Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 5 September 2025

হিন্দু অধিকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের এই হেভি ওয়েট নেতা বিধানসভা ভোটে লড়বেন

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী: রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জোরে

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী: রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জোরে

প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্ভাব্য নন্দীগ্রাম লড়াই, দলীয় প্রস্তুতি তীব্র

নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। গুরুত্বর সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়র নাম। যদিও প্রকাশ্যে রাজীব জানিয়েছেন, তাঁকে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর কথায়, নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ পুরোপুরি রটনা। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনার উত্থান হয়েছে।

তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি জেলা ও ব্লক ধরে ধরে বিধানসভা কেন্দ্রগুলির সাংগঠনিক বৈঠক করছেন। বেশিরভাগ বৈঠক ইতিমধ্যেই শেষ। বাকি রয়েছে শুধু নন্দীগ্রাম। সেই কেন্দ্রকে ঘিরেই দলের ভেতরে চলছে আলাদা প্রস্তুতি। ১৩ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নন্দীগ্রামের জন্য বিশেষ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নন্দীগ্রামে বহুদিন ধরেই তৃণমূলের ভেতরে তীব্র গোষ্ঠীকোন্দল চলছে। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব এবং প্রার্থীপদে একাধিক দাবিদার থাকার কারণে শীর্ষ নেতৃত্ব চাইছে বাইরের কাউকে সামনে আনতে। সেই জায়গাতেই উঠে এসেছে রাজীবের নাম। রাজীব তমলুক লোকসভা এলাকায় পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। নন্দীগ্রাম ওই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হওয়ায় স্থানীয় সংগঠন ও নেতাদের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি রয়েছে।

🔹 হাইলাইটস

  • রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে জোরে আলোচনায়।
  • তিনি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের পূর্বপরিচিত নেতা ও পর্যবেক্ষক।
  • লোকসভা ভোটে দেবাংশু ভট্টাচার্যের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
  • তৃণমূলের ভিতরে গোষ্ঠীকোন্দল ও একাধিক দাবিদারের কারণে বাইরের প্রার্থী বিবেচিত।
  • রাজীবের জন্য নন্দীগ্রামে বিশেষ বৈঠক ১৩-১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্ভাব্য।

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তমলুকে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য প্রচারে রাজীবের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যদিও দেবাংশু শেষ পর্যন্ত বিজেপির অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়র কাছে পরাজিত হন, তবুও সংগঠনের দায়িত্ব সামলানোয় রাজীবের ভূমিকায় সন্তুষ্ট ছিল তৃণমূল।

গত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। টানটান ভোটযুদ্ধের শেষে তিনি মাত্র ১,৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন। দলের ভেতরে একপ্রকার পরিষ্কার যে মমতা আর নন্দীগ্রামে প্রার্থী হবেন না। ফলে নতুন মুখ খুঁজছে শীর্ষ নেতৃত্ব।

লোকসভা ভোটের পরিসংখ্যান বলছে, নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রায় ৯ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে। এই পরিসরে রাজীবের পক্ষে জয় পাওয়া সহজ নয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে দল মনে করছে, যদি তিনি মাটি কামড়ে লড়াই দেন, ভবিষ্যতে তাঁকে 'সম্মানজনক পুনর্বাসন' দেওয়া সম্ভব। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি অনেকটা ২০১৪ সালে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইন্দ্রনীল সেনকে দাঁড় করানোর কৌশলের মতো। সেই ভোটে হেরে গেলেও পরে ইন্দ্রনীলকে বিধানসভা জিতিয়ে মন্ত্রী করেছিলেন মমতা।

উল্লেখ্য, রাজীব একসময় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। ডোমজুড় কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রতীকেও ভোটে লড়েছিলেন, তবে পরাজিত হন। কিছুদিনের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন। পরে তাঁকে ত্রিপুরার দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং সম্প্রতি হাওড়া জেলা পরিষদের মেন্টর করা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#নন্দীগ্রাম #তৃণমূল #রাজীববন্দ্যোপাধ্যায় #শুভেন্দু #বিধানসভা #রাজনীতি #মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায়

মা সিরিয়াল ছোট্ট ছেলেকে এখন বড় হয়েছে

'মা' সিরিয়ালের ঝিলিক তিথি বসু কেন এখন পর্দা থেকে দূরে?

'মা' সিরিয়ালের ঝিলিক তিথি বসু কেন এখন পর্দা থেকে দূরে?

প্রসেনজিতের সহ-অভিনেত্রী থেকে ভ্লগার—কেমন চলছে তিথির জীবন?

🎬 বিস্তারিত প্রতিবেদন

এক সময়ে বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘মা’-তে ‘ঝিলিক’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছিলেন তিথি বসু। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি সবার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন। এমনকি বাংলা সিনেমার মেগাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ‘বন্ধু’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু, এখন প্রশ্ন উঠছে—কেন পর্দা থেকে দূরে সরে গেলেন এই প্রাক্তন জনপ্রিয় শিশুশিল্পী?

তিথির নিজস্ব বক্তব্য: তিনি জানান, ‘মা’ সিরিয়ালের সময় তাঁর বয়স খুবই কম ছিল, জীবনের সিদ্ধান্ত নিতেন বাবা-মা। তাই লেখাপড়াকেই তখন অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। এখন তিনি কলেজ পাশ করে ভ্লগিং-এ মন দিয়েছেন।

সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও ছোটবেলা কাটিয়ে তিথি যখন বড় হলেন, তখন অভিনয়জগতে তাঁকে সেভাবে দেখা যায়নি। যদিও ‘ময়ূরপঙ্খী’ ধারাবাহিকে তাঁকে আবারও দেখা গিয়েছিল কলেজজীবনে। বর্তমানে তিনি ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভ্লগিং নিয়ে ব্যস্ত। দৈনন্দিন জীবনযাপন, শরীরচর্চা ও লাইফস্টাইল কনটেন্ট নিয়েই তাঁর বেশিরভাগ ভ্লগ।

📌 মূল কারণসমূহ

  • ‘মা’ সিরিয়ালের সময় ছোট থাকায় বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তে লেখাপড়াকেই অগ্রাধিকার দেন।
  • কলেজে পড়াকালীন অভিনয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন ‘ময়ূরপঙ্খী’-র মাধ্যমে।
  • অভিনয়ের প্রস্তাব থাকলেও কিছু কাজ শেষ মুহূর্তে হাতছাড়া হয়ে যায়।
  • বর্তমানে নিয়মিত ভ্লগিং-এ সক্রিয় এবং তাতে বিশাল ফ্যানবেস গড়ে উঠেছে।
  • তিথির বিশ্বাস, ধৈর্য ধরলে একদিন ভালো চরিত্রে আবারও তিনি সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে অভিনয়ের জগতে না থাকলেও, তিথি বসু এখনও দর্শকের কাছে জনপ্রিয়। তাঁর ‘ঝিলিক’ চরিত্রের স্মৃতি এখনও দর্শকদের মনে রয়ে গেছে। ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে নতুন পরিচয়ে উঠে আসলেও, তিনি নিজেই আশা করছেন যে আবারও একদিন পর্দায় ফিরবেন বড় চরিত্র নিয়ে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
#তিথিবসু #ঝিলিক #মাসিরিয়াল #বাংলাটেলিভিশন #প্রসেনজিৎচট্টোপাধ্যায় #বাংলাসিনেমা #অভিনেত্রী #ভ্লগিং #ময়ূরপঙ্খী #বাংলাবিনোদন
© 2025 সংবাদ ডেস্ক | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Thursday, 4 September 2025

বিতর্কের ঝড়: সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্যে বিপাকে অনির্বাণ ভট্টাচার্য”

সনাতন ধর্ম অসম্মান বিতর্কে অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও হুলিগ‌্যানিজম ব্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সনাতন ধর্ম অসম্মান বিতর্কে অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও হুলিগ‌্যানিজমের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাকস্বাধীনতা বনাম শালীনতার বিতর্কে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি

🔎 বিস্তারিত প্রতিবেদন

ইচ্ছাকৃতভাবে সনাতন ধর্মকে অসম্মান করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা-গায়ক অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তাঁর বাংলা রক ব্যান্ড ‘হুলিগ‌্যানিজম’-এর বিরুদ্ধে লালবাজার সাইবার থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ব্যান্ডের গানে ধর্মবিশ্বাস ও সামাজিক অনুভূতিকে আঘাত করা হয়েছে, যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

বিজেপির অভিযোগ: তরুণজ্যোতি তেওয়ারি, বিজেপি নেতা ও আইনজীবী, ইমেল মারফত সাইবার থানায় অভিযোগ জানান। তিনি ব্যান্ডের একটি গানের ক্লিপিংও পুলিশের কাছে পাঠিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত মামলা শুরু হয়েছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আরও পড়ুন , পাক ক্রিকেটার এর সাথে সুস্মিতার বিয়ে না গোপন প্রেমের গুঞ্জন এদিকে, বিজেপির তরফ থেকে কড়া অবস্থান নিলেও দলের প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ ভিন্ন সুরে সতর্ক করেছেন অনির্বাণদের। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাকস্বাধীনতা সবার থাকলেও তা যেন শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে। রসিকতা করার সময় কারও ধর্মীয় বিশ্বাস, নীতি বা ব্যক্তিগত আদর্শকে আঘাত করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

📌 মূল পয়েন্টসমূহ

  • ‘হুলিগ‌্যানিজম’-এর একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক গানকে কেন্দ্র করে বিতর্ক।
  • এসআইআর, মন্দির-মসজিদ বিবাদ, সিপিআই(এম)-এর পতন ও কুণাল ঘোষকে নিয়েও ব্যঙ্গ।
  • তৃণমূলের কুণাল ঘোষ গানের প্রশংসা করলেও সিপিআই(এম) ও বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
  • বিজেপির অভিযোগ—ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করে জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা।
  • সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও এখনও মামলা রুজু হয়নি।

রাজনৈতিক শিবিরগুলির ভিন্ন প্রতিক্রিয়া যেমন সামনে এসেছে, তেমনই নেটিজেনদের মধ্যেও বিষয়টি ঘিরে উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে। কেউ বলছেন, এটি বাকস্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ, আবার কেউ বলছেন শালীনতার সীমা রক্ষা করা জরুরি। সব মিলিয়ে, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও তাঁর ব্যান্ড ‘হুলিগ‌্যানিজম’কে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় সরগরম নেটপাড়া ও রাজ্য রাজনীতি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
#অনির্বাণভট্টাচার্য #হুলিগ‌্যানিজম #সনাতনধর্ম #বিজেপি #রাজনৈতিকবিতর্ক #বাংলাব্যান্ড #বাকস্বাধীনতা
© 2025 সংবাদ ডেস্ক | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

“সুস্মিতা-ওয়াসিমকে ঘিরে নতুন জল্পনা: বিয়ে সানাই বাজছে?”

সুস্মিতা সেন ও ওয়াসিম আক্রাম: গুজব, বন্ধুত্ব ও আসল সত্য

সুস্মিতা সেন ও ওয়াসিম আক্রাম: গুজব, বন্ধুত্ব নাকি সত্যিকারের সম্পর্ক?

গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে ক্রিকেট মাঠ— আলোচিত সম্পর্কের অন্দরমহল

চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে সুস্মিতা সেন

প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী এবং বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন। কখনও তাঁর সাহসী মন্তব্য, কখনও ব্যক্তিগত জীবন, আবার কখনও প্রেম এবং বিয়ের গুঞ্জন তাঁকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমে ঝড় তোলে। কয়েক বছর আগে ব্যবসায়ী ললিত মোদীর সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে খবর ছড়িয়েছিল। ললিত নিজেই সেই সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন। তবে এরও আগে আরও একবার বড় আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনি, আর তা হলো পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার ওয়াসিম আক্রামের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানো।

রিয়েলিটি শো থেকেই শুরু জল্পনা

২০১০ সালের দিকে নাচের রিয়েলিটি শো “এক খিলাড়ি এক হাসিনা”-তে একসঙ্গে বিচারক হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন সুস্মিতা সেন এবং ওয়াসিম আক্রাম। তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ঘিরেই প্রথম গুঞ্জনের সূচনা। অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কেবল বন্ধুত্ব নয়, আরও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশ পেতেই ভক্তদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নতুন করে আরও বড় আকার নেয় ২০১৩ সালে, যখন কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে— তাঁরা খুব শিগগিরই বিয়ে করতে চলেছেন।

সুস্মিতার স্পষ্ট বক্তব্য

সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সুস্মিতা লেখেন— “ওয়াসিমের সঙ্গে আমার বিয়ের খবর শুনছি। পুরোটাই ভিত্তিহীন এবং বাজে কথা। এটি প্রমাণ করে সংবাদমাধ্যম কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে। ওয়াসিম আমার বন্ধু এবং সবসময় তাই থাকবেন। তাঁর জীবনে একজন অসাধারণ নারী আছেন। এই ধরনের গুজব শুধু অপ্রয়োজনীয় নয়, বরং অসম্মানজনক।” তিনি আরও জানান, “আমি যখন সত্যিকারের মানুষটিকে খুঁজে পাব, তখন প্রথমেই আমার ভক্তদের জানাব।”

ওয়াসিম আক্রামের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে ওয়াসিম আক্রামও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, “এমন গুজব বারবার অস্বীকার করতে করতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। আমি চাই এই বিষয়গুলো চিরতরে বন্ধ হোক।” যদিও তিনি সুস্মিতার প্রশংসা করতেও ভোলেননি। তাঁর কথায়— “তিনি আমার দেখা অন্যতম ভদ্র এবং মার্জিত মহিলা। তাঁর মতো একজন পেশাদারের সঙ্গে বিচারক হিসেবে কাজ করা সত্যিই আনন্দের অভিজ্ঞতা ছিল।”

আত্মজীবনীতে খোলসা

বহু বছর পর, ২০২২ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী “Sultan: A Memoir”-এ ওয়াসিম আবারও বিষয়টি পরিষ্কার করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন— প্রথম স্ত্রী হুমার মৃত্যুর পর তাঁকে নানা মহিলার সঙ্গে জড়িয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। সেই তালিকায় সুস্মিতা সেনের নামও উঠে আসে। কিন্তু বাস্তবে তিনি তখন মানসিকভাবে কোনো গুরুতর সম্পর্কে জড়ানোর মতো অবস্থায় ছিলেন না। তাঁর মতে, সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্কের গুজব ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো এক নজরে

  • ২০১০ সালে রিয়েলিটি শো-তে একসঙ্গে কাজ করার পর থেকেই গুজব ছড়ায়।
  • ২০১৩ সালে সংবাদমাধ্যমে তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশিত হয়।
  • সুস্মিতা জানান, ওয়াসিম তাঁর বন্ধু ছাড়া আর কিছু নন।
  • ওয়াসিম বলেন, বারবার গুজব অস্বীকার করতে করতে তিনি ক্লান্ত।
  • আত্মজীবনীতে তিনি স্পষ্ট করেন— কোনো প্রেম ছিল না, কেবল পেশাদার সম্পর্ক।

উপসংহার

সুস্মিতা সেন এবং ওয়াসিম আক্রামের সম্পর্ককে ঘিরে যতই জল্পনা হোক না কেন, তাঁদের নিজস্ব বক্তব্য প্রমাণ করে যে পুরো বিষয়টি ছিল কেবল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। সংবাদমাধ্যমের অতিরঞ্জনই তাঁদের নামকে ঘিরে ভুল ধারণা তৈরি করেছে। বাস্তবে সুস্মিতা এবং ওয়াসিম দুজনেই তাঁদের জীবনে আলাদা পথে এগিয়েছেন। ভক্তদের জন্য শিক্ষা একটাই— সব খবরকেই চোখ বুজে বিশ্বাস না করে, সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি।

#সুস্মিতা_সেন #ওয়াসিম_আক্রাম #বিয়ে_গুঞ্জন #বলিউড_খবর #ক্রিকেট_খবর #সেলিব্রিটি_খবর #বিনোদন_সংবাদ #সম্পর্ক_গুজব #গ্ল্যামার_দুনিয়া #ট্রেন্ডিং #SushmitaSen #WasimAkram #WeddingRumor #BollywoodNews #CricketNews #CelebrityBuzz #EntertainmentWorld #RelationshipRumor #TrendingNow #CelebrityNews
মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক, মমতার কাছে নালিশ

মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে চূড়ান্ত জলঘোলা

মমতার কাছে চিঠি দিয়ে ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা’র দাবি তুললেন মতুয়া শিবির

বিতর্কিত মন্তব্য

“সারাবছর তৃণমূলী, ভোটের সময় সনাতনী? আমরা লক্ষ্মীর ভান্ডারে ১ হাজার টাকা পেলে, তফশিলি জাতির মহিলারা ১২০০ টাকা পেয়ে থাকেন। অথচ, তফশিলি বুথে, নমঃশূদ্র বুথে, মতুয়া বুথে ১০০ টা ভোটের মধ্যে ৮৫ টি পায় বিজেপি। কাঠের মালা পরে তো সবাই চলে আসেন ভাতা নিতে”— তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই মন্তব্য ঘিরে কম জলঘোলা হয়নি।

ঠাকুরবাড়ির মতুয়া শিবিরের একাংশের অভিযোগ, তুলসির মালাকে ‘কাঠের মালা’ বলে তাচ্ছিল্য করেছেন মহুয়া। এতে মতুয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে— লক্ষ্মীর ভান্ডার নিলে কি শাসকদলকেই ভোট দিতে হবে?

মমতার কাছে নালিশ

অবশেষে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন তৃণমূলেরই সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। যদিও চিঠির নিচে সুকেশচন্দ্র চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে, তবে উপরে মমতাবালা ঠাকুরের নাম থাকায় রাজনৈতিক মহল মনে করছে— এর নেপথ্যে তিনিই।

চিঠির মূল বক্তব্য

“সাংসদ মহুয়া মৈত্র মতুয়া, নমঃশূত্র, তফশিলিদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কটাক্ষ করেছেন। মতুয়াদের প্রাণপ্রিয় কণ্ঠহার আচারমালাকে বিদ্রূপ করে কাঠের মালা বলেছেন। আরও খবর পড়ুন , আজ এসএসসি এর তিনটি মামলায় কি হলো এতে মতুয়াদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। মতুয়া-তফশিলি সমাজ ক্ষুব্ধ। আপনি অভিভাবকের মতো বিষয়টি বিবেচনা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।”

রাজনৈতিক তাৎপর্য

পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট আসন্ন। মহুয়ার এই মন্তব্যে তৃণমূলের উপর চাপ বাড়ল। শুধু ঠাকুরনগরেই নয়, গোটা রাজ্যেই মতুয়াদের উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপিও এই ভোটের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। আরো পড়ুন, দল বদলু দের বিধান সভায় মমতা এক হাত নিলেন

মূল পয়েন্টগুলো

  • মহুয়ার মন্তব্যে মতুয়া সম্প্রদায় ক্ষুব্ধ।
  • মমতার কাছে নালিশ জানালেন মমতাবালা ঠাকুর।
  • চিঠিতে ‘কাঠের মালা’ মন্তব্যের বিরোধিতা।
  • মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে শঙ্কিত তৃণমূল।
  • ২০২৬ বিধানসভা ভোটে এর প্রভাব পড়তে পারে।
মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে মতুয়া বিতর্ক | তৃণমূল বনাম বিজেপি | পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

"কে আপনাদের নেতা? যে বারবার শিবির পাল্টেছে!" — বিধানসভায় মমতার সরাসরি আক্রমণ, ইঙ্গিত স্পষ্ট কার দিকে?

ফের উত্তাল বিধানসভা: মমতার তোপ, শুভেন্দুকে নিশানা — একদিবসীয় বিশৃঙ্খলার চিত্র

ফের উত্তাল বিধানসভা: ‘চোর চোর’ স্লোগান, শুয়ে পড়া বিধায়ক — মমতার কড়া আক্রমণ ও শুভেন্দু নিশানা

বিধানসভায় দিনভর বিশৃঙ্খলা, স্পিকারের বহিষ্কার, আর মঞ্চে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর প্রবল প্রতিক্রিয়া

সংক্ষিপ্ত প্রতিচ্ছবি

বিধানসভায় গণ্ডগোল, কয়েকজন বিধায়ক বহিষ্কার—মুখ্যমন্ত্রী নাম না করে বিরোধী নেতা শুভেন্দুকে নিশানা করেন; ধিক্কার-শব্দে ভরে ওঠে কক্ষ।

ঘটনার দিনভর চিত্র

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় সকাল থেকেই উত্তেজনা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। কেউ ‘চোর চোর’ স্লোগানে স্লোগান দেন কণ্ঠস্বরে, কেউ আবার বিধানসভার ওয়েলের ওপর শুয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ওয়েলে নেমে দলের বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামলান। এদিন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হট্টগোলের প্রেক্ষিতে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী ও অশোক দিন্দাকে বিধানসভা কক্ষ থেকে বহিষ্কার করে দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র নিন্দা ও আঘাতপ্রদ মন্তব্য

ওই আলোচনা চলাকালে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন এবং নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে বলেন—“কে আপনাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে? যে চার বার দল বদল করে এসেছে? নিজেকে বাঁচানোর কাজ—দলবদলু নেতার কথা শুনে ভুল পথে পা দিচ্ছেন।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা যে, এই আক্রমণ সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে; তাতে কোনো প্রকাশ্য নাম উচ্চারণ না করলেও ইঙ্গিত স্পষ্ট ছিল।

মমতার মন্তব্যের একটি অংশ: “আমি জানি কে কোন বিধানসভায় তৃণমূল করত। টাকা বাঁচাতে, ইডি–সিবিআই থেকে বাঁচতে, বিজেপিতে গেছেন। মুখ লুকিয়ে চোর স্লোগান দিচ্ছে… আগামদিনে উনি মুসলিম লিগ করবেন।”

স্পিকারের পদক্ষেপ ও শুভেন্দুর সাসপেনশন

উল্লেখ্য, গত বুধবারই বিধানসভা অধিবেশনের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়; এদিন আরও চার জন বিধায়ককে বহিষ্কার করা হয়। এই পদক্ষেপের ফলে বিধানসভায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরো বাড়ে এবং ফ্লোরে তীব্র আক্রমণ-প্রতিবাদের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মূল পয়েন্ট — বড় করে ও রঙিনভাবে

দিবসভর বিশৃঙ্খলা: কেউ অনুসারী স্লোগান করছে ‘চোর চোর’, কেউ বিধানসভার ওয়েলে শুয়ে আচরণ ভাঙ্গাচোরা করেছে।
বহিষ্কার নির্দেশ: স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী ও অশোক দিন্দা বহিষ্কার হন।
মমতার নিশানা: নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে ইঙ্গিতে আঘাত; “কে আপনাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে — যে চারবার দল বদল করেছে?”—এই প্রশ্ন বিধানসভায় ব্যাপক সাড়া ফেলে।

প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিধানসভায় এমন জঘন্য বিশৃঙ্খলা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনার একটি ছবি তুলে ধরে। মুখ্যমন্ত্রীর এ ধরনের সরাসরি আক্রমণ নাম না করে হলেও রাজনৈতিক তরঙ্গ তৈরি করে—বিশেষত যখন সম্প্রতি দলের দলে নাম পরিবর্তন বা দলবদল নিয়ে তীব্র আলোচনা সক্রিয় রয়েছে।

পরামর্শ: পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ও বিধানসভার মর্যাদা রক্ষায় সমস্ত রাজনৈতিক পক্ষের আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন; বিতর্কগুলো আইনগত ও সাংবিধানিক পথে সমাধান করা উচিত।

সংক্ষেপে— কী ঘটেছে?

  • বিধানসভায় দিনভর বিশৃঙ্খলা ও চরম উত্তেজনা।
  • কয়েকজন বিধায়ক ওয়েলের ওপর শুয়ে প্রতিবাদ করেন।
  • স্পিকারের নির্দেশে চার বিধায়ক বহিষ্কার।
  • মুখ্যমন্ত্রী নাম না করে বিরোধী নেতা শুভেন্দুকে ইঙ্গিতে নিশানা করে তীব্র কটাক্ষ করেন।
  • ওপরে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনার ফলে ভবিষ্যতে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও বিবাদ দেখা দিতে পারে বলে ধারণা।

এই প্রতিবেদনটি কপিরাইট-মুক্ত; পুনঃপ্রকাশে উৎস উল্লেখ করলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হবে।

© 2025 — সংবাদ প্রতিবেদন (কপিরাইট মুক্ত)

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“SSC কেলেঙ্কারি: অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা! তিনটি মামলার রায়ে কোন কোন সিদ্ধান্ত এল?”

SSC মামলা আপডেট: সুপ্রিম কোর্টের রায় — ২৬,০০০ চাকরির স্থিতি চূড়ান্ত

SSC মামলা আপডেট: সুপ্রিম কোর্টের রায় — ২৬,০০০ চাকরির স্থিতি চূড়ান্ত

কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল — সুপ্রীম কোর্ট আজ আবেদনসমূহ খারিজ করেছেন

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে এবং এসএসসি সংশ্লিষ্ট সমস্ত আবেদন খারিজ করেছে — ফলত প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ প্রতিলিপি চূড়ান্তভাবে বাতিল বলে গণ্য হলো।

আজকের শুনানির বিশদ বিবরণ

আজ সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে তিনটি প্রধান মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত কড়া ভাষায় অযোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে—বিশেষত এসএসসি কর্তৃপক্ষ কেন অ্যাডমিট কার্ড জারি করলো, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত বলেছে যে, যখন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে 'দাগী' প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসতে নিষেধ করেছিল, তখনও এই মতবিরোধ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আঘাত।

আদালতের কঠোর পর্যবেক্ষণ

বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মন্তব্য করেন যে— এসএসসি নিজেই প্রার্থীদের সমর্থন করছে, ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে এবং পুনরায় নিয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে। এই ঘটনাকে আদালত 'বেদনাদায়ক' বলে অভিহিত করেন এবং অনিয়মের কড়া নিন্দা করেন।

আবেদনকারীদের পক্ষের যুক্তি

আবেদনকারীদের আইনজীবীরা বলেন, তাদের ক্লায়েন্ট নির্দোষ; তারা পূর্বের রায় চ্যালেঞ্জ করছেন এবং সময় ও সুযোগ চান যাতে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন। তাঁদের এক যুক্তি ছিল—২০১৬ সালে ঘোষণা করা শূন্যপদ শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ২০২৫ সাল নাগাদ হ্রাস পেয়েছে, ফলে এ বিষয়ে সহানুভূতিশীল বিবেচনার দাবি।

সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত

সুপ্রিম কোর্ট আবেদনকারীদের সবই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে করে দেয়। আদালত বলে যে এই বিষয়গুলো পূর্বেও বিবেচিত হয়েছে; আবেদনকারীরা নির্দিষ্ট পদ, স্তর ও বিষয় উল্লেখ করে তাদের দাবি সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেনি। আদালত পরীক্ষার তারিখ পিছানোর অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছেন এবং জানান যে, কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করা হবে যেখানে প্রকৃতভাবে কোন শূন্যপদই পাওয়া না যায়। অবশেষে প্রধান মামলাসহ সমস্ত আবেদন খারিজ করা হয় — ফলে ২৬,০০০ চাকরি বাতিল সিদ্ধান্তই স্থায়ী হিসেবে রয়ে গেল।

মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি

বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মূল মামলাটি খারিজ করে বলেন যে বিষয়গুলি আগেই বিচার্য হয়েছে। বিবিধ আবেদন (রাজ্য সরকারের দায়েরকৃত) ও অন্যান্য এসএলপি খারিজ করা হয় কারণ আদালত সহানুভূতি প্রদর্শনের কারণ দেখেননি। এই রায়ে আবেদনকারীদের আর কোনো রেহাই নেই।

মূল প্রাসঙ্গিক পয়েন্ট (সংক্ষেপে)

কলকাতা হাইকোর্টের রায় বজায়
সুপ্রিম কোর্ট আজ সব আবেদন খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে বহাল রাখল — প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ বাতিলই চূড়ান্ত।
আদালতের তীব্র নিন্দা
এসএসসির আচরণ—অ্যাডমিট কার্ড জারি, ওএমআর বিকৃতি ইত্যাদি—আদালতকে তীব্রভাবে বিতলিত করেছে; বিচার ব্যবস্থা এতে ভুক্তভোগী হয়েছে।
আবেদনকারীদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যাত
পরীক্ষা পেছানো আহ্বান, বিশদ পদবিবরণ না দেখানো—সবই আদালত নাকচ করেছে; পুনর্বিবেচনার সুযোগ সীমিত।

ইতিহাস ও পরবর্তী পথ

এই রায় একটি স্পষ্ট বার্তা — নিয়োগে অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয় এবং উচ্চ আদালত ব্যবস্থা কঠোরভাবে দেখছে। প্রাসঙ্গিক পক্ষ যদি কোনো নতুন, নির্দিষ্ট ও শক্ত প্রমাণ দাখিল করে, তবেই পুনর্বিবেচনা হতে পারে; নতুবা সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

সম্পর্কিত বিবেচনা

  • প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ বাতিল — লক্ষাধিক প্রার্থীর জীবনে তা গভীর প্রভাব ফেলবে।
  • এসএসসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়বোধ ও আচরণ বিচারিক তদন্তের দৃষ্টিতে এসেছে।
  • এ রায় ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা রক্ষা ও জবাবদিহিত্ব নিশ্চিত করতে একটি নজির স্থাপন করে।

তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া & পরামর্শ

যেসব প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে পরামর্শ— উপযুক্ত আইনি পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পন্থা নির্ধারণ করুন। পাশাপাশি, নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ও ন্যায্য হচ্ছে—এ বিষয়ে সামাজিক ও আইনগত অনুশীলন অব্যাহত থাকবে।

এই প্রতিবেদন কপিরাইট-মুক্ত — অনুলিপি ও পুনঃপ্রকাশের পূর্বে উৎস স্বীকার করা হলে কৃতজ্ঞতা জানাবেন। © ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“দুর্নীতির দৌরাত্ম্যে ঘুষ ও সুদে কত টাকা উধাও? সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য”

SSC Scam: ঘুষ ও সুদ-সহ কত টাকা ফেরত দিতে হবে?

SSC Scam: ঘুষ ও সুদ-সহ কত টাকা ফেরত দিতে হবে?

কলকাতা হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে অভিযুক্তদের সামনে আর্থিক বিপর্যয়

আদালতের নির্দেশ

২০১৬ সালের প্যানেলে যারা অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, তাদের ২০১৯ সাল থেকে পাওয়া সম্পূর্ণ বেতন ১২% বার্ষিক সুদসহ ফেরত দিতে হবে। এর সঙ্গে যোগ হবে চাকরির জন্য দেওয়া ঘুষের বিপুল অর্থ।

আর্থিক ক্ষতির কেন্দ্রবিন্দু

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী:

  • ২০১৯ সাল থেকে পাওয়া সমস্ত বেতন ফেরত দিতে হবে।
  • ফেরতের সঙ্গে যুক্ত হবে ১২% বার্ষিক সুদ
  • চাকরি পেতে দেওয়া ঘুষের টাকাও গচ্চা যাবে।
  • ফলে অভিযুক্তদের ক্ষতির অঙ্ক হবে লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি

আইনজীবী ফেরদৌস শামিম জানিয়েছেন, এই দুইয়ের যোগফল আকাশছোঁয়া হবে।

রাজনৈতিক যোগসূত্র

অভিযুক্তদের তালিকায় শাসক ও বিরোধী উভয় দলের নেতাদের আত্মীয়দের নাম থাকায় স্পষ্ট হয়েছে দুর্নীতির গভীরতা। এই রায় কেবল দুর্নীতিগ্রস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই বাতিল করেনি, বরং ভবিষ্যতের জন্য কঠোর বার্তা দিয়েছে।

মূল বার্তা

দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া চাকরি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়।

© 2025 | কপিরাইট মুক্ত প্রতিবেদন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

লক্ষী ভান্ডারের ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা হল কারা পাবে কবে পাবে? বিস্তারিত

লক্ষ্মীর ভান্ডার: ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা? জানুন সব বিস্তারিত

লক্ষ্মীর ভান্ডার: ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা?

কারা পাবেন, কবে থেকে কার্যকর হতে পারে—জেনে নিন সবকিছু

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প কী?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ মহিলাদের আর্থিক সুরক্ষা ও স্বনির্ভরতার জন্য চালু হয়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি মাসিক ভাতা পাঠানো হয়। বর্তমানে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা ১০০০ টাকা এবং SC/ST শ্রেণির মহিলারা ১২০০ টাকা পান।

এই উদ্যোগ মহিলাদের শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই দিচ্ছে না, বরং আত্মবিশ্বাস ও সম্মানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বর্তমান সুবিধা:
➤ সাধারণ শ্রেণি: ১০০০ টাকা মাসিক
➤ SC/ST শ্রেণি: ১২০০ টাকা মাসিক

নতুন প্রস্তাব: ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা

সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে যে, লক্ষ্মীর ভান্ডারের ভাতা বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করা হতে পারে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই বাড়তি ভাতা মহিলাদের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

মূল দিকগুলো:
  • ভাতা বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করার প্রস্তাব
  • মধ্যবিত্ত ও দুঃস্থ পরিবারের মহিলাদের জন্য বড় স্বস্তি
  • চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সরকারি ঘোষণার অপেক্ষা

কারা পাবেন বাড়তি ভাতা?

এই সুবিধা সকল মহিলার জন্য নয়। প্রস্তাব অনুযায়ী—

  • যাদের বার্ষিক আয় ২.১ লক্ষ টাকার কম, কেবল তারাই যোগ্য
  • আবেদনের সময় আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate) জমা দিতে হতে পারে
  • সবচেয়ে বেশি দুঃস্থ মহিলাদের কাছে সুবিধা পৌঁছানোই সরকারের লক্ষ্য

কবে থেকে কার্যকর হতে পারে?

এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এই নিয়ম কার্যকর হতে পারে। ফলে রাজ্যের রাজনীতিতে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উপভোক্তাদের অপেক্ষা করতে হবে। তবে ইতিমধ্যেই ৭২,০০০ নতুন মহিলাকে এই প্রকল্পে যুক্ত করা হয়েছে।

উপসংহার

‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর ভাতা বৃদ্ধি শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য নয়, বরং রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলার জীবনে স্বস্তি ও আশার আলো আনবে। যদি এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি নিঃসন্দেহে রাজ্যের অন্যতম যুগান্তকারী পদক্ষেপ হয়ে উঠবে।

© 2025 তথ্যসূত্র: পশ্চিমবঙ্গ সরকার | কপিরাইট মুক্ত ব্লগ কনটেন্ট

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

যোগ্যরা পাবেন ৩০% সংরক্ষণ; অযোগ্যদের অন্য জায়গায় পুনর্বাসন” — মুখ্যমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা, Gr-C/D পরীক্ষা নির্ধারিত

চাকরিহারা শিক্ষক-কর্মীদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নতুন দিশা

চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য রাজ্য সরকারের নতুন দিশা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিক ঘোষণা চাকরিহারাদের মনে জাগালো নতুন আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গ সরকার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য এক মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন, যা চাকরিহারাদের জীবনে নতুন দিশা দেখাতে চলেছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক এই পরিকল্পনার মূল দিকগুলি।

আদালতের নির্দেশ মান্য করেও চাকরিহারাদের জন্য বিকল্প সুযোগ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার

যোগ্য (Untainted) শিক্ষকদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

  • অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি: ১০-১২ বছর চাকরি করা শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত ১০% নম্বর দেওয়ার প্রস্তাব।
  • সংরক্ষিত আসন: মোট শূন্যপদের ৩০% যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকদের জন্য সংরক্ষিত।
  • পরীক্ষার মাধ্যমে পুনর্বহাল: সরাসরি নয়, পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে পুনরায় চাকরিতে ফেরা যাবে।

গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের জন্য নতুন পথ

  • নতুন পরীক্ষা: শিক্ষকদের নিয়োগ শেষ হওয়ার ২-৩ মাসের মধ্যে Gr-C ও Gr-D পরীক্ষার আয়োজন।
  • অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন: দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আইনি স্বীকৃতির উপায় খুঁজছে সরকার।

‘অযোগ্য’ (Tainted) শিক্ষকদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা

  • বিকল্প পদ: আদালতের কারণে শিক্ষক পদে ফিরতে পারবেন না, তবে Gr-C বা সমতুল্য পদে পুনর্বাসনের সম্ভাবনা।
  • আইনি পরামর্শ: বিষয়টি নিয়ে সরকারের আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ চলছে, শীঘ্রই ঘোষণা হতে পারে।
সরকারের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে—এটি কেবল রাজনৈতিক নয়, মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

চাকরিহারা শিক্ষক ও কর্মীদের জীবনে আশার আলো জ্বালাতে এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, এখন সেটাই দেখার। তবে সরকারের মানবিক মনোভাব নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

© 2025 | শিক্ষা ও সমাজ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog