Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 21 September 2025

কফিন জড়িয়ে স্ত্রী, জুবিন দা ফিরতেই 'স্তব্ধ' অসম — শেষযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত

কফিন জড়িয়ে স্ত্রী, জুবিন দা ফিরতেই 'স্তব্ধ' অসম — শেষযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত

কফিন জড়িয়ে স্ত্রী, জুবিন দা ফিরতেই 'স্তব্ধ' অসম — শেষযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত

By: ETV Bharat Bangla Team | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো     Published: September 21, 2025 at 12:40 PM IST     Location: গুয়াহাটি, অসম
জুবিন গর্গের শেষযাত্রায় মাঠে ভিড় অশ্রুসিক্ত
📷 গুয়াহাটি বিমানবন্দরে শিল্পীর দেহ আগমনে উৎসাহী ভিড় এবং স্তব্ধ মুহূর্ত

গুয়াহাটি, 21 সেপ্টেম্বর: জনস্রোতের চাপে থমকে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সের চাকা। লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদোলই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শিল্পী জুবিন গর্গের বাড়ির উদ্দেশ্যে ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। ছেলেকে শেষবার দেখতে বাড়িতে অপেক্ষায় রয়েছেন ৮৫ বছরের অসুস্থ বৃদ্ধ — পরিবার ও ভক্তরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে একত্রিত হয়েছেন। আরও পড়ুন :- দূর্গা পুড়ে CAA শিবির

দু'দিন আগের মর্মান্তিক সংবাদ

দু’দিন আগেই প্রিয় শিল্পী ও সবার কাছের মানুষ জুবিন গর্গকে হারিয়েছে অসম। রবিবার সকালে ভূমিপুত্রের দেহ গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছলে ভিড় স্তব্ধ হয়ে পড়ে রাস্তায়। লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে হাজির হন। এদিন বিমানবন্দর থেকে কাহিলিপাড়ায় জুবিনের বাড়ি দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য শেষ যাত্রা শুরু করা হয়।

বিমানবন্দর থেকে আবেগঘন মুহূর্ত

দিল্লি থেকে মরদেহ বহনকারী বিমান অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে লাগেজ অংশ থেকে কফিনটি বের করে রানওয়ের কাছে রাখা হয়। স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া গর্গ পৌঁছেই স্বামীর কফিন জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়েন। এরপর ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান এবং কফিনে একটি অসমীয়া 'গামছা' রাখেন। বিমানবন্দরের কর্মী এবং একই ফ্লাইটে আসা যাত্রীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। রাজ্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মরদেহ গ্রহণের জন্য বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

অভিভূত ভক্ত ও রাস্তার দৃশ্য

বিমানবন্দর থেকে কফিনটি গাঁদা ও জুঁই ফুলে সাজানো একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। স্ত্রী'র সঙ্গে শেষবারের মতো বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট ছেড়ে বেরিয়ে যায় জুবিনের দেহ। বিমানবন্দরের বাইরে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে এগোতে থাকা অ্যাম্বুলেন্স দেখে হাজার হাজার ভক্ত 'জয় জুবিন দা' বলে চিৎকার করে। অনেকে শিল্পীর গান গাইছে; কেউ ফোনে লাইভ করছেন, কেউ কাঁদছেন — ছোট থেকে বড়, সবার চোখে অশ্রু।

আহরহ ফুল বর্ষণ করা হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাদের প্রিয় গায়ককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গুয়াহাটিতে পৌঁছেছেন। জুবিন তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ৪০টি ভাষা ও উপভাষায় ৩৮ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন — সাধারণ মানুষের এই ঘনিষ্ঠতা শেষ দিনেও স্পষ্ট হয়ে উঠল।

বাসভবনে ও জনসাধারণের শ্রদ্ধা

শিল্পীর কাহিলিপাড়ার বাসভবনে প্রায় দেড় ঘণ্টা জন্য দেহ রাখা হবে, যেখানে পরিবারের সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন — যার মধ্যে রয়েছেন ৮৫ বছর বয়সী অসুস্থ পিতা। পরিবারের অনুরোধে মিডিয়া ও জনসাধারণকে বাসভবনের পথে প্রবেশ থেকে বিরত রাখা হয়েছে যাতে তারা কিছু ব্যক্তিগত মুহূর্ত কাটাতে পারেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়সূচি

শুক্রবার রাত থেকেই অর্জুন ভোগেশ্বর বরুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সের বাইরে জনসাধারণ জড়ো হতে শুরু করেছে। সোমবার সকাল 9টা থেকে সন্ধ্যা 7টা পর্যন্ত সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে পারা যাবে — সেখানে গণশ্রদ্ধা ও শেষকৃত্যের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দ্রুত ঘোষণা করা হবে। অসম মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে অনুষ্ঠানের স্থান ও সময় চূড়ান্ত করবে বলে খবর।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের শ্রদ্ধা

এর আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঘোষণা করেছিলেন, গায়কের মরদেহটি কোনও চার্টার্ড ফ্লাইটে রাখা হবে না এবং নিয়মিত ফ্লাইটে দিল্লি থেকে গুয়াহাটিতে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ বহনকারী বিমানটি ভোর সাড়ে চারটেয় নয়াদিল্লি ত্যাগ করে সকাল ৭টায় গুয়াহতিতে পৌঁছায়। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মরদেহ গ্রহণ করে শ্রদ্ধা জানান; তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ও অসম রাজ্যের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গান, স্মৃতি ও মানুষের অকণ্ঠ ভালোবাসা

ভক্তরা রাস্তা ও মোবাইলে শিল্পীর বহু স্মৃতিকথা শেয়ার করছেন, গান গাইছেন এবং শেষবারের সাক্ষীর মতো মোবাইলে মুহূর্ত ধারণ করছেন। অনেকেই সাধ্যমত ফুল ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন; কেউ কেউ চোখের জল মুছছেন। এই জনস্রোতই প্রমাণ করে জুবিন গর্গ সাধারণ মানুষের কতটা কাছে ছিলেন — শিল্পীকে শেষকালের সম্মান প্রদর্শিত হচ্ছে পুরো রাজ্য জুড়ে।


#জুবিনগর্গ #ZubeenGarg #গুয়াহাটি #অসম #শোক #শেষযাত্রা #YBanglaDigital

Source: ETV Bharat Bangla Team — রিপোর্ট: গুয়াহাটি (সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের নাম ও ফোন: অনুরোধে প্রকাশ করা হবে)।

Updated: 21 September, 2025 | Contact: edit@ybangla.com

পুজোয় মিউজিক ভিডিয়োর ঝড়: জয়ী-শ্রীতমার ‘মা এলো’ ও সৌমি-মিষ্টির ‘আইলো উমা বাড়িতে’ মাতাচ্ছে দর্শক

পুজোয় মিউজিক ভিডিয়োর ঝড়: জয়ী-শ্রীতমার ‘মা এলো’ ও সৌমি-মিষ্টির ‘আইলো উমা বাড়িতে’ মাতাচ্ছে দর্শক

পুজোয় মিউজিক ভিডিয়োর ঝড়: জয়ী-শ্রীতমার ‘মা এলো’ ও সৌমি-মিষ্টির ‘আইলো উমা বাড়িতে’ মাতাচ্ছে দর্শক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, নাচ, গান আর উচ্ছ্বাস। প্রতিবছরের মতো এবারও পুজো ঘিরে জমজমাট মিউজিক ভিডিয়োর দুনিয়া। দর্শকদের জন্য মুক্তি পেল দুটি বিশেষ গান—‘মা এলো’ এবং ‘আইলো উমা বাড়িতে’। একটিতে প্রেমের গল্প আর অন্যটিতে রয়েছে উৎসবের নস্টালজিয়া। মা এলো গানটি শুনতে ক্লিক করুন

পুজোয় নতুন মিউজিক ভিডিও

📷 পুজো ঘিরে জমজমাট নতুন মিউজিক ভিডিয়োর আনাগোনা

🎶 ‘মা এলো’: জয়ী ও শ্রীতমার প্রেমকাহিনি

আশিক মণ্ডলের সুর, কথা ও কণ্ঠে তৈরি হয়েছে ‘মা এলো’। গানটিতে অভিনয় করেছেন জয়ী দেব রায় এবং শ্রীতমা। শুটিং হয়েছে ঐতিহ্যবাহী সোনারপুর রাজবাড়িতে

জয়ীর কথায়, “প্রথমে ছোট আকারে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীতে বাজেট বেড়ে যায়। গানটিতে আমরা চেয়েছিলাম নাচের মাধ্যমে পুজোর আনন্দ ফুটিয়ে তুলতে। আর শ্রীতমা অসাধারণ নৃত্যশিল্পী। দর্শকেরা এই গানে নিশ্চয়ই নাচবেন।”

গল্পে দেখা যায়, পাড়ার এক ছেলে রাজবাড়ির মেয়ের প্রেমে পড়ে। দুর্গাপুজোতে রাজবাড়ি সাজানোর কাজ হাতে পেয়ে সে চেষ্টা করে মেয়েটির পরিবারকে মুগ্ধ করতে। ষষ্ঠী থেকে দশমী অবধি গানের প্রতিটি সুরে জমবে প্রেম, উৎসব আর আবেগ।

মা এলো মিউজিক ভিডিও

📷 জয়ী দেব রায় ও শ্রীতমা অভিনীত ‘মা এলো’ মিউজিক ভিডিও

🎶 ‘আইলো উমা বাড়িতে’: ঘরে ফেরার আনন্দ ও নস্টালজিয়া

অন্যদিকে, অমলাদিত্য ফিল্মস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কস প্রযোজিত ‘আইলো উমা বাড়িতে’ গানটি দর্শকদের মনে জাগাচ্ছে প্রবাস জীবনের নস্টালজিয়া। কণ্ঠ দিয়েছেন সৌমি মুখোপাধ্যায়, সুর করেছেন অমিত মিত্র এবং কথা লিখেছেন অর্পণ সানা। গানটি শুনতে ক্লিক করুন গানটি শুনতে ক্লিক করুন

এই গানে অভিনয় করেছেন সৌমি মুখোপাধ্যায় এবং মিষ্টি সিংহ রায়। নির্মাতাদের কথায়, “দুর্গাপুজো শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়। এটি ঘরে ফেরার আনন্দ, ঢাকের শব্দ, আপনজনের হাসি আর স্মৃতির ভাণ্ডার।”

প্রবাসী বাঙালির কাছে এই গান ঘরে ফেরার আবেগকে আরও তীব্র করবে। সামাজিক মাধ্যম জুড়ে ইতিমধ্যেই গানটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

আইলো উমা বাড়িতে গান

📷 সৌমি মুখোপাধ্যায় ও মিষ্টি সিংহ রায়ের উপস্থিতিতে ‘আইলো উমা বাড়িতে’

🌸 দুর্গাপুজো: উৎসবের মেলবন্ধন

দুর্গাপুজো বাংলার সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। থিমের ঝলকানি, সাবেকি আভিজাত্য, রঙিন আলো, ঢাকের আওয়াজ, আনন্দে ভরপুর রাস্তাঘাট—সব মিলিয়ে এই উৎসব এক অনন্য শিল্পমেলা। নতুন এই মিউজিক ভিডিয়োগুলো সেই উৎসবকেই আরও রঙিন করেছে।

✨ উপসংহার

‘মা এলো’‘আইলো উমা বাড়িতে’—দুটি গানই ভিন্ন ভিন্ন আবহে তৈরি হলেও দুটির মূল সুর একটাই—উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। প্রেম, নস্টালজিয়া আর নাচের মিশ্রণে এই গানগুলো এ বছরের পুজোয় দর্শক-শ্রোতার মনে দাগ কাটবে।

🗓 আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Saturday, 20 September 2025

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় কেষ্ট মোড়ল

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় কেষ্ট মোড়ল

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় কেষ্ট মোড়ল

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনুব্রত মণ্ডল গ্রামের পুজো

ছবি ক্যাপশন: হাটসেরান্দি গ্রামের শতাব্দী প্রাচীন পুজোতে অংশ নেন অনুব্রত মণ্ডল।

স্বমহিমায় অনুব্রত মণ্ডল, তাই এবার তাঁর গ্রামের বাড়ির পুজোয় বাড়তি জৌলুস। বীরভূমের হাটসেরান্দি গ্রামের মণ্ডল বাড়ির শতাব্দী প্রাচীন পুজোতে প্রতি বছর অংশ নেন তিনি। তিহার থেকে মুক্তির পর রাজনীতির মাটি আবারও শক্ত করে ফেলেছেন বীরভূমের কেষ্ট। তাই এবারও গ্রামের মানুষ মুখিয়ে আছেন ‘কেষ্ট মোড়ল’কে দেখার জন্য।

পুজোর সময়সূচি ও আনুষ্ঠানিকতা

অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছাবেন এবং বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে ফিরে যাবেন। পুজোর চারদিন তিনি মায়ের মুখ দেখবেন এবং অন্যান্য পুজো সম্পর্কিত রীতি মেনে চলবেন।

গ্রামে মাটির প্রতিমা সহ ঘটের পুজো, পটের দুর্গাপুজোসহ নানা ধরনের আয়োজন চলে। পুজোর সময় গ্রামের মানুষজন উপচে পরা ভিড়ে মণ্ডল পরিবারকে দেখতে আগ্রহী থাকেন।

জেলমুক্তির পর স্বমহিমায় ফের প্রত্যাবর্তন

গরুপাচার ও আর্থিক তছরূপ মামলায় ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার হওয়ার পর ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জামিন পেয়ে তিহার থেকে মুক্তি পান অনুব্রত মণ্ডল। জেলমুক্তির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্যে এসে রাজনীতি শক্তিশালী করেছেন তিনি। তাই এবার গ্রামের পুজোতে জৌলুস অনেক বেশি। প্রতিমা নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে এবং গ্রামজুড়ে সাজো সাজো রব চলছে।

গ্রামবাসীর উচ্ছ্বাস

গ্রামবাসীরা বলেন, "এই পুজোতে সবাই আনন্দ করে। আশপাশের পাড়ার লোকজনও আসে। অনুব্রত মণ্ডল পুজোর চারদিনই আসেন। এবার তিনি স্বমহিমায়। মোড়লকে দেখার জন্য সবাই উদগ্রীব। দাদা আসবেন অনেক দিন পর, তাই সবাই উত্তেজিত। সব রকম রীতি মেনে এই পুজো হয়।"

রাজনৈতিক প্রভাব ও গুরুত্ব

মণ্ডল বাড়ির পুজো কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং বীরভূমের রাজনীতিতে একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চিহ্ন। অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতি গ্রাম ও জেলার রাজনৈতিক ভারসাম্যকে দৃঢ় রাখে। তাঁর জেল মুক্তির পর গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় উপস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গাপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যু

দুর্গাপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যু

দুর্গাপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যু: এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিখিল নায়েকের দেহ উদ্ধার

ছবি ক্যাপশন: দুর্গাপুর কমলপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের দেহ উদ্ধার।

দুর্গাপুরের কমলপুরের বাসিন্দা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কমলপুর লাগোয়া জঙ্গল ঘেরা দাসীরবাঁধ এলাকায় তাঁর বাগানবাড়িতে নিখিল নায়েকের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়।

পরিস্থিতি ও পুলিশের তৎপরতা

নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর রয়েছে। নিখিল নায়েকের অনুগামীরা অভিযোগ করেছেন, তাঁকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দেহ উদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিখিল নায়েকের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকা

নিখিল নায়েক ওই এলাকার আদিবাসী সমাজের অবিসংবাদী নেতা ছিলেন। বাম জমানায় হেতেডোবা এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের ঘনিষ্ঠ এই বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নিজস্ব দুর্গাপুর পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডাইরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

দুর্গাপুর থানা এলাকার রঘুনাথপুর, কমলপুর ও পারুলিয়া এই সমস্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এক সময় প্রাক্তন বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায় ও বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের সঙ্গে তাঁকে তৃণমূলের মঞ্চে দেখা যেত।

কমলপুর এলাকায় প্রচুর পাথর খাদান রয়েছে। সেই পাথরখাদানগুলিতে কর্মরত মানুষের 'কাছের নেতা' ছিলেন নিখিল নায়েক।

নিহতের পরিবারের ও এলাকাবাসীর দাবি

এলাকার বাসিন্দারা দাবি তুলেছেন, মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার-সহ তৃণমূলের নেতারা উপস্থিত হলে দেহ উদ্ধার করা হবে। তাঁরা আশ্বাস চাইছেন যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উন্মোচিত হবে। এই পরিস্থিতি কমলপুর ও দাসীরবাঁধ এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশ্লেষণ

নিখিল নায়েকের অস্বাভাবিক মৃত্যু স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হিসেবে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করত। এই রহস্যজনক মৃত্যু এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে এবং রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন তত্ত্ব ও অনুমান উত্থাপিত হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গাপুরে হঠাৎ সিএএ শিবির, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

দুর্গাপুরে হঠাৎ সিএএ শিবির, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

দুর্গাপুরে হঠাৎ সিএএ শিবির: পুজোর আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দুর্গাপুরে সিএএ শিবির

ছবি ক্যাপশন: দুর্গাপুরে বিজেপি কার্যালয়ে আচমকাই আয়োজিত সিএএ শিবির।

পুজোর আগে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন বাকি, সেই সময় দুর্গাপুরে আচমকাই আয়োজিত হল সিএএ শিবির। তাও আবার বিজেপির কার্যালয়ে। এই শিবিরকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম ভেঙে এসব আয়োজনের মাধ্যমে উদ্বাস্তুদের মন পেতে চাইছে বিজেপি।

শিবিরের আয়োজন ও কার্যক্রম

শনিবার সকাল থেকে দুর্গাপুরের 31 নম্বর বিদ্যাসাগর অ্যাভিনিউয়ের বিজেপি কার্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই মানুষের আনাগোনা লেগেছিল। একের পর এক আবেদনপত্র জমা পড়ছে। বিজেপির কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংরক্ষণও করছেন। কার্যক্রম দেখে মনে হয় যেন সরকারি দফতরে কাজ চলছে।

শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই, জেলা সহসভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা।

বিধায়কের বক্তব্য

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অসীম সরকার বলেন, “যাঁরা উদ্বাস্তু আছেন, তাঁদের ভারত সরকার নাগরিকত্ব দিতে চায়। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন। বহুদিন ধরে ওপার বাংলা থেকে এপারে এসে বসবাস করা মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যই এই শিবির। পৃথিবীতে একমাত্র ভারতবর্ষেই এইভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস কী বলল তা আমাদের কিছু আসে যায় না।”

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া

রাজ্যের শাসকদলের মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় জানান, “ভারত সরকারের কর্মসূচি সরকারি দফতরে হওয়া উচিত। বিজেপি কার্যালয়ে ক্যাম্প মানে ভোটের আগে উদ্বাস্তুদের মন পাকা করার খেলা। আমরা এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব।”

রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পুজোর মুখে হঠাৎ করে এই শিবির আয়োজন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচার কৌশলের অংশ হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সিএএ শিবিরের মাধ্যমে বিজেপি দলীয় কার্যালয়ে জনগণের মন জয় করতে চাচ্ছে। এটি কেবল নাগরিকত্ব প্রদান নয়, নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ অনুযায়ী, এটি সরকারি নিয়মের পরিপন্থী।

উপসংহার

পুজোর আগে হঠাৎ সিএএ শিবির আয়োজন ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে কিভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নজরদারির বিষয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

1B ভিসা আবেদনের ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ

H-1B ভিসা আবেদনের ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ

মার্কিন H-1B ভিসার ফি ১০০,০০০ ডলার: ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ বৃদ্ধি

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

H-1B ভিসা এবং ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ

ছবি ক্যাপশন: H-1B ভিসার ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারতীয় প্রযুক্তিবিদরা।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি H-1B ভিসার আবেদনের বার্ষিক ফি ১,০০০–৫,০০০ মার্কিন ডলার থেকে একলাফে ১০০,০০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পদক্ষেপের ফলে আমেরিকায় কর্মরত ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ ও তাঁদের পরিবারের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ

এইচ-১বি ভিসা ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ভিসার মাধ্যমে তাঁরা আমেরিকায় গিয়ে ভারতীয় সংস্থা বা মার্কিন কোম্পানিতে কাজ করতে পারেন। ন্যাসকমের ভাইস-প্রেসিডেন্ট শিবেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, প্রতি বছরে যে সংখ্যক এইচ-১বি ভিসা প্রদান করা হয়, তার ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয়রা পান।

ফি বৃদ্ধির ফলে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য ভিসা আবেদন কঠিন হয়ে যাবে। এতে তাঁদের পরিবার এবং পেশাগত জীবনের ওপর চাপ পড়বে।

আমেরিকান সংস্থাগুলোর প্রভাব

এই পদক্ষেপের ফলে শুধুমাত্র ভারতীয়দের নয়, আমেরিকান সংস্থাগুলোরও চাপ বৃদ্ধি পাবে। মার্কিন সংস্থাগুলি দক্ষ ভারতীয় কর্মী খুঁজে তাদের নিয়োগ করে, যাদের কর্মদক্ষতা ও গুণগত মানের কারণে নিয়োগ করা হয়।

এইচ-১বি ভিসার শীর্ষে রয়েছে অ্যামাজন, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপেল, কগনিজ্যান্ট, জেপি মর্গ্যান চেজের মতো কোম্পানি। এরা ভারতীয় ট্যালেন্টের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ফি বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পড়বে।

ভারতের প্রতিক্রিয়া

ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারত ও আমেরিকার উভয় দেশের শিল্পের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় আগ্রহ রয়েছে। দক্ষ কর্মীদের আদান-প্রদানের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে প্রযুক্তি উন্নয়ন, উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা ও সম্পদ সৃষ্টিতে বড় অবদান রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নীতিনির্ধারকরা পদক্ষেপের মূল্যায়ন পারস্পরিক সুবিধাগুলো বিবেচনা করে করবেন, যাতে দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় নাগরিক সম্পর্ক বজায় থাকে।

ন্যাসকমের মতামত

ন্যাসকমের মতে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ভারতীয় প্রযুক্তি পরিষেবা সেক্টরের পাশাপাশি আমেরিকান অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের উপরও বড় প্রভাব পড়বে। সংস্থা ও কর্মী উভয় পক্ষের জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

উপসংহার

সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য উদ্বেগের কারণ হলেও, দু’দেশের মধ্যে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ বের করা সম্ভব। দক্ষ মানবসম্পদ বিনিময় বজায় রেখে উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখা দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

📊 H-1B ভিসা ফি বৃদ্ধির অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভারতীয় কোম্পানির পদক্ষেপ

  • ভারতের প্রযুক্তি খাত: ফি বৃদ্ধি ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের আমেরিকায় অবস্থানকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি IT সংস্থাগুলো যা H-1B কর্মী নিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
  • আমেরিকান সংস্থা: অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপেল, জেপি মর্গ্যান চেজের মতো কোম্পানিগুলোর জন্য দক্ষ ভারতীয় কর্মী খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে। ফলে প্রকল্প সময়মতো শেষ করা ও খরচ বৃদ্ধি হতে পারে।
  • পরিবারিক প্রভাব: H-1B ভিসা প্রাপ্তদের পরিবারের জন্যও চাপ বাড়বে। সন্তানদের শিক্ষা, পরিবারের পুনর্মিলন ও আবাসন পরিকল্পনা প্রভাবিত হতে পারে।
  • ভারতীয় কোম্পানির পদক্ষেপ: টিসিএস, ইনফোসিস, HCL, Wipro-এর মতো বড় সংস্থা এখন বিকল্প কর্মী পরিকল্পনা ও স্থানীয় মার্কিন বাজারে নিয়োগ বাড়ানোর পথ খুঁজতে পারে।
  • অর্থনৈতিক প্রভাব: দক্ষ ভারতীয় কর্মীর অভাবের কারণে আমেরিকান কোম্পানির প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে, ভারতীয় IT রপ্তানি ও প্রফেশনাল সার্ভিসেও প্রভাব পড়তে পারে।
  • দীর্ঘমেয়াদি সমাধান: দুই দেশের সরকার ও শিল্পপতি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে H-1B ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সমঝোতার পথ বের করতে পারেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আলিপুরদুয়ারে লরির ধাক্কায় প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু

আলিপুরদুয়ারে লরির ধাক্কায় প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু

আলিপুরদুয়ারে লরির ধাক্কায় প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: শনিবার আলিপুরদুয়ারে এক প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বীরপাড়ার কাছে ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের গ্যারগেন্দা সেতু সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রদীপরঞ্জন ঘোষের মৃত্যুর ঘটনা

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম প্রদীপরঞ্জন ঘোষ (৬১)। তাঁর বাড়ি আলিপুরদুয়ার রেল জংশনের কালীবাড়ি কলোনীতে। শনিবার বেলা ২টা নাগাদ মেয়ের স্কুটি চালিয়ে প্রদীপরঞ্জনবাবু তাঁর পুরনো কর্মস্থল বীরপাড়ার দলগাঁও স্টেশনে যাচ্ছিলেন। গ্যারগেন্দা সেতুর কাছে পিছন থেকে একটি লরি তার স্কুটিতে ধাক্কা দেয় এবং চালক পালিয়ে যায়। স্কুটি সহ তিনি ছিটকে পড়ে যান রাস্তায় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

আলিপুরদুয়ার দুর্ঘটনা
বীরপাড়ার গ্যারগেন্দা সেতু সংলগ্ন দুর্ঘটনার স্থল। (ফাইল ছবি)

পুলিশ ও তদন্ত

বীরপাড়া থানার ওসি নয়ন দাস জানান, “ময়নাতদন্তের জন্য প্রদীপরঞ্জনবাবুর দেহ রবিবার হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঘাতক লরির খোঁজে তল্লাশি চলছে।” পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং পরিচিতি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

প্রদীপরঞ্জন ঘোষের জীবন ও পরিবার

প্রদীপরঞ্জন ঘোষ একজন প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ান ছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল রেল সিকিউরিটি ডিউটিতে ছিলেন। মৃত ব্যক্তির পরিবার জানিয়েছে যে, এদিন তিনি মেয়ের স্কুটি চালিয়ে বিয়ে বাড়ির জন্য যাত্রা করছিলেন। পরিবার এবং পরিচিতরা এই অকালমৃত্যুতে শোকাহত। স্থানীয় সমাজও এই দুর্ঘটনার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

দুর্ঘটনা ঘটে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারা আহত ব্যক্তি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অনেকে ঘাতক লরির দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবী করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত ভাইরাল হয়েছে এবং মানুষ শোক প্রকাশ করেছে।

দুর্ঘটনার প্রভাব

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার অভাব এই ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্কুটি ও বাইকের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

পরবর্তী পদক্ষেপ

ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশের তল্লাশী অভিযান অব্যাহত আছে। তদন্তের মাধ্যমে দোষী চালককে আইনের আওতায় আনা হবে। স্থানীয় প্রশাসনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
হ্যাশট্যাগ:
#আলিপুরদুয়ার #প্রদীপরঞ্জন_ঘোষ #আরপিএফ #দুর্ঘটনা #লরি_ধাক্কা #বীরপাড়া #গ্যারগেন্দা_সেতু

জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যু: স্কুবা ডাইভিং নয়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ

জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যু: স্কুবা ডাইভিং নয়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ

জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যু: স্কুবা ডাইভিং নয়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ

সিঙ্গাপুর, ২০ সেপ্টেম্বর (Y বাংলা ব্যুরো): সিঙ্গাপুরের নর্থইস্ট ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার কথা ছিল জুবিন গর্গের। কিন্তু শেষকৃত্য পর্যন্ত পৌঁছেছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। শুক্রবার দুপুরে জুবিন শখের বশে স্কুবা ডাইভিং করার জন্য সমুদ্রে নেমেছিলেন। এক পর্যায়ে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা শুরু হলে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা ব্যর্থ হন এবং আইসিইউতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তবে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জুবিনের মৃত্যু স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য হয়নি। বরং সমুদ্রে সাঁতার কাটার সময় ঘটেছে। ভিডিও ফুটেজের সূত্রে দেখা যায়, তিনি প্রথমে লাইফ জ্যাকেট পরে তরী থেকে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন, সাঁতার কেটে ফিরে আসেন। এরপর লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই দ্বিতীয়বার সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। হিমন্তের মতে, দ্বিতীয়বার ঝাঁপ দেওয়ার সময়ই তিনি আর ফেরেননি।

লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ঝাঁপের পর মর্মান্তিক অবস্থা

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, "ভিডিওতে দেখা যায় জুবিন প্রথমে তরী থেকে লাইফ জ্যাকেট পরে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। তারপর ফের লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই সমুদ্রে প্রবেশ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, লাইফ জ্যাকেট পরে সাঁতার কাটতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই তা খুলে রেখেছিলেন।" এই ঘটনার পর সমুদ্রেই তিনি অবচেতন অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি।

অসমে শেষকৃত্য, সিআইডির তদন্ত

অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জুবিনের শেষকৃত্য অসমেই সম্পন্ন হবে। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ অসমে আনা হবে। জুবিনের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁর অনুরাগীরা। সেই কারণে গুয়াহাটিতে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে, যাতে নাম রয়েছে জুবিনের ম্যানেজার ও সিঙ্গাপুরের অনুষ্ঠান আয়োজকের। অসম পুলিশ এই এফআইআর সিআইডির কাছে স্থানান্তর করেছে। এখন জুবিনের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করবে সিআইডি।

অনুরাগীর প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক প্রভাব

জুবিনের অকাল মৃত্যু সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তাঁর অনুরাগীরা শোকাহত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, আন্তর্জাতিক পারফর্ম্যান্সের সময় এমন দুর্ঘটনা কোনো শিল্পী বা পারফর্মারের জন্য বড় ধাক্কা। সিঙ্গাপুরের স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন অনুরাগীরা।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমও জুবিনের মৃত্যুকে গুরুত্ব সহকারে সম্প্রচার করেছে। অসমের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহল এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ দেওয়া বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারফর্মারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মকানুন আরও কঠোর করা উচিত।

জুবিন গর্গ স্কুবা ডাইভিং
জুবিন গর্গ স্কুবা ডাইভিং করার আগে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। (ফাইল ছবি)

পরবর্তী পদক্ষেপ

অসম পুলিশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের প্রশাসন সমন্বয় করে তদন্ত চালাচ্ছে। মরদেহ ফিরিয়ে আনার পর জুবিনের পরিবার এবং স্থানীয় প্রশাসন চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করবেন। এছাড়া এফআইআর-এর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু শিল্পী এবং অনুরাগীদের জন্য এক স্মরণীয় এবং মর্মস্পর্শী ঘটনা। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পারফর্ম্যান্স ও শখের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
হ্যাশট্যাগ:
#জুবিন_গর্গ #মৃত্যু #সিঙ্গাপুর #লাইফ_জ্যাকেট #স্কুবা_ডাইভিং #হিমন্ত_বিশ্বশর্মা #অসম_পুলিশ #সিআইডি

হাওড়া গ্রামীণ জেলা TMC চেয়ারম্যান সমীর পাঁজার পদত্যাগ, নতুন জেলা কমিটিকে নিয়েই আপত্তি

হাওড়া গ্রামীণ জেলা TMC চেয়ারম্যান সমীর পাঁজার পদত্যাগ, নতুন জেলা কমিটিকে নিয়েই আপত্তি হাওড়া গ্রামীণ জেলা TMC চেয়ারম্যান পদত্যাগ

হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদ থেকে সমীর পাঁজার পদত্যাগ, নতুন জেলা কমিটিকে নিয়েই আপত্তি

হাওড়া (Y বাংলা ব্যুরো), ২০ সেপ্টেম্বর: হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছল। জেলা চেয়ারম্যান পদে থাকা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা শনিবার তার পদত্যাগ ঘোষণা করেছেন। জানা গেছে, তিনি ইতিমধ্যেই তার পদত্যাগপত্র তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সী-কে পাঠিয়েছেন।

পদত্যাগের মূল কারণ হিসেবে সমীর পাঁজা নতুন জেলা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া-র সঙ্গে তার অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সূত্রের খবর, তিনি মনে করছেন যে নতুন কমিটির আকার ও সদস্য বাছাই তৃণমূলের মূল নীতিমালা ও স্থানীয় স্তরের কার্যকারিতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমীর পাঁজা দীর্ঘদিন ধরে হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ছিলেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার পদত্যাগ এলাকার রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

পদত্যাগের পর দলের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্বের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আশা করছে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে এবং স্থানীয় সংগঠন শক্তিশালী রাখা সম্ভব হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সমীর পাঁজার পদত্যাগ জেলা স্তরের রাজনীতিতে শূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে আগামী স্থানীয় ও সংসদীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে। স্থানীয় নেতারা ইতিমধ্যেই দলের কার্যক্রম ও কর্মীসংগঠনের পুনর্বিন্যাসে মনোনিবেশ করেছেন।

তথ্যসূত্র: দলীয় সূত্র ও স্থানীয় রাজনৈতিক সংবাদ।

হ্যাশট্যাগ:
#হাওড়া_গ্রামীণ #তৃণমূল_কংগ্রেস #সমীর_পাঁজা #পদত্যাগ #রাজনীতি #জেলা_কমিটি

পুজোর আগেই তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল, নতুন কমিটি ঘোষণা

পুজোর আগেই তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল, নতুন কমিটি ঘোষণা

পুজোর আগেই তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল, নতুন কমিটি ঘোষণা

Y বাংলা ব্যুরো: পুজোর আগেই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে বড় ধরনের সাংগঠনিক রদবদল ঘোষণা করেছে। শনিবার হাওড়া গ্রামীণ, হুগলির শ্রীরামপুর, আরামবাগ, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর এবং বহরমপুরে যুব, মহিলা, শ্রমিক ও মূল সংগঠনগুলিতে ব্লক ও টাউন স্তরে নতুন প্রেসিডেন্টদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই রদবদল সম্পন্ন হয়েছে।

সাংগঠনিক জেলায় বড় রদবদল

হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় মোট ৮টি টাউন ও ব্লক স্তরে রদবদল হয়েছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য জেলাগুলোতেও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই রদবদলের লক্ষ্য একটাই, ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে দলের পারফরম্যান্স বাড়ানো এবং একুশের চেয়ে আরও বেশি আসনে জয় অর্জন করা।

নতুন কমিটির লক্ষ্য ও গুরুত্ব

পুজোর আগে নতুন কমিটি ঘোষণা করার মাধ্যমে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব দলের ভিতরে এক ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। এতে করে নির্বাচন এবং পরে দলের কার্যক্রম পরিচালনায় সুবিধা হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুন নেতাদের নির্বাচন করা হবে পারফরম্যান্স ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে। কাজের লোককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, এবং দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

নেতাদের প্রতিক্রিয়া ও দলীয় বার্তা

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পোস্টে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী নেতাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, পুজোর আগেই রদবদল সম্পন্ন করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনের পূর্বে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করা।

শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলায় একাধিক বৈঠক করেছেন এবং পারফরম্যান্স, গ্রহণযোগ্যতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। দলের তরুণ ও আগ্রহী নেতা-নেত্রীদের এই নতুন দায়িত্বে আনা হয়েছে। দলের মূল লক্ষ্য একটাই — একাধিক আসনে জয় নিশ্চিত করা।

পুজো ও নির্বাচনের প্রস্তুতি

পুজোর আগে রদবদল করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে উৎসবকালে দলের কাজ চলতে কোনো বিলম্ব হবে না। পুজোর পরে নতুন কমিটি নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। তৃণমূলের এই প্রস্তুতি নির্বাচনী ময়দানে দলকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছে দেবে।

সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নীতি

দলের অভ্যন্তরীণ নীতি অনুযায়ী, পারফরম্যান্স ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে নেতা-নেত্রীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নতুন কমিটির কাজের লক্ষ্য পরিষ্কার — দলকে নির্বাচন জয়ে এগিয়ে নেওয়া। প্রত্যেককে দলের নির্দেশ মেনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

নতুন কমিটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা

নতুন কমিটি পুজোর পরে তৃণমূলকে নির্বাচনী ময়দানে প্রস্তুত করবে। প্রতিটি ব্লক ও টাউন স্তরের নেতা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। দলের লক্ষ্য, একুশের চেয়ে বেশি আসনে জয় নিশ্চিত করা এবং রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলে সমর্থন বৃদ্ধি করা।

তৃণমূলের নতুন কমিটির বৈঠক

তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটির বৈঠক।

এই রদবদলের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস আগামী নির্বাচনে সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। নেতাদের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে এবং দলের মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য তারা সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট : সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনে...

Search This Blog