Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 10 September 2025

বাংলাদেশি বলা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের কেন্দ্রকে তীব্র প্রশ্ন

বাংলাদেশি বলা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের কেন্দ্রকে তীব্র প্রশ্ন

‘কাউকে কি এভাবে বলতে পারেন বাংলাদেশি?’ – কলকাতা হাইকোর্টের তীব্র প্রশ্ন কেন্দ্রের উদ্দেশে

Y বাংলা ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিতর্ক, মানবাধিকার এবং আইনের লঙ্ঘন – এই তিনের কেন্দ্রে উঠে এল দিল্লির ঘটনাটি। কাজের উদ্দেশ্যে পরিবারসহ দিল্লিতে গিয়েছিলেন বীরভূমের দুই পরিবার। অথচ তাঁদের আটক করে বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করা হয় এবং মাত্র দু’দিনের মধ্যে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। এই ঘটনায় এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চের শুনানিতে উঠে আসে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, যা দেশের নাগরিকত্ব আইন ও মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ।

ঘটনার পটভূমি

বীরভূম জেলার দুই পরিবার কাজের সন্ধানে দিল্লি গিয়েছিলেন। তাঁদের আটকের পরে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করা হয়। এন কাটজু মার্গ থানায় আটক রাখার কয়েকদিন পরেই তাঁদের জোর করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আত্মীয়রা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁরা আদালতের কাছে আবেদন জানান, যেন ওই দুই পরিবারকে ফেরত এনে তাঁদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়।

বিচারপতির কঠিন প্রশ্ন

শুনানির সময় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী কেন্দ্রের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, “২৪ জুন অর্ডার হল, আর মাত্র দু’দিনের মধ্যে এদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিলেন? কীভাবে এত তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিলেন এরা বাংলাদেশি?” আদালতের বক্তব্য, আইনের ২১ নম্বর ধারায় অন্তত ৩০ দিন আটক রেখে তদন্ত করার কথা বলা হয়েছে। তা না মানা কেন?

বিচারপতি আরও বলেন, “শীর্ষ আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়েছে। একজন স্পেশাল ইনফর্মারের কথায় ভিত্তি করে কীভাবে নাগরিকত্ব নির্ধারণ করলেন? কাউকে কি এভাবে বলা যায় ‘বাংলাদেশি’?” এই মন্তব্য কেন্দ্রের আইনজীবীকে কার্যত কোণঠাসা করে।

কেন্দ্রের আইনজীবীর যুক্তি ও আদালতের প্রতিক্রিয়া

কেন্দ্রের আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী বলেন, “মামলাটি দিল্লিতে রয়েছে। এরা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য লুকিয়েছে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নেই।” তাঁর সওয়াল শুনে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী পাল্টা প্রশ্ন করেন, “আপনি কি মনে করেন যদি এরা কলকাতায় আটক হত, তাহলে শুধু এই আদালত শুনানি করত? বহিষ্কৃত ব্যক্তির কি আর কোনও সমাধান নেই?”

অন্যদিকে আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী বলেন, “এরা আজ পর্যন্ত হলফনামায় বলেননি যে তাঁরা বাংলাদেশি নাগরিক নন।” বিচারপতির পাল্টা মন্তব্য, “অর্ডারে আপনার অফিসার লিখেছেন বাংলাদেশি বস্তি থেকে আনা হয়েছে। তাহলে আপনি কারণ জানাতে বাধ্য। কোথায় ভিত্তি নিয়ে তাঁদের বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন?”

মানবাধিকার বনাম নিরাপত্তা – আদালতের অবস্থান

আদালত স্পষ্ট জানায়, শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে অন্য দেশের নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। আইনের বিধান অনুসারে যথাযথ তদন্ত ছাড়া কোনও ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। বিচারপতির বক্তব্য, “নিরাপত্তার প্রশ্ন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই মানবাধিকার রক্ষাও সমান জরুরি। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নামে আইনের পথ এড়ানো যায় না।”

এখানে আদালতের অবস্থান পরিষ্কার – সন্দেহভাজন হলেও অন্তত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নাগরিকত্ব যাচাই করতে হবে। অন্যথায় এটি আন্তর্জাতিক আইন এবং ভারতের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট

ঘটনাটি শুধু আইনি নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাগরিকত্ব নিয়ে এই ধরনের তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া দেশের রাজনৈতিক বিভাজন বাড়াতে পারে। একদিকে নিরাপত্তার যুক্তি, অন্যদিকে মানবাধিকারের প্রশ্ন – দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখাই সরকারের দায়িত্ব। আদালত এই ভারসাম্য রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্র বলেন, “কাউকে তার পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে ফেরত পাঠানো শুধু মানবাধিকার নয়, বিচারব্যবস্থার ওপরও আঘাত।” আদালত মনে করছে, নাগরিকত্ব নিয়ে স্বচ্ছতা না থাকলে প্রশাসনের ওপর বিশ্বাস নষ্ট হয়।

পরবর্তী শুনানি ও সম্ভাব্য নির্দেশ

শুনানির শেষে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা সরিয়ে রাখলেও আগামী বৃহস্পতিবার আবার শুনানির দিন ধার্য করেছে। আদালতের পক্ষ থেকে মামলাকারী আইনজীবীকে প্রশ্ন করা হয়েছে, “আপনারা বহিষ্কারের অর্ডার চ্যালেঞ্জ করেননি কেন? না করলে আদালত কী ভিত্তিতে শুনানি করবে?” আদালত চাইছে এই মামলার প্রক্রিয়াগত ও আইনি ভিত্তি পরীক্ষা করতে।

আইনি মহলের মতে, আগামী শুনানিতে আদালত কেন্দ্রের আইনজীবীকে আরও কঠিন প্রশ্ন করতে পারে। একই সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় নতুন দিশা দেখাতে পারে। মানবাধিকার সংস্থা এবং আইনজীবীরা আদালতের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তির বক্তব্য শুনতে হবে। আইনের ধারা অনুযায়ী আটক রেখে তদন্ত না করলে তা আইনের অপব্যবহার। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলি এর আগে বহুবার বলেছে, দ্রুত ফেরত পাঠানো এবং নাগরিকত্বের নামে তাড়াহুড়ো করা মানবাধিকারের পরিপন্থী। আদালতের এই অবস্থান মানবাধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

RRB Group D পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, বিস্তারিত জেনে নিন

RRB Group D পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, বিস্তারিত জেনে নিন

প্রকাশ্যে এল RRB গ্রুপ ডি পরীক্ষার তারিখ, জানুন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ্যে এল রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ডের (RRB) গ্রুপ ডি পরীক্ষার তারিখ। আগামী ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে পরীক্ষা, যা ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত একাধিক শিফটে চলবে। এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন প্রায় ১.০৮ কোটি প্রার্থী। শূন্য পদ রয়েছে মোট ৩২,৪৩৮টি। পরীক্ষা সংক্রান্ত সময়সূচি, পরীক্ষার বিষয়বস্তু, শহর নির্ধারণ, অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড এবং PET পরীক্ষার নিয়মসহ যাবতীয় তথ্য এখানে তুলে ধরা হল।

পরীক্ষার সময়সূচি ও কাঠামো

RRB গ্রুপ ডি CBT পরীক্ষা ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হবে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন শিফটে চলবে। প্রতিদিন তিনটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া হবে:

  • প্রথম শিফট: সকাল ৯:০০ – রিপোর্টিং ৭:৩০, গেট বন্ধ ৮:৩০
  • দ্বিতীয় শিফট: দুপুর ১২:৪৫ – রিপোর্টিং ১১:১৫, গেট বন্ধ ১২:১৫
  • তৃতীয় শিফট: বিকেল ৫:০০ – রিপোর্টিং ৩:৩০, গেট বন্ধ ৪:০০

প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে নির্ধারিত সময় মেনে পরীক্ষাস্থলে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য ৯০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।

পরীক্ষার বিষয়বস্তু

পরীক্ষায় মোট প্রশ্ন হবে চারটি প্রধান বিভাগ থেকে:

  • সাধারণ বিজ্ঞান
  • অংক ও গণিত
  • সাধারণ অ্যাফেয়ার্স ও জেনারেল নলেজ
  • রিজনিং বা যুক্তি ভিত্তিক প্রশ্ন

প্রতিটি বিভাগ থেকে প্রশ্ন থাকবে এবং পরীক্ষার উদ্দেশ্য হল প্রার্থীদের সাধারণ দক্ষতা যাচাই করা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ন্যূনতম নম্বর অর্জন বাধ্যতামূলক।

সিটি স্লিপ ও অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড

পরীক্ষার ১০ দিন আগে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সিটি স্লিপ প্রকাশ করা হবে। এতে পরীক্ষার শহরের নাম আগে থেকেই জানানো হবে, যাতে ভ্রমণের পরিকল্পনা সহজ হয়। পরীক্ষার ৪ দিন আগে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড লিংক সক্রিয় হবে।

প্রার্থীরা রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে rrbcdg.gov.in অথবা সংশ্লিষ্ট RRB আঞ্চলিক ওয়েবসাইট থেকে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। সেখানে পরীক্ষার কেন্দ্রের ঠিকানা, শিফট সময় এবং অন্যান্য নির্দেশাবলী উল্লেখ থাকবে।

শহর নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্ধারণ

অনলাইনে ফর্ম পূরণের সময় প্রার্থীরা পছন্দ অনুযায়ী পরীক্ষার শহর নির্বাচন করতে পারবেন। তবে পরীক্ষার আসল কেন্দ্রের ঠিকানা অ্যাডমিট কার্ডে প্রকাশ করা হবে। এর পাশাপাশি পরীক্ষার দিন ও সময় সংক্রান্ত তথ্য সেখানে উল্লেখ থাকবে। পরীক্ষার শহর আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হবে যাতে প্রার্থীরা যাতায়াতের পরিকল্পনা করতে পারেন।

PET পরীক্ষার নিয়মাবলী

CBT পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরে Physical Efficiency Test (PET) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই পরীক্ষায় পুরুষ ও মহিলা প্রার্থীদের জন্য আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য:

  • পুরুষ প্রার্থীদের জন্য: ১০০০ মিটার দৌড় ৪ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে শেষ করতে হবে। এছাড়া ৩৫ কেজি ওজন নিয়ে দুই মিনিটে নির্ধারিত দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে।
  • মহিলা প্রার্থীদের জন্য: ১০০০ মিটার দৌড় ৫ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে শেষ করতে হবে। এছাড়া ২০ কেজি ওজন নিয়ে ১০০ মিটার দৌড় দুই মিনিটে শেষ করতে হবে।

PET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই পরবর্তী ধাপে প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগোবে। এই পরীক্ষা শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীর সংখ্যা

এই বছর প্রায় ১.০৮ কোটি প্রার্থী RRB Group D পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা পরিচালনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ড সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্র, সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট, নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তির সাহায্যে পরীক্ষাকে নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন পর্যায়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে বিশেষ পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরীক্ষার আগে সময়সূচি বুঝে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পরীক্ষার দিনের সকালে তাড়াহুড়ো করলে শেষ মুহূর্তের চাপ বাড়ে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরীক্ষার্থীদের পরামর্শ:

  • পরীক্ষার দিন অন্তত এক ঘণ্টা আগে কেন্দ্রস্থলে পৌঁছান।
  • প্রয়োজনীয় নথি – অ্যাডমিট কার্ড, পরিচয়পত্র ইত্যাদি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন।
  • পরীক্ষার বিষয় অনুযায়ী সময় ভাগ করে পড়াশোনা করুন।
  • শারীরিক পরীক্ষার জন্য আগে থেকেই অনুশীলন শুরু করুন।
  • সর্বশেষ সময় পর্যন্ত প্রযুক্তি আপডেট – যেমন অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোডের লিংক পরীক্ষা করুন।

রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিডিওকে তালাবন্দি করলেন গ্রামবাসীরা

রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিডিওকে তালাবন্দি করলেন গ্রামবাসীরা

রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিডিওকে তালাবন্দি করলেন গ্রামবাসীরা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় ব্লকের নারমা গ্রামপঞ্চায়েতের মাগুরিয়াতে মঙ্গলবার এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার সাক্ষী থাকল স্থানীয় প্রশাসন। ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে হঠাৎ হাজির হয়ে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে গ্রামবাসীরা বিডিও কৌশিক প্রামাণিককে তালাবন্দি করেন। প্ল্যাকার্ড হাতে মহিলারা জবাব চান—“কানাইসাগর গ্রামে রাস্তা হয়নি কেন? জবাব চাই!” উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।

ঘটনার বিস্তারিত

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ কেন্দ্রে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিডিও কৌশিক প্রামাণিক, পঞ্চায়েত প্রধান শতরূপা মাইতি নায়েকসহ জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই শিবিরে দলে দলে মহিলারা হাজির হন। হাতে প্ল্যাকার্ড—তাতে লেখা, “কানাইসাগর গ্রামে রাস্তা হয়নি কেন জবাব চাই, জবাব দাও।” গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বহুবার আবেদন জানানো হলেও রাস্তা সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে তাঁরা প্রশাসনের সামনে সরাসরি জবাব চাইতে হাজির হন।

হঠাৎ করেই পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা বিডিওকে ঘিরে ধরেন এবং তাঁকে অফিসের ভিতরে তালাবন্দি করে রাখেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিডিও, পঞ্চায়েত প্রধানসহ প্রশাসনের সদস্যরা প্রায় এক ঘণ্টা আটকে থাকেন। পরে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও গ্রামবাসীদের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় থাকে। বিডিও বাইরে বেরোলে মহিলারা প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁকে কার্যত ধাওয়া করেন।

গ্রামবাসীদের দাবি

গ্রামের মানুষের বক্তব্য পরিষ্কার। তাঁদের অভিযোগ, কানাইসাগর গ্রামে বহুদিন ধরে রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়নি। বর্ষাকালে কাদায় ভরা রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র কিংবা বাজারে যাতায়াত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পে রাস্তা সংস্কারের কথা বলা হলেও বাস্তবে কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে তাঁরা সরাসরি প্রশাসনের কাছে জবাব দাবি করেন।

এক মহিলা বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা বহুবার আবেদন জানিয়েছি। কাজ হয়নি। আজ আর অপেক্ষা করতে পারলাম না। আমাদের পাড়ার উন্নয়ন চাই। না হলে প্রতিদিন দুর্ভোগে থাকতে হবে।” তাঁর বক্তব্যে গ্রামীণ মানুষের হতাশা এবং প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পরে বিডিও কৌশিক প্রামাণিক বলেন, “রাস্তা নিয়ে মানুষের একটি দাবি ছিল। আগে কখনও কেউ দাবি জানায়নি। হঠাৎ এসে বিক্ষোভ দেখায়। তবুও আমরা তথ্য নিয়েছি। রাস্তাটি ছোট হলে দ্রুত সংস্কার করা হবে। বড় হলে একটু সময় লাগতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “দৌড়ে পালাইনি। গাড়িতে উঠতে গিয়েছিলাম।” তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা দেখা যায়।

পঞ্চায়েত প্রধান শতরূপা মাইতি নায়েক এই বিক্ষোভকে ‘চক্রান্ত’ বলে মনে করেন। তিনি বলেন, “চক্রান্ত না-হলে বিডিও-কে তালাবন্দি করে রাখেন? আলোচনায় বসতে রাজি হননি কেউ। এই ধরনের অশান্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে।” তিনি জানান, রাস্তা সংস্কারের কাজ ‘পথশ্রী’ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসারে কাজ হবে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

এদিকে বিরোধী শিবির এই বিক্ষোভের পাশে দাঁড়িয়েছে। নারায়ণগড়ের বিজেপি নেতা গৌরীশঙ্কর অধিকারী বলেন, “এখানে আমাদের সংগঠনের এত জোর কোথায় যে হঠাৎ করে দু’শো মহিলা নিয়ে জমায়েত করতে পারব? ওই এলাকার একাধিক রাস্তা খারাপ। তাই স্থানীয় মহিলারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন।” তাঁর বক্তব্যে গ্রামীণ উন্নয়ন ঘিরে প্রশাসনের ব্যর্থতার ইঙ্গিত স্পষ্ট।

রাজনৈতিক মহলের মতে, গ্রামীণ সমস্যা অবহেলার ফলে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বেড়েছে। বিক্ষোভ সংগঠিত না হলেও প্রকৃত সমস্যা বাস্তব এবং এর সমাধান জরুরি। গ্রামবাসীদের দাবি অগ্রাহ্য করলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আশঙ্কা রয়েছে।

গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবতা

পথশ্রীসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ রাস্তা সংস্কারের কথা বলা হলেও অর্থ বরাদ্দ, প্রকল্পের অগ্রাধিকার, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে কাজ আটকে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, বহু প্রকল্প কাগজে থাকলেও বাস্তবে অগ্রগতি কম। গ্রামীণ মানুষের অভিযোগ, তাঁরা সরকারি দপ্তরে আবেদন করলেও নজর দেওয়া হয় না।

এই বিক্ষোভ দেখিয়ে দিল গ্রামীণ সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজন। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। শুধু প্রকল্প ঘোষণাই নয়, মাঠপর্যায়ে কাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হতে পারে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে মতবিরোধ আরও তীব্র হতে পারে। গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংলাপ, প্রকল্পের বাস্তবায়নের স্পষ্ট সময়সীমা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা না গেলে এই ধরনের বিক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গ্রামীণ অঞ্চলে উন্নয়নের দাবিকে গুরুত্ব না দিলে তা বৃহত্তর গণঅসন্তোষে রূপ নিতে পারে। প্রশাসনের উচিত জনমতের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে কাজ করা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন উদ্যোগ নেওয়া।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নেপালের অস্থিরতা ও ভারতের উদ্বেগ: Gen Z বিক্ষোভে উত্তাল প্রতিবেশী দেশ

নেপালের অস্থিরতা ও ভারতের উদ্বেগ: Gen Z বিক্ষোভে উত্তাল প্রতিবেশী দেশ

নেপালের অস্থিরতা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ: Gen-Z বিক্ষোভে ভেঙে পড়েছে রাজধানী কাঠমাণ্ডু

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: সোশাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতা থামার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। Gen-Z তরুণদের নেতৃত্বে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি অফিসে আগুন, শহরজুড়ে কারফিউ এবং সহিংসতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী এবং পুরো মন্ত্রিসভার পদত্যাগ দেশকে আরও সংকটে ফেলেছে। প্রতিবেশী হিসেবে ভারত নজর রাখছে পরিস্থিতির দিকে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

Gen-Z বিক্ষোভের পটভূমি

নেপালের তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে Gen-Z, শিক্ষাব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা, বেকারত্ব, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিল। সোশাল মিডিয়ায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়েছে। কিছুদিন আগে সোশাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি হলে প্রতিবাদ আরও ব্যাপক হয়। এখন, হাজার হাজার তরুণ রাস্তায় নেমে এসেছে। তাদের দাবি শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তোলা।

বিক্ষোভের প্রথম দিকে শান্তিপূর্ণ হলেও, পরবর্তীতে তা সহিংস রূপ ধারণ করে। রাজধানী কাঠমাণ্ডু সহ বহু শহরে সরকারি অফিসে আগুন দেওয়া হয়। পরিবহন বন্ধ, দোকানপাট বন্ধ, হাসপাতালগুলোতে জরুরি পরিষেবা সংকটে পড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

সরকার পতনের নাটকীয়তা

বিক্ষোভের চাপের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। নেপালি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি হেলিকপ্টারে চড়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার ফলে প্রশাসনিক কাঠামো অচল হয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাতে পরিস্থিতির সাময়িক উন্নতি ছাড়া স্থায়ী সমাধান আসেনি।

রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সেনাশাসনের সম্ভাবনা এবং বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়ালেও নেপালি প্রশাসন তা অস্বীকার করেছে। তবে রাজনৈতিক শূন্যতার ফলে চরমপন্থী গোষ্ঠী এবং ভারত-বিরোধী শক্তি সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।

ভারতের উদ্বেগ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা

প্রতিবেশী দেশের সংকটে ভারতের দৃষ্টি ছিল শুরু থেকেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশাল মিডিয়ায় নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “নেপালের স্থিতিশীলতা, উন্নতি এবং শান্তিরক্ষা ভারতের প্রাথমিক গুরুত্ব। আমার নেপালি ভাই-বোনেদের কাছে আবেদন, আপনারা শান্তির পক্ষে থাকুন।” তিনি তরুণদের প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার জন্য জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকেন।

ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক ইতিমধ্যে নেপালে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে। কাঠমাণ্ডু এবং অন্যান্য শহরে কারফিউ জারি হওয়ায় যাতায়াত সীমিত হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ভারতীয় নাগরিকদের নেপাল সফর এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়াও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠক ডেকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে যাতে অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে ভারত-বিরোধী গোষ্ঠীগুলি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

ভারতের অবস্থান: শান্তি বজায় রাখা, হস্তক্ষেপ নয়

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও সরাসরি হস্তক্ষেপের পথে এগোতে চাইছে না। ভারতের লক্ষ্য হচ্ছে স্থিতিশীল প্রতিবেশী বজায় রাখা এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নেপালি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি মানবাধিকার রক্ষায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তারা কোনো পক্ষের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়াতে আগ্রহী নয়। বরং শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের পক্ষে কাজ করতে চায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নেপালের এই অস্থিরতা শুধু অভ্যন্তরীণ সংকট নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দেশটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির জন্য অপরিহার্য। ভারতের অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং সীমান্ত নিরাপত্তার সঙ্গে নেপালের স্থিতিশীলতা ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।

ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি: কী হতে পারে?

বিশ্লেষণ বলছে, নেপালে একাধিক রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে পারে। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির মধ্যস্থতার প্রস্তাবও আসতে পারে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আহ্বান জানাতে পারে।

ভারত ইতিমধ্যেই সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে। প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা পাঠানো হতে পারে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে নেপালের রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এদিকে, নেপালের সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভক্তি দেখা যাচ্ছে। কেউ বিক্ষোভের পক্ষে, কেউ আবার সহিংসতার বিরুদ্ধে। শান্তি ফিরিয়ে আনতে নাগরিক সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। সামাজিক মাধ্যমে সংগঠিত যুবসমাজের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এটি দক্ষিণ এশিয়ায় গণতান্ত্রিক দাবি তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকতে পারে।

সব মিলিয়ে, নেপালের অস্থিরতা শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়—এটি মানবিক, সামাজিক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য এক গভীর চ্যালেঞ্জ। প্রতিবেশী হিসেবে ভারত সবরকম সহযোগিতা, সতর্কতা এবং কূটনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে শান্তির পথে এগিয়ে যেতে চাইছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Tuesday, 9 September 2025

ইলিশ নিয়ে তোলাবাজির অভিযোগ! ডায়মন্ড হারবারে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা

ইলিশ নিয়ে তোলাবাজির অভিযোগ! ডায়মন্ড হারবারে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা

ইলিশ নিয়ে তোলাবাজির অভিযোগ! ডায়মন্ড হারবারে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা

Y বাংলা ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবারও তোলাবাজির অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়েছে। ইলিশ (Hilsa Fish) নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ডায়মন্ড হারবার অঞ্চলে মাছ পরিবহনকারী ছোটো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পুলিশ গাড়ি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা তোলা আদায় করছে। দাবি মতো অর্থ না দিলে মাছ ভর্তি গাড়ি আটকে রেখে পরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।

ভিডিও পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ

সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারী তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওতে দেখা যায় ইলিশ ভর্তি একটি গাড়িকে আটক রাখা হয়েছে। ভিডিও শেয়ার করে তিনি লিখেছেন: “ডায়মণ্ড হারবার মডেল – তোলাবাজ পুলিশের ইলিশ চুরি!!! মমতা পুলিশের তোলাবাজি দিনকে দিন দুর্নীতির নতুন শৃঙ্গ উত্তরণ করছে। সরকারি বেতনে অসন্তুষ্ট এই আদ্যোপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত তথাকথিত ‘আইন রক্ষক’-দের দল নিজেরাই চৌর্যবৃত্তির পথ অবলম্বন করছে। ডাকাত সম্রাটের ডায়মন্ড হারবার মডেল এই চুরির সাম্রাজ্য বিস্তার করছে।”

গাড়ি আটকে ইলিশ বিক্রি: অভিযোগের বিস্তারিত

শুভেন্দুর অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবারের মাছের আড়ৎ থেকে ইলিশ মাছ কিনতে যাওয়া ছোটো ছোটো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পুলিশের দাবি মতো তোলা দিতে না পারলে তাদের গাড়ি আটকে রাখা হয়। পুলিশ দাবি করছে ব্যবসায়ীরা নাকি ছোট ইলিশ কিনেছে এবং সে জন্য তাদের আটক রাখা হচ্ছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা জানান তারা বড় ইলিশ কিনেছেন, ছোট ইলিশ নয়। তবুও পুলিশ তাদের কথা শুনছে না।

তিনি আরও লিখেছেন: “মগরা হাট থানার এক আধিকারিক সৈকত রায় একটি ইলিশ মাছ ভর্তি গাড়ি আটক করেন। মাছ ব্যবসায়ীরা তার দাবি মতো টাকা দিতে পারেননি। তারা জানান, তারা ছোটো ইলিশ কিনেননি। তবুও পুলিশ কর্ণপাত না করে গাড়িটি আটক রাখে। দিনশেষে তোলা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে আধিকারিক নিজেই গাড়ির ইলিশ বিক্রি করতে যান। ব্যবসায়ীরা সেখানে হাতে নাতে ধরে ফেলে এবং বিক্ষোভ দেখান। তাদের অভিযোগ, ইতিমধ্যেই দুই পেটি ইলিশ মাছ চুরি করে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

বিরোধী দলনেতা সরাসরি রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদান্যতায় এই রাজ্যের পুলিশ এখন ‘তোলাবাজ পুলিশ’-এর শিরোপা পেয়েছে। পুলিশ আর অপরাধী ধরার জন্য নয়, তোলাবাজির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তায় যত্রতত্র ট্রাক বা ছোটো বাণিজ্যিক গাড়ি থেকে তোলা আদায় করাই তাদের প্রধান কাজ। অর্থ দিতে না পারলে গাড়ির মাল চুরি করে বাজারে বিক্রি করছে। এটাই ডায়মন্ড হারবার মডেল।”

তিনি আরও বলেন, “এই সরকারকে তাড়াতেই হবে। নচেৎ বাংলার জনগণকে আরো কী দেখতে হবে তা ঈশ্বর ছাড়া কেউ জানে না।”

মাছ ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের কাছে অর্থ না থাকায় তারা পুলিশের দাবি মতো টাকা দিতে পারেননি। তাদের অভিযোগ, মাছের গাড়ি আটকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাখা হয়েছে। পরে পুলিশ গাড়ির মাল বিক্রি করতে গেলে ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। কেউ কেউ দাবি করেন যে পুলিশ ইতিমধ্যেই মাছ সরিয়ে বিক্রি করেছে। বাজারে তাদের ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং অনেকে বাধ্য হয়ে ব্যবসা ছাড়ার কথা ভাবছেন।

রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে

এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধী দল এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করছে। অন্যদিকে শাসক দলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঘটনার নিন্দা ছড়াচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন

আইনশৃঙ্খলার এমন অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, যদি পুলিশ প্রশাসন নিজেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক পরিবেশ দুটিই প্রশ্নের মুখে পড়বে। মাছ ব্যবসায়ীদের মতো নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ঘটতে পারে।

সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

রাজ্যের শাসক দল দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলে আসছে। কিন্তু বিরোধী দলের অভিযোগ প্রমাণ হলে তা প্রশাসনের দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনা কেবলমাত্র আইন ভঙ্গ নয়, বরং মানুষের বিশ্বাসের সংকট তৈরি করছে। সাধারণ নাগরিক পুলিশের ওপর আস্থা হারাতে পারেন।

আগামী দিনে কী হতে পারে?

বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে বিরোধী দলের আন্দোলন, গণমাধ্যমের নজরদারি এবং মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকলে বিষয়টি আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে এটি আইনশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে। অনেকেই দাবি করছেন স্বাধীন তদন্ত ও পুলিশি সংস্কার জরুরি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ব্যান্ডেলের তৃণমূল পার্টি অফিসে গাঁজার ঠেক! বিধায়কের অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি

ব্যান্ডেলের তৃণমূল পার্টি অফিসে গাঁজার ঠেক! বিধায়কের অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি

ব্যান্ডেলের তৃণমূল পার্টি অফিসে গাঁজার ঠেক! বিধায়কের অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি

ব্যান্ডেল, হুগলি: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে তৈরি হয়েছে তীব্র অস্বস্তির পরিস্থিতি। চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার নিজের চোখে দেখতে পেয়েছেন—ব্যান্ডেলের পার্টি অফিসের সামনে বসেছে গাঁজার ঠেক। সোমবার দলের এক কর্মসূচি শেষ করে ফেরার পথে এই দৃশ্য নজরে আসে তাঁর। প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের ভেতরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধী দল বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে।

ঘটনাস্থলে কী ঘটেছে?

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় ব্যান্ডেল মোড়ের কাছে পার্টির শ্রমিক সংগঠনের অফিসের সামনে কয়েকজন যুবক গাঁজা সেবনে ব্যস্ত ছিল। বিধায়ক অসিত মজুমদার তাঁদের হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে উপস্থিতরা ছুটে পালায়। ঘটনাটি জানিয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ডেল পুলিশ ফাঁড়িতে ফোন করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাশাপাশি ব্যান্ডেল পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং দলের কর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন।

পার্টি অফিস বন্ধের নির্দেশ

ঘটনা নিয়ে ক্ষুব্ধ বিধায়ক অসিত মজুমদার জানান, “যে পার্টি অফিসে গাঁজা বিক্রি হয় তা পার্টি অফিস হতে পারে না। এটা ধান্দাবাজদের আড্ডাখানা। তৃণমূল ধান্দাবাজ হতে পারে না।” তিনি আরো বলেন, “পার্টির পতাকার আড়ালে এমন কাজ হচ্ছে—এটা মেনে নেওয়া যায় না। এই অফিস আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।”

স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জানিয়েছেন, “বিধায়ক নির্দেশ দিয়েছেন অফিস বন্ধ রাখতে। ড্রাইভার ও খালাসিরা বসে গাঁজা খাচ্ছে। তবে আগে এমন অভিযোগ কখনও ওঠেনি।”

বিজেপির পালটা মন্তব্য

হুগলি জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বলেন, “তৃণমূল পার্টি অফিসে জুয়া, সাট্টা, মদ, গাঁজা—এসব তো হবেই! নির্বাচন আসতেই বিধায়ক ভাবমূর্তি বাঁচাতে চাইছেন।” তাঁর দাবি, শাসক দলের মধ্যে শৃঙ্খলার অভাব প্রকট।

পূর্ব ইতিহাস ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

তৃণমূলের অন্দরে এটি প্রথম নয়। বিভিন্ন সময়ে পার্টির স্থানীয় স্তরে মাদক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংগঠনের নিচুতলার কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা তৃণমূলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইবে।

অন্যদিকে, বিধায়কের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, “আমরা দলের সম্মান রক্ষা করতে চাই। যদি কোথাও ভুল হয়, সেটা প্রকাশ্যে তুলে ধরাই আমাদের কর্তব্য।” এই ঘটনার পর পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বলে খবর।

যুবসমাজের ভূমিকা

স্থানীয় যুবসমাজের একাংশ দাবি করছে, পার্টির নিচুতলার কিছু সদস্য রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থে মাদক ব্যবসা করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই #StopDrugInPolitics, #CleanPartyOffice ট্রেন্ডিং শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা তরুণ ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াতে পারে।

প্রশাসনের ভূমিকা

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে তদন্ত চলছে। পার্টির পক্ষ থেকেও অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

উপসংহার

ব্যান্ডেলের এই ঘটনা শুধু একটি পার্টি অফিসে গাঁজা সেবনের অভিযোগ নয়। এটি সংগঠনের শৃঙ্খলার অভাব, রাজনৈতিক নৈতিকতার সংকট এবং নির্বাচন-পূর্ব অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি। রাজনীতির মাঠে এই বিতর্ক আগামী দিনে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নজরে রাখছে সবাই।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

📌 হ্যাশট্যাগ: #তৃণমূল #TrinamoolCongress #গাঁজা #মাদক #রাজনীতি #ব্যান্ডেল #অসিতমজুমদার #বিজেপি #পশ্চিমবঙ্গ #রাজনৈতিকবিতর্ক #StopDrugInPolitics #CleanPartyOffice

নেপালে অস্থিরতা: Gen Z-এর চাপ, বালেন শাহর উত্থান এবং প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগ

নেপালে অস্থিরতা: Gen Z-এর চাপ, বালেন শাহর উত্থান এবং প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগ

নেপালে অস্থিরতা: Gen Z-এর চাপ, বালেন শাহর উত্থান এবং প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগ

নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মাত্র এক দিনের মধ্যে শুরু হওয়া আন্দোলন দেশব্যাপী বিস্তার লাভ করেছে এবং অবশেষে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে। এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দেশের তরুণ প্রজন্ম, যাদের অনেকেই বালেন শাহকে নেতৃত্বের আসনে দেখতে চান। তাঁর ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়তা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে এক অনন্য রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেছে।

আন্দোলনের পটভূমি

সোমবার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু হলেও দ্রুতই কাঠমাণ্ডুসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র, তরুণ পেশাজীবী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সমর্থনে আন্দোলনের গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আন্দোলনের পেছনে তরুণ নেতৃত্বের উত্থান এবং সরকারের প্রতি দীর্ঘদিনের অসন্তোষ বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে বালেন শাহর নাম বারবার সামনে আসছে।

বালেন শাহ: সাধারণ মানুষের নায়ক

বালেন শাহ কোনো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান নন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন এবং পরে র‍্যাপ শিল্পী হিসেবে নিজের নাম তৈরি করেন। এরপর রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন এবং কাঠমাণ্ডুর মেয়র নির্বাচনে জয়ী হন। তাঁর জীবনযাপন, পোশাক, গাড়ির সংগ্রহ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহসী মতামতের জন্য তিনি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

'টাইম ম্যাগাজিন'-এর ২০২৩ সালের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। পাশাপাশি ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর মতো বিশ্বখ্যাত মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তাঁকে বিশেষভাবে তুলে ধরে। ভারতীয় সিনেমার বিরোধিতা এবং নেপালের নাগরিকদের অধিকার নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বক্তব্য তরুণদের মধ্যে বিপুল সমর্থন পায়। তাঁর উদ্যোগ #Nepokid ট্রেন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবারের বিলাসী জীবনযাত্রার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তৈরি হয়।

Gen Z-এর সমর্থন এবং সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা

নেপালের তরুণ সমাজের মধ্যে বালেন শাহ এক আইডল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর উপস্থিতি আন্দোলনের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। Facebook, Instagram এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে তাঁর সমর্থনে হাজারো পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। ‘মাই রিপাবলিক সিটিজেন নেটওয়ার্ক’-এর রিপোর্ট অনুসারে, দেশের তরুণরা তাঁকে নতুন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিতে আহ্বান জানাচ্ছে। তাঁরা বিশ্বাস করেন, ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলো দেশের উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বালেন শাহর নেতৃত্বেই হতে পারে একটি নতুন রাজনৈতিক বিকল্প।

পুরোনো দ্বন্দ্ব এবং জনসমর্থনের ভিত্তি

কেপি শর্মা ওলি এবং বালেন শাহর মধ্যে দ্বন্দ্ব নতুন নয়। কাঠমাণ্ডু মেট্রোপলিটন সিটির ৩,৫০০ জন কর্মচারীর বেতন না পাওয়ার সময় বালেন তাঁদের পাশে দাঁড়ান। তখন থেকেই তরুণরা তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আকৃষ্ট হতে শুরু করে। এরপর তিনি বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন। ফলে তাঁর প্রতি তরুণদের বিশ্বাস আরও বাড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, বালেন শাহ সামনে না থাকলেও আন্দোলনের পেছনে তাঁর ভূমিকা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, তিনি আন্দোলনের পরিকল্পনা এবং সমর্থন জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং সম্ভাবনা

বালেন শাহকে কেন্দ্র করে তরুণ সমাজের মধ্যে যে আন্দোলন তৈরি হয়েছে তা নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করছে। তাঁকে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তাঁর ব্যক্তিত্ব, সাহসী বক্তব্য এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা তাঁকে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়া তাঁকে নজরে রাখছে, যা তাঁর প্রভাবকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নেপালের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তরুণরা বিশ্বাস করেন, নতুন নেতৃত্ব এবং নতুন ভাবনা ছাড়া দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। বালেন শাহ সেই নেতৃত্ব দিতে সক্ষম কিনা তা ভবিষ্যৎ বলবে। তবে তাঁর প্রতি জনসমর্থন নিঃসন্দেহে বিশাল।

উপসংহার

নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতা কেবল একটি সরকারের পতনের ঘটনা নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা, নেতৃত্বের প্রতি আকাঙ্ক্ষা এবং সামাজিক পরিবর্তনের আন্দোলনের বহিঃপ্রকাশ। বালেন শাহ তাঁর ব্যক্তিত্ব, সাহস এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা শুধু নেপালের মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচিত হচ্ছে। সামনে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কেমন হবে তা দেখার অপেক্ষায় দেশের তরুণরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসমে কংগ্রেসে যোগ দিলেন ৩ প্রাক্তন MLA, গৌরব গগৈয়ের স্বাগত

09 সেপ্টেম্বর 2025, নয়াদিল্লি: অসমের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। সোমবার নয়াদিল্লিতে গিয়ে তিন প্রাক্তন বিধায়ক আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন কংগ্রেসে। তাঁরা হলেন— ✔ বৈঠালাংসোরের প্রাক্তন BJP বিধায়ক মানসিং রংপি, ✔ সিপাঝাড়ের প্রাক্তন BJP বিধায়ক বিনন্দ শইকিয়া, এবং ✔ কমলপুরের প্রাক্তন BJP বিধায়ক সত্যব্রত কলিতা। দলে তাঁদের স্বাগত জানান অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ও সাংসদ গৌরব গগৈ। তিনি এই যোগদানকে অসম কংগ্রেসের জন্য একটি “মোড় ঘোরানো মুহূর্ত” বলে অভিহিত করেন। তাঁর বক্তব্য, “অসমের উন্নয়ন ও মানুষের স্বার্থে একত্র হয়ে কাজ করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” রাজনৈতিক মহলের মতে, এই যোগদান কংগ্রেসের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে এবং আসন্ন নির্বাচনের আগে দলের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে। বিশেষ করে বিভিন্ন অঞ্চলের নেতৃত্বের এই সমাগম গ্রামীণ ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নেপালে ছাত্র আন্দোলন: সুদান গুরুংয়ের নেতৃত্বে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি

নেপালে ছাত্র আন্দোলন: সুদান গুরুংয়ের নেতৃত্বে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি | আন্তর্জাতিক খবর

নেপালে ছাত্র আন্দোলন: সুদান গুরুংয়ের নেতৃত্বে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি

নেপালের রাজনীতিতে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গত সোমবার শুরু হওয়া ছাত্র-যুব আন্দোলনের তীব্রতা মঙ্গলবার এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে দেশের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এক তরুণ নেতা – সুদান গুরুং। তাঁর নেতৃত্বে হাজার হাজার তরুণ একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি প্রতিবেশী দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।

আন্দোলনের পটভূমি

সম্প্রতি নেপাল সরকার ফেসবুক, হোয়াট্‌সঅ্যাপসহ ২৬টি সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই সিদ্ধান্তের কারণে তরুণ সমাজে প্রবল অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। সুদান গুরুং এই ক্ষোভকে সংগঠিত করে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁর আহ্বানে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার তরুণ রাস্তায় নামেন এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন।

কে এই সুদান গুরুং?

সুদান গুরুং, বয়স ৩৬, নেপালের প্রান্তিক এলাকার এক সাধারণ পরিবারের সন্তান। ২০১৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “হামি নেপাল” নামের একটি সামাজিক সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ছাত্রদের সাহায্য করা। সুদানের ব্যক্তিগত জীবনে এক করুণ ঘটনা তাঁর সামাজিক জীবনকে নতুন দিশা দেয়। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে তিনি তাঁর সন্তানকে হারান। এরপর তিনি সমাজের জন্য কাজ শুরু করেন এবং শিক্ষার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

সুদান গুরুং আগে ডিসকো জকি হিসেবে পরিচিতি পান। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সংযোগ স্থাপনের দক্ষতা তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে ছাত্র-যুব সমাজে তাঁর প্রতি আস্থা তৈরি হয়। বর্তমানে তাঁর নেতৃত্বেই সবচেয়ে বড় ছাত্র আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে।

আন্দোলনের মুখ হওয়ার কারণ

  • নিজের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে জনসেবায় রূপান্তর করা।
  • গ্রামীণ ও দরিদ্র ছাত্রদের শিক্ষায় সহায়তা করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা।
  • ডিসকো জকি হিসেবে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের দক্ষতা।
  • সমাজমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তরুণদের ক্ষোভকে আন্দোলনে রূপ দেওয়া।
  • সমাজের প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরি করা।

আন্দোলনের বিস্তার

মঙ্গলবার আন্দোলন চরমে পৌঁছায়। শিক্ষার্থী, বেকার যুবক এবং সাধারণ নাগরিকরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। সেনা মোতায়েন, গ্রেফতার কিংবা নজরদারির মধ্যেও আন্দোলন থামানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ইস্তফা দিতে বাধ্য হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে আমূল বদলে দিতে পারে।

সমালোচনা ও প্রশ্ন

সুদান গুরুংয়ের নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বলছে, তাঁর জনপ্রিয়তা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সমর্থকরা বলছেন, তিনি ব্যক্তিস্বার্থ নয়, সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করছেন। নেপালের তরুণরা তাঁর নেতৃত্বে তাঁদের আশা দেখছে এবং অধিকারের জন্য একত্রিত হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেও আন্দোলন থামেনি। ছাত্ররা শিক্ষা ও যোগাযোগের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি নিয়ে রাস্তায় রয়েছেন। সুদান গুরুং বলেছেন, “তরুণদের কণ্ঠরোধ করা উচিত নয়। আমরা চাই সমাজের প্রতিটি স্তরে শিক্ষা এবং যোগাযোগের সুযোগ নিশ্চিত হোক।” তাঁর এই বক্তব্য দেশের তরুণদের মধ্যে আশার আলো জ্বালিয়েছে।

আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আন্দোলন নেপালের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে পারে। সুদানের নেতৃত্বে ছাত্রদের ঐক্য ভবিষ্যতে সমাজ পরিবর্তনের পথ দেখাবে।

হ্যাশট্যাগ

#SudanGurung #NepalProtest #StudentMovement #KPSharmaOli #HamiiNepal #SocialLeadership #YouthPower #DigitalBan #NepalPolitics #InternationalNews #BanglaReport #EducationForAll #HumanRights #PoliticalCrisis #বাংলা_নিউজ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভারতের নতুন উপররাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণণ

ভারতের নতুন উপররাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণণ

উপরাষ্ট্রপতি হলেন রাধাকৃষ্ণণ: এনডিএর ঐতিহাসিক জয়

ভারতের নতুন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন এনডিএ প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণণ। মোট ৪৫২ ভোট পেয়ে তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সুদর্শন রেড্ডিকে ১৫২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে পরিচিত রাধাকৃষ্ণণের নেতৃত্বে সংসদের নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে... ভারতের উপররাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ জোটের প্রার্থী সিপি রাধাকৃষ্ণণ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ৪৫২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, ইন্ডিয়া মঞ্চের প্রার্থী সুদর্শন রেড্ডি পেয়েছেন ৩০০ ভোট। অর্থাৎ ১৫২ ভোটের ব্যবধানে রাধাকৃষ্ণণ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে দেশের নতুন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেন। বর্তমানে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রাধাকৃষ্ণণ এবার দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন। এই নির্বাচনে তাঁর জয় দেশের রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্য এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও রাজ্যসভার সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog