This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Wednesday, 14 January 2026
বাংলাদেশ না খেললেও বোর্ডের ক্ষতি হবে না’, মন্তব্য বিসিবি কর্তার
কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ঐতিহাসিক রদবদল: ৬ ভবনের দফতর যাচ্ছে ‘কর্তব্য ভবনে’, নর্থ-সাউথ ব্লকে আসছে ‘যুগে যুগে ভারত’ মিউজিয়াম
🏛️ কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ঐতিহাসিক রদবদল: ৬ ভবনের দফতর যাচ্ছে ‘কর্তব্য ভবনে’, নর্থ-সাউথ ব্লকে আসছে ‘যুগে যুগে ভারত’ মিউজিয়াম
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | নয়াদিল্লি
দিল্লির ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের ঠিকানা বদলাতে চলেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের। শাস্ত্রী ভবন, কৃষি ভবন, নির্মাণ ভবন, শ্রমশক্তি ভবন এবং উদ্যোগ ভবন—এই ছ’টি ভবনে থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় দফতর স্থানান্তরিত হবে নতুন নির্মিত ‘কর্তব্য ভবনে’।
এই স্থানান্তরের ফলে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোয় এক বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঐতিহ্য রক্ষার দিকটিও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে। ব্রিটিশ স্থপতি হারবার্ট বেকারের নকশায় নির্মিত ১৯৩১ সালের ঐতিহাসিক নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক অক্ষত রাখা হচ্ছে।
এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে নতুন রূপে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এখানে তৈরি হবে ‘যুগে যুগে ভারত’ নামে একটি মিউজিয়াম। প্রস্তাবিত এই মিউজিয়ামে ভারতের প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আধুনিক সময় এবং ভবিষ্যৎ ভারতের রূপরেখা প্রদর্শিত হবে।
ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও ঐতিহাসিক সংরক্ষণের এই যুগল পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
নাগরাকাটার ভোটযুদ্ধ: জোড়াফুল না পদ্ম—কার উপর ভরসা পাহাড়-ডুয়ার্সের এই জনপদের?
🌼
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | নাগরাকাটা
একসময় নাগরাকাটা মানেই ছিল বামদুর্গ। বছরের পর বছর লাল পতাকার দাপটে অভ্যস্ত ছিল এই বিধানসভা কেন্দ্র। তবে সময়ের সঙ্গে বদলেছে রাজনৈতিক মানচিত্র। এখন নাগরাকাটায় মূল লড়াই দুই ‘ফুলে’র—জোড়াফুল ও পদ্মের মধ্যে।
২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের ঢেউ এসে লাগে নাগরাকাটাতেও। তৃণমূল কংগ্রেস–কংগ্রেস জোটের হাতেই প্রথমবার যায় এই আসন। পরের বছর উপনির্বাচনে আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু রাজনৈতিক সমীকরণ আবার বদলায় ২০২১ সালে। সেই নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে নাগরাকাটার দখল নেয় বিজেপি।
এরপর থেকে এলাকায় ক্রমশ সংগঠন শক্তিশালী করার দাবি করছে পদ্মশিবির। বিজেপির বক্তব্য, নাগরাকাটায় তাদের জনভিত্তি আগের চেয়ে অনেকটাই মজবুত। বুথ স্তরে সংগঠন, আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্প—সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারা।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসও পিছিয়ে নেই। শাসক শিবিরের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজ ও স্থানীয় নেতৃত্বের জোরেই আবারও নাগরাকাটায় জোড়াফুলের প্রত্যাবর্তন সম্ভব। অতীতের ফলাফল টেনে এনে তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে, এই আসন এখনও পুরোপুরি তাদের হাতছাড়া হয়নি।
সব মিলিয়ে নাগরাকাটা এখন রাজনৈতিক দোলাচলে। প্রশ্ন একটাই—আসন্ন ভোটে নাগরাকাটার মানুষ ভরসা রাখবেন কোন ফুলে? পদ্মে, না কি ফের অতীতের মতো জোড়াফুলেই ফিরবে এই কেন্দ্র? নজর থাকবে ভোটের ফলাফলের দিকে।
আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজর, বৃহস্পতিবার শুনানি—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির আবেদন
⚖️ আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজর, বৃহস্পতিবার শুনানি—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির আবেদন
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | কলকাতা | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র দায়ের করা আবেদনের শুনানি হতে চলেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হবে।
জানা গিয়েছে, বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে মোট দু’টি আবেদন শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত রয়েছে। এই মামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
ইডির অভিযোগ, আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে, মামলার শুনানিকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
এখন দেখার, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয় এবং এই মামলার পরবর্তী গতিপথ কোন দিকে মোড় নেয়।
Tuesday, 13 January 2026
বাংলাদেশে অশান্তি চরমে, হিন্দু অটোচালককে পিটিয়ে খুন—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ
শেখ হাসিনার অপসারণের পর থেকে লাগাতার হিংসা, ইউনূস সরকারের ভূমিকা ঘিরে প্রশ্ন
Y বাংলা ব্যুরো:
২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সেই অস্থিরতা আরও প্রকট আকার নেয়। হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। বিক্ষোভ, অরাজকতা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই আরও এক নৃশংস ঘটনার খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামের দাগনভূঁইয়া এলাকায় এক হিন্দু অটোচালককে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়েছে। নিহতের নাম সমীর দাস, বয়স ২৮ বছর। এটি বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর সাম্প্রতিক হামলার সর্বশেষ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।
দাগনভূঁইয়ার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, দুষ্কৃতীরা প্রথমে সমীর দাসকে বেধড়ক মারধর করে, এরপর ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি চুরি করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দেশি অস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
এই ঘটনার পর নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজে। গত এক মাসে পদ্মাপার জেলাগুলিতে হিন্দুদের উপর একাধিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সমালোচনার ঝড় উঠলেও মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার।
সরকারি ও বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে অন্তত ছয়জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি বহু সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। গত শনিবার ৪০ বছর বয়সী এক হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গণধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে বেঁধে চুল কেটে দেওয়া হয়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় দেশজুড়ে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।
শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দেশজুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ক্রমবর্ধমান হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির দাবি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, সাম্প্রদায়িক হিংসার মাত্রা ততই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা প্রতিবেশী দেশের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা কঠোরভাবে দমন করার আশা করছে। যদিও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস ভারতের এই উদ্বেগকে অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই গভীর হচ্ছে, আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
সংঘর্ষবিরতি সত্ত্বেও থামছে না ‘অপারেশন সিঁদুর’ — সন্ত্রাসে জিরো টলারেন্সে অনড় ভারত
Sunday, 11 January 2026
শুভেন্দুর গাড়িতে ‘হামলা’ অভিযোগে নড়ল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তৃণমূলের কটাক্ষ, ‘পুরোটাই রাজনৈতিক নাটক’
ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা নিউজ:
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে এবার সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শনিবার গভীর রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।
জানা যাচ্ছে, ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৩ তারিখ মঙ্গলবার চন্দ্রকোনায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি অবরোধ ও সভার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। পুরুলিয়া থেকে মেদিনীপুর ফেরার পথে চন্দ্রকোনা রোডে শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের প্রায় কুড়িজন দুষ্কৃতী বাঁশ ও লাঠি হাতে তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে চন্দ্রকোনা রোড ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফাঁড়ি ইনচার্জের সামনেই মেঝেতে বসে পড়েন শুভেন্দু। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না বলেও জানান। শেষ পর্যন্ত রাত দেড়টা নাগাদ ফাঁড়ি ছাড়েন তিনি। ওই রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয় বলে বিজেপি সূত্রে খবর।
এই ঘটনার প্রতিবাদে পালটা কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে গোটা ঘটনাকে ঘিরে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি,
“একটা জেলায় ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। থানার স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের নাটক চলতে পারে না।”
তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্টেও তীব্র বিদ্রুপ ধরা পড়েছে। তিনি লেখেন,
“সিআরপিএফের ঘেরাটোপে থেকেও সামান্য স্লোগান সামলাতে পারে না, আবার নাকি রাজ্য সামলাবে?”
অরূপ চক্রবর্তীর আরও দাবি, শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীরাই স্থানীয় বিজেপি নেতা গৌতম কৌরিকেই মারধর করেছেন। তাঁর কথায়,
“বহিরাগত সিআরপিএফ চিনতে না পেরে বিজেপির মণ্ডল নেতা গৌতম কৌরিকেই তুমুল লাঠিপেটা করা হয়েছে। তিনি আবার বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী বলেও শোনা যাচ্ছে।”
শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে কেন্দ্র–রাজ্য রাজনৈতিক তরজা এখন চরমে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট তলবের পর এই ইস্যু কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা, আজও দগদগে ক্ষত পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ সইফুল্লার দম্ভভরা ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা, আজও দগদগে ক্ষত
পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ সইফুল্লার দম্ভভরা ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা নিউজ:
ধর্ম জানতে চেয়ে একের পর এক নিরীহ মানুষকে হত্যা, কান্না আর হাহাকারে ভরে উঠেছিল কাশ্মীরের উপত্যকা। পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরস্ত্র নাগরিকের মৃত্যু ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক ভয়াবহ শোকচিহ্ন হয়ে রয়েছে। সময় গড়ালেও সেই ক্ষত আজও দগদগে। গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল ওই নৃশংসতা।
এই আবহেই ফের আলোচনায় পহেলগাঁও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে চিহ্নিত লস্কর-ই-তইবা নেতা সইফুল্লা কাসুরি। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল নিশ্চিত করেনি।
জানা যাচ্ছে, হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ তথা ‘ডানহাত’ সইফুল্লা কাসুরি এখনও পাকিস্তানেই বহাল তবিয়তে আত্মগোপনে রয়েছে—এমন গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। এবার পাকিস্তানের একটি স্কুল অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে ‘ভাষণ’ দিতে দেখা গেল তাকে। সেই মঞ্চ থেকেই দম্ভভরে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসে লস্কর নেতা।
ভিডিওতে সইফুল্লাকে বলতে শোনা যায়,
“পাক সেনার পক্ষ থেকেই আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কোনও সেনার মৃত্যু হলে শেষকৃত্যেও আমি ডাক পাই।”
এরপরই সে সরাসরি পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ টেনে দাবি করে,
“তোমরা জানো, ভারত আমাকে ভয় পায়। পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে আমাকেই ধরা হয়। আজ আমার নাম গোটা বিশ্বে পরিচিত।”
এখানেই থামেনি। ভারতের সামরিক পদক্ষেপ ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়েও কটাক্ষ ছুঁড়ে দেয় সে। সইফুল্লার দাবি,
“শুধু জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ভারত বড় ভুল করেছে।”
বরাবরের মতোই পাকিস্তান জঙ্গি মদতের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। এমনকী, আন্তর্জাতিক স্তরে চাপের মুখে পড়ে এক সময় ‘ধূসর তালিকা’তেও জায়গা হয়েছিল তাদের। কিন্তু প্রকাশ্যে পাক মাটিতে বসে জঙ্গি নেতার এমন বক্তব্য ফের প্রশ্ন তুলে দিল—জঙ্গি সংগঠন ও পাক সেনার যোগসাজশ আদৌ কি অস্বীকারযোগ্য?
পহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ডের এই হুমকির ভিডিও ফের একবার স্পষ্ট করে দিল, সীমান্তের ওপার থেকেই পরিকল্পিতভাবে এদেশে কাপুরুষোচিত হামলার ছক কষা হচ্ছে।
Friday, 9 January 2026
আইপ্যাক দপ্তর থেকে ‘নির্বাচনী নথি চুরি’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে থানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার লিখিত নালিশ
আইপ্যাক দপ্তর থেকে ‘নির্বাচনী নথি চুরি’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে থানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার লিখিত নালিশ
Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক:
তল্লাশির নামে আইপ্যাকের দপ্তর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি চুরির অভিযোগ তুলে এবার সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) বিরুদ্ধে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। আচমকাই আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। সেই খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ১৫ মিনিট প্রতীক জৈনের বাড়িতে ছিলেন তিনি। বেরোনোর সময় একটি সবুজ রঙের ফাইল হাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ইডির এই অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল হাতিয়ে নেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
এর মধ্যেই খবর আসে, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি পৌঁছে যান আইপ্যাকের দপ্তরে। অভিযোগ, সেখান থেকে কিছু নথি, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিজের গাড়িতে তোলেন তিনি।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের কৌশল ‘চুরি’ করতেই কেন্দ্র ইডিকে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, ইডির তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে—মুখ্যমন্ত্রী অনৈতিকভাবে তদন্তে বাধা দিয়েছেন।
গোটা বিষয়টি গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইডির বিরুদ্ধে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির সময় ঠিক কী ঘটেছিল, মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন কোন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন—তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের উত্তর চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ইডির তরফে একটি রিপোর্ট অর্থমন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্টই পরবর্তী পর্যায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হবে।
মোদির ফোন না পেয়ে ইগোতে আঘাত’, সেই কারণেই ভারতের উপর ৫০% শুল্ক—বিস্ফোরক দাবি মার্কিন বাণিজ্য সচিবের
Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক:
ভারতের উপর বিপুল মার্কিন শুল্ক চাপার নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনমনীয় অবস্থানই বড় কারণ—এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। একটি পডকাস্টে তিনি জানান, ভারত–আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে একটি শর্ত পূরণ না হওয়ায় সেই চুক্তি ভেস্তে যায়।
লুটনিকের বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তিতে সই করার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সরাসরি ফোনালাপকে অপরিহার্য শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের কাছে মোদির ফোন এলেই বাণিজ্য চুক্তিতে চূড়ান্ত সিলমোহর পড়ত। কিন্তু সেই ফোন আর আসেনি। ভারতীয় আধিকারিকরা এই শর্ত মানতে চাননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এর ফলেই শেষ পর্যন্ত ভারত–আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি। লুটনিকের দাবি, মোদির ফোন না পাওয়ায় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অসন্তোষ বেড়ে যায় এবং সেই ‘ইগো’ থেকেই ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আলোচনা হলেও আর চুক্তি এগোয়নি।
এখানেই থামেননি মার্কিন বাণিজ্য সচিব। তিনি আরও জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই এমন একটি বিল অনুমোদন করেছে, যার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলির উপর ভবিষ্যতে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানো হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের উপর নতুন করে আরও শুল্কের বোঝা চাপার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি।
লুটনিকের কথায়, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ফোন না আসায় তিনি যথেষ্ট হতাশ ও ক্ষুব্ধ হন। সেই অসন্তোষই শেষ পর্যন্ত প্রভাব ফেলেছে ভারত–আমেরিকার বাণিজ্যিক সম্পর্কে।
Featured post
Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...








.jpg)







