SSC মামলা আপডেট: সুপ্রিম কোর্টের রায় — ২৬,০০০ চাকরির স্থিতি চূড়ান্ত
কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল — সুপ্রীম কোর্ট আজ আবেদনসমূহ খারিজ করেছেন
সংক্ষিপ্ত সারমর্ম
আজকের শুনানির বিশদ বিবরণ
আজ সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে তিনটি প্রধান মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত কড়া ভাষায় অযোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে—বিশেষত এসএসসি কর্তৃপক্ষ কেন অ্যাডমিট কার্ড জারি করলো, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত বলেছে যে, যখন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে 'দাগী' প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসতে নিষেধ করেছিল, তখনও এই মতবিরোধ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আঘাত।
আদালতের কঠোর পর্যবেক্ষণ
বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মন্তব্য করেন যে— এসএসসি নিজেই প্রার্থীদের সমর্থন করছে, ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে এবং পুনরায় নিয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে। এই ঘটনাকে আদালত 'বেদনাদায়ক' বলে অভিহিত করেন এবং অনিয়মের কড়া নিন্দা করেন।
আবেদনকারীদের পক্ষের যুক্তি
আবেদনকারীদের আইনজীবীরা বলেন, তাদের ক্লায়েন্ট নির্দোষ; তারা পূর্বের রায় চ্যালেঞ্জ করছেন এবং সময় ও সুযোগ চান যাতে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন। তাঁদের এক যুক্তি ছিল—২০১৬ সালে ঘোষণা করা শূন্যপদ শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ২০২৫ সাল নাগাদ হ্রাস পেয়েছে, ফলে এ বিষয়ে সহানুভূতিশীল বিবেচনার দাবি।
সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত
সুপ্রিম কোর্ট আবেদনকারীদের সবই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে করে দেয়। আদালত বলে যে এই বিষয়গুলো পূর্বেও বিবেচিত হয়েছে; আবেদনকারীরা নির্দিষ্ট পদ, স্তর ও বিষয় উল্লেখ করে তাদের দাবি সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেনি। আদালত পরীক্ষার তারিখ পিছানোর অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছেন এবং জানান যে, কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করা হবে যেখানে প্রকৃতভাবে কোন শূন্যপদই পাওয়া না যায়। অবশেষে প্রধান মামলাসহ সমস্ত আবেদন খারিজ করা হয় — ফলে ২৬,০০০ চাকরি বাতিল সিদ্ধান্তই স্থায়ী হিসেবে রয়ে গেল।
মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মূল মামলাটি খারিজ করে বলেন যে বিষয়গুলি আগেই বিচার্য হয়েছে। বিবিধ আবেদন (রাজ্য সরকারের দায়েরকৃত) ও অন্যান্য এসএলপি খারিজ করা হয় কারণ আদালত সহানুভূতি প্রদর্শনের কারণ দেখেননি। এই রায়ে আবেদনকারীদের আর কোনো রেহাই নেই।
মূল প্রাসঙ্গিক পয়েন্ট (সংক্ষেপে)
সুপ্রিম কোর্ট আজ সব আবেদন খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে বহাল রাখল — প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ বাতিলই চূড়ান্ত।
এসএসসির আচরণ—অ্যাডমিট কার্ড জারি, ওএমআর বিকৃতি ইত্যাদি—আদালতকে তীব্রভাবে বিতলিত করেছে; বিচার ব্যবস্থা এতে ভুক্তভোগী হয়েছে।
পরীক্ষা পেছানো আহ্বান, বিশদ পদবিবরণ না দেখানো—সবই আদালত নাকচ করেছে; পুনর্বিবেচনার সুযোগ সীমিত।
ইতিহাস ও পরবর্তী পথ
এই রায় একটি স্পষ্ট বার্তা — নিয়োগে অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয় এবং উচ্চ আদালত ব্যবস্থা কঠোরভাবে দেখছে। প্রাসঙ্গিক পক্ষ যদি কোনো নতুন, নির্দিষ্ট ও শক্ত প্রমাণ দাখিল করে, তবেই পুনর্বিবেচনা হতে পারে; নতুবা সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
সম্পর্কিত বিবেচনা
- প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ বাতিল — লক্ষাধিক প্রার্থীর জীবনে তা গভীর প্রভাব ফেলবে।
- এসএসসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়বোধ ও আচরণ বিচারিক তদন্তের দৃষ্টিতে এসেছে।
- এ রায় ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা রক্ষা ও জবাবদিহিত্ব নিশ্চিত করতে একটি নজির স্থাপন করে।
তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া & পরামর্শ
যেসব প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে পরামর্শ— উপযুক্ত আইনি পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পন্থা নির্ধারণ করুন। পাশাপাশি, নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ও ন্যায্য হচ্ছে—এ বিষয়ে সামাজিক ও আইনগত অনুশীলন অব্যাহত থাকবে।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে








0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন