Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 18 September 2025

হিলি সীমান্তে মদ পাচার: বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক

হিলি সীমান্তে মদ পাচার: বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক

হিলি সীমান্তে মদ পাচার: বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক

হিলি সীমান্তে আটক বাংলাদেশি
বাংলাদেশ থেকে মদ পাচারের সময় বিএসএফের হাতে ধরা পড়ল দুই অভিযুক্ত, হিলি সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

মদ কিনতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে হিলি সীমান্তে বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক হয়েছে। সোমবার রাতে তাদের হিলি থানার আপ্তৈর এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। ধৃতদের নাম মহম্মদ মিঠু (৩২) ও সবুজ আলি মোল্লা (২২)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তাদের বাড়ি বাংলাদেশের হাকিমপুর থানার ফকিরপাড়া গ্রামে।

পাচার চক্র ও সীমান্ত পেরোনোর কৌশল

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাচারকারীদের সহায়তায় হিলি সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেছিল। এরপর তারা ৩৪ বোতল বিদেশি মদ কিনে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিল। সীমান্ত পার হওয়ার পথে বিএসএফ-এর নজর এড়াতে একটি পুকুরের কচুরিপানার আড়ালে লুকিয়েছিল তারা। রাতের অন্ধকারে কেউ যাতে টের না পায় তাই কালো জামা পড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ল।

পুলিশের অনুমান, তারা চোরাপথে ভারতে ঢুকে মদ কিনে বাংলাদেশে তিনগুণ দামে বিক্রি করত। দীর্ঘদিন ধরে এই কাজের সঙ্গে তারা যুক্ত ছিল। পুলিশের মতে, ধৃতদের সহায়তা করত ভারতের একটি চক্র।

পুলিশি তথ্য: ধৃতদের বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। হিলি থানার পুলিশ ও বিএসএফ খতিয়ে দেখছে আরও কারা জড়িত থাকতে পারে। হিলি থানার আইসি শীর্ষেন্দু দাস জানান, "ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে।"

সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

হিলি সীমান্ত এলাকা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অনুপ্রবেশ ও মদ পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধের ঘটনা কমবে।

স্থানীয় প্রশাসনও স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে, তথ্য সংগ্রহ এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিস এবং বিএসএফ-এর সমন্বিত উদ্যোগ কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

মাদক ও মদ পাচারের প্রভাব

মদ ও অবৈধ মাদক পাচার শুধুমাত্র সীমান্তে নয়, দেশের অভ্যন্তরেও সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো মাদক ও বিদেশি মদ পাচারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এই ধরনের অভিযান সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি অপরাধীদের দমনেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় সামাজিক সচেতনতা এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা এই অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি তদারকি এবং স্থানীয় জনসাধারণের অংশগ্রহণ মিলেই কার্যকর পদক্ষেপ সম্ভব।

#BSF #HiliBorder #Bangladesh #LiquorSmuggling #CrimeNews #YBangla #IndiaBangladeshBorder #LawAndOrder

Wednesday, 17 September 2025

বিহার নির্বাচনের আগে তেজস্বী যাদবের ‘বিহার অধিকার যাত্রা’ এবং আসন সমঝোতার কৌশল

বিহার নির্বাচনের আগে তেজস্বী যাদবের ‘বিহার অধিকার যাত্রা’ এবং আসন সমঝোতার কৌশল

বিহার নির্বাচনের আগে তেজস্বী যাদবের ‘বিহার অধিকার যাত্রা’ এবং আসন সমঝোতার কৌশল

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিহারে ভোট এবং মুখ্যমন্ত্রীর মুখ

বিহারে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে যে কোনও দিন। অষ্টমীর অঞ্জলি সকাল ক'টা থেকে শুরু হবে তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে, আবার পুজোর নতুন জামা পর্যন্ত কেনা হয়নি রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের।

বিহারে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। যদিও বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তেজস্বী যাদব, তবুও তার পদচারণা থেকে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তেজস্বী বলেন, "জনগণই সব। তাঁদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন, কাকে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।"

বিহার অধিকার যাত্রার প্রেক্ষাপট

রাহুল গান্ধীর ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’-র সারথী হিসেবে তেজস্বীকে দেখা গেলেও, বিহারে আলাদা ‘অধিকার যাত্রা’ করার কারণ স্পষ্ট। ৩৮টি জেলার মানুষকে পৌঁছে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য।

সাথে সাথে কংগ্রেসসহ জোট শরিকদের মধ্যে আসন সমঝোতার কৌশল যাচাই করা হচ্ছে। তেজস্বীর বক্তব্য, "এত তাড়া কীসের? জিতলে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তা নিয়ে মহাজোটে কোনও ধন্দ নেই। আসন সমঝোতার কাজ আগে শেষ হোক।"

আসন সমঝোতা এবং অনুকূল-প্রতিকূল আসন

বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস এবার ৭০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়। ‘অনুকূল’ আসন হলো সেই আসন যেখানে তারা পূর্বে জয়ী হয়েছিল বা যেখানে মাত্র ৫ হাজার ভোট ব্যবধানে হেরেছিল। বাকি আসনকে ‘প্রতিকূল’ হিসেবে ধরা হয়।

আরজেডির ৯২টি আসন ‘অনুকূল’, ৭৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল। অতিবাম সিপিআই(এমএল) লিবারেশন ১৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১২টি জিতেছিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

পর্যবেক্ষকদের মতে, তেজস্বী রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ‘ফ্রেন্ডলি ম্যাচ’ খেলছেন, যাতে ফাইনাল ম্যাচে নীতীশকুমারের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়ে নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

এছাড়া জোট শরিকদের মধ্যে আসন সমঝোতার দরকষাকষি চলছে। কংগ্রেসের অনুকূল এবং প্রতিকূল আসনগুলির হিসেব অনুযায়ী এই সমঝোতা করা হচ্ছে।

চিত্র এবং দৃশ্যাবলী

তেজস্বী যাদব বিহার অধিকার যাত্রায়

তেজস্বী যাদব বিহার অধিকার যাত্রায় মানুষের সঙ্গে সংযোগ করছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতায় যুব কংগ্রেসের 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন, চা-পকোড়া-বেচা ও জুতো পালিশের প্রতিবাদ

কলকাতায় যুব কংগ্রেসের 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন, চা-পকোড়া-বেচা ও জুতো পালিশের প্রতিবাদ

কলকাতায় যুব কংগ্রেসের 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন, চা-পকোড়া-বেচা ও জুতো পালিশের প্রতিবাদ

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুব কংগ্রেস প্রতিবাদ কর্মসূচি

ছবিতে: শিয়ালদহ স্টেশনের চত্বরে যুব কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা চা-পকোড়া বেচে ও জুতো পালিশ করে বেকারত্বের প্রতিবাদ করছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

জাতীয় বেকারত্ব দিবসের উদযাপন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে যুব কংগ্রেস প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন শহরে 'জাতীয় বেকারত্ব দিবস' পালন করে আসছে। এই বছরের কর্মসূচিতে কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে চা-পকোড়া বিক্রি ও জুতো পালিশ করে বেকারত্বের প্রতিবাদ জানানো হয়। শিক্ষাগত ডিগ্রির প্রতিলিপি ডাস্টবিনে ফেলে যুব কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা ‘বিকল্প রোজগার’ দেখাতে চেষ্টা করেছেন।

কর্মসূচি ও নেতৃত্ব

এই কর্মসূচিতে প্রদেশ যুব কংগ্রেসের নেতৃত্ব কমিটির দুই সদস্য সৌরভ প্রসাদ ও শাহিনা জাভেদ মূল ভূমিকা রাখেন। এছাড়া সর্বভারতীয় যুব কংগ্রেসের তরফে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত এহসান আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা পথ-চলতি মানুষদের কাছে 'ভোট চোর, গদি ছোড়' দাবির সমর্থনে সই সংগ্রহ করেন।

সৌরভ প্রসাদের বক্তব্য

সৌরভ প্রসাদ বলেন, “১৭ সেপ্টেম্বর এক দিকে শিল্পকর্ম ও মেহনতি মানুষের দেবতা বিশ্বকর্মার পুজো, অপর দিকে ভারতের বিশ্ব-অকর্মা প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্মদিন! এই দিনে জাতীয় বেকারত্ব দিবস পালন করে যুব সমাজের বেকারত্বের জ্বালা আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করছি এই কর্মসূচির মাধ্যমে।”

মধ্য কলকাতায় সমান্তরাল কর্মসূচি

মধ্য কলকাতা জেলা যুব কংগ্রেসের আয়োজনে মৌলালিতে একই ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের নেতৃত্ব কমিটির অন্য দুই সদস্য অর্ঘ্য গণ ও কাশিফ বেজা। এতে আরও বিশিষ্ট যুব নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উপসংহার

দেশজুড়ে বেকারত্ব এবং যুবদের কর্মসংস্থানের অভাবকে সামনে রেখে যুব কংগ্রেসের এই প্রতিবাদী উদ্যোগ জনমনে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্প রোজগারের পথ দেখানোর প্রচেষ্টা। কর্মসূচির মাধ্যমে তারা চাইছেন যুব সমাজের সমস্যা এবং সরকারের অবহেলার বিষয়গুলো তুলে ধরতে।

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব পড়েনি

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব পড়েনি

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব পড়েনি

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারত-রাশিয়া তেল আমদানি

ছবিতে: ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বৃদ্ধি করেছে, আমেরিকার শুল্কের পরও।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি

সেপ্টেম্বরে ভারত রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই মাসের তুলনায় মস্কো থেকে তেল আমদানির হার বেড়েছে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৬ দিনে প্রতি দিন ১৭ লক্ষ ৩০ হাজার ব্যারেল তেল আমদানি করেছে ভারত। তুলনায় জুলাইয়ে এটি ছিল ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার এবং অগস্টে ১৫ লক্ষ ৬০ হাজার ব্যারেল।

ট্রাম্পের শুল্ক এবং হুমকি

রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে কূটনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে উচ্চ শুল্ক চাপিয়েছেন। প্রথম শুল্ক ৩০ জুলাই আর দ্বিতীয় ৬ অগস্টে আরোপিত হয়। তবে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৬ দিনের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, এই শুল্ক চাপ ভারতকে তেল আমদানি থেকে পেছনে ফেলেনি।

চুক্তি এবং সরবরাহের সময়

অপরিশোধিত তেল কেনার চুক্তি সাধারণত সরবরাহের ৬-৮ সপ্তাহ আগে চূড়ান্ত করা হয়। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে যে তেল আমদানি করা হয়েছে, তা মূলত জুলাই শেষ ও অগস্টের শুরুতে চূড়ান্ত হয়েছিল। ফলে শুল্কের প্রভাব তখন তাত্ক্ষণিকভাবে পড়েনি।

বিশ্ববাজারের তথ্য ও বিশ্লেষণ

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানাচ্ছে, ১-১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাশিয়ার বন্দরে ভারতের জন্য প্রতিদিন ১২ লক্ষ ২০ হাজার ব্যারেল তেল ‘লোড’ করা হয়েছে। এছাড়া, কিছু ট্যাঙ্কার মিশরের সৈয়দ বন্দরের দিকে যাচ্ছে, যা পরে ভারতের বিভিন্ন বন্দরে পৌঁছাতে পারে।

বিশ্ববাজারে ভারতের অবস্থান

বর্তমানে রাশিয়ার অশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। ভারত তার পরে রয়েছে। ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনার অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে। তবে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে যেখানে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নেই।

উপসংহার

সেপ্টেম্বর মাসের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের মস্কো থেকে তেল আমদানি কমেনি। যদিও জুলাই-অগস্টে কিছুটা হ্রাস দেখা গেছে, সেটি শুল্কের কারণে নয়। ভারত সর্বদা সবচেয়ে ভাল শর্তে তেল কিনতে আগ্রহী। আন্তর্জাতিক চাপের মাঝেও ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে স্থির রয়েছে।

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের ঢল

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের ঢল

নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের ঢল

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

ছবিতে: নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষারত পরীক্ষার্থীরা।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি

এসএসসির নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন ভিনরাজ্য থেকে অনেক পরীক্ষার্থী পশ্চিমবঙ্গে এসে পরীক্ষা দিচ্ছেন। বিশেষ করে বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে মহিলা পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে চাকরির সুযোগ না থাকায় পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এসেছেন।

মহিলা পরীক্ষার্থীর মন্তব্য

এক মহিলা পরীক্ষার্থী বলেন, “কোনও রাজ্যে চাকরির শূন্যপদ নেই, আমি বারাণসী থেকে এসেছি। মহিলা হয়েও এতদূরে পরীক্ষা দিতে এসেছি। আমি পড়াশুনা করেছি তাই সেই সুযোগের ব্যবহার করব। বাংলায় নিয়োগ বেরিয়েছে তাই আমি এসেছি।”

তিনি আরও বলেন, “উত্তরপ্রদেশ সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে ঠিকমতো মনোযোগ দিচ্ছে না। এই জন্যই ছাত্রদের এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও বলা হলেও ওই রাজ্যে মেয়েদের খুব কষ্ট করতে হচ্ছে। চাকরির জন্য কিছুই নেই ওই রাজ্যে।”

পরীক্ষার দ্বিতীয় ও শেষ পর্যায়

এসএসসির একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। ভিনরাজ্য থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার জন্য হাজির হয়েছেন। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেকেই পরিবার থেকে দূরে থেকে পরীক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সফর করেছেন।

পরীক্ষা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা

পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিনরাজ্য পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখা হচ্ছে। তবে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ক্ষতিসাধন বা সুবিধা বঞ্চিত না হওয়ার জন্য প্রশাসন অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে।

উপসংহার

ভিনরাজ্য থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের অন্যান্য রাজ্যের অব্যবস্থা ও সুযোগের বৈষম্যকে তুলে ধরেছে। বাংলা রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা বাড়ছে, এবং শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এছাড়া, প্রশাসনের দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়।

খড়দহে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু: পুকুরে নিথর দেহ উদ্ধার

খড়দহে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু: পুকুরে নিথর দেহ উদ্ধার

খড়দহে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু: পুকুরে নিথর দেহ উদ্ধার

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:৩০

খড়দহে পুকুরে মৃতদেহ উদ্ধার

ছবিতে: খড়দহ দক্ষিণপল্লি এলাকার পুকুর, যেখানে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার বিবরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি বরানগরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খড়দহের দক্ষিণপল্লি এলাকার পুকুর থেকে মঙ্গলবার সকালে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সম্রাট দাস (১৩) এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সম্রাট দাস খড়দহের পানশিলা খালপাড় এলাকায় বাস করত এবং খড়দহ কল্যাণনগর বিদ্যাপীঠে পড়ত।

নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা

পরিবারের সদস্যদের মতে, সম্রাট প্রতিদিন সকাল ছ’টা নাগাদ প্রাতঃভ্রমণে বের হতো। সোমবার ভোরেও পার্কে হাঁটতে যাওয়ার নাম করে সে বাড়ি থেকে বের হয়। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা রহড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

দেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া

পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণপল্লি এলাকার এক পুকুর থেকে সম্রাটের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত ছাত্রের মামা বিপ্লব দাস জানিয়েছেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে সম্রাট একা পুকুরে নামছে এবং সম্ভবত পা পিছলে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশি তদন্ত

রহড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে, তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। পুলিশ স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেছে এবং ঘটনাস্থল ও পারিপার্শ্বিক এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

বিদ্যালয় ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

খড়দহ কল্যাণনগর বিদ্যাপীঠের শিক্ষক ও সহপাঠীরা শোক প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ছাত্রদের নিরাপত্তা ও প্রাতঃভ্রমণ রুটে বিশেষ নজরদারি বাড়াবে। প্রতিবেশীরা এই দুর্ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং পুকুরের চারপাশে সতর্কবার্তা স্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

উপসংহার

খড়দহে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সম্রাট দাসের মৃত্যু স্থানীয়ভাবে শোকের ছায়া ফেলেছে। পুলিশী তদন্ত চলমান এবং পরিবারের সদস্যরা সঠিক কারণ জানার অপেক্ষায় রয়েছেন। এই দুর্ঘটনা শিশুদের নিরাপত্তা ও স্কুল-পরিবেশে সতর্কতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বিজয়পুরায় সেনার পোশাকে ব্যাঙ্ক ডাকাতি: ৫৮ কেজি সোনা ও ১ কোটি টাকা লুট

বিজয়পুরায় সেনার পোশাকে ব্যাঙ্ক ডাকাতি: ৫৮ কেজি সোনা ও ১ কোটি টাকা লুট

বিজয়পুরায় সেনার পোশাকে ব্যাঙ্ক ডাকাতি: ৫৮ কেজি সোনা ও ১ কোটি টাকা লুট

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:০০

বিজয়পুরা ব্যাঙ্ক ডাকাতি

ছবিতে: বিজয়পুরা জেলার চাঁদাচন শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা, যেখানে সেনার পোশাকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার বিবরণ

বেঙ্গালুরু থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গেছে, কর্ণাটকের বিজয়পুরা জেলার চাঁদাচন শহরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ঘটে। ডাকাতরা সেনার পোশাকে উপস্থিত হয়ে প্রথমে কারও সন্দেহ কাটিয়ে ব্যাঙ্কে প্রবেশ করে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার ও কোষাধ্যক্ষকে বন্দুকের মুখে ৫৮ কেজি সোনা এবং ১ কোটি টাকা নগদ দিতে বাধ্য করে। ব্যাঙ্কের কর্মীদেরও তারা বাঁধা দেয়, যাতে কেউ পুলিশকে খবর দিতে না পারে।

ডাকাতির পরিকল্পনা ও পেশাদারিত্ব

জানা গিয়েছে, ডাকাতরা পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে চালায়। ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে প্রবেশ করার কারণে ও কর্মীদের বাঁধার কারণে কেউ ফোন বা অ্যালার্ম বাজাতে পারেনি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ডাকাতরা ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ফুটােজ খতিয়ে দেখার আগে পালিয়ে গেছে মহারাষ্ট্রের দিকে। পুলিশ ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র পুলিশের সহায়তা চেয়েছে।

পুলিশি তদন্ত এবং পূর্ব ঘটনা

স্থানীয় পুলিশ জানাচ্ছে, ডাকাতদের ব্যবহৃত গাড়িটি মহারাষ্ট্রের দিকে যাওয়ার পথে পাওয়া গেছে। যদিও এখনও ডাকাতদের সঠিক পরিচয় ধরা সম্ভব হয়নি। উল্লেখযোগ্য, কয়েক মাস আগে বিজয়পুরার অন্য একটি ব্যাঙ্কেও একই ধরনের ডাকাতি হয়েছিল। সেদেশ্বরী ঘটনায় কয়েকজন কর্মীও জড়িত ছিলেন এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

ডাকাতির এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। ব্যাঙ্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নিয়মিত পুলিশ তদারকির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, কীভাবে ডাকাতরা সেনার পোশাক পরে সহজে প্রবেশ করতে পারে এবং ব্যাঙ্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলো।

সার্বিক পরিস্থিতি ও পুলিশি পদক্ষেপ

পুলিশ পুরো এলাকার ও ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। মহারাষ্ট্র পুলিশের সহযোগিতায় ডাকাতদের ধরার চেষ্টা চলছে। তবে ডাকাত দলের পেশাদারিত্ব এবং পরিকল্পিত কাজের কারণে তাদের ধরা এখনও সম্ভব হয়নি। পুলিশ জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শীঘ্রই শনাক্ত করার আশ্বাস দিয়েছে।

উপসংহার

বিজয়পুরার চাঁদাচন শহরের এই ডাকাতি গোটা কর্ণাটক ও আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ডাকাতদের পরিকল্পিত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কাজের কারণে সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। পুলিশি তদন্তের প্রক্রিয়া চলমান। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এমন ধরনের ঘটনায় পুনরায় বাড়তে পারে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা উদ্বেগ।

স্কুলে মোদির জীবনভিত্তিক ছবি দেখানোর নির্দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বিতর্ক

স্কুলে মোদির জীবনভিত্তিক ছবি দেখানোর নির্দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বিতর্ক

স্কুলে মোদির জীবনভিত্তিক ছবি দেখানোর নির্দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বিতর্ক

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫:০০

চলো জিতে হ্যায় ছবির পোস্টার

ছবিতে: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবন অবলম্বনে তৈরি ‘চলো জিতে হ্যায়’ সিনেমার পোস্টার। এটি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার জন্য স্কুলে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নতুন নির্দেশনা: স্কুলে দেখানো হবে ‘চলো জিতে হ্যায়’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবন অবলম্বনে নির্মিত ‘চলো জিতে হ্যায়’ ছবি আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন সরকারি স্কুলে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই নির্দেশ এসেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের পক্ষ থেকে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সিবিএসই, কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংগঠন এবং নবোদয় বিদ্যালয়ের অন্তর্গত স্কুলগুলোতে একযোগে এই সিনেমা দেখাতে হবে। এতে মোদির ছেলেবেলার সংগ্রাম, শিক্ষাজীবন, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের যুক্তি, এটি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং মূল্যবোধের বিকাশ ঘটাবে।

‘প্রেরণা’ অভিযান: শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক নতুন চেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রেরণা’ নামে একটি শিক্ষামূলক অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের জন্য ‘চলো জিতে হ্যায়’ ছবির তালিকা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “ছবিটি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে সাহায্য করবে। দায়িত্ব, আত্মনির্ভরতা এবং নেতৃত্বের মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করবে। এটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার একটি উদ্যোগ।” শিক্ষামন্ত্রকের এক কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং তাদের সামনে একটি ইতিবাচক উদাহরণ তুলে ধরতে সহায়ক হবে।

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র

প্রযোজকদের দাবি, ‘চলো জিতে হ্যায়’ ইতিমধ্যেই জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। শ্রেষ্ঠ নন-ফিচার চলচ্চিত্র হিসেবে সম্মানিত হওয়া এই সিনেমাটি তৈরি হয়েছে দেশীয় মূল্যবোধ, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ এবং নেতৃত্বের শিক্ষাকে সামনে রেখে। প্রযোজকরা জানান, এটি শিক্ষার্থীদের আত্মপ্রতিফলন, সামাজিক দায়িত্ব এবং সহানুভূতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তাঁদের মতে, সিনেমাটি দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিত্ব গঠনের ওপর বিশেষভাবে আলোকপাত করেছে।

শিক্ষক মহলে মতভেদ

এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষক মহলে ইতিমধ্যেই মতভেদ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন এটি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেবে এবং সমাজসচেতনতা গড়ে তুলবে। অন্যদিকে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য যুক্তিবোধ ও সমালোচনামূলক চিন্তা গড়ে তোলা। শিক্ষার উদ্দেশ্য যদি রাজনৈতিক প্রচারে পরিণত হয়, তবে শিক্ষার্থীরা পক্ষপাতগ্রস্ত শিক্ষার শিকার হতে পারে। এক শিক্ষক বলেন, “আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিজেদের চিন্তা করতে শিখুক। নিরপেক্ষ শিক্ষার বদলে যদি রাজনৈতিক বার্তা চাপিয়ে দেওয়া হয়, তা হলে তা শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর।”

বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা শুরু করেছে। তাঁদের দাবি, শিক্ষার গৈরিকীকরণ আগেই শুরু হয়েছে এবং এখন তা আরও এক ধাপ এগোচ্ছে। বিরোধী এক নেতার বক্তব্য, “শিক্ষা কখনোই রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হতে পারে না। শিক্ষার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তা এবং মানবিক মূল্যবোধে উন্নীত করা।” তাঁরা আরও বলেছেন, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত স্বাধীনতাকে সংকুচিত করবে এবং শিক্ষাকে একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গিতে রূপান্তরিত করবে।

ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিক্রিয়া

শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই ছবিটি দেখার জন্য উৎসাহী। তাঁদের বক্তব্য, “আমরা জানতে চাই একজন সাধারণ ছেলেও কীভাবে দেশের নেতৃত্বে পৌঁছতে পারে।” অন্যদিকে কিছু শিক্ষার্থী বলছে, “শুধু একজন নেতার জীবন নিয়ে শিক্ষা নয়, বরং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বের জীবনচরিত নিয়ে পাঠ্যক্রম হলে শিক্ষার ক্ষেত্র আরও সমৃদ্ধ হবে।” শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এই সিনেমা এবং এর উদ্দেশ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতামত: শিক্ষা নাকি প্রচার?

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মুক্ত চিন্তা, বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান এবং যুক্তিবোধের বিকাশ। তাঁদের মতে, নিরপেক্ষ শিক্ষা ছাড়া শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা ও চিন্তা শক্তির পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারবে না। এই ধরনের একপাক্ষিক প্রচার শিক্ষার উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাঁরা আরও বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সামনে নানা দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনার সুযোগ থাকা জরুরি যাতে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে শেখে।

সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা

সামাজিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে এমন উদ্যোগ সমাজে বিভাজন বাড়াতে পারে। একদল শিক্ষার্থী অনুপ্রেরণা পাবে, অন্যদিকে অন্যরা বিভ্রান্ত হতে পারে। শিক্ষার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত হলে তা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এক বিশ্লেষকের ভাষ্য, “শিক্ষা হওয়া উচিত নিরপেক্ষ এবং বহুমাত্রিক। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িয়ে গেলে তা শিক্ষার মৌলিক লক্ষ্যকে দুর্বল করতে পারে।”

উপসংহার: অনুপ্রেরণা নাকি বিতর্কের কেন্দ্র?

‘চলো জিতে হ্যায়’ সিনেমাটি শিক্ষার্থীদের সামনে একটি ইতিবাচক উদাহরণ তুলে ধরার চেষ্টা হলেও তা শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একদিকে এটি আত্মবিশ্বাস ও চরিত্র গঠনের শিক্ষামূলক উপাদান হতে পারে, অন্যদিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য শিক্ষার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এই সিনেমা। শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হলেও সময়ই প্রমাণ করবে এটি শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা কার্যকর অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।

দুর্গা পুজোয় ‘সাংসদ শারদ সম্মান’ ও ‘শোভাযাত্রা প্রতিযোগিতা’ – সুকান্ত মজুমদারের নতুন উদ্যোগ

দুর্গা পুজোয় ‘সাংসদ শারদ সম্মান’ ও ‘শোভাযাত্রা প্রতিযোগিতা’ – সুকান্ত মজুমদারের নতুন উদ্যোগ

দুর্গা পুজোয় ‘সাংসদ শারদ সম্মান’ ও ‘শোভাযাত্রা প্রতিযোগিতা’ – সুকান্ত মজুমদারের নতুন উদ্যোগ

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ৩:০০

সুকান্ত মজুমদার দুর্গা পুজো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘোষণা করছেন

ছবিতে: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দুর্গা পুজোর জন্য ‘সাংসদ শারদ সম্মান’ ও ‘শোভাযাত্রা প্রতিযোগিতা’ আয়োজনের ঘোষণা দিচ্ছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মোড়

রাজ্য সরকারের পুজোর অনুদানের বিরোধিতা করে দীর্ঘদিন ধরে সরব থাকার পর এবার কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার নতুন দিশা দেখালেন। দুর্গা পুজোকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতি রক্ষার লক্ষ্যে তিনি ঘোষণা করলেন ‘সাংসদ শারদ সম্মান’ এবং ‘শোভাযাত্রা প্রতিযোগিতা’। তাঁর এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতির অন্দরে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধুমাত্র সংস্কৃতি রক্ষার প্রয়াস নয়, বরং বাংলার উৎসব সংস্কৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরার কৌশল।

বালুরঘাট লোকসভার বিস্তৃতি

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আটটি ব্লক এবং উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার নিয়ে মোট নয়টি ব্লক নিয়ে গঠিত বালুরঘাট লোকসভা। এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব পালিত হলেও পুজো আয়োজনের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ক্লাবগুলোর আর্থিক সীমাবদ্ধতা বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এবার সাংসদের উদ্যোগ গ্রামীণ উৎসবগুলিকে অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উৎসবের মর্যাদা বাড়াবে বলে আশা করছেন সকলে।

‘সাংসদ শারদ সম্মান’: পুজোর উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি

‘সাংসদ শারদ সম্মান’ প্রতিযোগিতায় সদর বালুরঘাটের পাশাপাশি ব্লকভিত্তিক পুরস্কার দেওয়া হবে। সদর এলাকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী পুজো কমিটিকে যথাক্রমে ৩০ হাজার, ২০ হাজার এবং ১০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া ব্লকভিত্তিক নির্বাচিত ক্লাবগুলিকেও একইভাবে পুরস্কৃত করা হবে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো উৎসব আয়োজনের ক্ষেত্রে ক্লাবগুলির ভূমিকা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় তাদের উৎসাহিত করা।

‘শোভাযাত্রা প্রতিযোগিতা’: ঐতিহ্য ও দেশাত্মবোধ তুলে ধরার আহ্বান

পুজোর ভাসানের দিন এক বিশেষ কার্নিভ্যাল বা শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে সুষ্ঠু, সৃজনশীল এবং দেশাত্মবোধক বিষয় তুলে ধরতে হবে। এখানে প্রথম স্থানাধিকারীকে ৩ লক্ষ টাকা, দ্বিতীয় স্থানাধিকারীকে ২ লক্ষ টাকা এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীকে ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়াও আরও ১০টি দলকে ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কৃত করা হবে। সাংসদের ভাষায়, “বাংলার সংস্কৃতি হলো শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যের সমাহার। মদ খেয়ে বা কৃত্রিম উপায়ে উৎসবের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না। যারা প্রকৃত বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরবেন, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।”

ফর্ম বিতরণ ও অংশগ্রহণের নিয়ম

এই প্রতিযোগিতার জন্য ফর্ম বালুরঘাটে সাংসদের নিজস্ব দপ্তর থেকে বিলি করা হচ্ছে। চলবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্ধারিত নিয়মাবলী অনুসারে আবেদন করতে হবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ক্লাব বা উদ্যোক্তারা উৎসবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন—যেমন পরিবেশ সচেতনতা, গ্রামীণ ঐতিহ্য, বাংলার শিল্পকলা, দেশপ্রেম এবং সামাজিক সংহতি। সংগঠকদের মতে, এই প্রতিযোগিতা উৎসবের পাশাপাশি শিক্ষামূলক ও সামাজিক সচেতনতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাজনৈতিক বার্তা

সুকান্ত মজুমদারের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক মহলে এক নতুন বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বহুদিন ধরে রাজ্য সরকারের অনুদানের বিরোধিতা করলেও এবার তিনি নিজের উদ্যোগে উৎসবকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি তাঁর সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিসরে সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রাখার একটি কৌশল। তবে তাঁর সমর্থকরা মনে করছেন, এটি উৎসবকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সংযোগ তৈরির একটি অনন্য উদ্যোগ।

সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

তিনি বলেন, “আমরা বাংলার পুজোর প্রকৃত সংস্কৃতি তুলে ধরতে চাই। বাংলার সংস্কৃতি কখনোই বিশৃঙ্খল বা অসংযত আচরণের প্রতীক নয়। যারা বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যকে তুলে ধরবেন, তাঁদের আমরা আর্থিক পুরস্কার দিয়ে উৎসাহিত করব। একবার এই উদ্যোগ শুরু করেছি, যতদিন সাংসদ থাকব ততদিন এটি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই প্রতিযোগিতার লক্ষ্য শুধু পুরস্কার নয়, বরং সংস্কৃতি রক্ষা এবং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়ানো।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় ক্লাবগুলোর নেতারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক সহায়তা পেলে পুজো আরও বড় আকারে, পরিকল্পিতভাবে এবং সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারবে। অন্যদিকে কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই উদ্যোগ রাজনৈতিকভাবে সাংসদের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সহায়ক হবে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এটি নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে।

উৎসব ও সামাজিক দায়িত্ব

উৎসব শুধু আনন্দের জন্য নয়, সমাজের সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ রক্ষা, সমাজে সহমর্মিতা তৈরি, গ্রামীণ শিল্প ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রতিযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি উৎসবকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, ঐতিহ্যচর্চা এবং সামাজিক সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে পড়বে।

উপসংহার

দুর্গা পুজোকে কেন্দ্র করে সুকান্ত মজুমদারের এই উদ্যোগ শুধু উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রেই নয়, সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং রাজনৈতিক যোগাযোগের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। বালুরঘাট লোকসভায় এই উদ্যোগ গ্রামীণ পুজো উদ্যোক্তাদের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে এসেছে। একই সঙ্গে এটি বাংলার উৎসব সংস্কৃতিকে মর্যাদা দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। উৎসবের মাধ্যমে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ আগামী দিনে অনুকরণীয় হতে পারে।

বীরভূমে নাবালিকা ছাত্রী হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য – শিক্ষক গ্রেফতার, উত্যক্ত করত বলে অভিযোগ

বীরভূমে নাবালিকা ছাত্রী হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য – শিক্ষক গ্রেফতার, উত্যক্ত করত বলে অভিযোগ

বীরভূমে নাবালিকা ছাত্রী হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য – শিক্ষক গ্রেফতার, উত্যক্ত করত বলে অভিযোগ

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৩০

বীরভূমের রামপুরহাটে তদন্তকারী পুলিশ দল

ছবিতে: বীরভূমের রামপুরহাটে তদন্তকারী পুলিশ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘটনার পটভূমি

বীরভূমের রামপুরহাটে সপ্তম শ্রেণির এক নাবালিকা ছাত্রী হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ আগস্ট, যখন ছাত্রীটি টিউশন পড়তে বেরিয়ে আর ফিরে আসেনি। রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রথম থেকেই সন্দেহের তির ধৃত শিক্ষক মনোজকুমার পালের দিকে ছিল। তদন্তে জানা গেছে, মনোজ পাল নাবালিকাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করতেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ছাত্রী রাজি না হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার ছক কষেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বছর ৪৫-এর মনোজকুমার পাল পেশায় স্কুল শিক্ষক হলেও পাশাপাশি টিউশন পড়াতেন। নাবালিকা ছাত্রী নিয়মিত তার কাছে পড়তে যেত। অভিযোগ, শিক্ষক বরাবরই ওই ছাত্রীকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। টিউশনে অনুপস্থিত থাকলে কিংবা স্কুলে না গেলে অন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে খোঁজ নিতেন। একপর্যায়ে তিনি ছাত্রীকে রীতিমতো উত্যক্ত করতে শুরু করেন এবং বিয়ের প্রস্তাবও দেন। ছাত্রী সম্মত না হওয়ায় তিনি ক্রমশ রাগান্বিত হয়ে ওঠেন।

পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধৃত মনোজ পালের গতিবিধির ওপর নজর রাখার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শুরুতে সে পুলিশের প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেনি। তবে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের চাপে জেরায় ভেঙে পড়ে সে এবং খুনের কথা স্বীকার করে। যদিও খুনের প্রকৃত কারণ নিয়ে সে মুখ খুলতে অস্বীকার করেছে। পুলিশের দাবি, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাবালিকার পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ও আদালতের নির্দেশ

ধৃত শিক্ষক মনোজ পালের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা রুজু করা হয়। পরে আদালতে পেশ করলে বিচারক তাকে ৯ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। তদন্তকারীরা ধৃতের কাছ থেকে আরও তথ্য সংগ্রহ করছেন। নাবালিকার পরিবার শোকাহত এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয়রা প্রতিবাদও জানিয়েছেন।

স্থানীয় মানুষের প্রতিক্রিয়া

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর রামপুরহাট অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা দাবি জানিয়েছেন, শিক্ষক ও টিউশন পড়ানোর প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানো উচিত। এছাড়া নাবালিকার প্রতি শিক্ষকতার নামে অবৈধ আচরণ রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির জন্য বিশেষ নির্দেশিকা তৈরির দাবি উঠেছে।

মানবাধিকার সংস্থার মতামত

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিশুর প্রতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তারা অভিযোগ করেছেন, অনেক সময় পরিবার বা শিক্ষার্থীরা শিক্ষক সম্পর্কে অভিযোগ করতে ভয় পায়। ফলে অপরাধীরা বারবার একই অপরাধ করে যেতে পারে। এই ঘটনার পর তারা পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং শিক্ষা দপ্তরের কাছে শিশু সুরক্ষা নীতিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মনোজ পালের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্যদের সন্ধান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তদন্তের অংশ হিসেবে মোবাইল ফোন, লোকেশন ডাটা এবং টিউশন পড়ানোর স্থান পরীক্ষা করা হচ্ছে। তারা পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকেও বয়ান নিচ্ছেন। নাবালিকার পরিচিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

এই ঘটনা আবারও তুলে ধরেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি। অনেক অভিভাবক মনে করছেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট নীতিমালা নেই। টিউশন পড়ানোর ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ কম থাকায় অপরাধীরা সুযোগ পায়। শিশুর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্কুল ও টিউশন সেন্টারগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানো জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরকারি উদ্যোগের দাবি

রাজ্য সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি নেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে পটভূমি যাচাই বাধ্যতামূলক করা এবং টিউশন পড়ানোর ক্ষেত্রে লাইসেন্স ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি উঠেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু এবং অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা করতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

শোকাহত পরিবার

নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা গভীর শোকাহত। মা বারবার বলেছেন, “আমরা ভাবতেও পারিনি যাকে পড়ানোর জন্য বিশ্বাস করেছিলাম, সে এমন করতে পারে।” পরিবার ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছে। স্থানীয়রা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

বিশ্লেষণ

এই ঘটনাটি শুধু এক নাবালিকার মৃত্যু নয়, এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, শিশু অধিকার এবং সামাজিক সচেতনতার ব্যর্থতার প্রতিফলন। অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষকের প্রতি অতিরিক্ত বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে অপরাধ সংঘটিত হয়। ফলে অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন—সব পক্ষকেই সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং সচেতনতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।

বীরভূমের এই ঘটনা সমাজকে একবার ভাবিয়ে তুলেছে। শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে যৌথভাবে উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং নাগরিক সমাজ—সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট আজ, শনিবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ তাঁর মালদা টাউন...

Search This Blog