Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 5 September 2025

আদিবাসী মহিলা কর্মাধ্যক্ষর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, সরকারি জমি দখল: তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

আদিবাসী মহিলা কর্মাধ্যক্ষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, সরকারি জমি দখলে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

আদিবাসী মহিলা কর্মাধ্যক্ষর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, সরকারি জমি দখল: তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

সাগরদিঘি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মশিউর রহমান পার্ক স্ট্রিট থেকে পুলিশের হাতে

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা এবং সাগরদিঘি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মশিউর রহমান এবার পুলিশের জালে। বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতার পার্ক স্ট্রিট এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সাগরদিঘি থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। পঞ্চায়েত সমিতির আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলা কর্মাধ্যক্ষর সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও কটূক্তি থেকে শুরু করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আধিকারিকদের মারধর এবং সরকারি জমি দখলের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

দলীয় সূত্রে খবর, এর আগে মহিলা কর্মাধ্যক্ষের সঙ্গে অশোভন আচরণের মামলায় তিনি জামিনে মুক্ত ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ থামেনি। বরং ক্রমাগত অভিযোগের পাহাড় জমতে থাকে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে জেলা নেতৃত্বের তরফে তাঁকে পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর লিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান সরাসরি সেই বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন। কিন্তু মশিউর কোনও নির্দেশই মানেননি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক মামলায় অভিযুক্ত থাকার পর থেকেই মশিউর এলাকায় দেখা দিচ্ছিলেন না। ফোনও বন্ধ করেছিলেন। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীর মোবাইল ফোনের লোকেশন ধরে পুলিশের হাতে আসে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। সেই সূত্র ধরেই বুধবার পার্ক স্ট্রিট থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। রাতেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সাগরদিঘি। বৃহস্পতিবার জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় অভিযুক্তকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন মশিউর। প্রশাসনিক কাজকর্মে হস্তক্ষেপ থেকে শুরু করে দলীয় পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন বেআইনি কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ মশিউর অস্বীকার করে আসছিলেন। দলীয় মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে, এত অভিযোগ সত্ত্বেও এতদিন কীভাবে সক্রিয় ছিলেন তিনি। গ্রেফতারের পর দল তাঁকে নিয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর।

🔹 হাইলাইটস

  • মশিউর রহমান, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা, সাগরদিঘি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গ্রেফতার।
  • আদিবাসী মহিলা কর্মাধ্যক্ষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধরের অভিযোগ।
  • সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আধিকারিকদের মারধর ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ।
  • জেলা নেতৃত্ব তাঁকে পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু মানেননি।
  • গ্রেফতারের আগে ফোন বন্ধ রেখে পালানোর চেষ্টা, মোবাইল লোকেশন ধরে ধরা।

মশিউর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকার প্রশাসন এবং দলীয় কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করছিলেন। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, দলীয় পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন বেআইনি কাজের অভিযোগে যুক্ত থাকার পরও সক্রিয় ছিলেন। গ্রেফতারের পর এখন দলের কঠোর পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#মশিউর_রহমান #তৃণমূল #গ্রেফতার #আদিবাসী_মহিলা #সাগরদিঘি #সরকারি_জমি #রাজনীতি

“আদালতের কড়া বার্তা, হাইকোর্টে ভরাডুবি শেখ শাহাজাহানের শাগরেদের”

হাইকোর্টে ধাক্কা: শেখ শাহাজাহানের শাগরেদ শিবু হাজরার জামিন আবেদন খারিজ

হাই কোর্টে ধাক্কা — শিবু হাজরার জামিন আবেদন খারিজ, সন্দেশখালি কাণ্ডে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও খবর পড়ুন , যোগীর রাজ্যে বাংলার মেয়ের হেনস্তা থানায় নিয়ে গিয়ে

২০২৪ সালের ইডি হানা ও পরে গ্রেপ্তার— সংঘর্ষ, অভিযোগ ও আদালত: ঘটনার সময়রেখা ও প্রভাব বিশ্লেষণ

রিপোর্ট
স্থান: সন্দেশখালি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা / কলকাতা
আপডেট: সর্বশেষ শঙ্কন (পুলিশ ও আদালত সূত্রে)

শেখ শাহাজাহানের শাগরেদ শিবু হাজরার জামিন আবেদন কলকাতা হাইকোর্টে খারিজ — রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সঙ্কট

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ইডি-র হানার পর সন্দেশখালি এলাকার নামটি নতুন করে শিরোনামে আসে। স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা শেখ শাহাজাহান ও তার ঘনিষ্ঠ অনুগামীদের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠে— তৎপর নেতাদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন। এরপর ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করলে ঘটনাটি দ্রুত রাজ্য রাজনীতির আলোচনায় আসে।

আদালতী পর্যায়ে গত পর্যায়ে শিবু হাজরার জামিন আবেদন প্রধান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে নামিয়েই খারিজ করা হয়েছে— গণধর্ষণের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে আবেদনটি মঞ্জুর করা হয়নি।

ইডি হানার পটভূমি ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি

জানুয়ারিতে সন্দেশখালির শেখ শাহাজাহানের বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) অভিযান চালায় বলে জেলা-রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। ওই সময় ইডি দলকে ঘিরে এবং অভিযান চলাকালে আক্রমণের ঘটনাও ঘটায়— যা পরে রাজনৈতিক হিংস্রতায় রূপ নেয়। এই ঘটনার পর নানা রকম তথ্য-বিবরণ সামনে আসে এবং সন্দেহ-তথ্য ঘিরে তদন্ত তৎপরতা বেড়ে যায়।

শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

এলাকার কিছু নারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান যে, শিবু ও তাঁর অনুরাগীরা রাতে এলাকায় নির্যাতন, জবরদস্তি এবং অনৈতিক আচরণে লিপ্ত ছিলেন— এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার বিষয় ছিল। অভিযোগগুলো তদন্তের আওতায় নিয়ে আসার পরই পার্টির অভ্যন্তরে ও বাহিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

  • ২০২৪ জানুয়ারি: সন্দেশখালিতে ইডি-র হানা; তত্ত্বাবধায়ক দলের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রতিবেদন উঠে আসে।
  • ফেব্রুয়ারি: রাজ্যপুলিশ তৎপর হয়ে শিবু হাজরা ও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে।
  • আদালত: শিবু হাজরার জামিন আবেদন গণধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাইকোর্টে খারিজ।

আইনী ও রাজনৈতিক পরিণতি

আদালতের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে বড় সঙ্কেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় রাজনীতিতে শাসক এবং বিরোধী শিবির দু'পক্ষেই এই ঘটনায় নিজস্ব ব্যাখ্যা দিচ্ছে। বিরোধীরা বলছেন— ঘটনার গুরুত্ব অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন; শাসকদল যদিও বলছে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। আদালতের রায়ের ফলে এই ঘটনাটি এখন নতুন করে কেন্দ্রে চলে এসেছে এবং তদন্ত আরও গতি পেতে পারে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও আগামী ধাপ

সন্দেশখালি এবং আশপাশের এলাকায় এই খবর পৌঁছার পর পরিস্থিতি অস্থির হয়ে পড়ে; স্থানীয় নেতারা জনসমাবেশ ও শান্তি আহ্বান করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে— ফরেনসিক ও সাক্ষ্যপ্রমাণ ভিত্তিক তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজ্য রাজনীতিতে এ নিয়ে সমালোচনা ও সমর্থন— দুদিকই দেখা যাচ্ছে।

সংক্ষেপে: সন্দেশখালি কাণ্ড বিচারিক পর্যায়ে নতুন মোড় নিলো— হাইকোর্টে জামিন খারিজ হওয়ায় তদন্ত ও রাজনৈতিক উত্তাপ একসঙ্গে বেড়েছে। আইন ও তদন্ত প্রক্রিয়া যে পথে যাবে, সেটিই আগামী পরিণতি নির্ধারণ করবে।
#সন্দেশখালি
#শেখ_শাহাজাহান
#শিবু_হাজরা
#ইডি
#কলকাতা_হাইকোর্ট

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
© 2025 ডিজিটাল ডেস্ক | কপি-রাইট ফ্রি কনটেন্ট — পুনঃপ্রকাশের আগে উৎস উল্লেখ করুন।

বউয়ের সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে ভায়কে খুন, ১০ ফুট গর্তে পুঁতে দিল স্বামী — গ্রাম স্তম্ভিত”

রাজস্থানে নৃশংস হত্যা: পরকীয়ার সন্দেহে ভাইকে খুন করে ১০ ফুট গভীরে পুঁতলেন স্বামী
ক্রাইম রিপোর্ট
স্থান: নাগৌর, রাজস্থান
তারিখ: ২৭ অগাস্ট (পুলিশ সূত্রে)

নাগৌরের ভাওয়ান্দা থানার তদন্তে— অভিযুক্ত স্বামী স্বীকার করলেন খুন

রাজস্থানের নাগৌর জেলার ভাওয়ান্দা থানার পুলিশ জানিয়েছে, ২৯ বছর বয়সী সোহানরাম ২৭ অগাস্ট নিজ খুড়তুতো ভাই মুকেশ গালওয়াকে নৃশংসভাবে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে— সোহানরাম আশা করতেন, শত্রুতা মিটে যাবে; কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে মুকেশের সম্পর্কের সন্দেহ ছাড়া তার মাথায় যে পরিকল্পিত প্রতিশোধ হবে, সে কথা কেউ কল্পনাও করেনি। আরো খবর পড়ুন,সনাতন ধর্ম নিয়ে রসিকতা

পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে: সোহানরাম মুকেশকে গণেশ পুজোর আমন্ত্রণ জানান, অনুষ্ঠান শেষে রাতের অন্ধকারে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে লোহার রড দিয়ে ধারাবাহিকভাবে আঘাত করেন— পরবর্তীতে মৃতদেহ বুলডোজার ব্যবহার করে খোঁড়া ১০ ফুট গভীর গর্তে পুঁতে দেন।

ঘটনার ধরণ ও তদন্তের অগ্রগতি

পুলিশি বিবরণ অনুযায়ী, মুকেশ প্রথমে দাদার পাঠানো আমন্ত্রণ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সোহানরাম ছল করে মুকেশকে সেখানে থেকে নিয়ে যান। স্থানীয়রা জানান, অনুষ্ঠান শেষে রাতে মুকেশ ভীরুচারণা গোছের ভিড়ে দুরে চলে যান— এরপর সোহানরামের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। পরদিন কয়েকটি সন্দেহজনক চিহ্ন ও মাটির ডিঙার কাজের কারণে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

ভাওয়ান্দা থানার আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বুলডোজারের চিহ্ন, তাজা মাটি ও আশপাশের পাথরের বিন্যাস দেখে সন্দেহ বাড়ে। অভিযুক্ত সোহানরামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেন— পুলিশ বলেছে, তিনি মৃতদেহ স্থানীয় মন্দির থেকে প্রায় ৬০০–৭০০ মিটার দূরে নিজের খনির জায়গায় গিয়ে দাফন করেছেন এবং পরে সেই জায়গা বালি ও ছোট পাথর দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন।

প্রাথমিক অভিযোগের সারাংশ

  • আচরণ: সোহানরাম মুকেশকে গণেশ পুজোর আমন্ত্রণের মাধ্যমে ডেকেছিলেন।
  • হত্যার মাধ্যম: লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত।
  • দাফন পদ্ধতি: বুলডোজার ব্যবহার করে ১০ ফুট গভীর গর্ত খোঁড়া এবং মৃতদেহ পুঁতে দেওয়া।
  • অবস্থান: মৃতদেহ স্থানীয় মন্দির থেকে প্রায় ৬০০–৭০০ মিটার দূরে খনির জায়গায়।

পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

গ্রামবাসী ও নিহতের আত্মীয়রাও হতবাক ও বিব্রত। অনেকেই বলছেন— এমন নিষ্ঠুরতা পূর্বে কোনো রেকর্ডে দেখা যায়নি। পরিবারের সদস্যরা এখন শোক ও ভয়ে ভুগছেন। স্থানীয় নেতারা পুলিশি তদন্তের দ্রুততার প্রশংসা করেছেন তবে তারা চেয়েছেন— বিচারের মাধ্যমে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হোক যাতে ভবিষ্যতে এ রকম সংঘটিত কাণ্ড রোধ করা যায়।

পুলিশি বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ ব্যবস্থা

ভাওয়ান্দা থানার অফিসার ইন-চার্জ জানান— ঘটনার তদন্ত চলছে। ফরেনসিক টিমের সাহায্যে মৃতদেহ পরীক্ষা, মৃতদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া এবং খোঁড়া গর্ত থেকে সংগ্রহ করা উপাদান পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এছাড়া অভিযুক্তের উক্তি, ঘটনার সময়ে মোবাইল ট্র্যাকিং ও প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানও সংগ্রহ করা হচ্ছে। আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হত্যার বিচার করা হবে বলে তারা নিশ্চিত করেছেন।

সংক্ষেপে: অভিযোগ— পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত প্রতিশোধের পরিণতি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে; স্থানীয় প্রশাসন ও ফরেনসিক তদন্তই এখন সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে।
#রাজস্থান
#নাগৌর
#ভয়ংকর_পরকীয়া
#খুন_ও_দাফন
#JusticeForMukesh
© 2025 সংবাদ ডেস্ক | কপি-রাইট ফ্রি কনটেন্ট — পুনঃপ্রকাশের পূর্বে উৎস উল্লেখ করুন।

যোগীরাজ্যে বাংলার তরুণী পুলিশের হেনস্থা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ

যোগীরাজ্যে বাংলার তরুণীর পুলিশি হেনস্থা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ
সংবাদ
তারিখ: আজ
স্থান: উত্তরপ্রদেশ (কাটকা) / দক্ষিণ ২৪ পরগনা

সুবিচারের আশায় থানায় গিয়ে পুলিশি হেনস্থা— বাংলার তরুণী বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ

উত্তরপ্রদেশের কাটকা থানায় গিয়ে আরও একবার সরকার ও পুলিশের ওপর প্রশ্ন উঠে— দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের এক তরুণী জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের চেষ্টা করলে অভিযোগ করা হচ্ছে, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয় এবং এফআইআর নথিভুক্ত করা থেকে বিরত রাখা হয়। বহুবার জেলা স্তর ও মহকুমা পর্যায়ে বিচার দাবির পরও ন্যায় না পেয়ে ওই তরুণী শেষরক্ষা অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতাওয়ালের কাছে অভিযোগ জানান।

ঘটনার খবরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রীতিমতো স্তম্ভিত হন এবং অবিলম্বে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি লিখে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

ঘটনার মূল কাহিনি

পুলিশি জটিলতায় পড়া ওই তরুণী কিছুদিন যাবৎ উত্তরপ্রদেশে ছিলেন। শহরে কোনো অপ্রিয় ঘটনার সম্মুখীন হয়ে তিনি কাটকা থানায় গিয়ে প্রতিকার চাইতে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, থানা কর্তৃপক্ষ এফআইআর দ্রুত নথিভুক্ত করেনি এবং একজন পুলিশ অফিসার অশ্লীল আচরণ ও হেনস্থার অভিযোগের শিকার করেন তাঁকে। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার ও মহকুমা অফিসারের দ্বারস্থ হলেও কার্যকর সহযোগিতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

রামদাস আতাওয়াল সংক্ষিপ্তভাবে বিষয়টি শুনে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্তের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে, পাশাপাশি ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।

  • ভুক্তভোগী: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের এক তরুণী (বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে থাকা)
  • স্থান: আম্বেদকর নগর, কাটকা থানা
  • প্রধান অভিযোগ: এফআইআর না হওয়া, থানার কর্মচারীর দ্বারা হেনস্থা
  • প্রাপ্ত প্রতিক্রিয়া: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতাওয়াল যোগীকে চিঠি

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে— কেন্দ্র ও রাজ্য একই রাজনৈতিক শাসক হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার কি নিশ্চিত হচ্ছে? নারী সুরক্ষা নিয়ে সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটার সঙ্গে বাস্তব ঘটনা মিলছে কি না— এই ধরনের প্রশ্ন এখন তীব্রভাবে উঠছে। বিরোধীরা ঘটনাটিকে বড় করে তুলে ধরে বলছে, নামমাত্র প্রতিশ্রুতির পেছনে বাস্তবে দায়িত্ব সবদিক থেকে অনিয়ম রয়েছে।

আইন-ব্যবস্থা ও পুলিশের ভূমিকা

আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন— থানায় অভিযোগের প্রাথমিক গ্রহণ ও এফআইআর রেকর্ড করা অপরিহার্য। ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা পুলিশের নৈতিক ও আইনগত কর্তব্য। যদি থানার কোনো কর্মচারী দ্বারা তোষামোদ, অবহেলা বা হেনস্থার ঘটনা ঘটেও থাকে, তবে তা তত্ক্ষণাৎ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

পরবর্তী করণীয়

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চিঠির পর কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে— তা মনোযোগের বিন্দু। যোগী প্রশাসন তদন্ত করে অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে পদক্ষেপ করলে রাজনৈতিক চাপ কমবে; নতুবা এ ঘটনা দীর্ঘ সময় ধরে বিতর্কের উৎস হয়ে থাকবে এবং নারীর নিরাপত্তা নিয়ে জনআঞ্চলিক ক্ষোভ বাড়বে।

সংক্ষিপ্তভাবে— একটি সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচারের দাবিকে গুরুত্ব না দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা কেবল ব্যক্তিগত নয়, সার্বজনীন বিশ্বাসঘাতকতা তৈরি করে। রাজ্য ও কেন্দ্র উভয়ের তৎপরতা বিবেচ্য হবে।
#নারী_সুরক্ষা
#পুলিশি_হেনস্থা
#উত্তরপ্রদেশ
#রামদাস_আতাওয়াল
#যোগী_আদিত্যনাথ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
© 2025 সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক | কপি-রাইট ফ্রি কনটেন্ট — পুনঃপ্রকাশের আগে অনুগ্রহ করে সংক্ষিপ্ত উত্স (source) উল্লেখ করুন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ভোটযুদ্ধের নতুন অধ্যায়: কমিশনকে কোণঠাসা করতে কংগ্রেসের ব্যালট তত্ত্ব”

কর্নাটকে ফের ব্যালট | ইভিএমে অনাস্থা কংগ্রেসের

কর্নাটকে ফের ব্যালট! ইভিএমে অনাস্থা কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত

৪৩ বছর পর রাজ্যে স্থানীয় নির্বাচনে ভোট হবে ব্যালটে

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) জনগণের আস্থা কমেছে— এমন যুক্তি দেখিয়ে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার আসন্ন স্থানীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের ব্যালট পেপারের ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণে ইভিএম নয়, কেবল ব্যালট ব্যবস্থাই গ্রহণযোগ্য। এই পদক্ষেপকে অনেকেই আরও খবর পড়ুন , TMC এর এই নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভোট লড়বেন দেখছেন দেশজুড়ে ইভিএম-বিরোধী আন্দোলনকে নতুন করে চাঙ্গা করার প্রচেষ্টা হিসেবে।

🗳️ ১৯৮২ সালের পর এই প্রথম কর্নাটকে ভোট হবে ব্যালট পেপারে। স্থানীয় নির্বাচনে প্রায় ৬০% ভোটার অংশ নেন।

কংগ্রেসের দাবি ও চ্যালেঞ্জ

রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী এইচ কে পাতিল বলেন, “ইভিএমের আর কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। মহারাষ্ট্র নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে হাজার হাজার ভোট পড়ার ঘটনা সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে।” তিনি বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন— ইভিএম ছাড়া তারা জিততে পারে কি না, সেটা প্রমাণ করতে হবে।

ইভিএম বিতর্কের ইতিহাস

২০১৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিরোধীরা ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। প্রথমে বিএসপি নেত্রী মায়াবতী সরব হন, পরে সুর মেলান সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। দিল্লি পুরনির্বাচনে হারের পর আম আদমি পার্টি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তোলে। এমনকি দিল্লি বিধানসভায় ইভিএম হ্যাকিং-এর ডেমোও দেখান বিধায়ক সৌরভ ভরদ্বাজ। যদিও নির্বাচন কমিশন বরাবরই দাবি করেছে, ইভিএম হ্যাক করা সম্ভব নয়।

  • ২০১৭: উত্তরপ্রদেশে প্রথম বড় বিতর্ক
  • বিএসপি ও সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ
  • দিল্লিতে আম আদমি পার্টির আন্দোলন
  • নির্বাচন কমিশনের ওপেন চ্যালেঞ্জ

বিজেপির অবস্থান

শাসক দলের মতে, ইভিএম নিয়ে অভিযোগ আসলে বিরোধীদের অজুহাত মাত্র। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এই বিতর্ককে কাজে লাগানো হচ্ছে। তবে বিরোধীদের বক্তব্য, একাধিক ক্ষেত্রে কারচুপির প্রমাণ এবং যান্ত্রিক ত্রুটি পাওয়া গেছে। ফলে ভোটাররা ইভিএমের উপর আস্থা হারাচ্ছেন।

কমিশনের উপর বাড়তি চাপ

এর মধ্যেই ভোটার তালিকা নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। তার উপর ব্যালট ফেরানোর সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর ফলে আসন্ন কর্নাটক নির্বাচন ঘিরে জাতীয় স্তরে ফের ইভিএম-বিতর্ক জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো।

#কর্নাটক #ব্যালট #EVM #Congress #ElectionCommission #IndianPolitics

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

© 2025 আপনার ব্লগ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

হিন্দু অধিকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের এই হেভি ওয়েট নেতা বিধানসভা ভোটে লড়বেন

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী: রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জোরে

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী: রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জোরে

প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্ভাব্য নন্দীগ্রাম লড়াই, দলীয় প্রস্তুতি তীব্র

নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। গুরুত্বর সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়র নাম। যদিও প্রকাশ্যে রাজীব জানিয়েছেন, তাঁকে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর কথায়, নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ পুরোপুরি রটনা। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনার উত্থান হয়েছে।

তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি জেলা ও ব্লক ধরে ধরে বিধানসভা কেন্দ্রগুলির সাংগঠনিক বৈঠক করছেন। বেশিরভাগ বৈঠক ইতিমধ্যেই শেষ। বাকি রয়েছে শুধু নন্দীগ্রাম। সেই কেন্দ্রকে ঘিরেই দলের ভেতরে চলছে আলাদা প্রস্তুতি। ১৩ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নন্দীগ্রামের জন্য বিশেষ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নন্দীগ্রামে বহুদিন ধরেই তৃণমূলের ভেতরে তীব্র গোষ্ঠীকোন্দল চলছে। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব এবং প্রার্থীপদে একাধিক দাবিদার থাকার কারণে শীর্ষ নেতৃত্ব চাইছে বাইরের কাউকে সামনে আনতে। সেই জায়গাতেই উঠে এসেছে রাজীবের নাম। রাজীব তমলুক লোকসভা এলাকায় পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। নন্দীগ্রাম ওই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হওয়ায় স্থানীয় সংগঠন ও নেতাদের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি রয়েছে।

🔹 হাইলাইটস

  • রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে জোরে আলোচনায়।
  • তিনি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের পূর্বপরিচিত নেতা ও পর্যবেক্ষক।
  • লোকসভা ভোটে দেবাংশু ভট্টাচার্যের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
  • তৃণমূলের ভিতরে গোষ্ঠীকোন্দল ও একাধিক দাবিদারের কারণে বাইরের প্রার্থী বিবেচিত।
  • রাজীবের জন্য নন্দীগ্রামে বিশেষ বৈঠক ১৩-১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্ভাব্য।

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তমলুকে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য প্রচারে রাজীবের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যদিও দেবাংশু শেষ পর্যন্ত বিজেপির অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়র কাছে পরাজিত হন, তবুও সংগঠনের দায়িত্ব সামলানোয় রাজীবের ভূমিকায় সন্তুষ্ট ছিল তৃণমূল।

গত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। টানটান ভোটযুদ্ধের শেষে তিনি মাত্র ১,৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন। দলের ভেতরে একপ্রকার পরিষ্কার যে মমতা আর নন্দীগ্রামে প্রার্থী হবেন না। ফলে নতুন মুখ খুঁজছে শীর্ষ নেতৃত্ব।

লোকসভা ভোটের পরিসংখ্যান বলছে, নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রায় ৯ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে। এই পরিসরে রাজীবের পক্ষে জয় পাওয়া সহজ নয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে দল মনে করছে, যদি তিনি মাটি কামড়ে লড়াই দেন, ভবিষ্যতে তাঁকে 'সম্মানজনক পুনর্বাসন' দেওয়া সম্ভব। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি অনেকটা ২০১৪ সালে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইন্দ্রনীল সেনকে দাঁড় করানোর কৌশলের মতো। সেই ভোটে হেরে গেলেও পরে ইন্দ্রনীলকে বিধানসভা জিতিয়ে মন্ত্রী করেছিলেন মমতা।

উল্লেখ্য, রাজীব একসময় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। ডোমজুড় কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রতীকেও ভোটে লড়েছিলেন, তবে পরাজিত হন। কিছুদিনের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন। পরে তাঁকে ত্রিপুরার দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং সম্প্রতি হাওড়া জেলা পরিষদের মেন্টর করা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#নন্দীগ্রাম #তৃণমূল #রাজীববন্দ্যোপাধ্যায় #শুভেন্দু #বিধানসভা #রাজনীতি #মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায়

মা সিরিয়াল ছোট্ট ছেলেকে এখন বড় হয়েছে

'মা' সিরিয়ালের ঝিলিক তিথি বসু কেন এখন পর্দা থেকে দূরে?

'মা' সিরিয়ালের ঝিলিক তিথি বসু কেন এখন পর্দা থেকে দূরে?

প্রসেনজিতের সহ-অভিনেত্রী থেকে ভ্লগার—কেমন চলছে তিথির জীবন?

🎬 বিস্তারিত প্রতিবেদন

এক সময়ে বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘মা’-তে ‘ঝিলিক’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছিলেন তিথি বসু। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি সবার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন। এমনকি বাংলা সিনেমার মেগাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ‘বন্ধু’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু, এখন প্রশ্ন উঠছে—কেন পর্দা থেকে দূরে সরে গেলেন এই প্রাক্তন জনপ্রিয় শিশুশিল্পী?

তিথির নিজস্ব বক্তব্য: তিনি জানান, ‘মা’ সিরিয়ালের সময় তাঁর বয়স খুবই কম ছিল, জীবনের সিদ্ধান্ত নিতেন বাবা-মা। তাই লেখাপড়াকেই তখন অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। এখন তিনি কলেজ পাশ করে ভ্লগিং-এ মন দিয়েছেন।

সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও ছোটবেলা কাটিয়ে তিথি যখন বড় হলেন, তখন অভিনয়জগতে তাঁকে সেভাবে দেখা যায়নি। যদিও ‘ময়ূরপঙ্খী’ ধারাবাহিকে তাঁকে আবারও দেখা গিয়েছিল কলেজজীবনে। বর্তমানে তিনি ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভ্লগিং নিয়ে ব্যস্ত। দৈনন্দিন জীবনযাপন, শরীরচর্চা ও লাইফস্টাইল কনটেন্ট নিয়েই তাঁর বেশিরভাগ ভ্লগ।

📌 মূল কারণসমূহ

  • ‘মা’ সিরিয়ালের সময় ছোট থাকায় বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তে লেখাপড়াকেই অগ্রাধিকার দেন।
  • কলেজে পড়াকালীন অভিনয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন ‘ময়ূরপঙ্খী’-র মাধ্যমে।
  • অভিনয়ের প্রস্তাব থাকলেও কিছু কাজ শেষ মুহূর্তে হাতছাড়া হয়ে যায়।
  • বর্তমানে নিয়মিত ভ্লগিং-এ সক্রিয় এবং তাতে বিশাল ফ্যানবেস গড়ে উঠেছে।
  • তিথির বিশ্বাস, ধৈর্য ধরলে একদিন ভালো চরিত্রে আবারও তিনি সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে অভিনয়ের জগতে না থাকলেও, তিথি বসু এখনও দর্শকের কাছে জনপ্রিয়। তাঁর ‘ঝিলিক’ চরিত্রের স্মৃতি এখনও দর্শকদের মনে রয়ে গেছে। ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে নতুন পরিচয়ে উঠে আসলেও, তিনি নিজেই আশা করছেন যে আবারও একদিন পর্দায় ফিরবেন বড় চরিত্র নিয়ে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
#তিথিবসু #ঝিলিক #মাসিরিয়াল #বাংলাটেলিভিশন #প্রসেনজিৎচট্টোপাধ্যায় #বাংলাসিনেমা #অভিনেত্রী #ভ্লগিং #ময়ূরপঙ্খী #বাংলাবিনোদন
© 2025 সংবাদ ডেস্ক | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Thursday, 4 September 2025

বিতর্কের ঝড়: সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্যে বিপাকে অনির্বাণ ভট্টাচার্য”

সনাতন ধর্ম অসম্মান বিতর্কে অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও হুলিগ‌্যানিজম ব্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সনাতন ধর্ম অসম্মান বিতর্কে অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও হুলিগ‌্যানিজমের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাকস্বাধীনতা বনাম শালীনতার বিতর্কে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি

🔎 বিস্তারিত প্রতিবেদন

ইচ্ছাকৃতভাবে সনাতন ধর্মকে অসম্মান করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা-গায়ক অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তাঁর বাংলা রক ব্যান্ড ‘হুলিগ‌্যানিজম’-এর বিরুদ্ধে লালবাজার সাইবার থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ব্যান্ডের গানে ধর্মবিশ্বাস ও সামাজিক অনুভূতিকে আঘাত করা হয়েছে, যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

বিজেপির অভিযোগ: তরুণজ্যোতি তেওয়ারি, বিজেপি নেতা ও আইনজীবী, ইমেল মারফত সাইবার থানায় অভিযোগ জানান। তিনি ব্যান্ডের একটি গানের ক্লিপিংও পুলিশের কাছে পাঠিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত মামলা শুরু হয়েছে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আরও পড়ুন , পাক ক্রিকেটার এর সাথে সুস্মিতার বিয়ে না গোপন প্রেমের গুঞ্জন এদিকে, বিজেপির তরফ থেকে কড়া অবস্থান নিলেও দলের প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ ভিন্ন সুরে সতর্ক করেছেন অনির্বাণদের। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাকস্বাধীনতা সবার থাকলেও তা যেন শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে। রসিকতা করার সময় কারও ধর্মীয় বিশ্বাস, নীতি বা ব্যক্তিগত আদর্শকে আঘাত করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

📌 মূল পয়েন্টসমূহ

  • ‘হুলিগ‌্যানিজম’-এর একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক গানকে কেন্দ্র করে বিতর্ক।
  • এসআইআর, মন্দির-মসজিদ বিবাদ, সিপিআই(এম)-এর পতন ও কুণাল ঘোষকে নিয়েও ব্যঙ্গ।
  • তৃণমূলের কুণাল ঘোষ গানের প্রশংসা করলেও সিপিআই(এম) ও বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
  • বিজেপির অভিযোগ—ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করে জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা।
  • সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও এখনও মামলা রুজু হয়নি।

রাজনৈতিক শিবিরগুলির ভিন্ন প্রতিক্রিয়া যেমন সামনে এসেছে, তেমনই নেটিজেনদের মধ্যেও বিষয়টি ঘিরে উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে। কেউ বলছেন, এটি বাকস্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ, আবার কেউ বলছেন শালীনতার সীমা রক্ষা করা জরুরি। সব মিলিয়ে, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও তাঁর ব্যান্ড ‘হুলিগ‌্যানিজম’কে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় সরগরম নেটপাড়া ও রাজ্য রাজনীতি।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
#অনির্বাণভট্টাচার্য #হুলিগ‌্যানিজম #সনাতনধর্ম #বিজেপি #রাজনৈতিকবিতর্ক #বাংলাব্যান্ড #বাকস্বাধীনতা
© 2025 সংবাদ ডেস্ক | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

“সুস্মিতা-ওয়াসিমকে ঘিরে নতুন জল্পনা: বিয়ে সানাই বাজছে?”

সুস্মিতা সেন ও ওয়াসিম আক্রাম: গুজব, বন্ধুত্ব ও আসল সত্য

সুস্মিতা সেন ও ওয়াসিম আক্রাম: গুজব, বন্ধুত্ব নাকি সত্যিকারের সম্পর্ক?

গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে ক্রিকেট মাঠ— আলোচিত সম্পর্কের অন্দরমহল

চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে সুস্মিতা সেন

প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী এবং বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন। কখনও তাঁর সাহসী মন্তব্য, কখনও ব্যক্তিগত জীবন, আবার কখনও প্রেম এবং বিয়ের গুঞ্জন তাঁকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমে ঝড় তোলে। কয়েক বছর আগে ব্যবসায়ী ললিত মোদীর সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে খবর ছড়িয়েছিল। ললিত নিজেই সেই সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন। তবে এরও আগে আরও একবার বড় আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনি, আর তা হলো পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার ওয়াসিম আক্রামের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানো।

রিয়েলিটি শো থেকেই শুরু জল্পনা

২০১০ সালের দিকে নাচের রিয়েলিটি শো “এক খিলাড়ি এক হাসিনা”-তে একসঙ্গে বিচারক হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন সুস্মিতা সেন এবং ওয়াসিম আক্রাম। তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ঘিরেই প্রথম গুঞ্জনের সূচনা। অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কেবল বন্ধুত্ব নয়, আরও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশ পেতেই ভক্তদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নতুন করে আরও বড় আকার নেয় ২০১৩ সালে, যখন কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে— তাঁরা খুব শিগগিরই বিয়ে করতে চলেছেন।

সুস্মিতার স্পষ্ট বক্তব্য

সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সুস্মিতা লেখেন— “ওয়াসিমের সঙ্গে আমার বিয়ের খবর শুনছি। পুরোটাই ভিত্তিহীন এবং বাজে কথা। এটি প্রমাণ করে সংবাদমাধ্যম কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে। ওয়াসিম আমার বন্ধু এবং সবসময় তাই থাকবেন। তাঁর জীবনে একজন অসাধারণ নারী আছেন। এই ধরনের গুজব শুধু অপ্রয়োজনীয় নয়, বরং অসম্মানজনক।” তিনি আরও জানান, “আমি যখন সত্যিকারের মানুষটিকে খুঁজে পাব, তখন প্রথমেই আমার ভক্তদের জানাব।”

ওয়াসিম আক্রামের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে ওয়াসিম আক্রামও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, “এমন গুজব বারবার অস্বীকার করতে করতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। আমি চাই এই বিষয়গুলো চিরতরে বন্ধ হোক।” যদিও তিনি সুস্মিতার প্রশংসা করতেও ভোলেননি। তাঁর কথায়— “তিনি আমার দেখা অন্যতম ভদ্র এবং মার্জিত মহিলা। তাঁর মতো একজন পেশাদারের সঙ্গে বিচারক হিসেবে কাজ করা সত্যিই আনন্দের অভিজ্ঞতা ছিল।”

আত্মজীবনীতে খোলসা

বহু বছর পর, ২০২২ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী “Sultan: A Memoir”-এ ওয়াসিম আবারও বিষয়টি পরিষ্কার করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন— প্রথম স্ত্রী হুমার মৃত্যুর পর তাঁকে নানা মহিলার সঙ্গে জড়িয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। সেই তালিকায় সুস্মিতা সেনের নামও উঠে আসে। কিন্তু বাস্তবে তিনি তখন মানসিকভাবে কোনো গুরুতর সম্পর্কে জড়ানোর মতো অবস্থায় ছিলেন না। তাঁর মতে, সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্কের গুজব ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো এক নজরে

  • ২০১০ সালে রিয়েলিটি শো-তে একসঙ্গে কাজ করার পর থেকেই গুজব ছড়ায়।
  • ২০১৩ সালে সংবাদমাধ্যমে তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশিত হয়।
  • সুস্মিতা জানান, ওয়াসিম তাঁর বন্ধু ছাড়া আর কিছু নন।
  • ওয়াসিম বলেন, বারবার গুজব অস্বীকার করতে করতে তিনি ক্লান্ত।
  • আত্মজীবনীতে তিনি স্পষ্ট করেন— কোনো প্রেম ছিল না, কেবল পেশাদার সম্পর্ক।

উপসংহার

সুস্মিতা সেন এবং ওয়াসিম আক্রামের সম্পর্ককে ঘিরে যতই জল্পনা হোক না কেন, তাঁদের নিজস্ব বক্তব্য প্রমাণ করে যে পুরো বিষয়টি ছিল কেবল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। সংবাদমাধ্যমের অতিরঞ্জনই তাঁদের নামকে ঘিরে ভুল ধারণা তৈরি করেছে। বাস্তবে সুস্মিতা এবং ওয়াসিম দুজনেই তাঁদের জীবনে আলাদা পথে এগিয়েছেন। ভক্তদের জন্য শিক্ষা একটাই— সব খবরকেই চোখ বুজে বিশ্বাস না করে, সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি।

#সুস্মিতা_সেন #ওয়াসিম_আক্রাম #বিয়ে_গুঞ্জন #বলিউড_খবর #ক্রিকেট_খবর #সেলিব্রিটি_খবর #বিনোদন_সংবাদ #সম্পর্ক_গুজব #গ্ল্যামার_দুনিয়া #ট্রেন্ডিং #SushmitaSen #WasimAkram #WeddingRumor #BollywoodNews #CricketNews #CelebrityBuzz #EntertainmentWorld #RelationshipRumor #TrendingNow #CelebrityNews
মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক, মমতার কাছে নালিশ

মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে চূড়ান্ত জলঘোলা

মমতার কাছে চিঠি দিয়ে ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা’র দাবি তুললেন মতুয়া শিবির

বিতর্কিত মন্তব্য

“সারাবছর তৃণমূলী, ভোটের সময় সনাতনী? আমরা লক্ষ্মীর ভান্ডারে ১ হাজার টাকা পেলে, তফশিলি জাতির মহিলারা ১২০০ টাকা পেয়ে থাকেন। অথচ, তফশিলি বুথে, নমঃশূদ্র বুথে, মতুয়া বুথে ১০০ টা ভোটের মধ্যে ৮৫ টি পায় বিজেপি। কাঠের মালা পরে তো সবাই চলে আসেন ভাতা নিতে”— তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই মন্তব্য ঘিরে কম জলঘোলা হয়নি।

ঠাকুরবাড়ির মতুয়া শিবিরের একাংশের অভিযোগ, তুলসির মালাকে ‘কাঠের মালা’ বলে তাচ্ছিল্য করেছেন মহুয়া। এতে মতুয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে— লক্ষ্মীর ভান্ডার নিলে কি শাসকদলকেই ভোট দিতে হবে?

মমতার কাছে নালিশ

অবশেষে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন তৃণমূলেরই সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। যদিও চিঠির নিচে সুকেশচন্দ্র চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে, তবে উপরে মমতাবালা ঠাকুরের নাম থাকায় রাজনৈতিক মহল মনে করছে— এর নেপথ্যে তিনিই।

চিঠির মূল বক্তব্য

“সাংসদ মহুয়া মৈত্র মতুয়া, নমঃশূত্র, তফশিলিদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের কটাক্ষ করেছেন। মতুয়াদের প্রাণপ্রিয় কণ্ঠহার আচারমালাকে বিদ্রূপ করে কাঠের মালা বলেছেন। আরও খবর পড়ুন , আজ এসএসসি এর তিনটি মামলায় কি হলো এতে মতুয়াদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। মতুয়া-তফশিলি সমাজ ক্ষুব্ধ। আপনি অভিভাবকের মতো বিষয়টি বিবেচনা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।”

রাজনৈতিক তাৎপর্য

পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট আসন্ন। মহুয়ার এই মন্তব্যে তৃণমূলের উপর চাপ বাড়ল। শুধু ঠাকুরনগরেই নয়, গোটা রাজ্যেই মতুয়াদের উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপিও এই ভোটের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। আরো পড়ুন, দল বদলু দের বিধান সভায় মমতা এক হাত নিলেন

মূল পয়েন্টগুলো

  • মহুয়ার মন্তব্যে মতুয়া সম্প্রদায় ক্ষুব্ধ।
  • মমতার কাছে নালিশ জানালেন মমতাবালা ঠাকুর।
  • চিঠিতে ‘কাঠের মালা’ মন্তব্যের বিরোধিতা।
  • মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে শঙ্কিত তৃণমূল।
  • ২০২৬ বিধানসভা ভোটে এর প্রভাব পড়তে পারে।
মহুয়ার মন্তব্য নিয়ে মতুয়া বিতর্ক | তৃণমূল বনাম বিজেপি | পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog