বিজয়পুরায় সেনার পোশাকে ব্যাঙ্ক ডাকাতি: ৫৮ কেজি সোনা ও ১ কোটি টাকা লুট
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:০০
ছবিতে: বিজয়পুরা জেলার চাঁদাচন শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা, যেখানে সেনার পোশাকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপেঘটনার বিবরণ
বেঙ্গালুরু থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গেছে, কর্ণাটকের বিজয়পুরা জেলার চাঁদাচন শহরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ঘটে। ডাকাতরা সেনার পোশাকে উপস্থিত হয়ে প্রথমে কারও সন্দেহ কাটিয়ে ব্যাঙ্কে প্রবেশ করে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার ও কোষাধ্যক্ষকে বন্দুকের মুখে ৫৮ কেজি সোনা এবং ১ কোটি টাকা নগদ দিতে বাধ্য করে। ব্যাঙ্কের কর্মীদেরও তারা বাঁধা দেয়, যাতে কেউ পুলিশকে খবর দিতে না পারে।
ডাকাতির পরিকল্পনা ও পেশাদারিত্ব
জানা গিয়েছে, ডাকাতরা পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে চালায়। ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে প্রবেশ করার কারণে ও কর্মীদের বাঁধার কারণে কেউ ফোন বা অ্যালার্ম বাজাতে পারেনি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ডাকাতরা ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ফুটােজ খতিয়ে দেখার আগে পালিয়ে গেছে মহারাষ্ট্রের দিকে। পুলিশ ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র পুলিশের সহায়তা চেয়েছে।
পুলিশি তদন্ত এবং পূর্ব ঘটনা
স্থানীয় পুলিশ জানাচ্ছে, ডাকাতদের ব্যবহৃত গাড়িটি মহারাষ্ট্রের দিকে যাওয়ার পথে পাওয়া গেছে। যদিও এখনও ডাকাতদের সঠিক পরিচয় ধরা সম্ভব হয়নি। উল্লেখযোগ্য, কয়েক মাস আগে বিজয়পুরার অন্য একটি ব্যাঙ্কেও একই ধরনের ডাকাতি হয়েছিল। সেদেশ্বরী ঘটনায় কয়েকজন কর্মীও জড়িত ছিলেন এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
ডাকাতির এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। ব্যাঙ্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নিয়মিত পুলিশ তদারকির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, কীভাবে ডাকাতরা সেনার পোশাক পরে সহজে প্রবেশ করতে পারে এবং ব্যাঙ্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলো।
সার্বিক পরিস্থিতি ও পুলিশি পদক্ষেপ
পুলিশ পুরো এলাকার ও ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। মহারাষ্ট্র পুলিশের সহযোগিতায় ডাকাতদের ধরার চেষ্টা চলছে। তবে ডাকাত দলের পেশাদারিত্ব এবং পরিকল্পিত কাজের কারণে তাদের ধরা এখনও সম্ভব হয়নি। পুলিশ জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শীঘ্রই শনাক্ত করার আশ্বাস দিয়েছে।
উপসংহার
বিজয়পুরার চাঁদাচন শহরের এই ডাকাতি গোটা কর্ণাটক ও আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ডাকাতদের পরিকল্পিত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কাজের কারণে সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। পুলিশি তদন্তের প্রক্রিয়া চলমান। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এমন ধরনের ঘটনায় পুনরায় বাড়তে পারে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা উদ্বেগ।









0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন