Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 2 October 2025

🌸✨“মায়ের আগমনী গান শুরু হয়ে গেল এখনই! আগামী বছর কবে ধুনুচি নাচ, কবে ঢাকের শব্দে মাতোয়ারা হবে শহর? ক্যালেন্ডারে একনজরে দেখে নিন মহালয়া থেকে দশমী পর্যন্ত শারদীয়ার ছুটির নির্ঘণ্ট।”✨🌸

২০২৬ সালের দুর্গাপূজা: কলকাতা ও মফস্‌লে পুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ

২০২৬ সালের দুর্গাপূজা: কলকাতা ও মফস্‌লে পুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ

আপডেট: ২ অক্টোবর, ২০২৫ — উৎসব বিশেষ
দুর্গাপূজা 2026—মণ্ডপ আলোকসজ্জা
আগামী বছরের দুর্গাপুজো উপলক্ষে প্রাথমিক নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়েছে।

শারদোৎসবের পর যে নীরব ফাঁকা মেলায় বাঙালি আবার নতুন বছরের পুজো-রুমিওর দিকে চোখ রাখে — ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর প্রাথমিক তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। উৎসবের মূল দিনগুলো ১৭ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে অষ্টমী ও সন্ধিপূজা বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটবে ১৭ অক্টোবর, শনিবার (ষষ্ঠী) থেকে। ঐ দিন থেকে শহর ও গ্রামে মণ্ডপ উদ্বোধন, দেবীর বোধন ও আনুষ্ঠানিক রীতিনীতি শুরু হবে। ১৮ অক্টোবর, রবিবারে সপ্তমী পালিত হবে; ভোরে কলাবৌ স্নান ও নবপত্রিকা প্রবেশের ঐতিহ্য বজায় থাকবে। ১৯ অক্টোবর হল অষ্টমী— এই দিনটি ব্যস্ততম ও সর্বাধিক পূজো-ভোগীদের সমাগম হবে। সন্ধিপুজো সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দর্শনার্থী ও প্রসাদ ভাগাভাগির প্রচলিত আয়োজন থাকে।

তারিখদিনউৎসব/অনুষ্ঠান
১৭ অক্টোবর, ২০২৬শনিবারষষ্ঠী — মণ্ডপ উদ্বোধন, দেবীর বোধন
১৮ অক্টোবর, ২০২৬রবিবারসপ্তমী — কলাবৌ স্নান, নবপত্রিকা প্রবেশ
১৯ অক্টোবর, ২০২৬সোমবারঅষ্টমী — প্রধান পূজো, সন্ধিপূজা আদিবাস
২০ অক্টোবর, ২০২৬মঙ্গলবারনবমী — শেষ দিনের আচার-অনুষ্ঠান
২১ অক্টোবর, ২০২৬বুধবারবিজয়া দশমী — বিশুদ্ধ বিসর্জন ও সিঁদুরখেলা

উৎসব শেষে কোজাগরী লক্ষ্ণীপূজোর তারিখও নির্ধারিত হয়েছে— ২০২৫ সালের কোজাগরী এবারের পরপর ৬ অক্টোবর ছিল; তবে ২০২৬ সালের কোজাগরী লক্ষ্ণীপূজা অনুষ্ঠিত হবে ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, যা দুর্গার পরবর্তী বিশেষ পূজা হিসেবে পালন করা হবে। বাঙালির ক্যালেন্ডারে এই দিনগুলো বিশেষ ভাবেই স্থান পায় কারণ এগুলো সামাজিক মিলন, সাংস্কৃতিক উদযাপন ও পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ।

পুজো-কমিটি ও মণ্ডপ সংগঠন গুলো ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি পরিকল্পনা শুরু করেছে— মণ্ডপ ডিজাইন, শিল্প-কর্মদর্শন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিবহণ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রশাসনিক পর্যায়েও দুর্যোগ ব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন ও জননিরাপত্তা বিষয়ক নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানা গেছে।

পাঠকগণ লক্ষ্য করুন: উপরের নির্ঘণ্ট প্রাথমিক— সরকারি ক্যালেন্ডার বা স্থানীয় পুজো কমিটির ঘোষণা বিবেচনায় চূড়ান্ত তারিখে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। বিশদ পর্যালোচনা ও স্থানীয় মণ্ডপের ঘোষণা অনুসরণ করাই শ্রেয়।
Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ফেরানো হয়নি সোনালি-সহ ৬ পরিযায়ী শ্রমিক — শুনানি স্থগিত, নতুন অনিশ্চয়তা

হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ফেরানো হয়নি সোনালি-সহ ৬ পরিযায়ী শ্রমিক — শুনানি স্থগিত, নতুন অনিশ্চয়তা

হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ফেরানো হয়নি সোনালি-সহ ৬ পরিজন্ত পরিযায়ী শ্রমিক — শুনানি স্থগিত, নতুন অনিশ্চয়তা

আপডেট: ২ অক্টোবর, ২০২৫ — স্থানীয় ব্যুরো
কলকাতা হাই কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে চার সপ্তাহের মধ্যে সোনালি বিবি ও আরও পাঁচজনকে দেশে ফিরিয়ে আনার — তা সত্ত্বেও এখনো তাঁরা বাং‌লাদেশে আটক রয়েছেন। সূত্র বলছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্ধারিত শুনানিটি দুর্গাপূজার ছুটির কারণে স্থগিত হওয়ায় ফেরত প্রক্রিয়া আটকে গেছে, আর এতে পরিবারে ও আইনজীবী মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাই কোর্ট দুই পরিবারের বিরুদ্ধে নেওয়া নির্বাসনের আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি নির্দেশ দেয় যে ওই ছয়জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে হবে। আদালত একই সঙ্গে কেন্দ্রের আবেদন মুলতুবি রাখে। এই নির্দেশিকায় পরিবার ও স্থানীয় নেতারা আশার কিরণ দেখলেও বাস্তবে ফেরত আনার কাগজ-পত্র ও অনূগামী প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি। 0

বর্তমানে ওই ছয়জন — অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবি, তাঁর স্বামী ও শিশু, এবং আরেক পরিবার থেকে Sweety ও তাঁর শিশুসহ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিচারাবাসে আটক রয়েছেন। পরিবার ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানিয়েছ্ছেন যে বাংলাদেশে চলা সংশ্লিষ্ট আইনি কার্যক্রম এবং জামিন প্রক্রিয়া এখনও চলমান থাকায় তাঁদের হাজিরা এবং মুক্তি বিচারিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। 1

খবর পাওয়া অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে নির্ধারিত দিনেই শুনানি হয়নি; কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে দুর্গাপূজার ছুটি-কালীন কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় আদালত অনুপস্থিত ছিল। (স্থানীয় উৎস অনুযায়ী পরবর্তী শুনানির তারিখ রবিবার নির্ধারণ হতে পারে)। বাংলাদেশে উৎসবজড়িত সরকারি ছুটির প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নির্ধারিত শুনানির মুলতুবির ঘটনা অনধিক হলো না। 2

পরিবারের উদ্বেগ বিশেষত সোনালি বিবির অন্তঃসত্তা অবস্থাকে কেন্দ্র করে তীব্র। যদি তাঁর সন্তান বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেন, তাহলে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নতুন জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়ে না — যা পরিবার ও আইনজীবীরা বিশেষভাবে ভয় করছেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ যতই সুস্পষ্ট থাকুক, বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন কূটনৈতিক সমন্বয়, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও বিচারিক নোটিশ ও কার্যক্রমের সমন্বয়। 3

সরকারি ও কূটনৈতিক পর্যায়ে এখন পর্যাপ্ত সমন্বয়ের প্রয়োজন। আইনজীবীরা বলছেন — কলকাতা হাই কোর্টের আদেশ কার্যকর করতে হলে কেন্দ্রকে দ্রুত ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে ব্যাঞ্জিং ও সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত-প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ ত্বরান্বিত করতে হবে। গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা পরিবারগুলো বলছে, সময়টাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপডেট: পরবর্তী শুনানি ও ফেরত সংক্রান্ত যে কোনও নতুন তথ্য এ প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। পরিবার, আইনজীবী ও কর্তৃপক্ষের মন্তব্য সংগ্রহ করা হচ্ছে — এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের জন্য স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া সংযুক্ত করার চেষ্টা চলছে। 4

সুত্র: স্থানীয় পরিবারের বিবরণ, কলকাতা হাইকোর্টের আদেশ সংক্রান্ত খবর ও অনলাইন প্রতিবেদন।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

তসলিমা নাসরিনের বিতর্কিত পোস্ট: বাঙালি মুসলমানদের 'পূর্বপুরুষ' বিষয়ে মন্তব্য

তসলিমা নাসরিনের বিতর্কিত পোস্ট: বাঙালি মুসলমানদের 'পূর্বপুরুষ' বিষয়ে মন্তব্য

তসলিমা নাসরিনের বিতর্কিত পোস্ট: বাঙালি মুসলমানদের 'পূর্বপুরুষ' ও শিক্ষাগত বিষয়ে মন্তব্য

আপডেট: ২ অক্টোবর, ২০২৫ — রিপোর্ট: স্থানীয় ব্যুরো
তসলিমা নাসরিনের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
তসলিমা নাসরিন — সোশ্যাল মিডিয়ায় করা নতুন পোস্টে তিনি বাঙালি মুসলমানদের নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন সম্প্রতি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেছেন যে বাংলায় ধর্মান্তরণ পাল্লা করে ঘটেছিল এবং বাঙালি মুসলমানদের পূর্বপুরুষ মূলত নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায় — যেমন বাগদি, ডোম, কৈবর্ত/মালো — থেকে এসেছে, যারা পুরনো কালে সমাজের নিম্নবর্ণ বা দলিত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল। 0

একই সিরিজের পরের পোস্টে নাসরিন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষাগত ও সামাজিক স্তর নিয়েও কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেছেন — করুণভাবে তিনি লেখেন যে বৃহৎ সংখ্যায় উচ্চশিক্ষা বা সভ্যতার ছোঁয়া ছিল না এবং সম্প্রতি যে আধুনিক শিক্ষার দিকে অগ্রসর হচ্ছে তা খুব সামান্য সময়ের কথা। এই মন্তব্য সামাজিক মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল ও বিতর্কিত হয়েছে। 1

সংক্ষেপে কী ঘটেছে:
  • নাসরিনের পোস্টে ধর্মান্তরণ এবং পূর্বপুরুষ সংক্রান্ত একাধিক ঐতিহাসিক দাবি।
  • একই সঙ্গে বাঙালি মুসলিমদের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও যোগ্যতা নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য।
  • পোস্টটি সামাজিকভাবে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে — সমর্থক ও সমালোচক উভয়েই রয়েছেন।
2

পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নাসরিন দীর্ঘদিন ধরেই ধর্ম, সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে স্পষ্টবাদী বক্তব্য দেওয়ার জন্য পরিচিত; পূর্বেও তিনি একই ধরনের মন্তব্য ও ভবিষ্যৎ মন্তব্যকে নিয়ে খবর হয়েছ। ঐতিহাসিকভাবে বাংলা অঞ্চলে মুসলিম হওয়ার বিভিন্ন সামাজিক-আর্থিক প্রসঙ্গ ছিল — সব ক্ষেত্রেই একক বা সারলাভাবে ব্যাখ্যা করা কঠিন। অতীত এবং ধর্মান্তরণের ইতিহাস বিশ্লেষণে প্রাসঙ্গিক গবেষণা ও স্থানীয় নথি দেখা প্রয়োজন। 3

সামাজিক প্রতিক্রিয়া দুইমুখী। কিছু মানুষ নাসরিনের তীব্রতা ও উত্থাপিত প্রশ্নকে সমর্থন করেছেন এবং বলেছেন যে বাস্তবে নির্দিষ্ট অঞ্চলগুলিতে মাদ্রাসা-নির্ভর ও ধর্মীয় শিক্ষা বেশি প্রচলিত ছিল। অন্য অংশের বক্তব্য— এই ধরনের সাধারণীকরণ বিপজ্জনক, communal উত্তেজনা বাড়ায় এবং একটি বৃহৎ সম্প্রদায়কে অপমান করে। খবর প্রকাশের সময় উভয় দিকেই ক্ষোভ ও সমর্থন দেখেছে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। 4

নিরপেক্ষ প্রতিবেদনের দায়িত্ব থেকেই বলছি: সামাজিক ও ইতিহাসভিত্তিক দাবি থাকলে গবেষণাভিত্তিক প্রমাণ, প্রামাণ্য গ্রন্থ ও জনজীবনের সাক্ষ্য-দলিল অপরিহার্য। ব্যক্তিগত অভিমত বা অনুভবকে সাধারণীকরণ করে পুরো গোষ্ঠীকে সমালোচনা করা সংবাদ ও আলোচনার উত্তাপ বাড়াতে পারে। গবেষকরা এধরনের বিষয়ে মৌলিক নথি, আর্কাইভ ও স্থানীয় ইতিহাস কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন। 5

নোট: এই প্রতিবেদনটি তসলিমা নাসরিনের সোশ্যাল পোস্ট এবং তার পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে সংকলিত; উদ্ধৃতির উৎস: সোশ্যাল পোস্ট ও অনলাইন প্রতিবেদন। আরও বিশদ যাচাই-বাছাই হলে অনলাইন সংস্করণে আপডেট করব। 6

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Wednesday, 1 October 2025

হাওড়ার ব্যবসায়ীর রহস্যমৃত্যু: চন্দননগরে উদ্ধার হাত-পা বাঁধা দেহ

হাওড়ার ব্যবসায়ীর রহস্যমৃত্যু: চন্দননগরে উদ্ধার হাত-পা বাঁধা দেহ

হাওড়ার ব্যবসায়ীর রহস্যমৃত্যু: চন্দননগরে উদ্ধার হাত-পা বাঁধা দেহ

ওয়াসিম আক্রমের দেহ উদ্ধার
হুগলির চন্দননগরের আবাসন থেকে ওয়াসিম আক্রমের মৃতদেহ উদ্ধার

হাওড়া থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যমৃত্যু চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় হুগলির চন্দননগরের একটি আবাসন থেকে মৃত ব্যবসায়ী ওয়াসিম আক্রমের (৩০) দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেহটি হাতে-পায়ে টেপ জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেহের পাশেই ছিল দুটি ট্রলি ব্যাগ। একটি ব্যাগে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যাগে দেহ গায়েব করার উদ্দেশ্য ছিল। চন্দননগর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

ওয়াসিমের বাড়ি হাওড়ার গোলাবাড়িতে। তিনি মূলত রত্ন ব্যবসায়ী। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে নয়টায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ওয়াসিম। এরপর আর তাঁর খোঁজ মেলেনি। বুধবার সন্ধ্যায় একটি আবাসনের তিনতলার ঘরের দরজা ভেঙে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। ঘরটি ভাড়া নেওয়া ছিল কাজি মহসিন নামে এক ব্যক্তির দ্বারা। ঘটনার পর মহসিনের খোঁজ মেলেনি।

ওয়াসিমের পরিবার জানায়, মহসিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। ২৮ তারিখে ওয়াসিম কাজির বাড়িতে যাওয়ার নাম করেই বের হয়েছিলেন। সঙ্গে ছিল পোখরাজ, চুনি, নিলা-সহ মোট ৬০ লক্ষ টাকার পাথর। দাদা জানান, “ভাই কাজির কাছে স্টোন বিক্রি করতে গিয়েছিল, রাত পর্যন্ত বাড়ি ফেরেনি। ফোন করলে সুইচ অফ থাকত। এরপরই সন্দেহ বাড়ে।”

ওয়াসিমের দাদা আরও বলেন, “আমার মনে হচ্ছে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। ভাইয়ের হাতে-পায়ে টেপ জড়ানো ছিল। তাকে ডেকে নিয়ে এসে খুন করা হয়েছে। সম্ভবত আরও অনেক লোক এতে জড়িত।”

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। বৃহস্পতিবার চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে। তদন্তে এখন পর্যন্ত অনেক খোঁজ মিলেছে না, এবং পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সম্ভাব্য ব্যক্তিদের খুঁজছে।

মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে টলিউডের পুরনো সম্পর্কের রিইউনিয়ন

মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে টলিউডের পুরনো সম্পর্কের রিইউনিয়ন

মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে টলিউডের পুরনো সম্পর্কের রিইউনিয়ন

মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজো
মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে দেবশ্রী রায়, পল্লবী চট্টোপাধ্যায় এবং রানি মুখোপাধ্যায় একসঙ্গে।

শেষ হয়েও সব সম্পর্ক হয়তো শেষ হয় না। দুর্গা পুজোর মতো উৎসবে বহু বছরের ধুলো পড়ে যাওয়া সম্পর্ক আবার নতুন করে প্রাণ পায়। ঠিক মুম্বইয়ের মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে (Mukherjee Barir Pujo) ঘটল এমনই বিরল মুহূর্ত।

টলিউড বাদশা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) সঙ্গে টালিগঞ্জ 'অপরূপা' দেবশ্রী রায়ের (Debasree Roy) বিবাহ বিচ্ছেদ সেই নয়ের দশক থেকে চর্চিত ঘটনা। এরপর থেকে দু'জনে কখনও একসঙ্গে কাজ করেননি। আজও মুখ দেখাদেখি বন্ধ। তবে কিছু উৎসবে সেই পুরনো আবেগ যেন নতুন রঙে ফুটে ওঠে।

দেবশ্রীর মেজ দিদি হলেন কৃষ্ণা রায়। ছয়-এর দশকে তিনি জনপ্রিয় ফাংশান আর্টিস্ট ছিলেন। কৃষ্ণা বিয়ে করেছিলেন মুম্বইয়ের মুখোপাধ্যায় পরিবারে। শশধর মুখোপাধ্যায়ের পুত্র রাম মুখোপাধ্যায় ছিলেন কৃষ্ণার স্বামী। তাঁদের দুই সন্তান রাজা ও রানি। রানির সিনেমা জগতে আসা মাসি দেবশ্রী রায়ের স্টারডম দেখেই।

যখন দেবশ্রীর সঙ্গে প্রসেনজিতের প্রেম ঘন হয় তখন থেকেই রানির সঙ্গে পরিচয় প্রসেনজিতের। রানিদের বাড়িতে বহু সন্ধের আড্ডা হতো যেখানে হাজির থাকতেন দেবশ্রীও। আজ সবটাই অতীত। রানিও এখন রানি চোপড়া। বড় ঘরের বৌ।

ছবি ‘বিয়ের ফুল’ পরিচালনা করেছিলেন বাবা রাম মুখোপাধ্যায়। ছবিতে রানির হিরো ছিলেন প্রসেনজিৎ। আজও সেই ছবি সবার প্রিয়। তবে দেবশ্রীর সঙ্গে প্রসেনজিতের বিয়ে মাত্র এক বছর টিকেছিল। দূরত্ব তৈরি হওয়ায় দুই পরিবারেও দূরত্ব তৈরি হয়।

পল্লবী চট্টোপাধ্যায় (Pallavi Chatterjee) বরাবর উদার মনের মহিলা। আজও প্রাক্তন বৌদি দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে পল্লবীর সম্পর্ক সহজ নয়। অথচ মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে পল্লবী আনন্দঘন মুহূর্ত কাটালেন রানি ও তাঁর মা কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

পুজো মণ্ডপে দুর্গা প্রতিমার সামনে একসঙ্গে ফটোসেশন করলেন পল্লবী, কৃষ্ণা ও রানি। রানির মুখে নেই কোনও বিরক্তি। পল্লবীর মুখেও নেই প্রাক্তন কুটুম্ব বাড়ির সঙ্গে বিচ্ছেদের রেশ।

মা দুর্গাই এমন মুহূর্ত তৈরি করে দিলেন। পল্লবী ও প্রসেনজিতের বাবা, স্বর্ণযুগের নায়ক বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুজোও হয় মুম্বইতে। মূলত সেই পুজো উপলক্ষেই পল্লবী এখন আরব সাগরের পাড়ে। বিশ্বজিতের পুজোতে অষ্টমী কাটালেন প্রসেনজিতের বর্তমান স্ত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ও।

দু'দিনের বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে কলকাতা, মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রস্তুতি

দু'দিনের বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে কলকাতা, মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রস্তুতি
ডিজিটাল ডেস্ক

দু'দিনের বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে কলকাতা, মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রস্তুতি

আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫ · জেলা: কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গ
কলকাতা: টানা বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া রাস্তা
ফাইল ছবি/প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি — শহর জলমগ্ন অবস্থায়।

দু'দিনের টানা বৃষ্টিতে কলকাতা কার্যত জলের তলায় চলে যায়। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১০ জনের। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের তত্ত্বাবধানে কলকাতা পুরসভা দশমীর জন্য প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেছে যাতে এমন পরিস্থিতি পুনরায় সৃষ্টি না হয়।

অষ্টমীর রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। নবমীর সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে, দুপুরে প্রবল বৃষ্টিপাত শহরের বিভিন্ন এলাকা ভাসিয়ে দেয়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে আগামী দু'দিনও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দশমীর দিন প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় প্রবল বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

মেয়রের সতর্কতা ও নির্দেশনা

  • সব পুজো উদ্যোক্তাদের নির্দেশ: প্যান্ডেলের বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়বাড়ন্তে বন্ধ করুন।
  • মণ্ডপে জমে থাকা প্লাস্টিক, বোতল ইত্যাদি দ্রুত সাফ করতে হবে।
  • সাধারণ মানুষকে অনুরোধ: ড্রেন বা ম্যানহোলে কোন নোংরা ফেলা থেকে বিরত থাকুন।
  • পুরসভার সকল বিভাগকে প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা।

মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা থেকে তারা শিখেছে। দশমীর দিনে বৃষ্টি হতে পারে, সেই জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিটি বিভাগের কর্মী নিয়োজিত আছেন।

কলকাতায় জল জমার মূল কারণ হিসেবে গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিকাশি খালগুলোর পরিপূর্ণতা উল্লেখ করেছেন মেয়র। খালে জল ফেলা হলেও তা শহরের মধ্যেই ফিরে আসছে, যার কারণে নগরী জলে ভেসে গেছে।

নবমী থেকেই বৃষ্টির অশনি সংকেত মিলেছিল। হাওয়া অফিস জানিয়েছিল দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভাসতে পারে। নবমীর দুপুরে হঠাৎ প্রবল বৃষ্টি নামে, যা পূর্বাভাসের সঙ্গে মিলে যায়।

আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা

আজ এবং দশমীতে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ গঠিত হচ্ছে। নবমীর বিকেলে তা নিম্নচাপে রূপান্তরিত হবে। আগামী ২-৩ দিনের বৃষ্টি তাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

জরুরি পরামর্শ

  • বৃষ্টিতে বাইরে গেলে ছাতা বা রেইনকোট ব্যবহার করুন।
  • প্রয়োজনে বাড়ির উচ্চভূমিতে নিরাপদ থাকুন।
  • বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এড়াতে মন্দির বা মণ্ডপের বিদ্যুতের সংযোগ বন্ধ রাখুন।
  • বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝড়ের সময় খোলা জায়গায় যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
রিপোর্ট: ডিজিটাল ডেস্ক · সূত্র: কলকাতা পুরসভা, আবহাওয়া দফতর
আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫
উৎস:
  • আলিপুর আবহাওয়া দফতর
  • কলকাতা পুরসভা / মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিবৃতি
  • স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও প্রতিবেদক

মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় কাশির সিরাপ সন্দেহে কিডনি বিকল: ৬ শিশুর মৃত্যু

মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় কাশির সিরাপ সন্দেহে কিডনি বিকল: ৬ শিশুর মৃত্যু
ডিজিটাল ডেস্ক

মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় কাশির সিরাপ সন্দেহে কিডনি বিকল: ৬ শিশুর মৃত্যু

আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫ · রিপোর্ট করা তারিখ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ · জেলা: ছিন্দওয়াড়া (পারসিয়া, উমরেঠ ও আশপাশ)
ছিন্দওয়াড়া: স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী ও ভিড়
ফাইল ছবি/প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি — উপযুক্ত দৃশ্যের ছবি ব্যবহার করুন।

সংক্ষিপ্ত শিরোনাম: পারসিয়া ও আশপাশের গ্রামে শুরু হওয়া ঠান্ডা-কাশি-জ্বরের পরে কিডনি বিকল ও ডায়ালিসিসের প্রয়োজন নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে; প্রশাসন দুটি কাশির সিরাপের বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে ও তদন্ত চলছে।

ছিন্দওয়াড়া মেডিক্যাল কলেজের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ দীপক প্যাটেলের কথায়— প্রথমে শিশুরা ঠান্ডা-কাশি ও জ্বর নিয়ে আসে। কয়েক দিনের মধ্যে তাদের প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায় এবং কিডনি ক্রমান্বয়ে কাজ করা বন্ধ করে। জটিল অবস্থায় আক্রান্ত শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নাগপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে; তবুও এখন পর্যন্ত ছয় শিশুকে বাঁচানো যায়নি।

জরুরি নির্দেশিকা (জেলা প্রশাসন)

  • প্রেসক্রিপশন ছাড়া শিশুদের কোনও ওষুধ দেবেন না।
  • ঠান্ডা-কাশি হলে অবিলম্বে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
  • ভুয়ো ডাক্তারদের কাছে চিকিৎসা করাবেন না।
  • প্রতিটি ৬ ঘণ্টায় শিশুর প্রস্রাবের পর্যবেক্ষণ করুন; প্রস্রাব বন্ধ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখান।
  • বমি বা অস্বাভাবিক অবসাদ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের কাছে নিন।
  • শিশুদের প্রচুর পরিমাণে জল পান করান এবং জ্বর দুই দিনের বেশি থাকলে অবিলম্বে চিকিৎসাসেবা নিন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ১ সেপ্টেম্বরের পরে পরাসিয়া, উমরেঠ, জাতাছাপর, বারকুহি-সহ বিভিন্ন গ্রামে শিশুমহলে ঠান্ডা-কাশি-জ্বরের প্রবণতা বাড়ে। অনেক অভিভাবক স্থানীয় ওষুধের দোকান বা ক্লিনিক থেকে কাশির সিরাপ কিনে ব্যবহার শুরু করেন; পরে কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শিশুর অবস্থা দ্রুত খারাপ করে। রক্ত পরীক্ষা ও অন্যান্য টেস্টে জাপানি এনসেফেলাইটিস বা প্রচলিত ভাইরাল অজানা পাওয়া না গেলেও বায়োপসিতে কিডনি সম্পর্কিত গণঅস্বাভাবিকতা ধরা পড়েছে বলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

জেলা কালেক্টর শৈলেন্দ্র সিং বলেন প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ৪ সেপ্টেম্বরে রেকর্ড করা হয়েছিল; ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৬টি মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন ৫৩৮টি নমুনা সংগ্রহ করেছে এবং প্রায় ৩০০ জনের কিডনি ও লিভার ফাংশন টেস্ট করা হয়েছে — এখনও নিশ্চিত কারণ চিহ্নিত করা হয়নি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা ও সন্দেহিত সিরাপের নাম

প্রাথমিক অভিযোগ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ‘Coldrif’‘Nextro-DS’ নামে দুইটি কাশির সিরাপের বিক্রিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন; শুধুমাত্র অনুমোদিত ওষুধই বিক্রি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিভাগ ও বিশেষজ্ঞ টিম

এসসিডিএস ও সিডিসির (CDC) বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শন করেছে এবং স্থানীয় হাসপাতাল ও নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্রে কাজ করছে; কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানে আরও পরীক্ষামূলক রিপোর্ট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভিভাবকদের জন্য পরীক্ষা-নির্দেশনা

  • যদি শিশুর প্রচলিত প্রস্রাব বন্ধ থাকে বা গড়পড়তা থেকে কম হয় — তৎক্ষণিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
  • ডায়ালিসিসের প্রয়োজন হলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি/বেসরকারি মেডিক্যাল কনসেনটারে যোগাযোগ করুন।
  • অবশ্যই প্রেসক্রিপশন সহ মেডিকেল পরামর্শ অনুযায়ীই ওষুধ ব্যবহার করুন; ওভার-দ্য-কাউন্টার সিরাপ/ওষুধ প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকুন।
  • প্রতিটি উপসর্গের সময় রেকর্ড রাখুন (জ্বরের সময়, সিরাপ দেওয়ার সময়, প্রস্রাবের হার ইত্যাদি)।

বিশেষ দ্রষ্টব্য

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করেছে— যে কোনো ধরনের ওষুধ প্রয়োগের আগে অনুমোদিত প্রেসক্রিপশন নিন এবং স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নির্দেশনা মেনে চলুন। তদন্ত ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কেটেছে এমন কোনো সিদ্ধান্তকে নিশ্চিত হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত নয়।

রিপোর্ট: ডিজিটাল ডেস্ক · সূত্র: জেলা প্রশাসন, হাসপাতাল সূত্র
আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫
উৎস (শুরুতেই তদন্ত করা প্রয়োজন):
  • স্থানীয় ও দেশের সংবাদমাধ্যম ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞপ্তি — বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরে এই তালিকা আপডেট করুন।

কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধিতে উত্তপ্ত রাজ্য — রাজ্য সরকারি কর্মীরা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধিতে উত্তপ্ত রাজ্য — রাজ্য সরকারি কর্মীরা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
রাজ্য সংবাদ • অর্থনীতি

ব্যুরো: পুজোর মধ্যে সুখবর, কিন্তু পরে বড় আন্দোলনের হুমকি — কেন্দ্রীয় ডিএ বাড়ায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের অসন্তোষ

প্রকাশিত: • রিপোর্ট: দুর্গা পুজোর (DurgaPuja2025) টাইমস | সংবাদদাতা: স্থানীয় প্রতিনিধি

ব্যুরো রিপোর্ট: দুর্গা পুজোর (DurgaPuja2025) আনন্দের মাঝেই এবং দীপাবলির আগে বড়সড় সুখবর এল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য। কেন্দ্র সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া শর্তে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য ভাতা (ডিএ) আরও ৩ শতাংশ বাড়াচ্ছে।

কিন্তু এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কেন্দ্রের ইশতেহারে কেন্দ্রীয় কর্মীদের আর্থিক সুফল বেড়েছে—ফলত: কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মোট ডিএ পার্থক্য বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ-এ পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

সংগ্ৰামী যৌথ মঞ্চের হুঁশিয়ারি:

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh) বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মতো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল রাজ্যও সাধারণত তাদের কর্মীদের বঞ্চিত করে না। কিন্তু কেন্দ্রের ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ফলে আমাদের কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য ৪০ শতাংশে পৌঁছে গেছে—এটি মেনে নেওয়া যাবে না। পুজোর পর যদি মহার্ঘ্য ভাতা না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।"

ভাস্করের এই মন্তব্যের পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও সরব হয়েছেন; তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে কেন্দ্র-রাজ্য ডিএয়ের পার্থক্য তুলে ধরে তীব্র সমালোচনা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ঘোষণাটি সরাসরি রাজ্যের সরকারি কর্মী-শ্রেণীর ভাবাবেগ ও ভোটবাজারকে স্পর্শ করবে।

আরও জটিলতা হচ্ছে—সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে ডিএ মামলার শুনানি। ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছিল যে 'মহার্ঘ ভাতা' সরকারি কর্মীদের একটি মৌলিক অধিকার এবং সেই হারে কেন্দ্রীয় ডিএ রাজ্যকে দিতে হবে; রাজ্য তা চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গেলে শীর্ষ আদালত তখন অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল।

নীচে মামলার বর্তমান অবস্থা ও প্রভাবের সারমর্ম:

  • আইনি প্রসঙ্গ: সুপ্রিম কোর্টে মামলার 'সওয়াল' পর্ব শেষ—এখন রায়দানের অপেক্ষা রয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন, রায় রাজ্য ও কেন্দ্র—উভয়েরই বাজেটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
  • রাজনৈতিক প্রভাব: আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ইস্যু রাজনৈতিক তেল যোগাবে; বিরোধীরা রাজ্যের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।
  • সামাজিক প্রভাব: কর্মীরা যদি বৃহৎ আন্দোলনে যান, তবে সরকারি সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; পুজোর পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
"ওই মামলায় আমরা জিতব—কারণ এটি অধিকারের প্রশ্ন। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার বিষয়েও আমরা আশাবাদী। যদি না হয়, তো ভোটের সময় পর্যন্ত বড় আন্দোলন করা হবে" — ভাস্কর ঘোষ।

নবান্নের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে—বকেয়া ডিএ নির্ধারণে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ঠিক কতটা পরিশোধ করতে হবে তা নির্ণয়ে সময় লাগছে। রাজ্যের যুক্তি হচ্ছে, হিসাবটি সঠিকভাবে না করেই দেয়া হলে বাজেটগত অটলতা তৈরি হবে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন স্পষ্ট—"রাজ্যের বাইরে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মীরা যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পান, তবে বাংলার কর্মীরা কেন বঞ্চিত হবেন?"

অর্থনীতিবিদরা মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় হারে দৈনিক ভাতা মানে রাজ্যকে আর্থিক বোঝা বহন করতে হবে; রাজ্য যদি তা স্বেচ্ছায় গ্রহণ না করে, তাহলে আইনি লড়াই ও সামাজিক অনড়তা দুইই বাড়বে। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে কর্মী সংখ্যাও বড়—তাই বকেয়া অর্থবর্ষিক হিসাব বড় সংখ্যা গড়ে দাঁড়াতে পারে।

বিশ্লেষকরা আরও জানাচ্ছেন, যদি সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের পক্ষে রায় দেয় এবং কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া পরিশোধ আদেশ করে, তাহলে রাজ্যকে বিভিন্ন ব্যাজেট পুনর্বিন্যাস করতে হবে—যা সামাজিক ও অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, যদি রাজ্য হারায়, ভবিষ্যতে একই ধরনের দাবির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় হারের ভিত্তিতে অংশ দান না করায় কর্মীরা বারবার আন্দোলনে যেতে পারে।

এখনকার পরিস্থিতিতে সব পক্ষই পুজোর মেনে চলা এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে কথা বলছে—তবে মাঠ পর্যায়ের সংগঠিত কর্মী শক্তি ও রাজনৈতিক উত্তেজনা এই ইস্যুকে কেবল আইনি পর্যায়ে আটকে রাখতে দেবে না, এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এই প্রতিবেদন আপডেট করা হবে—যদি সুপ্রিম কোর্টের রায় বা রাজ্য/কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নতুন ঘোষণা আসে।

#ডিএ #কর্মচারীআন্দোলন #পশ্চিমবঙ্গ #সুপ্রিমকোর্ট #DurgaPuja2025
সূত্র: স্থানীয় প্রতিনিধি ও দলের বক্তব্য থেকে সংকলিত। আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৫ •

মোদি সমর্থন করলেন ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা — গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের অবসানে উদ্যোগ

মোদি সমর্থন করলেন ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা — গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের অবসানে উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক

গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের অবসান ঘটাতে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রতি মোদি’র সমর্থন

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৫ • সংবাদদাতা:Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর ট্রাম্প যে শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তাকে স্বাগত জানিয়ে মোদি পরের দিন এক্সে (প্রাক্তন টুইটার) পোস্ট করেন।

মোদি লেখেন:

“আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বিস্তৃত পরিকল্পনার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই। এটি ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি জনগণের জন্য, পাশাপাশি বৃহত্তর পশ্চিম এশিয়ার অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের একটি কার্যকর পথ প্রদান করবে।”

মোদির পোস্টে আরও বলা হয়, “এটি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের জনগণের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার একটি সুযোগ এনে দেবে। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সবাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্যোগকে সমর্থন করবেন।”

বিবেচ্য বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত প্রস্তাবে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা, বন্দিদের মুক্তি, এক পর্যায়ে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতা এবং বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হবে, তা এখনও অনিশ্চিত — কারণ রাস্তায় থাকা পক্ষগুলোর সম্মতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ছাড়াও অনেক কূটনৈতিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবে।

গাজা ইসরায়েল ট্রাম্প মোদি
সূচনাঃ সংবাদসংস্থার রিপোর্ট ও সরকারী বিবৃতি সূত্রে সম্পাদিত। আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৫।

উদ্ধব ঠাকরের বিতর্কিত মন্তব্য

উদ্ধব ঠাকরের বিতর্কিত মন্তব্য | Y Bangla News

উদ্ধব ঠাকরের বিতর্কিত মন্তব্য: এশিয়া কাপ ম্যাচ দেখা মানেই দেশদ্রোহী

শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) প্রধান এবং মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে মন্তব্য করে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছেন। তাঁর দাবি, “যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, তাঁরা দেশদ্রোহী।” এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহল উত্তাল হয়ে উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়াতেও শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

মূল বক্তব্য:
  • এশিয়া কাপ ফাইনাল না দেখায় গর্বিত উদ্ধব ঠাকরে।
  • ম্যাচ দেখা দেশদ্রোহিতা বলে দাবি করেছেন তিনি।
  • দেশভক্তি কেবল খেলা দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া জরুরি।

পহেলগাঁও হামলার ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের প্রতি ভারতের অবস্থান কঠোর। এর মধ্যে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ নিয়েই বারবার তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্র সরাসরি হস্তক্ষেপ না করলেও বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, খেলাধুলার অজুহাতে সরকার নরম অবস্থান নিয়েছে। শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) সেই বিরোধিতায় সরব।

সাংবাদিক বৈঠকে উদ্ধবের দাবি

মুম্বইয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে উদ্ধব ঠাকরে বলেন, “একজন দেশভক্ত হিসেবে এশিয়া কাপ ফাইনাল ম্যাচ আমি দেখিনি। যারা ম্যাচটি দেখেছেন, তারা দেশদ্রোহী। দেশভক্তি মানে শুধু খেলা দেখা নয়, দেশের সংকটে সরব হওয়া এবং সঠিক সময়ে সক্রিয় থাকা। সেটাই প্রকৃত দেশভক্তি।”

এশিয়া কাপে শুরু থেকেই মাঠের ভেতরে-বাইরে নানা বিতর্ক হয়েছে। পাকিস্তানকে হারানোর পরে ভারতীয় ক্রিকেটাররা করমর্দন করতে অস্বীকার করেন। অপরদিকে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ভারত-বিরোধী অঙ্গভঙ্গির অভিযোগ ওঠে। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে আইসিসি-তে অভিযোগ দায়ের করে।

ছবি: মুম্বইয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন উদ্ধব ঠাকরে

বিতর্কের রেশ

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই মনে করছেন, উদ্ধব ঠাকরের এই মন্তব্য জনগণের আবেগে আঘাত করছে। তবে তাঁর সমর্থকদের মতে, তিনি আসলে খেলাধুলার আড়ালে চলা রাজনৈতিক চালচিত্রকেই সামনে আনতে চেয়েছেন।

ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ কিছুটা কমলেও উদ্ধবের এই মন্তব্য নতুন করে আগুন জ্বালাল। ফাইনালের পরে পাকিস্তান ট্রফি গ্রহণ না করায় ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তার সঙ্গে যুক্ত হল উদ্ধবের বক্তব্য। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই মন্তব্য আগামী দিনে কেন্দ্র-বিরোধী প্রচারে বড় হাতিয়ার হতে পারে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog