This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.
Friday, 6 February 2026
ভোটের মুখে সুর বদল? ভারত নিয়ে ‘রঙিন’ মন্তব্যে জল্পনা বাড়াল জামাত প্রধান
৮ম পে কমিশনের নামে ভাইরাল বেতন তালিকা, কতটা সত্য?
গুলিবিদ্ধ আপ নেতা লাকি ওরফে রয়, প্রার্থনা সেরে ফেরার পথে হামলা
Wednesday, 4 February 2026
মমতার সুপ্রিম সওয়াল দেখতে রেকর্ড ভিড়, ভার্চুয়াল মাধ্যমেই ছাপাল উত্তেজনা
সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাসে আজ শুনানি শুরু হয়েছে। নির্ধারিত একাধিক মামলার পরেই ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) সংক্রান্ত মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল শোনা হওয়ার কথা। এই শুনানিকে ঘিরে শুরু থেকেই দেশজুড়ে চরম আগ্রহ ও কৌতূহল লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে রেকর্ড ভিড় জমেছে। সুপ্রিম কোর্টের অনলাইন লাইভ স্ট্রিমে ইতিমধ্যেই এক হাজারের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছেন, যা নির্ধারিত সীমার থেকেও বেশি বলে জানা গেছে। আদালত সূত্রে খবর, সাম্প্রতিক কালে কোনও মামলায় এমন ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ খুব কমই দেখা গেছে।
মূলত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থেকে বক্তব্য পেশ করতে চান— এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মানুষের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। একজন সাংবিধানিক পদাধিকারী হয়ে সরাসরি আদালতে নিজের বক্তব্য রাখার বিষয়টি নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকেই।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই শুনানি শুধু আইনি দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক ভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুপ্রিম কোর্টে মমতার সওয়াল এবং বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণের দিকেই এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।
লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
আজ লোকসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবে বক্তব্য রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকেল প্রায় ৫টা নাগাদ তাঁর ভাষণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে সংসদীয় সূত্রে জানা গেছে।
এই ভাষণে সরকারের নীতি, গত কয়েক বছরের সাফল্য এবং আগামী দিনের রোডম্যাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অর্থনীতি, উন্নয়ন, জাতীয় নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সামাজিক প্রকল্প— একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবও দিতে পারেন তিনি।
বিরোধী পক্ষের কটাক্ষ ও প্রশ্নের মধ্যেই আজকের অধিবেশন ঘিরে সংসদের ভেতরে বাড়তি উত্তেজনার সম্ভাবনা রয়েছে। শাসক ও বিরোধী— উভয় শিবিরের সাংসদদের উপস্থিতিতে লোকসভার এই অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের দিকেই এখন নজর গোটা দেশের।
Saturday, 31 January 2026
রামমন্দিরে আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে
অযোধ্যা: অযোধ্যায় রামমন্দির দর্শনের জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে আমন্ত্রণ জানাল শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, সম্প্রতি ট্রাস্টের কয়েক জন সদস্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন।
নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “আমরা আশা করছি রাষ্ট্রপতি তাঁর সময়সূচি অনুযায়ী একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন। সম্ভবত মার্চ মাসেই তিনি অযোধ্যায় রামমন্দির দর্শনে আসতে পারেন।”
রামমন্দির উদ্বোধনের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্টজনদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে ট্রাস্ট সূত্রে খবর। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে এখনও সফরের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি।
TMC বিধায়কের কড়া নিদান! BJP-র প্রচারে গেলে ‘বেঁধে রাখার’ হুঁশিয়ারি
বর্ধমান দক্ষিণ: নির্বাচনী প্রচার ঘিরে উত্তেজক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। BJP-র বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, বিজেপির লোকেরা প্রচারে গেলে তাঁদের বেঁধে রাখার নিদান দেওয়া উচিত।
এক সভায় খোকন দাসের বক্তব্য,
“নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে কেন বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে? কেন বাংলার মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারবে না? কেন তাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে?”
এখানেই থামেননি তিনি। আরও এক ধাপ এগিয়ে বিধায়ক বলেন,
“তুমি আমাদের বাড়িতে বসবে। আগে জবাব দেবে, তারপর যাবে। চাইলে পাঁচ মিনিটে বিজেপির মিটিং বন্ধ করে দিতে পারি।”
খোকন দাসের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। BJP নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল শাসিত বাংলায় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই এই ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি—বিজেপি পরিকল্পিতভাবে বাংলার মানুষ ও সংস্কৃতিকে আক্রমণ করছে, তারই প্রতিবাদে এই ক্ষোভ।
নির্বাচনের আবহে এমন মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনীতি যে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।
Wednesday, 28 January 2026
নবান্নকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি পদক্ষেপ! ১৫ IAS ও ১০ IPS-কে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বৈঠকে ডাকল নির্বাচন কমিশন
সিঙ্গুরে মমতা, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান উদ্বোধন করে কেন্দ্রকে তোপ
সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন মমতার! একগুচ্ছ প্রকল্পে রাজনৈতিক বার্তা
অবতরণের সময় ভেঙে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান! ভয়ংকর দুর্ঘটনায় মৃত ৫
Tuesday, 27 January 2026
বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গ বিজেপিতে ফোকাস, আজ বাংলায় নীতিন নবীন
Monday, 26 January 2026
পেটের আবার জাত কীসের! নন্দীগ্রামে ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে ‘সেবাশ্রয়’-এর জনজোয়ার
পেটের আবার জাত কীসের! নন্দীগ্রামে ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে ‘সেবাশ্রয়’-এর জনজোয়ার
ভোট-রাজনীতির তীব্র দাবদাহ শুরু হওয়ার আগেই নন্দীগ্রাম যেন বলছে একেবারে অন্য কথা। বাইরে ভেদাভেদের রাজনীতি থাকলেও, পূর্ব মেদিনীপুরের এই ‘হটসিট’-এ আপাতত প্রধান পরিচয়—মানুষের প্রয়োজন, আর সেই প্রয়োজন মেটানোর ঠিকানা হয়ে উঠেছে ‘সেবাশ্রয়’। সরেজমিনে নন্দীগ্রামে পা রাখলেই চোখে পড়ছে এক অন্য আবহ, যেখানে রাজনীতির বদলে মুখ্য হয়ে উঠেছে চিকিৎসা আর স্বস্তির নিঃশ্বাস।
খোদামবাড়ি হোক কিংবা নন্দীগ্রাম বাইপাস—দুই সেবাশ্রয় ক্যাম্পেই উপচে পড়ছে মানুষের ভিড়। এক ঝলকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, এটা নন্দীগ্রাম না ডায়মন্ড হারবার! তথাকথিত শুভেন্দু-গড় নন্দীগ্রামে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অন্য সুর, অন্য বাতাস। অনেকের কথায়, “মেলালেন তিনি, মেলালেন”—অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজনীতির বিভাজন ছাপিয়ে এক ছাতার তলায় আসছেন সাধারণ মানুষ।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে নজির সৃষ্টি করেছে এই স্বাস্থ্যভিত্তিক উদ্যোগ। এক ক্যাম্পেই মিলছে প্রায় সব রকম পরিষেবা—জেনারেল মেডিসিন থেকে অস্থিরোগ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, চোখের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। রয়েছে মিনি আইসিইউ, চোখের অস্ত্রোপচার, এমনকি প্রয়োজনে স্থানান্তরের ব্যবস্থাও। এক কথায়, ছোটখাটো বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে নন্দীগ্রামের এই দুই সেবাশ্রয় ক্যাম্প।
পরিসংখ্যান বলছে, ২৪ জানুয়ারি রাত ৮টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামের দুই সেবাশ্রয় ক্যাম্পে এসেছেন ২৫ হাজারের বেশি মানুষ। প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজারেরও বেশি রোগী দেখছেন চিকিৎসকেরা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—প্রত্যেকটি বিভাগেই সমস্ত পরিষেবা মিলছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। নন্দীগ্রামের আনাচ-কানাচ তো বটেই, পটাশপুর-সহ আশপাশের এলাকা থেকেও ছুটে আসছেন মানুষ। কারও কিডনির সমস্যা, কারও চোখে ছানি, আবার কেউ হৃদরোগে ভুগছেন—সব ক্ষেত্রেই মিলছে নির্দিষ্ট চিকিৎসা।
নন্দীগ্রামের খোদামবাড়ি এলাকার সেবাশ্রয় ২ মডেল ক্যাম্পের চিকিৎসক কো-অর্ডিনেটর বিশ্বজিৎ সাহু জানান,
“মাননীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ১৫ জানুয়ারি থেকে এই ক্যাম্প শুরু হয়েছে। চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী আসছেন। বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নন্দীগ্রামের মানুষ ভীষণ খুশি।”
সেবাশ্রয়ে আসা সাধারণ মানুষের মুখেও একই সুর। কানের সমস্যায় দীর্ঘদিন ভোগা রুথরেজা বিবির কথায়,
“বিনা পয়সায় এত ভালো চিকিৎসা পেয়েছি। এখন অনেকটাই ভালো আছি। আবার যেন এমন ক্যাম্প হয়।”
শেফালি মিত্র ও আরতি রানি মান্না বলছেন,
“এমন উদ্যোগ আগে কখনও দেখিনি। নন্দীগ্রামে এমন স্বাস্থ্যশিবির হবে, ভাবতেই ভালো লাগছে। এর কোনও তুলনা নেই।”
গত পাঁচ বছরে রাজনীতি, অশান্তি আর নানা টানাপোড়েন দেখেছে নন্দীগ্রাম। ঠিক সেই পটভূমিতেই রবিবারের নন্দীগ্রাম যেন বলছে, এখানে এখন রাজনীতির থেকেও বড় হয়ে উঠেছে মানুষের প্রয়োজন। অনেকের মতে, আগামী দিনে পথ দেখাবে নন্দীগ্রাম নয়—পথের কথা বলবে এই ‘সেবাশ্রয়’।
শুভেন্দুর নন্দীগ্রামে ফের জয় তৃণমূলের, রানিপুর সমবায়েও বিজেপিকে হারাল TMC
শুভেন্দুর নন্দীগ্রামে ফের জয় তৃণমূলের, রানিপুর সমবায়েও বিজেপিকে হারাল TMC
শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামে ফের ধাক্কা খেল বিজেপি। রানিপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে নন্দীগ্রামের শক্তির সমীকরণ নিয়ে।
রানিপুর সমবায় সমিতির মোট ৪৫টি আসনের মধ্যে আগেই ৫টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছিল তৃণমূল। বাকি ৪০টি আসনে লড়াই ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে। ফলাফলে দেখা গিয়েছে, তৃণমূল পেয়েছে ২৭টি আসন, বিজেপি পেয়েছে ১৮টি আসন।
এর ফলে আবারও স্পষ্ট হল, শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে বিজেপির সংগঠন তৃণমূলের সামনে পিছিয়ে পড়ছে। শাসক শিবিরের দাবি, এই ফলাফল প্রমাণ করে দিয়েছে যে নন্দীগ্রামের মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করছেন। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, “২০২১-এর পর থেকে নন্দীগ্রামে বারবার হারছে বিজেপি। এবার বিধানসভা ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর বিদায় নিশ্চিত।”
অন্যদিকে, বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত পরাজয় নিয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে দলের অন্দরে এই ফলাফল যে বড়সড় অস্বস্তি তৈরি করেছে, তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সমবায় নির্বাচনের এই ফল নন্দীগ্রামে আসন্ন বড় নির্বাচনের আগে তৃণমূলের মনোবল আরও বাড়াল, আর শুভেন্দুর ঘাঁটিতে বিজেপির অস্তিত্ব নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলে দিল।
Thursday, 22 January 2026
ভিন্ ধর্মে প্রেমের জের, মোরাদাবাদে ‘অনার কিলিং’—যুগলকে খুন করে মাটিতে পুঁতে দিল পরিবার, গ্রেফতার তরুণীর দুই দাদা
বাংলাদেশ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত
ভিনরাজ্যে ফের রহস্যমৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের! মুক্তিপণ ফোনের পরই খুনের অভিযোগ, উত্তেজনা এলাকায়
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট |
ভিনরাজ্যে ফের রহস্যজনক মৃত্যু বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানা এলাকার যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ, মুক্তিপণ দাবি করে ফোন আসার পরই খুন করা হয়েছে ওই পরিযায়ী শ্রমিককে। মৃতের দাদার আরও দাবি, বাংলাদেশি সন্দেহে দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করেছে তাঁর ভাইকে।
মৃত যুবকের নাম মঞ্জুর আলম লস্কর (৩২)। তিনি উস্তি থানা এলাকার রঙ্গিলাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১০ বছর ধরে অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারুল এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন মঞ্জুর। মাঝেমধ্যেই ছুটিতে বাড়ি ফিরতেন। তাঁর দাদা গিয়াসউদ্দিন লস্কর স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে ছুটিতে বাড়ি আসেন মঞ্জুর। এরপর প্রায় ২০ দিন আগে ফের কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার হঠাৎই একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে বাড়িতে। ফোন করে ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে মঞ্জুরকে খুন করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতির চাপে পড়ে মৃতের স্ত্রী ওই নম্বরে ৬ হাজার টাকা পাঠান।
কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। বুধবার সেই একই নম্বর থেকেই ফোন করে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়, মঞ্জুর মারা গিয়েছেন। এরপরই পরিবারের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। মৃতের দাদা গিয়াসউদ্দিন লস্করের অভিযোগ, বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁর ভাইকে মারধর করে খুন করা হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে মঞ্জুরের মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এদিকে, মৃতদেহ বাংলায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।
সুপ্রিম’ নির্দেশ মেনেই কড়া পদক্ষেপ: শনিতে তথ্যে অসংগতির তালিকা প্রকাশ, সঙ্গে আনম্যাপড ভোটারদের নাম
‘
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট |
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে শিরোধার্য করেই এসআইআর (Special Intensive Revision) সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তথ্যগত অসংগতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির তালিকার পাশাপাশি আনম্যাপড ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী শনিবারের মধ্যেই এই তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস, তালুক ও ওয়ার্ড অফিস-সহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে টাঙিয়ে দেওয়া হবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় তথ্যগত অসংগতির তালিকায় রয়েছে ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২ জন ভোটারের নাম। পাশাপাশি আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬।
রবিবার থেকে যেসব ভোটারের নাম তথ্যগত অসংগতির তালিকায় রয়েছে, তাঁরা নিজেরা অথবা কোনও প্রতিনিধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারবেন। শুনানির সময় মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেটের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। বুধবার রাতে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নথি জমা দেওয়ার জন্য ১০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সব প্রক্রিয়া শেষ করে শুনানি সম্পন্ন হলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে পারে ২০ ফেব্রুয়ারি নাগাদ—এমনটাই মনে করছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।
এদিকে, রাজ্যের ভোটার তালিকায় অবৈধভাবে নাম তোলা-সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগে চার আধিকারিক ও এক কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই প্রেক্ষিতে নবান্ন কমিশনকে জানায়, আপাতত চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও এফআইআর প্রসঙ্গে আরও সময় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদনের পরই কমিশন ফের কড়া অবস্থান নেয়। কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানতে মুখ্যসচিবকে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
আজ, বৃহস্পতিবার কমিশন নিযুক্ত ১২ জন পর্যবেক্ষককে নিয়ে বৈঠকে বসছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। বৈঠকে মূলত ভোটার তালিকা সংশোধনের অগ্রগতি ও এসআইআর শুনানির সময় আপলোড হওয়া নথিপত্রের যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।
Wednesday, 21 January 2026
পুষ্পার নতুন ভিলেন বিজয়, ‘পুষ্পা ৩’-এ বড় চমক
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক:
অল্লু অর্জুনের সুপারহিট ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘পুষ্পা’ ফের নতুন চমক আনতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, ‘পুষ্পা ৩’ ছবিতে খলচরিত্রে দেখা যেতে পারে বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে। এই মুহূর্তে ছবির চিত্রনাট্যের কাজ চলছে এবং সেখানেই নাকি এক নতুন শক্তিশালী ভিলেনের প্রবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, ‘পুষ্পা ১’ ও ‘পুষ্পা ২’-তে ফাহাদ ফাসিলের চরিত্রটি পুষ্পাকে ধরতে ব্যর্থ হয়। সেই গল্পের ধারাবাহিকতাতেই নতুন পর্বে তাঁর চরিত্রটিকে সরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত থাকছে। আর সেখানেই পুষ্পার সামনে একেবারে নতুন ও ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হিসেবে হাজির হতে পারেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা।
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় এই তারকাকে ভিলেন হিসেবে দেখা গেলে ছবির গল্পে এক নতুন মাত্রা যোগ হবে বলেই মনে করছেন অনুরাগীরা। অল্লু অর্জুন বনাম বিজয় দেবেরাকোন্ডা—এই সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব ঘিরে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।
যদিও নির্মাতাদের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ‘পুষ্পা ৩’ হতে চলেছে ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে বড় এবং চমকপ্রদ অধ্যায়—এমনটাই আশা সিনেমা মহলের।
জেলায় জেলায় আশা কর্মীদের বিক্ষোভ, স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের আগে আটকানোর অভিযোগ
Monday, 19 January 2026
সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন দুই ব্যক্তি।
সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছেন দুই ব্যক্তি।
SIR আতঙ্কে নদিয়ায় একই দিনে মৃত ২, সুপ্রিম রায়ের দিনেই চাঞ্চল্য
I-PAC তল্লাশি বিতর্কের মধ্যেই বড় অ্যাকশন ED-র, ২৮০০ কোটি টাকার মামলায় গ্রেফতার কলকাতার ব্যবসায়ী
Karandighi: বিধায়কের কীর্তিতে বেকায়দায় তৃণমূল
Sunday, 18 January 2026
মহাকুম্ভ বিতর্কে তীব্র বিস্ফোরণ, সাধু নিগ্রহের অভিযোগে প্রশাসনের বিরুদ্ধে শঙ্করাচার্যের গুরুতর অভিযোগ
Saturday, 17 January 2026
আজ দুপুরেই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, ৪ হাজার কোটির প্রকল্পের সূচনা
Thursday, 15 January 2026
ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের
BLO মৃত্যুকাণ্ডে তীব্র রাজনৈতিক তরজা, TMC কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ BJP-র
সিঙ্গুরে NAMO-র সভা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | সিঙ্গুর
সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রস্তাবিত জনসভা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত চরমে উঠেছে। সভার জন্য নির্ধারিত জমি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগে বিডিও অফিসে অন্তত ১০টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এর জেরে সভা আয়োজনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী বেচারাম মান্না প্রশ্ন তুলেছেন, “বিনা অনুমতিতে সাধারণ কৃষকের জমি কেন ব্যবহার করা হবে?” তাঁর দাবি, নিয়ম মেনে অনুমতি না নিয়ে জমি ব্যবহার করা হলে তা কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী।
পাল্টা জবাবে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে উন্নয়নের পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সভা আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে জমি সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। অনুমতির বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত সভা আয়োজন নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। রাজনৈতিক তরজা চললেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর সবার।
২ আক্রান্ত, ১০০ জন আইসোলেশনে—নিপা আতঙ্ক রাজ্যে, কী করবেন আর কী নয়? মাস্ক কি বাধ্যতামূলক?
২ আক্রান্ত, ১০০ জন আইসোলেশনে—নিপা আতঙ্ক রাজ্যে, কী করবেন আর কী নয়? মাস্ক কি বাধ্যতামূলক?
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক
রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং সংক্রমণের শঙ্কায় প্রায় ১০০ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চলছে প্রশাসনের। এর মধ্যেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—নিপা থেকে বাঁচতে কী করবেন, কী করবেন না? মাস্ক পরা কি এখন বাধ্যতামূলক?
নিপা কীভাবে ছড়ায়?
নিপা ভাইরাস মূলত বাদুড় থেকে ছড়াতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বা তাঁর শরীরের নিঃসৃত তরলের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটতে পারে। কাঁচা ফল, খেজুরের রস বা অপরিষ্কার খাবারের মাধ্যমেও ঝুঁকি থাকে।
কী করবেন (Do’s)
- ✔️ বারবার সাবান ও জল দিয়ে হাত ধোবেন
- ✔️ জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
- ✔️ অসুস্থ ব্যক্তির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন
- ✔️ ফল ভালোভাবে ধুয়ে ও খোসা ছাড়িয়ে খাবেন
- ✔️ সরকারি নির্দেশিকা ও স্বাস্থ্য দফতরের আপডেট মেনে চলবেন
কী করবেন না (Don’ts)
- ❌ কাঁচা বা আধা-পাকা ফল খাবেন না
- ❌ অসুস্থ ব্যক্তির ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহার করবেন না
- ❌ অযথা ভিড় বা গুজবে কান দেবেন না
- ❌ উপসর্গ লুকিয়ে রাখবেন না
মাস্ক পরা কি বাধ্যতামূলক?
এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে সাধারণভাবে মাস্ক বাধ্যতামূলক নয়। তবে হাসপাতালে, আইসোলেশন ইউনিটে বা উপসর্গযুক্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে মাস্ক পরার জোরালো পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকলে বা ভিড় এড়ানো সম্ভব না হলে মাস্ক ব্যবহার করাই নিরাপদ।
স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি।
ইরান আকাশসীমা বন্ধ, যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইসরি জারি ভারতীয়
Wednesday, 14 January 2026
নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম নাও থাকতে পারে: সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন
রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে, রাজ্যসভায় আর যেতে চান না দিগ্বিজয় সিং
বাংলাদেশ না খেললেও বোর্ডের ক্ষতি হবে না’, মন্তব্য বিসিবি কর্তার
কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ঐতিহাসিক রদবদল: ৬ ভবনের দফতর যাচ্ছে ‘কর্তব্য ভবনে’, নর্থ-সাউথ ব্লকে আসছে ‘যুগে যুগে ভারত’ মিউজিয়াম
🏛️ কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে ঐতিহাসিক রদবদল: ৬ ভবনের দফতর যাচ্ছে ‘কর্তব্য ভবনে’, নর্থ-সাউথ ব্লকে আসছে ‘যুগে যুগে ভারত’ মিউজিয়াম
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | নয়াদিল্লি
দিল্লির ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের ঠিকানা বদলাতে চলেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের। শাস্ত্রী ভবন, কৃষি ভবন, নির্মাণ ভবন, শ্রমশক্তি ভবন এবং উদ্যোগ ভবন—এই ছ’টি ভবনে থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় দফতর স্থানান্তরিত হবে নতুন নির্মিত ‘কর্তব্য ভবনে’।
এই স্থানান্তরের ফলে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোয় এক বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঐতিহ্য রক্ষার দিকটিও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে। ব্রিটিশ স্থপতি হারবার্ট বেকারের নকশায় নির্মিত ১৯৩১ সালের ঐতিহাসিক নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক অক্ষত রাখা হচ্ছে।
এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে নতুন রূপে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এখানে তৈরি হবে ‘যুগে যুগে ভারত’ নামে একটি মিউজিয়াম। প্রস্তাবিত এই মিউজিয়ামে ভারতের প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আধুনিক সময় এবং ভবিষ্যৎ ভারতের রূপরেখা প্রদর্শিত হবে।
ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও ঐতিহাসিক সংরক্ষণের এই যুগল পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
নাগরাকাটার ভোটযুদ্ধ: জোড়াফুল না পদ্ম—কার উপর ভরসা পাহাড়-ডুয়ার্সের এই জনপদের?
🌼
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | নাগরাকাটা
একসময় নাগরাকাটা মানেই ছিল বামদুর্গ। বছরের পর বছর লাল পতাকার দাপটে অভ্যস্ত ছিল এই বিধানসভা কেন্দ্র। তবে সময়ের সঙ্গে বদলেছে রাজনৈতিক মানচিত্র। এখন নাগরাকাটায় মূল লড়াই দুই ‘ফুলে’র—জোড়াফুল ও পদ্মের মধ্যে।
২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের ঢেউ এসে লাগে নাগরাকাটাতেও। তৃণমূল কংগ্রেস–কংগ্রেস জোটের হাতেই প্রথমবার যায় এই আসন। পরের বছর উপনির্বাচনে আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু রাজনৈতিক সমীকরণ আবার বদলায় ২০২১ সালে। সেই নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে নাগরাকাটার দখল নেয় বিজেপি।
এরপর থেকে এলাকায় ক্রমশ সংগঠন শক্তিশালী করার দাবি করছে পদ্মশিবির। বিজেপির বক্তব্য, নাগরাকাটায় তাদের জনভিত্তি আগের চেয়ে অনেকটাই মজবুত। বুথ স্তরে সংগঠন, আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্প—সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারা।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসও পিছিয়ে নেই। শাসক শিবিরের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজ ও স্থানীয় নেতৃত্বের জোরেই আবারও নাগরাকাটায় জোড়াফুলের প্রত্যাবর্তন সম্ভব। অতীতের ফলাফল টেনে এনে তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে, এই আসন এখনও পুরোপুরি তাদের হাতছাড়া হয়নি।
সব মিলিয়ে নাগরাকাটা এখন রাজনৈতিক দোলাচলে। প্রশ্ন একটাই—আসন্ন ভোটে নাগরাকাটার মানুষ ভরসা রাখবেন কোন ফুলে? পদ্মে, না কি ফের অতীতের মতো জোড়াফুলেই ফিরবে এই কেন্দ্র? নজর থাকবে ভোটের ফলাফলের দিকে।
আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজর, বৃহস্পতিবার শুনানি—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির আবেদন
⚖️ আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজর, বৃহস্পতিবার শুনানি—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির আবেদন
Y বাংলা নিউজ ডেস্ক | কলকাতা | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র দায়ের করা আবেদনের শুনানি হতে চলেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হবে।
জানা গিয়েছে, বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে মোট দু’টি আবেদন শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত রয়েছে। এই মামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
ইডির অভিযোগ, আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে, মামলার শুনানিকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
এখন দেখার, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয় এবং এই মামলার পরবর্তী গতিপথ কোন দিকে মোড় নেয়।
Tuesday, 13 January 2026
বাংলাদেশে অশান্তি চরমে, হিন্দু অটোচালককে পিটিয়ে খুন—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ
শেখ হাসিনার অপসারণের পর থেকে লাগাতার হিংসা, ইউনূস সরকারের ভূমিকা ঘিরে প্রশ্ন
Y বাংলা ব্যুরো:
২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সেই অস্থিরতা আরও প্রকট আকার নেয়। হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। বিক্ষোভ, অরাজকতা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই আরও এক নৃশংস ঘটনার খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামের দাগনভূঁইয়া এলাকায় এক হিন্দু অটোচালককে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়েছে। নিহতের নাম সমীর দাস, বয়স ২৮ বছর। এটি বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর সাম্প্রতিক হামলার সর্বশেষ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।
দাগনভূঁইয়ার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, দুষ্কৃতীরা প্রথমে সমীর দাসকে বেধড়ক মারধর করে, এরপর ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি চুরি করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দেশি অস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
এই ঘটনার পর নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজে। গত এক মাসে পদ্মাপার জেলাগুলিতে হিন্দুদের উপর একাধিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সমালোচনার ঝড় উঠলেও মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার।
সরকারি ও বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে অন্তত ছয়জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি বহু সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। গত শনিবার ৪০ বছর বয়সী এক হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গণধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে বেঁধে চুল কেটে দেওয়া হয়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় দেশজুড়ে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।
শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দেশজুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ক্রমবর্ধমান হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির দাবি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, সাম্প্রদায়িক হিংসার মাত্রা ততই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
এই পরিস্থিতিতে ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা প্রতিবেশী দেশের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা কঠোরভাবে দমন করার আশা করছে। যদিও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস ভারতের এই উদ্বেগকে অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই গভীর হচ্ছে, আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
সংঘর্ষবিরতি সত্ত্বেও থামছে না ‘অপারেশন সিঁদুর’ — সন্ত্রাসে জিরো টলারেন্সে অনড় ভারত
Sunday, 11 January 2026
শুভেন্দুর গাড়িতে ‘হামলা’ অভিযোগে নড়ল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তৃণমূলের কটাক্ষ, ‘পুরোটাই রাজনৈতিক নাটক’
ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা নিউজ:
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে এবার সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শনিবার গভীর রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।
জানা যাচ্ছে, ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৩ তারিখ মঙ্গলবার চন্দ্রকোনায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি অবরোধ ও সভার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে। পুরুলিয়া থেকে মেদিনীপুর ফেরার পথে চন্দ্রকোনা রোডে শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের প্রায় কুড়িজন দুষ্কৃতী বাঁশ ও লাঠি হাতে তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে চন্দ্রকোনা রোড ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফাঁড়ি ইনচার্জের সামনেই মেঝেতে বসে পড়েন শুভেন্দু। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না বলেও জানান। শেষ পর্যন্ত রাত দেড়টা নাগাদ ফাঁড়ি ছাড়েন তিনি। ওই রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয় বলে বিজেপি সূত্রে খবর।
এই ঘটনার প্রতিবাদে পালটা কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে গোটা ঘটনাকে ঘিরে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি,
“একটা জেলায় ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। থানার স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের নাটক চলতে পারে না।”
তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্টেও তীব্র বিদ্রুপ ধরা পড়েছে। তিনি লেখেন,
“সিআরপিএফের ঘেরাটোপে থেকেও সামান্য স্লোগান সামলাতে পারে না, আবার নাকি রাজ্য সামলাবে?”
অরূপ চক্রবর্তীর আরও দাবি, শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীরাই স্থানীয় বিজেপি নেতা গৌতম কৌরিকেই মারধর করেছেন। তাঁর কথায়,
“বহিরাগত সিআরপিএফ চিনতে না পেরে বিজেপির মণ্ডল নেতা গৌতম কৌরিকেই তুমুল লাঠিপেটা করা হয়েছে। তিনি আবার বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী বলেও শোনা যাচ্ছে।”
শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে কেন্দ্র–রাজ্য রাজনৈতিক তরজা এখন চরমে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট তলবের পর এই ইস্যু কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা, আজও দগদগে ক্ষত পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ সইফুল্লার দম্ভভরা ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা, আজও দগদগে ক্ষত
পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ সইফুল্লার দম্ভভরা ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
ডিজিটাল ডেস্ক, Y বাংলা নিউজ:
ধর্ম জানতে চেয়ে একের পর এক নিরীহ মানুষকে হত্যা, কান্না আর হাহাকারে ভরে উঠেছিল কাশ্মীরের উপত্যকা। পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরস্ত্র নাগরিকের মৃত্যু ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক ভয়াবহ শোকচিহ্ন হয়ে রয়েছে। সময় গড়ালেও সেই ক্ষত আজও দগদগে। গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল ওই নৃশংসতা।
এই আবহেই ফের আলোচনায় পহেলগাঁও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে চিহ্নিত লস্কর-ই-তইবা নেতা সইফুল্লা কাসুরি। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল নিশ্চিত করেনি।
জানা যাচ্ছে, হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ তথা ‘ডানহাত’ সইফুল্লা কাসুরি এখনও পাকিস্তানেই বহাল তবিয়তে আত্মগোপনে রয়েছে—এমন গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। এবার পাকিস্তানের একটি স্কুল অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে ‘ভাষণ’ দিতে দেখা গেল তাকে। সেই মঞ্চ থেকেই দম্ভভরে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসে লস্কর নেতা।
ভিডিওতে সইফুল্লাকে বলতে শোনা যায়,
“পাক সেনার পক্ষ থেকেই আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কোনও সেনার মৃত্যু হলে শেষকৃত্যেও আমি ডাক পাই।”
এরপরই সে সরাসরি পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ টেনে দাবি করে,
“তোমরা জানো, ভারত আমাকে ভয় পায়। পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে আমাকেই ধরা হয়। আজ আমার নাম গোটা বিশ্বে পরিচিত।”
এখানেই থামেনি। ভারতের সামরিক পদক্ষেপ ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়েও কটাক্ষ ছুঁড়ে দেয় সে। সইফুল্লার দাবি,
“শুধু জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ভারত বড় ভুল করেছে।”
বরাবরের মতোই পাকিস্তান জঙ্গি মদতের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। এমনকী, আন্তর্জাতিক স্তরে চাপের মুখে পড়ে এক সময় ‘ধূসর তালিকা’তেও জায়গা হয়েছিল তাদের। কিন্তু প্রকাশ্যে পাক মাটিতে বসে জঙ্গি নেতার এমন বক্তব্য ফের প্রশ্ন তুলে দিল—জঙ্গি সংগঠন ও পাক সেনার যোগসাজশ আদৌ কি অস্বীকারযোগ্য?
পহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ডের এই হুমকির ভিডিও ফের একবার স্পষ্ট করে দিল, সীমান্তের ওপার থেকেই পরিকল্পিতভাবে এদেশে কাপুরুষোচিত হামলার ছক কষা হচ্ছে।
Friday, 9 January 2026
আইপ্যাক দপ্তর থেকে ‘নির্বাচনী নথি চুরি’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে থানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার লিখিত নালিশ
আইপ্যাক দপ্তর থেকে ‘নির্বাচনী নথি চুরি’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে থানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার লিখিত নালিশ
Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক:
তল্লাশির নামে আইপ্যাকের দপ্তর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি চুরির অভিযোগ তুলে এবার সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) বিরুদ্ধে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। আচমকাই আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। সেই খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ১৫ মিনিট প্রতীক জৈনের বাড়িতে ছিলেন তিনি। বেরোনোর সময় একটি সবুজ রঙের ফাইল হাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ইডির এই অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল হাতিয়ে নেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
এর মধ্যেই খবর আসে, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি পৌঁছে যান আইপ্যাকের দপ্তরে। অভিযোগ, সেখান থেকে কিছু নথি, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিজের গাড়িতে তোলেন তিনি।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের কৌশল ‘চুরি’ করতেই কেন্দ্র ইডিকে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, ইডির তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে—মুখ্যমন্ত্রী অনৈতিকভাবে তদন্তে বাধা দিয়েছেন।
গোটা বিষয়টি গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইডির বিরুদ্ধে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির সময় ঠিক কী ঘটেছিল, মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন কোন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন—তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের উত্তর চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ইডির তরফে একটি রিপোর্ট অর্থমন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্টই পরবর্তী পর্যায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হবে।
মোদির ফোন না পেয়ে ইগোতে আঘাত’, সেই কারণেই ভারতের উপর ৫০% শুল্ক—বিস্ফোরক দাবি মার্কিন বাণিজ্য সচিবের
Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক:
ভারতের উপর বিপুল মার্কিন শুল্ক চাপার নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনমনীয় অবস্থানই বড় কারণ—এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। একটি পডকাস্টে তিনি জানান, ভারত–আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে একটি শর্ত পূরণ না হওয়ায় সেই চুক্তি ভেস্তে যায়।
লুটনিকের বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তিতে সই করার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সরাসরি ফোনালাপকে অপরিহার্য শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের কাছে মোদির ফোন এলেই বাণিজ্য চুক্তিতে চূড়ান্ত সিলমোহর পড়ত। কিন্তু সেই ফোন আর আসেনি। ভারতীয় আধিকারিকরা এই শর্ত মানতে চাননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এর ফলেই শেষ পর্যন্ত ভারত–আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি। লুটনিকের দাবি, মোদির ফোন না পাওয়ায় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অসন্তোষ বেড়ে যায় এবং সেই ‘ইগো’ থেকেই ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আলোচনা হলেও আর চুক্তি এগোয়নি।
এখানেই থামেননি মার্কিন বাণিজ্য সচিব। তিনি আরও জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই এমন একটি বিল অনুমোদন করেছে, যার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলির উপর ভবিষ্যতে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানো হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের উপর নতুন করে আরও শুল্কের বোঝা চাপার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি।
লুটনিকের কথায়, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ফোন না আসায় তিনি যথেষ্ট হতাশ ও ক্ষুব্ধ হন। সেই অসন্তোষই শেষ পর্যন্ত প্রভাব ফেলেছে ভারত–আমেরিকার বাণিজ্যিক সম্পর্কে।
তৃণমূল সাংসদদের হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ, ‘ধর্ষকদের বেল, প্রতিবাদীদের জেল’ মন্তব্য অভিষেকের
ব্যুরো রিপোর্ট | Y বাংলা নিউজ
কলকাতায় আইপ্যাক (IPAC)-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Prateek Jain) বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে ইডি অভিযানের (ED Raid) রেশ এবার ছড়াল জাতীয় রাজনীতিতেও। বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরের বাইরে ধর্না-বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একাধিক সাংসদ। তবে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভের অভিযোগ তুলে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিক্ষোভরত সাংসদদের টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। বাসে তুলে তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মিত্র, কীর্তি আজাদ, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। পরে প্রশাসনিক কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন,
“এরা ধর্ষকদের জামিন দেয়, আর প্রতিবাদীদের জেলে পুরে দেয়।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে অভিষেক আরও লেখেন,
“আজ গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, আর অপরাধীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ভোট লুটের চেষ্টা চলছে। এটাই বিজেপির ‘নতুন ভারত’।”
এখানেই থামেননি তিনি। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026) সামনে রেখে বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তৃণমূল নেতা। অভিষেকের বক্তব্য,
“গোটা দেশ বিজেপির চাপে আত্মসমর্পণ করলেও বাংলা করবে না। বাংলা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেই। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে বিজেপির সব দাঁত-নখ ভেঙে দেব।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আইপ্যাক ও প্রতীক জৈনকে ঘিরে ইডি অভিযানের পর যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল, দিল্লিতে সাংসদদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ সেই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা ও বিরোধী কণ্ঠ দমনের অভিযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে জাতীয় স্তরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে চলেছে তৃণমূল—এমন ইঙ্গিতই মিলছে।
অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের দাবি, প্রথমে সাংসদদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। সেই অনুরোধ মানা না হওয়াতেই বিক্ষোভ সরাতে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
মমতার সবুজ ফাইলে কী ছিল? ইডি অভিযানের মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা কতটা বৈধ—প্রশ্নের মুখে রাজনীতি
ডিজিটাল ব্যুরো | Y বাংলা নিউজ
বৃহস্পতিবারের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা নিঃসন্দেহে আই-প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি-র অভিযান। সেই তল্লাশি চলাকালীনই নাটকীয়ভাবে প্রতীকের ফ্ল্যাটে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ পর বুকে আগলে একটি সবুজ ফোল্ডার হাতে বেরিয়ে আসেন তিনি। পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আই-প্যাকের অফিসেও যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেও তাঁর গাড়িতে এক সহযোগীকে কয়েকটি ফাইল তুলতে দেখা যায়।
দিনভর এই ঘটনাপ্রবাহের পর সাধারণ মানুষের মনে মূলত দু’টি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—
এক, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা ওই সবুজ ফাইলে আসলে কী ছিল?
দুই, ইডি-র তদন্ত চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী কি এভাবে ঢুকে পড়ে ফাইল নিয়ে আসতে পারেন?
দ্বিতীয় প্রশ্নটি নতুন নয়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির সময়েও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সিবিআই ও কলকাতা পুলিশের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সিবিআই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি বড় কোনও আইনি পরিণতিতে গড়ায়নি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারও মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও, এই প্রশ্ন আদতে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছবে না। বিরোধীরা যেমন সমালোচনায় সরব, তেমনই শাসক শিবির এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই দেখছে।
এবার আসা যাক সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্নে—সবুজ ফাইলে কী ছিল?
মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রতীক জৈনের বাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ছিল। তাঁর দাবি, বিজেপি ইডি-কে ব্যবহার করে সেই তালিকা হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই কারণেই তিনি ওই নথি সেখান থেকে সরিয়ে এনেছেন। মমতার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সবুজ ফোল্ডারের মধ্যেই ছিল তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র।
এই একটি বক্তব্যই মুহূর্তের মধ্যে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ বদলে দিয়েছে। সবুজ ফোল্ডার বুকে আগলে বেরিয়ে আসার সেই ছবি কার্যত দিনের সবচেয়ে আলোচিত ফ্রেম হয়ে উঠেছে।
বাস্তবে ওই ফাইলে কী ছিল, তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না। হতে পারে তাতে কেবল সাদা কাগজই ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতায় তৃণমূলের কোর সমর্থক, দলের কর্মী ও বিজেপি-বিরোধী একাংশের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছে।
আই-প্যাক তৃণমূলের সংগঠনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়, তা অজানা নয়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বে আই-প্যাক বাংলায় সক্রিয় হয়। বর্তমানে বুথ স্তর থেকে শুরু করে সংগঠনের ডেটা, সমীক্ষা, প্রার্থী বাছাইয়ের খসড়া, প্রচারের নকশা—সবই পেশাদারভাবে আই-প্যাকের কাছে থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। সেই অর্থে প্রতীক জৈনের বাড়ি বা আই-প্যাকের অফিসে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে?
তৃণমূল বিরোধীদের একাংশ এই ঘটনায় স্বস্তি পেলেও, শাসক দলের ভিতরের যে অংশ আই-প্যাকের প্রভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট, তাঁদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে বৃহত্তর রাজনৈতিক চিত্রে এই ঘটনা পক্ষ-বিপক্ষের অবস্থানকে আরও তীক্ষ্ণ করবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
সংবিধানের ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের প্রশ্নও উঠেছে। বিজেপি এই ঘটনাকে সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়ার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে পারে। তবে অতীতে অরুণাচল ও উত্তরাখণ্ডে রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় মাথায় রেখে কেন্দ্র সেই পথে হাঁটবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
তবে এটুকু স্পষ্ট, এই ঘটনা এখানেই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, প্রতীক জৈনকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস দিতে পারে। অতীতে যেমন রাজীব কুমারকে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তেমন পরিস্থিতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সব মিলিয়ে, আই-প্যাক ইডি অভিযান, সবুজ ফাইল এবং মুখ্যমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ—এই ত্রয়ী আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
Featured post
পাকিস্তান-ঘেঁষা রাজনীতি কিংবা প্রকাশ্য ভারত-বিরোধিতা—এই দুই পথে শেষমেশ লাভের বদলে ক্ষতিই হয়, সেই বাস্তবতা হয়তো হাড়ে হাড়ে টের প...








.jpg)









