Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 29 August 2025

সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণে সন্তোষ মুখ্যমন্ত্রীর


বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি? সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নে সন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলা ভাষাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্রকে কড়া প্রশ্ন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ—

কিসের ভিত্তিতে পুশব্যাক হচ্ছে?

শুধুমাত্র ভাষা বললেই কি ভিনদেশি বলে ধরে নেওয়া যায়?

কেন্দ্রকে এই বিষয়ে SOP (Standard Operating Procedure) জমা দিতে বলা হয়েছে।


মমতার প্রতিক্রিয়া

শীর্ষ আদালতের নির্দেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন—

👉 “বিপন্ন পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য আজ একটা বড় ভরসার জায়গা তৈরি হল। বাংলার অনন্য অবস্থান নিয়ে এই সর্বোচ্চ স্বীকৃতি বাংলাভাষী অসংখ্য পরিযায়ী শ্রমিককে আশা জোগাবে।”

👉 “আমাদের দেশে নানা প্রান্তে শ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে থাকা পরিবারগুলি এবার একটু আশার আলো দেখছেন।”

গুরুত্ব

মমতা আরও উল্লেখ করেছেন, বাংলার ঐতিহাসিক ভূমিকা সীমান্ত রাজ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আদালত স্বীকৃতি দিয়েছে।

বাংলাভাষী শ্রমিক ও পরিবারগুলির কাছে এই রায় এক “আশার আলো”।


📌 মূল বার্তা — বাংলাভাষী হওয়াই ‘বাংলাদেশি’ হওয়ার প্রমাণ নয়। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী “যুগান্তকারী নির্দেশ” বলে বর্ণনা করেছেন।

ডিভোর্স খারিজ, শোভনকে ঘরে ফেরার বার্তা রত্নার


ডিভোর্স খারিজ, শোভনকে ঘরে ফেরার বার্তা রত্নার

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়— দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা বিবাহবিচ্ছেদ মামলা শেষমেশ খারিজ করল আলিপুর আদালত।

আদালতের রায়

শোভনের ডিভোর্সের আবেদন খারিজ।

রত্নার একসঙ্গে থাকার আর্জিও খারিজ।

অর্থাৎ খাতায় কলমে ডিভোর্স হয়নি, আবার আদালত তাঁদের একসঙ্গে থাকার নির্দেশও দেয়নি।


রত্নার প্রতিক্রিয়া

রায়ের পর আবেগঘন বার্তা রত্নার—
👉 “আমি গত আট বছর ধরে বলছি, ও ফিরে আসুক। ভুল রাস্তায় গিয়ে গোটা কেরিয়ারটা নষ্ট করেছে। ও মেয়র ছিল, তিনটে দপ্তরের মন্ত্রী ছিল। আমি চাই, ও রাজনীতিতে সক্রিয় হোক।”

আরও বলেন,
👉 “যদি ও ফিরে এসে বলে, আমায় ঘরকন্না করতে হবে আর ও রাজনীতি করবে— আমি তাতেও রাজি।”


পরিবারের প্রতিক্রিয়া

রায়ের পর খুশি রত্নার বাবা দুলাল দাস ও ছেলে ঋষি চট্টোপাধ্যায়।

ঋষি তাঁর বাবাকে “ফিরে আসার ডাক” দিয়েছেন।


📌 প্রায় এক দশক ধরে টানা আদালত ও রাজনীতির অন্দরমহলে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা শোভন-রত্নার সম্পর্ক এখন নতুন মোড়ে। শোভন কি ঘরে ফিরবেন? নাকি আবারও রাজনৈতিক জীবনেই ভেসে যাবেন?— সেদিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির।

লস অ্যাঞ্জেলেসে চাপাতি হাতে শিখ ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করল পুলিশ

লস অ্যাঞ্জেলেসে চাপাতি হাতে শিখ ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করল পুলিশ

আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে রাস্তায় চাপাতি হাতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ৩৪ বছরের এক শিখ ব্যক্তি। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী—

তিনি কখনও নিজের জিভ কেটে ফেলার ভঙ্গি করছিলেন, আবার কখনও করছিলেন গাটকা (শিখদের মার্শাল আর্ট) প্রদর্শন।

আতঙ্কিত হয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার ৯১১ নম্বরে ফোন করেন।


👉 ঘটনার বিবরণ:

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে থামতে বললেও, তিনি তা অমান্য করেন।

পালাতে গিয়ে ব্যর্থ হলে উল্টে পুলিশের উপর তেড়ে যান।

আত্মরক্ষার্থে এক পুলিশ আধিকারিক তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিকবার গুলি চালান।

আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।


📌 এখনও মৃত শিখ ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৩ জুলাই।

বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা? সুপ্রিম কোর্টে গুরুতর প্রশ্ন


বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা? সুপ্রিম কোর্টে গুরুতর প্রশ্ন

বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে জোর করে ফেরত পাঠানোর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মামলার শুনানি।

কী ঘটেছে?

সোনালি বিবি নামের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে (বীরভূমের পাইকরের বাসিন্দা) পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

দিল্লিতে প্রায় দুই দশক ধরে কাগজকুড়ুনি ও গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন তিনি ও তাঁর পরিবার।

অভিযোগ, ১৮ জুন দিল্লির কেএন কাটজু থানার পুলিশ তাঁদের আটক করে। পরে পুরো পরিবারকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশের পুলিশও তাঁদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে গ্রেফতার করে।


সুপ্রিম কোর্টে কী বলা হলো?

আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ জানান,

কোনও আদালতের নির্দেশ ছাড়া নাগরিকত্ব প্রমাণ না দেখেই সোনালি বিবিকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।

ভাষার ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলা আইনবিরোধী।

বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে প্রত্যার্পণ চুক্তি না মেনে এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনও ভাঙছে।


বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ:

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ করা বিএসএফ-এর দায়িত্ব।

কিন্তু দেশের ভেতরে থাকা কাউকে ফেরত পাঠাতে হলে আইনি প্রক্রিয়া মানা বাধ্যতামূলক।

আদালতের মন্তব্য— “এটি দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত গুরুতর প্রশ্ন। কেন্দ্রকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।”



পরবর্তী পদক্ষেপ

কলকাতা হাইকোর্টে ঝুলে থাকা মামলাটি দ্রুত শোনার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

কেন্দ্রকে বিস্তারিত তথ্যসহ হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ।


📌 মূল প্রশ্ন এখন—
বাংলায় কথা বললেই কি কাউকে বাংলাদেশি দাগিয়ে দেওয়া যাবে? নাকি এটি নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন?

শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি শুরু হল শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া


শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি শুরু হল শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া

স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) এ বার শিক্ষাকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু করল। শুক্রবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—

গ্রুপ C শূন্যপদ: ২,৯৮৯

গ্রুপ D শূন্যপদ: ৫,৪৮৮


👉 আবেদন প্রক্রিয়া

আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে করা যাবে SSC-র ওয়েবসাইটে www.westbengalssc.com

আবেদন শুরু: ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা

শেষ তারিখ: ৩১ অক্টোবর বিকেল ৫টা

ফি জমা দেওয়ার শেষ সময়: ৩১ অক্টোবর রাত ১১:৫৯ মিনিট


👉 অতিরিক্ত তথ্য

পরীক্ষা ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য SSC-র ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে ৩১ অগস্ট থেকে।

এর আগে কমিশন ইতিমধ্যেই গ্রুপ C ও D নিয়োগের বিধি প্রকাশ করেছে।


📌 অর্থাৎ শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক গ্রুপ C ও D শিক্ষাকর্মীর জন্য সুযোগ খুলে গেল।

স্কুলে তোলপাড়! শৌচাগারেই সন্তান প্রসব নবম শ্রেণির ছাত্রীর


স্কুলে তোলপাড়! শৌচাগারেই সন্তান প্রসব নবম শ্রেণির ছাত্রীর:-

বিউরো রিপোর্ট:
কর্নাটকের একটি সরকারি আবাসিক স্কুলে ঘটল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। নবম শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলের শৌচাগারেই সন্তানের জন্ম দিল। ঘটনায় গোটা এলাকা এবং শিক্ষাজগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

👩‍👧 মা ও নবজাতক দু’জনেই সুস্থ

১৭ বছরের ওই নাবালিকা হস্টেলেই থাকত। বৃহস্পতিবার আচমকাই স্কুলের শৌচাগারে ব্যথা ওঠে তার। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানেই সন্তান প্রসব করে সে। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মা ও নবজাতক দু’জনেই বর্তমানে সুস্থ আছে।

⚠️ কর্তব্যে গাফিলতি, বরখাস্ত ৪ শিক্ষক-কর্মী

ঘটনার পরই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ ওঠে। কর্ণাটক এডুকেশন ইনস্টিটিউশন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক কান্থারাজু তদন্তে নেমে স্কুলের অধ্যক্ষ, হস্টেল ওয়ার্ডেন, বিজ্ঞান শিক্ষক এবং শারীরিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেন। চারজনকেই অবিলম্বে বরখাস্ত করা হয়েছে।

📉 ছাত্রীর উপস্থিতি মাত্র ১০%

তদন্তে উঠে এসেছে, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর উপস্থিতি ছিল মাত্র ১০ শতাংশ। তবুও তার প্রতি নজরদারি হয়নি। অভিযোগ উঠেছে—শ্রেণিশিক্ষক নারসিংহ মূর্তি নিজের দায়িত্ব পালন করেননি। ছাত্রীটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন সম্পর্কে রিপোর্ট জমা দেওয়ার দায়িত্ব ছিল বিজ্ঞান শিক্ষক শ্রীধরের, কিন্তু তিনি সেই কাজও করেননি।

❓ প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা ও দায়িত্ব

পুরো ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে স্কুল ও হস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই। নাবালিকার গর্ভধারণ থেকে সন্তান প্রসব পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে কেউ কিছু বুঝতে পারেননি—এমন অবহেলা কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

যৌন হেনস্থার অভিযোগে ফের অস্বস্তিতে বঙ্গ সিপিএম, এবার অভিযুক্ত এসএফআই রাজ্য নেতা রীতঙ্কর দাস


Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক | বিউরো রিপোর্ট

যৌন হেনস্থার অভিযোগে ফের অস্বস্তিতে বঙ্গ সিপিএম, এবার অভিযুক্ত এসএফআই রাজ্য নেতা রীতঙ্কর দাস

পশ্চিমবঙ্গের বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ে ফের যৌন হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। উত্তর ২৪ পরগনার এক নেত্রী বিস্ফোরক অভিযোগ এনে সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন জেলা নেতৃত্বের কাছে।

📌 অভিযোগ কার বিরুদ্ধে?
অভিযোগ উঠেছে রীতঙ্কর দাস-এর বিরুদ্ধে। তিনি এসএফআই রাজ্য কমিটির সদস্য ও লেকটাউনের ইস্ট ক্যালকাটা গার্লস কলেজের হর্তাকর্তা। দুর্গাপুরের বাসিন্দা হলেও পড়াশোনার জন্য দমদমে থাকেন ওই ছাত্রনেত্রী।

📌 অভিযোগের মূল পয়েন্ট

মদ্যপানের প্রস্তাব দেওয়া

ফাঁকা ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব

যৌন সম্পর্কে জড়ানোর জন্য চাপ সৃষ্টি

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ছাত্রীটির উপর প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা


অভিযোগপত্রের প্রতিলিপি জেলা সম্পাদক পলাশ দাস ও নেতা সায়নদীপ মিত্রর কাছেও পাঠানো হয়েছে।

📌 ফেসবুকে বিস্ফোরণ
অভিযোগ ফাঁস হওয়ার পর এক ছাত্রীর বান্ধবী বিষয়টি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। এরপর ওই নেত্রী সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— “সিপিএম নেতারা সৃজনবাবু, মীনাক্ষীদেবী, শতরূপবাবুরা জানেন তো এই বিষয়?”

📌 পূর্ব ইতিহাস
উল্লেখযোগ্যভাবে, রীতঙ্কর দাস আগে কসবা আইন কলেজের প্রাক্তনী হিসেবেও খবরে এসেছিলেন। কয়েক মাস আগে সিপিএমের নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেও যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল। নতুন করে রীতঙ্করের নাম জড়িয়ে পড়ায় ফের অস্বস্তিতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিএম।

“প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে কটূক্তি! পথে নেমে উত্তাল বিজেপি–কংগ্রেস কর্মী, চলল পতাকা দিয়ে মারপিট ”


Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক | বিউরো রিপোর্ট

মোদী-মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, পথে নামল বিজেপি–কংগ্রেস কর্মীরা

বিহারের দরভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তাঁর প্রয়াত মা হীরাবেন মোদীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহল। শুক্রবার সেই ইস্যুতে পথে নামে বিজেপি। পাল্টা কংগ্রেস কর্মীরাও মাঠে নামেন। মুহূর্তে দুই শিবিরের মধ্যে হাতাহাতি, ধস্তাধস্তি, এমনকি পতাকা দিয়েই একে অপরকে মারতে দেখা যায়।

📌 কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত?
বৃহস্পতিবার এক কংগ্রেস কর্মীর ভিডিও ভাইরাল হয়। অভিযোগ, ‘ভোটার অধিকারের যাত্রা’ চলাকালীন তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশ্লীল মন্তব্য করেন। ভিডিওটি সামনে আসতেই বিজেপি থানায় এফআইআর দায়ের করে এবং কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।

📌 আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপ
দরভাঙ্গা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক্স-এ (X) পুলিশের তরফে পোস্ট করা হয়— “সিমরি থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হচ্ছে।”

📌 বিজেপির কড়া প্রতিক্রিয়া

বিজেপি নেতা নীতিন নবীন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন— “মায়ের অপমানের বদলা বাংলার প্রতিটি ছেলে কংগ্রেসকে দেবে। এর জবাব আমরা অবশ্যই নেব।”

অমিত শাহ লিখেছেন— “রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস রাজনীতি সবচেয়ে নীচে নেমে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে এই ধরনের ভাষা শুধু লজ্জাজনক নয়, গণতন্ত্রের উপর কলঙ্ক।”

বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা দাবি করেছেন— “রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের ক্ষমা চাওয়া উচিত।”


📌 নীতীশ কুমারের নিন্দা
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও এই ঘটনায় কড়া নিন্দা জানিয়ে বলেছেন— “প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা অনুচিত। আমি এর তীব্র নিন্দা করছি।”

📌 কংগ্রেস ও জোটের পাল্টা বক্তব্য

কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন— “আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতেই বিজেপি এই ধরনের বিতর্ক তুলছে।”

মুখপাত্র অসিত নাথ তিওয়ারির দাবি— “মানুষ এখন এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে। বিজেপিই বরাবর কটূক্তির রাজনীতি করে।”

আরজেডি মুখপাত্র মৃণাল তিওয়ারির মন্তব্য— “কোনও সমর্থক কেন ওই মন্তব্য করেছেন, তদন্তেই পরিষ্কার হবে। তবে রাজনৈতিক সৌজন্যের সীমা আগে ভেঙেছে বিজেপি।”

“ভোটের আগে বড়সড় ঝড়— সীমান্তবর্তী জেলার হাজারো ভোটার বিপাকে! 🗳️”


Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক | বিউরো রিপোর্ট :-

বিহারের ভোটার তালিকা ঘিরে নতুন বিতর্ক। এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ার পরও ঝড় থামছে না। এবার খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৩ লক্ষ ভোটারকে নোটিস পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ— জমা দেওয়া নথিতে গরমিল রয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ৯৮.২ শতাংশ ভোটার ফর্ম জমা দিয়েছেন। কিন্তু তাতেই সমস্যার সমাধান হয়নি। প্রাথমিকভাবে ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ২২ লক্ষকে মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

৩৬ লক্ষ ভোটার স্থানান্তরিত বা ঠিকানায় পাওয়া যায়নি।

৭ লক্ষ ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় পাওয়া গেছে।


👉 এবার নতুন জটিলতা— যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাঁদের অনেকের নথিতে অসঙ্গতি ধরা পড়ছে। কারও বৈধ কাগজ নেই, আবার কারও দেওয়া তথ্য যাচাইয়ে গরমিল ধরা পড়ছে। ফলে প্রথম দফায় প্রায় ৩ লক্ষ ভোটারকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে বৈধ নথি-সহ হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট ইআরও (Electoral Registration Officer)-র কাছে।

যদি কেউ হাজিরা না দেন বা সন্তোষজনক কাগজ দেখাতে না পারেন, তবে তাঁদের নামও চূড়ান্ত তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হবে। অর্থাৎ, আগামী বিধানসভা ভোটে তাঁরাও ভোটাধিকার হারাবেন।

বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো— যাঁরা নোটিস পেয়েছেন তাঁদের বড় অংশই সীমান্তবর্তী জেলা যেমন কিষানগঞ্জ, পূর্ণিয়া, আরারিয়া, মধুবনী ও পশ্চিম চম্পারণের বাসিন্দা। উল্লেখযোগ্যভাবে এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

⚠️ বিরোধী শিবিরের অভিযোগ— অনেক বৈধ ভোটার নথির অভাবে তালিকা থেকে ছিটকে যাচ্ছেন। কমিশনের দাবি অনুযায়ী বাদ যাওয়া প্রায় ২ লক্ষ মানুষ আবার নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যেই নতুন করে আরও ৩ লক্ষ ভোটারকে নোটিস পাঠানোয় বিতর্ক আরও জোরদার হচ্ছে।

বিহার ভোটের আগে আসন রফা ও মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী নিয়ে টানাপোড়েন!


বিহার ভোটের আগে আসন রফা ও মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী নিয়ে টানাপোড়েন!

নিজস্ব সংবাদদাতা:
ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যে শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক তৎপরতা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও আরজেডি-র তেজস্বী যাদব মিলে চালাচ্ছেন ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’। মহাজোটের অংশীদার বাম দল থেকে শুরু করে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের শরিকরা বাইরে থেকেও এসে যোগ দিচ্ছেন এই যাত্রায়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন পর্যন্ত অংশ নিয়েছেন।

অন্যদিকে শাসক এনডিএ চাইছে দ্রুত আসন রফার সমাধান। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার পটনায় বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান-এর সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছেন। দিল্লি সফরে তিনি এখন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সিগন্যাল পাওয়ার অপেক্ষায়।

এনডিএর ভেতরের সমীকরণ

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় জেডিইউ চাইছে বৃহত্তম শরিক হিসেবে বেশি আসন।

বিজেপি গতবার ১১০ আসনে লড়ে ৭৪ জিতেছিল, জেডিইউ ১১৫ আসনে লড়ে ৪৩।

চিরাগ পাসোয়ান তাঁর এলজেপির জন্য ৪০ আসনের দাবি তুলেছেন।

আসন পেতে হবে জিতন রাম মাঁঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (হম) ও উপেন্দ্র কুশাওয়ার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চাকেও।

সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই আসন রফার ঘোষণা চূড়ান্ত করতে চাইছে এনডিএ।


মুখ্যমন্ত্রী পদে জল্পনা

এনডিএর ভেতরেই একটি অংশ বলছে, এবার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী চাইবে। তাদের যুক্তি— জয়ের অনুপাতে বিজেপি অনেক এগিয়ে, আর নীতীশ কুমার ২০ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী থাকায় তীব্র অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে জেডিইউ সদর দফতরে নীতীশপুত্র নিশান্ত কুমার-এর ছবি দিয়ে পোস্টার টাঙানোয় জল্পনা ছড়িয়েছে— লালুপ্রসাদের মতোই কি নীতীশও পরিবার থেকেই উত্তরসূরি ভাবছেন?

তবে দুই দলই প্রকাশ্যে বলছে, “আসন ভাগাভাগি নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হবে না।” জেডিইউ নেতা বিজয় কুমার চৌধুরি এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ জায়সওয়াল আত্মবিশ্বাসী— শিগগিরই সমঝোতা হবে।

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog