ্য ওয়াকফ সম্পত্তির উপর সরকারী নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো—যার বিরুদ্ধে সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের বক্তব্য, ওয়াকফ রক্ষা করা কেবল সম্পত্তি রক্ষা নয়, এটি সম্প্রদায়ের মর্যাদা, পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ট্যাগ: #ওয়াকফ #AIMPLB #বনধ #ভারত

সূত্র (নির্বাচিত):
  1. এআইএমপিএলবি বনধ ঘোষণার প্রতিবেদন ও খবর সংকলন। 1
  2. সাংগঠনিক বিবৃতি এবং বনধের বিস্তারিত নির্দেশনা—প্রেস রিলিজ/নিউজ কভারেজ। 2
  3. সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ সম্পর্কিত রিপোর্ট (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। 3
  4. উল্লিখিত বিষয়গুলোর উপর সাম্প্রতিক সংবাদ ও বিশ্লেষণ (সংকলিত)। 4
রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ডেক্স • সম্পাদনা: সংবাদ অফিস • আপডেট: ২৬-৯-২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রামপুরহাট কাণ্ড: নয়া তথ্য প্রকাশ

রামপুরহাট কাণ্ড: নয়া তথ্য প্রকাশ

রামপুরহাট কাণ্ড: খুনের পর ছাত্রীর গলার শিরা কেটে রক্ত শূন্য করার চেষ্টা, নয়া তথ্য

ডিজিটাল ডেস্ক: রামপুরহাটে সপ্তম শ্রেণির আদিবাসী ছাত্রীর নৃশংস খুনের ঘটনায় প্রতিদিনই উঠে আসছে নতুন তথ্য। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত শিক্ষক মনোজ পাল শুধু হত্যাকাণ্ড ঘটাননি, তিনি ছাত্রীকে লোপাট করার জন্যও ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করেছিলেন। তদন্তে স্বীকার করেছেন, প্রথমে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে হত্যা করে ছাত্রীকে, এরপর গলার শিরা কেটে রক্ত বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পুলিশি জেরায় জানা গেছে, হত্যার পর মনোজ পাল দেহকে তিন ভাগে ভাগ করে ফেলার জন্য হাঁসুয়া ব্যবহার করেন। সূত্রের দাবি, তিনি থ্রিলার সিনেমা দেখে এমন কৌশল শিখেছিলেন। এই নৃশংস পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের তথ্য উদ্ধার হওয়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

তদন্তের বিশদ:

২৮ আগস্ট রাতে মনোজ পাল ছাত্রীটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। অভিযোগ, ছাত্রীকে ঘরে রেখেই প্রচুর মদ্যপান করেন তিনি। রাতের অন্ধকারে ছাত্রী পালানোর চেষ্টা করলে মনোজ জেগে ওঠেন এবং জোর করে তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন। এরপর দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে রাখেন। পরদিন ২৯ আগস্ট বাথরুমে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মনোজ পাল পদার্থবিদ্যার শিক্ষক হলেও রসায়ন ও চিকিৎসাবিদ্যার নানা বিষয়ে তার বিশেষ জ্ঞান ছিল। হত্যার পর প্রমাণ লোপাট করতে কোন রাসায়নিক ব্যবহার করলে তা পরীক্ষাগারে ধরা পড়বে না, সে বিষয়েও তার ধারণা ছিল। সেই রাসায়নিক ব্যবহার করে বাথরুম পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের বক্তব্য, মনোজ পাল একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হলেও থানায় বসে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় থাকে। এই অদ্ভুত আচরণে তদন্তকারীরা হতবাক হয়েছেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট:

কয়েক দিন আগে রামপুরহাটের একটি স্থান থেকে ওই ছাত্রীর পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। গ্রামবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে। মনোজ পাল দাবি করেছেন, ছাত্রীকে তিনি ধর্ষণ করেননি। তবে পুলিশ তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা রুজু করেছে।

এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনায় দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অপরদিকে, তদন্তকারীরা বলছেন, মনোজ পালের পরিকল্পনা ছিল খুব সূক্ষ্ম এবং সে হত্যার প্রতিটি ধাপ পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করেছে।

এখনও পর্যন্ত পুলিশ জানিয়েছে, আরও কিছু অপ্রকাশিত তথ্য উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সহকর্মী বা অন্য কারও হাত আছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, শিক্ষকের এমন নৃশংস কর্মকাণ্ড কীভাবে সম্ভব হলো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে তার উপর নজর রাখেনি।

স্থানীয়রা এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রামপুরহাট কাণ্ড দেশের শিক্ষাক্ষেত্রের জন্য একটি সতর্কবার্তা। ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা, শিক্ষক মনোভাব এবং প্রশাসনের তৎপরতা—সবকিছুই এখন নতুন করে যাচাইয়ের মুখে। পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন ও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের হত্যাকাণ্ড সমাজে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না হলে এমন ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে।

বর্তমানে রামপুরহাট পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে, আরও প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং ধৃত শিক্ষক মনোজ পালের সঙ্গে সাক্ষাৎকার চালাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আরও স্পষ্ট চিত্র উঠে আসবে। স্থানীয় মানুষজনও দাবী করছেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজে পুনরায় এমন নৃশংসতা ঘটতে না পারে।

রামপুরহাট কাণ্ড সমাজে গভীর আঘাত দিয়েছে। পুলিশ, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ সকলেই এখন চাইছেন, দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিশু নিরাপত্তার দিক থেকে এই ঘটনায় শিক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পেয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

তেজপ্রতাপ যাদবের নতুন দল: জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা

তেজপ্রতাপ যাদবের নতুন দল: জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা

তেজপ্রতাপ যাদবের নতুন দল: জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা

তেজপ্রতাপ যাদব নতুন দলের ঘোষণা করছেন
তেজপ্রতাপ যাদব সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নতুন দল জনশক্তি জনতা দল (জেজেডি) ঘোষণা করেছেন।

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবার থেকে ত্যাজ্য, বহিষ্কৃত হওয়ার পর এবার ফের রাজনীতির মহড়ায় তেজপ্রতাপ যাদব। বিহার নির্বাচনের আগে আরজেডির উপর চাপ বাড়িয়ে নতুন দল ঘোষণা করেছেন লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই নতুন দলের নামকরণ করা হয়েছে জনশক্তি জনতা দল বা জেজেডি

বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন তেজপ্রতাপ। এই ঘোষণায় দলের প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে ব্ল্যাক বোর্ড-এর ছবি। একইসঙ্গে তিনি জানান, ‘রাজ্যবাসী তাঁকে ভোটে জিতালে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে বিহার।’ তেজপ্রতাপের এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট অনুযায়ী, ‘বিহারের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য আমরা নিবেদিত। আমাদের লক্ষ্য বিহারে সম্পূর্ণ পরিবর্তন এনে এক নয়া ব্যবস্থা নির্মাণ করা। বিহারের উন্নতির স্বার্থে দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্যও আমরা সর্বতভাবে প্রস্তুত।’

তেজপ্রতাপ নিজের দলের পোস্টারেও নিজেকে দলের সরাপতি হিসেবে তুলে ধরেছেন। পোস্টার ও ছবি প্রকাশের মাধ্যমে নতুন দল জনশক্তি জনতা দলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে সামনে এনেছেন।

পরিবারের সঙ্গে তেজপ্রতাপের সংঘাত দীর্ঘদিনের। বিয়ের পর সেই দ্বন্দ্ব আরও গুরুতর আকার নিয়েছে। স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি অন্য এক মহিলার সঙ্গে তেজপ্রতাপের ছবি প্রকাশের পর এই দ্বন্দ্ব আরও জটিল হয়েছে। এরপরই লালুপ্রসাদ তাঁকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন এবং ৬ বছরের জন্য দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

সব হারালেও তেজপ্রতাপের রাজনৈতিক উদ্দীপনা কমেনি। ঘরছাড়া হওয়ার পর ভাই তেজস্বীর বিরুদ্ধে দফায় দফায় আক্রমণ শানিয়েছেন। দলের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। গত জুলাই মাসে তেজ জানিয়েছিলেন আসন্ন বিহার নির্বাচনে বৈশালী জেলার মহুয়া কেন্দ্র থেকে লড়বেন। এবার বাবার দল আরজেডির বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের নতুন দল ঘোষণার মাধ্যমে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেন।

নতুন দলের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি

তেজপ্রতাপ নতুন দল জনশক্তি জনতা দলের মাধ্যমে বিহারে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে চাইছেন। দলের প্রতীক ব্ল্যাক বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার গুরুত্ব এবং ন্যায্যতা প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, দলের মূল লক্ষ্য হল বিহারের উন্নতি, নতুন নীতি ও প্রশাসনিক সংস্কার, এবং রাজ্যের জনগণের জন্য স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

নতুন দল ঘুরপথে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পাশাপাশি ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তেজপ্রতাপ জানিয়েছেন, তিনি বিহারের প্রতিটি জনগণকে সংহত করে উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।

হ্যাশট্যাগ: #তেজপ্রতাপযাদব #জেজেডি #বিহারনির্বাচন #রাজনীতি #নতুনদল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাষ্ট্রসংঘে ‘রক্তপিপাসু’ নেতানিয়াহু: কূটনীতিকদের বয়কট, বিশ্বমঞ্চে কোণঠাসা ইজরায়েল”

গাজায় ইজরায়েলি হামলা: রাষ্ট্রসংঘে নেতানিয়াহুর বয়কট

গাজায় ইজরায়েলি হামলা: রাষ্ট্রসংঘে নেতানিয়াহুর বয়কট

নেতানিয়াহু রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দিচ্ছেন
রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দিচ্ছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

ডিজিটাল ডেস্ক: গাজায় লাগাতার ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর কারণে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই চাপ এবার এসে পড়ল রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চেও। শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দিতে উঠতেই একে একে আসন ছাড়লেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এটিকে ইজরায়েলের জন্য একটি সংকেত হিসেবে দেখছেন, যা প্রমাণ করছে বিশ্বমঞ্চে দেশটি ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় আরব ও মুসলিম দেশগুলির প্রায় সকল প্রতিনিধিরা ‘ওয়াক আউট’ করেন। অন্যদিকে, কয়েকটি আফ্রিকান দেশ ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য, যুদ্ধপরাধের অভিযোগে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

সম্প্রতি নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেল আভিভ শীঘ্রই গাজায় তার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে ফেলবে। তিনি ইজরায়েলি সেনাবাহিনীকে গাজার মানুষের কাছে এই হুমকির বার্তা লাউডস্পিকারের মাধ্যমে প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপরই রাষ্ট্রসংঘে তাঁর মুখ পুড়ে গেছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় হামলার পর প্যালেস্টাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাস-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন নেতানিয়াহু। এরপর থেকে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। ইজরায়েলের হামলার ফলে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও যুদ্ধ থামাতে চেষ্টা চালিয়েছেন, কিন্তু এখনও পর্যন্ত সফল হননি।

মানবিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি

যুদ্ধে মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ৬০ হাজারেরও বেশি। আহতের সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ। অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন ৪ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ। হামাসের হাতে এখনও বহু মানুষ পণবন্দি রয়েছেন। সম্প্রতি ১৬ সেপ্টেম্বর গাজার গভীরে প্রবেশ করে ইজরায়েলি সেনা অভিযান শুরু করেছে। শতাধিক ট্যাঙ্ক ও সেনা গাড়ি গাজার বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ করেছে।

রাষ্ট্রসংঘ বারবার গাজায় ইজরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ প্যালেস্তিনীয়দের জীবন ও আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করা হচ্ছে। কিন্তু নেতানিয়াহু আক্রমণের তীব্রতা কমাননি, বরং ক্রমেই তা বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ জমি ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

গাজার পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি অনুসন্ধান চালিয়েছে। প্রকাশিত রিপোর্টে গাজায় গণহত্যার জন্য সরাসরি ইজরায়েলকেই দায়ী করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইহুদি দেশের ‘গ্রাউন্ড অফেনসিভ’ আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে সামনের দিনগুলোতে মানবিক বিপর্যয় আরও প্রকট হবে।

রাষ্ট্রসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট করে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে অনেক দেশ, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ইজরায়েলের একপক্ষীয় হামলার প্রতি ক্ষোভকে প্রতিফলিত করছে। এছাড়া, বিভিন্ন কূটনীতিকের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজরেও এসেছে।

বিশ্লেষক মন্তব্য

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে না। বরং এটি ইজরায়েলের কৌশলগত ও রাজনৈতিক অবস্থান আরও দুর্বল করবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এখন গাজার উপর, যেখানে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতি দেখলে বোঝা যায়, গাজার যুদ্ধে নিঃসন্দেহে মানবিক ও রাজনৈতিক দু’টি বড় সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার সংক্রান্ত চাপের মধ্যেও ইজরায়েল আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার মানুষের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে ভারসাম্য থাকা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে শুভেন্দুর রাজনৈতিক আক্রমণ

দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে শুভেন্দুর রাজনৈতিক আক্রমণ

দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে শুভেন্দুর রাজনৈতিক আক্রমণ

শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে
শুভেন্দু অধিকারী নিউ মার্কেট দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন।

নিউ মার্কেটের সার্বজনীন দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চে শুক্রবার রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে নিশানা করে মন্তব্য করেন, “অভয়া বিচার পাক, দুর্গতিনাশিনী মায়ের কাছে প্রার্থনা—বাংলা মুক্তি পাক মমতার হাত থেকে।”

আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পূর্বাভাসে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিচ্ছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শুভেন্দু তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এপ্রিল মাসের পর কোথায় পালাবে, আগেই বাড়ি ঠিক করে রাখুন। বাংলা থেকে তৃণমূলের বিদায় নিশ্চিত।” তাঁর আক্রমণাত্মক ভঙ্গি স্পষ্ট, যা নির্বাচনী প্রচারণার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উদ্বোধনী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায় এবং উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। এই পুজো মূলত ‘কালি খটিকের পুজো’ নামে পরিচিত। মঞ্চ থেকেই বিজেপি নেতাদের কটাক্ষে সরগরম হয়ে ওঠে রাজনীতি।

শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে উঠে আসে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন প্রসঙ্গ। পার্থর নাম শুনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “পবিত্র জায়গাটাকে কেন অপবিত্র করলেন?” এবং বলেন, “পার্থকে যেখানেই দেখবেন, বলবেন—অর্পিতার বর যাচ্ছে, আর খালি চোর বলবেন! ৮ থেকে ৮০ সবাই জানে, ওর গায়ে একটা স্ট্যাম্প লেগে গেছে—‘চোর’। ”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নিউ মার্কেটের মতো জনপ্রিয় পুজোর মঞ্চকে শুভেন্দু কার্যত ভোটের প্রচারের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। স্থানীয় মানুষজন এবং দর্শনার্থীরা ভিড় জমিয়েছেন, যেখানে উৎসবের আবহকে মিশিয়ে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন।

শুভেন্দুর এই হুঁশিয়ারি স্পষ্ট: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আর বাংলার মানুষ সহজে মেনে নেবে না। তিনি উদাহরণ টানেন দুর্গার অসুর বিনাশের কাহিনী এবং বলেন, আগামী ভোটে বাংলার মানুষ দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের বিদায় ঘটাবেন।

নির্বাচনী পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এবারের দুর্গাপুজো বিজেপির জন্য আক্রমণাত্মক কৌশলের সূচনা। মঞ্চের মাধ্যমে শুভেন্দু জনসমক্ষে তৃণমূলের কার্যক্রমের সমালোচনা করেছেন এবং ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন।

মঞ্চে শুভেন্দুর মন্তব্যগুলোকে শুধুই রাজনৈতিক আক্রমণ হিসেবে নয়, বরং বাংলা রাজনীতির ভবিষ্যৎ কল্পনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তৃণমূলের কার্যক্রম ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বিতর্ককে তুলে ধরে বিজেপি নেতারা জনমত তৈরি করতে চাইছেন।

এবারের দুর্গাপুজোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে কমবে না, তা নিশ্চিত। শুভেন্দুর বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান, রাজ্যের নির্বাচনী মঞ্চে বিজেপি আরও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে নামতে চলেছে। এখন প্রশ্ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসকদল কীভাবে পাল্টা জবাব দেবে, সেটিই আগামী দিনগুলোর মূল প্রতীক্ষার বিষয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

হিন্দু ভাইয়ের কিডনিতে বাঁচবে মুসলিম হাবিবুরের প্রাণ, হাইকোর্ট অনুমতি দিল

হিন্দু ভাইয়ের কিডনিতে বাঁচবে মুসলিম হাবিবুরের প্রাণ, হাইকোর্ট অনুমতি দিল

হিন্দু ভাইয়ের কিডনিতে বাঁচবে মুসলিম হাবিবুরের প্রাণ

আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা শেখ হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। ২০২৪ সালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে তাঁকে কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে আবেদন করতে হয়।

হাবিবুরের পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য দফতরে আবেদন জানানো হলেও জানানো হয়, কিডনি প্রতিস্থাপনের সরকারি তালিকায় তাঁর নাম ২৬ নম্বরে রয়েছে। তাই তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে। এর মধ্যে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় দীর্ঘদিনের পরিচিত এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কিডনি দান করতে সম্মতি জানান। দাতা মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা।

স্বেচ্ছা দাতা পেলেও স্বাস্থ্য দফতর অনুমতি দেয়নি। আইনি জটিলতায় অস্ত্রোপচার আটকে যায়। পরে হাবিবুরের স্ত্রী আদালতের দ্বারস্থ হন। আইনজীবী ফিরদৌস শামীমগোপা বিশ্বাস আদালতে জানান, অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন অনুযায়ী সব প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু স্বাস্থ্য দফতর অনুমতি দেয়নি।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের যুক্তি ছিল, কিডনি দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে আর্থিক লেনদেন বা দালাল চক্র জড়িত থাকতে পারে। তবে আইনজীবীর বক্তব্য, "আইনে বলা নেই যে দাতা এবং গ্রহীতার মধ্যে সম্পর্ক থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে দাতা স্বেচ্ছায় কিডনি দিচ্ছেন এবং হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে।"

প্রাথমিকভাবে বিচারপতি অমৃতা সিনহা দ্বিধান্বিত ছিলেন, কারণ আদালতের হস্তক্ষেপে পরবর্তীতে অনুরূপ আরও মামলা আসতে পারে। তবে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে দেখা যায়, কিডনি প্রতিস্থাপনের আবেদন যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় কমিটি চার বছর ধরে শূন্য। ফলে হাবিবুরের আবেদন দ্রুত কার্যকর করা হয়নি।

শেষ পর্যন্ত শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা বেসরকারি হাসপাতালকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন, দাতার শরীর থেকে কিডনি নিয়ে গ্রহীতার শরীরে প্রতিস্থাপন করা যাবে। বিচারপতি বলেন, "মামলাকারী বেআইনি পথে যেতেও পারতেন, কিন্তু আইন মেনে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।"

আশা করা যায়, আদালতের এই হস্তক্ষেপের ফলে দ্রুত হাবিবুরের শরীরে কিডনি প্রতিস্থাপন হবে এবং তিনি সুস্থ জীবনে ফিরবেন।

সংক্ষেপে মূল পয়েন্ট

  • হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন কিডনির সমস্যায় ভুগছেন।
  • স্বেচ্ছা দাতা পেলেও স্বাস্থ্য দফতরের অনুমতি না দেওয়ায় অস্ত্রোপচার আটকে যায়।
  • আইন অনুযায়ী সমস্ত নথি আদালতে জমা দেওয়া হয়।
  • বিচারপতি অমৃতা সিনহা বেসরকারি হাসপাতালকে সরাসরি কিডনি প্রতিস্থাপনের অনুমতি দেন।
  • আশা করা যায় দ্রুত অস্ত্রোপচার হবে এবং হাবিবুর সুস্থ হয়ে উঠবেন।

#হাবিবুররহমান #কিডনিপ্রতিস্থাপন #কলকাতাহাইকোর্ট #অমৃতাসিনহা #স্বাস্থ্যদফতর #কিডনিদান #পূর্ববর্ধমান #বেসরকারিহাসপাতাল #সুস্থ্যজীবন #বাংলারস্বাস্থ্য

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ইরাকের বাগদাদে আটকে সুন্দরবনের ১৪ শ্রমিক, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের চিঠি অমিত শাহকে

ইরাকের বাগদাদে আটকে সুন্দরবনের ১৪ শ্রমিক, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের চিঠি অমিত শাহকে

ইরাকের বাগদাদে আটকে পড়েছেন সুন্দরবনের ১৪ পরিযায়ী শ্রমিক

আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আটকে পড়েছেন সুন্দরবনের বিভিন্ন গ্রামের ১৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের দেশে ফেরানোর জন্য শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সিপিএম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ক

চিঠিতে কান্তি উল্লেখ করেছেন, "ওই শ্রমিকদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবুও তাঁরা দেশে ফিরতে পারছেন না। তাঁদের দেশে ফেরাতে সম্ভাব্য সব রকম ব্যবস্থা নিন।" চিঠির সঙ্গে তিনি শ্রমিকদের বিস্তারিত তথ্য-সহ তালিকাও শাহের দফতরে পাঠিয়েছেন।

সংক্ষেপে খবরের মূল পয়েন্ট

  • ইরাকের বাগদাদে আটকে পড়েছেন ১৪ জন সুন্দরবনের শ্রমিক।
  • ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দেশে ফেরানো হয়নি।
  • প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় চিঠি লিখে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চান।
  • শ্রমিকদের তথ্য তালিকাসহ চিঠি পাঠানো হয়েছে অমিত শাহের দফতরে।

#ইরাক #বাগদাদ #পরিযায়ীশ্রমিক #সুন্দরবন #অমিতশাহ #কান্তিগঙ্গোপাধ্যায় #বাংলারশ্রমিক #ভিসা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাংলায় আসছে ‘সোনার সরকার’; পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের

দুর্গাপূজা মঞ্চে অমিত শাহের দাবি, বাংলায় আসছে ‘সোনার সরকার’; পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে শুক্রবার কলকাতায় এসে কয়েকটি পূজোর উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পুজো মঞ্চ থেকেই তিনি ঘোষণা করেন, আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ‘সোনার সরকার’ গড়বে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। বিজেপি দাবি করছে, মা দুর্গার আশীর্বাদে এ বার বাংলায় গেরুয়া পতাকা উড়বে। তবে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে পাল্টা জবাব দিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এবং রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ শানান। তাঁদের অভিযোগ, কেন্দ্র বীরভূমের অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবিকে বাংলাদেশি বলে তাড়িয়ে দিয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টের রায় প্রমাণ করেছে, এই সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ অন্যায়। কুণাল ঘোষ বলেন, “একজন অন্তঃসত্ত্বা মাকে পরিযায়ী দেখিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল। আদালতের রায়ে প্রমাণ হল বিজেপির নারী বিরোধী ও বাংলাবিরোধী নীতি।” তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় কেন্দ্রের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। কুণালের কথায়, “বাংলা বলা কি অপরাধ? সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর, অথচ তারা বেছে বেছে বাংলাভাষীদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দিচ্ছে। এটি চরম অন্যায়।” হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সোনালী বিবি-সহ বীরভূমের দুই পরিবারের মোট ছয়জনকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। এদিকে, অমিত শাহের “সোনার সরকার” গড়ার মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করে কুণাল ঘোষ বলেন, “অমিত শাহ মা দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে অসুরের দিকে তাকিয়ে বলছেন— আমাদের সোনার সরকার গড়তে দাও! কিন্তু মা দুর্গা বাংলায় অসুরের সরকার হতে দেবেন না। মা-দুর্গার আশীর্বাদে চতুর্থবার সরকার গড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বিজেপির সোলার সরকার বাংলায় হবে না।” এই বৈঠকে বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কুণালের দাবি, যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বিদ্যাসাগরকে নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, সেই মঞ্চেই ছিলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি ২০১৯ সালে শাহের বিরুদ্ধেই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্ররোচনার অভিযোগ করেছিলেন। নাম না করে তিনি বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর দিকে ইঙ্গিত করেন। এ দিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, আদালতের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত ধরা হচ্ছে। দলের তরফে আলাদা করে কোনও মন্তব্য নেই। সব মিলিয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে অমিত শাহের সফর শুধু সাংস্কৃতিক দিকেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক তরজা নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে বিজেপি দাবি করছে বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন, অন্যদিকে তৃণমূল জানাচ্ছে, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চাইবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট : সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনে...

Search This Blog