Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 4 September 2025

"কে আপনাদের নেতা? যে বারবার শিবির পাল্টেছে!" — বিধানসভায় মমতার সরাসরি আক্রমণ, ইঙ্গিত স্পষ্ট কার দিকে?

ফের উত্তাল বিধানসভা: মমতার তোপ, শুভেন্দুকে নিশানা — একদিবসীয় বিশৃঙ্খলার চিত্র

ফের উত্তাল বিধানসভা: ‘চোর চোর’ স্লোগান, শুয়ে পড়া বিধায়ক — মমতার কড়া আক্রমণ ও শুভেন্দু নিশানা

বিধানসভায় দিনভর বিশৃঙ্খলা, স্পিকারের বহিষ্কার, আর মঞ্চে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর প্রবল প্রতিক্রিয়া

সংক্ষিপ্ত প্রতিচ্ছবি

বিধানসভায় গণ্ডগোল, কয়েকজন বিধায়ক বহিষ্কার—মুখ্যমন্ত্রী নাম না করে বিরোধী নেতা শুভেন্দুকে নিশানা করেন; ধিক্কার-শব্দে ভরে ওঠে কক্ষ।

ঘটনার দিনভর চিত্র

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় সকাল থেকেই উত্তেজনা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। কেউ ‘চোর চোর’ স্লোগানে স্লোগান দেন কণ্ঠস্বরে, কেউ আবার বিধানসভার ওয়েলের ওপর শুয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ওয়েলে নেমে দলের বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামলান। এদিন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হট্টগোলের প্রেক্ষিতে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী ও অশোক দিন্দাকে বিধানসভা কক্ষ থেকে বহিষ্কার করে দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র নিন্দা ও আঘাতপ্রদ মন্তব্য

ওই আলোচনা চলাকালে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন এবং নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে বলেন—“কে আপনাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে? যে চার বার দল বদল করে এসেছে? নিজেকে বাঁচানোর কাজ—দলবদলু নেতার কথা শুনে ভুল পথে পা দিচ্ছেন।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা যে, এই আক্রমণ সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে; তাতে কোনো প্রকাশ্য নাম উচ্চারণ না করলেও ইঙ্গিত স্পষ্ট ছিল।

মমতার মন্তব্যের একটি অংশ: “আমি জানি কে কোন বিধানসভায় তৃণমূল করত। টাকা বাঁচাতে, ইডি–সিবিআই থেকে বাঁচতে, বিজেপিতে গেছেন। মুখ লুকিয়ে চোর স্লোগান দিচ্ছে… আগামদিনে উনি মুসলিম লিগ করবেন।”

স্পিকারের পদক্ষেপ ও শুভেন্দুর সাসপেনশন

উল্লেখ্য, গত বুধবারই বিধানসভা অধিবেশনের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়; এদিন আরও চার জন বিধায়ককে বহিষ্কার করা হয়। এই পদক্ষেপের ফলে বিধানসভায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরো বাড়ে এবং ফ্লোরে তীব্র আক্রমণ-প্রতিবাদের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মূল পয়েন্ট — বড় করে ও রঙিনভাবে

দিবসভর বিশৃঙ্খলা: কেউ অনুসারী স্লোগান করছে ‘চোর চোর’, কেউ বিধানসভার ওয়েলে শুয়ে আচরণ ভাঙ্গাচোরা করেছে।
বহিষ্কার নির্দেশ: স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী ও অশোক দিন্দা বহিষ্কার হন।
মমতার নিশানা: নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে ইঙ্গিতে আঘাত; “কে আপনাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে — যে চারবার দল বদল করেছে?”—এই প্রশ্ন বিধানসভায় ব্যাপক সাড়া ফেলে।

প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

বিধানসভায় এমন জঘন্য বিশৃঙ্খলা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনার একটি ছবি তুলে ধরে। মুখ্যমন্ত্রীর এ ধরনের সরাসরি আক্রমণ নাম না করে হলেও রাজনৈতিক তরঙ্গ তৈরি করে—বিশেষত যখন সম্প্রতি দলের দলে নাম পরিবর্তন বা দলবদল নিয়ে তীব্র আলোচনা সক্রিয় রয়েছে।

পরামর্শ: পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ও বিধানসভার মর্যাদা রক্ষায় সমস্ত রাজনৈতিক পক্ষের আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন; বিতর্কগুলো আইনগত ও সাংবিধানিক পথে সমাধান করা উচিত।

সংক্ষেপে— কী ঘটেছে?

  • বিধানসভায় দিনভর বিশৃঙ্খলা ও চরম উত্তেজনা।
  • কয়েকজন বিধায়ক ওয়েলের ওপর শুয়ে প্রতিবাদ করেন।
  • স্পিকারের নির্দেশে চার বিধায়ক বহিষ্কার।
  • মুখ্যমন্ত্রী নাম না করে বিরোধী নেতা শুভেন্দুকে ইঙ্গিতে নিশানা করে তীব্র কটাক্ষ করেন।
  • ওপরে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনার ফলে ভবিষ্যতে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও বিবাদ দেখা দিতে পারে বলে ধারণা।

এই প্রতিবেদনটি কপিরাইট-মুক্ত; পুনঃপ্রকাশে উৎস উল্লেখ করলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হবে।

© 2025 — সংবাদ প্রতিবেদন (কপিরাইট মুক্ত)

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“SSC কেলেঙ্কারি: অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা! তিনটি মামলার রায়ে কোন কোন সিদ্ধান্ত এল?”

SSC মামলা আপডেট: সুপ্রিম কোর্টের রায় — ২৬,০০০ চাকরির স্থিতি চূড়ান্ত

SSC মামলা আপডেট: সুপ্রিম কোর্টের রায় — ২৬,০০০ চাকরির স্থিতি চূড়ান্ত

কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল — সুপ্রীম কোর্ট আজ আবেদনসমূহ খারিজ করেছেন

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম

সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে এবং এসএসসি সংশ্লিষ্ট সমস্ত আবেদন খারিজ করেছে — ফলত প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ প্রতিলিপি চূড়ান্তভাবে বাতিল বলে গণ্য হলো।

আজকের শুনানির বিশদ বিবরণ

আজ সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে তিনটি প্রধান মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত কড়া ভাষায় অযোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে—বিশেষত এসএসসি কর্তৃপক্ষ কেন অ্যাডমিট কার্ড জারি করলো, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত বলেছে যে, যখন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে 'দাগী' প্রার্থীদের পরীক্ষায় বসতে নিষেধ করেছিল, তখনও এই মতবিরোধ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আঘাত।

আদালতের কঠোর পর্যবেক্ষণ

বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মন্তব্য করেন যে— এসএসসি নিজেই প্রার্থীদের সমর্থন করছে, ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে এবং পুনরায় নিয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে। এই ঘটনাকে আদালত 'বেদনাদায়ক' বলে অভিহিত করেন এবং অনিয়মের কড়া নিন্দা করেন।

আবেদনকারীদের পক্ষের যুক্তি

আবেদনকারীদের আইনজীবীরা বলেন, তাদের ক্লায়েন্ট নির্দোষ; তারা পূর্বের রায় চ্যালেঞ্জ করছেন এবং সময় ও সুযোগ চান যাতে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন। তাঁদের এক যুক্তি ছিল—২০১৬ সালে ঘোষণা করা শূন্যপদ শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ২০২৫ সাল নাগাদ হ্রাস পেয়েছে, ফলে এ বিষয়ে সহানুভূতিশীল বিবেচনার দাবি।

সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত

সুপ্রিম কোর্ট আবেদনকারীদের সবই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে করে দেয়। আদালত বলে যে এই বিষয়গুলো পূর্বেও বিবেচিত হয়েছে; আবেদনকারীরা নির্দিষ্ট পদ, স্তর ও বিষয় উল্লেখ করে তাদের দাবি সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেনি। আদালত পরীক্ষার তারিখ পিছানোর অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছেন এবং জানান যে, কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করা হবে যেখানে প্রকৃতভাবে কোন শূন্যপদই পাওয়া না যায়। অবশেষে প্রধান মামলাসহ সমস্ত আবেদন খারিজ করা হয় — ফলে ২৬,০০০ চাকরি বাতিল সিদ্ধান্তই স্থায়ী হিসেবে রয়ে গেল।

মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি

বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মূল মামলাটি খারিজ করে বলেন যে বিষয়গুলি আগেই বিচার্য হয়েছে। বিবিধ আবেদন (রাজ্য সরকারের দায়েরকৃত) ও অন্যান্য এসএলপি খারিজ করা হয় কারণ আদালত সহানুভূতি প্রদর্শনের কারণ দেখেননি। এই রায়ে আবেদনকারীদের আর কোনো রেহাই নেই।

মূল প্রাসঙ্গিক পয়েন্ট (সংক্ষেপে)

কলকাতা হাইকোর্টের রায় বজায়
সুপ্রিম কোর্ট আজ সব আবেদন খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে বহাল রাখল — প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ বাতিলই চূড়ান্ত।
আদালতের তীব্র নিন্দা
এসএসসির আচরণ—অ্যাডমিট কার্ড জারি, ওএমআর বিকৃতি ইত্যাদি—আদালতকে তীব্রভাবে বিতলিত করেছে; বিচার ব্যবস্থা এতে ভুক্তভোগী হয়েছে।
আবেদনকারীদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যাত
পরীক্ষা পেছানো আহ্বান, বিশদ পদবিবরণ না দেখানো—সবই আদালত নাকচ করেছে; পুনর্বিবেচনার সুযোগ সীমিত।

ইতিহাস ও পরবর্তী পথ

এই রায় একটি স্পষ্ট বার্তা — নিয়োগে অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয় এবং উচ্চ আদালত ব্যবস্থা কঠোরভাবে দেখছে। প্রাসঙ্গিক পক্ষ যদি কোনো নতুন, নির্দিষ্ট ও শক্ত প্রমাণ দাখিল করে, তবেই পুনর্বিবেচনা হতে পারে; নতুবা সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

সম্পর্কিত বিবেচনা

  • প্রায় ২৬,০০০ নিয়োগ বাতিল — লক্ষাধিক প্রার্থীর জীবনে তা গভীর প্রভাব ফেলবে।
  • এসএসসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়বোধ ও আচরণ বিচারিক তদন্তের দৃষ্টিতে এসেছে।
  • এ রায় ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা রক্ষা ও জবাবদিহিত্ব নিশ্চিত করতে একটি নজির স্থাপন করে।

তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া & পরামর্শ

যেসব প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কাছে পরামর্শ— উপযুক্ত আইনি পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পন্থা নির্ধারণ করুন। পাশাপাশি, নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ও ন্যায্য হচ্ছে—এ বিষয়ে সামাজিক ও আইনগত অনুশীলন অব্যাহত থাকবে।

এই প্রতিবেদন কপিরাইট-মুক্ত — অনুলিপি ও পুনঃপ্রকাশের পূর্বে উৎস স্বীকার করা হলে কৃতজ্ঞতা জানাবেন। © ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“দুর্নীতির দৌরাত্ম্যে ঘুষ ও সুদে কত টাকা উধাও? সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য”

SSC Scam: ঘুষ ও সুদ-সহ কত টাকা ফেরত দিতে হবে?

SSC Scam: ঘুষ ও সুদ-সহ কত টাকা ফেরত দিতে হবে?

কলকাতা হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে অভিযুক্তদের সামনে আর্থিক বিপর্যয়

আদালতের নির্দেশ

২০১৬ সালের প্যানেলে যারা অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, তাদের ২০১৯ সাল থেকে পাওয়া সম্পূর্ণ বেতন ১২% বার্ষিক সুদসহ ফেরত দিতে হবে। এর সঙ্গে যোগ হবে চাকরির জন্য দেওয়া ঘুষের বিপুল অর্থ।

আর্থিক ক্ষতির কেন্দ্রবিন্দু

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী:

  • ২০১৯ সাল থেকে পাওয়া সমস্ত বেতন ফেরত দিতে হবে।
  • ফেরতের সঙ্গে যুক্ত হবে ১২% বার্ষিক সুদ
  • চাকরি পেতে দেওয়া ঘুষের টাকাও গচ্চা যাবে।
  • ফলে অভিযুক্তদের ক্ষতির অঙ্ক হবে লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি

আইনজীবী ফেরদৌস শামিম জানিয়েছেন, এই দুইয়ের যোগফল আকাশছোঁয়া হবে।

রাজনৈতিক যোগসূত্র

অভিযুক্তদের তালিকায় শাসক ও বিরোধী উভয় দলের নেতাদের আত্মীয়দের নাম থাকায় স্পষ্ট হয়েছে দুর্নীতির গভীরতা। এই রায় কেবল দুর্নীতিগ্রস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই বাতিল করেনি, বরং ভবিষ্যতের জন্য কঠোর বার্তা দিয়েছে।

মূল বার্তা

দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া চাকরি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়।

© 2025 | কপিরাইট মুক্ত প্রতিবেদন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

লক্ষী ভান্ডারের ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা হল কারা পাবে কবে পাবে? বিস্তারিত

লক্ষ্মীর ভান্ডার: ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা? জানুন সব বিস্তারিত

লক্ষ্মীর ভান্ডার: ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা?

কারা পাবেন, কবে থেকে কার্যকর হতে পারে—জেনে নিন সবকিছু

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প কী?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ মহিলাদের আর্থিক সুরক্ষা ও স্বনির্ভরতার জন্য চালু হয়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি মাসিক ভাতা পাঠানো হয়। বর্তমানে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা ১০০০ টাকা এবং SC/ST শ্রেণির মহিলারা ১২০০ টাকা পান।

এই উদ্যোগ মহিলাদের শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই দিচ্ছে না, বরং আত্মবিশ্বাস ও সম্মানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বর্তমান সুবিধা:
➤ সাধারণ শ্রেণি: ১০০০ টাকা মাসিক
➤ SC/ST শ্রেণি: ১২০০ টাকা মাসিক

নতুন প্রস্তাব: ভাতা বেড়ে ২১০০ টাকা

সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে যে, লক্ষ্মীর ভান্ডারের ভাতা বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করা হতে পারে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই বাড়তি ভাতা মহিলাদের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

মূল দিকগুলো:
  • ভাতা বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করার প্রস্তাব
  • মধ্যবিত্ত ও দুঃস্থ পরিবারের মহিলাদের জন্য বড় স্বস্তি
  • চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সরকারি ঘোষণার অপেক্ষা

কারা পাবেন বাড়তি ভাতা?

এই সুবিধা সকল মহিলার জন্য নয়। প্রস্তাব অনুযায়ী—

  • যাদের বার্ষিক আয় ২.১ লক্ষ টাকার কম, কেবল তারাই যোগ্য
  • আবেদনের সময় আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate) জমা দিতে হতে পারে
  • সবচেয়ে বেশি দুঃস্থ মহিলাদের কাছে সুবিধা পৌঁছানোই সরকারের লক্ষ্য

কবে থেকে কার্যকর হতে পারে?

এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এই নিয়ম কার্যকর হতে পারে। ফলে রাজ্যের রাজনীতিতে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উপভোক্তাদের অপেক্ষা করতে হবে। তবে ইতিমধ্যেই ৭২,০০০ নতুন মহিলাকে এই প্রকল্পে যুক্ত করা হয়েছে।

উপসংহার

‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর ভাতা বৃদ্ধি শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য নয়, বরং রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলার জীবনে স্বস্তি ও আশার আলো আনবে। যদি এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি নিঃসন্দেহে রাজ্যের অন্যতম যুগান্তকারী পদক্ষেপ হয়ে উঠবে।

© 2025 তথ্যসূত্র: পশ্চিমবঙ্গ সরকার | কপিরাইট মুক্ত ব্লগ কনটেন্ট

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

যোগ্যরা পাবেন ৩০% সংরক্ষণ; অযোগ্যদের অন্য জায়গায় পুনর্বাসন” — মুখ্যমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা, Gr-C/D পরীক্ষা নির্ধারিত

চাকরিহারা শিক্ষক-কর্মীদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নতুন দিশা

চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য রাজ্য সরকারের নতুন দিশা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিক ঘোষণা চাকরিহারাদের মনে জাগালো নতুন আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গ সরকার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য এক মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন, যা চাকরিহারাদের জীবনে নতুন দিশা দেখাতে চলেছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক এই পরিকল্পনার মূল দিকগুলি।

আদালতের নির্দেশ মান্য করেও চাকরিহারাদের জন্য বিকল্প সুযোগ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার

যোগ্য (Untainted) শিক্ষকদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

  • অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি: ১০-১২ বছর চাকরি করা শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত ১০% নম্বর দেওয়ার প্রস্তাব।
  • সংরক্ষিত আসন: মোট শূন্যপদের ৩০% যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকদের জন্য সংরক্ষিত।
  • পরীক্ষার মাধ্যমে পুনর্বহাল: সরাসরি নয়, পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে পুনরায় চাকরিতে ফেরা যাবে।

গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের জন্য নতুন পথ

  • নতুন পরীক্ষা: শিক্ষকদের নিয়োগ শেষ হওয়ার ২-৩ মাসের মধ্যে Gr-C ও Gr-D পরীক্ষার আয়োজন।
  • অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন: দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আইনি স্বীকৃতির উপায় খুঁজছে সরকার।

‘অযোগ্য’ (Tainted) শিক্ষকদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা

  • বিকল্প পদ: আদালতের কারণে শিক্ষক পদে ফিরতে পারবেন না, তবে Gr-C বা সমতুল্য পদে পুনর্বাসনের সম্ভাবনা।
  • আইনি পরামর্শ: বিষয়টি নিয়ে সরকারের আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ চলছে, শীঘ্রই ঘোষণা হতে পারে।
সরকারের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে—এটি কেবল রাজনৈতিক নয়, মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

চাকরিহারা শিক্ষক ও কর্মীদের জীবনে আশার আলো জ্বালাতে এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, এখন সেটাই দেখার। তবে সরকারের মানবিক মনোভাব নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

© 2025 | শিক্ষা ও সমাজ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

“SIR বাস্তবায়ন না হলে দিল্লি কাঁপবে আগুনে—বিজেপি বিধায়কের হুঁশিয়ারি, পাল্টা আক্রমণে তৃণমূল”

SIR বিতর্কে হুঁশিয়ারি ও পাল্টা জবাব

বাংলায় SIR নিয়ে হুঁশিয়ারি, উত্তপ্ত রাজনীতি

বিজেপি বিধায়কের ‘দিল্লি জ্বলবে’ মন্তব্যে বিতর্ক, পালটা আক্রমণে তৃণমূল

রাজনৈতিক আবহ

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ তুঙ্গে উঠেছে। এই আবহে ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পাল্টা জবাব দিয়েছে। আরও খবর পড়ুন আবারও বিবাদে জড়িয়ে পড়ল মহুয়া ও জয়

বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী বলেন:
“এখানে যদি SIR করতে অসমর্থ হয় নির্বাচন কমিশন, তাহলে আমি একজন লিডার হিসাবে বলছি, আমিও কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে ঘেরাও করব। আমি কিন্তু নির্বাচন করতে দেব না। কেউ যদি মনে করে আমরা সন্ত্রাস করে নির্বাচন কমিশনকে এখান থেকে ভাগিয়ে দেব এবং আমরা SIR করতে দেব না, তাহলে তাঁরা ভুল করছেন। দিল্লির বুকে আগুন জ্বলবে। নির্বাচন কমিশনের সামনে গিয়ে আমরাও দাঁড়াব এবং আমরা বলব— SIR করতে হবে, SIR করতে হবে, SIR করতে হবে।”

তৃণমূলের পাল্টা জবাব

পালটা কটাক্ষ করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি ‘কৈকেয়ীর জটিলতা’ বলে ব্যঙ্গ করে বলেন—

কুণাল ঘোষের বক্তব্য:
“একজন বৈধ ভোটারকেও আমরা হেনস্তার শিকার হতে দেব না। একজনও যদি হেনস্থার শিকার হন তাহলে বাংলার এক লক্ষ মানুষ নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করব। এই বার্তা খুব স্পষ্ট দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির ছলের খেলা ধরা পড়েছে বলেই তাঁদের দলের যারা কৈকেয়ী আছেন তাঁরা জটিলতা তৈরি করছেন।”

নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

উল্লেখযোগ্য যে, বাংলায় SIR কবে হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ১৭ আগস্ট মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সাংবাদিক বৈঠকে বলেন—

“বাংলায় SIR কবে হবে তা পরে জানানো হবে। তিনজন কমিশনার আলোচনা করার পর সঠিক সময়ে জানানো হবে।”

মূল পয়েন্ট

  • আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন।
  • SIR বাস্তবায়ন নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের তীব্র দ্বন্দ্ব।
  • বিজেপি বিধায়কের হুঁশিয়ারি— “দিল্লির বুকে আগুন জ্বলবে”।
  • তৃণমূলের পাল্টা— বৈধ ভোটারদের হয়রানি হতে দেওয়া হবে না।
  • নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

কেন্দ্রের নতুন আইন কি হিন্দুদের জন্য রক্ষাকবচ? কবিয়াল অসীমের মন্তব্যে উঠল প্রশ্ন

বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন কার্যকর

বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন কার্যকর

কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার

দেশে কার্যকর হয়েছে বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন (Immigration and Foreigners Act, 2025)। কেন্দ্রের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর-এর মধ্যে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, পার্সি, জৈন ও খ্রিস্টানদের দেশ ছাড়তে হবে না। এই নির্দেশিকায় স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার। মোদি-শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা কোনও হিন্দু ভাই-বোনকে আর দেশ ছাড়তে হবে না।” পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়কেও একহাত নেন তিনি। আরও খবর পড়ুন , ঘরে বসেই আবেদন করুন এই অ্যাপস এ

📌 অসীম সরকারের বক্তব্য: “২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওপার বাংলা থেকে আসা কোনও হিন্দুই আর অনুপ্রবেশকারী নন। সকলেই এদেশের নাগরিক। মোদিজি কথা দিলে কথা রাখেন।”

আইনের প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের ১১ মার্চ কেন্দ্র CAA কার্যকর করার গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে। এই আইনে বলা হয়, নাগরিকত্বের আবেদন জানানোর আগে অন্তত এক বছর এবং তার আগে ১৪ বছরের মধ্যে অন্তত পাঁচ বছর যাঁরা ভারতে থেকেছেন, তাঁরাই নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই আইনকে ঘিরে শুরু থেকেই তীব্র বিতর্ক চলছিল। তৃণমূল সরকার দাবি করে এসেছে, এই আইনে মতুয়া-সহ বহু সম্প্রদায়ের মানুষ নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বারবার বলেছেন, তাঁর রাজত্বে কাউকে দেশছাড়া হতে হবে না।

কে কে ছাড় পাবেন?

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা ছাড় পাবেন —

  • বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, পার্সি, জৈন ও খ্রিস্টানরা
  • ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে বা উৎপীড়নের ভয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪-এর মধ্যে ভারতে প্রবেশ করা শরণার্থীরা
  • যাঁদের বৈধ নথি বা পাসপোর্ট নেই কিংবা যাঁদের নথির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে

অর্থাৎ বৈধ নথি না থাকলেও তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারবে না পুলিশ। বরং তাঁদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • ১ সেপ্টেম্বর থেকে আইন কার্যকর হয়েছে
  • বৈধ নথি ছাড়া ভারতে প্রবেশ করলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • ধর্মীয় উৎপীড়িত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা পাবেন বিশেষ ছাড়
  • অসীম সরকারের দাবি, লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু এই আইনে স্বস্তি পাবেন

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ঘরে বসেই টাকা! পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু হল নতুন অ্যাপ, সহজে করুন আবেদন

শ্রমশ্রী অ্যাপ — পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য অ্যাপ্লিকেশন ও আবেদন পদ্ধতি

শ্রমশ্রী অ্যাপ — পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন “শ্রমশ্রী” চালু করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে পরিযায়ী শ্রমিকরা এখন আরও সহজে এবং সরাসরিভাবে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন। আজকের পোস্টে, আমরা শ্রমশ্রী অ্যাপের নতুন বৈশিষ্ট্য, আবেদন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

শ্রমশ্রী অ্যাপ কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

শ্রমশ্রী অ্যাপটি মূলত পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যারা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বা ভারতের বাইরে কর্মরত। এই অ্যাপের মাধ্যমে তারা সরাসরি “কর্মসাথী পরিযায়ী শ্রমিক” পোর্টালে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন এবং শ্রমশ্রী প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই অ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখন আর কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রয়োজন নেই — মোবাইলের মাধ্যমেই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া — ধাপে ধাপে

নিচে প্রতিটি ধাপ স্পষ্টভাবে দেওয়া হলো। অনুগ্রহ করে প্রতিটি তথ্য সঠিকভাবে ভরুন, কারণ যাচাইয়ের সময় ভুল তথ্য থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

১. নিয়োগকর্তার বিবরণ

আপনি যদি স্ব-নিযুক্ত হন, তাহলে নিয়োগকর্তার বিবরণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্যথায় নিম্নলিখিত তথ্য দিন—

  • এজেন্ট বা কোম্পানির নাম
  • ফোন নম্বর
  • ঠিকানা

২. ব্যাঙ্কের বিবরণ

  • ব্যাঙ্কের নাম
  • শাখার নাম
  • IFSC কোড
  • অ্যাকাউন্ট নম্বর

৩. নমিনীর বিবরণ

  • নমিনীর নাম
  • সম্পর্ক
  • আধার নম্বর
  • ফোন নম্বর

৪. পরিবারের বিবরণ

আপনার পরিবারের সদস্যদের নাম, লিঙ্গ, বয়স এবং আধার নম্বর যুক্ত করুন।

নথি আপলোড

প্রয়োজনীয় নথি (JPG বা PDF ফরম্যাটে এবং 500 KB-র কম) আপলোড করুন—

  • আপনার ছবি
  • আধার কার্ড
  • ব্যাঙ্কের পাসবই
  • ভোটার আইডি
  • রেজিস্ট্রেশনের বিবরণ

৫. চূড়ান্ত জমা

সমস্ত তথ্য পর্যালোচনা করে “Final Submit” বাটনে ক্লিক করুন।

নোট: আবেদন জমা দেওয়ার পরে আপনি “Check Status” বিকল্পের মাধ্যমে আপনার আবেদনের স্থিতি দেখতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ভ্রমণ সহায়তা ৫০০০ টাকা সম্পর্কে শর্ত:

  • এই প্রকল্পের অধীনে ৫০০০ টাকার ভ্রমণ সহায়তা পেতে, আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকে আবেদন করতে হবে।
  • অ্যাপটি আপনার লোকেশন ট্র্যাক করে; তাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে আবেদন করলে আপনি এই সহায়তার জন্য যোগ্য হবেন না।

অতিরিক্ত তথ্য ও অনুশীলন

এই নতুন শক্তিশালী অ্যাপটি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য সুবিধাজনক— তারা সহজেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবে এবং নিজের তথ্য, ব্যাঙ্ক বিবরণ, নমিনি ইত্যাদি আপডেট রাখতে পারবে। আবেদন করার সময় ফোন নম্বর ও আধার সঠিকভাবে দিন — যাচাই প্রক্রিয়ায় এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্য পুনরায়— সারসংক্ষেপ

  • অ্যাপের উদ্দেশ্য: পরিযায়ী শ্রমিকদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান।
  • মোবাইল-ভিত্তিক আবেদন: কম্পিউটার ছাড়াই আবেদন করা যাবে।
  • দলিল: ছবি, আধার, ব্যাঙ্ক পাসবই, ভোটার আইডি, রেজিস্ট্রেশন বিবরণ (JPG/PDF <500KB)।
  • ভ্রমণ সহায়তা শর্ত: আবেদন পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকে করতে হবে; লোকেশন ট্র্যাকিং প্রযোজ্য।

উপসংহার

এই নতুন শ্রমশ্রী অ্যাপটি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি অত্যন্ত উপকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে তারা সহজেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন এবং তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে পারবেন। অ্যাপটি ব্যবহার করে আবেদন করার সময় উপরের প্রতিটি অংশ ক্রমান্বয়ে পূরণ করলে কোন অংশ বাদ পড়বে না — এবং আপনি দ্রুতই আপনার আবেদন যাচাই করে স্থিতি জানতে পারবেন।

এই পৃষ্ঠার তথ্য ভিত্তিমূলক — আবেদন শুরু করার আগে অফিসিয়াল নোটিফিকেশন দেখে নিন। © পশ্চিমবঙ্গ সরকার (উল্লেখ্য: এখানে প্রদত্ত টেক্সট কন্টেন্ট কপিরাইট-মুক্ত বা উপস্থাপনমূলক)

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

প্রাক্তনের সঙ্গে বিবাদে মহুয়া ও জয় ✦ “একসঙ্গে বসে মিটিয়ে নিন” — হাই কোর্টের ধমক

প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে বিবাদে মহুয়া, পোষ্য হেনরি নিয়েই টানাপোড়েন

প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে বিবাদে মহুয়া, ‘পোষ্য হেনরি’ নিয়েই আইনি লড়াই

একসময় প্রকাশ্যে বলেছিলেন “জিল্টেড এক্স”। লোকসভা ভোটের আগে প্রাক্তন প্রেমিক জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের সঙ্গে সাময়িকভাবে বিবাদ মিটিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। জয় তাঁর করা মানহানির মামলা প্রত্যাহারও করেছিলেন। কিন্তু এই সম্পর্কের কাহিনিতে নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে তাঁদের পোষ্য রট হুইলার “হেনরি”। হেনরিকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন আইনি লড়াই, যা গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

🐾 হেনরির কাস্টডি নিয়ে টানাপোড়েন

হেনরিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দাবি পাল্টা দাবি—

  • মহুয়ার দাবি: হেনরি তাঁরই, তাই জয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এর দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া উচিত। আরও খবর পড়ুন , কেন্দ্রের নতুন নিয়ম নিয়ে অসমে চরম উত্তেজনা
  • জয়ের দাবি: হেনরি তাঁর। কুকুরটিকে তিনিই কিনেছেন এবং ৪০ দিন বয়স থেকেই তাঁর কাছে রয়েছে।
  • জয়ের অভিযোগ— মহুয়া হেনরিকে ব্যবহার করে তাঁর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছেন এবং তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
  • অন্যদিকে, মহুয়ার পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় জয় হেনরিকে বেআইনিভাবে নিজের কাছে রেখেছেন।

⚖️ আদালতের পর্যবেক্ষণ

বিষয়টি গড়ায় দিল্লি হাই কোর্টে। জয় অভিযোগ করেন, নিম্ন আদালত তাঁকে প্রকাশ্যে মুখ খোলার অনুমতি দিচ্ছে না, যা তাঁর বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। মহুয়া চান যৌথ দায়িত্ব ভাগাভাগি হোক।

বিচারপতি মনোজ জৈন এদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন—

“দু’জনে একসঙ্গে বসে সমস্যা মেটাচ্ছেন না কেন?”

আদালতের প্রশ্ন মহুয়ার প্রতি— “যৌথভাবে দায়িত্ব ভাগ করতে সমস্যা কী? মামলা থেকে আসলে কী চাইছেন?”

শেষ পর্যন্ত নির্দেশ দেওয়া হয়, আলোচনা করে সমাধান বের করে তার ফলাফল আদালতকে জানাতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ডিসেম্বর মাসে

🔙 সম্পর্ক থেকে বিরোধে

জয় এবং মহুয়া একসময় সম্পর্কে ছিলেন। পরে একাধিক অভিযোগ আনেন জয় অনন্ত দেহাদ্রাই। সংসদে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন করার অভিযোগও তিনিই প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। এর উত্তরে মহুয়া তাঁকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন— “জিল্টেড এক্স।” লোকসভা ভোটের আগে দ্বন্দ্ব সাময়িকভাবে মিটলেও এখন আবার সম্পর্কের ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে হেনরিকে কেন্দ্র করে।

👉 সারকথা: মহুয়া মৈত্র এবং জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু এখন তাঁদের পোষ্য হেনরি। আদালতও বিরক্ত হয়ে বলেছে, “নিজেদের মধ্যে বসে সমস্যা মিটিয়ে নিন।” তবে হেনরির ভাগ্য নির্ধারণ হবে ডিসেম্বরের শুনানিতেই।
সংবাদ প্রতিবেদন © ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কেন্দ্রের নতুন নিয়ম নিয়ে অসমে চরম বিক্ষোভ ।

নাগরিকত্বের নিয়মে নতুন ছাড়, উত্তেজনায় অসম

নাগরিকত্বের নিয়মে নতুন ছাড়, উত্তেজনায় অসম

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, জৈন, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও পার্সি সম্প্রদায়ের মানুষদের দেশে থাকার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল অসমের রাজনীতি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন—

  • নতুন নিয়মের সঙ্গে সিএএ (নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন)-এর কোনও যোগ নেই।
  • এ সিদ্ধান্তের সময়সীমাও বাড়ানো হয়নি।
  • নাগরিকত্বের দাবিতে এখন পর্যন্ত মাত্র ১২টি আবেদন জমা পড়েছে, এর মধ্যে ৩ জন ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

তাঁর দাবি, সিএএ নিয়ে যে ভয় বা আশঙ্কা ছড়ানো হয়েছিল, তা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

বিরোধীদের অবস্থান

দেবব্রত শইকিয়া (বিরোধী দলনেতা, অসম): তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে অসম চুক্তি অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে যাঁরা রাজ্যে এসেছেন, কেবল তাঁদেরই নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সিএএ এনে অসম চুক্তিকে দুর্বল করেছে। এবার আবার বিদেশিদের থাকার মেয়াদ দশ বছর শিথিল করে রাজ্যের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাইছে।

কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি: সংগঠনটির দাবি, এই নতুন নিয়ম আসলে ছদ্মবেশে সিএএ-র সময়সীমা বাড়ানোর কৌশল। বিজেপিকে এই বিশ্বাসঘাতকতার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

আম আদমি পার্টি (AAP): পদক্ষেপটিকে তারা বলেছেন “রাষ্ট্রবিরোধী, জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী”। দলের প্রশ্ন— “মোদী-অমিত শাহ কি দেশের ১৪৬ কোটি মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন?”

সিপিএম (সুপ্রকাশ তালুকদার, রাজ্য সম্পাদক): তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট যখন নাগরিকত্বের ভিত্তিবর্ষ হিসেবে ১৯৭১ সালকে নির্ধারণ করেছে, তখন কেন্দ্র ইচ্ছাকৃত ভাবে নতুন নিয়ম চাপিয়ে আদালত ও অসম চুক্তিকে অবমাননা করছে।

আসু (অসম ছাত্র সংগঠন): সংগঠনের অভিযোগ, নতুন নিয়মে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা নামমাত্র বৃদ্ধি করা হলেও আসলে তাদের হাত আরও বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, “অসমকে নির্বিচারে অবৈধ বাংলাদেশিদের আশ্রয়স্থল হতে দেওয়া যাবে না।”

সম্ভাব্য প্রভাব ও আশঙ্কা

বিরোধী দলগুলির মতে, নতুন নিয়মে প্রায় পাঁচ লক্ষ বিদেশি নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৬৯,৫০০ জনকে ইতিমধ্যেই ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল বিদেশি ঘোষণা করেছে। আরও খবর পড়ুন ,পশ্চিম বঙ্গ কি ভারত থেকে আলাদা হতে চলেছে!বিস্ফোরক মন্তব্য

রাজ্যের সীমিত জমি, সম্পদ ও সামাজিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারীরা।

জনআন্দোলন

নতুন নিয়ম ঘোষণার পরই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

👉 সারকথা: কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসমে ফের উত্থান হয়েছে নাগরিকত্ব বিতর্কের। মুখ্যমন্ত্রী যদিও আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু বিরোধী দল ও সংগঠনগুলো একে সরাসরি অসম চুক্তির লঙ্ঘন ও সিএএ-র গোপন সম্প্রসারণ বলে অভিযোগ করছে।
সংবাদ প্রতিবেদন © ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog