Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 3 October 2025

ডিভিসি জলছাড়া বিতর্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ, ৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

ডিভিসি জলছাড়া বিতর্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ, ৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

ডিভিসি জলছাড়া বিতর্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ, ৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

y ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর মরসুমে পশ্চিমবঙ্গের নদী তীরবর্তী এলাকায় আবারও জলছাড় নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (ডিভিসি) মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে ৭০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তোপ দাগেছেন। তাঁর অভিযোগ, ডিভিসি রাজ্যকে আগাম নোটিশ না দিয়ে এমন ‘বেপরোয়া’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বাংলার মানুষের উৎসব উদযাপনের মধ্যে বাধা সৃষ্টি করছে।

ডিভিসি জলছাড়া
মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ডিভিসি-র জলছাড়া, দক্ষিণবঙ্গের নদী তীরবর্তী এলাকা বিপন্ন।

ডিভিসির অবস্থান

ডিভিসির এক কর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়ে জানিয়েছেন, ‘‘ডিভিসি নিজের ইচ্ছায় জল ছাড়ে না। জল ছাড়তে আমরা বাধ্য। এবং আবারও বলছি, পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সরকারকে জানিয়েই জল ছাড়া হয়।’’ তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি সরাসরি তোপ দাগেন। মমতা বলেন, “আনন্দ, উল্লাস এবং নতুন আশার সময়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে শান্তিতে উৎসব শেষ করতে দেওয়ার বদলে, ডিভিসি কর্তৃপক্ষ রাজ্যকে আগাম বার্তা না-দিয়ে ৬৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়ে দিয়েছেন।”

বৃষ্টিপাত ও নিম্নচাপের প্রভাব

গত এক সপ্তাহ ধরে ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। পশ্চিম বর্ধমানেও বর্ষণ অব্যাহত। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, সর্বত্রই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই আবহে ডিভিসির জলাধারগুলি টইটম্বুর হয়ে উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে মাইথন জলাধার থেকে ৪২,৫০০ কিউসেক এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকে ২৭,৫০০ কিউসেক জল ছাড়া শুরু করেছে ডিভিসি। ফলে দক্ষিণবঙ্গের নদী তীরবর্তী এলাকায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সতর্কবার্তা: ডিভিসি কর্তৃপক্ষ দামোদর তীরবর্তী এলাকার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে বর্ধমান, হাওড়া এবং হুগলি জেলায় অতিরিক্ত জলছাড়া নিয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পূর্ববর্তী পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

গত জুন-জুলাই মাসেও ডিভিসি হাজার হাজার কিউসেক জল ছেড়েছিল। সেই সময় নিম্নচাপের কারণে বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও অন্যান্য জেলায় বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। রাজনৈতিকভাবে তৎকালীন পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিভিসির সিদ্ধান্তকে বাংলার জনগণের প্রতি ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শ্রমিক ও ডিভিআরআরসি পদত্যাগ

ডিভিসির জলাধার নিয়ন্ত্রণ কমিটি (ডিভিআরআরসি) থেকে রাজ্যের দুই প্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন। শ্রমিক সংগঠন ইউটিইউসি ডিভিসির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শ্রমিকদের স্বার্থে পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্য প্রশাসন আরও সতর্ক হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা ও জনসংযোগ

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা কালীঘাটে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আরামবাগের সাংসদ মিতালী বাগও উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূল নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ডিভিসি-র জল ছাড়া মোকাবিলায় কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাপতি উত্তরা সিংহ, অজিত মাইতি, প্রদ্যোৎ ঘোষদের উদ্দেশে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার তফসিল দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিভিসি জলছাড়ের পরিণতি

দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা আবারও প্লাবনের ঝুঁকিতে। আসানসোল, দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলে গত দু’দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এই জল দামোদর নদীতে মিশছে। দুর্গাপুরে রাজ্য সেচ দফতরের জলাধারের ক্ষমতা অতিক্রম করেছে। প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী গ্রাম ও শহরের মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পরিকল্পনা: ত্রাণ ও উদ্ধার কাজের জন্য প্রশাসন প্রস্তুত। স্থানীয় ও রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতৃত্ব ত্রাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছেন। এ ছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় বিশেষ পর্যবেক্ষণ টিম তৈরি করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর তোপ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “এই বেপরোয়া পদক্ষেপ আমাদের পবিত্র উৎসবের মধ্যে দুর্দশা তৈরির প্রচেষ্টার কম নয়। একতরফা পদক্ষেপ লজ্জাজনক এবং অস্বীকার্য।” সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যবাসী ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অনেকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, “নোটিশ পেলে হয়তো এই বিপর্যয় এড়ানো যেত।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ডিভিসির জলছাড় নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি তৃণমূলের নেতারা জনসচেতনতা তৈরিতে মাঠে নামবেন। নদী তীরবর্তী এলাকা ও জলাধার পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম কার্যকর করা হবে। রাজ্যবাসীর নিরাপত্তা ও উৎসব উদযাপন নিশ্চিত করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া দশমী শুভেচ্ছা ও ডিভিসি তোপ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া দশমী শুভেচ্ছা ও ডিভিসি তোপ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয়া দশমী শুভেচ্ছা ও ডিভিসি তোপ

ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব বিজয়া দশমী শেষ হওয়ার পর এখন বিসর্জন পর্ব চলছে। উৎসবের বিষাদ সরিয়ে মিষ্টিমুখ ও প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ উপভোগ করছেন মানুষ। এই সময়ে রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে থেকেও নেতা-মন্ত্রীরাও উৎসবে মেতে উঠেন। শুক্রবার কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে
কালীঘাটে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ১৩ অক্টোবর আমতলা, নিজের সংসদীয় কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারবাসীর সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এদিন দলীয় অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কার্যালয়ে বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়—মিষ্টির হাঁড়ি, বিভিন্ন উপহার—যা তিনি গ্রহণ করে সকলকে ধন্যবাদ জানান।

ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে তোপ

উৎসবের আনন্দে মেতেও অভিষেক দমিয়ে বসেননি রাজনৈতিক তোপ দিয়ে। ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে তিনি জানান, “বিসর্জন হবে, তবে বাংলা ও বাংলার মানুষের নয়। বিসর্জন হবে বিজেপি জমিদারদের।” সূত্রের খবর, তিনি উল্লেখ করেছেন, “ডিভিসি প্রতি বছর ম্যান-মেড বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করে। ভোট যত এগিয়ে আসে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ সংস্থাগুলি আমাদের না জানিয়ে নানা কাজ করে। অফিসারদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় করা হয় না। বাংলাকে ওরা বঞ্চিত করতে চায়, ডোবাতে চায়।”

মুখ্য বক্তব্য: অভিষেকের অভিযোগ অনুযায়ী, ডিভিসির এই কার্যক্রম মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি বাংলার মানুষের সঙ্গে সমন্বয় না করে কাজ করছে। এই ধরনের আচরণ বাংলার জন্য অগ্রহণযোগ্য এবং তা প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিজয়া সম্মিলনী ও জনসংযোগ

দলের বিভিন্ন নেতা-কর্মী এবং সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এই অনুষ্ঠান শুধু উৎসব উদযাপন নয়, জনসংযোগেরও সুযোগ। তিনি বলেন, “এই সময়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বিজয়া দশমী শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ।”

বিজেপি সমালোচনা ও রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি

ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে অভিষেকের তোপ কেবল প্রশাসনিক সমালোচনা নয়, রাজনৈতিক দিকও বহন করে। তিনি বলেন, “২০২৪-এ বিজেপি কিছুটা পরাজিত হয়েছে, ২০২৬-এ পুরোপুরি পরাজিত হবে। বাংলা থেকে ভোট না পাওয়ায় এসব ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।” সূত্রের খবর, তৃণমূলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিভিসির অতিরিক্ত জলছাড়া নিয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি চলছে।

উৎসবের সঙ্গে রাজনীতি

বিজয়া দশমীর আনন্দের মধ্যে রাজনীতিকদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষকে আনন্দিত করেছে। তবে ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট—বাঙালির স্বার্থকে ক্ষতি করতে দেওয়া হবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, এবারের পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের ফল।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, রাজ্যবাসীর স্বার্থে আগামীদিনে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। ডিভিসির কার্যক্রম এবং বিজেপির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মাঠে নেমে কাজ করবেন। লক্ষ্য হলো বাংলার মানুষ যাতে নিরাপদে এবং আনন্দে উৎসব উদযাপন করতে পারে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য

  • অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে বিজয়া সম্মিলনীতে উপস্থিত।
  • দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও উপহার গ্রহণ।
  • ডিভিসি জলছাড়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা।
  • বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।
  • তৃণমূলের পরিকল্পনা: ডিভিসির জলছাড়া নিয়ে জনসচেতনতা ও আন্দোলন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

ডিভিসি-এর অতিরিক্ত জলছাড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ

ডিজিটাল ডেস্ক: বিজয়া দশমীর আনন্দের মধ্যে ওরা আবারো দফায় দফায় জল ছেড়েছে ডিভিসি। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক নদীতে জলস্তর বেড়ে বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সরাসরি তোপ দাগলেন।

ডিভিসি জলছাড়া
ডিভিসি থেকে নিয়ন্ত্রিতভাবে জলছাড়ের ফলে প্লাবিত দক্ষিণবঙ্গের দৃশ্য।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “বিজয়া দশমী মানে দুর্গাপুজোর শেষ। আনন্দ, উল্লাস এবং নতুন আশার সময়। শান্তিপূর্ণভাবে বাংলাবাসীকে উৎসব উদযাপন করতে দেয়নি ডিভিসি। কারণ, রাজ্যকে নোটিস না দিয়ে ৬৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে তারা। উৎসবের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্দশার পরিস্থিতি তৈরি করা ছাড়া আর কিছু নয়। এই ধরনের আচরণ লজ্জাজনক। এবং অবশ্যই অগ্রহণীয়। কাউকে না জানিয়ে জল ছাড়ার ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে ডিভিসি। এটা কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়। এটা ডিভিসির দ্বারা তৈরি করা বিপর্যয়। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি বাংলাকে বিসর্জন দিতে দেব না। বাংলাবিরোধী যেকোনও ষড়যন্ত্র সমস্ত শক্তি দিয়ে রুখে দাঁড়াব। সত্যের জয় হবে। অপশক্তির বিরুদ্ধে সত্যের জয় হবেই।”

নিম্নচাপের প্রভাব ও সতর্কতা

প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে বর্তমানে দক্ষিণ ওড়িশার কাছে অবস্থান করছে নিম্নচাপ। ক্রমে এটি আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামী দু’দিনে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

প্রশাসনের উদ্বেগ: ডিভিসির নিয়ন্ত্রিত বাঁধ থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়া শুরু হয়েছে। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ৩২,৫০০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। দুটি বাঁধ থেকে মোট ৬৫,০০০ কিউসেক জল দামোদর নদীর পথে আসছে। বৃষ্টি হচ্ছে অজয় ও দামোদরের আপার ক্যাচমেন্টে। ঝাড়খণ্ডের তিন ড্যামের জলছাড়া মাইথন ও পাঞ্চেতে চাপ বাড়াচ্ছে। প্রশাসন উদ্বিগ্ন, কারণ অতিরিক্ত জলছাড়া প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

ডিভিসির নিয়ন্ত্রণ ও নদী পরিস্থিতি

ডিভিসি থেকে নিয়ন্ত্রিতভাবে জলছাড়া করা হলেও এতে দক্ষিণবঙ্গের বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদী সংলগ্ন গ্রাম ও শহরের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তবে ডিভিসির হঠাৎ জলছাড়া এবং নোটিশ না দেওয়ায় ক্ষোভ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের আচরণ শুধু ক্ষতি ঘটায়, কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রী মমতার পোস্টে রাজ্যবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে সমর্থন জানিয়ে লিখেছেন, “যদি আগে নোটিশ দেওয়া হতো, হয়তো এই বিপর্যয় এড়ানো যেত।” অন্যরা মন্তব্য করেছেন, “ডিভিসির এমন আচরণ বাংলার মানুষকে হতাশ করেছে।”

উৎসব এবং বিপর্যয়ের সমন্বয়

বিজয়া দশমীর আনন্দের মধ্যে এই জলছাড়া প্লাবিত এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। পুজো উদযাপনরত মানুষ বাধ্য হয়েছেন বাড়িতে বা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে। স্থানীয় পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উদ্ধার এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

প্রশাসন বলেছে, ডিভিসির জলছাড়ের উপর নজর রাখার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ টিম তৈরি করা হয়েছে। পর্যাপ্ত সতর্কতা ছাড়া এমন অতিরিক্ত জলছাড়া যাতে না হয়, তার জন্য নতুন প্রটোকল প্রণয়ন করা হচ্ছে। এছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় অবিলম্বে সতর্কবার্তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য

  • ডিভিসি মোট ৬৫,০০০ কিউসেক জল ছেড়েছে।
  • মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ৩২,৫০০ কিউসেক হারে জল অব্যাহত।
  • বৃষ্টির কারণে অজয় ও দামোদরের উপরের অংশে পানি বৃদ্ধি।
  • নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দু’দিনে আরও বৃষ্টি ও প্লাবনের সম্ভাবনা।
  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া বার্তা প্রদান।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর হুঁশিয়ারি: পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করুন

সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর হুঁশিয়ারি: পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করুন

সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর হুঁশিয়ারি: পাকিস্তান যদি মানচিত্রে থাকতে চায়, সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ করুক

ডিজিটাল ডেস্ক — আপডেট: 03 অক্টোবর 2025 | রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী - ফাইল ছবি
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী— সীমান্ত ও সন্ত্রাসবিরোধী নীতিতে তাঁর দৃঢ় বার্তা।
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী কড়া সতর্কবার্তায় বলেছেন, পাকিস্তান যদি সত্যিই মানচিত্রে টিকে থাকতে চায়, তবে তাদের অবিলম্বে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করতে হবে। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত যে সংযম দেখিয়েছিল, এবার আর তা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। সীমান্তে ক্রমবর্ধমান অনুপ্রবেশ ও সন্ত্রাসের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

গত কয়েক মাস ধরে কাশ্মীর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলা ও অনুপ্রবেশের ঘটনা বেড়ে চলেছে। সেনাপ্রধানের মতে, পাকিস্তানের ভেতরে থাকা জঙ্গিঘাঁটি ও তাদের মদতদাতা রাষ্ট্রযন্ত্র সন্ত্রাস বন্ধে কোনও সদিচ্ছা দেখাচ্ছে না। তিনি আরও বলেছেন, “ভারত এবার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। অপারেশন সিঁদুর ১.০-এর সময় আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম, কিন্তু ভবিষ্যতে আর কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। এবার আমরা এমনভাবে জবাব দেব যাতে পাকিস্তানকে ভাবতে হবে তারা বিশ্ব মানচিত্রে থাকবে কি না।”

অপারেশন সিঁদুর মূলত গত এপ্রিল-মে মাসে শুরু হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের মধ্যে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। ভারতীয় সেনার ওই অভিযানে ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও প্রায় ৩৫-৪০ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। যদিও পাকিস্তান সরকারি ভাবে এই সংখ্যা মানতে অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে এক ভয়াবহ হামলায় ২৬ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হয়। দায় স্বীকার করে ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF), যা লস্কর-ই-তইবার সহযোগী সংগঠন। এই হামলার মূল পরিকল্পনায় স্থানীয় এক জঙ্গির ভূমিকা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেনাপ্রধান জানান, এটাই প্রমাণ করে পাকিস্তান শুধু সীমান্তের ওপার থেকে নয়, কাশ্মীরের ভেতর থেকেও সন্ত্রাস ছড়াতে মদত দিয়ে চলেছে।

প্রধান তথ্য সংক্ষেপ:
  • ২২ এপ্রিল: পহেলগাঁওয়ে TRF-এর হাতে ২৬ নিরস্ত্র মানুষ নিহত।
  • ৭ মে ভোর: ভারতীয় সেনার পাল্টা আক্রমণ — পাকিস্তান ও POK-এ অন্তত ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস।
  • পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান ভারতের জনবহুল এলাকা ও সেনাঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা চালায়।
  • ভারতের পাল্টা প্রত্যাঘাতে অন্তত ১১টি পাক বিমানঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত।

সেনাপ্রধান দ্বিবেদীর বার্তায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সৈন্যদের প্রস্তুতি। তিনি সেনাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নিজেদের প্রস্তুত রাখুন। ঈশ্বর চাইলে, সুযোগ শিগগিরই আসবে।” তাঁর এই মন্তব্যে বোঝা যায়, ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজনে আরও বড়সড় সামরিক অভিযান চালানো হয়, তাহলে সেনারা প্রস্তুত থাকবে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সেনাপ্রধানের এই মন্তব্য শুধুমাত্র সামরিক কৌশলের ইঙ্গিত নয়, এটি একটি কূটনৈতিক বার্তাও। পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপে ফেলার পাশাপাশি দেশের ভেতরে জনমতকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যও রয়েছে। সীমান্তে যে কোনও ধরনের আগ্রাসন হলে ভারত জোরালো প্রতিক্রিয়া জানাতে দ্বিধা করবে না— এটাই মূল বক্তব্য।

তবে এই পরিস্থিতি কেবল সামরিক দিক থেকে নয়, কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ভারতীয় সরকারের কূটনৈতিক শাখা পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ ভারতকে সমর্থন জানিয়েছে। তবে চীনের অবস্থান এখনও পাকিস্তানের দিকেই ঝুঁকে রয়েছে।

এদিকে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। লাগাতার অনুপ্রবেশ ও গুলির লড়াইয়ের কারণে বহু পরিবারকে ঘরছাড়া হতে হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজ্য সরকারগুলো সেনার সঙ্গে সমন্বয় করে শরণার্থী শিবির তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের ভেতরেও চাপ বাড়ছে। আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশটিতে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ তীব্র হয়েছে। পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীরা বলছেন, সন্ত্রাসে মদত দিয়ে দেশটি এক ভয়াবহ অচলাবস্থার দিকে যাচ্ছে। সেনাপ্রধানের বক্তব্য যেন পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও একবার কঠোর সতর্কবার্তা।

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি। সরকারি ভাবে ১০ মে অপারেশন শেষ ঘোষণা করা হলেও সেনাপ্রধানের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে কার্যত অপারেশন থেমে যায়নি। গোপনে এখনও অভিযানের ধারা চলেছে। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অভিযানের কৌশলগত লক্ষ্য হলো সন্ত্রাসের শিকড় কেটে ফেলা।

যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, কেবল সামরিক শক্তি দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করতে হলে সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগও জরুরি। স্থানীয় জনগণকে বিশ্বাসে এনে উন্নয়নমূলক কাজ বাড়াতে হবে। না হলে জঙ্গি সংগঠনগুলো সহজেই যুব সমাজকে প্রলোভন দেখিয়ে দলে টানতে পারবে।

ভারত সরকারের নীতি এখন দ্বিমুখী— একদিকে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ, অন্যদিকে কাশ্মীরে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি। সেনাপ্রধানের বার্তা সেই নীতিকেই আরও শক্তিশালী করেছে।

সবমিলিয়ে, উপেন্দ্র দ্বিবেদীর বার্তা পাকিস্তানের জন্য কঠিন সতর্কবার্তা। ভারতের সেনা ও কূটনৈতিক মহল দু’দিকেই প্রস্তুত। পরিস্থিতি কেমন রূপ নেবে তা সময়ই বলবে, তবে নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে আর কোনও ধরনের আগ্রাসন বরদাস্ত করবে না ভারত।

সেনাপ্রধানঅপারেশন সিঁদুরপাকিস্তানসন্ত্রাসবাদভারতীয় সেনা

© 2025 Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — সর্বস্বত্ব মুক্ত ও পুনঃপ্রকাশযোগ্য প্রতিবেদন। তথ্য সরকারি ও স্বাধীন সূত্রের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

কলকাতায় বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা, ভাইরাল ভিডিও

কলকাতায় বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা, ভাইরাল ভিডিও

কলকাতায় বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা, ভাইরাল ভিডিও

সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপিশাসিত একাধিক রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ সামনে এসেছে বারবার। সেই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই সোচ্চার হয়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল।

ফ্ল্যাশ নিউজ: কলকাতার ম্যাডক্স স্কোয়ারে বাংলায় কথা বলায় এক যুবককে 'বাংলাদেশি' বলে তকমা দেওয়া হয়েছে। ভিডিওটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
কলকাতায় ম্যাডক্স স্কোয়ারের ঘটনা
ম্যাকডক্স স্কোয়ারে বাংলায় কথা বলায় যুবককে 'বাংলাদেশি' তকমা দেওয়ার ভিডিও থেকে দৃশ্য।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হিন্দিভাষী এক যুবকের সঙ্গে কোনও একটি বিষয় নিয়ে গণ্ডগোল হচ্ছে এক বাঙালি যুবকের। প্রথমে দু'জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর বাঙালি ওই যুবকের উপর হাত তুলতেও দেখা যায়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় জামা। কয়েকজন সামলানোর চেষ্টা করলেও কোনও লাভ হয়নি। বাংলায় কথা বলার জন্য 'বাংলাদেশি' তকমা দেওয়ায় আশপাশের মানুষজনও চমকে যান।

বাংলাপক্ষ ভিডিওটি শেয়ার করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাসে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য একটি বিতর্কিত পোস্ট করেন, যেখানে দাবি করা হয়, বাংলা কোনও ভাষা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ফ্ল্যাশ নিউজ: আজ কলকাতার আবহাওয়া — মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্ল্যাশ নিউজ: আজ কলকাতার আবহাওয়া — মেঘলা, বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্ল্যাশ নিউজ — আজ কলকাতার আবহাওয়া

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫ | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

সংক্ষিপ্ত: আকাশ সাধারণত মেঘলা। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

৩০° সেলসিয়াস

সূর্যোদয় / সূর্যাস্ত

৫:২৯ — ১৭:২৯

জোয়ার

ভোর ৪:৪১, বিকেল ৫:৪৪

ভাটা

সকাল ১০:১৩, রাত ১১:১২

প্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত: হালকা থেকে মাঝারি; বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা থাকা অনুযায়ী বাহিরে গেলে ছাতা এবং বৃষ্টি-বিরোধী কভার ব্যবহার করবেন।
গতকালের হালচাল: গতকাল (২ অক্টোবর) কলকাতায় রেকর্ড করা বৃষ্টির পরিমাণ — ২৬.৬ মিলিমিটার। স্থানীয় নির্জন এলাকায় জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখুন।

সংক্ষিপ্ত সতর্কতা: মোবাইল নেটওয়ার্ক বা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মতো অঞ্চলভিত্তিক সমস্যা দেখা দিতে পারে; তাছাড়া বজ্রবিদ্যুৎ চলাকালে উন্মুক্ত এলাকায় থাকা এড়িয়ে চলুন।

(এই ফ্ল্যাশ নিউজটি কেবল দ্রুত পাঠানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তুত—বিস্তারিত অফিসিয়াল মেঘলা/বৃষ্টির আপডেটের জন্য কৃষি বা জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তার বিজ্ঞপ্তি দেখুন।)

জলপাইগুড়িতে পুজো ভিড়ে গাড়ি আঘাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা — মৃত ৩

জলপাইগুড়িতে পুজো ভিড়ে গাড়ি আঘাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা — মৃত ৩

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা: দশমীর সন্ধ্যায় ঠাকুর দেখতে গিয়ে মৃত্যু ৩, আহত অন্তত ৭ — ধূপগুড়ি

🗓 আপডেট: ৩ অক্টোবর ২০২৫ | স্থান: ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি
ধূপগুড়ির দুর্ঘট্য স্থল
ধূপগুড়ি শহরের ২ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা — দুর্ঘট্যস্থলে ভিড় ও জরুরি সেবা কার্যক্রম। (ফাইল ছবি/প্রতীকী)

বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি শহরে এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দ্রুতগামী একটি স্করপিও (SUV) গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার দোকান ও মণ্ডপের সামনে প্রবেশ করে। গাড়ির ধাক্কায় স্থানীয়রা ছিটকে পড়েন এবং কয়েকজন গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে বা দোকানের ধাপে চাপা পড়ে নিহত হন।

মৃতরা হলেন — সন্তোষ রায়, সুনীল বিশ্বাসডোকসা রায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। আহত অন্তত সাতজনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে; তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা নাজুক বলে হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য।

প্রাথমিক তথ্য:
  • স্থান: ধূপগুড়ি শহরের ২ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা।
  • গাড়ির ধরন: স্করপিও (জনপ্রতি বর্ণনা অনুযায়ী দ্রুতগতির SUV)।
  • নিহত: ৩ জন (সন্তোষ রায়, সুনীল বিশ্বাস, ডোকসা রায়)।
  • আহত: কমপক্ষে ৭ জন; তাদের মধ্যে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকা ভীড়-ভাটায় ছিল — অনেকেই ঠাকুর দেখতে ও বিসর্জন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "গাড়ি হঠাৎ খুব দ্রুত হয়ে আমাদের লোকেদের মধ্যে ঢুকে পরে। কেউ কেউ চিৎকার করলে গাড়ি থামেনি — অনেকে আহত হয়েছে, পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল।"

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বুড়িটোলা ও মেডিক্যাল টিমকে ডেকে আনে। স্থানীয় থানার অফিসার বলেন, "প্রাথমিকভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে সংঘটিত একটি সড়ক দুর্ঘটনা মনে হচ্ছে। গাড়িটি চালকের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়লে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চালককে আটক করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ে পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।"

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা স্থিতিশীল করেছেন চিকিৎসকরা; কিন্তু দুই-তিনজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাঁদের আইসিউ-তে রাখা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রতিনিধি জানান যে জরুরি রক্তচাপ ও অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে যাদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে তা দ্রুত করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশনা জারি করেছে এবং দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি পুজো ও মণ্ডপের আশপাশে যান চলাচল সংক্রান্ত কড়াকড়ি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে।

(রিপোর্টটি স্থানীয় অফিসার, হাসপাতাল সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ থেকে প্রস্তুত করা হয়েছে। আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমরা আপডেট দেব।)

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

ভারত সফরে আসছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

ভারত সফরে আসছেন তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

ভারত সফরে আসছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি

🗓 আপডেট: ৩ অক্টোবর ২০২৫ | ✍ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি
তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি, যিনি প্রথমবারের মতো ভারত সফরে আসছেন

দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি আসছেন ভারতে। আগামী সপ্তাহেই তিনি পৌঁছাবেন নয়াদিল্লিতে এবং বৈঠক করবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। এটি শুধু একটি সফর নয়, বরং ভারত-আফগান সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০২১ সালে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অধিকাংশ দেশ এখনো তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বদলেছে। নিরাপত্তা, আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং সন্ত্রাসবাদ রোধের প্রশ্নে ভারতও নতুন নীতি নিতে বাধ্য হয়েছে।

মূল তথ্য এক নজরে:

  • আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি প্রথমবারের মতো ভারতে আসছেন।
  • তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
  • জাতিসংঘ সাময়িকভাবে তাঁর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।
  • ২০২১ সালের পর এটাই ভারত-আফগান সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঘটনা।

🌍 কেন এত গুরুত্ব পাচ্ছে এই সফর?

আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান দখল করে আছে। পাকিস্তান, ইরান, চীন ও ভারতের মতো দেশগুলির জন্য কাবুলের রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তালিবানের ক্ষমতায় ফেরার পর ভারত দূতাবাস বন্ধ করে দিলেও কাবুলে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছিল। এবার সরাসরি বৈঠক মানে দিল্লি তালিবান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন দ্বার খুলছে।

🇮🇳 ভারতের কূটনৈতিক কৌশল

ভারত এখন দ্বৈত অবস্থান নিয়েছে। একদিকে তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, অন্যদিকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। কারণ, আফগানিস্তান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ ভারতের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা দিল্লির জন্য বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, পাকিস্তান-চীন জোট যদি আফগানিস্তানে প্রভাব বাড়ায়, তাহলে ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

🕌 তালিবানের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ

আফগানিস্তান বর্তমানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে আছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটি খাদ্য ও চিকিৎসার ঘাটতিতে ভুগছে। ভারত হলো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতি, এবং দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানে মানবিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা। তাই কূটনৈতিক মহলের মতে, মুত্তাকির সফরের অন্যতম লক্ষ্য হলো ভারতের সাহায্য নিশ্চিত করা।

🔒 UN নিষেধাজ্ঞা সাময়িক প্রত্যাহার

জাতিসংঘ মুত্তাকিসহ একাধিক তালিবান নেতার ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছিল। তবে এবার কূটনৈতিক প্রয়োজনে তা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে তাঁর ভারত সফর সম্ভব হয়েছে। UN এর এই সিদ্ধান্তকে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘বাস্তববাদী কূটনীতি’র অংশ হিসেবে।

📈 আঞ্চলিক রাজনীতির প্রভাব

এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। ভারত যদি তালিবান সরকারের সঙ্গে সীমিত সহযোগিতা শুরু করে, তাহলে পাকিস্তান ও চীনের উপর চাপ তৈরি হবে। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও ভারতের এই অবস্থানকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

অন্যদিকে, আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা এলে মধ্য এশিয়া হয়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক পথ খুলে যাবে। বিশেষ করে ইরান ও চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে ভারত-আফগান বাণিজ্য আবার জোরদার হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ মত

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর মূলত দুই দেশের মধ্যে “বাস্তববাদী কূটনীতি”র প্রতিফলন। ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থ এবং আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বার্থ—দুটিই এই আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে আসবে।

🤝 সামনে কী হতে পারে?

যদিও ভারত এখনো তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়, তবে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন এই সফরের মাধ্যমে অন্তত “কথোপকথনের দরজা” খুলবে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যই হবে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এই সফরকে অনেকে “নতুন ইতিহাস রচনা” হিসেবে দেখছেন। তবে এর ফলাফল কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে আলোচনার পরবর্তী ধাপ এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির প্রতিক্রিয়ার উপর।

Y বাংলা নিউজ — Facebook এ যোগ দিন
আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ দিয়ে আপডেট পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
যোগ দিন — Y বাংলা নিউজ শেয়ার করুন

Thursday, 2 October 2025

মহিলাদের বিশ্বকাপে বিতর্ক, সানা মিরের মন্তব্যে রাজনীতি

মহিলাদের বিশ্বকাপে বিতর্ক, সানা মিরের মন্তব্যে রাজনীতি

মহিলাদের বিশ্বকাপে বিতর্ক, সানা মিরের মন্তব্যে রাজনীতি

আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: Y বাংলা নিউজ ডেস্ক

মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ

সদ্য সমাপ্ত এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বিতর্ক এখনও কাটেনি। সেই উত্তেজনার মাঝেই মহিলাদের বিশ্বকাপে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এবার রাজনীতি সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রে পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সানা মির। তিনি হঠাৎই 'আজ়াদ কাশ্মীর'-এর উল্লেখ করেন এবং ধারাভাষ্য প্রদানে তা তুলে ধরেন।

মির পাকিস্তান-বাংলাদেশ ম্যাচের ধারাভাষ্যে বলেন, “পাকিস্তানের এই দলটি কম বয়সি ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত। অনেক ক্রিকেটার নতুন। নাতালিয়া (পারভেজ়) কাশ্মীর, আজ়াদ কাশ্মীরের মেয়ে। লাহোরে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছে।” এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন এবং মিডিয়ায় বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন উঠেছে, কেন আইসিসি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না এবং কেন তাকে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব থেকে সরানো হবে না। আইসিসি-এর নিয়মে পরিষ্কার বলা আছে, ক্রিকেটে রাজনীতি জড়ানো যাবে না।

ক্রিকেট এবং রাজনীতি:
সদ্য সমাপ্ত এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সময় ও পরে বারবার রাজনীতি জড়িয়েছে। কখনও খেলোয়াড়, কখনও বোর্ড কর্তাদের মন্তব্য বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে, চলাকালীন ও পরে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা গিয়েছিল। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং দল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি থেকে ট্রফি নেওয়ার ক্ষেত্রে অস্বীকার করেন। এই ঘটনার পর মহিলাদের বিশ্বকাপে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ধারাভাষ্যে রাজনৈতিক মন্তব্য সরাসরি খেলায় প্রভাব ফেলতে পারে। সানা মিরের মন্তব্য শুধু ক্রিকেট দর্শকদের মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, আইসিসি কীভাবে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে।

মিরের মন্তব্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মগুলোও উত্তেজিত। ভক্তরা তাকে সমর্থন করছেন এবং সমালোচনা করছেন। ক্রিকেট ও রাজনীতি একসঙ্গে মিশে যাওয়ার এই ঘটনা নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

আগামী রবিবার মহিলাদের বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। খেলাধুলার পাশাপাশি রাজনৈতিক উত্তেজনা এই ম্যাচকে আরও নজরকাড়া করে তুলবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়ের জন্য এটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খেলায় রাজনীতি মেশানো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে খেলোয়াড়দের মানসিকতা, দর্শক প্রতিক্রিয়া ও আইসিসি-এর নীতি প্রভাবিত করতে পারে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিতর্ক এড়ানোর জন্য কাঠামোগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

মহিলাদের বিশ্বকাপের উত্তেজনা:
রাজনৈতিক মন্তব্যের ফলে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগেই নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা ক্রিকেট ও রাজনীতির সংযোগকে সামনে এনেছে।

সুরুচি সংঘের পুজোয় শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বাংলা বিনিয়োগ ঘোষণা

সুরুচি সংঘের পুজোয় শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বাংলা বিনিয়োগ ঘোষণা

সুরুচি সংঘের পুজোয় শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের বাংলা বিনিয়োগ ঘোষণা

আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার | লেখক: Y বাংলা নিউজ সংবাদদাতা

বিজয়াদশমীর দিন সুরুচি সংঘে সজ্জন জিন্দল

y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক - বিজয়াদশমীর দিন দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরের সুরুচি সংঘের ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন শিল্পপতি সজ্জন জিন্দল। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পুজো হিসেবে পরিচিত এই পুজোতে এসে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের ঘোষণা দেন তিনি। রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী তাঁকে মণ্ডপে স্বাগত জানিয়ে মূর্তির কাছে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী সঙ্গীতা জিন্দলকে সঙ্গে নিয়ে দেবীমূর্তিকে প্রণাম করে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সজ্জন।

সজ্জন জিন্দল বাংলায় বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলায় বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে আমার। সমস্ত কিছুই মা দুর্গার আশীর্বাদের উপর নির্ভর করছে। ভবিষ্যতে জিন্দল গোষ্ঠীর এ রাজ্যে বড়সড় বিনিয়োগের আশা রয়েছে।”

সজ্জন জানিয়েছেন, এই প্রথম তিনি কলকাতার দুর্গাপুজো দেখছেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী এখানে বহু বার এসেছেন। এখানে আসা এক অনন্য অভিজ্ঞতা। মণ্ডপসজ্জা ভিন্ন মাত্রার। আমরা মুম্বইতে থাকি এবং সেখানকার গণপতি পুজোর সাথে তুলনা করতে পারি, কিন্তু এখানে শিল্পীরা যা তৈরি করেছেন তা অন্য মাত্রা পাচ্ছে। এজন্যই এই উৎসব ইউনেস্কোর ঐতিহ্যে অন্তর্ভুক্ত।

নিজের মোবাইলে মণ্ডপের ভিডিয়ো রেকর্ডিং প্রসঙ্গে সজ্জন বলেন, “আমি ভিডিয়ো রেকর্ড করেছি যাতে স্মৃতিতে রাখতে পারি। পরে সময় পেলে দেখব, অথবা সন্তানদের দেখাব। এখানে শিল্পের মাধ্যমে আমাদের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।”

সজ্জন জিন্দল আরও জানান, “বাংলায় বিনিয়োগের জন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলাপ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতা পেয়েছি। ভবিষ্যতে বড় বিনিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

উক্ত পুজো মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্যোগে প্রতি বছর পালিত হয় এবং দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম প্রধান পুজো হিসেবে পরিচিত। শিল্পী ও স্থানীয় উদ্যোগকারীরা প্রতিমা সজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এই পুজোর মর্যাদা বাড়িয়ে তুলেছেন।

সজ্জন জিন্দলের উপস্থিতি ও বিনিয়োগের ঘোষণা স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং শিল্প সম্প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তাঁরা আশা করছেন, এই পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

বাংলায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও দুর্গাপুজোর শিল্পমাধ্যমে সজ্জন জিন্দলের অভিজ্ঞতা সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছে।

সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনার সমন্বয়ে এই পুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবও ফেলছে। সজ্জন জিন্দল উপস্থিত হয়ে তার বিনিয়োগ পরিকল্পনার মাধ্যমে এ কথাই প্রমাণ করেছেন।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog