Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 11 September 2025

শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে টেট পাশদের বিক্ষোভ, দ্রুত নিয়োগের দাবি

শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে টেট পাশদের বিক্ষোভ, দ্রুত নিয়োগের দাবি

শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে টেট পাশদের বিক্ষোভ, দ্রুত নিয়োগের দাবি

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: দুপুরে বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কালিন্দীর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ২০২২ সালে টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের প্রধান দাবি—দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে, অবিলম্বে শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, জেলায় জেলায় শিক্ষকের অভাব প্রকট হলেও তা নিয়ে প্রশাসনের কোন সক্রিয় পদক্ষেপ নেই।

বিক্ষোভের পেছনের কারণ

চাকরিপ্রার্থীরা জানান, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তাঁরা জানতে পারেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ শূন্যপদের তালিকা পাঠালে তবেই ২০২২ সালের প্রাথমিকের মোট শূন্যপদের সংখ্যা জানানো হবে। কিন্তু এই তালিকা পাঠাতে এত দেরি কেন—এই নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের বক্তব্য, “জেলায় এত শূন্যপদ পড়ে থাকলেও আমাদের ইন্টারভিউ নিয়ে নিয়োগের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।”

শিক্ষার্থীদের দাবি

চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধিরা বলেন, শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, শূন্যপদের তালিকা প্রকাশের জন্য আলাদা কমিটি গঠন করা হোক। পাশাপাশি তাঁরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেন, শিক্ষকের অভাব মেটাতে জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এও জানান, দেরির কারণে তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং অর্থনৈতিকভাবে তাঁরা চরম সংকটে রয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

বিক্ষোভের পর শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “চাকরিপ্রার্থীদের কথা অবশ্যই শোনা হবে। জেলা শিক্ষা পর্ষদ শূন্যপদের তালিকা পাঠালে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। তবে এই ধরনের বিক্ষোভ কাম্য নয়।” তাঁর এই বক্তব্যে চাকরিপ্রার্থীরা ক্ষুব্ধ হলেও তাঁরা আলোচনার সুযোগ চেয়েছেন।

জেলায় শূন্যপদ প্রকাশে বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন

চাকরিপ্রার্থীরা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চান। তাঁদের বক্তব্য, “জেলায় শূন্যপদের সংখ্যা জানাতে দু’বছরেরও বেশি সময় লাগছে কেন? এত দেরির পেছনে রাজনৈতিক স্বার্থ বা প্রশাসনিক ব্যর্থতা কি রয়েছে তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।” তাঁরা দাবি করেছেন, অবিলম্বে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।

শিক্ষকের অভাব ও শিক্ষাব্যবস্থার সংকট

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষকের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, “শিক্ষকের অভাবে ছাত্রছাত্রীরা মানসম্মত শিক্ষা পাচ্ছে না। প্রশাসনের উচিত জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করা।”

চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

তাঁরা জানান, নিয়োগ বিলম্ব হওয়ার কারণে বহু চাকরিপ্রার্থী অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। অনেকে টিউশন পড়িয়ে জীবনধারণ করছেন। চাকরির আশায় তাদের পড়াশোনার পরিকল্পনা বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, “আমরা বছরের পর বছর অপেক্ষা করছি, তবুও কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হাতছাড়া হচ্ছে।”

পরবর্তী আন্দোলনের ইঙ্গিত

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, যদি দ্রুত নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু না হয়, তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে—জেলায় শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ, ইন্টারভিউ শুরুর ঘোষণা, এবং নিয়োগের সময়সূচি নির্ধারণ। আন্দোলনের ফলে শিক্ষাব্যবস্থার সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

টেট পাশ চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

চাকরিপ্রার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দ্রুত নিয়োগের দাবি জানাচ্ছেন।

আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বৌদি মিঠু দত্তকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার প্রেমিক-দেওর প্রদীপ দত্ত

বৌদি খুনের অভিযোগে প্রেমিক-দেওর গ্রেফতার

বৌদি মিঠু দত্তকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার প্রেমিক-দেওর প্রদীপ দত্ত

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: গোবরডাঙায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বৌদি মিঠু দত্তকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর প্রেমিক-দেওর প্রদীপ দত্তকে। বুধবার বারাসত আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুলিশি জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছেন প্রদীপ। তবে তদন্তকারীরা মৃতার দুই ছেলের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন।

প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিপর্যয়

বেশ কয়েক বছর আগে মুম্বইয়ে হিরে পালিশের কাজ করা প্রদীপ দত্ত নিজের স্ত্রী-সন্তানকে ছেড়ে গোবরডাঙায় এসে বৌদি মিঠুর সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তাঁর উপার্জনের অর্থ দিয়েই বৌদিকে বাড়ি করে দেন। সম্প্রতি আর্থিক অনটনের কারণে দুজনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। প্রদীপ সন্দেহ করতেন, বৌদি তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেবেন। এই নিরাপত্তাহীনতা থেকেই মাঝেমধ্যেই অশান্তি তৈরি হত।

খুনের রাত

রবিবার রাতে তুমুল ঝগড়া হয় তাঁদের মধ্যে। সোমবার থেকে মিঠুর খোঁজ মিলছিল না। মঙ্গলবার সকালে খাটের নিচ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, শ্বাসরোধ করে প্রথমে খুন করা হয় এবং পরে মুখ থেঁতলে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর তদন্তকারীরা মৃতার দুই ছেলের ভূমিকা নিয়েও নজরদারি শুরু করেছেন।

পরিবারের ইতিহাস

প্রদীপের দাদা, মিঠুর স্বামী দিলীপ, ১১ বছর আগে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। পরে প্রদীপ গোবরডাঙায় এসে বৌদির পাশে দাঁড়ান। মিঠুর দুই ছেলের দায়িত্বও তুলে নেন। তবে সম্প্রতি আর্থিক দুরবস্থায় ভুগছিলেন তিনি। পুলিশের জেরায় তিনি জানিয়েছেন, বাড়ি ছাড়তে বৌদির হুমকির কারণে তাঁর মধ্যে ক্ষোভ জন্মায়। তাঁর দাবি, খুন নয়, শুধু শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন।

পুলিশের বক্তব্য

বারাসত জেলা পুলিশের সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, "খুনের কথা স্বীকার করেছে ধৃত। পারিবারিক অশান্তি থেকেই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মৃতার ছেলেদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের মোবাইল ফোন ও গতিবিধি নজরে রাখা হয়েছে।"

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ওড়িশায় নির্যাতিত স্কুল শিক্ষিকা, দাম্পত্য কলহে নিন্দনীয় ঘটনা

ওড়িশায় নির্যাতিত স্কুল শিক্ষিকা, দাম্পত্য কলহে নিন্দনীয় ঘটনা | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

ওড়িশায় নির্যাতিত স্কুল শিক্ষিকা, দাম্পত্য কলহে নিন্দনীয় ঘটনা

আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নির্যাতিত স্কুল শিক্ষিকা

ঘটনার দৃশ্য সমাজে নিন্দার ঝড় তুলেছে।

ঘটনার সারসংক্ষেপ

ওড়িশার পুরী জেলায় ফের এক নিন্দনীয় ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এক স্কুল শিক্ষিকাকে তাঁর স্বামী গলায় জুতোর মালা পরিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘোরাতে বাধ্য করেন। ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নিন্দার ঝড় ওঠে। ঘটনাটি দাম্পত্য কলহ এবং সামাজিক নিপীড়নের এক চরম উদাহরণ হিসেবে সামনে আসে।

নির্যাতনের পেছনের কারণ

নির্যাতিত মহিলা পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা। তিনি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে জানা যায়। তাঁর স্বামী, যিনি একজন কলেজ লেকচারার, ঘটনাটি জানতে পেরে ক্রুদ্ধ হন। দাম্পত্য কলহের জেরে দুজন আলাদা বসবাস করছিলেন। নির্যাতিত শিক্ষিকা পুরী জেলার নিমাপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে স্বামী কয়েকজনকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে জোর করে প্রবেশ করেন এবং ওই শিক্ষিকাকে এক সহকর্মীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখতে পান।

সহিংসতার বর্ণনা

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামী তাঁর স্ত্রীকে টেনে হিঁচড়ে বাড়ি থেকে বের করে আনেন। এরপর তাঁকে মারধর করেন এবং গলায় জুতোর মালা পরিয়ে রাস্তায় হাঁটতে বাধ্য করেন। আশেপাশের লোকজন ঘটনাটি দেখলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেননি। একইভাবে শিক্ষিকার সহকর্মীকে শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরে রাস্তায় হাঁটতে বাধ্য করা হয় এবং তিনিও শারীরিক ও মানসিক অপমানের শিকার হন।

পুলিশের ভূমিকা

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিত শিক্ষিকার স্বামী কলেজ লেকচারার হলেও তিনি কয়েকজন সহযোগী নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা চালান। তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। তবে জনমনে প্রশ্ন উঠছে, এত প্রকাশ্য সহিংসতার পরও প্রশাসনের ভূমিকা কতটা সক্রিয় হবে।

সমাজে প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য কলহের কারণে এই ধরনের নির্যাতন সামাজিকভাবে বাড়ছে। আইন ও সচেতনতা বাড়ানো না গেলে এমন ঘটনা বন্ধ করা কঠিন হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বাঁকুড়ায় রাজনীতির ‘মহানাটক’: দুপুরে তৃণমূলে যোগ, বিকেলে বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন

বাঁকুড়ায় রাজনীতির ‘মহানাটক’: দুপুরে তৃণমূলে যোগ, বিকেলে বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন

বাঁকুড়ায় রাজনীতির ‘মহানাটক’: দুপুরে তৃণমূলে যোগ, বিকেলে বিজেপিতে প্রত্যাবর্তন

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

চিঙ্গানি গ্রামে রাজনৈতিক নাটক

ছবি: দুপুরে তৃণমূলে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি গণেশ মল্ল ও তারাপদ পাল। বিকেলের মধ্যে রাজনৈতিক নাটক ঘিরে উত্তেজনা।

বাঁকুড়ার চিঙ্গানি গ্রামে বুধবার দেখা গেল এক বিরল রাজনৈতিক নাটক। দুপুরে বিজেপির দলীয় পতাকা ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন গণেশ মল্ল ও তারাপদ পাল — চিঙ্গানি গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই সদস্য। বিকেল গড়াতেই আবার মন বদলে তাঁরা ফিরে গেলেন বিজেপির ঘরে। একটি দিনের মধ্যে এই নাটকীয় ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র আলোড়ন ছড়িয়েছে। রাজনীতির এই ঘূর্ণাবর্ত গ্রামীণ পঞ্চায়েত রাজনীতির ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছে।

যোগদান ও প্রত্যাবর্তনের নাটকীয়তা

দুপুরে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করে গণেশ মল্ল ও তারাপদ পাল জানান, তাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। সেখানে তাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন এবং তৃণমূলের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। তবে বিকেল নাগাদ পরিস্থিতি বদলে যায়। গণেশ মল্ল অভিযোগ করেন, তাঁকে ভুল বুঝিয়ে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছিল। তিনি সরাসরি বিজেপির কার্যালয়ে গিয়ে জানান, তাঁকে টাকা ও চাকরির লোভ দেখানো হয়েছিল। এর ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় ওঠে।

পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন নিয়ে টানাপোড়েন

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে চিঙ্গানি গ্রামে মোট ১৩টি আসনের মধ্যে সাতটিতে জয় পেয়ে বোর্ড গঠন করেছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল চারটি আসন এবং সিপিএম ও আইএসএফ মিলিয়ে বাকি আসনগুলো ভাগ হয়। নির্বাচনের পরে সিপিএমের এক সদস্য তৃণমূলে যোগ দিলে তাদের সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচ। বোর্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে তৃণমূলের দরকার ছিল আরও দুই সদস্য। ফলে দলের দখল ফেরানোর জন্য তৃণমূল মরিয়া হয়ে ওঠে।

এই প্রেক্ষাপটে গণেশ মল্ল ও তারাপদ পালের যোগদান তৃণমূলের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে দ্রুত মন বদলে বিজেপিতে ফেরায় পরিস্থিতি আবার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে চিঙ্গানি গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ও বিজেপি দুই পক্ষের হাতেই ছয়টি করে আসন রয়েছে। আগামী অনাস্থা প্রস্তাবই নির্ধারণ করবে বোর্ডের ভাগ্য।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার সভাপতি কল্যাণ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, “টাকার টোপ দেখিয়ে দল ভাঙানোই তাঁদের সংস্কৃতি।” অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত পাল্টা বলেন, “কাউকে জোর করে যোগদান করানো হয়নি। ভোটের গণিতের ভিত্তিতেই আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাবের দিন সব পরিষ্কার হবে।”

গ্রামীণ রাজনীতির চাপ ও সাধারণ মানুষের উদ্বেগ

গ্রামের সাধারণ মানুষ এই ঘটনায় দিশেহারা। তাঁরা চান স্থিতিশীল নেতৃত্ব ও উন্নয়নের নিশ্চয়তা। রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে গ্রামীণ প্রশাসনের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে তাঁদের বক্তব্য। একাধিক অভিভাবক জানিয়েছেন, স্কুল, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে পানীয় জল—সব ক্ষেত্রে পরিকল্পনা থমকে আছে। রাজনৈতিক টানাপোড়েন যেন গ্রামের উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আগামী দিনের দিকে নজর

চিঙ্গানি গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ হলে বোর্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। তৃণমূলের পরিকল্পনা বোর্ড দখল করা হলেও দ্রুত মন বদলে যাওয়ার ঘটনায় সেই পরিকল্পনায় ধাক্কা লেগেছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে ভোটের রাজনীতিতে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

রাজনীতির এই নাটক শুধু একটি গ্রামে সীমাবদ্ধ নয়; এটি পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ রাজনীতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। ভোটের অঙ্কে যেমন সমীকরণ বদলায়, তেমনই নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। এই ঘটনার দিকে নজর রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

জলের মধ্যে ক্লাস! শিক্ষক সংকটে বন্ধের মুখে সুন্দরবনের পশ্চিম শ্রীপতিনগরের স্কুল

জলের মধ্যে ক্লাস! শিক্ষক সংকটে বন্ধের মুখে সুন্দরবনের পশ্চিম শ্রীপতিনগরের স্কুল

জলের মধ্যে ক্লাস! শিক্ষক সংকটে বন্ধের মুখে সুন্দরবনের পশ্চিম শ্রীপতিনগরের স্কুল

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জলে ক্লাসরত ছাত্রছাত্রী

ছবি: জল ঢুকে ক্লাস চলছে, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত পশ্চিম শ্রীপতিনগরের স্কুলে

৭০০ ছাত্রছাত্রীর জন্য একজন শিক্ষক

সুন্দরবনের প্রত্যন্ত পাথরপ্রতিমা ব্লকের পশ্চিম শ্রীপতিনগরের ডাঃ বি সি রায় মেমোরিয়াল বিদ্যাপীঠ এখন এক চরম সংকটের মুখে। প্রায় ৭০০ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছে এই বিদ্যালয়ে, অথচ তাদের জন্য বরাদ্দ একমাত্র শিক্ষক নিজেই প্রধান শিক্ষক। তাঁর সঙ্গে দু’জন প্যারাটিচার নিয়ে কোনরকমে ক্লাস চালানো হচ্ছে। ফলে স্কুলটির শিক্ষাজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

২০১৬ সালের প্যানেল বাতিলের পর শিক্ষক সংকট

২০১৬ সালের শিক্ষক প্যানেল বাতিলের পর এই স্কুলের তিনজন শিক্ষক চাকরি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে আর শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবে শিক্ষকের সংখ্যা কমে একমাত্র প্রধান শিক্ষকের ওপর ভর করে চলছে স্কুল। ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। অভিভাবকরাও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

জল পড়ছে ক্লাসে, শ্রেণিকক্ষের অভাব

শুধু শিক্ষক সংকটই নয়, শ্রেণিকক্ষের অভাব এবং ভগ্ন অবকাঠামোর জন্য স্কুলটি বিপদের মুখে। বহু আবেদন করেও নতুন শ্রেণিকক্ষ তৈরি হয়নি। বরং পুরোনো শ্রেণিকক্ষে জল পড়ছে। কোথাও কোথাও দেওয়ালের অংশ খসে পড়ছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় বাধ্য হচ্ছেন, কারণ বিকল্প নেই।

প্রশাসনের উদাসীনতা, ছাত্রদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

প্রশাসনিক স্তরে স্কুলটির সমস্যার সমাধানে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনো নেওয়া হয়নি। শিক্ষক নিয়োগ না হওয়া, শ্রেণিকক্ষের অভাব, শিক্ষার পরিবেশের অবনতি—সব মিলিয়ে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিভাবকরা চাইছেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ছাত্ররা পড়াশোনা বন্ধ হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাবে।

প্রত্যন্ত দ্বীপের শিক্ষার লড়াই

পাথরপ্রতিমা ব্লকের এই দ্বীপ অঞ্চল চতুর্দিকে নদীবেষ্টিত। যোগাযোগের অভাবে প্রশাসনের সাহায্য পৌঁছানো কঠিন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালিয়ে রাখা এখানকার মানুষের জন্য সংগ্রামের বিষয়। এই বিদ্যালয় বন্ধ হলে পুরো এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। এই সংকট শুধুমাত্র একটি স্কুলের নয়, বরং সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার অধিকার রক্ষার লড়াই।

অভিভাবকদের কণ্ঠস্বর

অভিভাবকেরা বলছেন, “আমরা চাই আমাদের সন্তানরা পড়াশোনা করুক। কিন্তু শিক্ষক নেই, ক্লাসরুম নেই, ভবন ভেঙে পড়ছে—এর মধ্যে কিভাবে পড়াবে?” তাঁরা দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ এবং শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষকদেরও অনেকে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের মতে, অবিলম্বে প্রশাসনিক সহায়তা না পেলে স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে।

শিক্ষক, ছাত্র ও প্রশাসনের একজোট হওয়ার আহ্বান

শিক্ষাবিদরা বলছেন, এই সংকট সমাধানে শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাবক এবং প্রশাসনের একযোগে কাজ করা জরুরি। শুধুমাত্র অনুদান বা প্রকল্প ঘোষণা যথেষ্ট নয়। শিক্ষকের নিয়োগ, শ্রেণিকক্ষের সংস্কার এবং নিয়মিত নজরদারি ছাড়া স্কুল বাঁচানো সম্ভব নয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার অধিকার রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে পরিচয়পত্র নিয়ে নতুন বিতর্ক

বিহার এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে পরিচয়পত্র নিয়ে নতুন বিতর্ক

বিহার এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে পরিচয়পত্র নিয়ে নতুন বিতর্ক

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ভোটার পরিচয়পত্র সংশোধন

ছবি: নির্বাচন সংশোধন নিয়ে বিতর্ক এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

আধার কার্ড গ্রহণের নির্দেশ, বিরোধীদের উৎসাহ

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বিহার এসআইআর মামলায় একটি বড় নির্দেশ দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে ১২ নম্বর নথি হিসেবে আধার কার্ড গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ পূর্বে স্বীকৃত ১১টি নথির পাশাপাশি ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে আধার কার্ড গ্রহণযোগ্য হবে। বিরোধী রাজনৈতিক শিবির এটি এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ আবেদন, কিন্তু তা খারিজ

এই নির্দেশের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে একটি বিশেষ অনুরোধ পাঠান। তাঁর বক্তব্য ছিল, আধার কার্ডের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসাথী এবং রেশন কার্ডও পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণ করা হোক। সূত্রের খবর, তিনি এটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে পাঠান। তবে নির্বাচন কমিশন আবেদন গৃহীত করেনি এবং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত ১২টি নথির বাইরে অন্য কোনো নথি গ্রহণযোগ্য নয়।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। তবে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অফ পিপলস অ্যাক্ট’-এর ধারা ২৩(৪) অনুসারে এটি পরিচয় প্রমাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি হিসেবে গ্রহণ করা যায়। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ভোটারদের জমা দেওয়া আধার কার্ডের সত্যতা যাচাই করতে পারবেন। আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, বিহারের ক্ষেত্রে এসআইআর-এ আধার কার্ড গ্রহণযোগ্য হলেও এটি নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসআইআর-এর সকল প্রস্তুতি শেষ করতে হবে। অক্টোবরে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। দিল্লিতে কমিশনের বৈঠকে সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পরিকাঠামো প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

কোথায় আগে শুরু হবে এসআইআর?

দেশজুড়ে একযোগে এই প্রক্রিয়া চালু হবে, নাকি যেসব রাজ্যে আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে সেখানে আগে শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পাঁচটি রাজ্য—পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম, কেরল ও পন্ডিচেরি—আগামী বছরে ভোটের মুখোমুখি হবে। ফলে এই রাজ্যগুলিতে এসআইআর আগে চালু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পশ্চিমবঙ্গে প্রক্রিয়া শুরু হলে তা রাজনৈতিক বিরোধিতার মুখে পড়বে বলে আগেই সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

রাজনৈতিক মহলে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনার ঝড় উঠেছে। বিরোধীরা এটি নাগরিক অধিকারের সম্প্রসারণ হিসেবে দেখলেও শাসক দলের অংশবিশেষ এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিচ্ছে। ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ায় পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ডের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী বা রেশন কার্ড গ্রহণের আবেদন খারিজ হওয়ায় রাজ্যের প্রশাসনিক মহলেও প্রশ্ন উঠেছে।

আগামী পদক্ষেপ

  • ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসআইআর প্রস্তুতি শেষ করতে হবে।
  • অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে।
  • আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন হওয়া রাজ্যগুলোতে আগে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা।
  • আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয় – আদালতের স্পষ্ট মন্তব্য।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিলের আবেদন খারিজ, সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট বার্তা

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিলের আবেদন খারিজ, সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট বার্তা

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ বাতিলের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ

ছবি: এশিয়া কাপের মঞ্চে মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান

আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য – “এটা শুধুই একটা ম্যাচ, এটা হতে দিন”

এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে নির্ধারিত ভারত বনাম পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ বাতিলের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের দুই বিচারপতি – জে কে মহেশ্বরী ও বিজয় বিষ্ণোই – শুনানির শুরুতেই জানিয়ে দেন, “ম্যাচ রবিবার, এখন কী করা সম্ভব? তাড়াহুড়োর দরকার নেই। এটা শুধুই একটা ম্যাচ, এটা হতে দিন।”

জনস্বার্থ মামলার পেছনের যুক্তি

আইনের ছাত্রী উর্বশী জৈনসহ আরও তিনজন ছাত্র-ছাত্রী সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের অধীনে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় দিচ্ছে। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেলা ভারতীয় সেনা ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান। তারা আদালতের কাছে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন ম্যাচ বাতিল করতে।

রাজনৈতিক মহলে বিরোধিতা তীব্র

রাজনৈতিক অঙ্গনেও পাকিস্তানের সঙ্গে খেলার বিরোধিতা জোরদার হয়েছে। শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত একে রাষ্ট্রদ্রোহিতা আখ্যা দিয়ে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং ও কেদার যাদব বিসিসিআইকে ম্যাচ বয়কটের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আদালতের রায়ে স্পষ্ট, সূচি অনুযায়ী খেলা হবে।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের গুরুত্ব

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়া শুধু খেলা নয়, এটি একটি রাজনৈতিক এবং সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। গ্রুপ পর্ব ছাড়াও সুপার-৪ এবং ফাইনালে দুই দলের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই ম্যাচকে শুধু খেলার দিক থেকে নয়, জাতীয় আবেগের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন।

সামাজিক মাধ্যম ও জনমতের প্রভাব

ম্যাচ বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনার ঝড় উঠেছে। একাংশ পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পক্ষে, অন্যদিকে অনেক ক্রিকেটপ্রেমী খেলাকে ক্রীড়াসংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখছেন। আদালতের রায়ে এই বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

খেলাধুলা বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই ম্যাচ একটি নিরপেক্ষ মঞ্চ। তবে রাজনৈতিক চাপের কারণে ক্রিকেটের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাঁরা মনে করিয়ে দেন, খেলাকে খেলাই থাকতে দিতে হবে। অন্যদিকে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ম্যাচ চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।

আগামী সূচি

  • গ্রুপ পর্ব – ভারত বনাম পাকিস্তান (১৪ সেপ্টেম্বর, দুবাই)
  • সুপার-৪ – সম্ভাব্য মুখোমুখি
  • ফাইনাল – দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে TMC-র ঘর ভেঙেছি: শুভে ন্দু

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে TMC-র ঘর ভেঙেছি: শুভেন্দু | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে TMC-র ঘর ভেঙেছি: শুভেন্দু

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

শুভেন্দু অধিকারী

LOP শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক মন্তব্যে উত্তাল রাজনীতি

ক্রস ভোটিং নিয়ে নতুন বিতর্ক

উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিজেপির ভোট কিনে ক্রস ভোটিং করানোর অভিযোগ এনেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগের পাল্টা বড় দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা (LOP) শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, "আমি নিশ্চিৎ বলতে পারি যে TMC-র ঘর ভেঙেছি। এই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন আমরা TMC-র ৩টি ভোট পেয়েছি।"

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের স্মৃতিও তুলে ধরলেন শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী জানান, এর আগেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় একইভাবে TMC-র ২টি ভোট তারা পেয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, "একজন অর্জুন সিং, অপরজনের নাম বলব না। বিপদে পড়ে যাবে।" এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে—তৃণমূলের ভেতরে ফাটল নিয়ে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে।

রাজনীতির ভেতরকার টানাপোড়েন

রাজ্যের রাজনৈতিক মহল বলছে, ক্রস ভোটিং নিয়ে এই প্রকাশ্য মন্তব্য দলীয় ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলগুলো একে ব্যবহার করে শাসক দলকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করবে। একই সঙ্গে, এই ঘটনা আগামী নির্বাচনের কৌশল নির্ধারণেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিরোধীদের পাল্টা জবাব

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ যে শুধু ভোট কেনাবেচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা শুভেন্দুর মন্তব্য প্রমাণ করল। রাজনৈতিক নেতারা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছেন। তবে অনেকে এটিকে ভোটের কৌশল হিসেবেই দেখছেন।

ভবিষ্যতের রাজনীতিতে প্রভাব

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজ্যের দলীয় ঐক্য শিথিল হলে আগামী নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিশেষত, বিরোধী শিবিরের মধ্যে জোট বা সমঝোতার নতুন পথ খুলে যেতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আপনি কী ভাবছেন?

আপনার মতে, শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে? এটি কি ভোট কৌশলের অংশ, নাকি দলীয় সংকটের লক্ষণ? নিচে কমেন্টে আপনার মতামত জানিয়ে দিন।

পঞ্জাবে বন্যা: রিলায়েন্সের ১০ দফা ত্রাণ পরিকল্পনা শুরু

পঞ্জাবে বন্যা: রিলায়েন্সের ১০ দফা ত্রাণ পরিকল্পনা শুরু

পঞ্জাবে বন্যা: রিলায়েন্সের ১০ দফা ত্রাণ পরিকল্পনা শুরু

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | সকাল ১০:০১

পঞ্জাব বন্যায় ত্রাণ অভিযান

ছবি: পঞ্জাবের বন্যায় রিলায়েন্সের ত্রাণ কার্যক্রম

বিপর্যস্ত পঞ্জাবে দ্রুত সাহায্যের উদ্যোগ

পঞ্জাবের বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে অমৃতসর ও সুলতানপুর লোধি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাগাতার ভারী বৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফসল নষ্ট, বাড়িঘর ভেসে যাওয়া এবং খাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বড় আকারের ত্রাণ অভিযান শুরু করেছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে ১০ দফা পরিকল্পনা হাতে নিয়ে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

বিপর্যস্ত পরিস্থিতির বিবরণ

বন্যায় ইতিমধ্যেই ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারতীয় সেনার তিন বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ২৩টি দল উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। পঞ্জাবের সরকার রাজ্যকে ‘বিপর্যস্ত এলাকা’ ঘোষণা করেছে। আক্রান্ত গ্রামে পরিষ্কার পানির সংকট, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং খাদ্যাভাব প্রকট। বহু পরিবার জলবন্দি অবস্থায় আটকে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিলায়েন্সের ত্রাণ কার্যক্রম পরিস্থিতি সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রিলায়েন্সের ১০ দফা পরিকল্পনা

রিলায়েন্সের ত্রাণ পরিকল্পনা শুধু খাদ্য নয়, বরং মানবিক সহায়তার পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ। মূল দিকগুলো হলো:

  • ১০ হাজার পরিবারের জন্য শুকনো রেশনের ব্যবস্থা
  • ১,০০০ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জন্য ৫,০০০ টাকার ভাউচার-ভিত্তিক সহায়তা
  • কমিউনিটি রান্নাঘরের জন্য খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহ
  • পরিশ্রুত পানীয় জলের জন্য পোর্টেবল ওয়াটার ফিল্টার স্থাপন
  • বাস্তুহীন পরিবারগুলির জন্য টারপলিন, বিছানা, মশারি, দড়ি সহ জরুরি আশ্রয় কিট বিতরণ
  • স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির এবং দূষিত পানির উৎস জীবাণুমুক্তকরণ
  • স্যানিটেশন কিট বিতরণ এবং রোগ প্রতিরোধে উদ্যোগ
  • প্রাণীসম্পদের জন্য চিকিৎসা, সাইলেজ বান্ডিল ও অন্যান্য সহায়তা
  • ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নেটওয়ার্ক পরিষেবা পুনরুদ্ধার
  • জেলা প্রশাসন ও এনডিআরএফের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ

বন্যায় জলবন্দি এলাকার মানুষের মধ্যে রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। দূষিত পানির কারণে ডায়রিয়া, চর্মরোগ এবং অন্যান্য সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিলায়েন্স স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির চালু করেছে। পাশাপাশি পরিষ্কার পানির জন্য পোর্টেবল ওয়াটার ফিল্টার স্থাপন করা হচ্ছে। আক্রান্ত অঞ্চলে নিয়মিত জীবাণুনাশক ছড়ানো হচ্ছে এবং স্যানিটেশন কিট বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রাণীসম্পদ রক্ষায় রিলায়েন্সের ভূমিকা

দীর্ঘদিন জলমগ্ন থাকার ফলে গবাদি পশুর তীব্র দুর্দশার মধ্যে পড়েছে। পশুচিকিৎসা দলগুলি দ্রুত মাঠে নেমে চিকিৎসা শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ৫,০০০ গবাদি পশুর জন্য ৩,০০০-এরও বেশি সাইলেজ বান্ডিল বিতরণ করা হয়েছে। আহত পশুর চিকিৎসা, সংক্রমণ রোধ এবং মৃত পশুর দেহের যথাযথ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি কমবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়

রিলায়েন্সের দলগুলো জেলা প্রশাসন, পঞ্চায়েত, এনডিআরএফ এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জিও পঞ্জাব টিম ইতিমধ্যেই নেটওয়ার্ক পরিষেবা পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু করেছে, যাতে উদ্ধার অভিযান এবং যোগাযোগ বজায় রাখা সহজ হয়।

সরকারের সহযোগিতা এবং নাগরিকদের ভূমিকা

পঞ্জাব সরকার ইতিমধ্যেই বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলোতে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে সক্রিয় করেছে। তবে উদ্ধার অভিযানে সাধারণ নাগরিকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বেচ্ছাসেবকরা ত্রাণ পৌঁছে দিতে, আহতদের সাহায্য করতে এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসছেন। নাগরিকদের সচেতন হতে এবং রোগ ছড়ানো রোধে সতর্কতা মানতে বলা হয়েছে।

উপসংহার

পঞ্জাবের বন্যা শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এটি এক গভীর মানবিক সংকট। জলবন্দি পরিবার, খাদ্য সংকট, রোগের ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক ধস—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন। এমন এক সময়ে রিলায়েন্সের ত্রাণ অভিযান প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং সাধারণ নাগরিকের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। সবাইকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা যায়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

SSC ২০২৫: ১৯৪১ শিক্ষক নিয়োগ – অনলাইনে আবেদন শুরু

SSC ২০২৫: ১৯৪১ শিক্ষক নিয়োগ – অনলাইনে আবেদন শুরু

SSC ২০২৫: ১৯৪১ শিক্ষক নিয়োগ – অনলাইনে আবেদন শুরু

আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

SSC শিক্ষক নিয়োগ

ছবি: স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা

নিয়োগের সারসংক্ষেপ

স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) ২০২৫ সালের জন্য শিক্ষক এবং সহশিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এবারের বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১৯৪১টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। নতুন প্রার্থীদের পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষকদের জন্য প্রায় ৮০০টি পদ সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া মূলত ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে।

কাদের জন্য এই সুযোগ?

এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শিক্ষায় আগ্রহী নতুন প্রার্থীদের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা শিক্ষকতার ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে চান বা স্থায়ী চাকরির সুযোগ খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি বড় সুযোগ। পাশাপাশি “স্পেশাল এডুকেটর” হিসেবে সহশিক্ষক নিয়োগও এই বিজ্ঞপ্তির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

পদের সংখ্যা ও শ্রেণিভিত্তিক ভাগ

  • মোট শূন্যপদ: ১৯৪১
  • কর্মরতদের জন্য: প্রায় ৮০০ পদ
  • শ্রেণি: ষষ্ঠ – দ্বাদশ
  • বিষয়: বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোলসহ একাধিক বিষয়
  • স্পেশাল এডুকেটর: সহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ

আবেদনের সময়সীমা

অনলাইনে আবেদন গ্রহণ চলছে এবং শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। ইতিমধ্যে পাঁচশোরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এসএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র যেমন শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য তথ্য আবেদনপত্রে সংযুক্ত করতে হবে।

যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয়তা

প্রার্থীদের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য:

  • স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ (B.Ed বা সমমান) প্রয়োজন হতে পারে
  • স্পেশাল এডুকেটর পদের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
  • নির্ধারিত বয়সসীমা মান্য করতে হবে

আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপ

আবেদন প্রক্রিয়াটি সহজ করতে এসএসসি নিম্নলিখিত ধাপ অনুসরণ করতে বলেছে:

  1. এসএসসির ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করুন।
  2. ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা আপলোড করুন।
  3. প্রয়োজনীয় নথির স্ক্যান কপি আপলোড করুন।
  4. ফি প্রদান সম্পন্ন করুন।
  5. আবেদন সাবমিট করার পর একটি কপি ডাউনলোড করে রাখুন।

স্পেশাল এডুকেটর – নতুন সুযোগ

এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল “স্পেশাল এডুকেটর” হিসেবে সহশিক্ষক নিয়োগ। বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়তা প্রদান, শ্রেণিকক্ষে সহকারী হিসেবে কাজ করা এবং শিক্ষণ পদ্ধতিতে বৈচিত্র আনয়ন – এই দায়িত্বগুলো পালন করতে হবে। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি পেশাগত উন্নতির নতুন দরজা খুলে দেবে।

কর্মরতদের জন্য সংরক্ষিত পদ

প্রায় ৮০০টি পদ কর্মরত শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের জন্য সংরক্ষিত। এটি তাদের চাকরির স্থায়িত্ব ও উন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি করবে। যারা ইতিমধ্যেই শিক্ষাক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তাদের জন্য এটি বড় সুযোগ। দ্রুত আবেদন করতে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখতে বলা হচ্ছে।

নিয়োগের গুরুত্ব

বর্তমান সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষ শিক্ষকের অভাব পূরণ করতে এই নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি গ্রামীণ ও শহর এলাকায় শিক্ষার মান বাড়াতে সাহায্য করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে মানসম্পন্ন শিক্ষা পৌঁছে দিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সরকারের এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। শিক্ষাক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নত হবে।

এসএসসি’র পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা

এসএসসি জানিয়েছে, কোনো প্রকার ভুয়া ওয়েবসাইট বা প্রতারণার ফাঁদে পা না দিতে। আবেদন শুধুমাত্র এসএসসির অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে করতে হবে। প্রয়োজনে সরকারি হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে। আবেদন ফর্ম পূরণে কোনো ধরনের ত্রুটি যেন না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উপসংহার

স্কুল সার্ভিস কমিশনের এই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শিক্ষাক্ষেত্রে এক বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। নতুন প্রার্থীদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ শিক্ষকদের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে শিক্ষার মানোন্নয়নে এই নিয়োগ ভূমিকা রাখবে। তাই দেরি না করে দ্রুত আবেদন করুন।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog