This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Wednesday, 28 January 2026
নবান্নকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি পদক্ষেপ! ১৫ IAS ও ১০ IPS-কে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বৈঠকে ডাকল নির্বাচন কমিশন
সিঙ্গুরে মমতা, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান উদ্বোধন করে কেন্দ্রকে তোপ
সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন মমতার! একগুচ্ছ প্রকল্পে রাজনৈতিক বার্তা
অবতরণের সময় ভেঙে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান! ভয়ংকর দুর্ঘটনায় মৃত ৫
Tuesday, 27 January 2026
বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গ বিজেপিতে ফোকাস, আজ বাংলায় নীতিন নবীন
Monday, 26 January 2026
পেটের আবার জাত কীসের! নন্দীগ্রামে ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে ‘সেবাশ্রয়’-এর জনজোয়ার
পেটের আবার জাত কীসের! নন্দীগ্রামে ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে ‘সেবাশ্রয়’-এর জনজোয়ার
ভোট-রাজনীতির তীব্র দাবদাহ শুরু হওয়ার আগেই নন্দীগ্রাম যেন বলছে একেবারে অন্য কথা। বাইরে ভেদাভেদের রাজনীতি থাকলেও, পূর্ব মেদিনীপুরের এই ‘হটসিট’-এ আপাতত প্রধান পরিচয়—মানুষের প্রয়োজন, আর সেই প্রয়োজন মেটানোর ঠিকানা হয়ে উঠেছে ‘সেবাশ্রয়’। সরেজমিনে নন্দীগ্রামে পা রাখলেই চোখে পড়ছে এক অন্য আবহ, যেখানে রাজনীতির বদলে মুখ্য হয়ে উঠেছে চিকিৎসা আর স্বস্তির নিঃশ্বাস।
খোদামবাড়ি হোক কিংবা নন্দীগ্রাম বাইপাস—দুই সেবাশ্রয় ক্যাম্পেই উপচে পড়ছে মানুষের ভিড়। এক ঝলকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, এটা নন্দীগ্রাম না ডায়মন্ড হারবার! তথাকথিত শুভেন্দু-গড় নন্দীগ্রামে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অন্য সুর, অন্য বাতাস। অনেকের কথায়, “মেলালেন তিনি, মেলালেন”—অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজনীতির বিভাজন ছাপিয়ে এক ছাতার তলায় আসছেন সাধারণ মানুষ।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে নজির সৃষ্টি করেছে এই স্বাস্থ্যভিত্তিক উদ্যোগ। এক ক্যাম্পেই মিলছে প্রায় সব রকম পরিষেবা—জেনারেল মেডিসিন থেকে অস্থিরোগ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, চোখের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। রয়েছে মিনি আইসিইউ, চোখের অস্ত্রোপচার, এমনকি প্রয়োজনে স্থানান্তরের ব্যবস্থাও। এক কথায়, ছোটখাটো বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে নন্দীগ্রামের এই দুই সেবাশ্রয় ক্যাম্প।
পরিসংখ্যান বলছে, ২৪ জানুয়ারি রাত ৮টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামের দুই সেবাশ্রয় ক্যাম্পে এসেছেন ২৫ হাজারের বেশি মানুষ। প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজারেরও বেশি রোগী দেখছেন চিকিৎসকেরা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—প্রত্যেকটি বিভাগেই সমস্ত পরিষেবা মিলছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। নন্দীগ্রামের আনাচ-কানাচ তো বটেই, পটাশপুর-সহ আশপাশের এলাকা থেকেও ছুটে আসছেন মানুষ। কারও কিডনির সমস্যা, কারও চোখে ছানি, আবার কেউ হৃদরোগে ভুগছেন—সব ক্ষেত্রেই মিলছে নির্দিষ্ট চিকিৎসা।
নন্দীগ্রামের খোদামবাড়ি এলাকার সেবাশ্রয় ২ মডেল ক্যাম্পের চিকিৎসক কো-অর্ডিনেটর বিশ্বজিৎ সাহু জানান,
“মাননীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ১৫ জানুয়ারি থেকে এই ক্যাম্প শুরু হয়েছে। চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী আসছেন। বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নন্দীগ্রামের মানুষ ভীষণ খুশি।”
সেবাশ্রয়ে আসা সাধারণ মানুষের মুখেও একই সুর। কানের সমস্যায় দীর্ঘদিন ভোগা রুথরেজা বিবির কথায়,
“বিনা পয়সায় এত ভালো চিকিৎসা পেয়েছি। এখন অনেকটাই ভালো আছি। আবার যেন এমন ক্যাম্প হয়।”
শেফালি মিত্র ও আরতি রানি মান্না বলছেন,
“এমন উদ্যোগ আগে কখনও দেখিনি। নন্দীগ্রামে এমন স্বাস্থ্যশিবির হবে, ভাবতেই ভালো লাগছে। এর কোনও তুলনা নেই।”
গত পাঁচ বছরে রাজনীতি, অশান্তি আর নানা টানাপোড়েন দেখেছে নন্দীগ্রাম। ঠিক সেই পটভূমিতেই রবিবারের নন্দীগ্রাম যেন বলছে, এখানে এখন রাজনীতির থেকেও বড় হয়ে উঠেছে মানুষের প্রয়োজন। অনেকের মতে, আগামী দিনে পথ দেখাবে নন্দীগ্রাম নয়—পথের কথা বলবে এই ‘সেবাশ্রয়’।
শুভেন্দুর নন্দীগ্রামে ফের জয় তৃণমূলের, রানিপুর সমবায়েও বিজেপিকে হারাল TMC
শুভেন্দুর নন্দীগ্রামে ফের জয় তৃণমূলের, রানিপুর সমবায়েও বিজেপিকে হারাল TMC
শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামে ফের ধাক্কা খেল বিজেপি। রানিপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে নন্দীগ্রামের শক্তির সমীকরণ নিয়ে।
রানিপুর সমবায় সমিতির মোট ৪৫টি আসনের মধ্যে আগেই ৫টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছিল তৃণমূল। বাকি ৪০টি আসনে লড়াই ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে। ফলাফলে দেখা গিয়েছে, তৃণমূল পেয়েছে ২৭টি আসন, বিজেপি পেয়েছে ১৮টি আসন।
এর ফলে আবারও স্পষ্ট হল, শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে বিজেপির সংগঠন তৃণমূলের সামনে পিছিয়ে পড়ছে। শাসক শিবিরের দাবি, এই ফলাফল প্রমাণ করে দিয়েছে যে নন্দীগ্রামের মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করছেন। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, “২০২১-এর পর থেকে নন্দীগ্রামে বারবার হারছে বিজেপি। এবার বিধানসভা ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর বিদায় নিশ্চিত।”
অন্যদিকে, বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত পরাজয় নিয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে দলের অন্দরে এই ফলাফল যে বড়সড় অস্বস্তি তৈরি করেছে, তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সমবায় নির্বাচনের এই ফল নন্দীগ্রামে আসন্ন বড় নির্বাচনের আগে তৃণমূলের মনোবল আরও বাড়াল, আর শুভেন্দুর ঘাঁটিতে বিজেপির অস্তিত্ব নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলে দিল।
Thursday, 22 January 2026
ভিন্ ধর্মে প্রেমের জের, মোরাদাবাদে ‘অনার কিলিং’—যুগলকে খুন করে মাটিতে পুঁতে দিল পরিবার, গ্রেফতার তরুণীর দুই দাদা
বাংলাদেশ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত
ভিনরাজ্যে ফের রহস্যমৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের! মুক্তিপণ ফোনের পরই খুনের অভিযোগ, উত্তেজনা এলাকায়
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট |
ভিনরাজ্যে ফের রহস্যজনক মৃত্যু বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানা এলাকার যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ, মুক্তিপণ দাবি করে ফোন আসার পরই খুন করা হয়েছে ওই পরিযায়ী শ্রমিককে। মৃতের দাদার আরও দাবি, বাংলাদেশি সন্দেহে দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করেছে তাঁর ভাইকে।
মৃত যুবকের নাম মঞ্জুর আলম লস্কর (৩২)। তিনি উস্তি থানা এলাকার রঙ্গিলাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১০ বছর ধরে অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারুল এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন মঞ্জুর। মাঝেমধ্যেই ছুটিতে বাড়ি ফিরতেন। তাঁর দাদা গিয়াসউদ্দিন লস্কর স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে ছুটিতে বাড়ি আসেন মঞ্জুর। এরপর প্রায় ২০ দিন আগে ফের কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার হঠাৎই একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে বাড়িতে। ফোন করে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে মঞ্জুরকে খুন করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতির চাপে পড়ে মৃতের স্ত্রী ওই নম্বরে ৬ হাজার টাকা পাঠান।
কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। বুধবার সেই একই নম্বর থেকেই ফোন করে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়, মঞ্জুর মারা গিয়েছেন। এরপরই পরিবারের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। মৃতের দাদা গিয়াসউদ্দিন লস্করের অভিযোগ, বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁর ভাইকে মারধর করে খুন করা হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে মঞ্জুরের মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এদিকে, মৃতদেহ বাংলায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।
Featured post
পাকিস্তান-ঘেঁষা রাজনীতি কিংবা প্রকাশ্য ভারত-বিরোধিতা—এই দুই পথে শেষমেশ লাভের বদলে ক্ষতিই হয়, সেই বাস্তবতা হয়তো হাড়ে হাড়ে টের প...












