Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 1 October 2025

মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় কাশির সিরাপ সন্দেহে কিডনি বিকল: ৬ শিশুর মৃত্যু

মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় কাশির সিরাপ সন্দেহে কিডনি বিকল: ৬ শিশুর মৃত্যু
ডিজিটাল ডেস্ক

মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় কাশির সিরাপ সন্দেহে কিডনি বিকল: ৬ শিশুর মৃত্যু

আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫ · রিপোর্ট করা তারিখ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ · জেলা: ছিন্দওয়াড়া (পারসিয়া, উমরেঠ ও আশপাশ)
ছিন্দওয়াড়া: স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী ও ভিড়
ফাইল ছবি/প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি — উপযুক্ত দৃশ্যের ছবি ব্যবহার করুন।

সংক্ষিপ্ত শিরোনাম: পারসিয়া ও আশপাশের গ্রামে শুরু হওয়া ঠান্ডা-কাশি-জ্বরের পরে কিডনি বিকল ও ডায়ালিসিসের প্রয়োজন নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে; প্রশাসন দুটি কাশির সিরাপের বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে ও তদন্ত চলছে।

ছিন্দওয়াড়া মেডিক্যাল কলেজের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ দীপক প্যাটেলের কথায়— প্রথমে শিশুরা ঠান্ডা-কাশি ও জ্বর নিয়ে আসে। কয়েক দিনের মধ্যে তাদের প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায় এবং কিডনি ক্রমান্বয়ে কাজ করা বন্ধ করে। জটিল অবস্থায় আক্রান্ত শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নাগপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে; তবুও এখন পর্যন্ত ছয় শিশুকে বাঁচানো যায়নি।

জরুরি নির্দেশিকা (জেলা প্রশাসন)

  • প্রেসক্রিপশন ছাড়া শিশুদের কোনও ওষুধ দেবেন না।
  • ঠান্ডা-কাশি হলে অবিলম্বে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
  • ভুয়ো ডাক্তারদের কাছে চিকিৎসা করাবেন না।
  • প্রতিটি ৬ ঘণ্টায় শিশুর প্রস্রাবের পর্যবেক্ষণ করুন; প্রস্রাব বন্ধ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখান।
  • বমি বা অস্বাভাবিক অবসাদ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের কাছে নিন।
  • শিশুদের প্রচুর পরিমাণে জল পান করান এবং জ্বর দুই দিনের বেশি থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসাসেবা নিন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ১ সেপ্টেম্বরের পরে পরাসিয়া, উমরেঠ, জাতাছাপর, বারকুহি-সহ বিভিন্ন গ্রামে শিশুমহলে ঠান্ডা-কাশি-জ্বরের প্রবণতা বাড়ে। অনেক অভিভাবক স্থানীয় ওষুধের দোকান বা ক্লিনিক থেকে কাশির সিরাপ কিনে ব্যবহার শুরু করেন; পরে কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শিশুর অবস্থা দ্রুত খারাপ করে। রক্ত পরীক্ষা ও অন্যান্য টেস্টে জাপানি এনসেফেলাইটিস বা প্রচলিত ভাইরাল অজানা পাওয়া না গেলেও বায়োপসিতে কিডনি সম্পর্কিত গণঅস্বাভাবিকতা ধরা পড়েছে বলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

জেলা কালেক্টর শৈলেন্দ্র সিং বলেন প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ৪ সেপ্টেম্বরে রেকর্ড করা হয়েছিল; ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৬টি মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন ৫৩৮টি নমুনা সংগ্রহ করেছে এবং প্রায় ৩০০ জনের কিডনি ও লিভার ফাংশন টেস্ট করা হয়েছে — এখনও নিশ্চিত কারণ চিহ্নিত করা হয়নি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা ও সন্দেহিত সিরাপের নাম

প্রাথমিক অভিযোগ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ‘Coldrif’‘Nextro-DS’ নামে দুইটি কাশির সিরাপের বিক্রিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন; শুধুমাত্র অনুমোদিত ওষুধই বিক্রি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিভাগ ও বিশেষজ্ঞ টিম

এসসিডিএস ও সিডিসির (CDC) বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শন করেছে এবং স্থানীয় হাসপাতাল ও নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্রে কাজ করছে; কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানে আরও পরীক্ষামূলক রিপোর্ট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভিভাবকদের জন্য পরীক্ষা-নির্দেশনা

  • যদি শিশুর প্রচলিত প্রস্রাব বন্ধ থাকে বা গড়পড়তা থেকে কম হয় — তৎক্ষণিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
  • ডায়ালিসিসের প্রয়োজন হলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি/বেসরকারি মেডিক্যাল কনসেনটারে যোগাযোগ করুন।
  • অবশ্যই প্রেসক্রিপশন সহ মেডিকেল পরামর্শ অনুযায়ীই ওষুধ ব্যবহার করুন; ওভার-দ্য-কাউন্টার সিরাপ/ওষুধ প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকুন।
  • প্রতিটি উপসর্গের সময় রেকর্ড রাখুন (জ্বরের সময়, সিরাপ দেওয়ার সময়, প্রস্রাবের হার ইত্যাদি)।

বিশেষ দ্রষ্টব্য

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করেছে— যে কোনো ধরনের ওষুধ প্রয়োগের আগে অনুমোদিত প্রেসক্রিপশন নিন এবং স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নির্দেশনা মেনে চলুন। তদন্ত ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কেটেছে এমন কোনো সিদ্ধান্তকে নিশ্চিত হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত নয়।

রিপোর্ট: ডিজিটাল ডেস্ক · সূত্র: জেলা প্রশাসন, হাসপাতাল সূত্র
আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫
উৎস (শুরুতেই তদন্ত করা প্রয়োজন):
  • স্থানীয় ও দেশের সংবাদমাধ্যম ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞপ্তি — বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরে এই তালিকা আপডেট করুন।

কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধিতে উত্তপ্ত রাজ্য — রাজ্য সরকারি কর্মীরা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধিতে উত্তপ্ত রাজ্য — রাজ্য সরকারি কর্মীরা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
রাজ্য সংবাদ • অর্থনীতি

ব্যুরো: পুজোর মধ্যে সুখবর, কিন্তু পরে বড় আন্দোলনের হুমকি — কেন্দ্রীয় ডিএ বাড়ায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের অসন্তোষ

প্রকাশিত: • রিপোর্ট: দুর্গা পুজোর (DurgaPuja2025) টাইমস | সংবাদদাতা: স্থানীয় প্রতিনিধি

ব্যুরো রিপোর্ট: দুর্গা পুজোর (DurgaPuja2025) আনন্দের মাঝেই এবং দীপাবলির আগে বড়সড় সুখবর এল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য। কেন্দ্র সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া শর্তে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য ভাতা (ডিএ) আরও ৩ শতাংশ বাড়াচ্ছে।

কিন্তু এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কেন্দ্রের ইশতেহারে কেন্দ্রীয় কর্মীদের আর্থিক সুফল বেড়েছে—ফলত: কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মোট ডিএ পার্থক্য বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ-এ পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

সংগ্ৰামী যৌথ মঞ্চের হুঁশিয়ারি:

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh) বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মতো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল রাজ্যও সাধারণত তাদের কর্মীদের বঞ্চিত করে না। কিন্তু কেন্দ্রের ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ফলে আমাদের কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য ৪০ শতাংশে পৌঁছে গেছে—এটি মেনে নেওয়া যাবে না। পুজোর পর যদি মহার্ঘ্য ভাতা না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।"

ভাস্করের এই মন্তব্যের পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও সরব হয়েছেন; তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে কেন্দ্র-রাজ্য ডিএয়ের পার্থক্য তুলে ধরে তীব্র সমালোচনা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ঘোষণাটি সরাসরি রাজ্যের সরকারি কর্মী-শ্রেণীর ভাবাবেগ ও ভোটবাজারকে স্পর্শ করবে।

আরও জটিলতা হচ্ছে—সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে ডিএ মামলার শুনানি। ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছিল যে 'মহার্ঘ ভাতা' সরকারি কর্মীদের একটি মৌলিক অধিকার এবং সেই হারে কেন্দ্রীয় ডিএ রাজ্যকে দিতে হবে; রাজ্য তা চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গেলে শীর্ষ আদালত তখন অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল।

নীচে মামলার বর্তমান অবস্থা ও প্রভাবের সারমর্ম:

  • আইনি প্রসঙ্গ: সুপ্রিম কোর্টে মামলার 'সওয়াল' পর্ব শেষ—এখন রায়দানের অপেক্ষা রয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন, রায় রাজ্য ও কেন্দ্র—উভয়েরই বাজেটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
  • রাজনৈতিক প্রভাব: আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ইস্যু রাজনৈতিক তেল যোগাবে; বিরোধীরা রাজ্যের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।
  • সামাজিক প্রভাব: কর্মীরা যদি বৃহৎ আন্দোলনে যান, তবে সরকারি সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; পুজোর পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
"ওই মামলায় আমরা জিতব—কারণ এটি অধিকারের প্রশ্ন। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার বিষয়েও আমরা আশাবাদী। যদি না হয়, তো ভোটের সময় পর্যন্ত বড় আন্দোলন করা হবে" — ভাস্কর ঘোষ।

নবান্নের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে—বকেয়া ডিএ নির্ধারণে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ঠিক কতটা পরিশোধ করতে হবে তা নির্ণয়ে সময় লাগছে। রাজ্যের যুক্তি হচ্ছে, হিসাবটি সঠিকভাবে না করেই দেয়া হলে বাজেটগত অটলতা তৈরি হবে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন স্পষ্ট—"রাজ্যের বাইরে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মীরা যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পান, তবে বাংলার কর্মীরা কেন বঞ্চিত হবেন?"

অর্থনীতিবিদরা মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় হারে দৈনিক ভাতা মানে রাজ্যকে আর্থিক বোঝা বহন করতে হবে; রাজ্য যদি তা স্বেচ্ছায় গ্রহণ না করে, তাহলে আইনি লড়াই ও সামাজিক অনড়তা দুইই বাড়বে। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে কর্মী সংখ্যাও বড়—তাই বকেয়া অর্থবর্ষিক হিসাব বড় সংখ্যা গড়ে দাঁড়াতে পারে।

বিশ্লেষকরা আরও জানাচ্ছেন, যদি সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের পক্ষে রায় দেয় এবং কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া পরিশোধ আদেশ করে, তাহলে রাজ্যকে বিভিন্ন ব্যাজেট পুনর্বিন্যাস করতে হবে—যা সামাজিক ও অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, যদি রাজ্য হারায়, ভবিষ্যতে একই ধরনের দাবির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় হারের ভিত্তিতে অংশ দান না করায় কর্মীরা বারবার আন্দোলনে যেতে পারে।

এখনকার পরিস্থিতিতে সব পক্ষই পুজোর মেনে চলা এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে কথা বলছে—তবে মাঠ পর্যায়ের সংগঠিত কর্মী শক্তি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা এই ইস্যুকে কেবল আইনি পর্যায়ে আটকে রাখতে দেবে না, এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এই প্রতিবেদন আপডেট করা হবে—যদি সুপ্রিম কোর্টের রায় বা রাজ্য/কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নতুন ঘোষণা আসে।

#ডিএ #কর্মচারীআন্দোলন #পশ্চিমবঙ্গ #সুপ্রিমকোর্ট #DurgaPuja2025
সূত্র: স্থানীয় প্রতিনিধি ও দলের বক্তব্য থেকে সংকলিত। আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৫ •

মোদি সমর্থন করলেন ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা — গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের অবসানে উদ্যোগ

মোদি সমর্থন করলেন ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা — গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের অবসানে উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক

গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের অবসান ঘটাতে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রতি মোদি’র সমর্থন

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৫ • সংবাদদাতা:Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর ট্রাম্প যে শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তাকে স্বাগত জানিয়ে মোদি পরের দিন এক্সে (প্রাক্তন টুইটার) পোস্ট করেন।

মোদি লেখেন:

“আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বিস্তৃত পরিকল্পনার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই। এটি ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি জনগণের জন্য, পাশাপাশি বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়ার অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের একটি কার্যকর পথ প্রদান করবে।”

মোদির পোস্টে আরও বলা হয়, “এটি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জনগণের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার একটি সুযোগ এনে দেবে। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সবাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্যোগকে সমর্থন করবেন।”

বিবেচ্য বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত প্রস্তাবে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা, বন্দিদের মুক্তি, এক পর্যায়ে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতা এবং বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হবে, তা এখনও অনিশ্চিত — কারণ রাস্তায় থাকা পক্ষগুলোর সম্মতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ছাড়াও অনেক কূটনৈতিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবে।

গাজা ইসরায়েল ট্রাম্প মোদি
সূচনাঃ সংবাদসংস্থার রিপোর্ট ও সরকারী বিবৃতি সূত্রে সম্পাদিত। আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৫।

উদ্ধব ঠাকরের বিতর্কিত মন্তব্য

উদ্ধব ঠাকরের বিতর্কিত মন্তব্য | Y Bangla News

উদ্ধব ঠাকরের বিতর্কিত মন্তব্য: এশিয়া কাপ ম্যাচ দেখা মানেই দেশদ্রোহী

শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) প্রধান এবং মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে মন্তব্য করে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছেন। তাঁর দাবি, “যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, তাঁরা দেশদ্রোহী।” এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহল উত্তাল হয়ে উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়াতেও শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

মূল বক্তব্য:
  • এশিয়া কাপ ফাইনাল না দেখায় গর্বিত উদ্ধব ঠাকরে।
  • ম্যাচ দেখা দেশদ্রোহিতা বলে দাবি করেছেন তিনি।
  • দেশভক্তি কেবল খেলা দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া জরুরি।

পহেলগাঁও হামলার ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের প্রতি ভারতের অবস্থান কঠোর। এর মধ্যে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ নিয়েই বারবার তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্র সরাসরি হস্তক্ষেপ না করলেও বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, খেলাধুলার অজুহাতে সরকার নরম অবস্থান নিয়েছে। শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) সেই বিরোধিতায় সরব।

সাংবাদিক বৈঠকে উদ্ধবের দাবি

মুম্বইয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে উদ্ধব ঠাকরে বলেন, “একজন দেশভক্ত হিসেবে এশিয়া কাপ ফাইনাল ম্যাচ আমি দেখিনি। যারা ম্যাচটি দেখেছেন, তারা দেশদ্রোহী। দেশভক্তি মানে শুধু খেলা দেখা নয়, দেশের সংকটে সরব হওয়া এবং সঠিক সময়ে সক্রিয় থাকা। সেটাই প্রকৃত দেশভক্তি।”

এশিয়া কাপে শুরু থেকেই মাঠের ভেতরে-বাইরে নানা বিতর্ক হয়েছে। পাকিস্তানকে হারানোর পরে ভারতীয় ক্রিকেটাররা করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। অপরদিকে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ভারত-বিরোধী অঙ্গভঙ্গির অভিযোগ ওঠে। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে আইসিসি-তে অভিযোগ দায়ের করে।

ছবি: মুম্বইয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন উদ্ধব ঠাকরে

বিতর্কের রেশ

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই মনে করছেন, উদ্ধব ঠাকরের এই মন্তব্য জনগণের আবেগে আঘাত করছে। তবে তাঁর সমর্থকদের মতে, তিনি আসলে খেলাধুলার আড়ালে চলা রাজনৈতিক চালচিত্রকেই সামনে আনতে চেয়েছেন।

ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ কিছুটা কমলেও উদ্ধবের এই মন্তব্য নতুন করে আগুন জ্বালাল। ফাইনালের পরে পাকিস্তান ট্রফি গ্রহণ না করায় ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তার সঙ্গে যুক্ত হল উদ্ধবের বক্তব্য। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই মন্তব্য আগামী দিনে কেন্দ্র-বিরোধী প্রচারে বড় হাতিয়ার হতে পারে।

মহসিন নকভি-ভারতীয় বোর্ড বিতর্ক

মহসিন নকভি-ভারতীয় বোর্ড বিতর্ক | Y Bangla News

মহসিন নকভি-ভারতীয় বোর্ড বিতর্ক: ট্রফি নিয়ে নাটক চলছেই

এশিয়া কাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে চলতে থাকে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। মঙ্গলবারের এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের বৈঠকও বাদ যায়নি। সূত্রের মুখে সব খবর শোনা যাচ্ছিল, অবশেষে মুখ খুললেন মহসিন নকভি, বিতর্ক শুরু হওয়ার তিন দিন পর।

নকভির বক্তব্য:
  • ভারতীয় সংবাদমাধ্যম অসত্য খবর পরিবেশন করছে।
  • তিনি কোনও দিন ভারতীয় বোর্ডের কাছে ক্ষমা চাইছেন না।
  • ভবিষ্যতেও নকভি কোনো সময় ক্ষমা চাইবেন না।

নকভি ফেসবুক ও এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “ভুয়ো খবর পরিবেশন করে ভারতের মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে সংবাদমাধ্যমগুলি। বানানো ভিত্তিহীন কথাগুলো অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়। ভারত বার বার ক্রিকেটের মধ্যে রাজনীতি ঢোকাচ্ছে, ফলে ক্রিকেটের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।”

এশিয়া কাপ ফাইনালের পর ভারতীয় বোর্ড অভিযোগ করেছিল, নকভি ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। ট্রফি ফেরত দিতে বলা হলেও তিনি তা দেননি। নকভি দাবি করেছেন, ট্রফি দিতে কোনো সমস্যা নেই। “এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান হিসাবে আমি সে দিনও ট্রফি তুলে দিতে চেয়েছিলাম, এখনও চাই।”

ভারতীয় বোর্ড স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নকভির হাত থেকে তারা ট্রফি নেবে না। ট্রফি পাঠাতে হবে ভারতে বা এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের দুবাই দফতরে রাখতে হবে। নকভি অনড়, লিখেছেন, “যদি ভারত সত্যিই ট্রফি নিতে চায়, এশীয় কাউন্সিলের দফতরে এসে আমার হাত থেকে নিতে হবে।”

ছবি: মহসিন নকভি ও এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের বৈঠক

নকভি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হওয়ায় রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে। ভারতীয় বোর্ড নকভির বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ তুলতে চলেছে। এশিয়া কাপ জেতার পর ভারতীয় দল নকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে চায়নি, এবং ট্রফি ও ক্রিকেটারদের মেডেল নিজ হোটেলে নিয়ে চলে যান নকভি।

ভারতের অভিযোগ:
  • এশীয় কাউন্সিলের প্রধান নন, নকভি পাকিস্তানের মন্ত্রীর মতো আচরণ করেছেন।
  • যোগ্য দল হিসাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতের ট্রফি দেওয়া হচ্ছে না।
  • বিশ্বের সামনে এশীয় ক্রিকেটের সম্মানহানি হচ্ছে।

ভারত নকভিকে দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি জানাতে পারে এবং অন্যান্য দেশের বোর্ডের সমর্থন পেতে পারে। এই বিতর্ক এখনও সমাধান হয়নি, এবং ক্রিকেট-প্রেমীরা উভয় দেশের বোর্ডের প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর রাখছেন।

কলকাতায় নবমীতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি

কলকাতায় নবমীতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি | Y Bangla News

কলকাতায় নবমীতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি, দর্শনার্থীরা সমস্যায়

আশঙ্কাই সত্যি হল। নবমীর বিকেলেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভয়ানক ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন সাধারণ মানুষজন, কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে তারা সমস্যায় পড়েন। গোটা রাজ্যে নিম্নচাপের প্রভাব স্পষ্ট।

আবহাওয়া হাইলাইট:
  • মধ্য বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে।
  • আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আগেই সতর্কবার্তা জানিয়েছিল।
  • ষষ্ঠী, সপ্তমী ও অষ্টমীতে বৃষ্টিপাত নেই, নবমীতে প্রবল বৃষ্টি।

ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সাধারণত বৃষ্টিপাতের দেখা মেলেনি। অষ্টমীতে বিকেলের দিকে কিছু জেলায় মাঝারি বৃষ্টি দেখা গিয়েছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, নবমীতে নিম্নচাপের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং প্রবল বৃষ্টি হতে পারে।

নবমীর সকাল থেকেই মানুষজন ঠাকুর দেখতে মণ্ডপে আসতে শুরু করেন। কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণের মণ্ডপে দর্শনার্থীর ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ ক্রমশ কালো হয়ে যায়। বিকেলের আগেই ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। কলকাতা-সহ আশেপাশের এলাকাগুলিতে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির মাত্রা বেড়ে যায়।

ছবি: কলকাতার পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীরা বৃষ্টির মধ্যে আশ্রয় নিচ্ছেন

বৃষ্টিতে অনেকেই ভিজে যান। মণ্ডপের ভিতরেই আশ্রয় নিতে হয়। কেশরী সার্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের তোরণ ভেঙে যায়। রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি চারচাকা গাড়ির উপর বাঁশের তৈরি হোই পড়ে। সৌভাগ্যবশত গাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো বড় অঘটন ঘটেনি। এই কারণে শাপুরজি আবাসনের কাছের রাস্তা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

হাওয়া অফিসের সতর্কতা:
  • হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরে কমলা সতর্কতা জারি।
  • উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা।

নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মানুষজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিশেষত শিশু ও প্রবীণদের বাইরে বেরোতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্গাপূজা কমিটিগুলো জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৬৯ জনের মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে শতাধিক আহত

ফিলিপিন্সে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৬৯ জনের মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে শতাধিক আহত

ফিলিপিন্সে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৬৯ জনের মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে শতাধিক আহত

ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফিলিপিন্সে মঙ্গলবার রাতের এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মধ্য ফিলিপিন্সের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কম্পনের তীব্রতা অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.৯ রিপোর্ট করা হয়েছে। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

ফিলিপিন্স ভূমিকম্প ধ্বংস

সেবু প্রদেশের বোগো শহরে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে বহু বাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেবু প্রদেশের বোগো শহর এবং পার্শ্ববর্তী ছোট শহরগুলি। শুধুমাত্র বোগো শহরে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। একের পর এক বাড়ি, নাইটক্লাব এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন।

উদ্ধার অভিযান চলছে

বুধবার সকালেও ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও উদ্ধার কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে। স্নিফার ডগের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের মতে, মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। কিছু রাস্তা ও সেতুর ক্ষতি উদ্ধার কার্যক্রমকে প্রভাবিত করছে। ঘন ঘন বৃষ্টি উদ্ধারকে আরও কঠিন করে তুলছে।

সমুদ্র উপকূলীয় বোগো শহরে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ বাস করেন। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বোগো থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। কম্পন ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে অনুভূত হয়েছে। এর ফলে শহরটির অবকাঠামো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফিলিপি‌ন্সের অসামরিক সুরক্ষা দফতের উপপ্রশাসক বার্নার্ডো রাফায়েলিতো আলেজ়ান্দ্রো জানান, "আমরা এখনও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছি। অনেক লোক এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে আছেন।"

বোগো শহরের দুর্যোগ মোকাবিলা দফরের কর্মকর্তা রেক্স ইগট জানিয়েছেন, পাহাড়ি গ্রামগুলিতে ধস নেমে এবং বোল্ডার পড়ে অনেক ঝুপড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মেডেলিন এবং স্যান রেমিগিও শহরের বাইরেও বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য, ভূমিকম্পটি রাতে ঘটায় অনেকেই ঘুমের মধ্যে ছিলেন এবং নিরাপদ আশ্রয়ে পালাতে পারেননি। সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, এটি গত এক দশকে মধ্য ফিলিপিন্সে অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প।

সুনামি সতর্কতা

ভূমিকম্পের পর ফিলিপিন্সের ভূকম্পন জরিপ সংস্থা সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল। একমিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ আসতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। তবে কোনও প্রভাব দেখা না দেওয়ায় তিন ঘণ্টার মধ্যে সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ, ধস ও পাহাড়ি এলাকার ঝুঁকির কারণে উদ্ধার কাজ চলতে বাধা পাচ্ছে। প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীরা রাতদিন উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন। সঠিক তথ্য অনুযায়ী, আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে এবং আহতদের চিকিৎসা চলছে।

সেবু প্রদেশের স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক লোক আটকা থাকতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন, সেনা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতিনিয়ত উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন।

উল্লেখ্য, ফিলিপিন্স একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। এর ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য স্থানীয় প্রশাসন সবসময় সতর্ক থাকে। তবে এই ভূমিকম্পের মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে রাতের অন্ধকারে অনেকেই নিরাপদ স্থান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।

উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেনা সদস্য, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষের সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন, তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রত্যেকটি মৃত ও আহতের সংখ্যা স্থির না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে। স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা সবাইকে সচেতন থাকতে বলেছে।

ফিলিপিন্সের ভূমিকম্প প্রভাবিত অঞ্চলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে পরবর্তী কয়েক দিনে ছোট কম্পন (aftershocks) হতে পারে। তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকা এবং ধ্বংসস্তূপের কাছাকাছি না যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

স্থানীয় প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করছে। এছাড়া বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী দল, চিকিৎসক ও সামরিক দল ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এবং আহতদের চিকিৎসা প্রদান করছে।

ভূমিকম্পের তীব্রতা ও রাতের অন্ধকারের কারণে অনেকেই নিজে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছাতে পারেননি। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ফিলিপিন্সের মধ্যাঞ্চলের মানুষের জন্য এক বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উদ্ধারকারী দল আশা করছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও অনেককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হবে। তবে ধ্বংসস্তূপের অবস্থা এবং আবহাওয়ার কারণে এটি একটি জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

ফিলিপিন্সের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং সুনামি সম্ভাবনা বিবেচনায় সামুদ্রিক এলাকায় নিরাপদ অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

অবশেষে, এই ঘটনায় মৃতদের পরিবার ও আহতদের দ্রুত চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

হ্যাশট্যাগঃ #ফিলিপিন্স #ভূমিকম্প #সেবু #বোগো #দুর্যোগ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৩% ডিএ বৃদ্ধি - বিস্তারিত রিপোর্ট

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৩% ডিএ বৃদ্ধি - বিস্তারিত রিপোর্ট

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৩% ডিএ বৃদ্ধি - বিস্তারিত রিপোর্ট

ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে নবরাত্রি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সুখবর এসেছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য। মহানবমীতে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট ঘোষণা করেছে ৩ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা, যা মূলত ডিএ (Dearness Allowance) বৃদ্ধির অংশ। চলতি বছরের শুরুতে মার্চ মাসে কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের ২ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে ফের এই বাড়তি সুবিধা ঘোষণা করা হলো।

কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্র অনুযায়ী, মহানবমীর দিন বুধবার ক্যাবিনেটের বৈঠকে ডিএ বৃদ্ধির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জুলাই মাস থেকে নতুন ডিএ কার্যকর হবে। এই ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্র সরকারের কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় সহায়তা করবে এবং উৎসবের মরশুমে অর্থনৈতিক সুরাহা প্রদান করবে।

ডিএ বৃদ্ধির ইতিহাস

ডিএ বৃদ্ধির ইতিহাস বিবেচনা করলে দেখা যায়:

  • ২০২১ সাল থেকে পুনরায় ডিএ প্রদান শুরু করা হয় অতিমারীর স্থগিতকরণের পর।
  • ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি করে কেন্দ্র, ৫০% থেকে বেড়ে তা হয়েছিল ৫৩%।
  • ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আরও ২ শতাংশ বৃদ্ধি করে কেন্দ্র, যার ফলে মোট ৫৫% ডিএ হয়ে যায়।
  • এবার অক্টোবর মাসে ঘোষিত ৩ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে মোট ৫৮ শতাংশ ডিএ পৌঁছাবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে উপকৃত হবেন এক কোটির বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগী। এর মধ্যে রয়েছে:
  • ৪৮.৬৬ লক্ষ কর্মী
  • ৬৬.৫৫ লক্ষ পেনশনভোগী

কেন বৃদ্ধি জরুরি?

মধ্যবিত্ত ও সরকারি চাকুরিজীবীদের সুরাহা দিতে কেন্দ্র সরকার জিএসটি কাঠামো ও ভাতা পুনর্বিন্যাস করেছে। ডিএ বৃদ্ধির ফলে কর্মচারীরা মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি মোকাবিলা করতে পারবেন। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য এই মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি বিশেষ প্রভাব ফেলবে তাদের দৈনন্দিন অর্থনীতিতে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ডিএ বৃদ্ধি সরকারি কর্মচারীদের আয়ের স্থিতিশীলতা ও ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক। এটি শুধু কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের নয়, বরং অর্থনীতিতে সংবেদনশীল মধ্যবিত্তদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

সারসংক্ষেপ

মহানবমীতে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর। জুলাই মাস থেকে কার্যকর এই ৩% ডিএ বৃদ্ধির ফলে ৫৫% থেকে বেড়ে ৫৮% হবে। এক কোটির বেশি কর্মী ও পেনশনভোগী এই সুবিধা পাবেন। ডিএ বৃদ্ধির পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের উৎসবের মরশুমে আর্থিক সহায়তা প্রদান।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতার আবহাওয়া আপডেট - নবমীর পূর্বাভাস

কলকাতার আবহাওয়া আপডেট - নবমীর পূর্বাভাস

কলকাতার আবহাওয়া আপডেট - নবমীর পূর্বাভাস

হাল্কা বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে উতরে গিয়েছে অষ্টমীর রাত। কিন্তু নবমীর বিকেল থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেলের মধ্যে কলকাতায় দমকা হাওয়া এবং মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা। তাই ঠাকুর দেখতে বেরোলে ছাতা নিয়ে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

হাওয়া অফিসের সাম্প্রতিক বুলেটিন অনুযায়ী, বিকেল পর্যন্ত কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার বিস্তীর্ণ অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও। বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। তাই নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দুপুর থেকেই অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর নতুন করে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। এটি আরও উত্তর-পূর্বে সরবে এবং নবমীর বিকেলের মধ্যেই নিম্নচাপে পরিণত হবে। ৩ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নিম্নচাপটি আরও গভীর নিম্নচাপে ঘনীভূত হবে এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলের মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এর প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে।

ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে দশমীর দিন, বৃহস্পতিবারও। ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির পাশাপাশি হতে পারে বজ্রপাত। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার।

শহরে শুক্রবার এবং শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Asia Cup 2025: মহসিন নকভিকে BCCI-এর কাছে ক্ষমা চাওয়া — ট্রফি বিতর্কে সূর্যকুমারকে ছেড়ে নিয়ে যাওয়া নিয়ে সরগরম

Asia Cup 2025: মহসিন নকভিকে BCCI-এর কাছে ক্ষমা চাওয়া — ট্রফি বিতর্কে সূর্যকুমারকে ছেড়ে নিয়ে যাওয়া নিয়ে সরগরম

Asia Cup 2025: BCCI-এর কাছে ক্ষমা চাইতে হল মহসিন নকভিকে, সূর্যদের না দিয়ে ট্রফি নিয়ে পালিয়েছিলেন

ডিজিটাল ডেস্ক আপডেট: 01 অক্টোবর 2025 তথ্যসূত্র: স্থানি/মাঠ রিপোর্ট
সূর্যকুমার যাদব ও মহসিন নকভি - Asia Cup 2025 ট্রফি
সূর্যকুমার যাদব ও মহসিন নকভি — ফটো: Asian Cricket Council
সংক্ষিপ্ত সারমর্ম:
  • ফাইনালের পর ভারতীয় দল ট্রফি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।
  • PCB/ACC চেয়ারম্যান মহসিন নকভি পরে BCCI-র কাছে ক্ষমা চান — তবে ট্রফি ফেরত দিতে তিনি সম্মত হননি।
  • বিসিসিআই জোর দিয়ে বলেন ট্রফিটি ACC-র সম্পত্তি এবং তা বিজয়ী দলের কাছে সঠিকভাবে হস্তান্তর করা হোক।

এশিয়া কাপ শেষ হওয়ার পরও বিতর্ক থামছে না। ফাইনালে জেতার পরও ট্রফি না নেওয়া নিয়ে নাটক চলছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC) এর চেয়ারম্যান মহসিন নকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে চায়নি ভারতীয় দল—এ ঘটনায় পরে নকভি BCCI-এর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এর আগে নকভি জানিয়েছিলেন দুবাইয়ে এসে ট্রফি নিতে হবে সূর্যকুমার যাদবকে।

সূত্র জানায়, নকভি বিসিসিআইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং বলেছেন যে এশিয়া কাপ ফাইনালের পরে পরিস্থিতি এমনভাবে বিকশিত হওয়া উচিত ছিল না। রবিবার, ভারত নাকভির হাত থেকে ট্রফি এবং পদক নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর, এসিসি প্রধান এসি কর্মকর্তাদের ট্রফি এবং পদকগুলি মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

বৈঠকে উপস্থিত বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা জোর দিয়ে বলেছেন যে ট্রফিটি সর্বদা এসিসির সম্পত্তি, পিসিবি প্রধান নকভির নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন যে নকভির ট্রফি এবং পদক তার হোটেল কক্ষে নিয়ে যাওয়ার কোনও অধিকার নেই। শুক্লা আরও বলেন যে বিসিসিআই দাবি করে ট্রফিটি সঠিকভাবে বিজয়ী সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের কাছে হস্তান্তর করা হোক এবং তাৎক্ষণিকভাবে এসিসির তত্ত্বাবধানে থাকুক।

মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভায়, বিসিসিআই ২৮ সেপ্টেম্বর ফাইনালের পর উদ্ভুত এশিয়া কাপ ট্রফি বিতর্কে মহসিন নকভির কর্মকাণ্ডের তীব্র বিরোধিতা করে।

তবে, বিসিসিআইয়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া সত্ত্বেও, নকভি ভারতীয় ক্রিকেট দলকে ট্রফিটি ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন যে, ভারত যদি ট্রফিটি চায়, তাহলে তাদের উচিত সূর্যকুমার যাদবকে ব্যক্তিগতভাবে এসিসি অফিসে এটি সংগ্রহ করতে পাঠানো। বিসিসিআই তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশের জবাব দেয়, যেখানে বলা হয় যে, ভারতীয় অধিনায়ক কেন দুবাইয়ে নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে যাবেন, যেখানে তিনি ফাইনালের রাতে প্রথমেই তা করেননি।

শেয়ার করুন:

© 2025 Yবাংলা নিউজ · রিপোর্ট: ডিজিটাল ডেস্ক

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog