Sample Video Widget

Seo Services

Tuesday, 9 September 2025

ব্যান্ডেলের তৃণমূল পার্টি অফিসে গাঁজার ঠেক! বিধায়কের অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি

ব্যান্ডেলের তৃণমূল পার্টি অফিসে গাঁজার ঠেক! বিধায়কের অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি

ব্যান্ডেলের তৃণমূল পার্টি অফিসে গাঁজার ঠেক! বিধায়কের অভিযোগে তোলপাড় রাজনীতি

ব্যান্ডেল, হুগলি: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে তৈরি হয়েছে তীব্র অস্বস্তির পরিস্থিতি। চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার নিজের চোখে দেখতে পেয়েছেন—ব্যান্ডেলের পার্টি অফিসের সামনে বসেছে গাঁজার ঠেক। সোমবার দলের এক কর্মসূচি শেষ করে ফেরার পথে এই দৃশ্য নজরে আসে তাঁর। প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের ভেতরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধী দল বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে।

ঘটনাস্থলে কী ঘটেছে?

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় ব্যান্ডেল মোড়ের কাছে পার্টির শ্রমিক সংগঠনের অফিসের সামনে কয়েকজন যুবক গাঁজা সেবনে ব্যস্ত ছিল। বিধায়ক অসিত মজুমদার তাঁদের হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে উপস্থিতরা ছুটে পালায়। ঘটনাটি জানিয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ডেল পুলিশ ফাঁড়িতে ফোন করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাশাপাশি ব্যান্ডেল পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং দলের কর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন।

পার্টি অফিস বন্ধের নির্দেশ

ঘটনা নিয়ে ক্ষুব্ধ বিধায়ক অসিত মজুমদার জানান, “যে পার্টি অফিসে গাঁজা বিক্রি হয় তা পার্টি অফিস হতে পারে না। এটা ধান্দাবাজদের আড্ডাখানা। তৃণমূল ধান্দাবাজ হতে পারে না।” তিনি আরো বলেন, “পার্টির পতাকার আড়ালে এমন কাজ হচ্ছে—এটা মেনে নেওয়া যায় না। এই অফিস আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।”

স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জানিয়েছেন, “বিধায়ক নির্দেশ দিয়েছেন অফিস বন্ধ রাখতে। ড্রাইভার ও খালাসিরা বসে গাঁজা খাচ্ছে। তবে আগে এমন অভিযোগ কখনও ওঠেনি।”

বিজেপির পালটা মন্তব্য

হুগলি জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বলেন, “তৃণমূল পার্টি অফিসে জুয়া, সাট্টা, মদ, গাঁজা—এসব তো হবেই! নির্বাচন আসতেই বিধায়ক ভাবমূর্তি বাঁচাতে চাইছেন।” তাঁর দাবি, শাসক দলের মধ্যে শৃঙ্খলার অভাব প্রকট।

পূর্ব ইতিহাস ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

তৃণমূলের অন্দরে এটি প্রথম নয়। বিভিন্ন সময়ে পার্টির স্থানীয় স্তরে মাদক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংগঠনের নিচুতলার কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা তৃণমূলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইবে।

অন্যদিকে, বিধায়কের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, “আমরা দলের সম্মান রক্ষা করতে চাই। যদি কোথাও ভুল হয়, সেটা প্রকাশ্যে তুলে ধরাই আমাদের কর্তব্য।” এই ঘটনার পর পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বলে খবর।

যুবসমাজের ভূমিকা

স্থানীয় যুবসমাজের একাংশ দাবি করছে, পার্টির নিচুতলার কিছু সদস্য রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থে মাদক ব্যবসা করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই #StopDrugInPolitics, #CleanPartyOffice ট্রেন্ডিং শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা তরুণ ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াতে পারে।

প্রশাসনের ভূমিকা

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে তদন্ত চলছে। পার্টির পক্ষ থেকেও অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

উপসংহার

ব্যান্ডেলের এই ঘটনা শুধু একটি পার্টি অফিসে গাঁজা সেবনের অভিযোগ নয়। এটি সংগঠনের শৃঙ্খলার অভাব, রাজনৈতিক নৈতিকতার সংকট এবং নির্বাচন-পূর্ব অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি। রাজনীতির মাঠে এই বিতর্ক আগামী দিনে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নজরে রাখছে সবাই।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

📌 হ্যাশট্যাগ: #তৃণমূল #TrinamoolCongress #গাঁজা #মাদক #রাজনীতি #ব্যান্ডেল #অসিতমজুমদার #বিজেপি #পশ্চিমবঙ্গ #রাজনৈতিকবিতর্ক #StopDrugInPolitics #CleanPartyOffice

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog