Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 5 October 2025

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: সময়সীমা ঘোষণা, NDA বনাম মহাগঠবন্ধনের লড়াই

নয়াদিল্লি, ৫ অক্টোবর ২০২৫লেখক: Yava Fariya Mondalআপডেট: 05/10/2025 04:31 PM

নয়াদিল্লি থেকে y বাংলা নিউজ-এর ডেস্ক রিপোর্ট — নির্বাচন কমিশন পাটনায় সময়সীমা ঘোষণা করেছে; রাজ্যে ভোটগ্রহণ, নিরাপত্তা, ভোটার তালিকা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত।

বিহার নির্বাচন ২০২৫
ছবি: বিহার নির্বাচনী প্রস্তুতি — (Y বাংলা নিউজ ডেক্স/ফাইল ছবি)
নয়াদিল্লি, ৫ অক্টোবর ২০২৫: বিহার বিধানসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে আগামী ২২ নভেম্বর; তার আগেই রাজ্যে ভোটগ্রহণের সময়সীমা ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার গ্যনেশ কুমার রবিবার পাটনায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়ে দেন যে কেবল সময়সূচিই নয়, বুথ-লেভেল প্রস্তুতি ও ভোটার তালিকা পরিশোধনেও এইবার বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কমিশন বলেছে যে মোট ২৪৩টি আসনের মধ্যে আদিবাসী ও তফসিলি জাতির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষণের পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তা পরিকাঠামোও গড়ে তোলা হবে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কমিশন রাজ্যের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং বুথ-লেভেল অফিসারদের (BLO) বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগকে এক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। রাজ্য রাজনীতিতে প্রধান দুই শিবির—ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়ন্স (NDA) এবং মহাগঠবন্ধন—এবারের নির্বাচনে মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করবে। NDA-র শিবিরে প্রধানভাবে বিহারের পুরনো রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিজেপি-জেডিইউ জোট নেতৃত্বে থাকলেও মহাগঠবন্ধন আরজেডি, কংগ্রেস ও বামপন্থী দলগুলোর সমন্বয়ে শক্তিশালীভাবে অংশ নেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় ইস্যু, কৃষি-বিভাগ, শিক্ষানীতি এবং চাকরির সুযোগের মতো বিষয় ভোটের মনোভাব গঠনে মূল ভূমিকা রাখবে। প্রচারণার তীব্রতা ইতিমধ্যেই বেড়ে গেছে। প্রত্যেকে শিবিরই নির্বাচনী কৌশল হিসেবে জনমুখী মিছিলে আলাদা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। প্রতিপক্ষ দলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ-প্রতিউত্তর এবং উন্নয়ন নীতির প্রভাব নিয়ে জনগণের বিচার হবে বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তুতি ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দিকেও প্রশাসন রেখেছে বিশেষ নজর। কমিশনটির পক্ষ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—এই গণতন্ত্রের উৎসবে সক্রিয় অংশগ্রহণ করুন। নির্বাচন কমিশন উল্লেখ করেছে যে ভোটার তালিকা পরিশোধনের কাজ সফল হয়েছে এবং বিহারের প্রতিটি কয়ানায় ভোটার তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বুথ-লেভেল কর্মীদের অবদানকে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ইস্যুগুলোও নির্বাচনে গুরুত্ব পাবে। বিশেষত কৃষি খাতের অবস্থান, উন্নত অবকাঠামো প্রকল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ, দারিদ্র্য নিরসনে নেওয়া উদ্যোগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে দলের প্রতিশ্রুতিগুলো ভোটারের কাছে প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাগরিকদের কণ্ঠস্বর শ্রবণ করার অঙ্গীকার নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা ভোটকালীন পরিবেশে কড়া নজর রাখছেন। এই নির্বাচনের ফলাফল শুধুমাত্র বিহারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে না—বরং জাতীয় স্তরে সমীকরণেও তা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতে পারে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় দলগুলোর কৌশল এবং জোটবাঁধার ফলাফল ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সেদশের কৌশলকে প্রভাবিত করবে। নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে যে ব্যবস্থাপনা ও সরঞ্জামতাত্ত্বিক দিক থেকে এক বিরাট প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে—ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের যথেষ্ট সরবরাহ, ব্যাকআপ জেনারেটর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার দৃঢ়তা নিশ্চিত করা হবে যাতে ভোটপরিচালনা বাধাহীনভাবে চালানো যায়। একইসঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ নিয়ে নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। যুব ভোটার ও পরিযায়ী শ্রমিকদের অংশগ্রহণ এইবার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বহু তরুণ ভোটারকে লক্ষ্য করে দলগুলো অনলাইন ও মাঠপর্যায়ে কৌশল বৃদ্ধি করছে; একই সঙ্গে প্রশাসন পরিযায়ী ভোটারদের তালিকা হালনাগাদ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যাতে তারা অংশ নিতে পারে। ভোটদান সহজতর করতে রাইড-টু-পোলিং, বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র ও প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের জন্য বন্দোবস্ত করা হবে। নির্বাচনী তহবিল ও প্রচার ব্যয় নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে—অবৈধ তহবিল প্রবাহ বন্ধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। y বাংলা নিউজ জেলা ও রাজ্য রিপোর্টাররা রাজ্যজুড়ে ঘটনাচক্রের উপর নজর রাখছেন; ভোটসূচি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সাইটে আসন বিশ্লেষণ, প্রার্থীদের তালিকা ও বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। আমরা আপডেট দেব এবং যে কোনো বিধ্যোপযোগী তথ্য পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নেব।
সংক্ষিপ্ত তথ্যবক্স
  • মোট আসন: ২৪৩
  • সংরক্ষিত আসন: ST ২, SC ৩৮
  • প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী: NDA বনাম মহাগঠবন্ধন
  • মেয়াদ শেষ: ২২ নভেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে কোল্ডরিফ সিরাপ: মৃত্যু ১১ শিশুর — মধ্যপ্রদেশে চিকিৎসক গ্রেফতার, বিভিন্ন রাজ্যে সিরাপ নিষিদ্ধ

কাফ সিরাপ কাণ্ড: কোল্ডরিফ সিরাপ খেয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসক গ্রেফতার

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে কোল্ডরিফ সিরাপ: মৃত্যু ১১ শিশুর — মধ্যপ্রদেশে চিকিৎসক গ্রেফতার, বিভিন্ন রাজ্যে সিরাপ নিষিদ্ধ

ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫

কাফ সিরাপ খেয়ে মধ্যপ্রদেশের চিন্দওয়াড়া (পারাসিয়া) উপজেলায় ব্যাপক শোকব্যাপ্তি—ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে খাওয়া কোল্ডরিফ সিরাপের কারণে দেশীয় সূত্রে কমপক্ষে ১১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে; এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পিডিয়াট্রিশিয়ান ডঃ প্রবীণ সোনিকে সোমবার ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় সূত্রে জানা গেছে, আহত বা মৃত শিশুগুলির বেশিরভাগই ডঃ সোনির ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছিল এবং সেখানে প্রেসক্রাইব করা কোল্ডরিফ (Coldrif) নামক কফ সিরাপ খাওয়ার পর অবস্থার অবনতি ঘটে। দ্রুতগতিতে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ল্যাব পরীক্ষা ও তল্লাশি শুরু করে এবং তামিলনাড়ুর ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের রিপোর্টে ওই সিরাপের নমুনায় বিপজ্জনক মাত্রার ডায়থিলিন গ্লাইকল (Diethylene Glycol বা DEG) শনাক্ত হয়—রিপোর্ট অনুসারে ৪৮.৬ শতাংশ পরিমাণ পাওয়া গিয়েছে। এই বিষাক্ত উপাদান কিডনিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে এবং তা কিডনি ফেলিওর ও মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

তাত্ক্ষণিক কার্যক্রম ও নিষেধাজ্ঞা (সংক্ষিপ্ত):
  • মধ্যপ্রদেশ সরকার কোল্ডরিফ সিরাপের বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ তৎক্ষণাৎ নিষিদ্ধ করেছে।
  • তামিলনাড়ু ডিরেক্টরেট অব ড্রাগ কন্ট্রোল ওই ব্যাচকে 'স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটির নয়' বলে চিহ্নিত করেছে; সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগগুলোর পরামর্শ অনুযায়ী কফ/কল্ড সিরাপ শিশুদের (বিশেষত দুটি বছরের নিচে) দেওয়া বা প্রেস্ক্রাইব করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, শিশুগুলোর প্রথমে সর্দি কাশি ছিল এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তারা কফ সিরাপ ও অন্যান্য ওষুধ খেয়েছিল। কিছুক্ষণের জন্য স্বাস্থ্যের সাময়িক উন্নতি দেখা গেলেও পরে তাদের অবনতি ঘটতে থাকে—প্রাথমিকভাবে কিডনি ফেইলিওরের লক্ষণ উদ্ভব করে এবং হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত সাপোর্ট ব্যবস্থা ও আইসিইউ সিট বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোগনির্ণয়ের পর রাজ্য প্রশাসন দ্রুত কার্যক্রম শুরু করেছে—উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান Sresan (বা Srisan/Sresun নাম ভিন্ন সংবাদ সূত্রে আলাপিত) ফার্মাসিউটিক্যালসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কোম্পানির উৎপাদন ইউনিটে গভীর তদন্তের নির্দেশ এসেছে। বিভিন্ন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, রাজস্থান এবং কেরলাবাদ—তৎক্ষণাৎ ঐ সিরাপ বিক্রি ও মজুদ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং বাজারে থাকা বোতলগুলোর খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য ড্রাগ ইনস্পেক্টরদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আরেকটি সিরাপ, Nextro-DS নামে পরিচিত পণ্যেরও বিক্রয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে; এটির পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি।

ডায়থিলিন গ্লাইকল (DEG) একটি শিল্প-বিষাক্ত দ্রব্য, সাধারণত অ্যান্টিফ্রিজ, পেইন্ট, প্লাস্টিক এবং ব্রেক ফ্লুডে ব্যবহৃত হয়; চিকিৎসা-ব্যবহারের উপকরণ হিসেবে এটি কখনো ব্যবহার হওয়া উচিত নয়। DEG সহজেই গ্লিসারিনের মতো স্যরাপি লুক রাখায় কখনো কখনো সস্তা, অনিয়ন্ত্রিত কাঁচামাল হিসেবে মিশ্রিত হতে পারে—ফার্মা সরবরাহ শৃঙ্খলে তদারকি না করলে এই ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। DEG বিষক্রিয়ার ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা দ্রুত কিডনি ফেলিওর ও মৃত্যু ঘটাতে পারে।

আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়া তাহলে কী?—স্থানীয় পুলিশ ডঃ প্রবীণ সোনির বিরুদ্ধে অভিযোগমুলক রিপোর্ট পেয়েছে এবং অভিহিত অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে; পাশাপাশি উৎপাদনকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ঔষধ জালিয়াতি ও অনিয়ম, অদক্ষতা এবং দায়িত্বহীনতাসহ বিভিন্ন ধারা অন্তর্ভুক্ত করে মামলা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তল্লাশি ও তদন্ত চলছে—ঔষধ পরীক্ষার অন্যান্য ব্যাচগুলোর নমুনাও পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাছে মুলত: কড়া কিছু প্রশ্ন উঠেছে—ফার্মা সরবরাহ চেইনে মান নিয়ন্ত্রণ কতটা শক্তিশালী, ক্লিনিক-স্তরের প্রেসক্রিপশন ও ফলো-আপ কিভাবে হওয়া উচিত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দ্রুত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের ওষুধ দেওয়ার সময় চিকিৎসক ও রিটেইলারদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি এবং রাষ্ট্রকে উৎস থেকে শেষ ব্যবহারকারী পর্যন্ত চেইনটিকে নিয়মিতভাবে মনিটর করতে হবে।

রিপোর্টিং নোট: এই প্রতিবেদনটি সাম্প্রতিক প্রকাশিত সংবাদ ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ডিজিটাল ডেস্কে রচিত। ঘটনায় তদন্ত চলমান—নতুন তথ্য আসলে প্রতিবেদন আপডেট করা হবে। সূত্র: Reuters, NDTV, Times of India, India Today, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বিজ্ঞপ্তি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব: বৈকুন্ঠপুর-১ উপপ্রধান সহ ৬ জনকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড

পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব: বৈকুন্ঠপুর-১ উপপ্রধান সহ ৬ জনকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড

পূর্ব বর্ধমানে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব: বৈকুন্ঠপুর-১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধানসহ ৬ জনকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড

আপডেট: স্থানীয় প্রতিবেদন ও ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে | রিপোর্ট: বর্ধমান ব্যুরো

পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর-১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ছয় জন তৃণমূল নেতাকে দলবিরোধী কার্যকলাপ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ধমান-২ ব্লক তৃণমূল।

ব্লক সভাপতি পরমেশ্বর কোঙার জানিয়েছেন যে—জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায়, লবকুমার দাস, সব্যসাচী চৌধুরী, তুষার সামন্ত, অম্বিকা দাস ও জরু আলমকে ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তে তিন বছরের মত সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং বিষয়টি জেলা সভাপতিকে জানানো হয়েছে। ব্লক সভাপতির অভিযোগ, ওই নেতারা দল ও প্রশাসনকে টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল ও মিথ্যা প্রচার চালিয়েছেন এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙেছেন। 0

বৈকুন্ঠপুর পঞ্চায়েত (নমুনা ছবি)
স্থানীয় সূত্র ও ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েতে উত্তেজনা। (ছবি: প্রতিনিধির আলোকচিত্র)
কী বলা হচ্ছে — সংক্ষিপ্ত সারাংশ
  • উপপ্রধানসহ ছয় নেতা তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড। 1
  • ব্লক সভাপতির অভিযোগে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, মিথ্যা প্রচার ও দুর্নীতির ইঙ্গিত। 2
  • সাসপেন্ড প্রতিপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী 'বর্ধমান-২ ব্লকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ' হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে সাসপেন্ড করা উপপ্রধান জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুললে প্রমাণ দেখান; শুধু মুখে অভিযোগ করে কাউকে সাসপেন্ড করা ঠিক নয়। তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন—তিনি জেলা কমিটির সদস্য; তাহলে ব্লক সভাপতি কীভাবে জেলা কমিটির সদস্যকে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিতে পারেন? জয়দেব অভিযোগ করেছে যে দলবিরোধী কাজের প্রমাণ ছাড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে শোকজ করা উচিত ছিল।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজ্য নির্বাচন (২০২৬)কে সামনে রেখে ব্লক ও পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র হতে পারে এবং এখান থেকে জেলা রাজনীতিতে তার প্রভাব পড়বে। বহুক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ক্ষমতার দৌরাত্ম্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিচ্ছিন্নতা এই ধরনের বিস্ফোরক পরিস্থিতির সূত্রপাত করে। এই ঘটনা সেই প্রেক্ষাপটেই পড়েছে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন।

স্থানীয় মহলে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে—কোন পন্থা অবলম্বন করে বিরোধ মিটবে, কোন পন্থায় দল শৃঙ্খলা বজায় রাখবে ও অভিযোগের যথোপযুক্ত তদন্ত কবে করা হবে—এসব প্রশ্ন উঠে এসেছে। জেলার নেতারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং জেলা স্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে ব্লক সভাপতি জানান। সূত্রে জানা যায়, জেলা কমিটির পর্যবেক্ষণে এই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কেন্দ্রীয় বার্তা: রাজনৈতিক ও организаționalভাবে অভ্যন্তরীণ বিরোধ দুর্বলতার ইঙ্গিত করে এবং তা দ্রুত মোকাবিলা না করলে নির্বাচন-প্রসঙ্গে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে — এই সতর্কবার্তা অনেকেই দিচ্ছেন। তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মন্তব্য এ এবং জেলা নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের পর পরবর্তী পদক্ষেপ জানা যাবে।

রিপোর্টিং নোট: উপরের খবর স্থানীয় সংবাদপত্র ও অনলাইন প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে সংকলিত। উল্লিখিত ঘটনার যে কোন উন্নয়ন হলে প্রতিবেদন আপডেট করা হবে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন, হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা, News18 Bangla।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ধস: মিরিকে সেতু ভেঙে মৃত্যু, শিলিগুড়ি-পাহাড় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ধস: মিরিকে সেতু ভেঙে মৃত্যু, শিলিগুড়ি-পাহাড় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

লাগাতার ভারী বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গ ধসে বিপর্যস্ত — মিরিকে ব্রিজ ভেঙে কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু

আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্ট: স্থানীয় প্রতিবেদক

কয়েকদিন ধরে চলা অবিরাম বর্ষণের ফলে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধস ও বন্যার কবলে পড়েছে। দার্জিলিং জেলার মিরিকে দুধিয়া সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়ভাবে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

মিরিকে ভাঙা সেতুর দৃশ্য (নমুনা ছবি)
মিরিকে ভাঙা সেতুর কারণে শহরটির সঙ্গে শিলিগুড়ির সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। (ছবি: স্থানীয় উৎস)

মিরিকে প্রবল বৃষ্টি ও উজান-জলে দুধিয়া সেতু সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধসে পড়ায় শহরটি শিলিগুড়ির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাটে কাটা পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী সেতু ধসে কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু এবং আরও অনেকে আহত বলে প্রতিবেদনে দাগ পড়েছে।

প্রবণতা ও পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত ছবি
  • ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধস নেমে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত; শিলিগুড়ি ও সিকিমের যোগাযোগ প্রভাবিত।
  • দার্জিলিং ও কালিম্পং রুটে ধস নামায় ওই রুটগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
  • ডুয়ার্স অঞ্চলে তিস্তা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীর জল বাড়ছে; স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেছে।
  • আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু স্থানে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা — কমলা ও লাল সতর্কতা জারি আছে।

পর্যটনকেন্দ্রেও প্রভাব পড়েছে: পুজোর ছুটির সময় বহু ভ্রমণপিপাসু দার্জিলিং, রক গার্ডেন, টাইগার হিলসহ জনপ্রিয় লেকশহরগুলো ঘুরে দেখতে এসেছেন; কিন্তু ধসের আশঙ্কায় এসব কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনিক নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমান পরিস্থিতি অতিক্রম না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের হোটেলে অবস্থানের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা ধসপ্রবণ এলাকায় উদ্ধার, রেসকিউ এবং সড়ক মেরামতে কাজ করছেন। রাজ্য ও জেলা বৈকল্পিক রুট, ব্রিজ-মেরামত এবং নদীপথের ঝুঁকি মূল্যায়ন চলছে। আক্রান্তদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসুবিধা প্রদান শীঘ্রই নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রশাসন সম্প্রতি কয়েকটি জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

সতর্কতা: যাতায়াত এবং পাহাড়ি এলাকায় থাকা লোকজনকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায় কমলা সতর্কতা, আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা জারি আছে — স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতের নির্দেশনা মেনে চলুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি: কারুর দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণ

বিজয়কে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি, বদলাতে পারে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক চিত্র

আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বরের একদিন পর থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি | রিপোর্ট: স্থানীয় ব্যুরো

কারুরের শোক এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই তামিল সুপারস্টার ও টিভিকে (TVK) দলের প্রধান বিজয়কে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা শুরু করেছে বলে তথ্য। ২৭ সেপ্টেম্বর কারুরে পদপিষ্টে কমপক্ষে ৪১ জনের মৃত্যু ও বেশ কয়েক ডজন আহত হওয়ার পর রাজ্য রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল।

কারুর দুর্ঘটনা—জনসমাগম
কারুরের জনসমাগম ও দুর্ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া (ছবি: স্থানীয় উৎস)

সূত্রের খবর, ঘটনায় পরের দিনই (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক শিবির যোগাযোগ করে বিজয়ের সাথে। এক বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা বিজয়কে আশ্বাস দিয়েছেন যে, যদি ডিএমকে এবং তার জোট তাঁকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করে, তৎক্ষণাৎ বিজেপি পাশে দাঁড়াবে। খবর অনুযায়ী কংগ্রেসও টিভিকে-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এবং জাতীয় দলগুলো এই ঘটনাকে রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছে।

প্রধান অন্তর্দৃষ্টি:
  • কারুর দুর্ঘটনা টিভিকে-র জনপ্রিয়তাকে রাজনৈতিক সম্পদে পরিণত করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় দলগুলো।
  • বিজয়ের জনপ্রিয়তা ডিএমকে ও অন্যান্য দক্ষিণী দলের ভোক্তাদের টিভিকে-র দিকে টানে বলে মনে করছে বিজেপি।
  • তবে বিজেপি সাবধান — এআইএডিএমকে-র সঙ্গে জোট ভাঙলে দক্ষিণে কৌশল ব্যাহত হতে পারে।

রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে এই ধরণের কৌশল স্বাভাবিক। তবে কারুরের মতো একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনা রাজনৈতিক লাভের হাতিয়ার হয়ে উঠলে তা নৈতিক ও সামাজিক প্রশ্ন তুলবে। ডিএমকে এবং অন্য আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া দেখেই পরবর্তী সমীকরণ গঠন হবে।

বর্তমানে দৃশ্যমান বাস্তবতা হল — টিভিকে প্রধান বিজয় নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন তাদের প্রতি যারা বিপর্যয়ের সময় পাশে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতিকরা বলছেন, আগামী কয়েক মাস রাজনীতির কণ্ঠস্বর বদলে দিতে পারে; তবে ভোটের মাঠে চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে জোট, কৌশল ও জনগণের মনোভাবের ওপর।

রিপোর্টিং নোট: এই প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে তৈরি। ঘটনাবলি ও সূত্র সংশোধন করলে আপডেট দেয়া হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে উত্তেজনা: জালাল বস্তিতে ৯৩টি পরিবারের বাড়ি পুড়ল

🗓️ প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | ✍️ ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে অগ্নিসংযোগ

অসম-নাগাল্যান্ড সীমান্তে ফের একবার অশান্তি। বৃহস্পতিবার রাতে সীমান্তবর্তী জালাল বস্তি এলাকায় ব্যাপক অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বহু ঘরবাড়ি পুড়ে গিয়েছে, আতঙ্কে রাতভর পালিয়ে বেড়িয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অসম সরকারের দাবি, নাগা দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়ে গ্রামে হানা দেয় এবং ইন্ধন জোগায় আগুনে। কিন্তু নাগাল্যান্ড সরকার জানাল, জালাল বস্তি আসলে তাদেরই নিউল্যান্ড জেলার অন্তর্গত। নাগাল্যান্ড প্রশাসনের বক্তব্য, “অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের হামলায় ১০৫টি পরিবারের মধ্যে ৯৩টি পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে।”

স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ১৯৮৪ সালে জালাল নামে এক ব্যক্তি অসম সরকারের সহায়তায় কৃষিকাজের জন্য এই এলাকায় বসতি স্থাপন করেন। ১৯৮৭ সালের দিকে তিনি ওই জমির মালিকানা দাবি করেন, যা নিয়েই আজও দুই রাজ্যের মধ্যে বিরোধ চলছে।

স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ, সম্প্রতি অসম সরকার গিলাজান ও রাজা পুখুরি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর অনেক বাস্তুচ্যুত পরিবার জালাল বস্তিতে আশ্রয় নেয়। উচ্ছেদের আগে যেখানে মাত্র ৩০-৪০টি পরিবার ছিল, সেখানে এখন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৫টি।

প্রশাসনের বক্তব্য:

জালাল বস্তির বিরোধ বহু পুরনো। সীমান্ত নির্ধারণ ও জমি মালিকানা নিয়ে দুই রাজ্যের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। নাগাল্যান্ড প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

অসমের তরফে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার শান্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়েছে। অন্যদিকে নাগাল্যান্ডের দাবি, তাদের প্রশাসনিক এলাকায় অসমের বাহিনী ঢুকে পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে।

উত্তর-পূর্ব ভারতের দুই প্রতিবেশী রাজ্যের এই পুরনো সীমান্ত বিরোধ আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অহমদাবাদে ঐতিহাসিক জয়, নতুন অধ্যায়ে শুভমন গিল — ভারতের একদিনের দলের নতুন অধিনায়ক

অহমদাবাদে ঐতিহাসিক জয়, নতুন অধ্যায়ে শুভমন গিল — ভারতের একদিনের দলের নতুন অধিনায়ক

অহমদাবাদে ঐতিহাসিক জয়, নতুন অধ্যায়ে শুভমন গিল — ভারতের একদিনের দলের নতুন অধিনায়ক

🕓 প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক
শুভমন গিল নতুন অধিনায়ক
অহমদাবাদে ঐতিহাসিক দিনে একদিনের ক্রিকেটের অধিনায়কত্বে শুভমন গিল

ডিজিটাল ডেস্ক: অহমদাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টেস্ট জয়েই যেন লিখিত হল এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। কারণ, সেই ঐতিহাসিক দিনেই ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন নেতৃত্বের হাতছানি। দেশের ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তরুণ ব্যাটার শুভমন গিল

দলের জয় এবং নিজের নতুন ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত শুভমন জানিয়েছেন, একদিনের ক্রিকেটে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়া তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। বোর্ডের প্রকাশিত ভিডিওতে গিল বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে বিশাল সম্মানের। ভারতের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী দলে অধিনায়কত্ব করা জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত। আমাদের দল দুর্দান্ত খেলছে, আমি চাই এই ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে।”

তথ্যবক্স:
  • নতুন দায়িত্ব: ভারতের ওয়ানডে অধিনায়ক
  • প্রথম জয়: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অহমদাবাদ টেস্ট
  • মূল লক্ষ্য: দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ জয়
  • ফ্র্যাঞ্চাইজি দল: গুজরাত টাইটান্স (আইপিএল)

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বকাপের আগে প্রায় কুড়িটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাব। আমাদের লক্ষ্য একটাই — দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ জেতা। প্রতিটি ম্যাচে দল নিজেদের সেরাটা দিতে চেষ্টা করবে। আশা করি, দারুণ একটা মরসুম কাটবে এবং বিশ্বকাপের আগে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকব।”

আরও খবর পড়ুন , বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

অহমদাবাদের মাটিতে এই জয় গিলের কাছে আরও বিশেষ। কারণ, এই মাঠেই গুজরাত টাইটান্সের নেতৃত্ব দেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে শুভমন বলেন, “এই রাজ্য আমার কাছে খুব আলাদা। আইপিএলে এই রাজ্যের দলকে নেতৃত্ব দিই। এখানেই আমি টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার খবর পেয়েছিলাম। আজ ওয়ানডের নেতৃত্বও এখান থেকেই শুরু হচ্ছে — এটা ভীষণ আবেগের।”

বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, গিলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং ঠান্ডা মস্তিষ্কের নেতৃত্বগুণই তাঁকে অধিনায়কত্বের প্রথম সারিতে এনেছে। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির পর নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটার হিসেবে শুভমন গিল এখন ভারতের নেতৃত্বের নতুন মুখ।

ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা করলেন শুভমন — যেখানে তরুণদের হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের নতুন স্বপ্ন দেখছে টিম ইন্ডিয়া।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫, সকাল 07:15

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

বিহার ভোটের আগে নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরী, কংগ্রেসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক নিযুক্ত

🕓 প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৫ | ✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
অধীর চৌধুরী কংগ্রেসের নতুন দায়িত্বে
বিহার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দায়িত্বে অধীর চৌধুরী

ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতির বড় বড় দলগুলি। বিজেপি, আরজেডি ও জেডিইউ’র মতো শিবিরগুলির পাশাপাশি কংগ্রেসও মাঠে নামতে শুরু করেছে নতুন কৌশলে। সেই প্রেক্ষিতেই শনিবার কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন লোকসভা বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ করল দল।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের নির্দেশে এবং এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালের ঘোষণায় জানা যায়, বিহার বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতির জন্য তিনজন প্রবীণ নেতাকে সিনিয়র পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী, রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত এবং ছত্তীসগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল।

তথ্যবক্স:
  • দল: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
  • দায়িত্ব: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সিনিয়র পর্যবেক্ষক
  • অন্যান্য পর্যবেক্ষক: অশোক গহলৌত, ভূপেশ বঘেল
  • ঘোষক: এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল
  • সভাপতি: মল্লিকার্জুন খাড়গে

কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক মহল দেখছে আসন্ন বিহার নির্বাচনে দলের প্রভাব বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হিসেবে। কারণ, বিহারে কংগ্রেসের সংগঠন এখনও দুর্বল বলে মনে করা হয়। তাই জাতীয় স্তরের নেতাদের দায়িত্ব দিয়ে সংগঠন পুনর্গঠনের বার্তা দিয়েছে দল।

গত সপ্তাহেই পটনায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বর্ধিত বৈঠক। সেই বৈঠকে রাজ্য স্তরের নেতারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গৌরব গগৈ, শশী থারুর, জিতিন প্রসাদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৈঠকে গৌরব গগৈ উল্লেখ করেন, “বিজেপি এনআরসি-র নামে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিল। এখন সেই একই মডেল বিহারেও প্রয়োগের চেষ্টা চলছে।”

তাঁর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে অধীর চৌধুরী বলেন, “বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবার জনবিন্যাস বদলের অভিযোগ তুলে ধর্মীয় মেরুকরণের তত্ত্ব নতুন মোড়ে পেশ করছে। বাংলা ও অসমের মতো বিহারেও তারা এই রাজনীতি কাজে লাগাতে চায়।” অধীরের মতে, ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি রক্ষা করা এখন কংগ্রেসের বড় চ্যালেঞ্জ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিহারে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক হিসেবে অধীরের নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, অধীর চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে সংগঠন পরিচালনা ও জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর তীক্ষ্ণ বক্তব্য ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কংগ্রেসের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে অধীর প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে প্রায় ৮৫ হাজার ভোটে পরাজিত করেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। পরাজয়ের পর অধীর চৌধুরী বলেছিলেন, “বাংলার রাজনীতি ক্রমশ ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। যারা উদার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এখনকার নির্বাচন কঠিন।”

পরাজয়ের পরও অধীরকে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠকে দেখা গেছে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত থাকতে। দলীয় সূত্রে খবর, কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের গুণাবলীকেই সামনে রেখে এই নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, বিহারের নির্বাচনে অধীর চৌধুরীর ভূমিকা হতে পারে কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের সূচনা। কারণ, রাজ্যের ২৪৩ আসনের মধ্যে কংগ্রেস গতবার মাত্র ১৯টি আসনে জিতেছিল। তাই ২০২৫ সালের এই নির্বাচনে তাঁরা অন্তত ৫০ আসনে লড়াইয়ের লক্ষ্য নিয়েছেন।

এদিকে অশোক গহলৌত এবং ভূপেশ বঘেলের অন্তর্ভুক্তি দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক কংগ্রেসের প্রচারযুদ্ধকে আরও সুসংহত করতে পারে।

অধীরের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি বিহারে যুব ভোটারদের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা, কর্মসংস্থান ও কৃষক ইস্যু নিয়ে প্রচারে জোর দেবেন। দলীয় কৌশল অনুযায়ী, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকেই বিহারের বিভিন্ন জেলায় কংগ্রেস পর্যবেক্ষকদের নেতৃত্বে মিছিল, জনসভা ও দরপত্র কর্মসূচি শুরু হবে।

শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে, এই নতুন দায়িত্বে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে কংগ্রেস কতটা নিজেদের হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে পারে। কিন্তু একটা জিনিস পরিষ্কার—অধীর আবারও জাতীয় রাজনীতির ময়দানে নিজের সক্রিয় উপস্থিতি জানান দিলেন।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ৬:৩০

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Saturday, 4 October 2025

শুভমান গিলকে ভারতের নতুন ওডিআই অধিনায়ক — রোহিত শর্মা অধিনায়কত্ব থেকে সরলেন, মন্তব্য করলেন হর ভজন

শুভমান গিলকে ভারতের নতুন ওডিআই অধিনায়ক — রোহিত শর্মা অধিনায়কত্ব থেকে সরলেন, মন্তব্য করলেন হর ভজন

শুভমান গিলকে ভারতের নতুন ওডিআই অধিনায়ক — রোহিত শর্মা অধিনায়কত্ব থেকে সরলেন

আপডেট: 4 অক্টোবর, 2025 | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
শুভমান গিল ও রোহিত শর্মা
ছবি: শুভমান গিল (বাম) ও রোহিত শর্মা — BCCI ঘোষণার পর দলের দলে নতুন নেতৃত্ব। (কপি-রাইট মুক্ত স্টক/প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য)

ভারতীয় ক্রিকেটের বাছাই কমিটি ও BCCI আজ ঘোষণা করেছে যে, আগামী অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শুবমান গিলকে ওয়ানডে (ODI) দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে; ৩৮ বছর বয়সী রোহিত শর্মা দলভুক্ত থাকলেও অধিনায়কপদে নন। 1

ঘোষণায় বলা হয়েছে, গিলকে তিনটি ওয়ানডে সিরিজের জন্য অধিনায়ক করা হচ্ছে যা শুরু হবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। গিল ইতোমধ্যে টেস্ট দলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং এবার তিনি দায়িত্ব পেয়ে ওয়ানডে নেতৃত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করছেন।

আরও খবর পড়ুন কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিকের ওপহামলার অভিযোগ

রোহিত শর্মাকে দলভুক্ত করা হয়েছে — তবে অধিনায়ক হিসেবে নয়। রোহিতের সাদা বলের অনবদ্য রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও নির্বাচকরা নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেন। এই খবরটি ক্রিকেট বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

তাত্ক্ষণিক তথ্যবাক্স
নতুন অধিনায়ক
শুভমান গিল (Shubman Gill).
পুরনো অধিনায়ক
রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) — দলভুক্ত, কিন্তু অধিনায়ক নয়.
ওডিআই সিরিজ
অস্ট্রেলিয়া সফর — ৩ টি ওয়ানডে।
উৎস
BCCI ঘোষণা, মিডিয়া রিলিজ ও প্রতিবেদন।

প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আশ্চর্য অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। হরভজন বলেছেন, তিনি গিলকে অভিনন্দন জানালেও রোহিতকে এত দ্রুত ওডিআই অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে ফেলা কিছুটা অবাক করার মত। তিনি উল্লেখ করেছেন, রোহিত সাদা বলের ক্রিকেটে কড়া পারফরম্যান্সের অধিকারী এবং বহু টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন — তাই অধিনায়কের ভূমিকাটি অপ্রত্যাশিতভাবে কেটে নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচক কমিটি ও BCCI সূত্রেরা বলছে, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অঙ্গ হতে পারে — ভবিষ্যতের টুর্নামেন্ট এবং আর্থ-টিম ব্যালান্স মাথায় রাখেই নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গিলকে নেতৃত্বে নিয়ে selectors দলের ভবিষ্যৎকে কেন্দ্র করে চিন্তা করছে বলে রিপোর্ট করা হচ্ছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ঘোষিত ওডিআই স্কোয়াডে রোহিত শর্মা ও ভিরাট কোহলি রয়েছেন—অর্থাৎ হার্ড-স্কিল ও অভিজ্ঞতা টিমে বজায় রাখা হয়েছে, কিন্তু নেতৃত্ব দ্রুতই পার্থক্য করা হলো। এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত বিশ্লেষক ও রিটায়ারড ক্রিকেটারদের বিভিন্ন মতামত দেশীয় মিডিয়াতে প্রকাশ পাচ্ছে।

বিশ্লেষণ — কি হতে পারে কারণ?

১) দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব ব্যবস্থাপনা: গিলকে তরুণ নেতৃত্ব হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
২) ফরম্যাটভিত্তিক নেতৃত্ব: ভিন্ন ফরম্যাটে আলাদা নেতৃত্ব রেখে পরীক্ষামূলক দলগঠন।
৩) বিশ্বকাপ পরিকল্পনা: ২০২৭ ওয়ার্ল্ড কাপের দিকে নজর রেখে ভবিষ্যত কোর গড়ার প্রচেষ্টা।

এগুলো সমূহের জন্য বেসিক তথ্য ও বোর্ডের অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে; বিস্তারিত প্রসঙ্গ ও উদ্ধৃতি সংবাদ মাধ্যম ও জানানো প্রেস রিলিজে পাওয়া যাবে।


সম্পূর্ণ স্কোয়াড (সংক্ষিপ্ত)

ঘোষিত ওডিআই স্কোয়াডের মধ্যে রয়েছে — শুভমান গিল (c), রোহিত শর্মা, ভিরাট কোহলি, শ্রেয়াস ইয়ার (উপ-অধিনায়ক) এবং অন্যান্য অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটাররা। বিস্তারিত ও গঠনগত তালিকা সংবাদসংস্থাগুলি প্রকাশ করেছে। 8

সূত্র: BCCI প্রেস রিলিজ ও প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন (Reuters, ICC, Indian Express, NDTV, Times of India)। — রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে

খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে
খানাকুলে তৃণমূল নেতার উপর গণধোলাই: রাজনৈতিক উত্তেজনা হুগলিতে
পুজো-পরবর্তী সময়ে মদ্যপ অবস্থায় নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে হুগলিতে উত্তেজনা
খানাকুলে উত্তেজনা
হুগলি জেলার খানাকুলে তৃণমূল নেতা বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাইয়ের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

পুজো-পরবর্তী সময়ে হুগলি জেলার খানাকুল অঞ্চলে রাজনৈতিক অশান্তি ছড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সহসভাপতি বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শুক্রবার রাতে ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বরুণ মণ্ডল মদ্যপ অবস্থায় একাধিক মহিলার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন, এমনকি নাবালিকা দুই কন্যার ওপর হাত তোলারও চেষ্টা করেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, যখন বরুণ মণ্ডল এই আচরণ শুরু করেন, তখনই জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বরুণ মণ্ডলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ, কিন্তু জনগণ ক্ষোভপ্রকাশে রুদ্ধশ্বাস ছিল।

তৃণমূলের অবস্থান:
তৃণমূলের অন্যান্য নেতারা দাবি করেছেন, বরুণ মণ্ডলের উপর এই হামলা পরিকল্পিত। তাদের অভিযোগ, খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ-এর নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূলের মতে, রাজনৈতিক প্রতিশোধের জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

অন্যদিকে, বিজেপি দল এই ঘটনার ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, নাবালিকা দুই কন্যার উপর বরুণ মণ্ডল মদ্যপ অবস্থায় শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিলেন। তাই জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাঁকে মারধর করে। বিজেপি আরও অভিযোগ করেছে, তৃণমূল এখন ঘটনার সত্যিকারের ব্যাখ্যা ঢাকার জন্য রাজনৈতিক নাটক সাজাচ্ছে।

নির্যাতিতা দুই নাবালিকার বক্তব্যও প্রকাশিত হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, তাদের চুল ধরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং অশালীন আচরণ করা হয়েছিল। এই অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাই করে।

হাসপাতালে আহত অবস্থায় বরুণ মণ্ডল নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, "আমি বাড়ি ফিরছিলাম, হঠাৎ কয়েকজন এসে আমাকে ঘিরে ধরে মারধর করেছে। কারা মেরেছে চিনতে পারিনি। সবটাই সাজানো নাটক। কিছু মহিলাকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পুজোর পরবর্তী সময়ে এমন ঘটনা সাধারণত রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ব্যক্তিগত অভিযোগের মিলিত ফল। হুগলিতে এই ধরনের ঘটনা এলাকায় রাজনৈতিক ভেদাভেদকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বরুণ মণ্ডল আগে থেকেই এলাকায় সক্রিয়ভাবে তৃণমূলের সংগঠনের কাজ করছিলেন। বিজেপি-র অভিযোগ অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। উভয় দলের বক্তব্যের মধ্যে এই মিল নেই। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব বেড়ে গেছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য।

নাগরিক প্রতিক্রিয়া:
ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা গণধোলাইয়ের ঘটনায় সরাসরি অংশ নিয়েছেন। তবে পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আংশিক নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জনতা রাজনৈতিক প্রভাব ও নৈতিক ক্ষোভের মিশ্রণে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর খানাকুল এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসন সর্তক অবস্থানে রয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পুনরায় কোনো হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটে। তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার ধারা চলমান থাকায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং আহতদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনও ঘটনার ওপর নজর রাখছে। রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সামাজিক ক্ষোভ মিশ্রিত এই ঘটনায় দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

আরও খবর পড়ুন , প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি: সিবিআই ও ইডি চূড়ান্ত চার্জশিট ও মামলার হাল

অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই স্থানীয় জনতা এবং মিডিয়া নজর রাখছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনায় উভয় দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

এই ঘটনার ফলে আগামী দিনে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

খানাকুলের এই ঘটনায় হুগলি জেলার রাজনৈতিক পরিবেশ আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী প্রেক্ষাপট এবং পারস্পরিক দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমন ঘটনা তীব্রভাবে বাড়িয়ে তোলে।

সংক্ষেপে, হুগলির খানাকুলে তৃণমূল নেতা বরুণ মণ্ডলকে গণধোলাই দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক, সামাজিক এবং নৈতিক ত্রয়ীর সমন্বয়ে ঘটেছে। প্রশাসন এবং স্থানীয় জনসাধারণের দ্রুত হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog